Breaking News

এবার নুসরাতের হত্যা সহায়তা করা সেই শম্পা গ্রেপ্তার… দেখুন

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায়

সরাসরি অংশ গ্রহণ করা উম্মে সুলতানা পপি ওরফে শম্পাকে আটক করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৫ এপ্রিল)

পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়। তবে এ বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানানো হয়নি পুলিশ থেকে। অন্যদিকে সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান নুসরাতের বাবা একেএম মুসা ও মা শিরিনা আক্তারসহ দুই ভাই। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নুসরাতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও

সান্ত্বনা জানান। তিনি বলেন, দুষ্কৃতকারীরা কেউই আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না। প্রধানমন্ত্রী তাদের সব প্রকার সহযোগিতা করার আশ্বাসও দেন। প্রসঙ্গত, গত ৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় যান নুসরাত জাহান রাফি। মাদ্রাসাছাত্রী

 

তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে এমন সংবাদে তিনি ছাদে যান। সেখানে বোরকা পরা ৪-৫ জন তাকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়। এতে অস্বীকৃতি জানালে তারা নুসরাতের গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার ও পৌর কাউন্সিলর মুকছুদ আলমসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন অগ্নিদগ্ধ নুসরাত জাহান রাফির মা শিরিন আক্তার। এর আগে ২৭ মার্চ ওই ছাত্রীকে নিজ কক্ষে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন অধ্যক্ষ সিরাজ

 

উদ দৌলা। ওই দিনই অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। ওই ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। ইতোমধ্যে নুসরাত হত্যার অন্যতম দুই আসামি নুর উদ্দিন ও শামীম আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন নারকীয় এই হত্যাকাণ্ডের।

About nayem media

Check Also

অবশেষে সত্য প্রকাশ নুসরাতের গায়ে আগুন দিয়ে পানি নিয়ে এসেছিল নুর উদ্দিন।

শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেলো না নুসরাত জাহান রাফিকে। মা-বাবার আর্তি, সতীর্থসহ সকলের প্রার্থনা আর চিকিৎসকদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *