close

দেশের খবর

দেশের খবর

কুমিল্লা চন্দিনায় বাস খাদে পড়ে নারী-শিশু সহ ৭ জন নিহত!!

Untitled-1 copy

 

কুমিল্লা চন্দিনায় যাত্রাবাহী বাস খাদে পড়ে সাত জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছেন। এছাড়া আরো ১৫জন আহত হয়েছেন। তাবে তাৎক্ষনিকভাবে তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

রবিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নূরীতলা নামক স্থানে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

 

 

 

ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জীবন চন্দ্র হাজারি এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিশা পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহি বাস কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জ থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। নূরীতলা নামক স্থানে যাওয়া মাত্র নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়।

এ সময় ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। এছাড়া আরো কয়েকজন আহত হয়েছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে উদ্ধার কাজ চলছে। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

read more
দেশের খবর

ড্রাইভার কাকে বলে দেখুন! সত্যিই অবাক না হয়ে পারবেন না (ভিডিও)

Untitled-1 copy

 

ড্রাইভার কাকে বলে দেখুন! সত্যিই অবাক না হয়ে পারবেন না (ভিডিও)ড্রাইভার কাকে বলে দেখুন! সত্যিই অবাক না হয়ে পারবেন না (ভিডিও)ড্রাইভার কাকে বলে দেখুন! সত্যিই অবাক না হয়ে পারবেন না (ভিডিও)

ভিডিও নিচে আসবে একটু অপেক্ষা করুন <<

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ূনঃ-

জেনে নিন যে ৩টি উপায়ে খাঁটি সোনা চিনতে পারবেন ??

বিয়ে, জন্মদিন কিংবা যেকোনো উৎসবে নিজেকে সাজাতে নারীদের প্রথম পছন্দ হলো সোনার গহনা। তবে শুধুমাত্র নারীর অঙ্গশোভা বাড়াতে নয়- আভিজাত্য এবং সম্পদ সংরক্ষণে যুগ যুগ ধরেই প্রাধান্য পায় সোনা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

জেনে নিন খাঁটি সোনা চেনার উপায়-

 

১। সোনা কিনুন ২৪ ক্যারটের– ২৪ ক্যারট সোনাই আসল খাঁটি সোনা। ২৪ ক্যারট সোনা মানে ৯৯.৯% শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু দোকানে সাধারণত ২৪ ক্যারট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হয় না। তাতে সেই সোনার অলঙ্কার বড্ড নরম হয়ে যাবে। তাই দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি করা হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন যাতে ২২ ক্যারট সোনা দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট সোনা মানে ৯১.৬% শতাংশ সোনা।

২। BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন – সাধারণত, সোনা কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনেন। এটাই নিয়ম খাঁটি সোনা চেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে, আপনার সোনা সত্যিই খাঁটি।

৩। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্স রে করিয়ে নিন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করে নেওয়াটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সূযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও একবার চেষ্টা করে নেবেন, যাতে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার সোনাকে যাচাই করে নিতে পারেন।

read more
দেশের খবর

পদ্মা সেতুর কাজ কতটুকু হল , এই সেতু বাস্তবায়নের ফলে দেশের যে বিশাল পরিবর্তন আসবে (দেখুন ভিডিও)

Untitled-1 copy

 

 

পদ্মা সেতুর কাজ কতটুকু হল , এই সেতু বাস্তবায়নের ফলে দেশের যে বিশাল পরিবর্তন আসবে (দেখুন ভিডিও)পদ্মা সেতুর কাজ কতটুকু হল , এই সেতু বাস্তবায়নের ফলে দেশের যে বিশাল পরিবর্তন আসবে (দেখুন ভিডিও)

 

> ভিডিও নিচে আসবে একটু অপেক্ষা করুন <

 

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ূনঃ-

জেনে নিন যে ৩টি উপায়ে খাঁটি সোনা চিনতে পারবেন ??

বিয়ে, জন্মদিন কিংবা যেকোনো উৎসবে নিজেকে সাজাতে নারীদের প্রথম পছন্দ হলো সোনার গহনা। তবে শুধুমাত্র নারীর অঙ্গশোভা বাড়াতে নয়- আভিজাত্য এবং সম্পদ সংরক্ষণে যুগ যুগ ধরেই প্রাধান্য পায় সোনা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

জেনে নিন খাঁটি সোনা চেনার উপায়-

 

১। সোনা কিনুন ২৪ ক্যারটের– ২৪ ক্যারট সোনাই আসল খাঁটি সোনা। ২৪ ক্যারট সোনা মানে ৯৯.৯% শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু দোকানে সাধারণত ২৪ ক্যারট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হয় না। তাতে সেই সোনার অলঙ্কার বড্ড নরম হয়ে যাবে। তাই দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি করা হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন যাতে ২২ ক্যারট সোনা দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট সোনা মানে ৯১.৬% শতাংশ সোনা।

২। BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন – সাধারণত, সোনা কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনেন। এটাই নিয়ম খাঁটি সোনা চেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে, আপনার সোনা সত্যিই খাঁটি।

৩। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্স রে করিয়ে নিন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করে নেওয়াটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সূযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও একবার চেষ্টা করে নেবেন, যাতে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার সোনাকে যাচাই করে নিতে পারেন।

read more
দেশের খবর

বিশ্বের ভয়ানক শহরের তালিকা , জেনে নিন স্বপ্নের শহর ঢাকা কততম ??

Untitled-1 copy

 

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা জিপজেটের একটি রিপোর্ট করে বিশ্বের সব শহর গুলো নিয়ে। সেই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় বিশ্বের চাপে থাকা শহরগুলোর নাম। আর তাতে স্থান পায় ঢাকা।

 

 

বিশ্বের কম চাপের (হতাশা) নগরীর তালিকায় ১৫০টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৪৪তম। এর ফলে বিশ্বের ভয়ানক চাপের শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান সপ্তম। আর এশিয়ার শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা সবচেয়ে ভয়াবহ চাপের নগরী।

read more
দেশের খবর

ফেসবুকে জনপ্রিয়তা পেতে চলন্ত ট্রেনের নিচে কলেজছাত্র দেখুন (ভিডিও)

Untitled-1 copy

 

ফেসবুকে জনপ্রিয়তা পেতে চলন্ত ট্রেনের নিচে কলেজছাত্র দেখুন (ভিডিও)ফেসবুকে জনপ্রিয়তা পেতে চলন্ত ট্রেনের নিচে কলেজছাত্র দেখুন (ভিডিও)ফেসবুকে জনপ্রিয়তা পেতে চলন্ত ট্রেনের নিচে কলেজছাত্র দেখুন (ভিডিও)

 

ভিডিও নিচে আসবে একটু অপেক্ষা করুন <<

 

 

 

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ূনঃ-

জেনে নিন যে ৩টি উপায়ে খাঁটি সোনা চিনতে পারবেন ??

বিয়ে, জন্মদিন কিংবা যেকোনো উৎসবে নিজেকে সাজাতে নারীদের প্রথম পছন্দ হলো সোনার গহনা। তবে শুধুমাত্র নারীর অঙ্গশোভা বাড়াতে নয়- আভিজাত্য এবং সম্পদ সংরক্ষণে যুগ যুগ ধরেই প্রাধান্য পায় সোনা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

 

জেনে নিন খাঁটি সোনা চেনার উপায়-

 

 

 

১। সোনা কিনুন ২৪ ক্যারটের– ২৪ ক্যারট সোনাই আসল খাঁটি সোনা। ২৪ ক্যারট সোনা মানে ৯৯.৯% শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু দোকানে সাধারণত ২৪ ক্যারট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হয় না। তাতে সেই সোনার অলঙ্কার বড্ড নরম হয়ে যাবে। তাই দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি করা হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন যাতে ২২ ক্যারট সোনা দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট সোনা মানে ৯১.৬% শতাংশ সোনা।

২। BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন – সাধারণত, সোনা কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনেন। এটাই নিয়ম খাঁটি সোনা চেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে, আপনার সোনা সত্যিই খাঁটি।

৩। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্স রে করিয়ে নিন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করে নেওয়াটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সূযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও একবার চেষ্টা করে নেবেন, যাতে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার সোনাকে যাচাই করে নিতে পারেন।

read more
দেশের খবর

যে ভয়াবহ আশংকায় কবর থেকে তুলা হচ্ছে ৪০ ফুট লম্বা তিমিকে!

Untitled-1 copy

 

 

১৩ শত কিলোমিটার দূরে তাসমানিয়ায় জালে আটকা পড়েছিল তিমিটি। মারার যাবার পর তিমি মাছটির আকৃতির কারণে এটিকে সৈকতেই কবর দেয়া হয়।

বিপত্তি বাধে, তিমিটির লাশ অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে হবে—এই দাবী নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা হঠাৎই বিক্ষোভ শুরু করেন।

অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র সৈকতে কবর দেয়া ৪০ ফুট দীর্ঘ একটি তিমিকে কবর থেকে তোলা হয়েছে। গত সপ্তাহে নিউ সাউথ ওয়েলসে জেলেদের জালে আটকে আহত অবস্থায় ধরা পড়ে তিমিটি।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের আশংকা তিমির এই কবরের কারণে বছরের পর বছর ধরে ঐ সৈকতে হাঙ্গর হানা দেবে। তাতে বিপন্ন হবে সমুদ্রের তীর ঘিরে স্থানীয়দের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড।

 

 

তবে, কর্তৃপক্ষ এ আশংকা উড়িয়ে দিয়েছে, তাদের বক্তব্য এমন আশংকার কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও যেহেতু অনেক মানুষ এর বিপক্ষে, সে কারণে কর্তৃপক্ষ তিমিটিকে সরিয়ে নেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নোবি সৈকত সংলগ্ন তিন হাজারের বেশি বাসিন্দার দায়ের করা এক পিটিশনের প্রেক্ষাপটে শেষ পর্যন্ত সোমবার কর্তৃপক্ষ তিমিটির লাশ কবর থেকে উত্তোলন করতে বাধ্য হয়েছে। পুরাকীর্তি স্থাপনায় মাটি খোঁড়ার কাজে যেসব বিশাল যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, তেমন যন্ত্র কাজে লাগানো হয়েছে এক্ষেত্রে।

 

বিশাল তিমিটিকে কয়েক টুকরো করে কেটে সরিয়ে নেয়া হয়েছে তার মরদেহ। আর এ কাজে খরচ হয়েছে ৪০ হাজার মার্কিন ডলার অর্থাৎ টাকার অংকে ৩২ লক্ষ টাকা। তিমিটি ছিল হাম্পব্যাক জাতের। এই জাতের তিমি প্রতি বছর এন্টার্কটিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে থাকে। বিবিসি

read more
দেশের খবর

দেখুন বিশ্বের সেরা ১০টি বিমান দুর্ঘটনার , যা আপনাকে অবাক করে দিবে (ভিডিও)

Capture

দেখুন বিশ্বের সেরা ১০টি বিমান দুর্ঘটনার , যা আপনাকে অবাক করে দিবে (ভিডিও)দেখুন বিশ্বের সেরা ১০টি বিমান দুর্ঘটনার , যা আপনাকে অবাক করে দিবে (ভিডিও)দেখুন বিশ্বের সেরা ১০টি বিমান দুর্ঘটনার , যা আপনাকে অবাক করে দিবে (ভিডিও)

 

ভিডিও নিচে আসবে একটু অপেক্ষা করুন <<

 

 

 

 

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ূনঃ-

জেনে নিন যে ৩টি উপায়ে খাঁটি সোনা চিনতে পারবেন ??

বিয়ে, জন্মদিন কিংবা যেকোনো উৎসবে নিজেকে সাজাতে নারীদের প্রথম পছন্দ হলো সোনার গহনা। তবে শুধুমাত্র নারীর অঙ্গশোভা বাড়াতে নয়- আভিজাত্য এবং সম্পদ সংরক্ষণে যুগ যুগ ধরেই প্রাধান্য পায় সোনা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

জেনে নিন খাঁটি সোনা চেনার উপায়-

 

 

 

১। সোনা কিনুন ২৪ ক্যারটের– ২৪ ক্যারট সোনাই আসল খাঁটি সোনা। ২৪ ক্যারট সোনা মানে ৯৯.৯% শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু দোকানে সাধারণত ২৪ ক্যারট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হয় না। তাতে সেই সোনার অলঙ্কার বড্ড নরম হয়ে যাবে। তাই দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি করা হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন যাতে ২২ ক্যারট সোনা দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট সোনা মানে ৯১.৬% শতাংশ সোনা।

২। BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন – সাধারণত, সোনা কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনেন। এটাই নিয়ম খাঁটি সোনা চেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে, আপনার সোনা সত্যিই খাঁটি।

৩। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্স রে করিয়ে নিন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করে নেওয়াটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সূযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও একবার চেষ্টা করে নেবেন, যাতে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার সোনাকে যাচাই করে নিতে পারেন।

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ূনঃ-

জেনে নিন যে ৩টি উপায়ে খাঁটি সোনা চিনতে পারবেন ??

বিয়ে, জন্মদিন কিংবা যেকোনো উৎসবে নিজেকে সাজাতে নারীদের প্রথম পছন্দ হলো সোনার গহনা। তবে শুধুমাত্র নারীর অঙ্গশোভা বাড়াতে নয়- আভিজাত্য এবং সম্পদ সংরক্ষণে যুগ যুগ ধরেই প্রাধান্য পায় সোনা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

জেনে নিন খাঁটি সোনা চেনার উপায়-

 

 

 

১। সোনা কিনুন ২৪ ক্যারটের– ২৪ ক্যারট সোনাই আসল খাঁটি সোনা। ২৪ ক্যারট সোনা মানে ৯৯.৯% শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু দোকানে সাধারণত ২৪ ক্যারট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হয় না। তাতে সেই সোনার অলঙ্কার বড্ড নরম হয়ে যাবে। তাই দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি করা হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন যাতে ২২ ক্যারট সোনা দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট সোনা মানে ৯১.৬% শতাংশ সোনা।

২। BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন – সাধারণত, সোনা কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনেন। এটাই নিয়ম খাঁটি সোনা চেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে, আপনার সোনা সত্যিই খাঁটি।

৩। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্স রে করিয়ে নিন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করে নেওয়াটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সূযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও একবার চেষ্টা করে নেবেন, যাতে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার সোনাকে যাচাই করে নিতে পারেন।

 

 

 

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ূনঃ-

জেনে নিন যে ৩টি উপায়ে খাঁটি সোনা চিনতে পারবেন ??

বিয়ে, জন্মদিন কিংবা যেকোনো উৎসবে নিজেকে সাজাতে নারীদের প্রথম পছন্দ হলো সোনার গহনা। তবে শুধুমাত্র নারীর অঙ্গশোভা বাড়াতে নয়- আভিজাত্য এবং সম্পদ সংরক্ষণে যুগ যুগ ধরেই প্রাধান্য পায় সোনা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

জেনে নিন খাঁটি সোনা চেনার উপায়-

 

 

 

১। সোনা কিনুন ২৪ ক্যারটের– ২৪ ক্যারট সোনাই আসল খাঁটি সোনা। ২৪ ক্যারট সোনা মানে ৯৯.৯% শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু দোকানে সাধারণত ২৪ ক্যারট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হয় না। তাতে সেই সোনার অলঙ্কার বড্ড নরম হয়ে যাবে। তাই দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি করা হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন যাতে ২২ ক্যারট সোনা দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট সোনা মানে ৯১.৬% শতাংশ সোনা।

২। BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন – সাধারণত, সোনা কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনেন। এটাই নিয়ম খাঁটি সোনা চেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে, আপনার সোনা সত্যিই খাঁটি।

৩। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্স রে করিয়ে নিন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করে নেওয়াটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সূযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও একবার চেষ্টা করে নেবেন, যাতে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার সোনাকে যাচাই করে নিতে পারেন।

 

 

 

 

read more
দেশের খবর

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ক্ষোভ ঝাড়লেন সাব্বির!

Capture

এর মধ্যে দেশি-বিদেশি প্রায় সব মুসলিম দেশই দাগিয়েছে এসব অসহায় মানুষদের পাশে। সাকিব নিজে গিয়ে ত্রান বিতরণ করেছেন। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের ম্যাচ ফির ১৫ লাখ টাকা দান করবেন তামিম ইকবাল।

এবার রোহিঙ্গাদের নিয়ে ফেসবুকে লিখলেন সাব্বির রহমান। মঙ্গলবার তিনি ফেসবুকে লিখেন, এটা কেমন মানবতা? রোহিঙ্গারা কি মানুষ না? মায়ানমারে এতগুলো নিরীহ মানুষকে হত্যার পরেও আজ বিশ্ববাসী চুপচাপ।

স্বজন হারানোর বেদনা আর বিভীষিকাময় স্মৃতি ভুলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সচেষ্ট রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়া রোহিঙ্গা মুসলিমরা। মূলত সেনাবাহিনী দ্বারা রোহিঙ্গারা নির্যাতন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

এদিকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা, ধর্ষণ, উচ্ছেদের পাশাপাশি অমানবিক নির্যাতনের প্রমাণ পেয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

read more
দেশের খবর

ময়মনসিংহে খুঁটিতে বেঁধে কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা!

Capture

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে খুঁটিতে বেঁধে সাগর মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ডৌহাখলা ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুরের গাউছিয়া মৎস্য হ্যাচারির কাশবন থেকে ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ময়মনসিংহ শহরের নাটঘরলেন সংলগ্ন রেলওয়েবস্তি বাসিন্দা মো. শিপন মিয়ার ছেলে। সোমবার মৎস্য কেন্দ্রের পাম্প চুরির অভিযোগে তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার ভোরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গৌরীপুর উপজেলাধীন চরশিরামপুর এলাকার গাউছিয়া মৎস্য হ্যাচারিতে চোর সন্দেহে সাগর নামের ওই কিশোরকে আটক করা হয়। এরপর হ্যাচারির মালিক আক্কাস আলী ও কর্মচারী কাইয়ুমসহ তার লোকজন ওই কিশোরকে টেলিফোনের খুঁটির সাথে বেঁধে নৃশংসভাবে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

 

এক র্যায়ে সাগর অজ্ঞান হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তাকে নিয়ে চরশ্রীরামপুরের হামেদ আলীর ছেলে আহাম্মদ আলীর (৩৫) অটোরিকসাযোগে ময়মনসিংহের দিকে রওনা হয়। অটোরিকসাটি ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গৌরীপুর উপজেলার সাহেবকাচারি এলাকায় পৌঁছতেই সাগর মারা যায়। এরপর ওই কিশোরের লাশ নিয়ে গুম করে ফেললে সোমবার সারাদিন লাশ নিয়ে ধুম্র্রজালের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর আক্কাছ আলী ও তার স্বজনরা পালিয়ে যায়।

বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ওই কিশোরের কোনো সন্ধান পায়নি। ঘটনার পর থেকে গাউছিয়া মৎস্য হ্যাচারির অফিসে তালা ঝুলছে। হ্যাচারির মালিক আক্কাছ আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে আক্কাছ আলীর স্ত্রী শিউলী আক্তার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তাদের মৎস্য খামারে এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা তিনি শোনেননি।

ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল হক সরকার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে অপরিচিত এক ব্যক্তি পরিচয় গোপন রেখে ওই কিশোরের লাশ হ্যাচারির কাশবনে ফেলে রাখা হয়েছে বলে জানায়। এরপর তিনি পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

নিহত কিশোরের বাবা মো. শিপন মিয়া জানান, ত্রিশ বছর ধরে ময়মনসিংহ শহরের নাটকঘর লেন সংলগ্ন রেললাইন এলাকার বস্তিতে বসবাস করছেন। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে মধ্যে সাগর দ্বিতীয়। সংসারের অভাব অনটনের জন্য তিনি ফেরিওয়ালা ও ছেলে সাগর ভাঙ্গারির ব্যবসা করে। দু’জনের আয় দিয়ে তাদের সংসার চলে। সাগর গত শনিবার সকালে বাসা থেকে বের হয়ে রাতে বাসায় ফিরেনি। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ তাদের বাসায় খবর দেয় ছেলে মারা গেছে।

গৌরীপুর থানার এসআই আসাদ জানান, নিহত কিশোরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই হ্যাচারির মালিক ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন।
গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার আহম্মদ জানান, এ ব্যাপারে আক্কাস আলীসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ১২/১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন সাগরের বাবা শিপন মিয়া। আসামীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান চলছে।

read more
দেশের খবর

পিশাচ শয়তানের কবল থেকে আমরা এখন ফেরেশতাদের মাঝে’

Capture

 

 

জাতির আস্থাভাজন ও প্রিয় সংস্থা সেনাবাহিনী নামায় সারা দেশের ইমাম ও আলেমগণ শুকরিয়া আদায় করছেন। কারণ, তারা ময়দানে কাজ করতে গিয়ে বহু সমস্যা আঁচ করছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, কিছু খারাপ লোক মজলুম রোহিঙ্গাদের অসহায়ত্বের সুযোগে নানা দুষ্কর্ম শুরু করে দিয়েছিল। কেউ সামান্য টাকা, খাবার ও ওষুধ ইত্যাদির বিনিময়ে নারীদের নাক-কান-গলার অলঙ্কার নিয়ে যাচ্ছিল। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণকার্যে আর্মি যুক্ত হওয়ায় মানুষ খুশি। শুরু থেকে কাজ করে আসা আলেম সমাজও স্বস্তি পেয়েছেন।

 

লাখ টাকার সোনার বালা পাঁচ হাজারে, ২০ হাজারের কানের দুল এক হাজারে কেনার ধুম পড়ে গিয়েছিল। আতঙ্ক বিরাজ করছিল শিশু ও নারী পাচারকারীদের হামলার। বেশি সময় পেলে মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যবসায়ীরাও সক্রিয় হতো। কিছু ত্রাণ বিতরণকারী পর্দাশীলা নারীদের ছাউনির বাইরে এসে ত্রাণ নিতে বাধ্য করছিল। বিপন্ন রোহিঙ্গাদের অনেক সামানপত্র কোনো কোনো নেতার বাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। দালাল ও প্রতারক গ্রেফতার করা হয়েছে শ’ দুয়েক। ত্রাণের টাকা ও দ্রব্য লুটপাট হওয়ার আশঙ্কা করছিল মানুষ। আর্মি ত্রাণ তৎপরতার দায়িত্ব নেয়ায় স্বস্তি নেমে এসেছে।

তারা প্রথম দিন পরিস্থিতি রেকি করার সাথে সাথে ৬০ ভাগ বিশৃঙ্খলা কমে যায়। কাজে নামার পর তা ৭০ ভাগে এসেছে। আলেম, ইমাম ও মাদরাসা শিক্ষার্থীরা সেনাবাহিনীর দোসর হয়ে দ্বিগুণ উৎসাহে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের প্রকৃত ও বহু পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক সৎ নিষ্ঠাবান শক্তির এই মানবিকতার সংগ্রাম সফল হবেই। আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা এ দেশকে সকল শত্রæর শ্যেনদৃষ্টি থেকে রক্ষা করবে। মজলুমদের সেবার শক্তিই আলাদা।

আর্মি যাওয়ার আগে-পরের অবস্থা আর পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন মোবাইলে জানাতে থাকেন উখিয়া-টেকনাফে অবস্থানরত আলেম দল। ইনকিলাবের কক্সবাজার ব্যুরো ও টেকনাফ প্রতিনিধির ত্যাগ ও পরিশ্রমের কথাও তারা বলেন। ইনকিলাবের প্রধান কার্যালয় থেকে একজন বিশেষ প্রতিনিধি বেশ কয়েকদিনের জন্য শরণার্থী আশ্রয় এলাকায় মানবিক বিপর্যয়ের প্রতিবেদন সরেজমিন দেখে তৈরির জন্য এখন কক্সবাজারে, এ কথা উলামাদের জানালাম। তারা আরো আনন্দ প্রকাশ করলেন। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর বিশিষ্ট উলামা-মাশায়েখের একটি আধ্যাত্মিক মাহফিল বসে। দীন, দেশ ও মানবতার সঙ্কট নিয়ে আলোচনা হয়। জিকির, মোরাকাবা ও আমল হয়।

 

মোবাইল ফোনে কথা হয় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাথে। সেখানে কর্মরত দীনি কাজের কন্ট্রাক্ট গ্রুপের লোকেরা জানান, কক্সবাজারে এখন শুধু আলেম আর আলেম। উখিয়া-টেকনাফ এলাকাজুড়ে সাদা পোশাক, নূরানী চেহারা দরদী দৃষ্টি উলামা-মাশায়েখ, পীর-বুযুর্গ, মাদরাসার শিক্ষার্থী, ধার্মিক তরুণ ও দীনদার নাগরিকদের প্রাচুর্য। মহিলা মাদরাসার তরফ থেকে আমাদের নারীরা মজলুম রোহিঙ্গা মা-বোনদের সহমর্মিতার জন্য সেখানে আছেন।

সেবার ৯০ ভাগ দেশের আলেম সমাজের হাতেই সম্পাদিত হচ্ছে গত প্রায় এক মাস ধরে। আর্মি যুক্ত হওয়ায় আজ সবার মনেই আনন্দ। মোবাইলে কথা বলিয়ে দেন একজন মুহাজিরের সাথে। রোহিঙ্গা ভাষায় তিনি যা বলেন তার অর্থ হলো- ‘আমরা মগ আর্মিদের চেহারা ও আচরণ দেখে এসেছি, এখানে এসে দেখলাম বাংলাদেশি আর্মি। পিশাচ শয়তানের কবল থেকে আমরা যেন এসে পৌঁছেছি ফেরেশতাদের মাঝে। এরাও আর্মি, তারাও আর্মি। ভাবলাম, এ ইসলামেরই দান। ’

স্বাধীন বাংলাদেশ যে মহান আল্লাহর কত বড় নেয়ামত তা আজ পাঁচ লাখ (নতুন-পুরনো সব মিলিয়ে ১০-১২ লাখ) মজলুম রোহিঙ্গা বুঝতে পারছে। আমরা ১৬ কোটি মানুষও সেটি অন্তর দিয়ে বুঝি। ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা নেজামী ত্রাণ ও সংহতি শেষে তার দলসহ ঢাকার পথে রওয়ানা হচ্ছিলেন।

 

২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ মজলিসে দাওয়াতুল হকের আমীর আল্লামা মাহমুদুল হাসান তার কাফেলাসহ দুর্গত এলাকায় গেছেন। আর্মির সহায়তায় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এই কাফেলা কোটি টাকার ত্রাণসামগ্রী বিলি করবে। হাজার হাজার তাঁবু, পোশাক, বোরকা, শুকনো খাবারের প্যাকেট, ওষুধ, স্যালাইন, তৈজসপত্র ছাড়াও তাদের ইচ্ছা আছে শতাধিক মসজিদ, মক্তব ও মাদরাসার কাজ শুরু করার। কিছু ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি যাচ্ছেন আর্মি নামার পর। আগে যারা আলেমগণের মাধ্যমে সহায়তা করেছিলেন, তারা এখন একই আস্থায় আরো বেশি সহায়তা করছেন। আল্লাহর শুকরিয়া, বাংলাদেশ তার সচেতন নাগরিকদের সেবা পাচ্ছে তার সঙ্কট দিনে। চিহ্নিত বুদ্ধিজীবী, মানবতাবাদী, প্রগতিশীল লোকজনের নাম-নিশানাও দেখা যাচ্ছে না। নেই নারীবাদী ও গলাবাজ নেত্রীরাও। যারা উদ্দেশ্যমূলক ইস্যুতে আসমান-জমিন একাকার করে ফেলেন, তাদের কাছে হাজার হাজার ধর্ষিতা রোহিঙ্গা নারী কোনো ইস্যু নয়। কেউ সেখানে যাননি।

বড় বড় এনজিও, সাহায্য সংস্থা, মানবাধিকার সংগঠন কোথায় যেন ঘাপটি মেরে আছে। খুব কমই তাদের নড়াচড়া দেখা যায়। আর যারা নিজেরাই সমাজে নিগৃহীত, মিডিয়ায় উপেক্ষিত শুধু নয়, বরং নেতিবাচক প্রচারণার শিকার। সেই জনপ্রিয়তম আলেম সমাজ এবার যে ভ‚মিকা রেখেছে দীন ও ধর্মের, দেশ ও জাতির ইতিহাসে তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের আওতায় দেশের প্রখ্যাত সব পীর-মাশায়েখ ও প্রভাবশালী শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক এবং শিক্ষার্থী-অভিবাবকের যে নেটওয়ার্ক আছে, অন্য ইসলামী নেতৃত্ব ও সকল মত-পথের আলেমসমাজ যে সৌহার্দ্য ও ভালোবাসার বৃত্তে তার চেতনা ও কর্মের সাথে যুক্ত, এ বিশাল চ্যানেল বাংলাদেশকে জাগাতে ও আন্দোলিত করতে পারে খুবই সফল ও অর্থবহ উপায়ে। এ যোগাযোগটি বাংলাদেশের অমূল্য সম্পদ।

 

দোহারে ইসলামী আন্দোলনের যুব শাখা বিশাল ঈদ পুনর্মিলনী করে। লাখো যুবকের সমাবেশ। বৃহত্তর ঢাকার ইসলামী শক্তির সম্মিলন। পীর সাহেব চরমোনাই সেক্রেটারি শাহাদত সাহেবের মাধ্যমে গাড়ি পাঠান। আমার সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করার কথা। কিন্তু অসুস্থতার জন্য যাওয়া হয়নি। তারা রোগশয্যায় আমার খোঁজখবর নেন। এই যুবসমাজ এখন রোহিঙ্গা সঙ্কটের কার্যকর কর্মশক্তি। পরের সপ্তাহে গাজীপুর রাজবাড়ী মাঠে ঢাকার উত্তর জেলা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ দক্ষিণ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও মানিকগঞ্জ থেকে প্রায় তিন লাখ আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ, ইমাম ও ধর্মপ্রাণ মানুষ রোহিঙ্গাদের প্রতি সমবেদনা ও সংহতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত করে।

অঞ্চলের বর্ষীয়ান আলেম মাওলানা আশেকে মুস্তফার সভাপতিত্বে এ সম্মেলনে এমন কোনো দল, সংগঠন, দরবার, মসজিদ, মাদরাসা নেই যারা শরীক হননি। কথা ছিল কিছুটা সুস্থ বোধ করলে আমি যাবো। অনুষ্ঠানের দিন বারবার উদ্যোক্তারা ফোন করলেও এক শ’ চার ডিগ্রি জ্বর থাকায় আমার যাওয়া হয়নি। উদ্যোক্তা এক বন্ধু দুপুরে বললেন, গাজীপুরের প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করছে। সমবেত আলেম সমাজ আপনাকে খুব মিস করছে। আমাদের কাছে সুযোগ আছে, একটু কষ্ট করে আপনি হেলিকপ্টারে করে ১০ মিনিটের জন্য হলেও মঞ্চে আসুন।

আপনি বললেই আপনাকে নেয়ার ব্যবস্থা করব। আমি বললাম, ‘ভাই আমার অবস্থা উঠে দাঁড়াবার মতোও নয়। আপনারা সম্মেলন শেষ করে ফেলুন। আল্লাহ চাইলে পরে একসাথে কাজ করব। এই বিশাল ও সম্মিলিত ধর্মীয় কমিউনিটি এখন দিল খুলে ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বাস সাথে নিয়ে রোহিঙ্গা শিবিরে রাতদিন কাজ করে চলেছে। দল-মত, প্রতিষ্ঠান নির্বিশেষে সবাই খুব ঘনিষ্ঠ ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহত। অতীত যুগের ওলি-আওলিয়াদের নিঃস্বার্থ পন্থায় উদারপন্থী সমন্বয়বাদী দীনি কন্ট্রাক্ট গ্রুপ তাদের ঘিরেই কাজ করছে। দৈনিক ইনকিলাব একটি চিন্তা ও আইকন হয়ে গত প্রায় তিন যুগের মতো আজও সবাইকে পরম মায়ায় এক ছাতার নীচে আগলে রেখেছে। সুখে-দুঃখে, সুদিনে-দুর্দিনে আল্লাহর বান্দা ও বিশ্বনবীর উম্মতকে এক প্ল্যাটফর্মে জড়িয়ে রাখার জন্য যে পত্রিকাটির জন্ম।

মজলুম রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সংবাদ, চিত্র, প্রতিবেদন ও নিবন্ধ প্রকাশের যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, তার সাথে আমরা খুব পরিচিত। রাজধানীর অভিজাত এলাকার এক বড় মসজিদের ইমাম ফোন করে বললেন তাদের ত্রাণ তৎপরতার কথা। কুটনৈতিক জোনের বিখ্যাত মসজিদের খতিব জানালেন তাদের টিম সোমবার যাচ্ছে কক্সবাজার। এর আগে তাদের মুসল্লি দল কোটি কোটি টাকার খাদ্য, পানীয়, ওষুধ, তৈজসপত্র, তাঁবু, বিছানা, জামাকাপড়, বোরকা ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন।

আলহামদুলিল্লাহ, দেশের আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ ও ধর্মপ্রাণ মানুষ যে ভ‚মিকা রাখছেন তাতে বাংলাদেশ এ মুহূর্তে সফল। এসবের বর্ণনা প্রচলিত মিডিয়ায় প্রায় অনুপস্থিত। আর ইনকিলাব এ বাস্তবতা তুলে ধরার জন্যই রীতিমতো যুদ্ধ করে টিকে আছে। ৩১ বছর কঠিন সংগ্রাম আর পরীক্ষার মধ্য দিয়েই ইনকিলাব নির্মোহভাবে কেবল দেশ ও জনগণের জন্যই কাজ করে গেছে। যার ফলে ইনকিলাবের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয়ে থাকে দেশ ও জনগণের হৃদয়ের আওয়াজ। স্বাধীনতা ও স্বাতন্ত্রের ধ্বনি। দেশের মানুষের আস্থাভাজন আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ ও ধর্মীয় তরুণ নেতৃত্বের কণ্ঠস্বর। আর এ জন্যই দেশের মানুষ ইনকিলাবকে এত ভালোবাসে। আলাদা নজরে দেখে।

এর বিশেষায়িত উপস্থাপন ছাড়া তাদের যেন চলেই না। অবহেলিত দীনি অঙ্গন আর উপেক্ষিত ৯২ ভাগ মানুষের বিশ্বাস ও চেতনার যখন কোনো অবলম্বন ছিল না, তখন এ গুরুভার মাথা পেতে নিয়েছিল ইনকিলাব। শত প্রতিক‚লতা সত্তেও এ জিম্মাদারি আদায়ে ইনকিলাব সতত সচেষ্ট রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, দেশের প্রতিটি ধর্মীয় কার্যক্রম ইনকিলাবের পাতায় যথারীতি পরিবেশিত হবে। ইতিহাসে জায়গা করে দিবে এ দেশের প্রকৃত সুনাগরিকদের কর্মময় জীবনের সংগ্রাম ও সাধনাকে।

গত দু’সপ্তাহে দু-একটি ছাড়া দেশের এমন কোনো বড় ইসলামিক সংগঠন দল ও প্রতিষ্ঠান নেই যার দায়িত্বশীলগণের সাথে আমাদের কথা না হয়েছে। স্বাস্থ্যগত সমস্যায় বিছানাবন্দী ছিলাম বলে অনেকে দেখতে এসেছেন। উভয় পক্ষের কষ্ট হবে বলে অনেককে আসতে দেইনি। অনেকে ফোনে রোগমুক্তির দোয়া করেছেন। মাসনুন দোয়া পড়ে দম করেছেন। এ সময়ই সারা দেশের আলেমসমাজ রোহিঙ্গাদের দুর্দিনে কঠিন বিচলিত হন। প্রবাসী আলেমরা খোঁজখবর জানতে চেয়েছেন। আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী কথা বলেছেন। মাওলানা কাসেমী ফোন করেছেন।

বেফাক নেতৃবৃন্দ ও দাওয়াতুল হকের আমীর সাহেব বহুবার কথা বলেছেন। হেফাজতে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলিস প্রভৃতি সংগঠনের নেতৃবর্গ শলাপরামর্শ করেছেন। খেলাফত আন্দোলনের আমীর শাহ আতাউল্লাহ্ হাফেজ্জী দেখতে চলে এসেছেন। এরপর বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি সাময়িক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি হন। একটু সুস্থ হয়েই আবার প্রেসক্লাবে সেমিনার ডেকেছেন। এক কথায় রোহিঙ্গাদের কষ্ট গোটা বাংলাদেশকে স্পর্শ করেছে।

টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত ঈমানদার মানুষ দুঃখ-বেদনায় ক্ষোভে-যন্ত্রণায় যেমন কাতর হয়ে উঠেছে, তেমনি তারা নিন্দা ও প্রতিবাদে ফেটে পড়েছে। এককথায় জাতীয় দুর্যোগ ও রোহিঙ্গা সঙ্কটে গোটা বাংলাদেশ তার ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্বের সঙ্গী হয়ে নজিরবিহীন আন্দোলিত হয়েছে। ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। দৈনিক ইনকিলাব তাদের তৎপরতার সাক্ষী। তাদের চেতনার সঙ্গী। নিউজ ছেপে শেষ করা যায় না। ছবি ছেপে কুলানো যায় না।

 

সবাইকে হৃদয়ে জায়গা দিয়ে কাজ সারতে হয়। পর্যায়ক্রম ছাড়া কাগজে স্পেস দিয়ে আমরা শেষ করতে পারি না। অথচ এ দেশে বিখ্যাত কাগজই আছে ২০টির অধিক। কিন্তু ৯২ ভাগ মানুষের বিশ্বাস ও চেতনার কথা তাদের পাতায় অতীতে যেমন জায়গা পায়নি, এখনো জায়গা পায় না। একই অবস্থা ইলেকট্র্রনিক মিডিয়ার। সভা-সমাবেশ, টকশোতেও ধর্মপ্রাণ মানুষ যথারীতি উপেক্ষিত। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে মাঠে-ময়দানে জাতির সঙ্কটে দেশের বিপদে, মানবতার দুর্দিনে এরাই পরীক্ষায় ফুল মার্ক পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশকে তার নিজ শক্তি সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী হতে হলে এই মহাসত্যটি বুঝতে হবে। উৎসঃ ইনকিলাব

read more
1 2
Page 1 of 2