close

অপরাধ

অপরাধ

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে অভিযুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ

Untitled-1 copy

বাংলাদেশের কক্সবাজারে ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে অভিযুক্ত একজন ইউপি সদস্য ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। অন্যদিকে সেখানে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাড়িতে ও নৌকায় হামলা চলছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

 

টেকনাফ সদরের ইউনিয়ন পরিষদে সদস্য এনামুল হক নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়ে আত্মসমর্পণ করতে যান। গত ১৫ই জানুয়ারি বিকেলে তিনি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে “প্রিয় মাতৃভূমি টেকনাফ বাসি” সম্বোধন করে যে স্ট্যাটাস দেন সেখানে লেখেন, “আত্মসমর্পণ

 

অনুষ্ঠান যাত্রা শুরু করছি”। আত্মসমর্পণের জন্য যাওয়ার সময় তার সাথে একজন পুলিশ সদস্য এবং একজন স্থানীয় সাংবাদিক ছিলো বলে সে ঐ ফেসবুক পোস্টে জানায়। আরো পড়ুন: ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন খেলে কী হয় বাংলাদেশে ‘ইয়াবা যুগ’: মাদকের বাজার কতটা বড়? ‘টেলিফোন

করলেই পৌঁছে যায় ইয়াবা’ ছবির কপিরাইটফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট Image caption আত্মসমর্পণ করার আগে ইউপি সদস্য এনামুলের ফেসবুকে এমন পোস্ট করেন। এনামুল হকের বড় ভাই হাফেজ মাওলানা নুরুল হক তার ভাইয়ের আত্মসমর্পণের খবর নিশ্চিত করেছেন বিবিসি বাংলাকে।

 

তিনি জানিয়েছেন, তার ভাইকে নিয়ে গেছে, কিন্তু কোথায় নিয়ে গেছে সেটা তাদের জানা নেই। “যতটুকু জানি পুলিশ লাইনের কোথাও আছে। আমরা যোগাযোগ করেছিলাম, বলা হইছে চিন্তার কিছু নাই”। আরও জানান, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অপরাধ বিবেচনা করে কী সাজা দেয়া হবে –

সেটা জানানো হবে বলে তাদের বলা হয়েছে। তিনি বলেন “কিছুদিন আগে সরকারের মাদক-বিরোধী অভিযানের সময় ক্রসফায়ারে দেয়ার জন্য যে গায়েবি তালিকা করা হয়েছিল সেখানে তার (ভাই এনামুল হকের) নাম আছে শোনার পর থেকে আতঙ্ক বিরাজ করছিল”। “যখন লোকজন অহরহ ধরে

 

ধরে মেরে ফেলতেছে যেহেতু আমাদের শত্রু রয়েছে সেজন্য আমরা মনে করলাম এটা (আত্মসমর্পণ) করলে ভালো হবে, সমাজটা ইয়াবা মুক্ত হবে।” “এভাবে মুরুব্বিসহ সবাই মিলে তাকে বোঝানো হলে সে রাজি হয়”। তিনি বলেন, তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসা, বাড়িঘরে হামলা মামলা সহ

২/৩টি অভিযোগে মামলা রয়েছে। কিন্তু এসবই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দায়ের করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। “সে ফুটবল খেলার জন্য পরিচিত। তাকে ষড়যন্ত্রমূলক-ভাবে ফাঁসানো হয়েছে, এইসব মামলা নিয়ে সামাজিকভাবে আমরা নিজেদের ছোট মনে করছি”। প্রতিবেশী একজন ব্যক্তির সাথে

 

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তার ভাইসহ ছয়জনকে ইয়াবা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি জানান, মাস-খানেক আগে এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। কিছুদিন আগে পুলিশ তাদের বাড়িঘরেও তল্লাশি করে। এখন তাদের আশা

মহেশখালীতে জলদস্যুদের যেভাবে জেল হয়েছে সেভাবে তার ভাইসহ আত্মসমর্পণ করা অন্যান্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হবে। উল্লেখ্য গত নভেম্বর মাসে চল্লিশ জনের বেশি জলদস্যু আত্মসমর্পণ করে। তবে টেকনাফ থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস জানিয়েছেন, এনামুলের নামে

ইয়াবা সম্পর্কিত ১৫টি মামলা আছে। “সে ইউ মেম্বার পরিচয়ের আড়ালে এলাকায় এলাকার একজন শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত,” পুলিশ কর্মকর্তা জানান। ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES Image caption ইয়াবা বহনকারী নৌকা ও ব্যবসায়ীদের বাড়ি-ঘরে হামলার ঘটনাও

 

ঘটছে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাড়িতে হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ এদিকে গত কয়েকদিনে টেকনাফ এলাকায় ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত হিসেবে সন্দেহভাজন অনেকের বাড়িতে হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। অনেক নৌকায় আগুন দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা জানাচ্ছেন,

এসব নৌকার একেকটিতে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। টেকনাফের পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, রাতের অন্ধকারে মুখোশ পরা লোকজন এসব হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগ জানাচ্ছে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কক্সবাজার জেলার সর্বশেষ তালিকায় ১,১৫১ জন ইয়াবা ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে। তালিকাভুক্ত আসামীদের মধ্য থেকে ৭৩ জনকে শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন

 

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি বলেন, “তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকে আত্মসমর্পণ করে নিজেদের সংশোধন করে চায় বলে আবেদন করেছে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে সিগন্যাল পেয়ে সেই প্রক্রিয়া এখন চলছে”। বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ হারানোর ভয়ে

আত্মসমর্পণ করে অর্ধশতর বেশি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে আছে বলে স্থানীয়ভাবে জানা যাচ্ছে। যদিও ঠিক কতজন আত্মসমর্পণ করেছেন বা কবে থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সেটা নিশ্চিত করে বলতে চাননি এই পুলিশ কর্মকর্তা। “শীর্ষ ব্যবসায়ী যারা আছে তাদের শর্ত সাপেক্ষে এই আত্মসমর্পণ

 

প্রক্রিয়ার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে”। তিনি বলেন, “তারা এলে ‘আমি ইয়াবা ব্যবসায়ী’ এই ঘোষণা দিয়ে আসতেছে। এর মাধ্যমে তাদের সংশোধনের ব্যাপারও থাকবে।” “ভবিষ্যতে তারা যদি আবার আগের পথে ফিরে যায় তাহলে যেভাবে আইনি অভিযান চলছে সেভাবে চলবে”। ‘পুলিশ

কোন অভিযোগ পায়নি’ এবিএম মাসুদ হোসেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তিনমাস হলো। ইয়াবা বহনকারী নৌকায় আগুন দেয়ার ঘটনা কিংবা ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতদের বাড়ি-ঘরে আগুন দেয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তারা এমনটা শুনেছেন। তবে

 

কোনও অভিযোগ পায়নি পুলিশ। “স্থানীয় লোকজন আগুন দিয়ে দিচ্ছে, কেউ এসে কমপ্লেইন করেনি,” তিনি বলেন। “আমরা ধারণা করছি যেহেতু তারা ইয়াবা ব্যবসায়ী তাই নৈতিক কারণে তারা এসে অভিযোগ জানায় নি।” আইন ও শালিস কেন্দ্রে পরিসংখ্যান বলেছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে সারা বাংলাদেশে চালানো অভিযানের সময় ১৫ই মে থেকে ৩১শে অক্টোবর ২০১৭ পর্যন্ত ২৭৬ জন নিহত হন র‍্যাব-পুলিশের সাথে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’। ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES Image caption মে মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে শুরু হয় পুলিশ

 

ও র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান যাতে বন্দুকযুদ্ধে ক্রসফায়ারের সমালোচনা এড়াতে আত্মসমর্পণের কৌশল? মাদক-বিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ হারানোদের মধ্যে ৩২ জন টেকনাফের বাসিন্দা। বন্দুকযুদ্ধে অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী হত্যার ঘটনায় সমালোচনার প্রেক্ষাপটে প্রশাসন

এই আত্মসমর্পণের কৌশল নিয়েছে কি-না? এমন প্রশ্নে পুলিশ কর্মকর্তা মিস্টার হোসেন বলেন, “এটা কোন কৌশল নয়।” তবে তিনি স্বীকার করেন, “এই অভিযানে সমস্যা প্রচুর, নতুন নতুন অনেক ব্যবসায়ী গড়ে উঠছে, কারণ এখানে কোন বিনিয়োগ করতে হয়না।” “বিনা পয়সায় এই ব্যবসাটি

 

চলে। মায়ানমার থেকে যারা ইয়াবা পাঠায় তারা কোনরকম পয়সা ছাড়াই সেগুলো পাঠায়”। তিনি বলেন, “ফলে ইয়াবার বিস্তার ঠেকাতে হলে অভিযানের পাশাপাশি সামাজিক মোটিভেশনাল প্রক্রিয়া চালাতে হবে।” যেকোনো একটি বিষয়য়ের দ্বারা এই ব্যবসার বন্ধ করা খুবই কঠিন বলে উল্লেখ করেন মি হোসেন।

read more
অপরাধ

বগুড়ায় গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় একজনের লাশ উদ্ধার

Capture

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ছাতনী বাজার এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে মারুফ হোসেন (২৪) নামের এক অটোরিক্সা চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মারুফ হোসেন নওগাঁ সদর উপজেলার কামাইগাড়ী মহল্লার মোসলেম উদ্দিনের

 

ছেলে বলে জানা গেছে। আদমদীঘি থানার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, বুধবার রাত ২টায় অটোরিক্সা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় মারুফ। বৃহস্পতিবার সকালে নওগাঁ-নাটোর বাইপাস সড়কের ছাতনী বাজারের মৃধাপাড়া নামক স্থানে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার লাশ পড়ে

 

থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

read more
অপরাধ

প্রেমে রাজি না হওয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কোপাল শামন

T2ttyq_1547548344

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে আহত করেছে বখাটেরা। মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি)সকালে এ ঘটনা ঘটে। স্কুলে যাওয়ার পথে মেয়েটির ওপর দলবল নিয়ে হামলা চালায় বখাটেরা।

 

এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় ও পেটে আঘাত করে পালিয়ে যায় তারা। পুলিশ জানায়, এক বছর আগে কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর এলাকার রোমন আকনের সাথে বিয়ে ঠিক হয় ওই শিক্ষার্থীর। কিন্তু পারিবারিক কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার পর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে রোমনের ছোট ভাই

 

শামন। এরপর থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে প্রায়ই তাকে উত্যক্ত করার পাশাপাশি প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল শামন। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সে। আজ সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে মেয়েটির ওপর দলবল নিয়ে হামলা চালায় শামন।

 

আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

read more
অপরাধ

দুই মেয়েকে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দিলেন মা!

safe_image (1)

নিজের দুই মেয়েকে যৌনপল্লিতে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ তুলেছেন ওই নারীর মা। তিনি বিভিন্ন স্থানে এই অভিযোগ করে কোনো প্রতিকার পাননি। শেষে নাতনিকে ফেরত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন তার নানি। আগামী বৃহস্পতিবার এই আবেদনের

 

ওপর শুনানি হবে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১৬ বছর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের বরেন মণ্ডলের (নাম পরিবর্তিত) সঙ্গে বিয়ে হয় স্থানীয় কবিতা হালদারের (নাম পরিবর্তিত)। তাদের

 

দুই মেয়ে হওয়ার পরেই একদিন নিখোঁজ হয়ে যান বরেন। স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর এলাকারই আরেক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে কবিতার। তারপর দুই ও তিন বছরের দুই মেয়েকে নিজের মায়ের কাছে রেখে ওই যুবকের সঙ্গে ঘর ছাড়েন কবিতা। দিল্লিতে গিয়ে তাকে বিয়ে করেন। তার মা

সুমনা হালদার (নাম পরিবর্তিত) পরিচারিকার কাজ করেন। দিন চলে অতি কষ্টে। দুই নাতনির বয়স এখন ১২ ও ১৩ বছর। সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে পড়া দুই বোনের বড়জন বাস্কেট বল খেলায় দক্ষ। অনূর্ধ্ব ১৪ জাতীয় দলে তার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয় সম্প্রতি। কিন্তু তাতে দরকার জন্ম

 

সনদ। ওই জন্ম সনদ সংগ্রহ করতে গিয়েই ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয়। নানির অভিযোগ, দুই মেয়েকে রেখে গেলেও তাদের জন্ম সনদ নিয়ে গিয়েছিলেন কবিতা। এ কারণে তাকে ফোন করে নাতনিদের জন্ম সনদ চান তিনি। জন্ম সনদ চাইলে ববিতা মেয়েদের নিয়ে দিল্লিতে তার বাড়িতে

আসতে বলেন। এরপর দুই নাতনিকে নিয়ে গত বছর ২৫ ডিসেম্বর কলকাতা থেকে ট্রেনে ওঠেন তিনি। পরে তিনি নাতনিদের নিয়ে দিল্লি যান। একদিন সেই বাড়িতে থাকার পর এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে মা ও দুই মেয়েকে নিয়ে বের হন কবিতা। অভিযোগপত্রে নানি সুমনা জানান,

 

দিল্লির কোন বাড়িতে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল-তা তিনি বুঝতে পারেননি। তবে বাড়িটি ছিল ছয়তলা। তার ভাষ্যমতে, ‘সেই বাড়ির একেবারে উপরের তলার একটি ঘরে নিয়ে আমাদের বসানো হয়। তারপর মেয়ে বেরিয়ে যায়। এরই মধ্যে ছয়-সাতজন বিভিন্ন বয়সের লোক ওই ঘরে এসে

বসে। তারা দুই নাতনিকে দেখতে থাকে।’ পরিবেশ অন্যরকম বুঝে সুমনা তখন মেয়ের খোঁজ করতেই কিছু সময় পরে ওই ঘরে ফিরে আসে মেয়ে। তিনি নাতনিদের নিয়ে ফিরে যেতে চাইলে এবার মুখ খোলেন কবিতা। তিনি বলেন, ‘দুই মেয়েকে এখানেই বিয়ে দেওয়া হবে।’ ওই বৃদ্ধার অভিযোগ,

 

হিন্দিতে কথা হলেও ১০ লাখ টাকা দেওয়া নিয়ে যে ওই লোকেদের সঙ্গে মেয়ের আলোচনা হচ্ছিল-তা তিনি বুঝেছিলেন। তিনি সব বুঝে সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তাদের ওই ঘরেই আটকে রাখা হয়। দুজন পাহারায় থাকে। ঘরে থাকা পাহারাদাররা ঘুমে ঢুলে পড়তেই নাতনিদের নিয়ে

ভোররাতে কোনো মতে বড় রাস্তায় এসে পড়েন তিনি। সেখান থেকে পৌছান দিল্লি স্টেশনে। স্টেশনে পৌঁছনোর মুখেই সেই ঘরের দুই পাহারাদার এসে ধরে ফেলে দুই নাতনিসহ বৃদ্ধাকে। কেড়ে নেয় বৃদ্ধার বড় নাতনিকে। কেউ কিছু বোঝার আগেই ওরা চলে যায়। বৃদ্ধা বলেন, ‘ট্রেন থেকে নেমে যে

 

অভিযোগ করব, সেই সাহসও পাইনি। কারণ তখন ছোটটাকে ধরে নিয়ে যায় কি না, সেই আতঙ্কও ছিল।’ ছোট নাতনিকে আঁকড়ে কলকাতায় ফেরেন বৃদ্ধা সুমনা। জয়নগরে ফেরার পর স্থানীয় নেতাদের সঙ্গেই জয়নগর থানায় গিয়ে সব ঘটনা জানান। কিন্তু এখানে কিছু করা যাবে না বলে দায় এড়ায়

সবাই। এরই মধ্যে ৫ জানুয়ারি একটি ফোন আসে সুমনার কাছে। ‘দিল্লি পুলিশ থেকে ফোন করছি’ দাবি করে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, তার নাতনিকে তারা পেয়েছে। এক যুবককেও আটক করা হয়েছে। কিন্তু কয়েকদিন আগে দিল্লির গোটা ঘটনাক্রমে আতঙ্কিত ওই বৃদ্ধা তাদের জয়নগর

 

থানায় ফোন করার পরামর্শ দেন। তার ভাষ্য, ‘আসলে ফোন কে করেছে তাই তো বুঝতে পারছি না। তাই পুলিশের সঙ্গ ছাড়া আর দিল্লি যাওয়ার ভরসা পাইনি।’ সুমনার আইনজীবী ইন্দ্রজিৎ রায় চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশের দিক থেকে কোনো সাহায্য না পাওয়ায় ৭ জানুয়ারি বৃদ্ধার পক্ষে স্থানীয়

থানা, পুলিশ সুপার, জেলা শাসক, সিআইডি থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যন্ত সর্বত্র চিঠি দিয়ে গোটা ঘটনা জানিয়ে সাহায্য চাওয়া হয়। কিন্তু সাহায্য তো দূরের কথা, চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার পর্যন্ত করা হয়নি। তাই প্রতিকারের আশায় শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্ভবত

 

আগামী বৃহস্পতিবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির এজলাসে মামলাটি শুনানি হবে। জয়নগর থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘যেখানকার ঘটনা সেখানেই অভিযোগ জানানো উচিত।

যদিও গোটা বিষয়টি শোনার পরে ওই অফিসারের জানান, থানায় এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ আসেননি। এবার এলে অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

read more
অপরাধ

মৃতদের সঙ্গে যৌনমিলন করেন ভারতের যে হিন্দু সাধুরা

_105141358_aghori4

এরা ধ্যান করেন, খান, ঘুমান এবং শ্মশানে চারিদিকে চিতায় আগুনে পুড়তে থাকা লাশের পাশেই যৌনমিলনে লিপ্ত হন। এরা নগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়ান, মানুষের মাংস খান এবং নরকংকালের খুলি থেকে পান করেন। গাঁজায় টান দেন। আর তাদের কেবল জনসমক্ষে দেখা যায় বহুদিন পরপর কেবল

 

কুম্ভমেলার সময়। ভারতের এই হিন্দু সাধুদের বলা হয় অঘোরি। সংস্কৃত ভাষায় অঘোরি মানে হচ্ছে ভীতিকর নয় এমন কিছু। কিন্তু বাস্তবে এই অঘোরিদের জীবনযাপনের কাহিনী মানুষের মধ্যে জাগায় একই সঙ্গে ভীতি, কৌতুহল এবং ঘৃণা । এই সাধুদের নিয়ে গবেষণা করেছেন লন্ডনের স্কুল

 

অব আফ্রিকান এন্ড ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের অধ্যাপক জেমস ম্যালিনসন। তিনি সেখানে ‘সংস্কৃত এন্ড ক্লাসিকাল ইন্ডিয়ান স্টাডিজ’ পড়ান। ছবির কপিরাইটEMPICS Image caption অঘোরিদের অনেক রীতিনীতি বাইরের লোকজনের কাছে আজব মনে হয়। জেমস ম্যালিনসনের ভাষায়,

“অঘোরিদের এসব রীতির মূল কথা হচ্ছে, তারা অ্যাধাত্মিক মুক্তিলাভের মাধ্যমে ঈশ্বরের সঙ্গে এক হতে চান, আর সেজন্যে তারা বিশুদ্ধতার সূত্রের সীমা ছাড়িয়ে যেতে চান।” মিস্টার ম্যালিনসন পড়াশোনা করেছেন ব্রিটেনের খুবই অভিজাত স্কুল ইটনে এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি নিজেও

 

একজন মহান্ত বা গুরু। তবে একটি ভিন্ন হিন্দু গোত্রের অনুসারী তিনি, যারা বিশুদ্ধতার সব সূত্র মেনে চলে। অঘোরিদের এসব নিয়ম কানুন তাদের গোত্রে নিষিদ্ধ। তবে অঘোরিদের মেলা-মেশার সুযোগ হয়েছে তাঁর। “যা কিছুই গর্হিত বা নিষিদ্ধ বলে বিবেচিত, তার সব অঘোরিরা ভঙ্গ করতে চায়।

সনাতনী ভালো-মন্দের যে ধারণা, সেটা তারা প্রত্যাখ্যান করে।” “যে পথ ধরে তারা আধ্যাত্মিক সাধনায় লিপ্ত হয়, সেটা পাগলামি এবং বিপদজনক বলে মনে হবে। এরা মানুষের মাংস খায়, এমনকি নিজেদের মল খায়। কিন্তু তারা মনে করে এই কাজ করে তারা চেতনার একটা উচ্চতম পর্যায়ে

 

পৌঁছায়।” ছবির কপিরাইটEPA Image caption নরমুন্ডু হাতে এক অঘোরি যেখান থেকে শুরু অঘোরিদের মধ্যে যেসব রীতি বা প্রথা চালু রয়েছে, সেগুলো সাম্প্রতিকালের বলেই মনে হবে। অঘোরি শব্দটাই জানা যায় আঠারো শতক থেকে। তবে এই হিন্দু সাধুরা কাপালিকদের অনেক নিয়ম কানুন

অনুসরণ করে। নরমুন্ডু বহনকারী কাপালিকদের সম্পর্কে কিন্তু জানা যায় সেই সপ্তম শতক থেকেই। কাপালিকরা নরবলির প্রথায় বিশ্বাস করতো। কিন্তু এদেরকে এখন আর দেখা যায় না। অন্য হিন্দু জাতের মতো অঘোরিদের সমাজকে খুব সুসংগঠিত বলা যাবে না। বেশিরভাগ সময় এরা বাস

 

করে দূরের কোন জনবিচ্ছিন্ন এলাকায়। বাইরের দুনিয়ার লোকদের এরা খুব বিশ্বাস করে না। তারা এমনকি তাদের নিজেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখে না। অঘোরিরা সাধারণত আসে সমাজের তথাকথিত ‘নীচু জাতের’ লোকদের মাঝ থেকে। তবে বুদ্ধিবৃত্তির বিচারে এদের

মধ্যেও বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ আছে। মিস্টার ম্যালিনসন জানান, একজন অঘোরি নেপালোর রাজার উপদেষ্টা পর্যন্ত হয়েছিলেন। ছবির কপিরাইটEPA Image caption অঘোরিদের কাছে কাপড় পরা অপরিহার্য নয়। ঘৃণা নয় লেখক মনোজ ঠাক্কার অঘোরিদের নিয়ে একটি বই

 

লিখেছেন। তাঁর মতে, অঘোরিদের আসলে খুব বেশি ভুল বোঝে মানুষ। “এরা আসলে খুব সহজ-সরল মানুষ। প্রকৃতির মাঝে বাস করে। তাদের কোন চাহিদা নেই।” আরও পড়ুন কেন মোদির ভরসা বিতর্কিত সাধু আদিত্যনাথে? হিন্দুদের ‘১০ সন্তান নিতে’ বললেন ভারতের সন্ন্যাসী ভারতে ধর্মগুরু

রাম রহিম সিংকে নিয়ে উন্মাদনার নেপথ্যে “তারা সবকিছুকে দেখে সর্বশক্তিময়ের প্রকাশ হিসেবে। তারা কাউকে বা কোন কিছুকে প্রত্যাখানও করে না, ঘৃণাও করে না। এ কারণেই তারা একটি জবাই করার পশুর মাংসের সঙ্গে নরমাংসের কোন তফাৎ করে না। যা পায়, তাই খায়।” অঘোরিদের

 

সংখ্যা অঘোরিদের সংখ্যা খুবই কম। জেমস ম্যালিনসন এবং মনোজ ঠাক্কার দুজনেই মনে করেন, কুম্ভমেলায় যাদের দেখা যায়, তারা হয়তো নিজে থেকে অঘোরিদের অনুসারী, তারা হয়তো যথাযথভাবে অঘোরি সমাজে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। অনেকে হয়তো তীর্থযাত্রীদের এবং পর্যটকদের আনন্দ দেয়ার

জন্য এবং অর্থ উপার্জনের জন্য ঐ বেশ ধারণ করে। ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES Image caption পর্যটকদের কাছে অঘোরি সাধুরা এক বড় আকর্ষণ। পূণ্যার্থীরা তাদের খাবার এবং অর্থকড়ি দেয়। কিন্তু মনোজ ঠাক্কার বলছেন, অঘোরিরা অর্থকড়ির ব্যাপারে নিস্পৃহ। “এরা কিন্তু সবার

 

জন্যই প্রার্থনা করে। কেউ সন্তান পাওয়ার জন্য তাদের আশীর্বাদ চাইছে আর কে বাড়ি বানানোর জন্য, সেটা নিয়ে তারা ভাবে না।” অঘোরিরা মূলত শিবের পুজারি। ধ্বংসের দেবতা। উত্তর ভারতে কেবলমাত্র পুরুষরাই অঘোরি সম্প্রদায়ভুক্ত হতে পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে মহিলা অঘোরিও দেখা

যায়। এরা শ্মশানে বাস করে। তবে তারা কাপড় পরে। “বেশিরভাগ মানুষ মৃত্যুকে ভয় পায়। শ্মশান হচ্ছে মৃত্যুর প্রতীক। কিন্তু অঘোরিদের জন্য সেটাই হচ্ছে শুরু। তারা সাধারণ মানুষের নীতি এবং মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জ করতে চায়”, বলছেন মনোজ ঠাক্কার। ছবির কপিরাইটGETTY

 

IMAGES Image caption বেশিরভাগ হিন্দু অঘোরিদের জীবন প্রণালী অনুমোদন করে না। সমাজ সেবা গত কয়েক দশকে সমাজের মূলধারার অনেক কিছু অঘোরিরা তাদের সমাজে চালু করেছে। যেমন তারা কুষ্ঠরোগীদের জন্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার সাংস্কৃতিক

নৃতাত্ত্বিক রন ব্যারেট জানালেন, সমাজের সবচেয়ে অস্পৃশ্য বলে বিবেচিত কুষ্ঠরোগীদের সঙ্গে তারা কাজ করছে। বেনারসে অঘোরিরা কুষ্ঠরোগীদের জন্য ক্লিনিক চালায়। সেখানে তাদের আয়ুর্বেদী চিকিৎসা দেয়। অঘোরিদের অনেকে এখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। বাসে-ট্রেনেও চড়ে। আর

 

জনসমক্ষে আসার সময় তারা অন্তত কিছু কাপড় পরে। ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES Image caption শ্মশান ঘাটে প্রচুর সময় কাটায় অঘোরিরা। সমকামী যৌনতা নিষিদ্ধ অঘোরিদের সংখ্যা কত অনুমান করা কঠিন। তবে ধারণা করা হয় এই সংখ্যা কয়েক হাজারের বেশি হবে না।

বেশিরভাগ ভারতীয়, যারা হিন্দু সাধুদের দেখে অভ্যস্ত, তারাও যখন কোন অঘোরির মুখোমুখি হয়, সেটি তাদের খুবই বিচলিত করতে পারে, তাদের মনে ঘৃণা জাগাতে পারে। অনেক অঘোরি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যে তারা মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম করেছে। তবে তাদের সমাজেও যৌনসম্পর্কের ক্ষেত্রে

 

কিছু নিষেধের বেড়াজাল আছে। ছবির কপিরাইটEPA Image caption চিতার ছাইভস্ম গায়ে মেখে ঘুরে বেড়ায় অঘোরিরা। জেমস ম্যালিনসন জানান, এরা পতিতাদের সঙ্গে তাদের রীতি অনুযায়ী যৌনসঙ্গম করে। কিন্তু সমকামিতায় বিশ্বাসী নয় তারা, এটি অনুমোদনও করে না।” যখন অঘোরিরা মারা যায়, তাদের দেহ অন্য অঘোরিরা খায় না। তাদেরকে কবর দেয়া হয় কিংবা চিতায় পোড়ানো হয়।

read more
অপরাধ

নতুন স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িছাড়া কনস্টেবল, বিয়ের দাবিতে অনশনে কলেজছাত্রী

6DpLOI_1547388205

পেশায় পুলিশ কনস্টেবল তিনি। দীর্ঘ তিন বছর প্রেম করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজছাত্রী প্রেমিকাকে বাড়ি নিয়ে এসে তাকে বিয়ে না করে বিয়ে করেছেন এক নাবালিকাকে। আর এতেই ক্ষেপেছেন প্রেমিকা। পাঁচ দিন ধরে অবস্থান নিয়েছেন প্রেমিকের বাড়ির সামনে। সিলেটের গোয়াইনঘাট

 

উপজেলায় ঘটেছে এমন ঘটনা। প্রেমিক সোলেমান মিয়া (২০) গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের নয়া গাঙেরপাড় গ্রামের আব্দুর রহমানের পুত্র। পেশায় তিনি একজন পুলিশ কনস্টেবল। তিনি হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনসে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে। প্রেমিকা একই গ্রামের আবু

 

তাহেরের মেয়ে সাবিনা বেগম (১৮)। তিনি জৈন্তাপুরের ইমরান আহমদ মহিলা কলেজের ছাত্রী। স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাফলংয়ের নয়াগাঙেরপাড় গ্রামের আবু তাহের মিয়ার মেয়ে ও জৈন্তাপুর ইমরান আহমদ মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী সাবিনার সঙ্গে একই

গ্রামের পুলিশ সদস্য সোলেমানের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। কিন্তু তাদের দুজনের এ সম্পর্কের প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে পাশের গ্রামের অন্য আরেক মেয়ের সঙ্গে সোলেমানের বিয়ে দেন তার বাবা-মা। গত ১০ জানুয়ারি সাবিনাকে বিয়ে না করে জাফলং ইউনিয়নের আসামপাড়া গ্রামের

 

মখলিছুর রহমানের মেয়ে ফাতেমা (১৬) নামের এক নাবালিকাকে বিয়ে করেন তিনি। ফাতেমা হাজী সোহরাব আলী স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ৯ জানুয়ারি সোলেমানের গায়ে হলুদ হয়। ওই রাতেই তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে সাবিনা। সোলেমানের বাড়িতে

অবস্থান নেওয়ার পরই তার বাবা-মা সাবিনাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সে বিয়ের দাবিতে তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। পরে ওই রাতেই সোলেমানের বাবা-মা ও তার আত্মীয়-স্বজন তাদের পছন্দের পাত্রীকে নিয়ে সোলেমানকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে। বাড়ি থেকে

 

পালিয়ে গিয়ে সোলেমান তার বাবা-মায়ের চাপের মুখে তাদের পছন্দের পাত্রীকে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তবে এখনো প্রেমিকের প্রতারণার বিচার চেয়ে এবং বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশনে রয়েছে সাবিনা। বিয়ের দাবিতে অনশনে থাকা

সাবিনা জানায়, প্রায় দুই বছর ধরে সোলেমানের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক চলছে। সেই সুবাদে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সোলেমান তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও স্থাপন করেছেন। সাবিনার ভাষ্যমতে, এখন সে আমাকে তার বাড়িতে আসতে বলে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত

 

সোলেমান বাড়িতে ফিরে এসে আমাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা না দেবে ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত আমি এই বাড়িতে অবস্থান করব। এর ব্যতিক্রম কোনো কিছু ঘটলে আমি এই বাড়িতেই আত্মহত্যা করব। তিনি ও তার স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন সোলেমান পুলিশ সদস্য হওয়ায় প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছেন

তাদের। এ ব্যাপারে পুলিশ কনস্টেবল সোলেমানের সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া গেছে। সোলেমানের অবস্থান সম্পর্কে কিছু জানা নেই বলে পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়। এ বিষয়ে স্থানীয়

 

ইউপি সদস্য শাহালম মিয়া বলেন, বিষয়টি আমি জানার পর ওই বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশনরত মেয়েটির সাথে কথা বলেছি। মেয়েটিকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সে তার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

read more
অপরাধ

নতুন স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ছাড়া পুলিশ কনস্টেবল,বিয়ের দাবিতে অনশনে কিশোরী

Capture

বিয়ের দাবিতে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে পাঁচ দিন ধরে এক কলেজছাত্রী অনশন করছে বলে জানা গেছে। উপজেলার নয়াগাঙের পাড় গ্রামের আবদুর রহমানের পুলিশে চাকরি করা ছেলেকে বিয়ে করতে অনশন করছে ওই ছাত্রী। স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে

 

কথা বলে জানা যায়, জাফলংয়ের নয়াগাঙেরপাড় গ্রামের আবু তাহের মিয়ার মেয়ে ও জৈন্তাপুর ইমরান আহমদ মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী সাবিনার সঙ্গে একই গ্রামের পুলিশ সদস্য সোলেমানের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। কিন্তু তাদের দুজনের এ সম্পর্কের প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে

 

পাশের গ্রামের অন্য আরেক মেয়ের সঙ্গে সোলেমানের বিয়ে দেন তার বাবা-মা। গত ৯ জানুয়ারি সোলেমানের গায়ে হলুদ হয়। ওই রাতেই তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে সাবিনা। সোলেমানের বাড়িতে অবস্থান নেওয়ার পরই তার বাবা-মা সাবিনাকে বাড়ি থেকে বের

করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সে বিয়ের দাবিতে তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। পরে ওই রাতেই সোলেমানের বাবা-মা ও তার আত্মীয়-স্বজন তাদের পছন্দের পাত্রীকে নিয়ে সোলেমানকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে। বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে সোলেমান তার বাবা-মায়ের চাপের মুখে তাদের পছন্দের

 

পাত্রীকে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তবে এখনো প্রেমিকের প্রতারণার বিচার চেয়ে এবং বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশনে রয়েছে সাবিনা।বিয়ের দাবিতে অনশনে থাকা সাবিনা জানায়, প্রায় দুই বছর ধরে সোলেমানের সঙ্গে তার

প্রেমের সম্পর্ক চলছে। সেই সুবাদে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সোলেমান তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও স্থাপন করেছেন। সাবিনার ভাষ্যমতে, ‘এখন সে আমাকে তার বাড়িতে আসতে বলে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত সোলেমান বাড়িতে ফিরে এসে আমাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা

 

না দেবে ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত আমি এই বাড়িতে অবস্থান করব। এর ব্যতিক্রম কোনো কিছু ঘটলে আমি এই বাড়িতেই আত্মহত্যা করব।’এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সোলেমানের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে সোলেমান কোথায় আছেন-এ বিষয়ে জানতে

চাওয়া হলে তার অবস্থান সম্পর্কে কিছু জানা নেই বলে পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য শাহআলম মিয়া বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানার পর ওই বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশনরত মেয়েটির সাথে কথা বলেছি।

 

মেয়েটিকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সে তার সিদ্ধান্তে অটুট রয়েছে।’ গোয়াইনঘাট থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

read more
অপরাধ

পরকীয়ার জেরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

Untitled-1 copy

কুড়িগ্রামের চিলমারীর আকন্দপাড়ার রহিদুল হকের একমাত্র মেয়ে রুমা (১৯) স্বামীর দা’য়ের কোপে খুন হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, ২ বছর আগে চিলমারী উপজেলার আকন্দপাড়া এলাকার রহিদুল হকের মেয়ে রুমার সঙ্গে উলিপুর উপজেলার নারিকেলবাড়ী পূর্ব ছড়ার

 

পাড় গ্রামের মৃত চান্দ উল্যা হাজীর ছেলে আঃ ছালাম (৩০)-এর বিয়ে হয়। নিহতের স্বামী আঃ ছালাম বিবাহের আগে তার ভাবীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিল বলে পারিবারিকভাবে বিষয়টি তার এলাকাতে জানাজানি হলে তা গোপন রেখে অতি সুকৌশলে অতিদ্রুত রুমার সঙ্গে বিয়ে দেন আঃ

 

ছালামের পরিবার। বিবাহের পরও ছালামের পরকীয়া চলতে থাকলে রুমা বিষয়টি জানতে পারায় প্রতিনিয়তই রুমার ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু করে আঃ ছালাম। এ অবস্থায় ঘর-সংসার করা কালীন রুমার একটি কন্যা সন্তান জন্ম হয়। কিন্তু থেমে থাকেনি আঃ ছালামের

পরকীয়া এবং স্ত্রীর ওপর অত্যাচার। এরই জের ধরে ২রা জানুয়ারি সকালে আঃ ছালাম রুমার ওপর নির্যাতনের একপর্যায়ে দা দিয়ে ঘাড়ে সজোরে আঘাত করে এবং বিভিন্ন ভাবে শারীরিক নির্যাতন করলে রুমা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় মৃত্যু যন্ত্রণায় রুমা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় মানুষের

 

সহযোগিতায় পার্শ্ববর্তী রুমার খালা বিলকিস বেগম তাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। ঐ দিনই ছালাম তার পরিবারের লোকজনসহ পরিকল্পিতভাবে রুমাকে চিকিৎসার নামে তার খালার বাড়ি থেকে নিয়ে আসে এবং আবারো তার ওপর নির্যাতন চালায়। রুমার অবস্থার চরম

অবনতি হলেও তারা চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে বাড়িতেই রেখে দেয়। অপর দিকে বিলকিসের মাধ্যমে রুমার মা খবর পেয়ে রুমার বাড়িতে আসলে রুমাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উলিপুর হাসপাতালে

 

নিয়ে আসলে রুমার অবস্থার আরো অবনতি হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ৩রা জানুয়ারি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় রুমার মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে চিলমারী আকন্দপাড়ায়

 

রুমার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে আঃ ছালাম ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি করেছেন রুমার আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী। উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, এব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি আরো জানান, তদন্তের সঙ্গে আসামি ধরারও চেষ্টা চলছে।

সূত্র: মানবজমিন।

read more
অপরাধ

প্রেমের ফাঁদে পড়ে ‘যৌনদাসী’

Yc6CYC_1539596746

মোবাইল ফোনে অপরিচিত নাম্বারে পরিচয়। এরপর কথা বলা। ধীরে ধীরে তা গড়িয়েছে প্রেমের সম্পর্কে। ৬ মাসের মাথায় মা-বাবার সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নেওয়া হয় ফেনীতে। এরপর আর ফিরতে দেওয়া হয়নি তরুণীটিকে। বাধ্য করা হয় দেহ ব্যবসায়। এগুলো তিন মাস

 

আগের কথা। সোমবার (৭ জানুয়ারি) সকালে শহরের রামপুর সৈয়দ বাড়ি সড়কের বাসা থেকে তিন মাস পর রাজধানীর কলেজ পড়ুয়া ওই তরুণীকে উদ্ধারের পর চাঞ্চল্যকর এ তথ্য বেরিয়ে আসে। এ সময় আরও দুই নারীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের লোভনীয় বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে

 

সেখানে নেওয়া হয়। এই তিন মাস ধরে তাদের দিয়ে করানো হয়েছে দেহ ব্যবসা। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, ঢাকার মিরপুর এলাকার কলেজ পড়ুয়া মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হয় রামপুরের সৈয়দবাড়ি লেনের কাওসার বিন কাশেম নিলয়ের সঙ্গে। প্রায় ছয় মাস

আগে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। গত বছরের অক্টোবরে ওই তরুণী কক্সবাজারে বেড়াতে যান। ফেরার পথে মা-বাবার সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়ার কথা বলে মেয়েটিকে মহীপালে নামানো হয়। এরপর সৈয়দবাড়ির কাশেম কটেজে ১২/এ নিয়ে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। ওই বাসায় গিয়ে

 

চক্ষু ছানাবড়া ওই তরুণীর। বাসায় জিম্মি আরও দুই নারী। জানতে পারেন চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে তাদের আনা হয়। এই তিন মাস তরুণীদের বাধ্য করা হয়েছে দেহ ব্যবসা করাতে। বন্ধু-বান্ধবদের বাসায় এনে প্রতিদিনই দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা হতো। প্রতিবেশীরা টের পেয়ে খবর দিলে শহর

পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শাহজাহান মিয়া তালা ভেঙে বাড়িটিতে হানা দেন। উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। আটক করা হয় নিলয় ছাড়াও ফেনী সদর উপজেলার মধ্যম কাছাড় গ্রামের সায়েম, সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের ব্রামনী বাজার গ্রামের আলিফুল ইসলাম আরমানকে গ্রেপ্তার

 

করা হয়। এ ঘটনায় ওই কলেজছাত্রী বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা করে। ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ তিন তরুণীকে উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার তিন বখাটেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

read more
অপরাধ

তারেক রহমানের একান্ত সচিব রিমান্ডে

Be5Ar6_1547135535

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজধানীর মতিঝিল থেকে ৮ কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মিয়া নুরুদ্দিন অপুর ৫ দিনের রিমান্ড মজ্ঞুর করেছে

 

আদালত। গত ৪ জানুয়ারি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল র‌্যাব-১। অপু হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম আজ অপুকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

 

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য সমগ্র কার্যক্রম পরিচালনা করার মূল হোতা ও নিয়ন্ত্রক। তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করাসহ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে অপুর পক্ষে তার আইনজীবী মজিবর রহমান দুলাল রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান। শুনানি শেষে বিচারক জামিন নাকচ করে অপুকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। সূত্র

 

মতে, নির্বাচনের আগে রাজধানীতে ৮ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। গত ২৫শে ডিসেম্বর রাজধানীর মতিঝিল থেকে ৮ কোটি টাকা ও ১০ কোটি টাকার চেক উদ্ধার করে র‌্যাব। এই টাকা ভোট কেনার জন্য বহন করা হয়েছে- এমন

অভিযোগে সেদিন তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন- আমদানি-রফতানি ও ঠিকাদারি কোম্পানি ইউনাইটেড কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী হায়দার (২৪), আমেনা এন্টারপ্রাইজের ঝালকাঠি অফিসের ব্যবস্থাপক আলমগীর হোসেন (৩৮) এবং একই গ্রুপের জিএম

 

(অ্যাডমিন) জয়নাল আবেদীন (৪৫)। গ্রেপ্তারের দিন র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার আলী হায়দারের কাছে প্রায় ৮ কোটি টাকা ও ১০ কোটি টাকার চেক পাওয়া গেছে। এই টাকার সঙ্গে ছিলো তারেক রহমানের ছবিসংবলিত মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুর প্রচারপত্র। উল্লেখ্য, মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-ভেদরগঞ্জ-গোসাইরহাট) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়েন। নির্বাচনে শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-ভেদরগঞ্জ-গোসাইরহাট) আসনে মিয়া নুরুদ্দীন আহম্মেদ অপুকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছিল ডামুড্যা উপজেলা

 

বিএনপির নেতাকর্মীরা। নির্বাচনের আগে গত ২৪ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরের দিকে গোসাইরহাট উপজেলার কুদালপুর থেকে মিছিল করে উপজেলা সদরে যাওয়ার পথে মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদকে কুপিয়ে জখম করেছিল দুর্বৃত্তরা। গুরুতর অবস্থায় নুরুদ্দিনকে উদ্ধার করে কুদালপুর হাসপাতালে নেয়া

 

হয়। পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় নেয়া হয়। এরপর তখন থেকেই তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিয়া নুরুদ্দীন অপু পেয়েছেন ২ হাজার ৭৩৫ ভোট।

read more
1 2
Page 1 of 2