close
অপরাধ

প্রেমের ফাঁদে পড়ে ‘যৌনদাসী’

Yc6CYC_1539596746

মোবাইল ফোনে অপরিচিত নাম্বারে পরিচয়। এরপর কথা বলা। ধীরে ধীরে তা গড়িয়েছে প্রেমের সম্পর্কে। ৬ মাসের মাথায় মা-বাবার সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নেওয়া হয় ফেনীতে। এরপর আর ফিরতে দেওয়া হয়নি তরুণীটিকে। বাধ্য করা হয় দেহ ব্যবসায়। এগুলো তিন মাস

 

আগের কথা। সোমবার (৭ জানুয়ারি) সকালে শহরের রামপুর সৈয়দ বাড়ি সড়কের বাসা থেকে তিন মাস পর রাজধানীর কলেজ পড়ুয়া ওই তরুণীকে উদ্ধারের পর চাঞ্চল্যকর এ তথ্য বেরিয়ে আসে। এ সময় আরও দুই নারীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের লোভনীয় বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে

 

সেখানে নেওয়া হয়। এই তিন মাস ধরে তাদের দিয়ে করানো হয়েছে দেহ ব্যবসা। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, ঢাকার মিরপুর এলাকার কলেজ পড়ুয়া মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হয় রামপুরের সৈয়দবাড়ি লেনের কাওসার বিন কাশেম নিলয়ের সঙ্গে। প্রায় ছয় মাস

আগে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। গত বছরের অক্টোবরে ওই তরুণী কক্সবাজারে বেড়াতে যান। ফেরার পথে মা-বাবার সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়ার কথা বলে মেয়েটিকে মহীপালে নামানো হয়। এরপর সৈয়দবাড়ির কাশেম কটেজে ১২/এ নিয়ে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। ওই বাসায় গিয়ে

 

চক্ষু ছানাবড়া ওই তরুণীর। বাসায় জিম্মি আরও দুই নারী। জানতে পারেন চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে তাদের আনা হয়। এই তিন মাস তরুণীদের বাধ্য করা হয়েছে দেহ ব্যবসা করাতে। বন্ধু-বান্ধবদের বাসায় এনে প্রতিদিনই দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা হতো। প্রতিবেশীরা টের পেয়ে খবর দিলে শহর

পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শাহজাহান মিয়া তালা ভেঙে বাড়িটিতে হানা দেন। উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। আটক করা হয় নিলয় ছাড়াও ফেনী সদর উপজেলার মধ্যম কাছাড় গ্রামের সায়েম, সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের ব্রামনী বাজার গ্রামের আলিফুল ইসলাম আরমানকে গ্রেপ্তার

 

করা হয়। এ ঘটনায় ওই কলেজছাত্রী বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা করে। ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ তিন তরুণীকে উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার তিন বখাটেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

nayem

The author nayem

Leave a Response