close

অন্যান্য

অন্যান্য

অর্ধশত আসনে আসছে বিএনপির নতুন মুখ

tR17vh_1519824441

লোটন একরাম: আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে অর্ধশত আসনে বিএনপির নতুন মুখ আসছেন। নবম সংসদ নির্বাচনে যারা দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন, তাদের কেউ মারা গেছেন, অনেকে বার্ধক্যজনিত বা নানা কারণে দলে নিষ্ফ্ক্রিয়। এসব আসনেই নতুন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে

 

বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। আবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটকে আসন ছাড় দিতে গিয়ে মনোনয়নবঞ্চিত হতে পারেন ২০ থেকে ২৫ জন নেতা। অবশ্য দলের জন্য তাদের ব্যাপক অবদান বা ত্যাগী ভূমিকা থাকলে ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দেবে হাইকমান্ড। সূত্র জানায়, বিএনপি

 

মনোনয়নপ্রত্যাশী যোগ্য সব নেতাকেই মনোনয়নপত্র দাখিলের পরামর্শ দিয়েছে হাইকমান্ড। বাছাইতে মনোনয়ন ফরমে ভুল, ঋণখেলাপি ও তথ্য গোপনের কারণে মনোনয়ন বাতিল এড়াতে এমন কৌশল নিয়েছে দলটি। একইসঙ্গে একই আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী থাকলে, আগামী ২৮ নভেম্বর

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সমকালকে বলেছেন, বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। দলে অনেক যোগ্য নেতা রয়েছেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রতিকূল পরিবেশে আমরা নির্বাচনে

অংশ নিচ্ছি। এ পরিস্থিতিতে মাঠে টিকে থেকে বিজয়ী হওয়ার মতো যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে। একইসঙ্গে জোটের শরিকদের যোগ্য নেতাদের মধ্যে আসন বণ্টন করা হবে। দীর্ঘদিন দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নিষ্ফ্ক্রিয়, দলের সিনিয়র নেতাদের মূল্যায়ন করতে

 

এবং জোটকে ছাড় দেওয়ার কারণে বেশ কয়েকজন সাবেক সংসদ সদস্য ও নবম সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত নেতা এবার মনোনয়নবঞ্চিত হবেন। এসব আসনে মনোনয়ন পাবেন নতুন মুখ। লে. কর্নেল (অব.) জয়নাল আবেদীনের পরিবর্তে নরসিংদী-৪ আসনের সাবেক সাংসদ মনোহরদী উপজেলা

বিএনপির আহ্বায়ক সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, জামাল আহম্মেদ চৌধুরীর পরিবর্তে নরসিংদী-৫ আসনে অ্যাডভোকেট নেছার আহমেদ বা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানার পরিবর্তে ঢাকা-৯ আসনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য

মির্জা আব্বাস, একেএম হাফিজুরের বদলে বগুড়া-২ আসনে আবদুল মোমিন তালুকদার খোকা, সাবিনা ইয়ামিনের বদলে নাটোর-২ আসনে তার স্বামী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, এসএ খালেকের ঢাকা-১৪ আসনে তার ছেলে এসএ সিদ্দিকী সাজু বা ঐক্যফ্রন্টের কোনো নেতা

 

মনোয়ন পেতে পারেন। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি থাকায় নেত্রকোনা-৪ আসনে তার স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী মনোনয়ন পাবেন। নিখোঁজ সাবেক সাংসদ এম ইলিয়াস আলীর সিলেট-২ আসনে তার স্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদির

লুনা, সিরাজগঞ্জ-১ আসনে রুমানা মাহমুদের পরিবর্তে তার স্বামী দলের ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ টুকু মনোনয়ন পাবেন। এছাড়া নানা কারণে নবম সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত রংপুর-৬ আসনের নূর মোহাম্মদ মন্ডল, কুড়িগ্রাম-২ আসনের তাজুল ইসলাম চৌধুরী, সিরাজগঞ্জ-৫

আসনের মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদের, মাগুরা-১ আসনে ইকবাল আক্তার খান, ভোলা-২ আসনে বিজেপির আশিকুর রহমান, টাঙ্গাইল-৫ আসনের মাহমুদুল ইসলাম, গাজীপুর-৩ আসনে অধ্যাপক আবদুল মান্নান, সুনামগঞ্জ-১ আসনে রফিক চৌধুরী, ঢাকা-২০ আসনে ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান

 

খান, গাজীপুর-২ আসনে হাসানউদ্দিন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে উকিল আবদুস সাত্তার, বগুড়া-৪ আসনে জেডআইএম মোস্তফা আলীর আসনেও পরিবর্তন আসতে পারে। এসব আসনে নতুন মুখ মনোনয়ন পাবেন বলে সূত্র দাবি করেছে। মৃত্যুবরণের কারণেও বেশ কিছু নতুন মুখ :

২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপির বেশ কিছু সাবেক সাংসদ এবং নেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। এমন প্রায় ২৫ জন নেতার আসনে এবার নতুন মুখকে মনোনয়ন দিচ্ছে বিএনপি। এরমধ্যে কিছু আসনে মৃত্যুবরণকারী নেতাদের স্ত্রী ও সন্তান, কিছু দলীয় নেতা এবং কিছু

জোটের নেতাদের মনোনয়ন দিতে হচ্ছে। সূত্র জানায়, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের যশোর-৩ আসনে তার ছেলে দলের খুলনা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অনিক, বিএনপির সাবেক মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মানিকগঞ্জ-১ আসনে তার

 

ছেলে খোন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলু, দলের চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা হারুনার রশিদ খান মুন্নুর মানিকগঞ্জ-৩ আসনে মেয়ে আফরোজা খান রিতা অথবা গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা মফিজুল ইসলাম খান কামাল, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এম শামসুল ইসলামের

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে ছেলে সাইফুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি নাসিরউদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুর ঢাকা-৭ আসনে জোটের শরিক গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু বা পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুবউদ্দিন আহমাদের ঢাকা-১২ আসনে

বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসিরউদ্দিন অসীম বা ঐক্যফ্রন্টের কোনো নেতা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহর ঢাকা-১৭ আসনে ঐক্যফ্রন্টের কোনো নেতা, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি আজিজুল বারী হেলালের ঢাকা-১৮

 

আসনে ঐক্যফ্রন্টের কোনো কেন্দ্রীয় নেতা, বিএনপির সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার নরসিংদী-৩ আসনে দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি মঞ্জুর এলাহী কিংবা গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা

জয়নাল আবেদীন আফ্রিক, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর চট্টগ্রাম-২ আসনে তার ছোট ভাই গিয়াস কাদের চৌধুরী বা গোলাম আকবর খন্দকার এবং তার চট্টগ্রাম-৬ আসনে স্ত্রী ফরহাদ কাদের, কেএম হেমায়েতউল্লাহ আওরঙ্গের শরীয়তপুর-৩ আসনে তার

স্ত্রী অ্যাডভোকেট তাহমিনা আওরঙ্গ বা মিয়া নূরউদ্দিন অপু, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা মোশাররফ হোসেনের ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টু, সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের চট্টগ্রাম-৪ আসনে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ

 

ইবরাহিমকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়াও মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুতে নেত্রকোনা-৫ আসন, এএম বদরুজ্জামান খানের নারায়ণগঞ্জ-২ আসন, সাবেক সাংসদ মোজাহার আলী প্রধানের জয়পুরহাট-১ আসন, সাবেক ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকীর নওগাঁ-৩ আসন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী

ফজলুর রহমান পটলের নাটোর-১ আসন, শরীফ খসরুজ্জামানের নড়াইল-২ আসন, মুহা. অহিদুল ইসলাম বিশ্বাসের চুয়াডাঙ্গা-১ আসন, ইসলামী ঐক্যজোটের সাবেক চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য এম কে আনোয়ারের

কুমিল্লা-২ আসন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হুদার চাঁদপুর-২ আসন, হামিদুল্লাহ খান বীরপ্রতীকের ঢাকা-১৫ আসনেও দল ও জোট থেকে নতুন মুখ আসবে। জোটগত কারণে মনোনয়নবঞ্চিত হবেন :২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আসন ছাড় দিতে বেশ কিছু বিএনপি নেতাকে

 

মনোনয়নবঞ্চিত হতে হবে। এদের মধ্যে অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খানের পরিবর্তে টাঙ্গাইল-৮ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী এবং বিএনপির সাবেক সাংসদ নাজিমউদ্দিন আহমেদের পরিবর্তে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত

হোসেন সেলিম মনোনয়ন পেতে পারেন। শেখ সুজাত মিয়ার পরিবর্তে হবিগঞ্জ-১ আসনে সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এএমএস কিবরিয়ার ছেলে গণফোরামে সদ্য যোগদানকারী শাহ রেজা কিবরিয়াকে মনোনয়ন দিতে পারে। অ্যাডভোকেট আবেদ রাজার বদলে মৌলভীবাজার-২

আসনে ডাকসুর সাবেক ভিপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-১৪ বা ঢাকা-৬ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে। এর মধ্যে নবম সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের আসন থেকে এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এবং

 

ঢাকার আসন থেকে সাদেক হোসেন খোকা মনোনয়ন পেয়েছিলেন। এবার অবশ্য খোকার পরিবর্তে তার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন মনোনয়ন চাইছেন। কর্নেল অলি ওই নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দিআ করেন। এবার সুব্রতকে চট্টগ্রামে দিলে অলিকে ছাড় দিতে হবে এবং ঢাকায় দিলে

খোকার ছেলেকে ছাড় দিতে হবে। এ ছাড়া অসুস্থতাজনিত কারণে ময়মনসিংহ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন এবং রাজশাহী-৩ আসনে অসুস্থ কবির হোসেনসহ বেশ কিছু বয়স্ক ও নিষ্ফ্ক্রিয় নেতার পরির্বতে নতুন মুখকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। বিএনপির সাবেক

সাংসদ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজানের বদলে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, আজিজুল বারী হেলালের পরিবর্তে জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রব এবং মাজেদা আহসানের পরির্বতে কুমিল্লা-৪ আসনে জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতনকে

 

মনোনয়ন দেওয়া হবে। এ ছাড়াও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ ও ঢাকা-১৭ আসন, ঐক্যের নেতা এসএম আকরাম হোসেন নারায়ণগঞ্জ-২, নঈম জাহাঙ্গীর জামালপুর-৩ এবং কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী ও তার দলের জন্য টাঙ্গাইলে

এক বা একাধিক আসন ছাড়তে হতে পারে বিএনপিকে। এতে ওইসব আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ও নবম সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত নেতারা বঞ্চিত হবেন।

সূত্র: সমকাল।

read more
অন্যান্য

অভিযোগ সম্পর্কে যা বললেন হিরো আলমের স্ত্রী

e6F00p_1542802791

‘আমার স্বামী আমাকে দেখে না কে বলল? আমার স্বামীর ব্যবসা তো আমি দেখি। সে এখন মিউজিক ভিডিও নিয়ে কাজ করে। ঢাকায় থাকে, সপ্তাহ অথবা ১০ দিনে দেখা হয়। বাসায় আসে। বাসায় সে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে পড়ে থাকে। তার বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকতো তাহলে আমি কি

 

ওর সাথে থাকতাম?’ কথাগুলো বলছিলেন বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু ) জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপত্র নেওয়া আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের স্ত্রী সাবিহা আক্তার সুমি। তিনি বলেন, কয়েকজন মানুষ আসছিল। সাংবাদিক পরিচয়ে তারা উল্টাপাল্টাভাবে আমার শ্বশুরের সাথে কথা

 

বলে নিউজ লিখছে শুনলাম। আমার সন্তানদের আলম দেখে কি না সেটা আমি ছাড়া কে ভালো বুঝবে? সুমীর বয়স এখন আনুমানিক ২৬। কথায় আঞ্চলিকতার টান তুলনামূলক কম। পড়েছেন দশম শ্রেণি পর্যন্ত। তিনি আলমের বিপক্ষে কথা বলতে নারাজ, অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলতেই তিনি

রেগে উঠছেন। আপনার বোনকে নিয়ে নাকি আলম পালিয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে সুমী বলেন, আমার বোনকে নিয়ে আলম পালাবে আর আমি তার স্ত্রী হয়ে ঘরে থাকবো? ঘটনা একটা ঘটেছিল, সেটাকে গ্রামে অন্যভাবে ছড়ানো হয়েছে। আলম সহজ সরল। ওর দ্বারা এসব সম্ভব না। শ্যালিকাকে নিয়ে

পালানোর বিষয়ে সুমী বলেন, ‘আমার ছোট বোনের এক জায়গায় বিয়ে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু ও রাজি ছিল না বিয়েতে। পরে আলমের সাহায্য নিয়ে সে অন্যখানে কয়েকদিন লুকিয়ে ছিল। আমরা সবাই জানতাম এই ঘটনা। কিন্তু গ্রামের লোকজন সেটা অন্যভাবে ছড়ায় যার কারণে শালিস হয়। শালিসে

 

আলমের কোনো অপরাধ পাওয়া যায়নি। আমার বোনের অন্যখানে বিয়ে হয়েছে, একটা বাচ্চাও আছে।’ আলমের বাড়ি এরুলিয়ার পলিবাড়িতে। ২০০৭ সালে পার্শ্ববর্তী শাহপাড়ার মেয়ে সুমীর সাথে বিয়ে হয়। ছোটবেলা থেকেই অভাব-অনটনের সাথে চলা আলমের পরিবার তাকে আরেক

পরিবারের হাতে তুলে দেয়। আলম চলে আসেন একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের বাসায়। আব্দুর রাজ্জাক তাকে ছেলের মতো করেই বড় করে তোলেন। স্নেহ করতেন। কিন্তু গ্রামে অভাব তো প্রায় মানুষের আছে। আলমের পালক পিতা আব্দুর রাজ্জাকের সংসারও অভাবের ছোঁয়া পায়। স্থানীয় স্কুলে সপ্তম

শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে আলমকে নেমে পড়তে হলো জীবিকা নির্বাহের তাগিদে। সিডি বিক্রি থেকে আলম ডিশ ব্যবসায় হাত দিয়ে সফলতা অর্জন করেন। নিজের চেষ্টায় তার মাসে আয় ৭০-৮০ হাজার টাকা। সুমী বলেন, ‘ডিশ ব্যবসার সমস্ত হিসাব কিতাব আমি দেখি। লাইনের কোনো সমস্যা হলে

 

কাজের লোক দিয়ে আব্বাকে (শ্বশুর) পাঠাই। ডিশ ব্যবসায় হেল্প করার জন্য আমাদের এখানে মোট ৮ জন লোক কাজ করে। আলম না থাকলেও আমরা সবকিছু সামলে নেই।’ হিরো আলমের বড় মেয়ে আলোমনি দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে, মেজো মেয়ে আঁখি ১ম শ্রেণির ছাত্রী এবং ছেলে আবিরের বয়স

চার বছর। তিন সন্তান ও স্ত্রী সুমীকে নিয়েই সংসার। হিরো আলমের মতো সুমীরও দাবি, তার সুখের সংসার। আলমের বাবা রাজ্জাক ও স্ত্রীর আক্ষেপ এক জায়গায় সেটা হলো নির্বাচন নিয়ে। তাদের ধারণা নির্বাচন করে অনর্থক টাকা-সময় নষ্ট হবে। হিরো আলম তার বিরুদ্ধে উঠে আসা অভিযোগ

নিয়ে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আমার বৌয়ের কোনো অভিযোগ নাই। আপনি চাইলে কথা বলে দেখতে পারেন। আমি ইদানীং ঢাকায় বেশি থাকি, তাই সুমী ও আমার বাবা ব্যবসা দেখে। আমি সুযোগ পাইলেই চলে যাই। আমার বিরুদ্ধে বিপক্ষ পার্টির কয়েকজন নিউজ করাচ্ছে। তারা চায় আমার নামে

 

বদনাম ছড়ায়ে দিয়ে আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে, আমি জানি কারা এসব করছে। আমি নাকি মনোনয়নপত্র হারায়ে ফেলছি এমন ভুয়া নিউজও করছে তারা।’

-সূত্র: কালেরকন্ঠ।

read more
অন্যান্য

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন কর্নেল অলি

PARi3A_1542804872

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন কর্নেল অলি ”  ২০ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীরবিক্রম। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন রাজধানীর বনানীর কবরস্থান রোডের ফিউশন হান্টে

 

(বাড়ি: ৬৫/বি, রোড : ২৭) এই সংবাদ সম্মেলন হবে বলে জানিয়েছেন এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদত হোসেন সেলিম। সেলিম জানান, এই সংবাদ সম্মেলনে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীরবিক্রম সাংবাদিকদের মাধ্যমে জাতির সামনে তুলে ধরবেন।

সূএঃ- bd24live.com

read more
অন্যান্য

গুলশান কার্যালয়ে বিএনপি কর্মীদের হট্টগোল

mOIFnQ_1542809694

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা চতুর্থ ও শেষ দিনের মতো মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শেষ দিনের সাক্ষাৎকার আজ বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টার দিকে

 

শুরু হয় এ সাক্ষাৎকার। আজও কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। এসময় নেত্রকোনা জেলার একটি আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সমর্থকদের মধ্যে হট্টগোল হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে ৮৬ নম্বর সড়কের দুই পাশে

 

পুলিশের উপস্থিতি রয়েছে। যান চলাচলও কিছুটা সীমিত। তবে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি পুরো সড়কের অনেকটা বন্ধ হয়েছে গেছে। অথচ আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অনুসারীদের নিয়ে না আসার জন্য নির্দেশনা

দেয়া ছিল। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ঘোষণা দেন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে কর্মী বাহিনী নিয়ে আসলে তাদের দলীয় ‘নমিনেশন’ দেয়া হবে না। এদিন ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা অঞ্চলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। শেষ দিনের সাক্ষাৎকারেও

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দিক-নির্দেশনা দেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নেত্রকোনা-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাক্ষাৎকার শেষে বেরিয়ে এসে গণমাধ্যমকে এ কথা জানান। এছাড়া ময়মনসিংহ-১০ আসন

 

থেকে বিএনপির মনোয়ন প্রত্যাশী আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশনেত্রীর মুক্তির সংগ্রামের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাচ্ছি। দল থেকে যাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো। আমাদের নেতা তারেক রহমানকেই সেই কথাই দিয়েছি। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

লুৎফজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী নেত্রকোনা-৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনানয়ন প্রত্যাশী। সাক্ষাৎকার শেষে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় আমার স্বামী এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দি’। তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে

দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন, আমার স্বামী মুক্তি পাবেন এবং দেশের গণতন্ত্র সুরক্ষা হবে’। প্রসঙ্গত, গত ১২ নভেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছে ফরম বিক্রি করে বিএনপি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ৪ হাজার ৫৮০টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে

দলটি। এরপর গত ১৮ নভেম্বর থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে বিএনপি। আগামী ৮ ডিসেম্বর দলটির প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

সূএ ঃ- bd24live.com

read more
অন্যান্য

‘তোমার মত ইমরান এইচ সরকার জামানত ফেরত পাবে না’

Lo1Os7_1542813799

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসন থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার। বুধবার বেলা ১২ টায় নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ইমরান। ইমরান এইচ সরকারের স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়া

 

জানিয়ে নির্বাচনে জামানত হারাবে এমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম। ইমরান সরকার তার ফেসবুক পেজে নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেন সাইফুল ইসলাম তার ফেসবুকে এমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। সাইফুল ইসলামের ফেসবুকে

 

দেয়া স্ট্যাটাস পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো- ‘এসো ইমরান এইচ সরকার এসো খেলা হবে ভোটের মাঠে, জামানত ফেরত পাবে না চ্যালেঞ্জ করলাম। আমি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলাম সেবার দল আমাকে দেয়নি, ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছি, জয়প্রিয়তা জরিপ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনীতিক পরিচয়, প্রতিপক্ষের শক্তি ও ভোট ব্যাংক, এলাকার ভৌগলিক বৈশিষ্ট, সততা, ও তারুন্য নির্ভর নেতৃত্ব ইত্যাদি বিবেচনা পুর্বক দলীয় নৌকা মার্কার

মনোনয়নটা আমাকে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশী, আল্লাহর রহমতে আমি যদি নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট করতে পারি, তোমার মত ইমরান এইচ সরকার জামানত ফেরত পাবেনা’

সূএঃ- bd24live.com

read more
অন্যান্য

সেনাকুঞ্জে ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুল

safe_image (1)

সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সন্ধ্যায় তিনি গুলশান কার্যালয় থেকে সরাসরি সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এর আগে কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি বিএনপি’র কোনো প্রতিনিধি।

 

২০১৭ সালে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলটির কোন প্রতিনিধি সেখানে যাননি। ওই অনুষ্ঠানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহবুবুর রহমান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন

 

আহমেদ আমন্ত্রিত ছিলেন। এর আগে ২০১০ সালের সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে যোগ দেননি বেগম খালেদা জিয়া ।পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ এই সবগুলো বিষয়ে দলীয় হাইকমান্ড আজকের এই সেনা সদরদপ্তরের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব দেন। সেখানে যোগদান ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ ড. কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আগত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এ সময় তিনি ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ঐক্যফ্রন্টের অন্যান্য

নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বলে জানা গেছে।সেনাকুঞ্জে থেকে বের হয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বঙ্গভবনে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে যোগ দেন।

সুত্রঃ আমাদের সময়

read more
অন্যান্য

কুমিল্লার ৬টি আসনে আ.লীগের মনোনয়ন চুড়ান্ত

Untitled-1-67-848×400

কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে ৫টি আসনে এখনো মনোনয়ন চুড়ান্ত করতে পারেনি আওয়ামী লীগ। এ ৫টি আসন নিয়ে মহাজোটে চলছে নানা সমীকরণ। বাকি ৬টি আসনে বর্তমান এমপিরাই মনোনয়ন পাচ্ছেন। সারা দেশের ৩০০ আসনেই একই অবস্থা। জানা গেছে অনেক এমপি এবার

 

মনোনয়ন পেচ্ছেন না। তাদের কয়েকজন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন। মনোনয়নের তালিকা থেকে বাদ পড়া কয়েকজন এমপি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে কথা বলেছেন। দলের অন্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তারা নিবিড় যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। বাংলাদেশ

 

ন্যাশনালিস্ট ফোরামের (বিএনএফ) সভাপতি এস এম আবুল কালাম আজাদ গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেছেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। এস এম আবুল কালাম আজাদ ঢাকা-১৭ আসনের এমপি। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাও এই আসনে মনোনয়ন চাইছেন। তবে আওয়ামী লীগ এই আসনে

চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের নাম চূড়ান্ত করেছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ চাইলে আসনটি তাকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও রয়েছে। আওয়ামী লীগের কয়েকজন নীতিনির্ধারক নেতা বলেন, সংসদীয় বোর্ডের সদস্যরা দলের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে গতকালও

 

গণভবনে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে খসড়া প্রার্থী তালিকায় থাকা হাতেগোনা কয়েকটি আসনে প্রার্থী রদবদল এবং আরও কয়েকটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ১৪ দলীয় জোট ও মহাজোটের শরিকদের জন্য রাখা আসনগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়েও

কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই বৈঠকে সংসদীয় বোর্ড সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ওবায়দুল কাদের, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান ও রমেশ

চন্দ্র সেন। এ বৈঠকে মহাজোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গেও কথা হয়েছে। কাল-পরশুর মধ্যে এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে

 

গতকাল গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে মাদারীপুর-৩ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার অনুরোধ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে দুই নেতাকে নির্দেশ দেন। এই আসনে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ড.

আবদুস সোবহান গোলাপকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌরসভা মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু ও

সাবেক এমপি সফিকুল ইসলাম অপু ঝিনাইদহ-২ আসনে দলের প্রার্থিতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। এই আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন তাহজীব আলম সিদ্দিকী। তিনি বর্তমান সংসদের স্বতন্ত্র সদস্য। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজের প্রার্থিতা নিয়ে কথা বলেছেন টাঙ্গাইল-৮ আসনের

 

এমপি অনুপম শাহজাহান জয়। তিনি গতকাল ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গেও দেখা করেন। অনুপম শাহজাহান জয় দলের মনোনয়ন পাননি। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদারও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি ফরিদপুর-১ আসনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তবে খসড়া

প্রার্থী তালিকায় এ আসনে সাবেক সচিব ও রূপালী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেনের নাম রয়েছে। গাজীপুর-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট রহমত আলীর ছেলে জামিল হাসান দুর্জয়ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি দলের মনোনয়ন চেয়েছেন। তবে খসড়া প্রার্থী

তালিকায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজের নাম রয়েছে। এ ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সাবিনা আক্তার তুহিন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন,

 

কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন। চট্টগ্রাম-৪ আসনে আওয়ামী লীগের খসড়া প্রার্থী তালিকায় বর্তমান এমপি দিদারুল আলমের নাম রাখা হয়নি। এ আসনে দলের প্রাথমিক

মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। তিনি বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হলেও পরে আওয়ামী লীগে ফিরে এসেছেন। এম মনজুর আলম বর্তমান এমপি দিদারুল আলমের আপন চাচা। তিনি ছাড়াও চট্টগ্রাম-১ আসনে ইঞ্জিনিয়ার

মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ আসনে মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৬ আসনে এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ আসনে ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-১০ আসনে ডা. আফছারুল আমীন. চট্টগ্রাম-১১ আসনে এম আবদুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ আসনে সামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩

 

আসনে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে নজরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে অধ্যাপক ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর নাম প্রাথমিকভাবে মনোনয়নের তালিকায় রয়েছে। ফেনী-৩ এবং লক্ষ্মীপুর-৪ ছাড়া

বৃহত্তর নোয়াখালীর আর কোনো আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় রদবদল করা হয়নি। ফেনী-৩ আসনে জাতীয় পার্টি এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিকল্পধারাকে ছাড় দেওয়া হবে। অন্য আসনগুলোর মধ্যে ফেনী-২ আসনে নিজাম উদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী-১ আসনে এইচ এম ইব্রাহিম,

নোয়াখালী-২ আসনে মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ আসনে মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-৪ আসনে একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ আসনে ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৬ আসনে আয়েশা ফেরদাউস, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে একেএম শাহজাহান কামালের নাম রয়েছে। কুমিল্লা-১ মেজর

 

জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৫ অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা-৭ অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস, কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক মনোনয়নের জন্য চুড়ান্ত হয়েছেন। বাকি ৫টি আসনে এখনো মনোনয়ন

চুড়ান্ত করতে পারেনি দলটি। কুমিল্লার এ ৫টি আসন নিয়ে মহাজোটে চলছে নানা সমীকরণ। চুড়ান্ত সমীকরণে বাদ পড়বেন কয়েকজন এমপি। এছাড়া টাঙ্গাইল-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটুর নাম রয়েছে। এ

আসনের এমপি খন্দকার আবদুল বাতেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত হচ্ছেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইল-১ আসনে ড. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৪ আসনে হাসান ইমাম খান ও টাঙ্গাইল-৫ আসনে ছানোয়ার হোসেন দলের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন। টাঙ্গাইল-২ আসনের এমপি খন্দকার আসাদুজ্জামান ও টাঙ্গাইল-৩ আসনের এমপি আমানুর রহমান রানা দলের মনোনয়ন পাননি।

read more
অন্যান্য

বিরাট সুখবর পেলেন খালেদা জিয়া! নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই তার…বিস্তারিত পড়ুন

Untitled-1 copy (1)

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। আবেদনে তিনি জামিনও চেয়েছেন। এতে করে নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী।খালেদা জিয়ার এ

 

মামলার প্যানেল আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আপিল করায় নিম্ন আদালতের রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয়ে গেছে। এখন এ মামলার কারণে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা নেই।’এর আগ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি জমা দেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

আবেদনটি সাতশ পৃষ্ঠারও বেশি বলে জানান এই আইনজীবী। গত ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। এ ছাড়া ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।পুরান

ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতের বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর তিন আসামিকেও একই দণ্ডাদেশ দেন আদালত।এ মামলার অন্য তিন আসামি হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী

একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না । এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। তাঁদের মধ্যে হারিছ চৌধুরী পলাতক। বাকি দুই আসামি আদালতে উপস্থিত

 

ছিলেন। আদালত ওই তিনজনকেও অভিন্ন সাজা দিয়েছেন।এ ছাড়া মামলার পলাতক আসামি হারিছ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতে উপস্থিত দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে রায়ে যে ৪২ কাঠা জমির ক্রয় নিয়ে

মামলার সূচনা, সেই জমিটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর আগে গত ১৪ নভেম্বর এ মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি

কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ

 

লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।এর আগে

গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছিলেন আদালত। পরে গত ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট এ মামলায় সাজা বৃদ্ধি করে ১০ বছর করেন।

সূএঃ- AN Entertainment News

read more
অন্যান্য

এবার হিরো আলমকে নিয়ে যা বললেন তার স্ত্রী

Untitled-8-28-827×400

‘আমার স্বামী আমাকে দেখে না কে বলল? আমার স্বামীর ব্যবসা তো আমি দেখি। সে এখন মিউজিক ভিডিও নিয়ে কাজ করে। ঢাকায় থাকে, সপ্তাহ অথবা ১০ দিনে দেখা হয়। বাসায় আসে। বাসায় সে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে পড়ে থাকে। তার বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকতো তাহলে আমি কি

 

ওর সাথে থাকতাম?’ কথাগুলো বলছিলেন বগুড়া বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু ) জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপত্র নেওয়া আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের স্ত্রী সাবিহা আক্তার সুমি। তিনি বলেন, কয়েকজন মানুষ আসছিলG সাংবাদিক পরিচয়ে তারা উল্টাপাল্টাভাবে আমার শ্বশুরের সাথে

 

কথা বলে নিউজ লিখছে শুনলাম। আমার সন্তানদের আলম দেখে কি না সে টা আমি ছাড়া কে ভালো বুঝবে? সুমীর বয়স এখন আনুমানিক ২৬। কথায় আঞ্চলিকতার টান তুলনামূলক কম। পড়েছেন দশম শ্রেণি পর্যন্ত। তিনি আলমের বিপক্ষে কথা বলতে নারাজ, অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলতেই

তিনি রেগে উঠছেন। আপনার বোনকে নাকি আলম নিয়ে পালিয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে সুমী বলেন, আমার বোনকে নিয়ে আলম পালাবে আর আমি তার স্ত্রী হয়ে ঘরে থাকবো? ঘটনা একটা ঘটেছিল, সেটাকে গ্রামে অন্যভাবে ছড়ানো হয়েছে। আলম সহজ সরল। ওর দ্বারা এসব সম্ভব না। শ্যালিকাকে

নিয়ে পালানোর বিষয়ে সুমী বলেন, ‘আমার ছোট বোনের এক জায়গায় বিয়ে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু ও রাজি ছিল না বিয়েতে। পরে আলমের সাহায্য নিয়ে সে অন্যখানে কয়েকদিন লুকিয়ে ছিল। আমরা সবাই জানতাম এই ঘটনা। কিন্তু গ্রামের লোকজন সেটা অন্যভাবে ছড়ায় যার কারণে শালিস হয়।

 

শালিসে আলমের কোনো অপরাধ পাওয়া যায়নি। আমার বোনের অন্যখানে বিয়ে হয়েছে, একটা বাচ্চাও আছে।’ আলমের বাড়ি এরুলিয়ার পলিবাড়িতে। ২০০৭ সালে পার্শ্ববর্তী শাহপাড়ার মেয়ে সুমীর সাথে বিয়ে হয়। ছোটবেলা থেকেই অভাব-অনটনের সাথে চলা আলমের পরিবার তাকে

আরেক পরিবারের হাতে তুলে দেয়। আলম চলে আসেন একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের বাসায়। আব্দুর রাজ্জাক তাকে ছেলের মতো করেই বড় করে তোলেন। স্নেহ করতেন। কিন্তু গ্রামে অভাব তো প্রায় মানুষের আছে। আলমের পালক পিতা আব্দুর রাজ্জাকের সংসারও অভাবের ছোঁয়া পায়। স্থানীয়

স্কুলে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে আলমকে নেমে পড়তে হলো জীবিকা নির্বাহের তাগিদে। সিডি বিক্রি থেকে আলম ডিশ ব্যবসায় হাত দিয়ে সফলতা অর্জন করেন। নিজের চেষ্টায় তার মাসে আয় ৭০-৮০ হাজার টাকা। সুমী বলেন, ‘ডিশ ব্যবসার সমস্ত হিসাব কিতাব আমি দেখি। লাইনের কোনো সমস্যা

 

হলে কাজের লোক দিয়ে আব্বাকে (শ্বশুর) পাঠাই। ডিশ ব্যবসায় হেল্প করার জন্য আমাদের এখানে মোট ৮ জন লোক কাজ করে। আলম না থাকলেও আমরা সবকিছু সামলে নেই।’ হিরো আলমের বড় মেয়ে আলোমনি দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে, মেজো মেয়ে আঁখি ১ম শ্রেণির ছাত্রী এবং ছেলে আবিরের বয়স

চার ও স্ত্রী সুমীকে নিয়েই সংসার। হিরো আলমের মতো সুমীর দাবি তার সুখের সংসার। আলমের বাবা রাজ্জাক ও স্ত্রীর আক্ষেপ এক জায়গায় সেটা হলো নির্বাচন নিয়ে। তাদের ধারণা নির্বাচন করে অনর্থক টাকা-সময় নষ্ট হবে। হিরো আলম তার বিরুদ্ধে উঠে আসা অভিযোগ নিয়ে বলেন, ‘আমার

বিরুদ্ধে আমার বৌয়ের কোনো অভিযোগ নাই। আপনি চাইলে কথা বলে দেখতে পারেন। আমি ইদানীং ঢাকায় বেশি থাকি, তাই সুমী ও আমার বাবা ব্যবসা দেখে। আমি সুযোগ পাইলেই চলে যাই। আমার বিরুদ্ধে বিপক্ষ পার্টির কয়েকজন নিউজ করাচ্ছে। তারা চায় আমার নামে বদনাম ছড়ায়ে দিয়ে

 

আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে, আমি জানি কারা এসব করছে। আমি নাকি মনোনয়নপত্র হারায়ে ফেলছি এমন ভুয়া নিউজও করছে তারা।’

read more
অন্যান্য

ধানের শীষের গণজোয়ার কেউ রোধ করতে পারবে নাঃ ফখরুল

Untitled-4-42-767×400

বিএনপি মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকারের গ্রেফতার, হয়রানিকে উপেক্ষা করে জনগণ যে সাড়া দিচ্ছে সে সাড়ায় এটাই প্রমাণিত হচ্ছে যে ধানের শীষের যে জোয়ার উঠেছে সে জোয়ারকে কেউ রোধ করতে পারবে না।

 

’বুধবার (২১ নভেম্বর) গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের শেষ দিনে মধ্য বিরতিতে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ময়মনসিংহ বিভাগের ২৯ আসনের জন্য ২৩৩ জন সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ফরিদপুরে আছে ১৫টি আসন, ঢাকা বিভাগে

 

আছে ৭৮টি আসন। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যারা সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন তারা অনেক দিনের পরিক্ষিত, মাঠের নেতাকর্মী। রাজপথের লড়াকু সৈনিক। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে সংগঠন তৈরি হবে তা অবশ্যই এই নির্বাচনকে জয় যুক্ত করতে আমাদের সাহয্য করবে।’ ‘আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের

যে সাড়া আমরা দেখতে পাচ্ছি, স্রোতের মত যে ঢল নামছে এতে করে এই স্বৈরাচারী সরকারকে নির্বাচনের মাধ্যমে সরিয়ে দিতে আমরা অবশ্যই সক্ষম হবো।’এ সময় তিনি নির্বাচন কমিশনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বিএনপি ঢালাও অভিযোগ করে না, বিএনপি সুস্পষ্ট ও নির্দিষ্ট অভিযোগ করেছে।

আমরা সব সময় বলেছি নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করতে হবে। এটা তার সাংবিধানিক দায়িত্ব। এবং সেই সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে যদি ব্যর্থ হয় তাহলে জনগণের কাছে জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন সেই দায়িত্ব পালন করবেন এবং

 

জনগণের আশা-আকাঙ্খা পুরণ করবেন।’ এর আগে বুধবার (২১ নভেম্বর) ১০টা থেকে গুলশানের বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে শেষ দিনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের এই সাক্ষাৎকার শুরু হয়। চলবে রাত পর্যন্ত।সকাল থেকে ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের

সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। দুপুর আড়াইটার পর ঢাকা বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাক্ষাৎকার গ্রহণে উপস্থিত আছেন দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাই এ বোর্ডের সদস্য।

সূএঃ- AN Entertainment News

read more
1 2 3 4 5
Page 2 of 5