close

ইসলাম

ইসলাম

দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে মুক্তির জন্য, অবশ্যয় এই দোয়াটি বার বার পড়ুন… 

4

দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে মুক্তির জন্য, অবশ্যয় এই দোয়াটি বার বার পড়ুন…

তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উপর্যুক্ত দোয়াটি শিখিয়ে দেন এবং তা সকাল সন্ধ্যায় পড়তে বলেন। আবু উমামা বলেন আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ দোয়াটি পড়তে লাগলাম ফলে আল্লাহ তায়ালা আমার চিন্তা দূর করে দিলেন এবং আমার ঋণগুলোও আদায় করে দিলেন।

একটি দোয়ায় মিলবে দুঃখ ও ঋণ থেকে চির মুক্তি …

 

[আবু দাউদ-১৫৫৭ হায়াতুস সাহাবা-৭২৪] ফজিলত : হজরত আবু সাঈদ খুদরি [রা.] বলেন; একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে নববিতে প্রবেশ করে আনসারি একজন লোককে দেখতে পেলেন, যার নাম আবু উমামা। রাসুল তাকে বললেন, আবু উমামা! ব্যাপার কী, নামাজের সময় ছাড়াও তোমাকে মসজিদে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে? আবু উমামা বললেন,

দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে মুক্তি পেতে এই দোয়াটি বার বার পড়ুন
ইয়া রাসুলাল্লাহ! অনেক ঋণ এবং দুনিয়ার চিন্তা আমাকে গ্রাস করে রেখেছে। তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আমি কি তোমাকে এমন কিছু কালিমা শিখিয়ে দেব, যেগুলো বললে আল্লাহ তায়ালা তোমার চিন্তাকে দূর করে দেবেন এবং তোমার ঋণগুলো আদায় করে দেবেন। তিনি বলেন: জি হ্যাঁ ইয়া রাসুলাল্লাহ! অবশ্যই বলুন, তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উপর্যুক্ত দোয়াটি শিখিয়ে দেন এবং তা সকাল সন্ধ্যায় পড়তে বলেন। আবু উমামা বলেন আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ দোয়াটি পড়তে লাগলাম ফলে আল্লাহ তায়ালা আমার চিন্তা দূর করে দিলেন এবং আমার ঋণগুলোও আদায় করে দিলেন। [আবু দাউদ-১৫৫৭ হায়াতুস সাহাবা-৭২৪]

 

রোজা ২৯ টি , নাকি ৩০ টি হবে জেনে নিন

আরবি দোআ : একবার পাঠ করতে হবে। اللَّهُمَّ إِنِّى أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ. বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুজনি ওয়া আউজুবিকা মিনাল আজাঝি ওয়াল কাসালি ওয়া আউজুবিকা মিনাল জুবুনি ওয়াল বুখুলি ওয়া আউজুবিকা মিন গলাবাতিত দিনি ওয়া কাহরির রিজালি। অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি যাবতীয় চিন্তা ও পেরেশানি থেকে।

একটি দোয়ায় মিলবে দুঃখ ও ঋণ থেকে চির মুক্তি !!
তোমার আশ্রয় প্রার্থণা করছি সবধরণের অক্ষমতা ও অলসতা থেকে। আরো আশ্রয় প্রার্থনা করছি কাপুরুষতা ও কৃপনতা থেকে। আরো আশ্রয় প্রার্থনা করছি অত্যাধিক ঋণ ও মানুষের ক্রোধ থেকে।

 

read more
ইসলাম

জীবনে একবার হলেও যে নামাজটি পড়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রিয়নবী (সঃ)

Untitled-3-14

জীবনে একবার হলেও যে নামাজটি পড়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রিয়নবী (সঃ)

সালাতুল তাসবিহ’ নামাজ পড়লে পূর্বের গুনাহ বা পাপ মোচন হয় এবং অসীম সওয়াব পাওয়া যায় রাসূলুল্লাহ সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের চাচা হযরত আব্বাস রাদিল্লাহু আনহুকে এই নামাজ শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে, ‘এই নামাজ পড়লে আল্লাহ আপনারআউয়াল আখেরের সগীরা কবীরা জানা অজানা সব গুনাহ মাফ করে দেবেন

 

রাসূলুল্লাহ সালাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের চাচাকে বলেন, ‘চাচা জান! আপনি যদি পারেন, তবে দৈনিক একবার করে এই নামাজ পড়বেন। যদি দৈনিক না পারলে, তবে সপ্তাহে একবার পড়বেন।

 

যদি সপ্তাহে না পারেন, তবে মাসে একবার পড়বেন। যদি মাসে না পারেন, তবে বছরে একবার পড়বেন। যদি এটাও না পারেন, তবে সারাজীবনে একবার হলেও এই নামাজ পড়বেন।’

 

 

সালাতুল তাসবিহ নামাজের নিয়ম : চার রকাত। প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর যেকোনো সূরা পড়তে পারেন। তবে এই নামাজে বিশেষত্ব এই যে, প্রতি রাকাতে ৭৫ বার করে, চার রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবীহ পড়তে হবে।

 

‘‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’।’ নিম্নোক্ত উপায়ে পুরো চার রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবীহটি পড়তে হবে-

 

# ১ম রাকাতে সানা পড়ার পরে তাসবীহ টি ১৫বার পড়তে হবে।

# তারপর স্বাভাবিক নিয়মে সূরা ফাতিহা ও অন্য আরেকটি সূরা অথবা অন্তত তিন আয়াত
পড়ার পরে তাসবীহটি ১০বার পড়তে হবে।

# এরপর রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবীহ পড়ার পরে তাসবীহটি আরও ১০বার পড়তে হবে।

# এরপর কিয়াম এ গিয়ে ‘রাব্বানা লাকাল হামদ’ পড়ার পরে তাসবীহটি ১০বার পড়তে
হবে ।

# এরপর সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পরে তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে।

# প্রথম সিজদা থেকে বসে তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে।

# এরপর আবার সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পরে তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে।

# তারপর একইভাবে ২য় রাকাত পড়তে হবে, কিন্তু ২য় রাকাতে সুরা ফাতিহা পড়ার আগে
তাসবীহটি ১৫বার পড়তে হবে।

 

# অতপর ২য় রাকাতের ২য় সিজদার পর “আত্তহিয়্যাতু…”, দরুদ আর দোয়া পড়ার পরে সালাম না ফিরিয়ে, ১ম রাকাতের মত ৩য় রাকাত শুরু করতে হবে (তাসবীহটি ১৫বার
পড়ে স্বাভাবিক নিয়মে সুরা ফাতিহা ও অন্য আরেকটি সুরা পড়তে হবে) একই প্রক্রিয়ায় পরবর্তী ২ রাকাত শেষ করতে হবে।

 

ফজিলতপূর্ণ সর্বাধিক তাসবিহসম্বলিত নামাজ ‘সালাতুত তাসবিহ’। সুতরাং রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে পড়ার মাধ্যমে প্রতিদিনের পড়ার হক আদায় হয়ে যেতে পারে। কেননা লাইলাতুল কদর হাজার রাতের চেয়ে উত্তম। আর লাইলাতুল কদরে এ নামাজ পড়ার অর্থই হলো ১ হাজার সালাতুত তাসবিহ পড়ার সমান।

 

 

আল্লাহ তা’য়ালা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাসে তাসবিহ নামাজসহ যেকোনো নামাজ এবং ইবাদত-বন্দেগি যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

read more
ইসলাম

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

Capture

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

…………………….ভিডিও…by….F.S. Farhad Hossain………………….

 

হযরত জিব্রাঈল (সাঃ) বলেন,
পৃথিবীতে কত ফোটা পানি পড়ে সেইটা
আমি গুনতে পারি,
কিন্তু যৌবন কালের আমল
এত বেশি লিখা হয় যা আমি
গুনতে পারি না ।
। সুবহানআল্লাহ ।

 

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

ভিডিও টি দেখে কেউ কাদবেন না…… শেয়ার করবেন সবাই প্লিজ…… ><><

read more
ইসলাম

ইসলামে ধর্মে শুকরের মাংস নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ……

Untitled-1 copy

 

ইসলামে ধর্মে শুকরের মাংস – ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মের অনেকের কাছেই প্রিয় শুকরের মাংস। কিন্তু মুসলমানরা এ মাংস খান না। অনেকেই এটা নিয়ে তিরস্কার করেন মুসলিমদের। কিন্তু শুকরের মাংস কেন হারাম করা হয়েছে সেটা জানলে সবাই বলবে এটা নিষিদ্ধ হওয়াই উচিত। আসুন জেনে নেই কেন শুকরের মাংস নিষিদ্ধ হলো ইসলামে।

কুরআনে নিষিদ্ধত।।

শুকরের মাংস খাওয়া নিষেধ অন্তত চারটি স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে ২:১৭৩, ৫:৩, ৬:১৪৫, এবং ১৬:১১৫।

সুরা বাকারায় বর্ণিত হয়েছে, ‘নিষিদ্ধ করা হলো তোমাদের জন্য (খাদ্য হিসেবে) মৃত জন্তুর মাংস, প্রবাহিত রক্ত, শুকরের মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে উৎসর্গ করা হয়।’

শুকর মাংস মারাত্মক রোগের কারণঃ

অন্যান্য অমুসলিম ও নাস্তিকরা হয়তো উপযুক্ত কারণ ও বিজ্ঞানের যুক্তি প্রমাণে মেনে নিতে পারে- শুকরের মাংস ভক্ষণ কমপক্ষে সত্তরটি রোগের উদ্ভব ঘটাতে পারে। প্রথমত, আক্রান্ত হতে পারে বিভিন্ন প্রকার ক্রিমির দ্বারা। যেমন বৃত্তাকার ক্রিমি, ক্ষুদ্র কাঁটাযুক্ত ক্রিমি এবং বক্র ক্রিমি। এর মধ্যে সবচাইতে ভয়ঙ্কর ও মারাত্মক হলো ‘টাইনিয়া সোলিয়াম’। সাধারণভাবে যেটাকে ফিতা ক্রিমি’ বলা হয়। এটা পেটের মধ্যে বেড়ে ওঠে এবং অনেক লম্বা হয়। এর ডিম রক্ত প্রবাহে প্রবেশ করে এবং দেহের প্রায় সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ঢুকে পড়তে পারে, যদি এটা মস্তিস্কে ঢোকে, তাহলে কারণ ঘটাতে পারে স্মৃতি ভ্রষ্ট হয়ে যাবার। হৃদ-যন্ত্রের মধ্যে ঢুকলে বন্ধ করে দিতে পারে হৃদযন্ত্রক্রিয়া। চোখে ঢুকলে অন্ধত্বের কারণ হয়, কলিজায় ঢুকলে সেখানে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি করে অর্থাৎ এটা শরীরের যে কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কর্মক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

জনপ্রিয় পোস্ট সমূহ

এরপরও আছে আরো ভয়ঙ্কর ‘ত্রীচুরা টিচুরাসীস্থ।’ এ সম্পর্কে একটা সাধারণ ধারণা হলো ভালো করে রান্না করলে এর ডিম্ব মারা যায়। এর ওপরে আমেরিকায় গবেষণা চালানো হয়েছে। ফলাফল, ভালো করে রান্না করার পরও প্রতি ২৪ জনের ২২ জন এই ‘ত্রীচুরাসীস্থ’ দ্বারা আক্রান্ত। প্রমাণ হলো সাধারণ রান্নায় এ ডিম্ব ধ্বংস হয় না।

এতে চর্বি উৎপাদনের উপাদান প্রচুরঃ

শুকরের মাংসে পেশী তৈরির উপাদান অত্যন্ত নগণ্য পরিমাণ। পক্ষান্তরে চর্বি উৎপাদনের উপাদান প্রচুর। এ জাতীয় চর্বি বেশিরভাগ রক্ত নালীতে জমা হয়, যা কারণ ঘটায় হাইপার টেনশান এবং হার্ট এটাকের। অবাক হওয়ার কিছু নেই যে ৫০ ভাগ আমেরিকান হাইপার টেনশানের রুগী।

শুকর নোংরা ও পঙ্কিলতম প্রাণীঃ

এ প্রাণীটি বসবাস করতে সাচ্ছন্দ বোধ করে নিজেদের বিষ্ঠা, মানুষের মল ও ময়লাপূর্ণ জায়গায়। আল্লাহ তাআলা সমাজবদ্ধ সৃষ্টিকূলের ধাঙর, মেথর বা ময়লা পরিষ্কারক হিসাবেই বোধকরি এ প্রাণিটি সৃষ্টি করেছেন। আজ থেকে পঞ্চাশ কি ষাট বছর আগেও যখন সেনিটারি পায়খানা আবিষ্কৃত হয়নি তখন যে কোনো শহরের পায়খানার ধরণ ছিল, পেছন থেকে মেথর এসে তা ট্যাঙ্কি ভরে নিয়ে যেত এবং শহরের উপকণ্ঠে কোথাও ফেলতো। যা ছিল শুকরদের পরম আনন্দ নিবাস এবং শেষ পর্যন্ত সেগুলোই সব বিষ্ঠার রুপান্তর ঘটতো।

অনেকেই হয়তো এখন বিতর্কে নেমে পড়বেন উন্নত বিশ্বে এখন শুকরের পরিচ্ছন্ন খামার করা হয়েছে যেখানে ওগুলো লালিত পালিত হয়। তাদের এই অনেক উন্নত, স্বাস্থ্যকর খামারেও ওগুলো নোংরা। অত্যন্ত আনন্দের সাথেই ওরা ওদের নিজেদের ও সঙ্গিদের বিষ্ঠা নিয়ে ওদের চোখ নাক দিয়ে নাড়া চড়া করে আর উৎসবের খাদ্য হিসেবেই খায়।

নির্লজ্জ পশুঃ

ভু-পৃষ্ঠের ওপরে শুকর অশ্লীলতায় নির্লজ্জতম প্রাণী। একমাত্র পশু যেটা তার স্ত্রী-সঙ্গীর সাথে সংগম করার জন্য অন্যান্য পুরুষ-সঙ্গীদের ডেকে নেয়। আমেরিকার ও ইউরোপের অধিকাংস মানুষের প্রিয় খাদ্য শুকরের মাংস। খাদ্যভ্যাস আচরণে প্রকাশ পায়, বিজ্ঞানের এ সূত্রের জীবন্ত নমুনা ওরাই। ওদের প্রিয় সংস্কৃতি ডান্স পার্টিগুলোতে নেচে নেচে উত্তেজনায় উন্মত্ত হয় তখন একে অপরের সাথে বউ বদল করে। অনেকেই আবার জীবন্ত নীল ছবির স্বাদ দিতে জন্য স্ত্রীর সাথে মিলিত হতে বন্ধু-বান্ধব ডেকে নেয়। এসব প্রমাণ করে শুকরের মাংস মানুষকে নির্লজ্জতার দিকে ধাবিত করে।

read more
ইসলাম

আজ পবিত্র আশুরা , জেনে নিন এ দিনে যা যা ঘটেছে…………….

Untitled-1 copy

 

আজ হিজরী ১০ই মহররম, পবিত্র আশুরা। প্রায় ১ হাজার ৩৩৫ বছর আগে ৬১ হিজরি সনের আজকের এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) ও তার পরিবারের সদস্যরা এজিদের সৈন্যদের হাতে ফোরাত নদীর তীরে, কারবালার প্রান্তরে শহীদ হন। ঈমানের বলে বলীয়ান এবং সত্য ও ন্যায়ের প্রতি দৃঢ় অবস্থান নিয়ে অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে শাহাদাৎ বরণ করেছিলেন ইমাম হোসাইন।

সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আপোষহীন মনোভাব নিয়ে যুদ্ধ করতে করতে যেয়ে শাহাদতের অমীয় সুধা পান করে পৃথিবীর বুকে চির অমর হয়ে আছেন ইমাম হোসাইন (রা:)। এ কারণে মুসলিম উম্মাহর কাছে শোকাবহ ঘটনাবহুল এ দিনটি ধর্মীয়ভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে তিনি সত্যের জন্য আপসহীন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার এবং প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যা বিশ্ব মুসলিম মননকে যুগে যুগে প্রেরণা জুগিয়ে আসছে।

শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তাঁদের এই আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ত্যাগ ও শোকের প্রতীকের পাশাপাশি বিশেষ দিবস হিসেবে বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র আশুরা পালিত হচ্ছে।

আরো যা ঘটেছিল: ১০ মহররম আশুরার দিন মহান আল্লাহতায়ালা পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং এ দিনেই (শুক্রবার) মহাপ্রলয়ের মাধ্যমে পৃথিবী ধ্বংস হবে।। এর বাইরে এ দিনেই হজরত আদম (আ:)-কে জান্নাত থেকে পৃথিবীর বুকে অবতরণ করানো হয়। এ দিনেই আল্লাহ তায়ালা তার তওবা কবুল করেছিলেন। হজরত নূহ (আ:) এ দিনেই মহাপ্লাবন থেকে রক্ষা পেয়ে নৌকা থেকে পৃথিবীর বুকে আবার অবতরণ করেছিলেন। এ দিনে হজরত ইদ্রিস (আ:) সশরীরে জান্নাতে প্রবেশ করেন। হজরত আইয়ুব (আ:) দীর্ঘ দিন কঠিন রোগ ভোগার পর এ দিনে রোগমুক্ত হন।

এদিন হযরত ইব্রাহিম (আ.) নমরুদের অগ্নিকুণ্ড থেকে রক্ষা পেয়েছেন, হযরত ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি লাভ করেছেন। এদিনে হজরত দাউদ (আ:)-এর তওবা কবুল হয় এবং হজরত সোলায়মান (আ:) বাদশাহী লাভ করেন। ১০ মুহাররমে হজরত ইউসুফ (আ:) তার পিতা হজরত ইয়াকুব (আ:)-এর সাথে মিলিত হন। আশুরার দিনেই হজরত মুসা (আ:) আল্লাহ তায়ালার সাথে কথা বলেছিলেন। এ দিনেই আল্লাহ তায়ালা বনি ইসরাইল সম্প্রদায়কে ফেরাউনের বন্দিদশা থেকে উদ্ধার করেন এবং লোহিত সাগরে ফেরাউন ও তার বাহিনীর সলিল সমাধি ঘটান। পবিত্র আশুরার দিনেই আল্লাহ তায়ালা হজরত ঈসা (আ:)-কে শত্রুদের হাত থেকে রক্ষা করে সশরীরে আসমানে উঠিয়ে নেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিশেষ আয়োজন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ করে শিয়া সম্প্রদায় পুরান ঢাকার হুসেনি দালান ইমাম বারা থেকে সকাল ১০টায় তাজিয়া মিছিল বের করবে। দিবসটি উপলক্ষে টাঙ্গাইলের গড়পাড়া ইমাম বাড়িতে গৃহীত ১০ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের শেষ দিন আজ। এবারের তাজিয়া মিছিলে ছুরি, তলোয়ার বা আগুন খেলা নিষিদ্ধ করেছে ডিএমপি।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি রেডিও-টিভি চ্যানেলও এই দিনের তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও বিরোধী দলের নেত্রী দিবসটি উপলক্ষে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

read more
ইসলাম

যে ৭টি কারনে সূরা ইয়াসিনকে আল কোরআনের ‘হৃদপিণ্ড’ বলা হয়! সবার জেনে রাখা উচিত……

Untitled-1 copy

 

তোমরা তোমাদের মৃতদের জন্য এ সূরা তিলাওয়াত করো। (রুহুলমায়ানি, মাজহারি) ইমাম গাজ্জালি রহ: বলেন, ‘সূরা ইয়াসিনকে কুরআনের হৃৎপিণ্ড এ কারণে বলা হয়েছে যে, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘সূরা ইয়াসিন হলো আল কোরআনের হৃৎপিণ্ড।’

এ হাদিসে আরো বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন আল্লাহ ও পরকালের কল্যাণ লাভের জন্য পাঠ করবে তার মাগফিরাত হয়ে যায়।তোমরা তোমাদের মৃতদের জন্য এ সূরা তিলাওয়াত করো। (রুহুলমায়ানি, মাজহারি) ইমাম গাজ্জালি রহ: বলেন, ‘সূরা ইয়াসিনকে কুরআনের হৃৎপিণ্ড এ কারণে বলা হয়েছে যে,

 

 

১। ‘এ সূরায় কেয়ামত ও হাশর-নশর বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যা ও অলঙ্কারসহকারে বর্ণিত হয়েছে।

 

 

২। পরকালে বিশ্বাস ঈমানের এমন একটি মূলনীতি, যার ওপর মানুষের সব আমল ও আচরণের বিশুদ্ধতা নির্ভরশীল।

 

 

পরকালভীতিই মানুষকে সৎকর্মে উদ্বুদ্ধ করে এবং অবৈধ বাসনা ও হারাম কাজ থেকে বিরত রাখে।

 

 

তাই দেহের সুস্থতা যেমন অন্তরের সুস্থতার ওপর নির্ভরশীল তেমনি ঈমানের সুস্থতা পরকালের চিন্তার ওপর নির্ভরশীল

 

(রুহুলমায়ানি)।

৩। এ সূরা তার পাঠকারীকে ইহকাল ও পরকালে শান্তি ও ব্যাপক কল্যাণ এনে দেয়।

 

অন্য এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, এ সূরা কেয়ামতের দিন অধিক সংখ্যক মানুষের জন্য সুপারিশকারী হবে এবং তা আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন।

৪। এ সূরা তার পাঠকদের থেকে বালা-মুসিবত দূর করে। অন্য রেওয়ায়েতে এর নাম ‘কাজিয়া’ও উল্লিখিত হয়েছে; অর্থাৎ এ সূরা পাঠকের সব ধরনের প্রয়োজন মেটায়। (রূহুলমায়ানি)

৫। হজরত আবু যর রা: বলেন, আমি রাসূল সা:-এর কাছ থেকে শুনেছি তিনি বলেছেন, মরণোন্মুখ ব্যক্তির কাছে সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে তার মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ হয়ে যায়। (মাজহারি)

৬। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের রা: বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন অভাব-অনটনের সময় পাঠ করে তাহলে তার অভাব দূর হয়, সংসারে শান্তি ও রিজিকে বরকত লাভ হয়। (মাজহারি)

৭। ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে সে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুখে-স্বস্তিতে থাকবে। যে সন্ধ্যায় পাঠ করবে সে সকাল পর্যন্ত শান্তিতে থাকবে। (মাজহারি)

read more
ইসলাম

কে ছিলেন নবীজির জানাজার ইমাম? আল- হাদিস কি বলে।

Untitled-1 copy

 

ইবনে মাজাহ শরিফে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, মঙ্গলবার সাহাবায়ে কেরাম রাসুলে কারিম সা.-এর গোসল ও কাফনের কাজ শেষ করেন। নবীজির দেহ মোবারক রওজার পাশে রাখেন। সাহাবারা দল দলে নবীজির কাছে আসতে থাকেন। কারও ইমামতিতে নয়ঃ সবাই একা একা নামাজ ও দুরুদ শেষে বেরিয়ে যান। ইবনে মাজাহ ।

অন্য কিতাবে আছে, রাসুল সা.-এর ইন্তেকাল এক আগে সাহাবিরা নবীজির দরবারে আসলেন। সাহাবাদের দেখে নবীজির চোখে বেদনার জল। নবীজি বললেন, আমি তোমাদের আল্লাহর কাছে সোপর্দ করছি, আল্লাহ তোমাদের সঙ্গী হবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর রাসুল সা.!

আপনার যাওয়ার সময় খুব নিকটে চলে এসেছে, আপনার ইন্তেকালের পর আপনাকে কে গোসল দিবে? রাসুল সা. বললেন, আমার আহলে বাইত মানে আমার পরিবারের সদস্যরা। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আবার জানতে চাইলেন, কে আপনাকে কাফন পরাবে? রাসুল সা. বললেন, আমার আহলে বাইত।

 

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আবার জানতে চাইলেন কে আপনাকে কবরে নামাবে? রাসুল সা. বললেন, আমার আহলে বাইত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আবার জানতে চাইলেন কে আপনার জানাজা কে পড়াবে? তখন রাসুল সা.-এর চোখ বেয়ে বেদনার জল নেমে এলো। তিনি বললেন, তোমাদের নাবীর জানাজা এমন হবে না, যেমন তোমাদের হয়। যখন আমার গোসল হয়ে যাবে তখন তোমরা সবাই ঘর থেকে বের হয়ে যাবে।

 

সবার আগে জিবরাইল আমার জানাজা পড়বে। তারপর মিকাঈল ও ইস্রাফিল ধারাবাহিকভাবে আরশের অন্যান্য ফেরেশতারা আসবে ও আমার জানাজা পড়বে। তারপরে তোমাদের পুরুষরা, নারীরা এবং শিশুরা আমার জন্য দোয়া ও সালাম পড়বে। অতঃপর তোমরা আমাকে আল্লাহর সোপর্দ করে দিবে। আলবিদায়া ওয়ান নিহায়া-৫/২২২, দালায়েলুন নবুয়্যাহ লিলবায়হাককি

 

নবীজি সা.-এর জানাজা বিষয়ে আরো দীর্ঘ হাদিস পাওয়া যায় তিরিমিজি শরিফে। সাহাবি হজরত সালেম বিন ওবায়েদ রা. বলেন, আমি প্রথমে হজরত আবু বকর সিদ্দিক রা. কে রাসুলে কারিম সা.-এর ইন্তেকালের সংবাদ দিই। তখন আবু বকর সিদ্দিক রা. আমাকে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে ভেতরে আসো। সাহাবি হজরত সালেম বিন ওবায়েদ রা. বলেন, হজরত আবু বকর রা. যখন রাসুলের নিকট যেতে চাইলেন, তখন চারপাশে মানুষের প্রচ- ভিড়।

 

হজরত আবু বকর রা. লোকদের বললেন, তোমরা আমাকে সামান্য রাস্তা দাও!
লোকেরা ভেতরে যাওয়ার পথ করে দিল! তিনি ভেতরে গেলেন, মাথা নুইয়ে কাছে গিয়ে নবীজি সা. কে দেখলেন। নবীজির পবিত্র কপালে হজরত আবু বকর রা. চুমু খেলেন। তারপর কোরআনের আয়াত পড়লেন, যার অর্থ হলো, নিশ্চয় তুমিও ইন্তেকাল করবে এবং তারাও ইন্তেকাল করবে।

 

 

হজরত আবু বকর রা. বেরিয়ে এলে; লোকেরা জানতে চাইলেন, ওগো নবীজির বন্ধু! নবীজি কি ইন্তেকাল করেছেন? হজরত আবু বকর রা. বললেন, হ্যা। তখন লোকেরা নবীজির ইন্তেকালের খবর দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করলো । তারপর সাহাবায়ে কেরাম হজরত আবু বকর রা. কে জিজ্ঞেস করলেন, ওগো নবীজির বন্ধু! নবীজির কি জানাজার নামাজ পড়া হবে? তিনি বললেন, হ্যা। জিজ্ঞাসা করা হল, কিভাবে? হজরত আবু বকর রা. বললেন, এভাবে যে, এক এক জামাত নবীজির ঘরে প্রবেশ করবে এবং জানাজা পড়ে বেরিয়ে আসবে। তারপর অন্য জামাত প্রবেশ করবে।

 

 

সাহাবারা হজরত আবু বকর রা. কে জিজ্ঞাসা করলেন, নবীজিকে কি দাফন করা হবে? তিনি বললেন, জি। জিজ্ঞাসা করা হল, কোথায়? তিনি বললেন, যেখানে আল্লাহ তায়ালা নবীজির রূহ কবজ করেছেন সেখানেই। কেননা, আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় নবীজিকে এমন স্থানে মৃত্যু দান করেছেন যে স্থানটি উত্তম ও পবিত্র।

 

 

সাহাবারা দৃঢ়ভাবে মেনে নিলেন হজরত আবু বকর রা.-এর কথা। হজরত আবু বকর রা. নিজেই নবীজির আহলে বায়াত তথা রাসুলের পরিবার ও বংশের মানুষদের ডেকে গোসল নির্দেশ দেন। সূত্র : শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস : ৩৭৯, ৩৯৭, শরফুল মুস্তফা, বর্ণনা নং-৮৫০, আল আনওয়ার ফি শামায়িলিন নাবিয়্যিল মুখতার, বর্ণনা নং-১২০৯

 

 

ইমাম শাফি রহ. এবং কাজি ইয়াজ রা. বলেন, নবীজি সা.-এর জানাজা পড়া হয়েছে। কিতাবুল উম্মু/ সিরাতে মস্তুফা/৩য় খ-: ২৩৫

 

 

পুনশ্চ : নবীজির জানাজা হয়েছে। সাহাবারা একা একা পড়েছেন। কেউ ইমামতি করেননি। তবে তাবাকাতে ইবনে সাদের বরাতে বলা হয়, হজরত আবু বকর ও ওমর রা. এক সঙ্গে নবীজি সা.-এর ঘরে উপস্থিত হন। নবীজির দেহ মোবরক সামনে রেখে নামাজ-সালাম ও দুরুদ পেশ করেন। দীর্ঘ দোয়ার সময় পেছনে সারিবদ্ধ সাহাবিরা আমিন আমিন বলেছেন

read more
ইসলাম

কিয়ামতের দিন যে তিন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ কথা বলবেন না………………….!

Untitled-1 copy

কিয়ামতের কঠিন দিনে মানুষ অস্থির হয়ে উঠবে। দিশেহারা পাখির মতো ছোটাছুটি করবে একটু সুপারিশের আশায়। লোকজন বলতে থাকবে আল্লাহ যেন আমাদের বিচার শুরু করেন। হাশরের এ কঠিন মাঠ আর সহ্য করতে পারিছি না। বিচার শেষে তিনি যা ফায়সালা করবেন, আমরা তাই মেনে নিব।

কিয়ামতের বিচার শুরু হওয়ার পর যখন আমাদের ডাক পড়বে, তখন প্রতিটি মানুষকে নিয়ে একা আল্লাহর تعالى সামনে দাঁড় করানো হবে। সেদিন আল্লাহ تعالى প্রত্যেকের সাথে সরাসরি কথা বলবেন। তাঁর تعالى এবং আমাদের মাঝে কোনো অনুবাদক, পির, নবি, ওলি —কেউ থাকবে না।


তারপর তিনি تعالى আমাদের বিচার শুরু করবেন। সারাজীবন আমরা যত খারাপ কাজ করেছি, সেগুলোর জন্য জবাব চাইবেন, তাঁর تعالى অসীম অনুগ্রহে হয়ত ক্ষমা করে দেবেন। আর যত ভালো কাজ করেছি, সেগুলো তিনি تعالى আমাদেরকে দেখাবেন।[৩১৯] কিয়ামত হচ্ছে আমাদের সব পাপের ফয়সালা করে, আমাদেরকে পবিত্র করে জান্নাতের জন্য তৈরি করার জায়গা। জান্নাত পবিত্র মানুষদের জায়গা। সেখানে অপবিত্রদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যারা কিয়ামতের বিচারে পাশ করে আল্লাহর تعالى অনুগ্রহে পবিত্র হয়ে জান্নাতে যেতে পারবেন, তাদের জন্য বিরাট সুখবর। আর যাদের এত পাপ জমে থাকবে যে, বিচার শেষেও তাদের পাপের পাল্লা ভারি থাকবে, তাদের পরিণতি হবে জাহান্নাম।[সূরা আল-ক্বারিয়াহ]

কিন্তু কিয়ামতের দিন একদল লোক থাকবেন, যাদের সাথে আল্লাহ تعالى সেদিনও কোনো কথা বলবেন না। তারা যতই অনুনয়, বিনয় করুক না কেন, আল্লাহ تعالى কোনো উত্তর দেবেন না। তারা কিয়ামতের এই পবিত্র করার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবে না। এই চরম অপরাধীরা হচ্ছে—

তিন ব্যক্তির সাথে কিয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না

আরবি হাদিস وَعَن أَبي ذَرٍّ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ، قَالَ: « ثَلاَثَةٌ لاَ يُكَلِّمُهُمُ اللهُ يَوْمَ القِيَامَةِ، وَلاَ يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ، وَلاَ يُزَكِّيهِمْ، وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ». قَالَ: فَقَرَأَهَا رَسُولُ اللهِ ﷺ ثَلاَثَ مِرَارٍ، قَالَ أَبُو ذرٍّ: خَابُوا وَخَسِرُوا ! مَنْ هُمْ يَا رَسُولَ اللهِ ؟ قَالَ: «المُسْبِلُ، وَالمنَّانُ، وَالمُنْفِقُ سِلْعَتَهُ بِالحَلِفِ الكاذِبِ ». رواه مسلم . وفي رواية لَهُ: «المُسْبِلُ إزَارَهُ » . বাংলা হাদিস আবূ যার্র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির সাথে কিয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না, তাদের দিকে (দয়ার দৃষ্টিতে) তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য থাকবে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত বাক্যগুলি তিনবার বললেন। আবূ যার্র বললেন, তারা ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হোক! তারা কারা? হে আল্লাহর রসূল!

তিনি বললেন, (লুঙ্গি-কাপড়) পায়ের গাঁটের নীচে যে ঝুলিয়ে পরে, দান করে যে লোকের কাছে দানের কথা বলে বেড়ায় এবং মিথ্যা কসম খেয়ে যে পণ্য বিক্রি করে। তাঁর অন্য বর্ণনায় আছে, যে লুঙ্গি ঝুলিয়ে পরে। [মুসলিম ১০৬, তিরমিযি ১২১১, নাসায়ি ২৫৬৩, ২৬৫৪, ৪৪৫৮, ৪৪৬৯, ৫৩৩৩, আবু দাউদ ৪০৮৭, ইবন মাজাহ ২২০৮, আহমদ ২০৮১১, ২০৮৯৫, ২০৯২৫, ২০৯৭০, ২১০৩৪, দারেমি ২৬০৫

হযরত আবু হুরায়রা রা. বর্ণনা করেন, আমি এক দাওয়াতে নবী করীম (সা.) -এর সাথে ছিলাম। এক সময় তিনি বললেন, আমি কিয়ামতের দিন সকলের সর্দার হব। সে কঠিন দিনে কষ্ট সাইতে না পেরে মানুষ অস্থির হয়ে যাবে এবং কার দ্বারা সুপারিশ করলে আল্লাহ কবুল করবেন সেরূপ লোক তালাশ করতে থাকবে।

অতঃপর অন্যান্য নবীগণ থেকে ব্যর্থ হয়ে সবশেষে লোকজন আমার কাছে এসে বলবে, আপনি সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, আমাদের কষ্ট তো আপনি দেখেছেন, এখন আল্লাহর নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন যাতে আমাদেরকে পরিত্রাণ দেয়া হয়।

নবীজি (সা.) বলেন, আমি তখন আল্লাহর আরশের নিচে এসে সিজদায় পড়ে কান্নাকাটি করতে থাকব। অতঃপর আল্লাহর পক্ষ থেকে বলা হবে, আপনি মাথা উঠান এবং ফরিয়াদ পেশ করুন। আপনার ফরিয়াদ কবুল করা হবে।

আমি তখন মাথা উঠিয়ে বলব, হে প্রভু! তুমি আমার উম্মতগণকে ক্ষমা কর। আল্লাহ তায়ালা বলবেন, হে আমার প্রিয় নবী! আমার বেগুনাহ বান্দাদেরকে বেহেশতের ডান দিকের দরজা দিয়ে প্রবেশ করান। অন্য দরজা দিয়েও ইচ্ছে করলে ঢুকাতে পারেন। সেদিন শুধু মাত্র আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ই সুপারিশ করতে পারবেন। (আল-হাদিস)

হযরত আউফ বিন মালেক রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সা. বলেন, ‘আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন দূত এসে আমাকে জানালেন যে, আল্লাহ্ তায়ালা আমাকে দুটি প্রস্তাব দিয়ে পাঠিয়েছেন। এ দুটির মধ্যে থেকে যেকোনো একটি গ্রহণ করতে হবে।

প্রস্তাব দুটি হলো: ১. আমার অর্ধেক উম্মতকে বিনা হিসেবে বেহেশতে দেয়া হবে। ২. আমি যেকোনো উম্মতের জন্য আমার ইচ্ছেমতো সুপারিশ করতে পারব। আমি সুপারিশ করার ক্ষমতাটাকেই গ্রহণ করেছি। কাজেই অমি মুশরিক ব্যতীত সকলের জন্য শাফায়াত করব। (আল-হাদিস)

 

 

 

read more
ইসলাম

জেনে নিন, যে সব রোগের নামাজ ব্যতিত ঔষধ নেই !!

Untitled-1 copy

 

 

কিছু কিছু রোগ আছে যার নামাজ ব্যতিত কোন ঔষধ বা প্রেসক্রিপশন নেই। নামাজ হার্ট এ্যাটাক, প্যারালাইসিস, ডায়াবেটিস, মেলিটাস ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

হার্টের রোগীদের প্রতিদিন বাধ্যতামূলকভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা উচিত, যেমনিভাবে তারা তাদের ডাক্তারদের নিকট খারাপ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য অনুমতি লাভ করে থাকেন।

নামাজ একটি উত্তম ইসলামী ব্যায়াম, যা মানুষকে সব সময় সতেজ রাখে, অলসতা এবং অবসাদগ্রস্ততাকে শরীরে বাড়তে দেয় না।

 

 

 

 

অন্যসব ধর্মের মধ্যে এমন সামগ্রিক ইবাদত আর নেই যা আদায়ের সময় মানুষের সকল অঙ্গ নড়াচড়া ও শক্তিশালী হয়।

নামাজীর জন্য এটা একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য যে, এটা একান্তই সামগ্রিক ব্যায়াম যার প্রভাব মানবের সকল অঙ্গগুলোতে পড়ে এবং সামগ্রিক মানব অঙ্গগুলোতে নড়াচড়া ও শক্তি সৃষ্টি হয় এবং স্বাস্থ্য অটুট থাকে।

read more
ইসলাম

সুবাহানাল্লাহ, ৩ মাস ২৫ দিনে হাফেজ হলো ময়মনসিংহের জুবায়ের………

Untitled-1 copy

 

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া জান্নাতুল আতফাল মাদরাসার ছাত্র হেমায়েতুল ইসলাম জুবায়ের (১১) মাত্র ৩ মাস ২৫ দিনে পুরো কোরআন শরীফ হেফজ (মুখস্থ) করার সৌভাগ্য অর্জন করেছে।

সে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার রাওনা ইউনিয়নের ধোপাঘাট গ্রামের মো. কামরুল ইসলামের ছেলে। তার মাতার নাম মোসা. হোসনা।

দিন হিসেবে জুবায়েরের কোরআন মুখস্থ করতে সময় লেগেছে ১১৫ দিন।

সে হিসেবে সে গড়ে দৈনিক প্রায় ৬ পৃষ্ঠা করে মুখস্থ করেছে। তার শিক্ষকদের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, জুবায়ের একদিন সর্বোচ্চ ১ পারা (২০ পৃষ্ঠা) মুখস্থ করে তার ওস্তাদ হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহাম্মাদ হিফযুর রহমানকে শুনিয়েছে।

আর খুব কম করে হলেও সে ২ পৃষ্ঠা মুখস্থ করতো দৈনিক।

read more
1 2 3
Page 1 of 3