close

অন্যান্য

অন্যান্য

সৌদিতে অবস্থানরত প্রবাসীরা সাবধান! কারন জেনে নিন এখনি…

Untitled-1-copy-5

সৌদিতে অবস্থানরত প্রবাসীরা সাবধান! কারন জেনে নিন এখনি…

সৌদি আরবের আইনশৃংখলা রক্ষায় মাঠে নামছে নতুন বাহিনী। সৌদি যুবরাজের ২০৩০ সালকে সামনে রেখে আরো আধুনিক সৌদি গড়ার প্রত্যয়ে নানান সংযোজন বিয়োজনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব। এরই অংশ হিসেবে এই উদ্যেগ, মহিলা পুলিশ বাহিনী।

 

এই মহিলা পুলিশ বাহিনী থাকবে সৌদি রাস্তায়। সম্প্রতি সৌদি আরব দেশটির নারীদের ট্যাক্সি চালানোর অনুমতি দেয়। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, দেশটির ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মোহাম্মদ আল বাসামি নিশ্চিত করেছেন নারীদের গাড়ি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, নারীদের গাড়ি চালানো শেখানোর জন্য ছয়টি শহরে পাঁচটি স্কুলকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অনেক আবেদন অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।আল বাসামি আরও জানান, নারীদের জন্য ড্রাইভিং স্কুল এরই মধ্যে চালু হয়েছে। ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টের প্রশাসনিক ও সড়কের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনের জন্য অনেক নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

 

 

যদিও এই প্রশিক্ষিত নারী চালকদের সহায়তার উদ্দেশ্যে এই নারী পুলিশকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তারা কিন্তু সৌদি ট্রাফিক পুলিশের অংশ হিসেবে পুরুষ চালকদেরও সৌদি ট্রাফিক আইন মানতেও বাধ্য করবেন। এক্ষেত্রে প্রবাসী চালকদের সাবধান হতে হবে। কারন, পুরুষ ট্রাফিকদের হয়তো আপনি বুঝিয়েও অনেক ক্ষেত্রে ছাড় পেয়েছেন। কিন্তু নারী পুলিশরা স্বাভাবিক ভাবেই বাস্তবতা মানতে চাইবেন না, তারা আইন দিয়েই চালকদের আটকাবেন।

 

 

আর্জেন্টিনার দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিলেন ক্রোয়েশিয়া কোচ

আর্জেন্টিনার আশা জেগে উঠেছে আবার। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে নাইজেরিয়া জেতায় নকআউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তাদের। তবে তার জন্য ক্রোয়েশিয়ার ‘সাহায্য’ চাই আলবিসেলেস্তেদের। কিন্তু ক্রোয়েশিয়া কোচের আইসল্যান্ডের বিপক্ষে দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের বিশ্রাম দেওয়ার ঘোষণায় দুশ্চিন্তার মেঘ জমাট বেঁধেছে আরও।

 

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ নাইজেরিয়া। আর ক্রোয়েশিয়ার মু্খোমুখি হবে আইসল্যান্ড। আর্জেন্টিনা যদি তাদের শেষ ম্যাচ জিতে যায়, আর আইসল্যান্ড যদি জিততে না পারে, তাহলে নকআউট পর্বে চলে যাবে আর্জেন্টিনা। ইউরোপের দেশটির জয়ের পরও লাতিন আমেরিকার দেশটি সম্ভাবনা থাকবে, তবে সেটা অনেক জটিল সমীকরণ।

 

সহজ হিসাব হলো শেষ ম্যাচে নিজেদের জয়ের সঙ্গে প্রার্থনা করতে হবে যাতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জিততে না পারে আইসল্যান্ড। আর এজন্য ক্রোয়েটদের সাহায্য ভীষণ দরকার আর্জেন্টিনার। কিন্তু দলটির কোচ জাৎকো দালিচ শুনিয়েছেন ‘হতাশার কথা’। নকআউট পর্ব নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় দলের সেরা খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেবেন তিনি, যা আর্জেন্টিনার জন্য চরম দুশ্চিন্তার খবরই।

 

টানা দুই ম্যাচ জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়ে গেছে ক্রোয়েশিয়ার, তাই সংবাদ সম্মেলনে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, আইসল্যান্ডের বিপক্ষে কোনও খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রাখবেন কিনা। উত্তরে দালিচ বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমি বিশ্রাম দেবো।’ নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে সেরা কোনও খেলোয়াড়ের চোট নিশ্চয় চাইবেন না কোচ।

 

ক্রোয়েশিয়া কোচের বক্তব্যে আর্জেন্টিনা থেকে কোনও মন্তব্য না এলেও নাইজেরিয়া অধিনায়ক জন অবি মিকেল ধুয়ে দিয়েছেন তাকে। আর্জেন্টিনার চেয়ে আফ্রিকার দেশটির সম্ভাবনাই যে বেশি। ক্রোয়েশিয়া যদি আইসল্যান্ডকে আটকে দেয় তাহলে আর্জেন্টিনার সঙ্গে ড্র করেও ৩ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ষোলোতে চলে যাবে নাইজেরিয়া। গোল ডটকম

read more
অন্যান্য

যেসব কারণে পুনরায় বিজয়ী হবেন এরদোগান

Untitled-3-copy-45

যেসব কারণে পুনরায় বিজয়ী হবেন এরদোগান

আগামী ২৪ জুন তুরস্কে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সংসদ ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায় প্রবেশের পর এটাই তুরস্কের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও সংসদ নির্বাচন।

গত ১৬ বছরে শাসনামলে এবারই প্রথম এরদোগানের মোকাবেলায় শক্তিশালী বিরোধী জোট গঠিত হয়েছে। ১৯২৪ সালে আধুনিক তুরস্কের যাত্রার পর হতে এরদোগানের দল একেপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তুরস্ককে শাসন করে যাচ্ছে।

২০০২ সালে এরদোগান ক্ষমতায় আসার আগে ‘ইউরোপের রুগ্ণ দেশ’ হিসেবে পরিচিত কট্টর ধর্মহীন সেক্যুলার রাষ্ট্র তুরস্কের ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জনগণকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রদানের মাধ্যমে অধিকাংশ জনগণের সমর্থন আদায়ে সক্ষম হয়।

একই সঙ্গে সেনা ক্যু এবং অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যা সমাধান করে জনমুখী উন্নয়নের মাধ্যমে পুনরায় ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা থাকলেও বিদেশি শক্তিগুলোর ষড়যন্ত্রে সম্প্রতি তুরস্কের অর্থনীতিতে ১২ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি, ইউরোপে এরদোগানের প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা, সিরিয়ান রিফিউজি ইস্যু এবং বিরোধী দলগুলোর প্রথমবারের মতো জোটবদ্ধ লড়াইয়ের কারণে সংসদীয় নির্বাচনে ৬০০ আসনের মধ্য ৩০০ এর অধিক আসনে বিজয়ী হওয়া অনেকটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ালেও এরদোগানকে এই মুহূর্তে পরাজিত করাটা অনেক কঠিন।

বিরোধীজোটের কৌশলগত প্রার্থী প্রদান সংসদ নির্বাচনে বড় একটা হুমকি। এরদোগানের আসনগুলো দখল করলে বিরোধীজোট বিভিন্ন স্থানে অত্যন্ত কৌশলে নিজেদের প্রতীক এবং দল পরিবর্তন করে প্রার্থী দিয়েছে। ইতিমধ্যে ইসলামপন্থী দল সাদাত পার্টির ৬ জন প্রার্থী আতার্তুকের সিএইচপি থেকে প্রার্থী হয়েছে।

কোনিয়া প্রদেশে সিএইচপির ২নং প্রার্থী হিসেবে সাদাত পার্টির যুব শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল কাদির কারাদুমান, কায়সেরি প্রদেশে ২নং প্রার্থী হিসেবে আহমেদ ইলদিস, ইস্তানবুল প্রদেশে ৯নং প্রার্থী হিসেবে সিভাস প্রাদেশিক যুব শাখার সভাপতি নাজির জাহাঙ্গীর, ইস্তানবুল ১১নং প্রার্থী হিসেবে হুসাইন এমরে, সামসুন প্রদেশে ৩নং প্রার্থী হুসাইন শাহীন, ট্রাবজোন প্রদেশে সাদাত পার্টির প্রাদেশিক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল কাদির চেলেবি সিএইচপি থেকে প্রার্থী হয়েছে।

এছাড়াও ইস্তানবুল প্রদেশে সাদাত পার্টির ১নং প্রার্থী হিসেবে কুর্দিশ জাতিয়তাবাদী দল এইচডিপির সাবেক এমপি আলতান তান প্রার্থী হয়েছে। বিরোধী জোটের কৌশলগত প্রার্থী প্রদানে এরদোগানের ৪০-৫০ আসনে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিরোধীদলের সব পরিকল্পনা এরদোগানের ক্যারিশমেটিক নেতৃত্বের কাছে পরাজিত হবার সম্ভাবনাই বেশি।

যেসব কারণে এরদোগান পুনরায় বিজয়ী হবার সম্ভাবনা রয়েছে:

এরদোগানের উন্নয়ন পলিসি

আদর্শিক কারণে যারা এরদোগানকে অপছন্দ করে তারাও এরদোগানের নেতৃত্বে ইউরোপের মতো তুরস্কের উন্নয়ন পলিসিকে পছন্দ করে। শিক্ষা, চিকিৎসাসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে এরদোগান জনগণের হৃদয়ে যে অবস্থান করে নিয়েছে তা এত দ্রুত ভেঙে পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে সফল পররাষ্ট্রনীতি

ইউরোপ এবং আমেরিকার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক না থাকলেও সম্প্রতি বছরগুলোতে ইরান, রাশিয়া এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কের অনেক উন্নয়ন ঘটেছে। গত তিন মাস আগে সিরিয়ার আফরিনে সফল অভিযান সাধারণ তার্কিশদের মনে এরদোগানের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

পিকেকে বিরোধী অভিযান

গত কয়েক বছরে পিকেকের আত্মঘাতী হামলায় তুরস্কের কয়েক শতাধিক জনগণ নিহত হয়েছে। গত বছরে সরকার বেশ কয়েকটি অভিযানে পিকেকের শক্তিশালী কিছু ঘাঁটি ধ্বংসের পাশাপাশি বড়সংখ্যক সন্ত্রাসীদের সীমান্তের ওপারে পাঠিয়ে দিয়েছে। পিকেকের উপস্থিতিতে পূর্ব তুরস্কে কখনোই শান্তিপূর্ণভাবে জনগণ ভোট দিতে পারত না।

অধিকাংশ সন্ত্রাসীদের অনুপস্থিতিতে কুর্দিশ-অধ্যুষিত পূর্ব তুরস্কের ধার্মিক কুর্দিশদের ভোট অতীতের মতো এরদোগান পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আর যদি কুর্দিশ দল এইচডিপি জাতীয়ভাবে ১০ শতাংশের কম ভোট পায় তাহলে তারা আর কোনো আসন পাবে না। সেক্ষেত্রে এই অঞ্চলের ৯০ শতাংশ আসন ২০০২, ২০০৭ ও ২০১১ এর মতো এরদোগানের একে পার্টির ঘরে চলে আসবে। সেক্ষেত্রে এরদোগানের আসন সংখ্যা ৩৫০ পেরিয়ে যেতে পারে।

বিদেশি ভোটে পুনর্জাগরণ

ইউরোপের দেশগুলো এরদোগানের সব প্রকার প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। একই সঙ্গে পুলিশের সহযোগিতায় বিরোধী দল প্রচারণা চালাচ্ছে। তার্কিশদের সঙ্গে বিমাতাসুলভ আচরণকারী ইউরোপিয়ান শক্তিদের এমন ব্যবহারে সামগ্রিকভাবে এরদোগান ও একে পার্টির জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাতীয়তাবাদী দলগুলোর ভোট

তুরস্কের তৃতীয় বৃহত্তম দল ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী (এমএইচপি) এবং ইসলামপন্থী জাতীয়তাবাদী দল বুয়ুক বির্লিক পার্টি এই নির্বাচনে এরদোগানের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে। গত নির্বাচনে এমএইচপি ১১.৯০ শতাংশ ভোট এবং ৪০টি আসন পেয়েছিল। এই নির্বাচনের আগে তাদের সাবেক নেত্রী মেরাল আকসেনার দলীয়প্রধান না হতে পেরে ৫ জন এমপিসহ দল থেকে পদত্যাগ করে ইয়ি বা গুড পার্টি গঠন করে।

সাধারণ তার্কিশদের মতে ইয়ি পার্টি এমএইচপির ৪-৫ শতাংশ ভোট কাটতে পারে। তারপরেও বাকি ৭-৮ শতাংশ ভোট এমএইচপি পাবে। জোটবদ্ধ হওয়ায় তাদের ৭-৮ শতাংশ ভোটে এরদোগান তথা একে পার্টি যথেষ্ট লাভবান হবার সম্ভাবনা বেশি। অপরদিকে বুয়ুক বির্লিক পার্টি গত নির্বাচনে তাদের অর্জিত ১ শতাংশ ভোট এবার একে পার্টির ঘরে আসবে বলেই ধরা হচ্ছে।

তুরস্কের ধার্মিক এবং নারী ভোট

এমন একসময় ছিল যখন তুরস্কে আজান চালুর কারণে প্রধানমন্ত্রী আদনান মেন্দেরেসকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছিল, ইফতার প্রোগ্রামের কারণে নাজিমুদ্দিন আরবাকানকে পদচ্যুত করা হয়েছিল, দীর্ঘ কয়েক দশক সাধারণ নারীরা বোরকা পরার অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। লিবারাল মুখোশে এরদোগান ধারাবাহিকভাবে তুরস্কের সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অধিকার ফিরে দেয়ার পাশাপাশি তাদের গৌরবের ওসমানী খিলাফতের অনেক কিছুই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।

তুরস্কের এই ধার্মিক শ্রেণির মানুষের ভোট অতীতের মতো এবারো এরদোগান পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও এরদোগান তুরস্কের নারীদের মধ্যে অসম্ভব রকম জনপ্রিয়। নারীদের এই ভোটগুলো সহজে হাতছাড়া হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

তুরস্কের শহরের ভোটে এরদোগান এবং অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা আবার কখনো এরদোগান কম ভোট পেলেও সমগ্র তুরস্কের গ্রামীণ ভোটগুলো একচেটিয়া একে পার্টি তথা এরদোগানের ঘরে যায়। এবারো এর ব্যতিক্রম হওয়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এটা সত্য যে তুরস্কের এলিট শ্রেণির ভোটগুলো সিএইচপির তথা আতার্তুকের দলে গেলেও সবচেয়ে বেশি মধ্যবিত্ত এবং ধার্মিক শ্রেণির মানুষের ভোটগুলো আবারো এরদোগান পাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১ নভেম্বরের নির্বাচনে একে পার্টি ৪৯.৫০ শতাংশ ভোট এবং ৫৫০ আসনের মধ্য ৩১৭টি আসন পেয়েছিল। সেই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দলের ৩০-৩৫টি আসন যোগ হলে এই জোটের আসন সংখ্যা ৩৫০ পেরিয়ে যেতে পারে।

অপরদিকে একেপি ৪৫-৪৯ শতাংশ ভোট এবং জোটের অন্য দুই শরিক দল ৫-৭ শতাংশ ভোট পেলে এরদোগান সহজেই বিজয়ের মালা পড়তে পারবে। আগামী ২৪ জুন উন্নয়ন আর নিও অটোমানিজমের ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবিত জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পুনরায় তুরস্কের শাসন ক্ষমতায় এরদোগান আসবে এটাই

read more
অন্যান্য

রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ?

Untitled-5-copy

রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ?

আন্দোলন শুরুর আগে রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের চেষ্টা করছে বিএনপি। বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, আগামী ২৬ জুন গাজীপুর নির্বাচনের পর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারে দলটি। তবে এবার শুধু ২০ দলীয় জোট নয়, ‘নূন্যতম ইস্যুতে’ বৃহত্তর জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।

সে লক্ষ্যে গত এক সপ্তাহে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে কথা বলেছে দলটি। এ ধরনের আলাপ-আলোচনার কথা স্বীকার করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা সকল রাজনৈতিক দলকে নিয়ে নূন্যতম ইস্যুতে আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই।’ নূন্যতম ইস্যু কি জানতে চাওয়া হলে এই নেতা বলেন, ‘নূন্যতম ইস্যু হলো একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।’ তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘আমরা মোটামুটি তিনটি ইস্যুতে একটি আন্দোলনের অভিন্ন প্লাটফরম করতে চাই। এই প্লাটফরমে আমরা আওয়ামী লীগ ছাড়া সকল রাজনৈতিক শক্তিকে আনতে চাই।’ এই তিনটি ইস্যু হলো, তাঁর মতে, ১. অবিলম্বে সংসদ ভেঙ্গে নিয়ে একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, ২. বেগম জিয়া সহ আটক সকল রাজনৈতিক বন্দীর মুক্তি এবং হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ৩. সারাদেশে মাদক বিরোধী অভিযানের নামে বিনা বিচারে হত্যা বন্ধ করা।

বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, এই তিন ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের জন্যে বিএনপি ইতিমধ্যে অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিকল্প ধারা, কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম, আ. স. ম. আবদুর রবের জে. এস. ডি, মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য এবং বাম মোর্চার সঙ্গে কথা বলেছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে এইসব দল ও জোটের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানা গেছে। বিএনপির একজন প্রভাবশালী নেতা বলেছেন ‘গাজীপুর নির্বাচনের যে ঘটনা প্রবাহ দেখছি, তাতে মনে হচ্ছে খুলনার মতো গাজীপুরেও কৌশলে আওয়ামী লীগ জয় ছিনিয়ে নেবে।’ ঐ নেতা মনে করেন, ‘গাজীপুর নির্বাচনই হতে পারে বাংলাদেশের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট। ওখানে কারচুপি হবার পর আমরা বসে থাকবো না।’

কিন্তু ঐ আন্দোলনের আগে বিএনপি রাজনীতির মাঠ গরম করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলতে চায়। বিএনপির মতে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ‘সংলাপ’ রাজনীতিতে বিএনপির ইতিবাচক ঘটনা হতে হবে। এখান থেকে ধাপে ধাপে সরকার পতনের আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে চায় দলটি। প্রাথমিক আলাপ-আলোচনায় সবাই তিন ইস্যুতে যুগপৎ বা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নীতিগত ভাবে সম্মত হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, বিএনপি-জামাত সম্পর্ক নিয়ে। কাদের সিদ্দিকী এবং বাম মোর্চা মির্জা ফখরুলকে জানিয়ে দিয়েছে যে, জামাত জোটে থাকলে বিএনপির সাথে যুগপৎ বা ঐক্যবদ্ধ কোনো আন্দোলনই করা সম্ভব হবে না। বিএনপি মহাসচিব তাদের আশ্বস্ত করেছেন, এই তিন ইস্যুতে যে আন্দোলন হবে তাতে বিএনপি একক ভাবে থাকবে। ২০ দলের কিছু দল থাকলেও তাতে জামাত থাকবে না। শেষ পর্যন্ত বিএনপি আলাদা মোর্চা করতে পারুক আর না পারুক, সরকারের বিরুদ্ধে যে রাজনীতির নতুন মেরুকরণের চেষ্টা চলছে, তা এখন দৃশ্যমান।

read more
অন্যান্য

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের কড়া হুঁশিয়ারি, প্রবাসীরা সাবধান !!

safe_image (3)

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের কড়া হুঁশিয়ারি, প্রবাসীরা সাবধান !!

মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অবৈধ অভিবাসীদের প্রতি ইমিগ্রেশনের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির প্রশাসন। চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে ব্যাপক আকারে মাঠে নামছে বলে জানায় প্রশাসন।

দেশটিতে কর্মরত অবৈধ কর্মীদের বৈধকরণ প্রক্রিয়ায় ইমিগ্রেশনে আঙ্গুলের ছাপ নেয়ার সময় চলতি মাসেই শেষ হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হলেই ওপস মেগা ৩.০ নামক সাড়াশি অভিযান চালানো হবে জানিয়েছে অভিবাসন বিভাগ। বলা হয়েছে জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকেই শুরু হবে এ অভিযান।

অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক সেরি মুস্তফার আলী বলেছেন, ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে চালু হওয়া বৈধকরণ প্রকল্পে যে সকল কর্মী ও নিয়োগকর্তারা নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের আটক অনুসন্ধানে আপোষ করবে না প্রশাসন।

তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি ঠেকাতে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার তাগিদে কোন পক্ষের সঙ্গে আপসে যাবে না প্রশাসন।

শনিবার পুত্রাযায়ায় এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন মুস্তফার। তিনি আরও বলেন, মোট কতজন অবৈধ অভিবাসী মালয়েশিয়ায় আছে তা আমরা জানি না তবে আমরা আইন প্রয়োগে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং আমরা দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অবৈধদের ধরতে অনুসন্ধান করব।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বারনামা’য় ইমিগ্রেশনের বরাত দিয়ে প্রচারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এ বছরের ২৮ মে পর্যন্ত ৭ লাখ ৪৪,৯৪২ কর্মী ও ৮৩,৯১৯ নিয়োগদাতারা বৈধ করণ প্রকল্পে নিবন্ধিত হয়েছে।

মুস্তফার আলী জানান, নিবন্ধিতদের মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার ২২৩ জন অবৈধ কর্মীকে বৈধতার অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। তাদেরকে ৩০ আগস্টের মধ্যে থ্রি প্লাস ওয়ান এর আওতায় নিজ নিজ দেশে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে নিয়োগকর্তাদের।

read more
অন্যান্য

মহানবী (সাঃ) বলেছেন- যে ব্যক্তি প্রতি রাতে এই সূরাটি পাঠ করবে তাঁকে দরিদ্রতা কখনো স্পর্শ করবে না’ প্রকাশিত 

safe_image (1)

মহানবী (সাঃ) বলেছেন- যে ব্যক্তি প্রতি রাতে এই সূরাটি পাঠ করবে তাঁকে দরিদ্রতা কখনো স্পর্শ করবে না’
প্রকাশিত

মহানবী (সাঃ) বলেছেন- যে ব্যক্তি প্রতি রাতে এই সূরাটি পাঠ করবে তাঁকে দরিদ্রতা কখনো স্পর্শ করবে না:

অন্তিম রোগশয্যায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)— এর শিক্ষাপ্রদ কথোপকথনঃ ইবনে—কাসীর ইবনে আসাকীরের বরাত দিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করেন যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওসমান (রাঃ) তাঁকে দেখতে যান৷ তখন তাঁদের মধ্যে শিক্ষাপ্রদ যে কথোপকথন হয় তা নিম্নরুপঃ-

→হযরত ওসমানঃ ما تشتكي আপনার অসুখটা কি?

→হযরত ইবনে মাসউদঃ ذنوبي আমার পাপসমূহই আমার অসুখ৷

→ওসমান গণীঃ ما تشتهي আপনার বাসনা কি?

→ইবনে মাসউদঃ رحمة ربي আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি৷

→ওসমান গণীঃ আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?

→ইবনে মাসউদঃ الطبيب امرضني চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন৷

→ওসমান গনীঃ আমি আপনার জন্যে সরকারী বায়তুল মাল থেকে কোন উপটৌকন পাঠিয়ে দেব কি?

→ইবনে মাসউদঃ لاحاجة لي فيها এর কোন প্রয়োজন নেই৷

→ওসমান গণীঃ উপটৌকন গ্রহণ করুন৷ তা আপনার পর আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে৷

→ইবনে মাসউদঃ আপনি চিন্তা করছেন যে, আমার কন্যারা দারিদ্র ও উপবাসে পতিত হবে৷ কিন্তু আমি এরুপ চিন্তা করি না৷ কারণ, আমি কন্যাদেরকে জোর নির্দেশ দিয়ে রেখেছি যে, তারা যেন প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করে৷

আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)— কে বলতে শুনেছি,
من قرأ سورةالواقعة كل ليلة لم تصبه فاقة ابدا”
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না৷

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ [রা.] বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] তাঁর মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সুরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। [বাইহাকি:শুআবুল ঈমান-২৪৯৮]

সুরা আর রাহমান, সুরা হাদিদ ও সুরা ওয়াকিয়া’র তেলাওয়াতকারীকে কেয়ামতের দিন জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী হিসেবে ডাকা হবে। অন্য এক হাদিসে আছে, সুরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সুরার শিক্ষা দাও। অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদেরকে এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা [রা.] কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল।

তাছাড়া অভাবের সময় এ সুরার আমলের কথাটা তো হাদিস দ্বারাই প্রমানিত। এমনকি বর্ণিত আছে যে হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম। [ফয়জুল কাদির-৪/৪১]

সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি?
তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অতি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি৷ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন৷ আমীন

read more
অন্যান্য

মালয়েশিয়ায় ১০ বছরের বেশি কেউ ভিসা পাবেন না সবার ১১ ও ১২ নাম্বার ভিসা বাতিল !

Untitled-2-39

মালয়েশিয়ায় ১০ বছরের বেশি কেউ ভিসা পাবেন না সবার ১১ ও ১২ নাম্বার ভিসা বাতিল !

মালয়েশিয়ায় ১০ বছরের বেশি কেউ ভিসা পাবেন না সবার ১১ ও ১২ নাম্বার ভিসা বাতিল !

ইতিমধ্যে যারা ১১ ও ১২ নাম্বার ভিসা পেয়েছেন সেগুলো গতকাল বাতিল করা হয়েছে। যেসকল প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১১ ও ১২ নাম্বার ভিসা পেয়েছেন তাদের সবার ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

 

 

১১ ও ১২ নাম্বার ভিসা প্রাপ্তদের দেশে ফেরত যাইতে হবে অথবা অবৈধ অবস্থায় মালয়েশিয়া থাকতে হবে। বিস্তারিত দেখুন মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের নোটিশে-

(শেয়ার করে বন্ধুদের জানিয়ে দিন)

read more
অন্যান্য

আজ ২৩/০৬/২০১৮ তারিখ দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত !!

safe_image (1)

আজ ২৩/০৬/২০১৮ তারিখ দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত !!

 

MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত)  = 21.03 ৳

SAR (সৌদি রিয়াল)  = 22.45 ৳

SGD (সিঙ্গাপুর ডলার)  = 61.98 ৳

 

AED (দুবাই দেরহাম)  = 22.92 ৳

KWD (কুয়েতি দিনার)  = 278.09 ৳

USD (ইউএস ডলার)  = 84.18 ৳

OMR (ওমানি রিয়াল)  = = 218.95 ৳

QAR (কাতারি রিয়াল)  = 23.12 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 223.90 ৳

INR (ইন্ডিয়া রূপি) = 1.26 ৳

EUR (ইউরো)  = 98.19 ৳

MVR (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া)  = 5.44 ৳

IQD (ইরাকি দিনার)  =  0.070 ৳

ZAR (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড)  = 6.60 ৳

GBP (ব্রিটিশ পাউনড)  = 111.66 ৳

যে কোন সময় টাকার রেট উঠা নামা করতে পারে

ভাল লাগলে অবশ্যই একটা ধন্যবাদ হলেও জানান !! তাহলে আমরা আপনাদের আগ্রহটা বুঝব !!

read more
অন্যান্য

ম্যাচ জয়ের পর ব্রাজিলিয়ানদের জন্য দুঃসংবাদ দিল ফিফা

13-12

ম্যাচ জয়ের পর ব্রাজিলিয়ানদের জন্য দুঃসংবাদ দিল ফিফা

রোমাঞ্চ ছড়িয়ে কোস্টারিকার বিপক্ষে অতিরিক্ত মিনিটের দুই গোলে অসাধারণ জয়ের পর দুঃসংবাদ শুনতে হয়েছে ব্রাজিলকে। ফিফার নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের জন্য ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন প্রধানকে ইতোমধ্যে দেশে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ফিফা।

ম্যাচ চলাকালীন এ ঘটনাটি ঘটে। ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন প্রধান এন্টোনিও কার্লোস নুনেজ রাশিয়ার একটি রেষ্টুরেন্টে বসে নিজ দেশের ম্যাচ উপভোগ করছিলেন। ব্রাজিলিয়ান এক ভক্ত তার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে দেখা করতে দিতে আপত্তি জানায়।

 

 

 

 

 

এতে ঐ সমর্থক বেশ ক্ষিপ্ত হয়ে যায় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। জানা যায় ঐ সমর্থক আগের ম্যাচে সুইসদের সঙ্গে ড্র করার এমনিতেই ক্ষিপ্ত ছিল। সংবাদ সংস্থা ‘এস্তাদিও সাও পাওলো’র ভাষ্যমতে, সমর্থকের গালিগালজ নুনেজ রাগ সামলাতে না পেরে ওই ব্যক্তির মাথায় গ্লাস ছুঁড়ে মারেন। আর এতেই মারাত্মক জখম হন ওই সমর্থক।

এমন হট্টগোলের সঙ্গে সঙ্গেই রেস্টুরেন্টটি বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে ঘটনাটি ফিফার কান পর্যন্ত বিদ্যুৎ গতিতে পৌঁছে যায়। ফিফার আইন ভাঙ্গায় এখন তাই হয়ত বেশ বড় শাস্তির মুখেই পড়তে যাচ্ছেন কার্লোস নুনেজ। একজন ফুটবল ফেডারেশন প্রধান হয়ে এরকম আচরণের জন্য ফিফা থেকে বহিষ্কারও হতে পারেন তিনি।

read more
অন্যান্য

দাজ্জাল মারা যাওয়ার পরে পৃথিবীর অবস্থা যেমন হবে এবং যতদিন পরে পৃথিবী ধ্বংশ হবে

bvnvzccx-660×330-310×205

দাজ্জাল মারা যাওয়ার পরে পৃথিবীর অবস্থা যেমন হবে এবং যতদিন পরে পৃথিবী ধ্বংশ হবে

দাজ্জাল মারা যাওয়ার পরে- দাজ্জাল মারা যাওয়ার পরে পৃথিবীর অবস্থা কেমন হবে, কতদিন পরে পৃথিবী ধ্বংশ হবে ।আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে দাজ্জালের আভির্ভাব হবে। সে চল্লিশ-আমি জানি না চল্লিশ দিবস, না মাস, না বছর-অবস্থান করবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালাম কে পাঠাবেন। তাকে দেখতে উরওয়া ইবনে মাসউদের মত মনে হবে। তিনি দাজ্জাল-কে খোজ করবেন ও হত্যা করবেন।

 

 

 

এরপর মানুষ সাত বছর এমনভাবে কাটাবে যে দুজন মানুষের মধ্যে কোন শত্রুতা থাকবে না। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন উত্তর দিক থেকে হিমেল বায়ু প্রেরণ করবেন। যাদের অন্তরে অনু পরিমাণ ঈমান রয়েছে তারা সকলে এতে মৃত্যু বরণ করবে। ঈমানদার ও ভাল মানুষের কেহ বেঁচে থাকবে না। যদি তোমাদের কেহ পাহাড়ের সুরক্ষিত গুহায় প্রবেশ করে তাকেও এ বাতাস পেয়ে বসবে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আরো শুনেছি যে, দুরাচারী মানুষগুলো অবশিষ্ট থাকবে পাখির মত দ্রুত আর বাঘের মত হিংস্র। তারা ভালকে ভাল হিসাবে জানবে না আর মন্দ-কে মন্দ মনে করবে না। শয়তান মানুষের আকৃতিতে তাদের কাছে এসে বলবে তোমরা ভাল কাজে সাড়া কেন দাও না? তারা বলবে তুমি আমাদের কী করতে বলো? সে তাদের মুর্তির উপাসনা করতে আদেশ করবে। তারা সুন্দর জীবনোপকরণ নিয়ে জীবন যাপন করবে। অতঃপর একদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে। (তখন সব কিছু ধ্বংস হয়ে যাবে) এরপর একদিন প্রচন্ড বৃষ্টি বর্ষিত হবে। এ বৃষ্টির কারণে মানুষের দেহগুলো উদ্ভিদের মত উত্থিত হবে। এরপর আবার শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে তখন মানুষেরা দাড়িয়ে যাবে ও এদিক সেদিক তাকাতে থাকবে।

 

 

 

তারপর বলা হবে হে মানব সকল! তোমাদের প্রতিপালকের দিকে আসো। তোমরা দাড়িয়ে যাও, তোমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপর আল্লাহ তাআলা বলবেন, জাহান্নামীদের বের করে আনো। জিজ্ঞাসা করা হবে কত জন থেকে কত জন বের করে আনবো? উত্তর দেয়া হবে, প্রত্যেক হাজার থেকে নয় শত নিরানব্বই জনকে বের করে নাও। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, সেটিই এমন দিন যা শিশুদের বৃদ্ধ করে দেবে। আর এ দিনটিতে আল্লাহ তাআলা নিজ পায়ের গোছা উম্মুক্ত করবেন।

read more
অন্যান্য

মালয়েশিয়া থেকে রেমিটেন্স প্রেরণে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

safe_image (1)

মালয়েশিয়া থেকে রেমিটেন্স প্রেরণে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

মালয়েশিয়া থেকে রেমিটেন্স প্রেরণে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের গত ছয় মাসে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি এক লাখ ৯১ হাজার ৫৫১ রিংগিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৮১৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার ৫১১ টাকা।

চলতি বছরের শুরু থেকে ১৮ জুন ১০১৮ পর্যন্ত এ পরিমাণ রিংগিত মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়াস্থ এনবিএল ও অগ্রণী রেমিটেন্সসংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

এদিকে প্রবাসীরা বলছেন, অবৈধ পথে এর দ্বিগুণ টাকা পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাঙালিরা হুন্ডি ব্যবসায় জড়িত, যা বাংলাদেশ সরকারের রেমিটেন্স খাতে গুরুত্বপূর্ণ কুপ্রভাব ফেলছে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি একটি সরকারি ও দুটি বেসরকারি ব্যাংকের শাখা থাকার পরও হুন্ডিকে সঠিক হিসেবে মনে করছে অনেকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এ ব্যবসার সঙ্গে শতাধিক বাংলাদেশি জড়িত রয়েছে। এদের মধ্যে হন্ডি ব্যবসার শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে দীর্ঘদিন থেকে। প্রত্যেকটি প্রদেশে রয়েছে তাদের শক্তিশালি নেটওয়ার্ক। এ নেটওয়ার্ক প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২-৩ কোটি টাকা লেনদেন করে হুন্ডির মাধ্যমে।

 

 

 

বাংলাদেশ দূতাবাস ও রেমিটেন্স হাউসগুলো বৈধ পথে রেমিটেন্স প্রেরণে সচেতনতামূলক সভা-সেমিনার করলেও কে শুনে কার কথা।

মালয়েশিয়াস্থ এনবিএল রেমিটেন্স হাউসের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার শেখ আক্তার উদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত এনবিএলের ৯টি শাখার মাধ্যমে ২৪৪ কোটি ৭৯ লাখ ১২৫ রিঙ্গিত যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫২১ কোটি ৩৫ লাখ দুই হাজার ৮৩৬ টাকার রেমিটেন্স প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন।

আক্তার উদ্দিন বলেন, রেমিটেন্স বৃদ্ধির লক্ষ্যে এনবিএলের পক্ষ থেকে আমরা সচেতনতামূলক সভা-সেমিনার করে যাচ্ছি। আর এ সচেতনতা বাড়াতে হাইকমিশনার মহ: শহীদুল ইসলাম দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। হাইকমিশনারের দিকনির্দেশনাই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রবাসীদের বলা হচ্ছে বৈধ পথে রেমিটেন্স পাঠানো নিরাপদ এবং এনবিএলের ৯টি শাখার পাশাপাশি এজেন্ট নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে যাতে করে এনবিএলের সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি মনে করেন।

 

 

 

 

অগ্রণী রেমিটেন্স হাউসের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ও ডাইরেক্টর মো. লুৎফুর রহমান বলেন, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত অগ্রণী রেমিটেন্সের ছয়টি শাখার মাধ্যমে ২৩৭ কোটি ৯৫ লাখ তিন হাজার ৯৪৬ রিংগিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৯৫ কোটি ৩৪ লাখ এক হাজার ৬৭৫ টাকার রেমিটেন্স প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন।

লুৎফুর রহমান জানান, বৈধ পথে রেমিটেন্স প্রেরণে সচেতনতামূলক বিভিন্ন আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসে হাইকমিশনার মহ: শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা হয়েছে। কীভাবে বৈধ পথে দেশে রেমিটেন্স বাড়ানো যায় সে বিষয়ে হাইকমিশনার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

 

 

 

 

এদিকে গত ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৭ বিলিয়ন রিংগিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৩৫ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার অর্থমন্ত্রী।

২০১৬ সালে মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টে এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের শ্রমিকরা মোট ১১৯ বিলিয়ন রিংগিত পাঁচ বছরে মালয়েশিয়া থেকে তাদের দেশে পাঠিয়েছে।

 

 

 

 

এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ দশমিক ২ বিলিয়ন রিংগিত পাঠায় মালয়েশিয়ার প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ান প্রবাসীরা। ১৭ বিলিয়ন রিংগিত পাঠিয়ে বাংলাদেশিরা দ্বিতীয় স্থানে আছে। এ ছাড়া নেপালিরা ১৩ দশমিক ২ বিলিয়ন, ভারতীয়রা ছয় বিলিয়ন এবং ফিলিপাইন তিন বিলিয়ন রিংগিত পাঠিয়েছে। এর বাইরে কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মিয়ানমারসহ অন্যান্য দেশের প্রবাসীরা তাদের দেশে রিংগিত পাঠিয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন দেশের মোট ২২ লাখ বৈধ প্রবাসী কাজ করছেন। এ ছাড়া আরও প্রায় ২০ লাখ অবৈধ প্রবাসী কাজ করছেন মালয়েশিয়ায়।

 

read more
1 2 3 13
Page 1 of 13