close

জাতীয় সংবাদ

জাতীয় সংবাদ

অবরুদ্ধ করে রাখা হচ্ছে প্রধান বিচারপতিকে!!

Untitled-1 copy

 

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৯টার দিকে আপিল বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়।

সোমবার (২ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার একমাসের ছুটিতে যাওয়ার পর আইন মন্ত্রণালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে আব্দুল ওয়াহহাব মিঞায় নাম ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

 

সে অনুযায়ী মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকালে আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনায় বসেন মো. আব্দুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বধীন আপিল বেঞ্চ। সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয়ে ১০টা পর্যন্ত আপিল বিভাগের কার্যক্রম চলে।

 

 

এরপর নিয়ম অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে অন্যান্য বিচারক ও আইনজীবীরা মত বিনিময় করবেন। এদিকে প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে মিছিল করেছে বিএনপি পন্থি আইনজীবীরা। তাদের অভিযোগ প্রধান বিচারপতিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে সরকার।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৯টার দিকে আপিল বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়।

সোমবার (২ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার একমাসের ছুটিতে যাওয়ার পর আইন মন্ত্রণালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে আব্দুল ওয়াহহাব মিঞায় নাম ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

সে অনুযায়ী মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকালে আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনায় বসেন মো. আব্দুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বধীন আপিল বেঞ্চ। সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয়ে ১০টা পর্যন্ত আপিল বিভাগের কার্যক্রম চলে।

 

 

এরপর নিয়ম অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে অন্যান্য বিচারক ও আইনজীবীরা মত বিনিময় করবেন। এদিকে প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে মিছিল করেছে বিএনপি পন্থি আইনজীবীরা। তাদের অভিযোগ প্রধান বিচারপতিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে সরকার।

read more
জাতীয় সংবাদ

শিঘ্রই উড়তে যাচ্ছে পদ্মা সেতুতে দেশের পতাকা ! খুশিতে ভাসছে দেশ (ভিডিও সংযুক্ত)

Untitled-1 copy

শিঘ্রই উড়তে যাচ্ছে পদ্মা সেতুতে দেশের পতাকা ! খুশিতে ভাসছে দেশ (ভিডিও সংযুক্ত)শিঘ্রই উড়তে যাচ্ছে পদ্মা সেতুতে দেশের পতাকা ! খুশিতে ভাসছে দেশ (ভিডিও সংযুক্ত)শিঘ্রই উড়তে যাচ্ছে পদ্মা সেতুতে দেশের পতাকা ! খুশিতে ভাসছে দেশ (ভিডিও সংযুক্ত)

> ভিডিও নিচে আসবে একটু অপেক্ষা করুন <<

 

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ূনঃ-

জেনে নিন যে ৩টি উপায়ে খাঁটি সোনা চিনতে পারবেন ??

বিয়ে, জন্মদিন কিংবা যেকোনো উৎসবে নিজেকে সাজাতে নারীদের প্রথম পছন্দ হলো সোনার গহনা। তবে শুধুমাত্র নারীর অঙ্গশোভা বাড়াতে নয়- আভিজাত্য এবং সম্পদ সংরক্ষণে যুগ যুগ ধরেই প্রাধান্য পায় সোনা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

জেনে নিন খাঁটি সোনা চেনার উপায়-

১। সোনা কিনুন ২৪ ক্যারটের– ২৪ ক্যারট সোনাই আসল খাঁটি সোনা। ২৪ ক্যারট সোনা মানে ৯৯.৯% শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু দোকানে সাধারণত ২৪ ক্যারট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হয় না। তাতে সেই সোনার অলঙ্কার বড্ড নরম হয়ে যাবে। তাই দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি করা হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন যাতে ২২ ক্যারট সোনা দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট সোনা মানে ৯১.৬% শতাংশ সোনা।

২। BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন – সাধারণত, সোনা কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনেন। এটাই নিয়ম খাঁটি সোনা চেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে, আপনার সোনা সত্যিই খাঁটি।

৩। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্স রে করিয়ে নিন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করে নেওয়াটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সূযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও একবার চেষ্টা করে নেবেন, যাতে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার সোনাকে যাচাই করে নিতে পারেন।

read more
জাতীয় সংবাদ

আকাশসীমায় নিরাপত্তা দিতে যে ১৬টি সর্বাধুনিক এয়ারক্রাফট কিনছে বাংলাদেশ

Untitled-1 copy

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী আরো শক্তিশালী করতে যুক্ত হচ্ছে নতুন যুদ্ধবিমান। বিমানবাহিনীতে সর্বাধুনিক সংযোজন রাশিয়ার কমব্যাট ট্রেনার এয়ারক্রাফট ইয়াকভলেভ ইয়াক-১৩০। রাশিয়া থেকে ১৬টি ইয়াক-১৩০ কিনছে সরকার।

 

 

 

রাশিয়ার সরকারি হাইটেক কোম্পানি রোজবোর্ন এক্সপোর্টের (রোস্টেক) সের্গেই শেমেজভ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে প্রথম দফায় ছয়টি ইয়াক-১৩০ হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১০টি ২০১৭ সালের মধ্যেই হস্তান্তর করা হবে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষায় নতুন বর্মের অবতারণা ঘটল।

 

 

 

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অঙ্গপ্রজাতন্ত্র, বর্তমানে স্বাধীন রুশ স্যাটেলাইটগুলি ছাড়া আলজেরিয়ার পর বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসাবে রাশিয়ার কাছ থেকে ইয়াক-১৩০ যুদ্ধবিমান কিনল। এই মহড়া জঙ্গিবিমান কেনার জন্য লিবিয়ার সাবেক শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি একটি চুক্তি করলেও তাঁর পতনের পর লিবিয়ার জাতিসংঘ অনুমোদিত সৌদি সহায়তাপুষ্ট সরকার সেই চুক্তি বাতিল করে দেয়।

 

২০১৩ সালের মার্চে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিমান মহড়ার প্রদর্শনী ‘লিমা-২০১৩’-তে অংশ নিয়ে রাশিয়ার কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য ২৪টি ইয়াক-১৩০ বিমান কেনার তথ্য প্রথম সংবাদ মাধ্যমকে জানান রাশিয়ার রোসবোর্ন এক্সপাোর্টের প্রধান ভিক্তর কোমারদিন।

 

 

বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে, বাংলাদেশের আকাশসীমায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে রাশিয়া থেকে প্রথমে ২৪টি ইয়াক-১৩০ কেনার পরিকল্পনা হলেও পরে সেই সংখ্যা ২৪ থেকে কমিয়ে ১৬-তে নামিয়ে আনা হয়। কারণ খরচ পোষাচ্ছিল না। যে কটা কেনার সিদ্ধান্ত আপাতত নেওয়া হয়েছে তাতেই সব মিলিয়ে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। হিসাবমতো এক একটি ইয়াক-১৩০-এর দাম পড়ছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। অবশ্য এই কেনাকাটার প্রায় পুরোটাই নামমাত্র সুদে ঋণ হিসাবে দিচ্ছে ক্রেমলিন। বাংলাদেশকে নগদে শোধ করতে হচ্ছে মাত্র ১০ শতাংশ।

 

 

 

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী আরো শক্তিশালী করতে যুক্ত হচ্ছে নতুন যুদ্ধবিমান। বিমানবাহিনীতে সর্বাধুনিক সংযোজন রাশিয়ার কমব্যাট ট্রেনার এয়ারক্রাফট ইয়াকভলেভ ইয়াক-১৩০। রাশিয়া থেকে ১৬টি ইয়াক-১৩০ কিনছে সরকার।

রাশিয়ার সরকারি হাইটেক কোম্পানি রোজবোর্ন এক্সপোর্টের (রোস্টেক) সের্গেই শেমেজভ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে প্রথম দফায় ছয়টি ইয়াক-১৩০ হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১০টি ২০১৭ সালের মধ্যেই হস্তান্তর করা হবে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষায় নতুন বর্মের অবতারণা ঘটল।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অঙ্গপ্রজাতন্ত্র, বর্তমানে স্বাধীন রুশ স্যাটেলাইটগুলি ছাড়া আলজেরিয়ার পর বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসাবে রাশিয়ার কাছ থেকে ইয়াক-১৩০ যুদ্ধবিমান কিনল। এই মহড়া জঙ্গিবিমান কেনার জন্য লিবিয়ার সাবেক শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি একটি চুক্তি করলেও তাঁর পতনের পর লিবিয়ার জাতিসংঘ অনুমোদিত সৌদি সহায়তাপুষ্ট সরকার সেই চুক্তি বাতিল করে দেয়।

 

২০১৩ সালের মার্চে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিমান মহড়ার প্রদর্শনী ‘লিমা-২০১৩’-তে অংশ নিয়ে রাশিয়ার কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য ২৪টি ইয়াক-১৩০ বিমান কেনার তথ্য প্রথম সংবাদ মাধ্যমকে জানান রাশিয়ার রোসবোর্ন এক্সপাোর্টের প্রধান ভিক্তর কোমারদিন।

বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে, বাংলাদেশের আকাশসীমায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে রাশিয়া থেকে প্রথমে ২৪টি ইয়াক-১৩০ কেনার পরিকল্পনা হলেও পরে সেই সংখ্যা ২৪ থেকে কমিয়ে ১৬-তে নামিয়ে আনা হয়। কারণ খরচ পোষাচ্ছিল না। যে কটা কেনার সিদ্ধান্ত আপাতত নেওয়া হয়েছে তাতেই সব মিলিয়ে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। হিসাবমতো এক একটি ইয়াক-১৩০-এর দাম পড়ছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। অবশ্য এই কেনাকাটার প্রায় পুরোটাই নামমাত্র সুদে ঋণ হিসাবে দিচ্ছে ক্রেমলিন। বাংলাদেশকে নগদে শোধ করতে হচ্ছে মাত্র ১০ শতাংশ।

 

 

 

read more
জাতীয় সংবাদ

পরিস্থিতি ভয়াবহ, নির্বাচন হবে কি না সংশয় আছে: এরশাদ

Untitled-1 copy

বিশেষ প্রতিনিধি:
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ভয়াবহ এমনটি বলেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে কি না এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি। এরশাদ বলেন, দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ। আগামী নির্বাচন হবে কি না সংশয়ে আছি। আগামী নির্বাচন হলে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসবে।

 

 

 

 

 

আমি যখন ক্ষমতায় ছিলাম দেশের মানুষ তখন সুখে-শান্তিতে ছিল। এখন আর মানুষ শান্তিতে নেই। দেশের কোথাও স্বস্তি নেই। মানুষ আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা প্রবেশ করেছে। আমরা তাদেরকে মানবিকভাবে স্থান দিয়েছি। তবে সরকারের উচিত খুব দ্রুত তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া। তাদেরকে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।

শনিবার রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে পার্টির গাজীপুরের কালীগঞ্জ শাখার নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ সংশয়ের কথা জানান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী, আজম খান এবং জাতীয় পার্টি কালীগঞ্জ শাখার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিই দেশে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ ও সুশাসন নিশ্চিত করতে পারবে বলেও মন্তব্য করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।
এরশাদ বলেন, দেশের রাজনীতি অত্যন্ত ঘোলাটে। নির্বাচনে যদি বিএনপি আসে তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে। জানমালের নিরাপত্তা থাকবে না। মানুষ পরিবর্তন চায়, কিন্তু পরিবর্তন মানে বিএনপি নয়।

 

 

 

 

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মিলিটারি থেকে যারা রাজনীতিতে আসে, তাদের টিকতে দেওয়া হয় না; মেরে ফেলা হয় কিংবা নির্বাসিত করা হয়। আমি বেঁচে আছি, দেশে আছি এবং রাজনীতি করছি। এটা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এর কারণ- আমাদের উপর দায়িত্ব দিয়েছেন আল্লাহপাক। দেশকে, দেশের মানুষকে একটি সুন্দর আগামীতে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব। এই দায়িত্ব যদি পালন না করতে পারি, আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। মনে রেখ, দেশে দল থাকবে দুটি- আওয়ামীলীগ এবং জাতীয় পার্টি।

 

 

এরশাদ বলেন, ক্ষমতায় নেওয়ার মালিক আল্লাহপাক। এটা আমরা ভুলি না, ওরা (বিএনপি) ভুলে যায়।
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশে ফিরিয়ে নিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ওরা আমাদের দেশের নাগরিক নয়, ওদেরকে নিজেদের দেশে ফেরত যেতে হবে। কিন্তু ভয় হয়, ওরা দেশে ফিরলে আবার তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবে কিনা। তাই আমার মতে, এ বিষয়টিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা

 

 

 

 

 

read more
জাতীয় সংবাদ

সাবাস বাংলাদেশ সেনাবাহিনী !!এক দিনেই সব সমস্যার সমাধান(দেখুন ভিডিওতে)

Untitled-1 copy

সাবাস বাংলাদেশ সেনাবাহিনী !!এক দিনেই সব সমস্যার সমাধান(দেখুন ভিডিওতে)

 

 

 

সাবাস বাংলাদেশ সেনাবাহিনী !!এক দিনেই সব সমস্যার সমাধান(দেখুন ভিডিওতে)

 

 

 

ভিডিওটি দেখুন নিচে……

 

 

 

 

 

 

 

 

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

 

অন্নরা যা পড়ছে……..

 

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে যা বললেন সুচি

 

 

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সেনাবাহিনীর হত্যা-নির্যাতনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া যে কোনো সময়েই শুরু করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির নেত্রী অং সান সুচি।

তবে তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন, যে কোনো সময়ে এ প্রক্রিয়া শুরু করার মানে এই নয় যে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যাবে।

রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে দীর্ঘ সময় চুপ থাকার পর মঙ্গলবার এ বিষয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সুচি।

এর একদিন পর বুধবার জাপানের নিকি এশিয়ান রিভিউ পত্রিকাকে এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত কথা বলেন তিনি।

শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে সুচি বলেন, ফিরিয়ে নেয়ার কাজ আমরা যে কোনো সময়ে শুরু করতে পারি। কারণ এটি নতুন কিছু নয়। এর আগে ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার সরকার যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিয়েছিল। কাজেই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টি নতুন কিছু নয় এবং বাংলাদেশ সরকারও এ ব্যাপারে একমত রয়েছে।

শরণার্থীদের ফেরতের প্রক্রিয়ার দিনক্ষণের বিষয়ে তিনি বলেন, ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া যে কোনো মুহূর্তেই শুরু হতে পারে। আর কখন শুরু হবে তা বাংলাদেশ সরকার এবং আমাদের ওপর নির্ভর করছে। বাংলাদেশ যতক্ষণ আগ্রহী না হবে, ততক্ষণ আমরা কোনো প্রক্রিয়া শুরু করব না।

গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে রোহিঙ্গা অধিকারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যরা। এরপর থেকে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের লক্ষ্য করে সেনা অভিযানের নামে হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগ করছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এ অবস্থায় প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় সোয়া চার লাখ রোহিঙ্গা। শরণার্থীদের আগমন এখনো অব্যাহত রয়েছে।

তবে ১৯ সেপ্টেম্বর জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে সুচি দাবি করেন, ৫ সেপ্টেম্বরের পর থেকে রাখাইনে অভিযান বন্ধ রয়েছে। কিন্তু এরপরও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশে আগমন অব্যাহত রয়েছে এবং রোহিঙ্গা গ্রামে অগ্নিসংযোগ চলছে।

সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুচি বলেন, কেন শরণার্থীদের পালানো এবং অগ্নিসংযোগ অব্যাহত রয়েছে তার কারণ জানতে সরকারকে এর প্রেক্ষাপট জানতে হবে। বিপুল রোহিঙ্গা শরণার্থী কেন আসছে, তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করছে মিয়ানমার সরকার।

সুচি বলেন, আমরা আসলেই জানতে চাই। কারণ গত কয়েক সপ্তাহে ব্যাপকসংখ্যক মানুষ চলে গেছে। সেনা অভিযান ৫ সেপ্টেম্বর থেকে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তাই আমি বিস্মিত হচ্ছি যে, এরপরও কেন মানুষ চলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, হতে পারে যে তারা প্রতিশোধের শিকার হওয়ার ভয় পাচ্ছে-এটি একটি কারণ হতে পারে। আমি সত্যিই জানতে আগ্রহী। কারণ আমরা এ পরিস্থিতির প্রতিকার করতে চাই, আমাদের জানতে হবে কেন এবং সর্বপ্রথম কীভাবে সব সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল।

এই সেনা অভিযানকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধন’ আখ্যা দিয়েছে। প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ রোহিঙ্গা গণহত্যার জন্য মিয়ানমারকে দোষী সাব্যস্ত করেছে।

এসব বিষয়ে তিনি বলেন, যদি আপনি আইনের শাসনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কাজ করতে চান, তা হলে আপনার কাছে যথাযথ প্রমাণ থাকতে হবে, গ্রহণযোগ্য প্রমাণ থাকতে হবে; শুধু গুজবের ওপর নির্ভর করলে হবে না বা কোনো কিছুকে প্রমাণ মনে করলেই হবে না। এসব প্রমাণকে আদালতেও গ্রহণযোগ্য হতে হবে।

জাতিসংঘসহ বিশ্বনেতাদের অভিযোগ, সুচি সেনাবাহিনীকে জাতিগত নিধন অভিযানে সমর্থন দিচ্ছেন। অভিযান নিয়ে তিনি টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণেও মিথ্যাচার করেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে সুচি বলেন, আসলে কোনো কিছুই অবাক করার মতো নয়। কারণ মতামত পরিবর্তিত হয়, অন্য সব মতামতের মতোই বিশ্ব মতামতও বদলে যায়।

এশীয় ও পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ মিয়ানমারের বিষয়ে যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তার বিষয়ে তিনি বলেন, যেসব দেশ নিজেরা সন্ধিক্ষণের মধ্য দিয়ে দিন পার করেছে, তারা সেসব দেশের চেয়ে ভালো বুঝতে পারে; যারা কখনোই এমন প্রক্রিয়ার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায়নি।

রোহিঙ্গা সংকট ঘিরে আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে মিয়ানমার আরও বেশি চীনের প্রতি ঝুঁকে পড়তে পারে কিনা জানতে চাইলে সুচি বলেন, আমরা বিশ্বের সব দেশের সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব।

এদিকে সংকট সমাধানে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে মিয়ানমার সরকার গঠিত কমিশন রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি ও অন্যদের মতোই অধিকার প্রদানসহ যেসব সুপারিশ করেছে তা বাস্তবায়ন নিয়ে গড়িমসির ইঙ্গিত দিয়েছেন সুচি।

তিনি বলেন,এটি খুবই ভালো এবং প্রশংসাযোগ্য একটি প্রতিবেদন। কফি আনান যতটা সম্ভব নিরপেক্ষ ও ভারসাম্য বজায় রাখতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু প্রতিবেদনের কিছু তথ্য পুরোপুরিই সঠিক নয়, তা আমরা চিহ্নিত করেছি এবং কমিশন কিছু তথ্য সংশোধনের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।

এদিকে রাখাইনে সহিংসতার কারণে সৃষ্ট সংকট মিয়ানমারের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন অং সান সুচি।

তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকার অর্থনৈতিক সংস্কারে পদক্ষেপ নিচ্ছে। বিশেষ করে কৃষি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে জোর দিচ্ছে। দারিদ্র্য দূর করতে এ ধরনের আর্থিক সংস্কার প্রয়োজন। দারিদ্র্যের কারণেই চরমপন্থার সৃষ্টি হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাখাইনের সমস্যার ফলে মিয়ানমারে বিদেশি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও উদ্বেগ জানান সুচি।

তিনি বলেন,অবশ্যই কিছু প্রভাব পড়তে পারে বলে আমরা সচেতন রয়েছি। তবে আমি মনে করি না যে এ নিয়ে অযৌক্তিক দুশ্চিন্তার কোনো কারণ রয়েছে। যেসব উন্নয়ন বিনিয়োগের সম্ভাবনায় প্রভাব রাখছে তা বিবেচনায় না নেয়াটা বোকামি হবে। আমাদের একই সময়ে সব কিছু নিয়ে কাজ করতে হবে- এটিই সরকারের কাজ। বাইরের যারা রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে আগ্রহী, তারা শুধু এটিই ফোকাস করবে। কিন্তু আমাদের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, উন্নয়ন ও শান্তি প্রক্রিয়াসহ গোটা দেশ নিয়ে চলতে হয়। আর সব ক্ষেত্রে যেন ভালো করা যায় তার ওপর আমাদের নজর রয়েছ

read more
জাতীয় সংবাদ

যে ১০ কারণে নোবেল পেতে পারেন শেখ হাসিনা

Untitled-1 copy

আগামী ৬ অক্টোবর নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ঘোষিত হবে নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০১৭। নানা বিতর্ক এবং রাজনীতিকরণের পরও নোবেল শান্তি পুরস্কার এখনো বিশ্বে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার।

 

 

 

 

সারা বিশ্ব তাকিয়ে থাকে, কে এই পুরস্কার পাচ্ছেন তা দেখবার জন্য। এ বছর নানা কারণেই নোবেল শান্তি পুরস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলফ্রেড নোবেলের উইল অনুযায়ী বিদায়ী বছরে যিনি সামরিক শক্তি অবলুপ্ত করার ক্ষেত্রে সম্প্রদায় এবং জাতিসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো কাজ করেছেন এবং যিনি শান্তির সম্মিলনের উদ্যোক্তা এবং বিকাশ করার জন্য অবদান রেখেছেন। যদিও আশির দশক থেকেই বিশ্ব শান্তির নানামাতৃক বিচার বিবেচনা সামনে এসেছে। এ কারণে ক্ষুদ্র ঋণ থেকে শুরু করে শিশু অধিকারের জন্য কাজ করার স্বীকৃতি হিসেবেও নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম বিশ্ব গণমাধ্যমে এসেছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি বিশ্ব বিবেকের কণ্ঠস্বর হিসেবে এসেছেন। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে নোবেলজয়ী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ,গবেষক ও শান্তিকামী বিশ্ব ব্যাক্তিত্বরা মনে করছেন ১০ টি কারণে শেখ হাসিনার এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত। তাদের মতামতগুলোকে একত্রিত করে, ১০ টি কারণ এখানে উল্লেখ করা হলো:

১. রোহিঙ্গা ইস্যু: নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ হয়েও বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৮ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। মিয়ানমার সরকারের সামরিক উসকানির বিপরীতে তিনি শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক পথ গ্রহণ করেছেন। এটা আলফ্রেড নোবেলের উইলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

২. ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’: শেখ হাসিনার বিশ্বশান্তির দর্শন ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’। এই বিশ্বশান্তির দর্শন ২০১২ সালে জাতিসংঘে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে। এই দর্শনে বৈষম্য হ্রাস এবং অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথনকশা দেওয়া হয়েছে।

৩. সেনাবাহিনীকে রাজনীতি মুক্তকরণ: শেখ হাসিনা সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে অবৈধ পন্থায় সেনা ক্ষমতা দখলের পথ চিরতরে বন্ধ করেছেন। যে দেশটির দুজন রাষ্ট্রপ্রধান অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের হাতে নিহত হয়েছে, যে দেশে অন্তত ৫ বার সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতার হাত বদল হয়েছে, সেই দেশে ক্যুদেতাকে রাষ্ট্রদ্রোহীতা হিসেবে চিহ্নিতকরণ এবং সাংবিধানিক বিধান এক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের বিজয়।

৪. জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন: বর্তমান বিশ্বের শান্তির অন্যতম প্রধান শত্রু হলো জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ। জঙ্গি দমনে সারা বিশ্বের রোল মডেল হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ হোলি আর্টিজানে নারকীয় সন্ত্রাসী হামলার পর জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে শান্তিপূর্ণ পন্থায় জঙ্গিবাদ মোকাবেলা, সারা বিশ্বের জন্য অনুকরণীয়।

৫. বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স: ভারতের বিচ্ছিন্নবাদীদের জন্য বাংলাদেশ ছিল অভয়ারণ্য। এখানে তারা সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে ভারতে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দিতো। শেখ হাসিনা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেন। শান্তি বিকাশে এটি একটি অন্যন্য অর্জন।

৬. রাজনৈতিক সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদ বন্ধ: বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও সহিংসতা ছিল একটি প্রধান সমস্যা। প্রতিবছর এই ধরনের সহিংসতায় অন্তত দুই হাজার মানুষ প্রাণ হারাতো বলে অ্যমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মনে করে। ২০১৫ সাল থেকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতায় বাংলাদেশ রাজনৈতিক সন্ত্রাস মুক্ত হয়েছে। হরতাল, জ্বালাও পোড়াও এর মত সহিংস রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রায় বন্ধ হয়েছে।

৭. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার: একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা গণহত্যা, নারী নিপীড়ন, লুটপাট এবং অগ্নি সংযোগের সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের বিচার শেখ হাসিনার শান্তি মিশনের একটি বড় অর্জন। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িতদের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে ন্যয় বিচার নিশ্চিত করা- শান্তির পক্ষেই এক পদযাত্রা। এটা সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস।

৮. শান্তিপূর্ণ পন্থায় সমুদ্র সীমা নির্ধারণ : সমুদ্র সীমা নিয়ে দেশে দেশে যুদ্ধ নতুন নয়। বিশ্বশান্তির জন্য এটি একটি চিরস্থায়ী হুমকি। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত এবং মিয়ানমারের সমুদ্র সীমা বিরোধ ছিল দীর্ঘদিনের। শেখ হাসিনা সামরিক পন্থায় না গিয়ে আন্তজার্তিক আদালতের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই বিরোধ নিস্পত্তি করেন। সারা বিশ্বের জন্য এটি একটি ভালো দৃষ্টান্ত।

৯. ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত সমস্যা স্বাধীনতার পর থেকে। বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং ইন্দিরা গান্ধী ছিটমহল চুক্তি করলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। শেখ হাসিনা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ছিটমহল বিনিময় চুক্তি বাস্তবায়ন করেন এটিও বিশ্বশান্তির এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

১০.শান্তির সৈনিক সেনাবাহিনী: সেনাবাহিনীর প্রধান কাজ দেশ রক্ষা করা – এটাই বিশ্বে প্রচলিত রীতি। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতার সেবা, দূর্গতদের সহায়তার কাজে ব্যবহার করা শুরু করেছেন। বন্যায়, দুর্যোগে, এমনকি রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ত্রাণ বিতরনেও কাজে লাগানো হচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে। যুদ্ধ নয় শান্তির শ্বেত পতাকা বাহক হিসেবে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নতুন পরিচয় দিয়েছেন।

 

 

 

 

 

read more
জাতীয় সংবাদ

ছাত্রলীগের দুগ্রুপের লাইভ কোপাকুপি দেখুন! ভয়ঙ্কর ভিডিও!

Untitled-1 copy

ছাত্রলীগের দুগ্রুপের লাইভ কোপাকুপি দেখুন! ভয়ঙ্কর ভিডিও!

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আমি জানি প্রণয়া কেন অন্য দিকে তাকিয়ে আছে। আসলে ওর চোখ এখন ভিজে আছে আর তার কারণ এই “প্রণয়া” নামটা। কারণ এই নামটা আমার দেওয়া। ওকে ভালোবেসে দিয়েছিলাম নামটা।

– শুনেছি তুমি জিপিএ-৫ পেয়েছো, কংগ্রাচুলেশনস।
– তুমি তো গোল্ডেন পেয়েছো। কংগ্রাচুলেশনস টু & থ্যাংকস শুভ।
– তোমার গান কেমন চলছে? বহুদিন তোমার গান শুনিনি।
– হ্যাঁ গান ভালোই চলছে, তোমার লেখালেখি ও তো দারুণ চালাচ্ছো শুভ।
– তুমি আমার লেখা পড়।
– তোমার লেখায় এখনো প্রণয়া নামটা কি না দিলেই নয়? নাকি নতুন যে জিএফ হয়েছে তাকেও প্রণয়া বলেই ডাকো।
– হাহাহা
-হাসছো যে?
– না, তোমার কথা শুনে। প্রণয়া শুধু তুমিই। নতুন কাউকে পুরোনো নাম কেনো দিতে যাবো।
-হ্যাঁ তাইতো। সেই নামটা মেই বি আরও রোমান্টিক??

উত্তর দিলাম না। তার চোখের দিকে তাকালাম। এখনো অভিমানী চোখে তাকে সেই বাচ্চাটাই লাগে। তার গুলু গুলু গাল গুলা আগে মতোই আমাকে যেন টিপে দেওয়ার জন্য ইশারা করা। তাকের নাকের ভাঁজ, কুঁচকানো ভ্রু তার সৌন্দর্যকে শতশত গুণে বাড়িতে দেয়। তার জোড়া লেগে থাকা ওষ্ঠ প্রকৃতির মলিনতাকেও হার মানায়।
না চোখটা সরিয়ে নিল। এভাবে তাকানো উচিত হয় নি একটুও। এখন তো আর সে আমার না। তারপর অণেক্ষণ নিরবতা।

 

 

 

 

 

 

 

প্রায় ঘণ্টা খানেক পর

-শুভ, এখনো রাত জেগে দেরি করে ওঠো।
-হ্যাঁ, অভ্যাসটা থেকেই গেছে।
-ওহ, তোমার জিএফ মনে হয় আমার মতো তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে তোমার মন খারাপ করেও দেয় না এবং সকালে উঠে তোমার ঘুমের ডিস্টার্ব ও করে না, না?
– হ্যাঁ, প্রণয়া। আমাকে কেউ আর কষ্টও দেয় নে, আর ডিস্টার্বও করে না। ভালোই আছি। তোমার বিএফ এর কি খবর?
-হ্যাঁ, খুব ভালো। জানো, ও খুব স্মার্ট। খুব কেয়ার করে। (কান্নাজড়িত কণ্ঠ)
– যাক তোমার যোগ্য কাউকেও পেয়েছো। আমিই খালি একা হয়ে থাকলাম।
-একা? কেন তোমার জিএফ?
কোনো এক ঝোকে পড়ে আর সহ্যই হল না। বলেই দিতাম যে তাকে এখনো ভালোবাসি, তাকে নিয়েই স্বপ্ন দেখি। কিন্তু সেই মুহুর্তেই টিকিট চেইক করতে আসছে। ” আপু আপনার টিকিট?” তাতে ২ জনই নিজেদের গুছিয়ে নিলাম। আবার নিরবতা। অণেক্ষণ পর ফোনে একটা ম্যাসেজ আসলো প্রণয়ার। আমার চোখ পরলো তার স্ক্রিনে। ওয়ালপেপারে আমার ছবি। চমকিয়ে উঠলাম তারমানে এখনো আমায় ভালোবাসে যেমন বাসি আমি। তাড়াতাড়ি ফোন অফ করলো প্রণয়া। আমিও বুঝতে দিলাম না যে আমি দেখে ফেলছি। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিলো জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে বলি প্রণয়া তুমি শুধু আমার। আজও ভালোবাসি তোমায়। নিজেকে সংযত করলাম। তারপর অনেক চেষ্টাতেও না পেরে তার ডান হাতের কণিষ্ঠা আঙ্গুলের ভেতরে আমার বাম হাতে কণিষ্ঠা আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলাম। সে চমকিয়ে আমার দিকে তাকালো ,যেমন ভাবে তাকিয়েছিল তাকে প্রথম যেদিন ভালোবাসি বলেছিলাম সেদিন। তাকানীতে ভয় এবং ভালোবাসার সংমিশ্রণ। দারুণ লাগছে তাকে। ইচ্ছে করে তাকিয়ে থাকি অনন্তকাল। আমিও পকেট থেকে ফোন বের করলাম। তাকে দেখালাম আমার ওয়ালপেপার। সে তা দেখে পাথর হয়ে গেল। তার শরীরে একটা অংশও আর থামছে না। শুধু চোখ বদলাচ্ছে। এখন ছলছল করছে তার চোখ। মেঘ এসেছে তার চোখে। নামবে বৃষ্টি। নামলে নামুক আজ। বৃষ্টি পরুক তার সেই গুলু গুলু গালে। এই সূযোগে না হয় একটু টিপে দিব। তবে এবার আর তাকে হারাবো না। হারিয়ে যেতে দেব না

 

 

 

 

প্রায় ঘণ্টা খানেক পর

-শুভ, এখনো রাত জেগে দেরি করে ওঠো।
-হ্যাঁ, অভ্যাসটা থেকেই গেছে।
-ওহ, তোমার জিএফ মনে হয় আমার মতো তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে তোমার মন খারাপ করেও দেয় না এবং সকালে উঠে তোমার ঘুমের ডিস্টার্ব ও করে না, না?
– হ্যাঁ, প্রণয়া। আমাকে কেউ আর কষ্টও দেয় নে, আর ডিস্টার্বও করে না। ভালোই আছি। তোমার বিএফ এর কি খবর?
-হ্যাঁ, খুব ভালো। জানো, ও খুব স্মার্ট। খুব কেয়ার করে। (কান্নাজড়িত কণ্ঠ)
– যাক তোমার যোগ্য কাউকেও পেয়েছো। আমিই খালি একা হয়ে থাকলাম।
-একা? কেন তোমার জিএফ?
কোনো এক ঝোকে পড়ে আর সহ্যই হল না। বলেই দিতাম যে তাকে এখনো ভালোবাসি, তাকে নিয়েই স্বপ্ন দেখি। কিন্তু সেই মুহুর্তেই টিকিট চেইক করতে আসছে। ” আপু আপনার টিকিট?” তাতে ২ জনই নিজেদের গুছিয়ে নিলাম। আবার নিরবতা। অণেক্ষণ পর ফোনে একটা ম্যাসেজ আসলো প্রণয়ার। আমার চোখ পরলো তার স্ক্রিনে। ওয়ালপেপারে আমার ছবি। চমকিয়ে উঠলাম তারমানে এখনো আমায় ভালোবাসে যেমন বাসি আমি। তাড়াতাড়ি ফোন অফ করলো প্রণয়া। আমিও বুঝতে দিলাম না যে আমি দেখে ফেলছি। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিলো জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে বলি প্রণয়া তুমি শুধু আমার। আজও ভালোবাসি তোমায়। নিজেকে সংযত করলাম। তারপর অনেক চেষ্টাতেও না পেরে তার ডান হাতের কণিষ্ঠা আঙ্গুলের ভেতরে আমার বাম হাতে কণিষ্ঠা আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলাম। সে চমকিয়ে আমার দিকে তাকালো ,যেমন ভাবে তাকিয়েছিল তাকে প্রথম যেদিন ভালোবাসি বলেছিলাম সেদিন। তাকানীতে ভয় এবং ভালোবাসার সংমিশ্রণ। দারুণ লাগছে তাকে। ইচ্ছে করে তাকিয়ে থাকি অনন্তকাল। আমিও পকেট থেকে ফোন বের করলাম। তাকে দেখালাম আমার ওয়ালপেপার। সে তা দেখে পাথর হয়ে গেল। তার শরীরে একটা অংশও আর থামছে না। শুধু চোখ বদলাচ্ছে। এখন ছলছল করছে তার চোখ। মেঘ এসেছে তার চোখে। নামবে বৃষ্টি। নামলে নামুক আজ। বৃষ্টি পরুক তার সেই গুলু গুলু গালে। এই সূযোগে না হয় একটু টিপে দিব। তবে এবার আর তাকে হারাবো না। হারিয়ে যেতে দেব না

 

 

 

 

 

read more
জাতীয় সংবাদ

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির আদেশ জারী সরকারী চালাকি, ছুটিতে যাচ্ছেন না সিনহা

Untitled-1 copy

বিদেশে বা ছুটিতে যাচ্ছেন না প্রধান বিচারপতি সিনহা,৯৭ অনুচ্ছেদ দেখিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির আদেশ জারী ছিল সরকারী চালাকি!

 

 

 

 

 

প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা ১০ সেপ্টেম্বর থেকে বিদেশ সফরে যাচ্ছেন না। যদিও গতকাল রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতে বিচারপতি ওয়াহহাব মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দিয়ে আদেশ জারী করা হয়েছে, কিন্তু বিচারপতি সিনহা জানিয়েছেন, অনেকে আগে তিনি বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছার কথা বঙ্গভবনকে জানিয়েছিলেন। কিন্ত এখন আর যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

 

 

 

 

বঙ্গভবনের একটি সুত্র জানায়, প্রধান বিচারপতির বর্তমান ইচ্ছার কথা তার অফিস থেকে বঙ্গভবনকে অবহিত করা হলে জবাবে বঙ্গভবন জানায়, যেহেতু গেজেট জারী হয়ে গেছে, তখন বিচারপতি সিনহার বিদেশে যাওয়াই উচিত! তবে বিচারপতি সিনহা যাবেন না।

 

 

 

 

এ নিয়ে বিডিপলিটিকো গতকাল রিপোর্ট করে, “১০ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার কানাডা ও জাপান যাওয়ার কথা ছিল। ইতোমধ্যে সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপীল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি ওয়াহহাব মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন রাষ্ট্রপতি হামিদ।

 

 

 

জানা যায়নি এই উছিলায় প্রধান বিচারপতি সিনহাকে ফোর্স ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে কিনা? এমনকি সিনহা বাবু এখনও ‍বিদেশে যাবেন কি না, সেটিও পরিস্কার জানা যায়নি।” তাছাড়া প্রধান বিচারপতি বিদেশে গেলে সরকারের পাঠানো আততায়ীর হাতে নিহত হতে পারেন, এমন আশংকা প্রকাশ করা হয়েছিল।

 

 

 

 

বিচারপতি সিনহাকে রাষ্ট্রপতি হামিদ জোর করে ছুটিতে পাঠাতে চাইছিলো- সেই কথাই সত্য হলো। অর্থাৎ প্রধান বিচারপতি এবং সরকার তথা রাষ্ট্রপতির পাল্টাপাল্টি খেলা চলমান।

 

 

 

বিদেশে বা ছুটিতে যাচ্ছেন না প্রধান বিচারপতি সিনহা,৯৭ অনুচ্ছেদ দেখিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির আদেশ জারী ছিল সরকারী চালাকি!

 

 

 

 

 

প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা ১০ সেপ্টেম্বর থেকে বিদেশ সফরে যাচ্ছেন না। যদিও গতকাল রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতে বিচারপতি ওয়াহহাব মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দিয়ে আদেশ জারী করা হয়েছে, কিন্তু বিচারপতি সিনহা জানিয়েছেন, অনেকে আগে তিনি বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছার কথা বঙ্গভবনকে জানিয়েছিলেন। কিন্ত এখন আর যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

 

 

 

 

বঙ্গভবনের একটি সুত্র জানায়, প্রধান বিচারপতির বর্তমান ইচ্ছার কথা তার অফিস থেকে বঙ্গভবনকে অবহিত করা হলে জবাবে বঙ্গভবন জানায়, যেহেতু গেজেট জারী হয়ে গেছে, তখন বিচারপতি সিনহার বিদেশে যাওয়াই উচিত! তবে বিচারপতি সিনহা যাবেন না।

 

 

 

 

এ নিয়ে বিডিপলিটিকো গতকাল রিপোর্ট করে, “১০ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার কানাডা ও জাপান যাওয়ার কথা ছিল। ইতোমধ্যে সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপীল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি ওয়াহহাব মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন রাষ্ট্রপতি হামিদ।

 

 

 

জানা যায়নি এই উছিলায় প্রধান বিচারপতি সিনহাকে ফোর্স ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে কিনা? এমনকি সিনহা বাবু এখনও ‍বিদেশে যাবেন কি না, সেটিও পরিস্কার জানা যায়নি।” তাছাড়া প্রধান বিচারপতি বিদেশে গেলে সরকারের পাঠানো আততায়ীর হাতে নিহত হতে পারেন, এমন আশংকা প্রকাশ করা হয়েছিল।

 

 

 

 

বিচারপতি সিনহাকে রাষ্ট্রপতি হামিদ জোর করে ছুটিতে পাঠাতে চাইছিলো- সেই কথাই সত্য হলো। অর্থাৎ প্রধান বিচারপতি এবং সরকার তথা রাষ্ট্রপতির পাল্টাপাল্টি খেলা চলমান।

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
জাতীয় সংবাদ

রোহিঙ্গা নির্যাতনের বর্ণনা শুনে কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী

Untitled-1 copy

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন আয়েশা বেগম। তবে সেখানে মুখোমুখি হয়েছেন  জীবনের সবচেয়ে মর্মান্তিক দৃশ্যের। বার্মিজ  সেনাদের গুলিতে নিহত হন আয়েশা বেগমের স্বামী, বাবা ও ভাই।

দুই সন্তানকে নিয়ে কোনো রকমে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসেন তিনি। এরপর মিয়ানমারের মংডু খয়েরিপাড়ার এই রোহিঙ্গা নারী দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কাছে পেয়ে আয়েশা চোখের সামনে স্বজন হত্যার মতো নিজের জীবনের নির্মমতা তুলে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে গিয়ে এ সময় শেখ হাসিনাও নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে তিনি কেঁদে ফেলেন। সঙ্গে থাকা ছোট বোন রেহেনাও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। পরে দুই বোন আয়েশাকে সান্ত্বনা দেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

 

 

 

 

 

 

ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় আয়েশা ছাড়াও ১২ রোহিঙ্গা নারী-শিশু ও আহত পুরুষদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তারাও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে পরিবারের সদস্যদের করুণ মৃত্যুর বর্ণনা করেন।

তিনি ক্যাম্পের শরণার্থীদের সঙ্গে প্রায় চল্লিশ মিনিট কথা বলেন। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য দোভাষী নিয়োগ করেন, তাদের রাখাইনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শুনে বার বার অবেগপ্রবন হয়ে কেঁদে ফেলেন

 

 

 

 

 

 

এরপর প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্মিত মঞ্চে উঠে সবার উদ্দেশ্য বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানান।

প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের কোনো অন্যায় মেনে নেওয়া হবে না বলেও কড়া হুঁশিয়ারি দেন তিনি। যতদিন মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে পারবে না, ততদিন তাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনার সবাই সজাগ থাকবেন কেউ যেন সুযোগ নেয়ার চেষ্টা না করে।’

 

 

 

 

 

 

 

 

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন আয়েশা বেগম। তবে সেখানে মুখোমুখি হয়েছেন  জীবনের সবচেয়ে মর্মান্তিক দৃশ্যের। বার্মিজ  সেনাদের গুলিতে নিহত হন আয়েশা বেগমের স্বামী, বাবা ও ভাই।

দুই সন্তানকে নিয়ে কোনো রকমে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসেন তিনি। এরপর মিয়ানমারের মংডু খয়েরিপাড়ার এই রোহিঙ্গা নারী দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কাছে পেয়ে আয়েশা চোখের সামনে স্বজন হত্যার মতো নিজের জীবনের নির্মমতা তুলে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে গিয়ে এ সময় শেখ হাসিনাও নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে তিনি কেঁদে ফেলেন। সঙ্গে থাকা ছোট বোন রেহেনাও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। পরে দুই বোন আয়েশাকে সান্ত্বনা দেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

 

 

 

 

 

 

ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় আয়েশা ছাড়াও ১২ রোহিঙ্গা নারী-শিশু ও আহত পুরুষদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তারাও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে পরিবারের সদস্যদের করুণ মৃত্যুর বর্ণনা করেন।

তিনি ক্যাম্পের শরণার্থীদের সঙ্গে প্রায় চল্লিশ মিনিট কথা বলেন। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য দোভাষী নিয়োগ করেন, তাদের রাখাইনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শুনে বার বার অবেগপ্রবন হয়ে কেঁদে ফেলেন

 

 

 

 

 

 

এরপর প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্মিত মঞ্চে উঠে সবার উদ্দেশ্য বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানান।

প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের কোনো অন্যায় মেনে নেওয়া হবে না বলেও কড়া হুঁশিয়ারি দেন তিনি। যতদিন মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে পারবে না, ততদিন তাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনার সবাই সজাগ থাকবেন কেউ যেন সুযোগ নেয়ার চেষ্টা না করে।’

 

 

 

 

 

 

 

read more
জাতীয় সংবাদ

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হলো বাংলাদেশঃ ইন্টারনেট হবে আরো দ্রুতগতির, সুলভ

Untitled-18 copy

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চালু হল বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই স্টেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কলাপাড়া উপজেলার গোড়া আমখোলাপাড়ায় এই ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ইন্টারনেট পাবে বাংলাদেশ।

 

 

 

 

এর ফলে বাংলাদেশের টেলিকম কোম্পানিগুলোকে আর বিদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনতে হবে না বলে সরকার আশা করছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ উপস্থিত ছিলেন। আর কলাপাড়ায় ছিলেন শ্যাম সুন্দর সিকদার।

 

 

 

 

 

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নব্বইয়ের দশকে সাবমেরিন কেবল যখন প্রথম দক্ষিণ এশিয়ায় এল, তখন বিনা খরচে ওই কেবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ বাংলাদেশ হারিয়েছিল তখনকার বিএনপি সরকার প্রস্তাবটি নাকচ করে দেওয়ার কারণে।

 

 

 

 

 

 

কক্সবাজার দিয়ে আসা বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল দিয়ে পুরো বাংলাদেশের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না বলে আওয়ামী লীগ সরকারই দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আজ আমাদের সৌভাগ্য যে সেটা উদ্বোধন করতে পেরেছি।”

 

 

 

 

 

 

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাবমেরিন কেবল ‘সি-মি-ইউ-৪’ এ যুক্ত হয় ২০০৫ সালে, যার মাধ্যমে ২৫০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাচ্ছে।

 

 

 

 

 

সি-মি-ইউ-৪ ছাড়াও বাংলাদেশ ছয়টি বিকল্প সাবমেরিন কেবলের (আইটিসি বা ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল কেবল) সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

বাংলাদেশে ইন্টারনেটের চাহিদা ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এই ৪০০ জিবিপিএসের মধ্যে ১২০ জিবিপিএস এতদিন রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বিএসসিসিএলের মাধ্যমে আসছিল। বাকি ২৮০ জিবিপিএস আইটিসির ব্যান্ডউইডথ ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছিল।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

২০১৬ সালের শেষ নাগাদ দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেবল স্থাপনের কাজ শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়।

 

 

 

 

 

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেসিস) সম্প্রতি এ প্রকল্পের ট্রান্সমিশন লিংকের কাজ শেষ করে।

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল স্থাপনে ২০১১ সালের ডিসেম্বরে চুক্তি করে বাংলাদেশ, ব্যয় ধরা হয় ৬৬০ কোটি টাকা। এ কেবলের মেয়াদ হবে ২০ থেকে ২৫ বছর।

 

 

 

 

 

বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) কর্মকর্তারা বলছেন, দ্বিতীয় ল্যান্ডিং স্টেশন হওয়ায় এখন একটি স্টেশনে সমস্যা হলে আরেকটি দিয়ে কাজ চালানো যাবে।

 

 

 

 

এছাড়া ট্রান্সমিশন ব্যয় কম হবে বলে দক্ষিণাঞ্চলের অনেক জেলার মানুষ তুলনামূলক কম খরচে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সুবিধা পাবে।

এছাড়া অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করার পরিকল্পনার কথাও এর আগে জানিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

ছবিঃ সাইফুল ইসলাম কল্লোল

 

 

 

 

 

 

 

read more
1 2 3
Page 1 of 3