close

ইসলাম

ইসলাম

ভাগ্যবান লোকদের আল্লাহ নেয়ামত হিসাবে উপহার দেন কন্যা সন্তান!

q-1

কন্যা সন্তান মহান আল্লাহ তা’য়ালার পক্ষ থেকে মাতা-পিতার জন্য একটি বিশেষ শ্রেষ্ট নেয়ামত। কন্যা সন্তানকে অশুভ মনে করা কাফিরদের বদস্বভাব। কন্যা সন্তানকে অপছন্দ করা খাটি মুমিনের পরিচায়ক নয়। কন্যা সন্তান অশুভ নয়, অকল্যানকর নয়।

 

বরং কন্যা সন্তান জন্ম নেয়া খোশ কিসমতী ও সৌভাগ্যের নিদর্শন। হজরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ঐ স্ত্রী স্বামীর জন্য অধিক বরকতময়, যার দেন-মোহরের পরিমান কম হয় এবং যার প্রথম সন্তান হয় মেয়ে।” রাসুলুল্লাহ (সা.) আরো ইরশাদ করেন,

 

“যার গৃহে কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করল, অতঃপর সে তাকে (কন্যাকে) কষ্টও দেয়নি, তার উপর অসন্তুষ্ট ও হয়নি এবং পুত্র সন্তানকে প্রাধান্য দেয়নি, তাহলে ঐ কন্যার কারনে আল্লাহ তা’য়ালা তাকে বেহেশতে প্রবেশ করাবেন।” (মুসনাদে আহমদ, ১:২২৩) রাসুলুল্লাহ (সা.) আরো বলেছেন,”

যে ব্যক্তির তিনটি কন্যা সন্তান হবে, এবং সে তাদেরকে এলেম-কালাম, আদব-কায়দা শিক্ষা দিবে, এবং যত্নের সাথে প্রতিপালন করবে ও তাদের উপর অনুগ্রহ করবে, সে ব্যক্তির উপর অবশ্যই জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। উল্লেখিত বর্ণনা দ্বারা প্রমানিত হয় যে, কন্যা সন্তান আল্লাহ তায়ালার এক

 

বিশেষ নেয়ামত। সুতারাং কন্যা সন্তানকে বেশী করে ভালবাসুন। আদর-সোহাগ করুন আর মায়া-মমতা দিয়ে লালন-পালন করুন। সে তো আপনার কলিজার টুকরার টুকরো, দেহের এক বিশেষ অংশ। রাসুলুল্লাহ (সা.) এর অসীম বানীর প্রতি লক্ষ্য রেখে কন্যা সন্তানকে পুত্রের চাইতে ও বেশী আদর

যত্ন করুন। এখানে একটি বিষয় আলোচ্য হলো, কন্যা সন্তান আল্লাহ মহান প্রদত্ত নেয়ামত ঠিক কিন্তু পুত্র সন্তানও কিন্তু কোনো অংশে কম নয়। এই আলাচেনার উদ্দেশ্য হচ্ছে, কন্যা সন্তানের প্রতি বিরুপ মানসিকতা পরিহার করা। একমাত্র ছেলে সন্তানের কামনায় কন্যা সন্তানকে অবহেলার পাত্র না

 

বনানো। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে পবিত্র কোরান ও হাদিসের বর্ণনা মেনে কন্যা সন্তানকে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে প্রদত্ত নেয়ামত করার এবং কন্যা সন্তানের সাথে ব্যবহার করার, নায্য প্রাপ্ত প্রদান করার ব্যাপারে কন্যা সন্তানকে উপযুক্ত মর্যাদা প্রদান করার তাওফিক দান করুন।

আমিন।-জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১২ অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন- مَنْ كَانَ لَهُ ثَلاَثُ بَنَاتٍ أَوْ ثَلاَثُ أَخَوَاتٍ أَوْ ابْنَتَانِ أَوْ أُخْتَانِ فَأَحْسَنَ صُحْبَتَهُنّ وَاتّقَى اللّهَ فِيهِنّ فَلَهُ الجَنّةُ. যে ব্যক্তির তিনটি কন্যা সন্তান বা তিনজন বোন আছে অথবা দু’জন কন্যা সন্তান বা বোন আছে।

 

সে তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করেছে এবং তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাকে ভয় করেছে। তার জন্য রয়েছে জান্নাত। জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১৬ দেখুন, এ ফযীলতের কথা পুত্র সন্তানের বেলায় বলা হয়নি। বরং কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে। এজন্য আমাদের উচিত কন্যা সন্তানের লালনপালন

সন্তুষ্টচিত্তে করা। কন্যা সন্তান জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায় হযরত আয়েশা রাযিআল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, مَنْ ابْتُلِيَ بِشَيْءٍ مِنَ البَنَاتِ فَصَبَرَ عَلَيْهِنّ كُنّ لَهُ حِجَابًا مِنَ النّارِ. যে ব্যক্তিকে কন্যা সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে

 

এবং সে ধৈর্যের সাথে তা সম্পাদন করেছে সেই কন্যা সন্তান তার জন্য জাহান্নাম থেকে আড় হবে। -জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১৩ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গী হওয়া দেখুন! জান্নাতে প্রবেশ করার মাধ্যমও হল কন্যা সন্তানের লালনপালন করা। আবার জাহান্নাম থেকেও মুক্তি মিলবে

কন্যা সন্তানের উত্তমরূপে প্রতিপালন করার দ্বারা। এর চেয়ে বড় আরেকটি ফযীলত হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। হযরত আনাস রাযিআল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- مَنْ عَالَ جَارِيَتَيْنِ دَخَلْتُ أَنَا وَهُوَ الجَنّةَ كَهَاتَيْنِ، وَأَشَارَ بِإصْبعَيْهِ. যে ব্যক্তি দুইজন কন্যা সন্তানকে

 

লালনপালন ও দেখাশুনা করল [বিয়ের সময় হলে ভাল পাত্রের কাছে বিবাহ দিল] সে এবং আমি জান্নাতে এরূপ একসাথে প্রবেশ করব যেরূপ এ দুটি আঙুল। তিনি নিজের দুই আঙুল মিলিয়ে দেখালেন। -জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১৪ কন্যা সন্তান প্রতিপালনের তিনটি ফযীলত সকল ফযীলতের

সারমর্ম হল তিনটি জিনিস। এক. আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবেন। দুই. জান্নাত দান করবেন। যা নিআমত ও আরাম আয়েশের স্থান। তিন. আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গী হওয়ার সৌভাগ্য দান করবেন। যা সফলতার সর্বোচ্চ চূড়া।

 

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ তিনটি ফযীলত বর্ণনা করেছেন কন্যা সন্তান লালনপালনকারীদের জন্য। কন্যা সন্তানের জন্মে অধিক আনন্দ প্রকাশ করা ইসলামের শিক্ষা হল, কন্যা সন্তান জন্ম নিলে আনন্দ প্রকাশ করা; তাইতো কন্যা জন্মের সংবাদকে ‘সুসংবাদ’ বলে অভিহিত করা

হয়েছে। আর সুসংবাদ শুনে মানুষ আনন্দই প্রকাশ করে। এজন্য অনেক উলামায়ে কেরাম লেখেন, যেহেতু কন্যা সন্তান জন্মানোর কারণে নিজেকে ছোট মনে করা, একে অপমান ও অসম্মানের কারণ মনে করা কাফিদের কর্মপন্থা, তাই মুসলমানগণের উচিত, তারা কন্যা সন্তানের জন্মের কারণে অধিক

 

খুশি ও আনন্দ প্রকাশ করবে। যাতে কাফিরদের এ নিচু রীতির প্রতিবাদ হয় এবং এ রীতি যেন বিলুপ্ত হয়ে যায়। কন্যা সন্তানের হকসমূহ কন্যা সন্তানের লালনপালনের ফযীলত বর্ণনার পাশাপাশি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কন্যা সন্তানের হকসমূহও বর্ণনা করেছেন। জাহেলী যুগে এ

হকসমূহ থেকে কন্যা সন্তানকে বঞ্চিত করা হত। আজকালও তাদের হকসমূহ আদায়ের ব্যাপারে অবহেলা করা হয়। এজন্য তাদের হকগুলো বুঝে নেওয়া জরুরি। যেন এ ব্যাপারে আমাদের অবহেলা না হয়। ভালবাসা প্রকাশের ক্ষেত্রে সমতা রক্ষা করা কারো পুত্র সন্তানের প্রতি ভালবাসা বেশি

 

আবার কারো কন্যা সন্তানের প্রতি। অধিকাংশ লোকের পুত্র সন্তানের তুলনায় কন্যা সন্তানের প্রতি ভালবাসা কম থাকে। ভালবাসা ও মহব্বতের সম্পর্ক হল অন্তরের সাথে। এতে মানুষের ইচ্ছার দখল নেই। এজন্য এ ক্ষেত্রে সমতা রক্ষার বিষয়ে মানুষ বাধ্যও নয়। তবে ভালবাসা প্রকাশ মানুষের ইচ্ছার অধীন। এ ক্ষেত্রে সমতা রক্ষা করা আবশ্যক। অনেকে ভালবাসা প্রকাশের ক্ষেত্রেও

read more
ইসলাম

প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে

h

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহন করেন খ্রিস্টিয় ৫৭০ সালে। এর মাত্র ৫০ বছর পর ৬২০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে আসে ইসলাম!আর উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে শুরু হয় যাত্রা! বিভিন্ন গবেষণা ও প্রাপ্ত শিলালিপি এমন দাবিই জোরালো করেছে।

 

এতে আরও দেখা যায়, ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে দেশের প্রথম মসজিদটিও নির্মিত হয় এই জেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের ‘মজেদের আড়া’ নামক গ্রামে। ১৯৮৭ সালে পঞ্চগ্রামে জঙ্গল খননের সময় প্রাচীন মসজিদের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। এর একটি ইটে কালেমা তাইয়্যেবা ও ৬৯ হিজরি লেখা রয়েছে।

 

এ থেকে অনুমান করা হয়, মসজিদটি হিজরি ৬৯ অর্থাৎ ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে স্থাপন কিংবা সংস্কার করা হয়। রংপুর জেলার ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা যায়, রাসুল (সা.)-এর মামা, মা আমেনার চাচাতো ভাই আবু ওয়াক্কাস (রা.) ৬২০ থেকে ৬২৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার করেন

(পৃ. ১২৬)। অনেকে অনুমান করেন, পঞ্চগ্রামের মসজিদটিও তিনি নির্মাণ করেন যা ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে সংস্কার করা হয়। দেশের প্রথম ও প্রাচীন এই মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে ২১ ফুট ও প্রস্থ ১০ ফুট। মসজিদের ভিতরে রয়েছে একটি কাতারের জন্য ৪ ফুট প্রস্থ জায়গা। মসজিদের চার কোণে রয়েছে

 

অষ্টকোণ বিশিষ্ট স্তম্ভ। ধ্বংসাবশেষ থেকে মসজিদের চূড়া ও গম্বুজ পাওয়া গেছে। মতিউর রহমান বসুনিয়া রচিত ‘রংপুরে দ্বীনি দাওয়াত’ গ্রন্থেও এই মসজিদের বিশদ বিবরণ আছে। ‘দেশে ইসলাম প্রচার করেন ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন খিলজী’ এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত থাকলেও এসব তথ্য প্রমান করে যে, এর অনেক আগেই এদেশে ইসলাম প্রচারিত হয়।

১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন খিলজীর বাংলা বিজয়ের প্রায় ৬০০ বছর আগেই সাহাবীদের দ্বারা বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হয়। প্রথম মসজিদও নির্মিত হয় সেই সময়েই।

read more
ইসলাম

আহমদ শফী’র মন্তব্যে নারীদের কি প্রতিক্রিয়া ?

_105174081_gettyimages-480125345

বাংলাদেশে কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের আমির আহমেদ শফী তার সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে মেয়েদের শিক্ষা প্রসঙ্গে এক মন্তব্য করে যেমন ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন, তেমনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমর্থনও পাচ্ছেন অনেকের। চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে শুক্রবার

 

এক মাহফিলে মেয়েদেরকে স্কুল-কলেজে না দিতে এবং দিলেও সর্বোচ্চ ক্লাস ফোর বা ফাইভ পর্যন্ত পড়ানোর জন্য উপস্থিত মানুষের কাছে ‘ওয়াদা’ চান মি. শফী। তার এই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যম ও সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন তার এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা

 

জানিয়েছেন। তবে তার মন্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থিত করা হয়েছে বলে পরে গণমাধ্যমে এক বিবৃতি দেন মি. শফী। বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন যে, তার বক্তব্যে মেয়েদের শিক্ষার বিরোধিতা নয়, ইসলামের মৌলিক বিধান মেনে চলার ব্যাপারে তাদের সতর্ক হতে তাগিদ দিয়েছেন তিনি। ইসলাম ধর্মে

নির্দেশিত নীতিমালা অনুসারে নারীদের পর্দার বিধানের পক্ষে এবং সহশিক্ষার বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছেন বলে বিবৃতিতে বলেছেন মি. শফী। “কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের পড়াতে চাইলে বোরকা পরতে হবে এবং তাদের শিক্ষকও হতে হবে নারী,” তিনি বলেন। মি. শফী এই মন্তব্য করার পর এর

 

নানামুখী আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয় সামাজিক মাধ্যমে। প্রগতিশীল চিন্তাধারার অধিকাংশ মানুষ এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন এবং নিন্দা জানান। বাংলাদেশে শিক্ষাঙ্গণে নারীদের অংশগ্রহণের হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি যখন কওমী মাদ্রাসাগুলোতেও মেয়েদের পড়ার

হার বাড়ছে, তখন কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠনের শীর্ষ নেতার এমন মন্তব্য নারী শিক্ষার অগ্রগতিতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন অনেকে। কিন্তু, এ বিষয়ে ফেসবুকে মতামত জানতে চাওয়া হলে অধিকাংশ নারীর কাছ থেকেই পাওয়া যায় অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া।

 

আরো পড়ুন: বাংলাদেশে কওমী মাদ্রাসায় পড়ছে কারা? ‘অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে’ বললেন হাসিনা ও শফী ‘শোকরানা মাহফিল’ নিয়ে যত আলোচনা ফেসবুকে নারীদের কী প্রতিক্রিয়া? উচ্চশিক্ষার জন্য কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হলে বোরকা পড়তে হবে – আহমেদ শফী’র এই মন্তব্য সম্পর্কে

বিবিসি বাংলার ফেসবুক পাতায় মতামত জানতে চাওয়া হলে মন্তব্যের সমর্থন করে কমেন্ট পোস্ট করেন অধিকাংশ নারী। আহমদ শফী’র মন্তব্যকে সমর্থন করা অধিকাংশ নারীই সমর্থনের কারণ হিসেবে ইসলামের ধর্মগ্রন্থ কোরানে বর্ণিত বিধান অনুযায়ী পোশাক পরার বিষয়টিকে প্রাধান্য

 

দিয়েছেন। BBC News বাংলা এর ফেসবুক পোস্ট স্কিপ করুনBBC News বাংলা এর ফেসবুক পোস্ট এর শেষ রাবেয়া সুলতানা নামে একজন লিখেছেন, “এটা শফী আহমদের কথা না, এটা কোরানের কথা, আপনি যদি কোরানকে ভালবাসেন ও আল্লাহকে ভয় করেন তাহলে ওনার কথা ঠিক

আছে, এটা মানা না মানা আপনার ব্যাপার।” পোস্টে মি. শফী’র মন্তব্যকে সমর্থন করা অধিকাংশ নারী একই ধরণের কারণ দেখিয়েছেন। আবার অনেক নারী মি. শফীর মন্তব্যকে সমর্থন করলেও বোরকা পরা বা না পরার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে একজন নারীর ব্যক্তিগত পছন্দকেই প্রাধান্য

 

দিয়েছেন। ফারহা মন্তব্য করেছেন, “খারাপ বলেন নি সত্যি বলতে গেলে। কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে কারো উপর কিছু চাপিয়ে দেয়ার অধিকার নেই ইসলাম ধর্মে কারো, আমাদের নবীও তা করেন নি।” বোরকা পরা বা পর্দা করার ক্ষেত্রে নারীর নিজের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিয়েছেন অনেক নারীই। এদের প্রায়

সবাই পর্দা করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাহমিনা পাভিন নিপু লিখেছেন, “মেয়েদেরকে পর্দার ভিতরে থাকতে হবে এটাই বড় কথা। তবে জোর করে কারো উপরে কিছু চাপিয়ে না দিয়ে আগে এদেরকে বুঝতে হবে যে পর্দাটা আসলে কি, পর্দা কেন করবো। আর এরা যখন এটার গুরুত্বটা বুঝতে পারতে

 

তখন তারা নিজে থেকেই পর্দা করবে।” ছবির কপিরাইটAFP CONTRIBUTOR Image caption মেয়েরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাইলে তাদের বোরকা পরতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আহমদ শফী। কমেন্ট করে আহমদ শফী’র মন্তব্যের ঘোর বিরোধিতাও করেছেন

কয়েকজন নারী, তবে তুলনামূলকভাবে তাদের সংখ্যাটা ছিল নগণ্যই। মৌমিতা আলো লিখেছেন, “যে দেশের পুরুষের নিজস্ব কিছু নেই, এরা নিয়ন্ত্রিত হয় নারীর পোশাক দ্বারা। কে কি পরবে আর কি পরবে না সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার।” তবে ধর্মীয় নীতিমালার বিষয়টিকে গৌণ হিসেবে উল্লেখ করে

 

সামাজিক প্রেক্ষাপটের বিবেচনায় বোরকা পরা বা পর্দা করা প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেন অনেকে। জাহান সোনিয়া নামে একজন মন্তব্য করেন, “এখনকার সময় কিছু কিছু মেয়েরা এমন সব জামা পড়ে দেখতে লজ্জা করে।

 

তাই বোরখা পরলে অন্তত ইভটিজিং’র শিকার হবে না।” পোস্টে পুরুষ মন্তব্যকারীদের সিংহভাগও মি. শফী’র দৃষ্টিভঙ্গির সমর্থন করেই মন্তব্য করেন। নারীরা বোরকা পরলে বা পর্দা করলে ধর্ষণের ঘটনার হার কমে যাবে বলে ধারণা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

read more
ইসলাম

মদীনায় হিজরতের গুরুত্বপূর্ণ ১০ বিষয়

Islam-2

আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.) এর মক্কা থেকে মদীনায় হিজরত পৃথিবীর ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমেই ইতিহাসে প্রথমবারের মত এক ঐশী আদর্শের ভিত্তিতে একটি স্বতন্ত্র ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দ্বার উন্মুক্ত হয়। হিজরতের এমনই দশটি বিষয় সম্পর্কে নিম্নে

 

আলোচনা করা হল। এক. ইসলামের জন্য রাসূল (সা.) এবং প্রাথমিক যুগের সকল সাহাবাদের অনন্য ত্যাগ ও জীবন-সংগ্রামের নগদ ফলাফল হিজরতের মাধ্যমে লাভ হয়। দুই. হিজরতের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই হিজরী ক্যালেন্ডারের সূচনা হয়। তিন. হিজরত-পরবর্তী সময়েই রাসূল (সা.) এর

 

প্রশিক্ষনের ভিত্তিতে একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়। চার. হিজরতের মাধ্যমেই ইসলামের ইতিহাসে নিগ্রহের যুগ শেষ হয়ে সমৃদ্ধির যুগের সূচনা হয়। পাঁচ. হিজরত মানুষকে আশান্বিত করে যে, শত কষ্ট ও প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও মানুষের জন্য আশার এক আলো রয়েছে। ছয়. মদীনায় মুহাজির ও

আনসারদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব সকল মুসলমানকে ভিন্ন প্রেক্ষাপট থাকা স্বত্ত্বেও এক কালিমার ছায়াতলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে শিক্ষা প্রদান করে। সাত. হিজরতের মাধ্যমেই ইসলাম পৃথিবীর বুকে একটি স্বতন্ত্র শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। আট. বর্ণবাদ, জাতিবিদ্বেষ, অসাম্য ও অন্যায় হতে

মানবতাকে মুক্ত করার সংগ্রামের সূচনা হয় হিজরতের মাধ্যমেই। নয়. আরবের বুকে গোত্রতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এবং বিশ্বে জাতিগত রাষ্ট্র ও সাম্রাজ্যের পরিবর্তে প্রথম আদর্শভিত্তিক রাষ্ট্রের দৃষ্টান্ত হিজরতের মাধ্যমেই মদীনাতে প্রতিষ্ঠিত হয়। দশ. ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্ত হিজরতের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়।

read more
ইসলাম

শীতকাল মুমিনের বসন্তকাল

faijullah-shit-muminer-bosontokal-image

হঠাৎ ভোরে শিরশিরে বাতাসে দেহ-মন শিউরে উঠছে। খুব সকালে মৃদু কুয়াশায় ঢেকে গেছে সারা মাঠ। সোনালী রোদে ঘাসের ডগায় শিশিরের ঝিকিমিকি। তার মানে এসে গেছে শীত, মুমিনের বসন্তকাল। শীত অধিকাংশ মানুষেরই প্রিয় ঋতু। আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের কাছে এ মৌসুম আরও

 

প্রিয়। কেননা অন্যান্য মৌসুমের চেয়ে এ মৌসুমে ইবাদত বেশি করা যায় এবং সহজভাবে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। তাই সাহাবি আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) বলেন, (الشتاء ربيع المؤمن) ‘শীতকাল হচ্ছে মুমিনের বসন্তকাল।’ (মুসনাদে আহমাদ :

 

১১৬৫৬)। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, ‘শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ায় মুমিন রাত্রিকালীন নফল নামায আদায় করতে পারে এবং দিন ছোট হওয়ায় রোযা রাখতে পারে।’ (শুআবুল ঈমান লিল বায়হাকি : ৩৯৪০) হযরত ওমর (রা.) বলেন, قال عمر رضي الله عنه : الشتاء غنيمة العابدين . শীতকাল ইবাদতকারীদের

জন্য (ইবাদত করার) চমৎকার মৌসুম। (বিশুদ্ধ সনদে আবু নুআইম) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, قال ابن مسعود رضي الله عنه : مرحباً بالشتاء تتنزل فيه البركة، ويطول فيه الليل للقيام، ويقصر فيه النهار للصيام . শীতকালকে স্বাগতম । এ সময় (আল্লাহর পক্ষ থেকে) বরকত নাযিল হয়।

রাত হয় লম্বা। তাই তাহাজ্জুদ পড়া সহজ। দিন হয় ছোট। তাই রোযা রাখা সহজ। (লাতা-ইফুল মাআরিফ, আল্লামা ইবনে রজব) হযরত আবু হুরায়রা (রা.) লোকদের বলতেন, ألا أدلكم على الغنيمة الباردة ، قالوا : بلى، فيقول : الصيام في الشتاء “আমি কি তোমাদেরকে শীতকালীন গনীমতের সন্ধান দিব না?

 

তারা বলতো, অবশ্যই! অতঃপর আবু হুরায়রা (রা.) বলতেন, শীতের মৌসুমে রোযা। (সুনানে তিরমিযি, আলবানী হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন।) তাবেয়ী হযরত হাসান বসরী রহ. বলেন, قال الحسن البصري رحمه الله : نعم زمان المؤمن الشتاء، ليله طويل يقومه، ونهاره قصير يصومه ، ولذا بكى المجتهدون

على التفريط – إن فرطوا – في ليالي الشتاء بعدم القيام، وفي نهاره بعدم الصيام . “একজন মুমিনের জন্য শীতকাল ইবাদত করার চমৎকার মৌসুম। শীতকালে রাত লম্বা হয়। এতে সে (সহজেই) তাহাজ্জুদ পড়তে পারে। দিন ছোট হয়। ফলে (সহজেই) রোজা রাখতে পারে। এজন্যই (পূর্ববর্তীদের মধ্যে) যাঁরা

ইবাদত-বন্দেগিতে কঠোর পরিশ্রম করতেন তাঁরা যদি (কোনো কারণে) এ সময়ের রাতগুলোতে তাহাজ্জুদ না পড়তে পারতেন এবং দিনের বেলা রোযা না রাখতে পারতেন তাহলে এর জন্য তাঁরা কাঁদতেন।” রাব্বুল আলামীন এই ঋতুতে বেশি বেশি ইবাদত করে চিরস্থায়ী জীবনের জন্য সম্বল করে রাখার তাওফিক দান করুন।

আমীন।

read more
ইসলাম

কিভাবে নিজেকে ও পরিবার-পরিজনকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাবেন?

faijullah-qoo-anfusakum-wa-ahleekum-naaran-image

মহান আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বলেন, يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ قُوٓاْ أَنفُسَكُمۡ وَأَهۡلِيكُمۡ نَارٗا وَقُودُهَا ٱلنَّاسُ وَٱلۡحِجَارَةُ عَلَيۡهَا مَلَٰٓئِكَةٌ غِلَاظٞ شِدَادٞ لَّا يَعۡصُونَ ٱللَّهَ مَآ أَمَرَهُمۡ وَيَفۡعَلُونَ مَا يُؤۡمَرُونَ “হে ঈমানদারগণ, তোমরা নিজেদেরকে ও তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন হতে বাঁচাও যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর; যেখানে

 

রয়েছে নির্মম ও কঠোর ফেরেশতাকুল, যারা আল্লাহ তাদেরকে যে নির্দেশ দিয়েছেন সে ব্যাপারে অবাধ্য হয় না। আর তারা তা-ই করে যা তাদেরকে আদেশ করা হয়”। -সূরা তাহরীম, আয়াত : ৬ আল্লামা সা’দী রহ. বলেন, তোমাদের মধ্যে যাদের প্রতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঈমানের মত নেয়ামত

 

দিয়ে অনুগ্রহ করেছে, তোমরা ঈমানের আবশ্যকীয় বিষয় ও শর্তসমূহ পূরণ কর। আর তোমরা তোমাদের নিজেদের এবং পরিবার-পরিজনদের ভয়াবহ জাহান্নাম যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তার আগুন থেকে বাঁচাও। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এরশাদ করেন, [قُوٓاْ أَنفُسَكُمۡ وَأَهۡلِيكُمۡ نَارٗا] “তোমরা

নিজেদেরকে ও তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন হতে বাঁচা”। আর তোমাদের আত্মরক্ষার উপায় হল, আল্লাহর আদেশকে নিজেদের জন্য বাধ্যতামূলক করা, তাঁর আদেশ পালনে দায়িত্বশীল হওয়া এবং তাঁর নিষিদ্ধ বিষয় হতে সম্পূর্ণ বিরত থাকা। আর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যে সব

কর্মে অসন্তুষ্ট হন বা শাস্তির ঘোষণা দইয়েছেন, সে সব কর্ম থেকে তাওবা করা। আর পরিবার পরিজন, সন্তান সন্ততিকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর উপায় হল, তাদের উত্তম শিক্ষা দেয়া, তাদের অন্তরে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.) এর প্রতি ভালোবাসাপূর্ণ আনুগত্যের মানসিকতা গড়ে তোলা, সন্তান-

 

সন্ততি ও অধীনস্ত ছোটদেরকে তাদের শিশুকাল থেকেই আল্লাহর আদেশ নিষেধ মানার উপর অভ্যস্ত করা, কখনো প্রয়োজন হলে শরীয়ত সম্মত উপায়ে শাসনের প্রয়োগ করে হলেও আল্লাহর আদেশ নিষেধ মেনে চলতে বাধ্য করা। মনে রাখতে হবে এই শাসন জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে। অতএব, সুচিন্তিত ও

পরিকল্পিত শাসন কাম্য – যেন সন্তান বরং আরও বিগড়ে না গিয়ে আল্লাহর অনুগত হয়। মহান আল্লাহ আমাদের নিজেদের ও পরিবার-পরিজনদের জাহান্নামের আগুণ হতে বাঁচিয়ে জান্নাতি পরিবার গঠনের তাওফিক দান করুন।

আমীন।

read more
ইসলাম

যে সুরাটি পাঠ করলে আল্লাহ মনের বাসনা পূর্ণ করেন।

Untitled-1 copy (2)

যে সুরাটি পাঠ করলে মহান আল্লাহ মনের বাসনা পূর্ণ করে থাকেন! মহান আল্লাহর কাছে একজন মুসলমানের সবথেকে বড় চাওয়ার হলো তিনি যেন তার দোয়া কবুল করেন। মানুষ মনে মনে মহান আল্লাহর নিকট অনেক দোয়া পাঠ করে থাকেন। কিন্তু অনেকই জানেন না কি ভাবে দোয়া করিলে

 

আল্লাহর তা’য়ালার নিকট সেই দোয়াটি অধিক গ্রহণযোগ্য হবে। এ বিষয়ে হযরত আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করে থাকেন।রাসূলুল্লাহ

 

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না। সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ করে আল্লাহ্’র দরবারে দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক

আশা পূর্ন করেন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ বলুন, তিনি আল্লাহ, এক, (সুরা ইখলাস: ১) اللَّهُ الصَّمَدُ আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, (সুরা ইখলাস: ২) لَمْ يَلِدْ

 

وَلَمْ يُولَدْ তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি (সুরা ইখলাস: ৩) وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ এবং তার সমতুল্য কেউ নেই। (সুরা ইখলাস: ৪) অপর এক হাদীসে এসেছে, এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করিল-ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাঃ)! কুরআন শরীফের কোন সূরাটি সর্বশ্রেষ্ঠ? মহানবী (সাঃ) বলিলেন, “সূরা এখলাস”। (মিশকাত)

read more
ইসলাম

যে দোয়া পড়লে ছেলে সন্তান হবেই হবে …ইনশাআল্লাহ

Untitled-1 copy (1)

যরত ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহ তাআলার নিকট দোয়া করলেন সৎপুত্র সন্তানের জন্য। আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করলেন। তাঁকে নেক পুত্র সন্তান দান করলেন।হযরত ইব্রাহিম (আঃ) পুত্রসন্তান লাভের জন্য যে দোয়াটি পরেছেন। দোয়াটি তুলে ধরা হলো- رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ উচ্চারণ : রাব্বি

 

হাবলি মিনাস সালিহিন। (সুরা সাফফাত : আয়াত ১০০) অর্থ : হে আমার লালন পালনকারী! আমাকে এক সৎপুত্র দান করুন। আল্লাহ তাআলা উম্মতে মুসলিমার জন্য হযরত ইব্রাহিম (আঃ) পুত্রসন্তান লাভের এ আবেদনটি তুলে ধরেছেন। যাতে বান্দা এ দোয়ার মাধ্যমে তাঁর নিকট সন্তান কামনা

 

করতে পারে। দোয়াটি তুলে ধরা হলো- উচ্চারণ : রাব্বি হাবলি মিনাস সালিহিন।’ (সুরা সাফফাত : আয়াত ১০০) অর্থ : হে আমার লালন পালনকারী! আমাকে এক সৎপুত্র দান করুন। ১ হাজার বছরের কাজা নামাজ আদায় হবে এই দোয়াটি পাঠ করলে! আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি

নি’মাতিহী, আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি আ-লা-ইহী, আলহামদু লিল্লাহি ক্বাবলা কুল্লি হালিন, ওয়া ছাল্লাল্লাহু আ’লা খাইরি খালক্বিহী মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলিহী ওয়া আছহাবিহী আজমাঈ’ন, বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন । দোয়ার ফযিলতঃ এ দোয়াটির ফযিলত ও মর্তবা সম্বন্ধে ছাহাবীদের

মধ্যে পরস্পর এখতেলাফ রয়েছে । আমিরুল মু’মিনীন হযরত ওমর (রা) বলেন যে, এ দোয়া যে ব্যক্তি শ্রদ্ধা সহকারে পাঠ করবে তার ছয়শত বৎসরের আদায় করা নামাজ এর বরকতে আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যাবে । অনুরূপ হযরত ওসমান (রা) বলেছেন, সাতশত বৎসরর এবং হযরত

 

আলী কাররাল্লাহু ওয়াজহু বলেছেন, যদি এ দোয়া পাঠকারীর এক হাজার বৎসরের নামাজ কাজা হয়ে থাকে তাও এ দোয়ার বরকতে আল্লাহ্ তা’আলার দরবারে কবুল হয়ে যাবে । যা হোক হযরত রাসূলে করীম (স) এর মহিমায় এ পবিত্র দোয়ার ফযিলত বর্ণনাকালে সাহাবীগন প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর

রাসূল ! মানুষের এরূপ ছয়, সাতশত ও হাজার বৎসর (হায়াত) বয়স কোথায় ? যে এর নামাজ কবুল হবে ? তখন রাসূলুল্লাহ (স) বললেন যে, এ দোয়া পাঠকারীর বাপ, দাদা, পরদাদা ও আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের নাম কবুল হয়ে বৎসর পূরণ করা হবে । সুবাহানাল্লাহ্ । (সূত্র : ছহীহ্ নূরানি

অজিফা শরীফ) পবিত্র কাবা শরিফ সম্পর্কে অজানা ১০ তথ্য পবিত্র কাবা শরিফ সম্পর্কে এই ১০টি অজানা তথ্য প্রতিটি মুসলমানের জানা অপরিহার্য। পবিত্র কাবা আল্লাহর ঘর। প্রতিটি মুসলিমের হৃদয়রাজ্যে বাস করে বায়তুল্লাহ জিয়ারতের স্বপ্ন। কাবার পরিচিতি বিশ্বজোড়া। কিন্তু এই কাবাঘর

 

সম্পর্কিত এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা অনেকই জানেন না। কাবা শরিফ সম্পর্কে অজানা ১০টি তথ্য নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।

read more
ইসলাম

যে দোয়া পড়লে ছেলে সন্তান হবেই হবে …ইনশাআল্লাহ

Untitled-1 copy (2)

যরত ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহ তাআলার নিকট দোয়া করলেন সৎপুত্র সন্তানের জন্য। আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করলেন। তাঁকে নেক পুত্র সন্তান দান করলেন।হযরত ইব্রাহিম (আঃ) পুত্রসন্তান লাভের জন্য যে দোয়াটি পরেছেন। দোয়াটি তুলে ধরা হলো- رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ উচ্চারণ : রাব্বি

 

হাবলি মিনাস সালিহিন। (সুরা সাফফাত : আয়াত ১০০) অর্থ : হে আমার লালন পালনকারী! আমাকে এক সৎপুত্র দান করুন। আল্লাহ তাআলা উম্মতে মুসলিমার জন্য হযরত ইব্রাহিম (আঃ) পুত্রসন্তান লাভের এ আবেদনটি তুলে ধরেছেন। যাতে বান্দা এ দোয়ার মাধ্যমে তাঁর নিকট সন্তান কামনা

 

করতে পারে। দোয়াটি তুলে ধরা হলো- উচ্চারণ : রাব্বি হাবলি মিনাস সালিহিন।’ (সুরা সাফফাত : আয়াত ১০০) অর্থ : হে আমার লালন পালনকারী! আমাকে এক সৎপুত্র দান করুন। ১ হাজার বছরের কাজা নামাজ আদায় হবে এই দোয়াটি পাঠ করলে! আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি

নি’মাতিহী, আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি আ-লা-ইহী, আলহামদু লিল্লাহি ক্বাবলা কুল্লি হালিন, ওয়া ছাল্লাল্লাহু আ’লা খাইরি খালক্বিহী মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলিহী ওয়া আছহাবিহী আজমাঈ’ন, বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন । দোয়ার ফযিলতঃ এ দোয়াটির ফযিলত ও মর্তবা সম্বন্ধে ছাহাবীদের

মধ্যে পরস্পর এখতেলাফ রয়েছে । আমিরুল মু’মিনীন হযরত ওমর (রা) বলেন যে, এ দোয়া যে ব্যক্তি শ্রদ্ধা সহকারে পাঠ করবে তার ছয়শত বৎসরের আদায় করা নামাজ এর বরকতে আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যাবে । অনুরূপ হযরত ওসমান (রা) বলেছেন, সাতশত বৎসরর এবং হযরত

 

আলী কাররাল্লাহু ওয়াজহু বলেছেন, যদি এ দোয়া পাঠকারীর এক হাজার বৎসরের নামাজ কাজা হয়ে থাকে তাও এ দোয়ার বরকতে আল্লাহ্ তা’আলার দরবারে কবুল হয়ে যাবে । যা হোক হযরত রাসূলে করীম (স) এর মহিমায় এ পবিত্র দোয়ার ফযিলত বর্ণনাকালে সাহাবীগন প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর

রাসূল ! মানুষের এরূপ ছয়, সাতশত ও হাজার বৎসর (হায়াত) বয়স কোথায় ? যে এর নামাজ কবুল হবে ? তখন রাসূলুল্লাহ (স) বললেন যে, এ দোয়া পাঠকারীর বাপ, দাদা, পরদাদা ও আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের নাম কবুল হয়ে বৎসর পূরণ করা হবে । সুবাহানাল্লাহ্ । (সূত্র : ছহীহ্ নূরানি

অজিফা শরীফ) পবিত্র কাবা শরিফ সম্পর্কে অজানা ১০ তথ্য পবিত্র কাবা শরিফ সম্পর্কে এই ১০টি অজানা তথ্য প্রতিটি মুসলমানের জানা অপরিহার্য। পবিত্র কাবা আল্লাহর ঘর। প্রতিটি মুসলিমের হৃদয়রাজ্যে বাস করে বায়তুল্লাহ জিয়ারতের স্বপ্ন। কাবার পরিচিতি বিশ্বজোড়া। কিন্তু এই কাবাঘর

সম্পর্কিত এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা অনেকই জানেন না। কাবা শরিফ সম্পর্কে অজানা ১০টি তথ্য নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।

read more
ইসলাম

যে সুরাটি পাঠ করলে আল্লাহ মনের বাসনা পূর্ণ করেন।

Untitled-1 copy (1)

যে সুরাটি পাঠ করলে মহান আল্লাহ মনের বাসনা পূর্ণ করে থাকেন! মহান আল্লাহর কাছে একজন মুসলমানের সবথেকে বড় চাওয়ার হলো তিনি যেন তার দোয়া কবুল করেন। মানুষ মনে মনে মহান আল্লাহর নিকট অনেক দোয়া পাঠ করে থাকেন। কিন্তু অনেকই জানেন না কি ভাবে দোয়া করিলে

 

আল্লাহর তা’য়ালার নিকট সেই দোয়াটি অধিক গ্রহণযোগ্য হবে। এ বিষয়ে হযরত আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করে থাকেন।রাসূলুল্লাহ

 

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না। সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ করে আল্লাহ্’র দরবারে দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক

আশা পূর্ন করেন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ বলুন, তিনি আল্লাহ, এক, (সুরা ইখলাস: ১) اللَّهُ الصَّمَدُ আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, (সুরা ইখলাস: ২) لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি (সুরা ইখলাস: ৩) وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ এবং তার সমতুল্য কেউ নেই। (সুরা ইখলাস: ৪)

অপর এক হাদীসে এসেছে, এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করিল-ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাঃ)! কুরআন শরীফের কোন সূরাটি সর্বশ্রেষ্ঠ? মহানবী (সাঃ) বলিলেন, “সূরা এখলাস”। (মিশকাত)

read more