close

অন্যান্য

অন্যান্য

“যে কারণে বঙ্গভবনে গেলেন ড. কামাল” বিস্তারিত পড়ুন

Untitled-3-43-830×400

যে কারণে বঙ্গভবনে গেলেন ড. কামাল”  ঈদে মিলাদুন্নবীর দাওয়াতে বঙ্গভবনে গেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,

 

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। এর আগে, বেলা ১২টায় রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের র্শীষ নেতারা বৈঠক বসেছেন। এতে ড. কামাল হোসেন ছাড়াও সরকারবিরোধী জোটের

 

নেতা সুলতান মো. মনছুর, মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার, সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত আছেন। বৈঠকের শুরুতে গণফোরামের এক শীর্ষ নেতা জানান, আজকে আসন বন্টন নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বৈঠক শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

read more
অন্যান্য

নির্বাচনে কাকে সমর্থন দিবেন? সাফ জানিয়ে দিলেন আল্লামা শফী!

safe_image

হেফাজতে ইসলাম কখনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না এবং নির্বাচনে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। আমির বলেন, হেফাজত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। নির্বাচনে কাউকে সমর্থন করবে না হেফাজত।

 

বিষয়টা অনেকবার বলা হয়েছে। হেফাজতকে জড়িয়ে এসব তালগোল না পাকাতে ও হেফাজতের নেতাদের জড়িয়ে তালগোল না পাকাতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার মুখপাত্র মাসিক

 

 

মুঈনুল ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক সরওয়ার কামালের প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে হেফাজত আমির বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হতে আমার কাছে কেউ দোয়া নিতে আসে নাই এবং কাউকে নির্বাচন করার জন্য আমি অনুমতি কিংবা নির্দেশ কিছুই দেই নাই। যারা

আমার কাছ থেকে দোয়া নেয়ার কথা বলে নির্বাচন কিংবা মনোনয়ন নেয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তারা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আমার সঙ্গে কারো কোনো কথা হয়নি। তিনি বলেন, যারা হেফাজতের নাম দিয়ে কিংবা আমার দোয়া নিয়ে অথবা আমার অনুমতি নিয়ে রাজনীতিতে

নেমেছে- তা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার এবং ভ্রান্ত কথা। আল্লামা শফী চ্যালেঞ্জ করে বলেন, যে বা যারা আমার কাছ থেকে দোয়া নেয়ার দাবি করেছেন, তাদের আমার সামনে নিয়ে আসুন। আগামীতে এ ধরনের মিথ্যাচার না করার জন্য হেফাজত ইসলামের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন,

 

আপনারা সতর্ক হোন যেন এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড প্রকাশ না পায়। কেউ নির্বাচন করলে সেটা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। এর জন্য হেফাজতে ইসলাম দায়ী নয়। আপনি যে কোনো রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচন করতে পারেন। কিন্তু হেফাজতে ইসলামের নাম বিক্রি করে অথবা হেফাজতে

ইসলামের নামে কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান আল্লামা আহমদ শফী।

সূএঃ-AN Entertainment News

read more
অন্যান্য

“প্রেমের টানে ব্রাজিল ছেড়ে কুমিল্লায়” !…বিস্তারিত পড়ুন

Untitled-1 copy

ডেস্ক রিপোর্টঃ ভালোবাসায় কী না হয়। প্রেমের টানে ব্রাজিল ছেড়ে কুমিল্লায় আসা এক তরুণীর খবর ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সুদূর ব্রাজিল থেকে চলে এসেছেন এক নারী। সব বাধা পেরিয়ে পা রেখেছেন কুমিল্লা লাকসামে দোগাইয়া গ্রামে হীরার বাড়িতে।

 

খবর পেয়ে আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে অসংখ্য লোক ভিড় জমাচ্ছেন হীরার বাড়িতে। ইতিমধ্যে হীরা ও ব্রাজিলিয়ান নারী বিয়ে ফেলেছেন। প্রতিবেশীরা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে তিনি ফেসবুকে ব্রাজিলিয়ান আইডিতে লাইক দেন। নারীও তাকে লাইক দেন। এভাবেই শুরু।

 

এভাবে চলতে চলতে একপর্যায়ে টেক্সট বিনিময়ের মাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই তাদের মধ্যে কথা হতো। ব্রাজিলিয়ান নারী কুমিল্লা লাকসামে তার বাবার সাথে আসছে।

read more
অন্যান্য

বিজ্ঞানীরা খুজে বের করলো এমন এক পাতা যা খেলে কিডনির পাথর গলে বেরিয়ে যাবে!

Untitled-1 copy

তুলসী আমাদের সবার পরিচিত একটি ঔষধিগাছ। এ গাছের পাতায় বহু রোগ সারানোর উপকারি গুণ রয়েছে।তুলসী পাতার রস বা চা প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার আশংকা কমে যায়। আর যদি কিডনিতে পাথর জমে তাহলে তুলসী পাতার রস টানা ৬

 

মাস পান করলে সেই পাথর গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। এছাড়া সর্দি, কাশি, কৃমি, প্রস্রাবে জ্বালা কমায়, হজমকারক ও কফ গলাতে দারুন কাজ করে তুলসী পাতা। এটি ক্ষত সারাতে এন্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।তুলসিপাতা দিয়ে চা ও মিশ্রণ তৈরির কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী নিম্নে দেয়া হলো:

 

তুলসী পানি উপকরণ : দুই কাপ পানি ও কয়েকটি পাতা। প্রস্তুত প্রণালী : একটি পাত্রে দুই কাপ পানি নিন। এর সঙ্গে কয়েকটি তুলসিপাতা সিদ্ধ করুন। ফুটে উঠলে নামিয়ে পান করতে পারেন। এই মিশ্রণটি গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি কমিয়ে আপনাকে আরাম দেবে। তুলসী-চা উপকরণ : ১০-১৫টি

তুলসীপাতা, গুড়, পানি ও লেবুর রস। প্রস্তুত প্রণালী : প্রথমে গুড় ও তুলসীপাতা বেটে নিন। এর মধ্যে দেড় কাপ পানি ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলায় বসান। মিশ্রণটি ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন। এই চা পান করলে আপনার শরীর উষ্ণ থাকবে। ভেষজ তুলসী-চা উপকরণ : এক টুকরো আদা,

গোলমরিচ, লবঙ্গ, তুলসীপাতা, দারুচিনি, এলাচ পরিমাণ মতো। প্রস্তুত প্রণালী : পরিমাণমতো পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে জ্বাল দিন।১০ মিনিট পর নামিয়ে ছেকে পান করতে পারেন। এই ভেষজ তুলসী-চা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ থেকে

 

বাঁচানোর ক্ষমতা রাখে। হার্বাল জুস উপকরণ : আজওয়াইন, তুলসীপাতা, জিরা, আমচুর গুঁড়া, লবণ এবং পুদিনা পাতা পরিমাণ মতো। প্রস্তুত প্রণালী : চার কাপ পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর পান করুন। এই জুস প্রতিদিন পান করেল হজমশক্তি বাড়বে

এবং পানিশূন্যতা থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে।

read more
অন্যান্য

বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বিশাল সুখবর!

Untitled-1 copy

বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বিশাল সুখবর! সংসদ নির্বাচনের জন্য নড়াইল-২ আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা এবং আজ আওয়মীলিগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি জিম্বাবুয়ে সিরিজ চলাকালীন বলেছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাশরাফির খেলারসম্ভাবনা খুব কম। এও বলেছিলেন, সম্ভব হলে এক ম্যাচ হলেও খেলবেন মাশরাফি।তবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সমর্থকদের জন্য খুশির খবর,

মাশরাফি বিন মুর্তজা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সব ম্যাচেই খেলবেন। আজ মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমকে এই খবর নিশ্চিত করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

read more
অন্যান্য

মাটির নিচে মিললো আরেক পৃথিবীর সন্ধান! রয়েছে আকাশ-খাল-বিল-পাহাড়!

Untitled-1 copy

গুহা শব্দটি শুনলে প্রথমে আমাদের কল্পনায় যে দৃশ্যটি ধরা পরে, মাটি বা পাথরে ঢাকা অন্ধকার কোন এক জগৎ। কোথাও হয়তো ফাঁকফোকর দিয়ে দেখা মেলে সূর্য কিরনের এবং ভেতরে স্যাতস্যাতে পরিবেশ আর বিশাক্ত গ্যাসের উপস্থিতি। কিন্তু সম্প্রতি চীনের চঙকিং প্রদেশে আবিষ্কার হয়েছে এমন

 

এক গুহা, যে গুহার নিজিস্ব আলাদা আবহাওয়া ব্যাবস্থা রয়েছে। পৃথিবীতে যেমন আকাশ রয়েছে, আকাশে মেঘ এবং কুয়াশা রয়েছে, তেমনি এই গুহার ভেতরেও রয়েছে আলাদা আকাশ। সেই আকাশে রয়েছে মেঘ ও কুয়াশা। শুধু তাই নয়, গুহাটির মধ্যে খাল, বিল, পাহাড়সহ রয়েছে আরো অনেক

 

কিছু। চীনের এই গুহাটির নাম ‘ইয়ার ওয়াং ডং’। চঙকিং প্রদেশের বাসিন্দারা অনেক আগে থেকেই গুহাটি সম্পর্কে জানতেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের গুহাটির সামান্য ভিতরে যাতায়াতও ছিল। তবে তারা ভিতরের কোন দৃশ্য ধারণ করে বাইরে নিয়ে আসেননি। আর স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়া বাইরের

কেউই তেমন যেতেন না গুহাটির মধ্যে। যে কারণে ‘ইয়ার ওয়াং ডং’ গুহাটি সম্পর্কে মানুষ অজানা ছিল। গুহা বিশেষজ্ঞ এবং ফটোগ্রাফারদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল ‘ইয়ার ওয়াং ডং’ গুহার গোপনীয়তা আবিষ্কার করেন এবং ভেতরের বেশ কিছু দুর্লভ ছবি তুলে নিয়ে আসেন। অভিযাত্রীদের মতে,

গুহাটির ভিতরে মেঘ, বালুকনা, জলীয় বাষ্পসহ, রয়েছে আলাদা আবহাওয়া যা অনেকটা শীতল। আবহাওয়ার পাশাপাশি আর্দ্রতাও শীতল। যে কারণে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ অনেকটা কষ্টসাধ্য। গুহার ভিতরে যে খাল রয়েছে তা খুবই ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী। কেননা এসব খালের জলেতে রয়েছে তীব্র

 

স্রোত যা সহজেই কাউকে ভাসিয়ে নিতে পারে। অভিযাত্রী দলের একজন সদস্য রবি শোনের ভাষ্যমতে, “এর আগে এত বিস্তৃত কোনো গুহা আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। ‘ইয়ার ওয়াং ডং’-এর মধ্যে রয়েছে অসাধারণ কিছু বিষয় যা সত্যি আমকে অবাক করেছে। বিশাল এই গুহাটি প্রায় ৮২০ ফুট উঁচু।

উপরের অংশের অর্ধেকটাই কুয়াশা এবং মেঘে ঢাকা। গুহাটির ভিতরে যে জল রয়েছে তা নোনতা স্বাদযুক্ত।” গুহা শব্দটির সাথে একটু বেশিই অ্যাডভেঞ্চার কাজ করে। আমাদের দেশে অবশ্য তেমন কোনো বড় গুহা নেই যেগুলো আছে খুবই ছোট। এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত পৃথিবীর সবচেয়ে বড়

 

গুহা হচ্ছে ‘হ্যাং সান ডং’ যা ভিয়েতনামের শেষ সীমানায় লাওস সীমান্তে অবস্থিত। যদিও এখনো জানা যায়নি হ্যাং সান ডং এর থেকেও কি ইয়ার ওয়াং ডং গুহা বড় কি না। হ্যাঁ বিষয়টি জানতে হলে আপাতত আরো কিছুদিন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

read more
অন্যান্য

ঈদে মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত অর্ধশত

FLcO3Z_1542770542

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি নিহত ও ৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। সাম্প্রতিককালে এটিই সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) রাতে আত্মঘাতী হামলার এ ঘটনা ঘটে।

 

বিবিসির খবরে প্রকাশ, হামলার দায় এখনও কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে কাবুল পুলিশের মুখপাত্র বসির মুজাহিদ বলেন, পুলিশের ধারণা ইসলামিক স্টেট (আইএস) এই হামলা করে থাকতে পারে। দেশটির এক গণমাধ্যম জানিয়েছে, গত কয়েক মাসে কাবুলে যতগুলো আত্মঘাতী হামলা

 

হয়েছে, তম্মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী হামলা। আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাজিব দানিশ স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কাবুলে শত শত মানুষ জমায়েত হয়েছিল। সেখানে এক ইমাম ও অনেক আলেমরা জমায়েত হয়েছিলেন। হঠাৎ এক ব্যক্তি

আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটান। হামলার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, অন্তত ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স হতাহতদের সরিয়ে নেয়ার কাজ করছে। আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি এ হামলাকে ‘অমার্জনীয় অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করার

পাশাপাশি বুধবার একদিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াহিদ মাজরোহ বলেন, হামলায় ৪০ জন মারা গেছেন এবং ৬০ জন আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ারও শঙ্কা প্রকাশ করেছি। স্থানীয় পুলিশ জানায়, ধর্মীয় আলোচনার বিরতিতে যখন

 

খাবারের আয়োজন চলছি তখনই এই হামলা হয়। গত ৬ মাসের মধ্যে আফগানিস্তানে এটাই সবচে বড় হামলা। ইসলামিক স্টেট (আইএস) ও তালেবান শক্তিতে দুর্বল হয়ে পড়ার পর আফগানিস্তানে জঙ্গি হামলার ঘটনা বহুলাংশে কমে এসেছে। এসব সংগঠন আগে এধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অসংখ্যবার

হামলা চালিয়ে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে। ইরাক, আফগানিস্তানের কট্টোরপন্থি সুন্নি মুসলিমরা মিলাদুন্নবী পালনের বিরুদ্ধে। ২০১৪ সালে ইরাকের মসুল শহর দখল করার পর মিলাদুন্নবী পালন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল আইএস । এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠান করতে

গিয়ে হামলায় তখন বহু লোক হতাহত হয়েছে। প্রসঙ্গত, আজ বুধবার সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। সে উদ্দেশে প্রিয় নবীর জন্ম ও ওফাত দিবসটি উদযাপনে কাবুলের ইউরেনাস হলে জড়ো হয়েছিলেন দেশটির বরেণ্য ধর্মীয় শিক্ষাবিদ বা আলেমরা। সেখানেই এই আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরিত হয়।

read more
অন্যান্য

উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ বন্ধের নির্দেশ ইসির

image-48552

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে কমিশন এই নিষেধাজ্ঞা জারি করে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

 

দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, নির্বাচনী নীতিমালা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনে সতর্ক থাকতে হবে পর্যবেক্ষকদের। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দলে সম্পৃক্ত কাউকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। ইসি সচিব বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে

 

লাগানো আগাম নির্বাচনী সামগ্রী গতরাতের মধ্যেই সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা ছিল। যারা এখনও ইসির এ নির্দেশ মানেননি তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরিমানা করা হবে। এর অংশ হিসেবে এরই মধ্যে ইসি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা,

উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ইসির নির্দেশনা মেনে এখন দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে জরিমানা আদায় করবে।’ এর আগে সোমবার (১৯ নভেম্বর) ভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে ‘থ্যাংক ইউ পিএম’ নামে যে প্রচার বিজ্ঞাপন চলছে তা নিয়ে ইসির কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন

কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। দুপুরে ইসি সচিবের কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন। সচিব বলেন, ‘যতদূর জানি থ্যাংক ইউ

 

পিএম ফিলারটি বিজ্ঞাপন আকারে চলছে। এ ধরনের প্রচারণা যে কেউই চালাতে পারেন। ইসি সচিব বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যম বিটিভিসহ বেসরকারি টিভিতে বিজ্ঞাপন আকারে প্রচারণা হওয়ায় এটি নিয়ে ইসির কিছু করার নেই।’ পুলিশের ডিআইজি (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান ইসিতে

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা ও সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

read more
অন্যান্য

হঠাৎ ফেসবুকে সমস্যা, বিপত্তিতে ব্যবহারকারী!…

Pk719q_1542722501

২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। এরপর পেরিয়ে গেছে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময়। নানান প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে আজকের এই স্থানে পৌঁছেছে ফেসবুক। আপডেট, নতুন ফিচার যুক্তসহ নানান কারণে ফেসবুকের কিছু সমস্যা মাঝে

 

মাঝেই চোখে পড়ে। হ্যাকের মতো ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকবার। আজ মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) এমনই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। সন্ধ্যা থেকে ফেসবুক লগ ইন করতে অথবা নিউজ ফিড ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়েছেন দেশীয় ব্যবহারকারীরা। ফলে বেশ বিপত্তিতে পড়তে হয় ব্যবহারকারীদের।

 

জানা যায়, অ্যাকাউন্টগুলিতে লগ ইন করার চেষ্টা করার সময় সমস্যা সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাছাড়াও ফেসবুকে ব্যবহারকারীরা অ্যাক্সেস করার চেষ্টা করলে তাদের একটি বার্তা পাঠনো হচ্ছে ‘ফেসবুক এখন প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ডাউন রয়েছে, তবে আপনি কয়েক মিনিটের মধ্যে ফিরে

যেতে সক্ষম হবেন।’ এরপর আমরা এই চলমান ঘটনা সম্পর্কে এবং ফেসবুক অনলাইনে ফিরে আসার বিষয়ে পোস্ট করব। এমন সব লেখা পাঠাচ্ছে ফেসবুক। তাছাড়াও অনেকে এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে টুইটে তাদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। তাদের টুইটে আরও জানা যায় ফেসবুকের সাথে আরেকটি

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্ট্রাগ্রামও ডাউন দেখাচ্ছে। টুইটে কেবিন সিম্নস নামের একজন জানায়, আমার আজ জন্মদিন। জন্মদিনে আমি ফেসবুক ও ইনস্ট্রাগ্রাম ২৫ ভাগ ডাউন পাচ্ছি। আলেকজেন্ডার নামের আরেকজন টুইটে জানান, আজকে খুব বিরক্তিকর সময় কাটাচ্ছি, ফেসবুক

 

ও ইনস্ট্রাগ্রাম খুবই ডাউন। এছাড়া সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের বিনিয়োগকারীরা প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকারবার্গকে পদত্যাগ করতে অব্যাহত চাপ দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের দোষ খুঁজে বের করতে ফেসবুক রিপাবলিকান মালিকানাধীন একটি

রাজনৈতিক পরামর্শ ও পিআর ফার্মকে ভাড়া করেছে বলে নিউ ইয়র্ক টাইমসে খবর বেরিয়েছে। এরপর থেকেই পদ ছাড়তে চাপ বাড়তে থাকে জুকারবার্গের ওপর। শনিবার ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ফেসবুকের বড় একটা অংশের মালিক ট্রিলিয়াম অ্যাসেট ম্যানেজম্যান্টের

সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট জোনাস ক্রোনও জুকারবার্গকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ফেসবুকে বিনামূল্যে সদস্য হওয়া যায়। এর মালিক হলো ফেসবুক ইনক। ব্যবহারকারীগণ বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী হালনাগাদ ও আদান প্রদান করতে পারেন,

 

সেই সাথে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারেন। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যকার উত্তম জানাশোনাকে উপলক্ষ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত বইয়ের নাম থেকে এই ওয়েবসাইটটির নামকরণ করা হয়েছে।

read more
অন্যান্য

আমাদের নির্বাচনের দিনটি চুরি-ডাকাতির দিন হয়ে গেছেঃ শাহদীন মালিক

Untitled-6-35-777×400

এখন থেকে এক-দেড় মাস আগেও যদি আমার কাছে জানতে চাওয়া হতো নির্বাচন কেমন হবে? তখন সবার মতো আমিও উত্তর দিতাম খুব সম্ভবত একতরফা নির্বাচন হবে। এখন ওই জায়গা থেকে আমরা একটু এগিয়েছি। শেষ মুহূর্তে যদি কোনো অঘটন না ঘটে তাহলে একতরফা নির্বাচন হবে-

 

এটা বলা যাবে না। এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে এক-দেড় মাস আগে যা মনে হতো তার তুলনায় নির্বাচন অনেক ভালো হবে। মানবজমিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনের শিক্ষক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক। ধানমন্ডির চেম্বারে দেয়া

 

সাক্ষাৎকারে তিনি দেশের রাজনীতি, সামাজিক সংকটসহ নানা ইস্যুতে খোলামেলা কথা বলেন। ড. শাহদীন মালিক বলেন, নির্বাচনের দিনটি হচ্ছে ঈদের মতো। ঈদের দিনে আমরা চুরি করতে বের হই না। আনন্দ করতে বের হই। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে, ভালো খাওয়া খেতে বের হই।

কিন্তু আমার কেন জানি মনে হয় বহু বছর ধরে আমাদের নির্বাচনের দিনটি একটি চুরি-ডাকাতির দিন হয়ে গেছে। নির্বাচনের দিন আমাদের লোকজন এটাকে ঈদের দিন না ভেবে কারচুপি বা কারসাজি করে জেতার মতো একটি খেলা মনে করে। এটা যতোদিন দেশের লোকজন ভাবতে থাকবে

ততোদিন দেশে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। এখানে দুটি বিষয় রয়েছে। প্রথমত আমাদের ভাবতে হবে নির্বাচনটা কারচুপি বা কারসাজির ব্যাপার না। এবং আমাদের নির্বাচন কমিশনকে আরো শক্ত হতে হবে। তবে বর্তমান নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের আগে বা নির্বাচনের দিন কতটুকু শক্ত হতে পারবে সে

 

সম্পর্কে আমার এই মুহূর্তে প্রচুর সন্দেহ আছে। এ পর্যন্ত তাদের যে কাজকর্ম তা থেকে তাদের প্রতি খুব বেশি আস্থার জায়গা তৈরি হয় নি। অতএব এখন আমাদের উচিত সবাইকে মনে করিয়ে দেয়া ‘নির্বাচনের দিনটি আমাদের ঈদের মতো পবিত্র ও আনন্দের দিন, এটা কারচুপি বা কারসাজি করার দিন

না’। তারপরেও যেকোনো দেশে যেকোনো নির্বাচনে শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ লোক বেআইনি কাজ করে থাকে। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে ওই জায়গায় পক্ষপাতিত্ব না করে শক্ত হতে হবে। তরুণ ভোটারদের বলবো, কি হবে না হবে কিংবা ভালো-মন্দ না ভেবে আপনারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট

দিন। পল্টনের ঘটনায় ইসির ভূমিকা বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখনো গণতন্ত্রের নির্বাচন বলতে যা বোঝায় সেটা থেকে আমরা অনেক পেছনে রয়েছি। আমাদের নির্বাচনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো শক্তি প্রদর্শনের মহড়া। এখন জাতিগতভাবে আমরা যদি মনে করি নির্বাচনে জিততে

 

হলে বা ভালো করতে হলে আমাদের ২ শ’ মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় নামতে হবে। অথবা যারা কর্মী আছে তারাও বলে থাকেন আমাদের নেতার কত প্রভাব, কত ভালো ও কত বড় কাজ করবে- সেটা দেখাতে হলে ২ থেকে ৩ শ’ মোটরসাইকেল নিয়ে নামতে হবে। নির্বাচন সম্পর্কে আমাদের কিছু

অদ্ভুত ধারণা আছে। এই অদ্ভুত ধারণাগুলো যতোদিন থাকবে ততোদিন আমি বলবো যে বেচারা নির্বাচন কমিশন কিন্তু ব্যাক সিটেই থাকবে। এখন খুব পাক্কা জগতে নির্বাচন কমিশনও নেই। ইউরোপ- আমেরিকার মতো দেশগুলোতে এরকম শক্তির মহড়া, ভোট জালিয়াতি, ব্যালট চুরি এগুলো ওদের

নির্বাচনের অংশ হিসেবে বহু দশক ধরেই চলে গেছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের নির্বাচন কমিশনের জন্য কাজটা সবসময়ই কঠিন। কঠিন এই কাজটি আরো ভালো করা যেতো যদি তারা আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির ব্যাপারে বৈষম্য না দেখাতো বা না দেখালেই ভালো হতো। সবাই সুযোগ পেলেই

 

আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। যেকোনো ভাবে। এটা মাইক ব্যবহারে হোক, রঙিন পোস্টার, ভয়ভীতি দেখানোসহ বিভিন্নভাবে। সারা দেশের সবাই যদি এটাতে মেতে যায় তাহলে নির্বাচন কমিশন কী করবে? তবে হ্যাঁ, নির্বাচন কমিশনকে সব জায়গায় খুঁটিনাটি না দেখে কিছু দৃশ্যমান দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়া

দরকার। সেটা হলেই হয়তো অনেক জিনিসের সমাধান চলে আসবে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ডাণ্ডাপেটা করে নির্বাচন করতে পারবে না। এটা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নয়। তার কথা লোকে শুনবে, তার প্রতি আস্থাশীল থাকবে, তার কথা মেনে নেবে- এরজন্য নৈতিক উচ্চাবস্থানে তাদের

থাকার কথা ছিল। গত ১৮ থেকে ২০ মাসে অনেকগুলো নির্বাচন হয়েছে। এইসব নির্বাচনের ফলে তাদের (ইসি) প্রতি খুব বেশি আস্থা তৈরি হয় নি। আস্থার অনেক ঘাটতি আছে। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভরশীলতা অনেক বাড়ে। কিন্তু শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করে

 

নির্বাচন কমিশনের কথা লোকে বিশ্বাস না করলে ডাণ্ডা পেটা করে বিশ্বাস করাবো- এমন ভাবলে সে নির্বাচন করা যাবে না। তাদের প্রতি যে আস্থার ঘাটতি হয়েছে এই মুহূর্তে আমি মনে করি তাদের পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন করা একটি বড় অন্তরায়। তফসিল ঘোষণার পর কি পরিবর্তন হয়েছে এমন প্রশ্নের

জবাবে প্রখ্যাত এই আইনজীবী বলেন, পরিবর্তন তো হয়েছে। সব দলই বিশেষ করে ঐক্যফ্রন্টসহ সবাই বলছে এখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। বেশ কয়েকটি জোটের ছোট ছোট শরিক দলগুলো বলেছে জোটগতভাবে তারা ধানের শীষ বা প্রধান দলের মার্কা দিয়ে নির্বাচন করবে। এগুলো নিঃসন্দেহে

আশাব্যঞ্জক দিক। পুরো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ড. কামাল হোসেনের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেনের ভূমিকা নিঃসন্দেহে ইতিবাচকভাবে দেখছি। এখানে আমার মনে হয় দুটি বিষয় রয়েছে। প্রথমত বিএনপির একটু দোদুল্যমানতা ছিল। কিছুটা সাংগঠনিক দুর্বলতাও ছিল।

 

এবং তারা এককভাবে তাদের ২০দলীয় জোট নিয়ে ভালো নির্বাচন করতে পারবে কি-না এটা নিয়ে আমার মনে হয় বিএনপির মধ্যে কিছু আশঙ্কা ছিল। এখন ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্ট হওয়াতে এখানে আ.স.ম আব্দুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্নাদের নিয়ে একটি জোট গঠন হয়েছে। তারা

একসঙ্গে আসাতে একটি বিরোধী বড় মোর্চা হিসেবে শক্তি তৈরি হয়েছে। ফলে তাদের কাঙ্ক্ষিত ভালো নির্বাচন পাওয়ার প্রত্যাশাটা বেড়েছে। ড. কামাল হোসেন গত ৫০ বছর ধরেই সামনে আছেন। এবং রাজনীতিতে আছেন। কিন্তু ঐক্যফ্রন্টে আসার পরে তার বিরুদ্ধে বেশকিছু অহেতুক কুৎসা রটনা

হয়েছে। তা সত্ত্বেও আমি মনে করি আমাদের রাজনীতিতে একজন নীতিবান লোক হিসেবে তার অবস্থান সবার উপরে। যেকোনো মানুষের দুর্বলতা থাকে, গাফিলতি থাকে। কারণ আমরা মানুষ, আমাদের কেউ ফেরেশতা না। এই হিসেবে ড. কামালের নিশ্চয়ই কিছু দুর্বলতা আছে। নিশ্চয়ই তাকে

 

সমালোচনা করা যাবে। কিন্তু সবকিছু আমলে নিয়ে এটা বলা যাবে যে, নীতি- নৈতিকতার বিচারে তার স্থান এখন অনেক উপরে। এখানে লক্ষণীয় দুটি বিষয় রয়েছে। একটি হচ্ছে সবাই মিলে জোট গঠন, অন্যটি ড. কামাল হোসেনের ওপর সাধারণ মানুষের যে শ্রদ্ধা- এই দুটি মিলিয়ে আমার মনে হয়

নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডটা আগের থেকে অনেক ভালো হয়েছে। আগে যেটা একতরফা নির্বাচন হতে যাচ্ছিল। এখন ঐক্যফ্রন্ট আসাতে ড. কামালসহ অন্যরা আসাতে একতরফা নির্বাচনের আশঙ্কাটা অনেক কমে গেছে। সংসদ ভাঙতে সংবিধান বাধা তত্ত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, সংবিধানে

কোনো বাধা নেই। এখন সংবিধান যদি কেউ না পড়ে বা না বোঝার চেষ্টা করে সেটা অন্য কথা। সংসদীয় গণতন্ত্রে ধরেই নেয়া হয় যে, সংসদ ভেঙে নির্বাচন দেয়া হবে। সংবিধানে আমাদের দুটি পন্থাই বলে দেয়া হয়েছে। সংসদ ভেঙে না দিয়ে আমাদের দেশে বা সারা দুনিয়ার প্রথা বা চর্চার দৃষ্টিতে

 

সেটা একটি ব্যতিক্রম। কখনো এটা দরকার হতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে যদি দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়, বিরাট বন্যা, সাইক্লোন দেখা দেয়। এরকম পরিস্থিতিতে তখন হয়তো সংসদ রেখে নির্বাচন করতে হবে। অন্যদিকে কেউ নিশ্চয় দ্বিমত করবে না যে, সংসদ রেখে নির্বাচন

করলে যে দলের সংসদ সদস্যরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আছেন তারা তো নিঃসন্দেহে সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অনেক আচরণবিধির কথা বলা হয়। কিন্তু আপনাকে ২ হাত বেঁধে আর আমার ২ হাত খোলা রেখে যদি পুকুরে নামিয়ে দেয়া হয় সাঁতার প্রতিযোগিতায়। তখন তো আপনি

ডুবে যাবেন। তখন যদি বলা হয় আপনারা তো একই পুকুরে সাঁতরাচ্ছেন। আপনি হাত বাঁধা অবস্থায় সাঁতরাতে পারছেন না কেন? এটা তো অবাস্তব কথা। সংসদ বহাল রেখে তাদের আচরণবিধি স্তিমিত করা মনে হয় অবাস্তব। গত ৫ বছরে বাংলাদেশের প্রায় সব নির্বাচন নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে, এ

 

পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে তিনি বলেন, দুনিয়ার বহু দেশ আমাদের মতো এই অসুস্থ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গেছে। কোনো দেশে নির্বাচন একদিনেই সুষ্ঠু হয়নি। এক্ষেত্রে আমাদের সময়টা খুব বেশি লেগে যাচ্ছে। এখন মনে হয় আমাদের রাজনীতির সঙ্গে যারা সরাসরি সম্পৃক্ত তারা যদি মনে

করেন যে নির্বাচনটা হলো টাকার খেলা, শক্তি প্রদর্শন বা মহড়া প্রদর্শন, প্রভাব খাটানোর খেলা ততোদিন কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে আমরা যেতে পারবো না। তবে ১টি বিষয় করা যেতে পারে। আনুপাতিক হারে নির্বাচন। যেটা শ্রীলঙ্কা ও নেপালে আছে। সারা দেশের সব লোক ভোট দেবেন।

তারপরে প্রাপ্য ভোটের হার অনুযায়ী তখন আসন বণ্টন হবে। যে যতো সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে সে ততো বেশি আসন পাবে। যে সংখ্যাগরিষ্ঠ কম হবে সে ততো কম আসন পাবে। তখন এই আসনভিত্তিক নির্বাচনটা চলে যাবে। নির্বাচনে অনিয়মগুলোও কমবে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে

 

পারেনি। তখন একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ছিল। কিন্তু ২০০৮ বা তার আগের নির্বাচনে ভোট দিতে পেরেছে। আমি আশা করবো আগামী নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারবে। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তোলা যে দেশের উন্নতির জন্য প্রয়োজন এই চিন্তাটা আমাদের রাজনৈতিক

নেতৃত্বের মধ্যে এখনো আসেনি। তাদের চিন্তা হলো দেশ গড়া বা দেশের উন্নয়ন করা। মানে ভালো রাস্তা গড়া, ভালো ব্রিজ করা, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, বিদ্যুৎ এসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এখানে প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করা তাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় অনেক পেছনে। খাদ্যদ্রব্যের দাম

কমানো এগুলোই হলো তাদের অগ্রাধিকার। একটি দেশ তখনই উন্নত হয় যখন তারা বুঝতে পারে যে এগুলোর (ফিজিক্যাল উন্নয়ন) সঙ্গে সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে গড়ে তোলা এটা কিন্তু কম গুরুত্বপূর্ণ না বরং বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের নেতারা যখন বুঝতে শুরু করবে যে রাস্তাঘাটের উন্নয়নের

 

থেকে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং শক্তিশালী করা অন্তত সমান গুরুত্বপূর্ণ। তখন প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হবে। সিভিল সোসাইটির ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি মনে করি সিভিল সোসাইটির ভূমিকা গৌণ হচ্ছে না। সিভিল সোসাইটির কাজ দেশ চালানো বা রাজনীতি করা না। দেশে যে কাজগুলো

হচ্ছে তার দুর্বলতাগুলো ধরিয়ে দেয়া বা তার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা। তাদের ভূমিকা কিন্তু এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অর্থাৎ একটি বুদ্ধিভিত্তিক অবস্থান। তাদের ভূমিকা আপ’স অ্যান্ড ডাউন হতে পারে কিন্তু খুব বেশি কমে গেছে বলে আমি মনে করি না। আরো বেশি হওয়া উচিত ছিল।

উৎসঃ মানবজমিন

read more
1 2 3 4 5
Page 3 of 5