close

অন্যান্য

অন্যান্য

৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে

0a20ffaaf4c67f4655f8fc75d2596561-5c13ad5aa9635

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আগামী ৩০ দেশে নির্বাচন হবে কি না তা নিয়ে জনগণ শঙ্কার মধ্যে আছে। তিনি বলেন, বতমানে দেশে নির্বাচনের নূন্যতম কোন পরিবেশ নেই। আজ রোববার (১৬ ডিসেম্বর) বিকালে পল্টনের জামান টাওয়ারে

 

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ এক সন্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, গণফোরাম নেতা সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির যুগ্ম- মহাসচিব

 

সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ। ড. কামাল বলেন, দেশের মালিক জনগণ, কিন্তু সেই মালিকানা ফিরে পেতে প্রয়োজন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। সেই পরিবেশ যদি না থাকে তাহলে জনগণ ভোট কিভাবে দেবে। তিনি বলেন, সারা দেশে বিরোধী প্রার্থীদের উপর হামলা মামলা হচ্ছে,

সরকার কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এমন কি কোন তদন্ত হচ্ছে না, কি অবাক কান্ড। তিনি আরও বলেন, সংবিধান কোন খেয়াল খুশির ব্যাপার না, জনগণের ভোট অধিকার ফিরে পেতে ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। ড. কামাল বলেন, জনসমর্থন আমাদের পক্ষে আছে আমরা শেষ পর্যন্ত মাঠে টিকে

থাকব। সরকার বুঝতে পারছে জনগণ তাদের পক্ষে নেই। তাই তারা নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। কোন ষড়যন্ত্রই কাজ হবে না। এসময় জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেছেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আমরা মাঠে থাকব। যতই অত্যাচার নির্যাতন করেন ভয়

 

পাওয়ার লোক আমরা নই। তিনি বলেন, ৭১ সালে মানুষ অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে, এখন অস্ত্র না থাকলেও লাঠি তো আছে, সেই দিয়েই ভোট কারচুপি প্রতিরোধ করবে। রব বলেন, জীবনে বহু নির্বাচন দেখেছি, পাকিস্তান আমলেও কোন প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়নি যা এখন হচ্ছে। তিনি

 

বলেন, প্রয়োজনে জীবন দেব তবুও মাঠ ছাড়ব না। তিনি বলেন, সারা দেশে আমাদের প্রার্থীসহ নেতাকমীদের উপর আক্রমন হচ্ছে, আর যদি আমরা পাল্টা আক্রমণ করতে কর্মীদের নির্দেশ দেই পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে একবার ভাবুন।

read more
অন্যান্য

শেষ সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে কঠোর হচ্ছে ইসি

mjVwOi_1544948490

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ১৩ দিন বাকি। শেষ সময়ে এসে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভোট সুষ্ঠু করতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে। আগামীকাল সোমববার (১৭ ডিসেম্বর) বিএনপি নেতাকর্মীদের অহেতুক হয়রানি, গ্রেফতার না করতে আবারও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

 

ও পুলিশ মহাপরিদর্শককে নির্দেশনা দিবে ইসি। এছাড়া ১৮ ডিসেম্বর তিন পারবর্ত্য অঞ্চলে সভা করতে যাচ্ছে কমিশন। সূত্র জানায়, যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নেই, তাদেরকে যেন অহেতুক হয়রানি না করা হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে হবে। নিষ্প্রয়োজনে কাউকে গ্রেফতার না

 

করে। যারা নেতা রয়েছেন, তাদের যদি কোনো ফৌজদারি অপরাধ না থাকে তাহলে যেন অহেতুক হয়রানি না করা হয় সেই নির্দশনা থাকবে চিঠিতে। ইভিএম কন্ট্রোলে থাকছে সেনাবহিনী: এদিকে আসন্ন নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হতে যাওয়া ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)

পরিচালনার জন্য প্রায় ৩ হাজার ৩শ সেনা সদস্য মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এর মধ্যে ভোটকেন্দ্রে ইভিএমের কারিগরি সহায়তার জন্য থাকবে মোট ২ হাজার ৫৩৫ জন সেনা সদস্য। আর প্রতি কেন্দ্রের জন্য গঠিত একেকটি টিমে থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর তিন জন করে সদস্য। এদের

মধ্যে একজন কর্পোরাল, দু’জন ল্যান্স কর্পোরাল অথবা সৈনিক সেনা সদস্য। তাদের কাছ থেকে তথ্য নেবে ভ্রাম্যমাণ কারিগরি টিম। এই টিমে থাকবেন মোট ৫০৭ জন সেনা সদস্য। প্রতি পাঁচ কেন্দ্রের জন্য গঠিত প্রতি টিমে থাকবেন তিন জন করে সেনা সদস্য। এদের মধ্যে একজন সার্জেন্ট, দুজন

 

কর্পোরাল অথবা ল্যান্স কর্পোরাল বা সৈনিক সেনা সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। ভ্রাম্যমাণ টিমের কাছ থেকে তথ্য নেবে ভ্রাম্যমাণ তদারকি টিম। প্রতি ১৫টি কেন্দ্রের জন্য একটি টিম থাকবে। এক্ষেত্রে মোট ১৬৯ জন সেনা সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। যাদের মধ্যে রয়েছেন একজন জেসিও, দু’জন

সার্জেন্ট অথবা ল্যান্স কর্পোরাল বা সমমর্যাদার সেনা সদস্য। এদের ওপরে কাজ করবে প্রতি ৫০ কেন্দ্রের জন্য গঠিত একটি করে মোট ১৭টি টিম। আর প্রতি টিমে তিন জন করে মোট ৫১ জন সেনা সদস্য কাজ করবেন। এদের মধ্যে রয়েছেন একজন মেজর অথবা ক্যাপ্টেন অথবা লেফটেন্যান্ট, একজন জেসিও এবং কর্পোরাল অথবা ল্যান্স কর্পোরাল অথবা সৈনিক সমমর্যাদার সেনা সদস্য। এই টিম সহকারী রিটার্নিং অফিসার বা উপজেলা নির্বাচন

 

কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্থাপিত কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। আর সবগুলো টিমের কাজ তত্ত্বাবধায়ন করবে উচ্চ পর্যায়ের আরেক টিম। প্রতি আসনে ৫ জন করে সেনা সদস্য নিয়ে এই টিম গঠিত হবে। অর্থাৎ মোট ৬টি আসনে ৩০ জন সেনা সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এতে একজন মেজর, দু’জন ক্যাপ্টেন অথবা লেফটেন্যান্ট, একজন জেসিও অথবা সার্জেন্ট এবং ১ জন কর্পোরাল অথবা ল্যান্স কর্পোরাল অথবা সৈনিক সমমর্যাদার

সদস্য। এই টিম রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্থাপিত কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইভিএম পরিচালনা করা হবে দুটি কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে। যার একটি থাকবে নির্বাচন কমিশনে আর একটি থাকবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে। সেনা সদস্যরা কাজ করবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের কন্ট্রোল

রুমের অধীনে। আর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কন্ট্রোল রুম কাজ করবে নির্বাচন কমিশনের কন্ট্রোল রুমের অধীনে। কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন কমিশন তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের একটি কারিগরি টিমের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

read more
অন্যান্য

ফের মঈন খানের প্রচারণায় হামলা-গুলি, আহত ৫০

h2zYF7_1544952187

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নরসিংদী-২ আসনে পাচদোনা এলাকায় বিএনপির প্রার্থী ড. আব্দুল মঈন খানের নির্বাচনী প্রচারণায় ফের হামলা চালিয়েছে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। রোববার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় গণসংযোগের সময় এ হামলা করা

 

হয়। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার সময় হঠাৎ করেই মঈন খানের গণসংযোগে হামলা চালায় বলে জানা গেছে। এই হামলায় গাড়ি ভাঙচুর সহ দলটির কমপক্ষে ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এছাড়া

 

গুরুতর আহতদের ঢাকা আনা হচ্ছে। হামলার সময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গুলি করেছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) মঈন খানের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা চালায় যুবলীগ ও

 

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। নির্বাচনী এলাকার আমদীয়া ইউনিয়নের বেলাব নামক স্থানে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।হামলাকারীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও চারটি মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এছাড়াও হামলায় ছাত্রদল ও যুবদলের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানান পলাশ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

read more
অন্যান্য

ঐক্যফ্রন্টের বিজয় র‌্যালিতে মানুষের ঢল

INPIGe_1544950443 (1)

আজ ১৬ ডিসেম্বর। মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির উৎবের দিন, আনন্দের দিন। বাঙালি জাতির হাজার বছরের বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিবস। এ দিকে, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বিজয় র‌্যালি করেছে রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ রবিবার (১৬ ডিসেম্বর)

 

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয় এই বিজয় মিছিল। র‌্যালিটি মালিবাগ ঘুরে পুনরায় নয়াপল্টনে দুপুর সায়া ১২টায় এসে শেষ হয়। এ সময় ঐক্যফ্রন্টের সবচেয়ে বড় শরিক দল বিএনপিসহ অন্য দলগুলোর বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর

 

উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে র‌্যালিতে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা তাদের নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে বিজয় মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় ধানের শীষের নামে র‌্যালি স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে নেতাকর্মীরা। এর

 

পাশাপাশি ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান তারা। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ সকাল সোয়া ১১টায় এই বিজয় র‌্যালির উদ্বোধন করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি

 

অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, বিএনপি নেতা সানা উল্লাহ মিয়া, আবদুস সালাম আজাদ, ঢাকা-৯ আসনের এমপি প্রার্থী আফরোজা আব্বাস প্রমুখ।

read more
অন্যান্য

সেনাবাহিনীকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে: সিইসি

xdJduw_1544928062

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী প্রয়োজন মনে করলে করতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হবে না। তবে, তারা গ্রেপ্তার করতে পারবে। তাদের সেই ক্ষমতা দেওয়া আছে।’ গতকাল

 

শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এসব কথা বলেন। সেনাবাহিনীর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘যদি ম্যাজিস্ট্রেট থাকে বা কোনো একটি এলাকা/কেন্দ্রে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যে, ইমিডিয়েট হস্তক্ষেপ করার দরকার হয় তাহলে তারা

 

গ্রেপ্তার করতে পারে। এটা আইনেই বলা আছে। সিআরপিসিতে আইনে যেভাবে আছে সেভাবেই তারা দায়িত্ব পালন করবে।’ প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘ভোটের সময় ভোটকক্ষের ভেতরে গিয়ে কোনো টেলিভিশন চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবে না। তবে, ভোটকক্ষে ছবি তুলে বেরিয়ে

এসে ভোটকেন্দ্র এলাকা থেকে (বারান্দা বা মাঠ থেকে) সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে। সাংবাদিকদের প্রতিটি কেন্দ্রে সীমিত আকারে যেতে হবে কারণ একসঙ্গে অনেকে গেলে নির্বাচনি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন ঘটে। সেক্ষেত্রে কতজন একত্রে যেতে যেতে পারবেন তা নির্বাচন কেন্দ্রের প্রিজাইডিং

অফিসার সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করে অনুমোদন দেবেন।’ সিইসি বলেন, ‘ভোটকক্ষে কেউ মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। সাংবাদিকরা মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করে ছবি তুলতে পারবেন। কিন্তু ভোটকক্ষে মোবাইলে কথা বলতে পারবেন না। সাংবাদিকদের মতো নির্বাচন

 

পর্যবেক্ষকদের বিষয়েও একই ধরনের নির্দেশনা মানতে হবে।’ একসঙ্গে কতজন সাংবাদিক প্রবেশ করতে পারবেন এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘প্রিজাইডিং অফিসারের ব্যবস্থাপনা মানতে হবে। তার কক্ষের ধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করে যতজনকে অনুমোদন দেন সেটা অনুসরণ করতে হবে।’

 

তিনি বলেন, ‘মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ ও ইন্টারনেটের গতি কমানোর বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত হবে।’ সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- কমিশনার মাহবুব তালুকদার, কবিতা খানম ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ প্রমুখ।

সূত্র: আমাদেরসময়।

read more
অন্যান্য

পুরোনো মদ, আবির্ভূত নতুন বোতলে: ঢাবি উপাচার্য

bc6d9a920cbd890f3d12d406f504fb4d-5ad9a3830e4a1

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে কতগুলো দল-উপদল ও গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। এদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধী, তাদের সঙ্গে সংগঠিত কিছু মানুষ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ছত্রচ্ছায়ায় লালিত-পালিত কিছু মানুষ

 

রয়েছে ৷ দল-উপদল ও গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে তারা বিজয়ের এই মাসকে কলঙ্কিত করছে। নতুন মাত্রা ও নতুন পরিচয়ে তাদের আত্মপ্রকাশ ঘটা শুরু হয়েছে। এরা পুরোনো মদ, আবির্ভূত হয়েছে নতুন বোতলে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের

 

উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে আখতারুজ্জামান এসব কথা বলেন ৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়৷ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশটি

সাম্প্রদায়িক চরিত্র ধারণ করতে থাকল ৷ বাঙালি জনগোষ্ঠীর ওপর শুরু হলো নিপীড়ন ও বৈষম্যমূলক আচরণ। শ্রেণিকক্ষে এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তাঁরা পাকিস্তান রাষ্ট্রের দুষ্ট চরিত্র ব্যাখ্যা করতে শুরু করেন ৷ তাঁরা ন্যায্যতা ও সাম্যের ভিত্তিতে অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণের

কথা বলেন। ঠিক এই মুহূর্তেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনাভিত্তিক রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ গঠন করেন ৷ বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সময় সংস্কৃতির ওপর আঘাত এলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকেরা ভিন্ন ধরনের অবস্থান নিয়েছিলেন। যাঁরা মানুষের মনস্তাত্ত্বিক জগতে

 

পরিবর্তন এনে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করেছেন, পাকিস্তানি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তাঁদের চিহ্নিত করে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। একাত্তরের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ কাজে আলবদর, আল শামস বাহিনীকে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করা হয়। মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের প্রধান রাও

ফরমান আলী৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামানের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, শহীদ অধ্যাপক গিয়াসউদ্দীন আহমদের বোন সাজেদা বানু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক

তাজিন আজিজ চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বেশ কয়েকজন শিক্ষক এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ৷

read more
অন্যান্য

সৌদি ইস্যু নিয়ে ট্রাম্পকে ‘দ্বিগুণ তিরস্কার’

4f021cda7bd42b1489b15486f2a3745c-5c13707a2d54a (1)

সৌদি ইস্যু নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘দ্বিগুণ তিরস্কার’ করল মার্কিন সিনেট। গতকাল বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের নিন্দা জানিয়ে ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রিয়াদের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের পক্ষে ভোট দিয়েছে সিনেট। একই সঙ্গে সাংবাদিক জামাল

 

খাসোগিকে হত্যার ঘটনায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে দোষী বলে মনে করছে তারা। ‘ইয়েমেন যুদ্ধে রিয়াদের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের’ প্রস্তাবে পক্ষে-বিপক্ষে ভোট পড়ে ৫৬-৪১। ইয়েমেনের এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লাখো মানুষ নিহত হয়েছে। দেশটিতে চলমান দুর্ভিক্ষে সংকটে

 

রয়েছে হাজার হাজার শিশুর জীবন। জাতিসংঘ একে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ানক মানব–সংকট বলে আখ্যায়িত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই প্রথম চেম্বার অব কংগ্রেস ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্টের অধীনে কোনো সামরিক বাহিনী থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের

প্রস্তাব সমর্থন করল। এ জন্যই এই অবস্থান ঐতিহাসিক বলছেন বিশ্লেষকেরা। ১৯৭১ সালের ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট অনুযায়ী, হামলার ক্ষমতা রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে ১৯৭৩ সালে ওই আইনে সংশোধন এনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করা হয়। আসলে সৌদি সাংবাদিক জামাল

খাসোগি হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সৌদির ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন কমে গেছে। বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে গিয়ে খুন হন খাসোগি। প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে খাসোগিকে হত্যার কথা স্বীকার করে সৌদি আরব। তারা দাবি

 

করে, কনস্যুলেটের ভেতরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে খুন হন খাসোগি। এ ঘটনায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও ওঠে। যদিও সৌদি কর্তৃপক্ষ সে অভিযোগ নাকচ করে আসছে।

read more
অন্যান্য

ক্লাস সিক্সে ভালো লাগা, এবার বিয়ে

4e6ce8632f0dfebe2e769fbb71db44ac-5c1387a69052b

টেলিভিশনে গানের অনুষ্ঠান দেখে গায়ক, সুরকার ও সংগীত পরিচালক মিলন মাহমুদকে ভালো লাগে ক্লাস সিক্সের শিক্ষার্থী সুমাইয়া জামানের। তখন সেই ভালো লাগার কথা মাকে নাকি জানিয়েও দিয়েছিলেন। মেয়েকে ধমক দিয়ে মা বলেছিলেন, গানের অনুষ্ঠান না দেখে কার্টুন দেখো। দিনে দিনে

 

কিন্তু সময় অনেক গড়িয়েছে। সাভারের ক্লাস সিক্সের সেই সুমাইয়া জামান এখন লালমাটিয়া মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বিবিএ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ফেসবুক এই দুই মানুষকে এক ছাদের নিচে জায়গা করে দিয়েছে। এবার বিয়ে করে তাঁরা নতুন জীবন শুরু করেছেন। ১০ ডিসেম্বর মিলন

 

মাহমুদের বাসায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। আট মাস আগে মিলন মাহমুদকে ফেসবুকে বন্ধু হতে অনুরোধ পাঠান সুমাইয়া জামান। দুই মাস পর বন্ধুত্ব গ্রহণ। আর গত ১০ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে বিয়ে। নিজের বিয়ের খবরটি প্রথম আলোকে এভাবেই জানালেন মিলন মাহমুদ। এক যুগ

 

আগে গানের জগতে আবির্ভাব হয় মিলন মাহমুদের। ‘চলো সবাই’ গান দিয়ে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম ‘ধ্যান’। এখন পর্যন্ত তাঁর একক গানের নয়টি অ্যালবাম বেরিয়েছে। তাঁর সর্বশেষ একক অ্যালবাম ‘অচেনা শহর’ প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে। মিলন মাহমুদের গাওয়া

‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ এবং ‘চোরাবালি’ ছবির ‘মা’ শিরোনামের গান দুটিও শ্রোতাপ্রিয়তা পায়। মিলন মাহমুদ ও সুমাইয়া জামান। ছবি: সংগৃহীত মিলন মাহমুদ ও সুমাইয়া জামান। ছবি: সংগৃহীত মিলন মাহমুদ বলেন, ‘আট মাস আগে সুমাইয়া জামান নামের একজন ছাত্রী আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড

রিকোয়েস্ট পাঠান। বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করার দুই মাস পর তাঁর সঙ্গে আমার শুভেচ্ছা বিনিময় হয় ম্যাসেঞ্জারে। তিনি আমাকে তাঁর ভালো লাগার কথা জানান। বললেন, ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় এনটিভির একটি গানের অনুষ্ঠানে আমাকে প্রথম দেখেন। আমার গানের প্রতি তাঁর মুগ্ধতা তৈরি হয়।

 

অনুষ্ঠান চলার সময়েই নাকি মাকে বলেছিলেন আমার প্রতি তাঁর ভালো লাগার কথা। তাঁর আট বছরের যত্নে রাখা অনুভব ও ভালোবাসা আমার হৃদয়কে স্পর্শ করে। তাঁর সঙ্গে আমার বোঝাপড়া আর ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে একসঙ্গে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিই।’ মিলন মাহমুদের

 

এটি দ্বিতীয় বিয়ে। ২০১৫ সালের ১ মে মৌরি রহমানকে বিয়ে করেছিলেন মিলন মাহমুদ। সম্প্রতি তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। নতুন জীবন নিয়ে মিলন বলেন, ‘অতীত ভুলে বর্তমানকে নিয়ে আগামী দিনগুলো সুন্দরভাবে কাটাতে চাই। সবার শুভকামনা ও দোয়া চাইছি।

read more
অন্যান্য

ঘটনা তদন্তে আইজিপিকে অনুরোধ করবেন ড. কামাল

0a20ffaaf4c67f4655f8fc75d2596561-5c13ad5aa9635

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন অভিযোগ করেছেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ‘ভাড়াটিয়ারা’ হামলা করেছে। তাঁর অভিযোগ, দুই পয়সা নিয়ে হামলাকারীরা এগুলো করেছে। হামলাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি তোমাদের চার পয়সা দেব, তোমরা ওখান থেকে সরে যাও।’

 

হামলার ঘটনার পর ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বেলা তিনটায় এ জোটের অস্থায়ী কার্যালয় পুরানা পল্টনের জামান টাওয়ারে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি এসব কথা বলেন। মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ফেরার পথে নিজের গাড়িবহরে হামলা

 

নিয়ে চিন্তা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল। তবে তিনি বলেন, এই হামলায় শহীদদের প্রতি অবমাননা করা হয়েছে। ঘটনা সম্পর্কে তিনি পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে। ঐক্যফ্রন্ট থেকে জানানো হয়, কামাল হোসেনের গাড়িবহরের ৭/৮টি গাড়ি ভাঙচুর ও নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা

করা হয়। এতে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের গাড়িচালকসহ প্রায় ৩০ জন আহত হন। সংবাদ সম্মেলনে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল বলেন, ‘আজকের দিনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলাম। আমাদের প্রতি কী হয়েছে, তা চিন্তা করি না। কিন্তু শহীদদের প্রতি

 

তারা অবমাননা করেছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।’ শহীদদের আত্মা এতে কষ্ট পেয়েছে বলে তিনি জানান। ড. কামাল বলেন, পয়সা নিয়ে ‘ভাড়াটিয়ারা’ এ হামলা করেছে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে। দুই পয়সা নিয়ে তারা এগুলো করেছে বলে জানান।। তিনি বলেন, ‘আমি তোমাদের চার পয়সা

দেব। তোমরা ওখান থেকে সরে যাও। কয় পয়সা পেয়ে তোমরা এগুলো করেছ? এটা কোনো সুস্থ দেশপ্রেমিকের কাজ হতে পারে না।’ ক্ষোভের সঙ্গে কামাল হোসেন বলেন, ‘আজকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এটা কি ভুলে গেছে তারা?’ আজকের ঘটনা নিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে চিঠি পাঠাবেন

জানিয়ে বলেন, পুলিশের আইজির কাছে অনেক কিছু আশা করা যায়। কিন্তু পুলিশদের সম্পর্কে যেসব কথা শোনেন, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। আইজিপির উদ্দেশে বলেন, ‘আমি অনুরোধ করব, আমাদের কথাগুলো খুব গুরুত্ব সহকারে দেখবেন। আপনার কাছে তথ্য দেওয়া হবে। বিশ্বস্ত লোক দিয়ে তদন্ত

 

করাবেন। তদন্তে আমরা সাহায্য করব।’ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার নিয়ে কামাল হোসেন বলেন, ‘পুলিশ কার আদেশে অ্যারেস্ট করে? আমি প্রত্যেকটা অ্যারেস্টের বিস্তারিত তথ্য চাই।’ বঙ্গবন্ধুর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছেন, এ দেশের প্রতিটা মানুষ আইনের আশ্রয় পাবে। কিন্তু পুলিশ

বঙ্গবন্ধুর কথাকে অমান্য করছে। পুলিশকে যাঁরা ‘বেআইনি’ আদেশ দিচ্ছেন, তাঁরা চিরস্থায়ী না, উল্লেখ করে ঐক্যফ্রন্টের এই আহ্বায়ক বলেন, বিনা অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার করলে সংবিধান ভঙ্গ করা হয়। পুলিশকে তিনি সংবিধান ভঙ্গ করার মতো অপরাধ না করার জন্য বলেন। পুলিশের ব্যাপারে

কোনো অভিযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাঁর কথামতো পুলিশ এসব করছে, তা তাঁকে (কামাল হোসেন) জানাতে পারেন। তিনি আরও বলেন, কোনো সরকার আইনের ঊর্ধ্বে না। বেআইনি আদেশ বন্ধ করার জন্য বলেন তিনি। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও হয়রানি দেখতে হচ্ছে, জানিয়ে ড.

 

কামাল বলেন, যারা দেশ শাসন করছে তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত। তাদের তিনি মুখ ঢেকে চলার জন্য বলেন। জনগণের প্রতি আস্থা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের কাছে তিনি বিচার দিলে তারাই বিচার করবে। জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবও হামলার শিকার হয়েছেন বলে

জানানো হয়। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যেন সরে দাঁড়ায়, তাই ভয় দেখানো হচ্ছে। কিন্তু ভয় দেখিয়ে মাঠ থেকে তাঁদের তাড়ানো যাবে না। সারা দেশেই ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী-কর্মীদের ওপর হামলা ও গ্রেপ্তার চলছে বলে আ স ম রব অভিযোগ

করেন। পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে, অভিযোগ করে রব বলেন, তাঁরা তাঁদের কর্মীদের প্রতিরোধের নির্দেশ দিচ্ছেন না। তাঁরা শক্তি ও সাহসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন। তিনি বলেন, ‘ব্যালটে লড়াই হবে। আমরা মরব, সরব না।’ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান

 

বলেন, সরকার ও তার দলের লোকেরা এ হামলা করেছে। নির্বাচন কমিশনকে ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা তো স্বাধীন নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান। আপনাদের তো বিব্রত হওয়ার কথা না, ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। যতগুলো হামলা হয়েছে সেগুলোর বিচার করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।

কিন্তু তারা পারছে না। ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাদের পদত্যাগ করা উচিত।’ ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাটি কামড়ে পড়ে থাকার কথা বলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর জনগণ ব্যালট বিপ্লব করবে। সরকার নানানভাবে ভয়

দেখাচ্ছে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো ভয়ে কামাল হোসেন ভীত না। এ ছাড়া গতকাল উত্তরায় নির্বাচনী প্রচারেও তারা বাধা পেয়েছেন বলে জানান। ইসির কাছে কোনো রকম প্রতিকার পাননি জানিয়ে মান্না বলেন, ইসি তাঁদের বিরুদ্ধে ও সরকারে পকেটে চলে যাওয়ার আচরণ করছে।

 

প্রধানমন্ত্রী প্রটোকল নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলেও মান্না অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মোহসীন মন্টু, জাফরুল্লাহ চৌধুরী, আবদুল মালেক রতন, রেজা কিবরিয়া প্রমুখ।

read more
অন্যান্য

পার্থর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় তাবিথ আওয়াল ঢাকা-১৭ আসনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী

48355516_2248616591865893_3586753882111344640_n

পার্থর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় তাবিথ আওয়াল ঢাকা-১৭ আসনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থর নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আওয়াল। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি

 

করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে (উপনির্বাচনে) বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন। শুক্রবার জুমা নামাজের পর তিনি ২০দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর বারিধারা থেকে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। পার্থের সঙে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার

 

উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টুর বড় ছেলে আবিথ আওয়াল বনানী বাজার সুপার মার্কেট, বনানী ১১ নম্বর রোড ও গুলশানের বিভিন্ন পয়েন্টে ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় তারা জোটের পক্ষ থেকে ধানের শীষে ভোট চান। ঢাকা-১৭ আসনটি (গুলশান, বনানী, ঢাকা

সেনানিবাস ও ভাষানটেকের কিছু অংশ) নিয়ে গঠিত। এ আসনে মহাজোটের দুই প্রার্থী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (লাঙ্গল) ও আওয়ামী লীগ থেকে মনোনিত চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। একই আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ধানের

 

শীষ নিয়ে লড়ছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিব রহমান পার্থ। এছাড়াও আসনটিতে লড়বেন তৃণমূল বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

read more
1 76 77 78 79 80 89
Page 78 of 89