close

অন্যান্য

অন্যান্য

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে আইনজীবীদের নতুন সিদ্ধান্ত

safe_image

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান মামলা ও এসব মামলার সর্বশেষ বিচারিক অবস্থা নিয়ে একটি তালিকা প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার আইনজীবী প্যানেলের সদস্যরা। একইসঙ্গে কুমিল্লার আদালতে চলমান হত্যা মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি

 

দীর্ঘায়িত করায় এ বিষয়ে হাইকোর্টে আবেদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে আইনজীবীরা এসব সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার,

 

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সিনিয়র অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজাক খান, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, মীর নাসির, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান, জয়নুল আবেদীন মেসবাহ্ প্রমুখ আইনজীবীরা।

বৈঠকের পর অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বৈঠকে আমরা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া গ্যাটকো মামলার নথি সংগ্রহ ও পর্যালোচনার বিষয়েও আলোচনা করেছি।’ এদিকে বৈঠক সূত্রে আরও

 

জানা গেছে, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বড় পুকুরিয়া ও নাইকো দুর্নীতি মামলার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন আইনজীবীরা। আগামী ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া গ্যাটকো দুর্নীতি মামলাটি অভিযোগ গঠনের (চার্জ ফ্রেমিং) জন্য রয়েছে। এ গ্যাটকো দুর্নীতি মামলাটির

নথি সংশ্লিষ্ট আদালত শাখা থেকে সংগ্রহ করে মামলাটির বিষয়ে পুনরায় আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আইনজীবীরা। এছাড়াও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকায় ২ টি এবং নড়াইলে দায়ের হওয়া একটি মানহানির মামলার কার্যক্রম স্থগিত করতে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আইনজীবীরা।

 

পাশাপাশি এখন থেকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর যাবতীয় নথি ও আদেশের অনুলিপি উত্তোলনের ব্যয়ভার বিএনপি’র পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলেও বৈঠকে আলোচনা হয়।

read more
অন্যান্য

বিএনপি রেখেই ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকের কারণ জানালেন খন্দকার মোশাররফ

Untitled-1-copy-77-869×400

অন্যতম প্রধান শরিক হলেও বিএনপির প্রতিনিধির অনুপস্থিতিতেই অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জরুরি বৈঠক। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে বৈঠক শুরু হয়। ৫টা ৫০ মিনিটে বৈঠক শেষ হয়।

 

বৈঠকে উপস্থিত হননি বিএনপি মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।ঐক্যফ্রন্ট সূত্র জানিয়েছে, অসুস্থতার কারণে বৈঠকে যোগ দেননি মির্জা ফখরুল। এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে মির্জা ফখরুলের একান্ত সচিব মো. ইউনুসকে ফোন দিলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।

 

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ রয়েছেন। কিন্তু আজকের খন্দকার মোশাররফ ও মওদুদ আহমদ বা দলটির কোনো প্রতিনিধিকে বৈঠকে দেখা যায়নি।এ

বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমি মিটিংয়ের খবর জানি না। আমাকে জানানো হয়নি, এটা আমি বলতে পারি। তাই বলতে পারবো না কিসের মিটিং।’ ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে

 

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জেএসডি’র সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ঐক্যফ্রন্টের নেতা সুলতান মোহাম্মাদ মুনসুর, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।

সুত্রঃ bangladeshtoday

read more
অন্যান্য

ফের বিয়ে করলেন সালমা

9bPngW_salma

আবারও বিয়ে করলেন ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বিডি২৪লাইভকে বিয়ের বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। এসময় তিনি জানান, ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি বিয়ে করেছেন। তার স্বামীর নাম সানাউল্লাহ সাগর।

 

তিনি পেশায় এ্যাডভোকেট। বর্তমানে তার স্বামী লন্ডনে আছেন। তার বার অ্যাট-ল শেষ করতে ৪ মাস বাকি। সালমা আরো জানান, কোথাও কোথাও সংবাদ প্রকাশ হয়েছে আমি যুক্তরাষ্ট্রে ব্যারিস্টারি পড়তে যাচ্ছি। আসলে যুক্তরাষ্ট্রে না আমি পড়তে গেলে ইউকেতে যাবো। বর্তমানে ঢাকায় বিপিবি

 

ইউনিভার্সিটিতে আইনে পড়ছি আমি। সেকেন্ড ইয়ার শেষ হয়েছে। ফলাফল প্রকাশ হলে সিদ্ধান্ত নিব দেশের বাইরে যাওয়ার। ক্রেডিট ট্রান্সফার করে থার্ড ইয়ার ও ফাইনাল ইয়ার ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে কিংবা ওখানকার অন্য কোনো ইউনিভার্টিতেও করতে পারি। কোন ভার্সিটিতে পড়বো এখনো

চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। সালমা আরও বলেন, ‘ইউকের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স শেষ করে সেখানেই বার অ্যাট-ল করবো। ব্যারিস্টার হয়ে দেশে ফিরবো। পড়ালেখা চলছে। নির্বাচনের পরেই বাইরে যাওয়ার প্রসেসিং শুরু করবো। এরই মধ্যে আমার কয়েকজন বন্ধু পড়তে

 

চলেও গিয়েছে।’ উল্লেখ্য, ২০১১ সালে পারিবারিকভাবে শিবলী সাদিককে বিয়ে করেন সালমা। শিবলী সঙ্গীত পরিবারের ছেলে হলেও পিতার উত্তরসূরি হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। ২০১২ সালে ১ জানুয়ারি তাদের সংসারে কন্যা সন্তান স্নেহার জন্ম।

সাংসারিক দ্বন্দ্বের কারণে ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর স্বামী শিবলী সাদিকের মধ্যে রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি হোটেলে উভয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিচ্ছেদের সব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

read more
অন্যান্য

বৈঠকে মির্জা ফখরুলের অনুপুস্থিতির কারন জানালেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা

dertyusrtj

একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংলাপ করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ ১৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকালে ফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

 

এদিকে বৈঠক শেষে জেএসডি’র সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘গত ৩০ ডিসেম্বর যে নির্বাচন হয়েছে তাতে জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না। এই নির্বাচন বাতিলের দাবিতে ঐক্যফ্রন্ট আন্দোলন চালিয়ে যাবে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংলাপে বসছি আমরা।’ এদিকে জাতীয় সংলাপের এই

 

অনুষ্ঠান রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অথবা রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে করার চিন্তা করছে ঐক্যফ্রন্ট। মতিঝিলে গণফোরামের সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে বিকাল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। বৈঠকে

ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক বিএনপির পক্ষ থেকে কোন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। এদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কিংবা দলটির কোনো প্রতিনিধি বৈঠকে ছিলেন না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, ‘আমি

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের সঙ্গে কথা বলেছি। উনি অসুস্থ সেজন্য আসতে পারেননি। বৈঠকে আসার কথা ছিল ড. আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর বাবুর। উনারা একটা জায়গায় আটকা পড়েছেন। আগামী মিটিংয়ে আমরা একসঙ্গে হবো।’ ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপির কোনো

মনোমালিন্য চলছে কিনা প্রশ্ন করা হলে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘না না। আমরা প্রথমে যে অবস্থায় শুরু করেছি আমরা এখনো ঐক্যফ্রন্ট একই জায়গায় আছি। আমাদের মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই।’ এ সময় ড. কামাল হোসেন বিদেশে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে কবে যাচ্ছেন জানতে

 

চাইলে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘উনি শনিবার যাচ্ছেন। ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকের জেএসডির আসম আবদুর রব, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য সংস্থার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

read more
অন্যান্য

এমপি হওয়ার দৌড়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন অপু বিশ্বাস !

aa-2

চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠিত নায়িকা অপু বিশ্বাস জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। বিষয়টি অপু বিশ্বাস নিজেই নিশ্চিত করে বলেন, ‘গত মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছি।’ একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রচারণায় নামেন অপু

 

বিশ্বাস। এক ভিডিওবার্তার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের হয়ে নৌকায় ভোট চান নায়িকা তিনি। এর আগে তিনি সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম ক্রয় করার কথাও চিন্তা করেন বলে জানা যায়। পরে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন ফরম কেনেন। অপু বিশ্বাস বলেন, আমার

 

আত্মবিশ্বাস আছে। নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়ানো ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সাথে থাকতে পারাকে আমি বিশাল সৌভাগ্য বলে মনে করি। মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছি, এখন বাকিটা ওপর আলার ইচ্ছা। নির্বাচনের পূর্বে অপু বিশ্বাস এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদের প্রাণের

বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই বাংলাদেশ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেভাবে দেশ উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তারই ধারাবাহিকতা

 

অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বিজয়ের এই মাসে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হয়ে আমি মুক্তিযুদ্ধ ও নৌকার পক্ষে ভোট দেবো।’ অবন্তী বিশ্বাস অপু। বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের নায়িকা। অবশ্য এ নামে খুব অল্প মানুষই চিনে তাকে, সবাই চিনে অপু বিশ্বাস নামে।

 

২০০৪ সালে আমজাদ হোসেন পরিচালিত কাল সকালে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রাঙ্গনে আবির্ভূত হলেও পরিচিতি পান শাকিব খানের বিপরীতে কোটি টাকার কাবিন ছবিতে অভিনয় করে।

read more
অন্যান্য

দেওবন্দে তাবলিগ জামাতের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা

ffffd-696×370

ভারতের সুপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘দারুল উলুম দেওবন্দ’ মাদরাসা আঙিনায় তাবলিগের সার্বিক কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম আবুল কাশেম নুমানি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

 

বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) দেওবন্দ মাদরাসার প্রধান ফটক ‌‘বাবুজ জাহের’-এর নোটিশ বোর্ডে এ নিষেধাজ্ঞা নোটিশ টানানো হয়। আজকের নিষেধাজ্ঞার ফলে এ নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো এ কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করলো দারুল উলুম দেওবন্দ।

 

নিষেধাজ্ঞা নোটিশ বলা হয়- ‘প্রিয় ছাত্রবৃন্দ, দ্বীনের প্রচার ও প্রসারের কাজ আমাদের ওপর ফরজ। তবে তাবলিগ জামাতের অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের কারণে সৃষ্ট ফেতনা থেকে দারুল উলুমকে বাঁচানোর জন্য দারুল উলুম কর্তৃপক্ষ প্রথম থেকেই এ সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন যে- দারুল উলুমের কোনো ব্যক্তি

(তাবলিগের) দুই পক্ষের কারো সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে না। এ জন্য প্রিয় ছাত্রবৃন্দ! দারুল উলুমের (দেওবন্দের) চৌহদ্দির ভেতর ও বাহিরে তাবলিগ জামাতের চলমান সঙ্কট নিয়ে মাথা ঘামাবে না। যদি দারুল উলুমের (দেওবন্দের) কোনো ছাত্র কিংবা বহিরাগত কেউ দারুল উলুমের (দেওবন্দের)

 

চৌহদ্দির ভেতর এ (চলমান সঙ্কটের) ব্যাপারে মাথা ঘামায়, তাহলে অন্য ছাত্ররা এতে (নিজেদের) না জড়িয়ে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করবে।

যদি কোনো ছাত্র আইন অমান্য করে কোনো নিষিদ্ধারোপিত কাজে লিপ্ত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নেয়া হবে। আবুল কাসেম নুমানি মুহতামিম, দারুল উলুম দেওবন্দ ১০-০৫-১৪৪০ হিজরি

read more
অন্যান্য

টেরিজা মে-র ব্রেক্সিট চুক্তি এত শোচনীয়ভাবে হারলো কেন?

_105211819__105208152_e873923b-3b36-46d6-afe1-2caff15ccbf5

প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে’র ব্রেক্সিট চুক্তিটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস হলো না কেন? তার নিজের রক্ষণশীল দলেরই ১১৮ জন এমপি এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিশাল ব্যবধানে, ৪৩২-২০২ ভোটে – প্রস্তাবটি পরাজিত হয়েছে, যা বিস্মিত করেছে সবাইকে। কেন এমন হলো? এর পেছনে করেছে বহু

 

রকমের কারণ, যা বেশ জটিল। প্রথম কথা : ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে কোন সীমান্ত চৌকি, দেয়াল বা বেড়া – এসব কিছুই নেই। এক দেশের লোক অবাধে যখন-যেভাবে খুশি আরেক দেশে যেতে পারে, অন্য দেশে গিয়ে কাজ করতে পারে। কিন্তু ব্রিটেন যদি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন

 

থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে তো ব্রিটেন অন্য দেশ হয়ে গেল। ফ্রি মুভমেন্ট অব পিপল – যা ইইউএর মূল নীতির অন্যতম স্তম্ভ – তা আর তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, এবং সেক্ষেত্রে ব্রিটেন ও ইইউ-র মধ্যে সীমান্ত ফাঁড়ি থাকতে হবে। এক দেশের লোক বা পণ্য আরেক দেশে যেতে হলে কাস্টমস চেকিং

পার হতে হবে। কিন্তু ব্রিটেন হলো একটা দ্বীপপুঞ্জ। ইউরোপ ও ব্রিটেনের মধ্যে আছে সমুদ্র – ইংলিশ চ্যানেল এবং নর্থ সী। এই সাগরই সীমান্ত। কিন্তু একটি-দুটি ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম আছে। যেমন আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড মিলে একটি আলাদা দ্বীপ। উত্তর আয়ারল্যান্ড ব্রিটেনের

 

অংশ। আর আইরিশ প্রজাতন্ত্র একটি পৃথক দেশ এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য । এ দুয়ের মধ্যে আছে স্থল সীমান্ত । তাই ব্রেক্সিটের পর এটিই পরিণত হবে ইউরোপ আর ব্রিটেনের স্থল সীমান্তে। ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES Image caption ব্রেক্সিটে সমস্যা তৈরি করে আইরিশ

সীমান্ত ব্রিটেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেলেই এ সীমান্তে কাস্টমস চৌকি বসাতে হবে। আয়ারল্যান্ড আর উত্তর আয়ারল্যান্ডের মধ্যে যত মানুষ ও পণ্য এখন মুক্তভাবে চলাচল করে – তখন তা আর থাকবে না। শত শত ট্রাক-বাসকে এখানে থামতে হবে, কাস্টমস চেকিং-এর জন্য লাইন

 

দিতে হবে, পণ্য চলাচলে অনেক সময় ব্যয় হবে, দিতে হবে শুল্ক। কিন্তু অন্যদিকে দেখুন – এই দুই আয়ারল্যান্ডের মানুষের ভাষা এক, সংস্কৃতি এক, অনেক পরিবারেরই দুই শাখা দুদিকে বাস করে। ইইউর অংশ হবার কারণে এতদিন সেখানকার লোকেরা মুক্তভাবে একে অন্যের দেশে গিয়ে চাকরি-

 

বাকরি ব্যবসাবাণিজ্য করতেন । এই সবকিছুর মধ্যেই তখন নানা বাধার দেয়াল উঠে যাবে। আরো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, উত্তর আয়ারল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সহিংস বিদ্রোহের অবসানের জন্য হওয়া গুড ফ্রাইডে চুক্তিতেও আয়ারল্যান্ডের দুই অংশের যোগাযোগ যেভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে – তাও এতে বিপন্ন হতে পারে। এটা যাতে না হয় – সেজন্যই ব্রেক্সিটের পরের জন্য টেরিজা মে’র পরিকল্পনায় ছিল ‘ব্যাকস্টপ’ নামে এক

 

ব্যবস্থা। বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন: ব্রিটিশ পার্লামেন্টে টেরিজা মে’র ব্রেক্সিট চুক্তি নাকচ Image caption টেরিজা মে’র প্রস্তাবে ব্যাকস্টপ ব্যবস্থা নিয়েই বেধেছে বিপত্তি এতে বলা হয়, দুই আয়ারল্যান্ডের মধ্যে কোন ‘হার্ড বর্ডার’ বা বাস্তব সীমান্ত থাকবে না. মানুষ ও পণ্যের অবাধ চলাচল

যথাসম্ভব আগের মতোই থাকবে। তবে ব্যাকস্টপ ব্যবস্থায় সেই সীমান্ত পিছিয়ে চলে যাবে আইরিশ সাগরে। অর্থাৎ উত্তর আয়ারল্যান্ড থেকে পণ্যবাহী ট্রাক যখন ব্রিটেনের মূলভুমিতে ঢোকার পথে সাগর পার হবে – তখন তার কাস্টমস চেকিং হবে, তার আগে নয়। অন্যদিকে ব্রিটেন থেকে যখন পণ্যবাহী ট্রাক উত্তর আয়ারল্যান্ডে যাবে – তখন সেই পণ্য ইইউ মানের সাথে সংগতিপূর্ণ কিনা তাও পরীক্ষা করাতে হবে। কিন্তু এর বিরোধীদের আপ

 

ত্তি হলো – তাহলে তো দেশের দুই অংশের জন্য দু’রকম নিয়ম হয়ে যাচ্ছে। ব্রিটেন ইইউ থেকে বেরিয়ে গেলেও তার অংশ উত্তর আয়ারল্যান্ড ইইউর আইনের কাঠামোর মধ্যেই থেকে যাচ্ছে, এটা হতে পারে না। টেরিজা মে বলছেন, এ ব্যবস্থা হবে সাময়িক। কিন্তু তার পরিকল্পনার বিরোধীরা বলছেন,

এই চুক্তিতে ব্যাকস্টপের কোন সীমা বেঁধে দেয়া হয় নি, এবং যুক্তরাজ্য চাইলেও একতরফাভাবে এ থেকে বেরিয়েও যেতে পারবে না। ছবির কপিরাইটHOC Image caption বিরোধীদলয়ি নেতা জেরেমি করবিন টেরিজা মে’র সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবও এনেছেন কিন্তু মিসেস মে

 

বলছেন, তার চুক্তিই একমাত্র দলিল যার ফলে ইইউ থেকে ব্রিটেনে অবাধে ইউরোপিয়ানদের আগমন ও চাকরি করা বন্ধ হবে, ইউরোপিয়ান আদালতের প্রাধান্য থেকে মুক্ত হয়ে ব্রিটেন তার ইচ্ছেমত আইন প্রণয়ন করতে পারবে, পৃথিবীর যে কোন দেশের সাথে স্বাধীনভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যের চুক্তি করতে

পারবে, এবং তার সমুদ্রসীমার কর্তৃত্ব ফিরে পাবে, ব্রিটেনের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হবে। কিন্তু তার দলের ভেতরের বিরোধী এমপিরা বলছেন, এর ফলে ব্রিটেন আসলে কখনোই ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরোতে পারবে না, ইইউর সম্মতি ছাড়া ব্রিটেন কোন সিদ্ধান্তও বাস্তবায়ন করতে পারবে না,

 

এর ওপর ইইউকে ব্রিটেন যে চাঁদা দেয় – তাও দিতে হবে। মিসেস মে’র নিজের দলের এমপিদের বিরোধিতার ফলেই এই প্রস্তাব পার্লামেন্টে পাশ হয় নি, ২৩০ ভোটের ব্যবধানে তা পরাজিত হয়েছে। ব্রিটেনের ইতিহাসে এত বড় ব্যবধানে ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীর কোন প্রস্তাব পার্লামেন্টে হেরে যায় নি।

ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES Image caption এই মহাসড়কের ঠিক মাঝখানে দুই আয়ার‍ল্যান্ডের সীমান্তে, অবাধে চলছে যানবাহন ফলে অনেকেই বলছেন, মিসেস মে’র ব্রেক্সিট চুক্তি – যাতে ইইউর নেতাদেরও সম্মতি ছিল – তা এখন মৃত। টেরিজা মে-কে পদত্যাগ করতে না হলেও তিনি

 

ওই প্রস্তাব নিয়ে আর এগুতে পারবেন না। তাকে ব্রেক্সিটের নতুন কোন পরিকল্পনা নিয়ে আসতে হবে। ২৯শে মার্চের আগে তা না পারলে, কোন চুক্তি ছাড়াই হয়তো ব্রিটেনকে ইইউ থেকে বেরিয়ে যেতে হবে – যা তার অর্থনীতি-রাজনীতির জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে বলে অনেক বিশ্লেষকই বলছেন।

read more
অন্যান্য

যে হারে বেতন বাড়িয়েছি, পৃথিবীর কোনও দেশে তা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

oio

দুর্নীতি রোধে সরকারি কর্মীদের বেতন-ভাতা প্রয়োজন অনুসারে বাড়ানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘যে হারে বেতন আমরা বাড়িয়েছি। এ উদাহরণ মনে হয় পৃথিবীর কোনও দেশে নাই।

 

বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘যে লক্ষ্য আমরা নিয়েছি তা পূরণ করার জন্য সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলা দরকার।

 

আমরা বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এতো বেশি বৃদ্ধি করে দিয়েছি, সেক্ষেত্রে আমি তো মনে করি আমাদের দুর্নীতির কোনও প্রয়োজনই নেই।’ সরকারি কর্মীদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যা প্রয়োজন তার সব আমরা মেটাচ্ছি, তাহলে দুর্নীতি কেন হবে?

কাজেই এখানে মানুষের মন-মানসিকতাকে পরিবর্তন করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সবাইকে অনুরোধ করবো, একটা কথা মনে রাখতে হবে যে, দেশটা আমাদের। আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি। আজকে সারাবিশ্বে একটা সম্মানজনক জায়গায় আসতে পেরেছি। এখন সেই পাকিস্তানও বলে আমাদেরকে

 

বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। আজকে কিন্তু আর তলাবিহীন ঝুড়ি বলার সাহসও তাদের নেই। বলতেও তারা পারবে না। এই এগিয়ে যাওয়া, এই যাত্রা আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে।’ অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে প্রয়োজন অনুসারে নির্দিষ্ট পদে পদায়নের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘পদ ফাঁকা পেলেই পদায়ন নয়

, যার যে বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ রয়েছে তাকে সেই জায়গায় পদায়ন করতে হবে।’ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বক্ষেত্রেই ডিজিটাল সুবিধা ব্যবহার করতে হবে। এর মাধ্যমে আমি মনে করি স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত হতে

 

পারে।’ আগামী ৫ বছরে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আমরা লক্ষ্য ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ধরা হলেও এটা ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে, প্রবৃদ্ধি এই পাঁচ বছরের মধ্যে যেন ১০ ভাগে তুলতে

পারি।’ প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির সঙ্গে নিম্ন মূল্যস্ফীতি রাখতে পারার সফলতার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উচ্চ প্রবৃদ্ধি আর নিম্ন মূল্যস্ফীতির সুফলটা কিন্তু একেবারে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়। মানুষ এর সুফলটা ভোগ করে। আমাদের উন্নয়নের সব থেকে বড় সুফলটা হচ্ছে এটাই। কারণ

 

অনেক দেশ অনেক দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করে, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তাদের মূল্যস্ফীতিও অনেক বেড়ে যায়। সেখানে আমরা এটা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।’ এ সময় অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

 

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফয়েজ আহম্মদ। উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

read more
অন্যান্য

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিলেন তথ্যমন্ত্রী

fssffgdd

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টা থেকে ক্লাস শুরু করে এক ঘণ্টা ক্লাস নেন তথ্যমন্ত্রী।

 

গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে একটি ক্লাস নেয়ার পর শিক্ষার্থীরা হাছান মাহমুদকে নিয়মিত শিক্ষক হিসেবে পেতে ইচ্ছা পোষণ করেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবি এবং অনুরোধে হাছান মাহমুদ গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।

 

২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সে গ্লোবাল ক্লাইমেট চেঞ্জ বিষয়ক ৫০২ নম্বর কোর্সের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে আজ শেষ ক্লাস নিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা শেষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আগেও আমি পরিবেশ বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ

স্টাডিজ বিষয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেছি। রাজনীতিবিদদের ক্লাস নেয়া নতুন নয়, বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদরা ক্লাস নেন। সব কিছু মিলিয়ে সম্ভব হলে শিক্ষকতা অব্যাহত রাখব। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্যমন্ত্রীর ক্লাস নেয়ার বিষয়ে

 

জাবির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভুঁইয়া বলেন, তথ্যমন্ত্রীকে আমাদের বিভাগের শিক্ষক হিসেবে পেয়ে আমরা খুশি এবং আনন্দিত। আমরা চাই পরবর্তীতে যেন তিনি আমাদের বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। শিক্ষার্থীরাও তার ক্লাস করতে আগ্রহী।

read more
অন্যান্য

জামায়াতের বাইরে যাওয়ার যায়গা নেই বিএনপির: শাজাহান খান

K88wpR_1547642728

সমস্ত জোট ভোটের জন্যেও হতে পারে আবার আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্যেও হতে পারে, এই আদর্শ বিহীন কোনো রাজনীতি রাষ্ট্র পরিচালনা দেশ জনগণের কল্যাণ করতে পারেনা বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক নৌ-পরিবন মন্ত্রী শাজাহান খান। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশো অনুষ্ঠানে, বিএনপির

 

রাজনৈতিক টানাপোড়ন কি ভোটের জন্যে নাকি আদর্শিক যায়গায় এমন এক প্রশ্নের জবাবে সাবেক নৌ-পরিবন মন্ত্রী শাজাহান খান একথা বলেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে সরকার পরিচালিত হতে হবে আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে বিরোধীদলকেও পরিচালিত হতে হবে

 

হবে। এটাই হচ্ছে আমাদের আদর্শ এবং চেতনা। এইটা যাদের মধ্যে থাকেনা তারা বিভ্রাটের মধ্যে পরে যেটা এখন বিএনপি পরেছে। তিনি বলেন, বিএনপি জোট ছিল প্রথমত ছিল জামাত ভিত্তিক। তারা জামায়াতকে এমন হৃষ্টপুষ্ট করেছে যে জামায়াতের বাইরে তাদের যাওয়ার যায়গা নেই। যখন

বিএনপি জামায়াতকে নিয়ে হোঁচট খাচ্ছিল এ অবস্থায় তারা ভর করল এসে ড. কামালের ওপর। তিনি আরও বলেন, ড. কামাল বললেন যখন বললেন জামায়াতিদের সাথে আমরা জোট করব না। তখন আমরা ভাবলাম তিনি হয়তো তার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের যায়গাটা ধরে

 

রেখেছে। কিন্তু যখন জামায়াতের সাথেও তারা জোট করল তখন তারা বললো তারা জামায়াত নয় তারা বিএনপির সাথে বৈঠক করেছে, পরে বিএনপি আবার জামায়াতের সাথে বৈঠক করল তখন তারা ২০ দলীয় জোট না বলে বলল বিএনপির সাথে বৈঠক করেছে। কিন্তু যখন নমিনেশন দিল

তখন কিন্তু তারা ২৫ জন জামায়াতিদের নমিনেশন দিল। এখন তিনি বলছেন আমি জানতাম না জামাতিদের নির্বাচনে প্রার্থী করা করা হয়েছে। এইটা আসলে একটা লুকোচুরি করা হয়েছে। ওনার (ড. কামাল) মত মানুষ এত বড় একটা ভুল করবে? আমি জানিনা। শাজাহান খান। ফাইল ফটো

 

বিএনপির ব্যর্থতার যায়গার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেই জনগণের জন্যে রাজনীতি সেই জনগণকেই পুড়িয়ে পিটিয়ে হত্যা করবেন সেই রাজনীতি জনগণ গ্রহণ করতে পারেনা। আর পারেনা বলেই তারা এই যায়গাটায় এমন ভাবে কুঁজো হয়ে গেছে যে তাদের মেরুদণ্ড সোজা করতে

পারাটা কঠিন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শাজাহান খান বলেন, ৭০ এর নির্বাচনে জনগণের ব্যাপক সাড়া ছিল, এবারের নির্বাচনেও সেই উৎসব উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নির্বাচন হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লেখক গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ, ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার।

read more
1 2 3 89
Page 1 of 89