close

দেশের সংবাদ

দেশের সংবাদ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী- রক্ষা করবে দেশ<><>………

nnnnn copy

 

বাংলাদেশের একটা সেনাবাহিনী আছে। আমরা যদি মনে করতাম, সব সমস্যার সমাধান কেবল কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাধান করা যায়, তবে নিশ্চয়ই এত ব্যয় করে সেনাবাহিনী রাখা যুক্তিযুক্ত মনে করতাম না। ১৯৭১ সালে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারের সাথে চুক্তি করেছিল, বাংলাদেশের কোনো পৃথক সেনাবাহিনী থাকবে না। অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য থাকবে পুলিশ ও মিলিশিয়া। কিন্তু শেখ মুজিব এই চুক্তি নাকচ করে দেন।

ফলে সৃষ্টি হতে পারে বাংলাদেশের একটা পৃথক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এ দেশে কথিত প্রগতিশীল বাম চিন্তকেরা সব সময় বলে আসছেন আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে, যুদ্ধের মাধ্যমে নয়। কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন গড়েছে বিশাল সেনাবাহিনী। বানিয়েছে পরমাণু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা ও তা বহন করার জন্য ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র)। সোভিয়েত ইউনিয়ন এখন ভেঙে গেছে।

কিন্তু রাশিয়া এখনো দম্ভভরে কথা বলতে পারছে তার সামরিক শক্তির জোরেই। বর্তমানে উত্তর কোরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভয় দেখাচ্ছে হাইড্রোজেন বোমা নিক্ষেপের। এ রকম একটি বিপজ্জনক বিশ্বে যারা মনে করেন কেবল আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান হতে পারে, তারা আর যাই হোন, বাস্তববাদী নন। ইংরেজি প্রবচনে বলে War is the logical extension of diplomacy. অর্থাৎ যুদ্ধ হচ্ছে কূটনীতির যুক্তিযুক্ত উপসংহার। বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীরা যাদের বেশির ভাগ আওয়ামী লীগের ভক্ত, তারা বলছেন মিয়ানমারের সাথে আমরা যুদ্ধ চাই না। কিন্তু মিয়ানমার যদি আমাদের সাথে যুদ্ধ চায়, তবে কি আমরা একতরফা আঘাত সহ্য করে নেবো?

 

বহু মিথ্যা কথাই বলে এসেছেন আওয়ামী বুদ্ধিজীবীর দল। তারা মিথ্যা কথা বলেছেন শেখ মুজিবুর রহমানের নামেও। যার প্রমাণ মিলছে সম্প্রতি প্রকাশিত (২০১২ খ্রিষ্টাব্দ) শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ থেকে। শেখ মুজিব তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ‘তখন রাজনীতি শুরু করেছি ভীষণভাবে। সভা করি, বক্তৃতা করি। খেলার দিকে আর নজর নেই। শুধু মুসলিম লীগ, আর ছাত্রলীগ। পাকিস্তান আনতেই হবে, নতুবা মুসলমানদের বাঁচার উপায় নেই।

’ তিনি তার এই আত্মজীবনীর আরেক জায়গায় বলেছেন, ‘আমাদের বাঙালির মধ্যে দুইটা দিক আছে। একটা হলো আমরা মুসলমান, আর একটা হলো আমরা বাঙালি।’ শেখ মুজিবুর রহমানের এই কথাগুলো আমি এখানে উদ্ধৃত করবার প্রয়োজন মনে করছি এ জন্য যে, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় তসলিমা নাসরিন লিখেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ধর্মনিরপেক্ষ নন। তিনি ধর্মনিরপেক্ষ হলে রোহিঙ্গাদের পক্ষ নিতেন না। যেখানে রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার সারা পৃথিবীর সমালোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে, সেখানে ছাপা হতে পারছে বাংলাদেশের একটি পত্রিকায় তসলিমা নাসরিনের এহেন ধরনের প্রবন্ধ।

গ্রেট ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ক’দিন আগে বলেছেন, মিয়ানমার যদি রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার বন্ধ না করে, তবে ব্রিটেনে মিয়ানমারের সৈন্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান বন্ধ করে দেয়া হবে। বিলাতের লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে যে নৃশংসতা চালানো হচ্ছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। তার মতে, রোহিঙ্গারা দীর্ঘ নিপীড়নের শিকার, যা আর বাড়তে দেয়া উচিত নয়। কিন্তু আমাদের বুদ্ধিজীবীরা কেবলই বলে চলেছেন কূটনৈতিক তৎপরতার কথা। যা হবে কেবলই কালক্ষেপণ মাত্র।

কেননা, মিয়ানমার পরিচালিত হচ্ছে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে। আর তারা চাচ্ছে যুদ্ধের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান। মিয়ানমারে কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় নেই। আসল ক্ষমতা আছে সেনাবাহিনীর হাতে। যার প্রধান হলেন মিন অং লাইং। বর্তমান মিয়ানমারের রাজনৈতিক দর্শন হলো বৌদ্ধ সমাজতন্ত্রবাদ। সেনাবাহিনীর পরই মিয়ানমার পরিচালিত হচ্ছে থেরাবাদী বৌদ্ধ ভিক্ষু নেতাদের দিয়ে। যারা মুসলিম মৌলবাদীদের চেয়ে মোটেও কম মৌলবাদী নন।

আমাদের দেশের যারা মিয়ানমারের এই রাজনৈতিক দর্শনের সাথে পরিচিত নন, তারাই কেবল বলতে পারেন আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান আসতে পারবে। মিয়ানমারের বৌদ্ধ সমাজতন্ত্রের ধারণা খুবই গোঁড়ামিপূর্ণ, যা সহজে দূরীভূত হওয়ার নয়। মিয়ানমার যদি যুদ্ধ চায়, তবে আমাদেরও করতে হবে যুদ্ধ। কেননা, শক্তির যুক্তিকে কেবল শক্তির মাধ্যমেই জবাব দেয়া চলে। আর এ পৃথিবীতে কেবল বীরেরাই পেতে পারে ন্যায্য বিচার; কাপুরুষেরা নয়।

আরাকান এক সময় ছিল একটা পৃথক স্বাধীন রাজ্য। সে প্রাচীন বার্মার অংশ ছিল না। খাঁটি বর্মি বা ম্রনমারা বার্মার যে ভূভাগে বাস করে, মানচিত্রে তা দেখে মনে হয় কতকটা মাকুর আকৃতিবিশিষ্ট। এই অঞ্চল খুবই উর্বরা। আর কৃষিকাজের উপযোগী। বার্মার রাজধানী মন্দালয় থেকে ইরাবতি নদীর বদ্বীপ পর্যন্ত এই অঞ্চল বিস্তৃত। পাশ দিয়ে আছে শিতাং নদীর উপত্যকা। এই ভূ-ভাগকে বলা হয় বর্তমান বার্মার কেন্দ্রভূমি। এ অঞ্চলের মানুষের ভাষা হলো আধুনিক বর্মি বা ম্রনমা। থেরাবাদী বৌদ্ধ ধর্ম ও বর্মি ভাষাকে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে এ অঞ্চলের সংস্কৃতি ও জাতীয় ভাব।

উচ্চ ও নি¤œ বার্মার রাজারা এ অঞ্চলকে দিতে সমর্থ হয়েছিলেন একটি ঐক্যবোধ, যা হলো আধুনিক বর্মি বা ম্রনমা জাতীয়তাবাদের ঐতিহাসিক ভিত্তি। কিন্তু মিয়ানমারের সব মানুষই ম্রনমা নন। ম্রনমাদের ঘিরে আছে কারেন, কাচিন, চীন, সান, মন প্রভৃতি জাতি। যাদের ভাষা ম্রনমা নয়। কারেনদের বেশির ভাগই আবার গ্রহণ করেছে খ্রিষ্টান ধর্ম। ম্রনমাদের সাথে চলেছে এসব জাতির বিরোধ। এরা হতে চাচ্ছে স্বাধীন।

 

বার্মায় বিভিন্ন জাতির সাথে ম্রনমাদের যুদ্ধ চলেছে সেই ১৯৪৮ সাল থেকে; যখন থেকে বার্মায় হয়েছে ব্রিটিশ শাসনের অবসান। বার্মার সরকার যদি বাংলাদেশের সাথে যুদ্ধ শুরু করে, তবে বার্মার অন্য জাতিগুলো তাদের জাতীয় স্বাধীনতা অর্জনের জন্য আবার ভয়ঙ্কর যুদ্ধংদেহী হয়ে উঠবে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, ১৯৪৮ সালে বার্মা স্বাধীন হওয়ার ঠিক পরপরই আরাকানিরা বিদ্রোহ করেছিল স্বাধীন হওয়ার জন্য। যার সাথে রোহিঙ্গারা সংশ্লিষ্ট ছিল না। আমরা বেশির ভাগই আরাকানের এই ইতিহাস সম্পর্কে অবগত নই। আরাকানের শতকরা ৩৬ ভাগ লোক হলো মুসলমান।

উত্তর ও পূর্ব আরাকানের মানুষ কথা বলে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক বাংলায়। এখানে বৌদ্ধ আরাকানিরাও এই ভাষা বুঝতে ও বলতে পারে। আরাকানের অন্যতম শহর গুচি দংয়ে বিশেষভাবে চলে চট্টগ্রামের বাংলা; আরাকানি ভাষা নয়। ভাষাগত দিক থেকে আরাকানের এই অংশকে তাই মনে করা চলে বাংলাদেশ। এখান থেকে রোহিঙ্গাদের ঠেলে দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশের মধ্যে। যেটাকে আওয়ামী লীগের অর্থমন্ত্রী আবদুল মাল আবুল মুহিত বলেছেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের যুদ্ধ ঘোষণা। প্রয়োজনে তাই আমাদের সেনাবাহিনীকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করতেই হবে। কেবল আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান আসবে বলে মনে করা যায় না।

 

সম্প্রতি মিয়ানমারের পত্রপত্রিকা বাংলাদেশকে নিয়ে নানান প্রচারণা চালাচ্ছে। এসব প্রচারণার উদ্দেশ্য হতে পারে বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের (Psychological Warfare) অংশ। তবে লক্ষ করার বিষয় হলো, আওয়ামী লীগ সরকার আরাকান সীমান্তে সব কিছু নিয়ন্ত্রণে কেবল বিজিবি নিয়োগ করছিল। কিন্তু এখন রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনী নিয়োগ করা হচ্ছে। অর্থাৎ আমাদের সেনাবাহিনী এখন আর আরাকান সীমান্ত থেকে অনেক দূরে দাঁড়িয়ে নেই। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায়, আরাকানের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে রয়েছে ঘন বনে আবৃত সুউচ্চ পর্বতমালা (আরাকান ওমা)।

 

এই পাহাড়ের মধ্য দিয়ে কয়েকটি গিরিপথ আছে। কিন্তু এসব গিরিপথের মধ্য দিয়ে যাওয়া-আসা করা এখনো যথেষ্ট কঠিন। এসব গিরিপথের মধ্য দিয়ে সৈন্য, রসদ ও যুদ্ধের সাজসরঞ্জাম নিয়ে আসা এখনো যথেষ্ট কষ্টসাধ্য। জাপানিরা সমুদ্রপথে এসে ১৯৪১ সালের ডিসেম্বরে বার্মার মূল ভূখণ্ড দখল করে নেয়। পরে ১৯৪২ সালে বার্মার মূল ভূখণ্ড থেকে স্পিডবোটে করে এসে জয় করে আরাকান।
কিন্তু বাংলাদেশ থেকে আরাকানে যেতে আমাদের সেনাবাহিনীকে কোনো পাহাড় পেরোতে হবে না। পায়ে হেঁটেই, সাঁজোয়া বাহিনী নিয়ে তারা অবাধে ঢুকতে পারবে উত্তর-পূর্ব আরাকানে; যা হলো রোহিঙ্গাদের মূল আবাসভূমি। চীন, রাশিয়া, ভারত যদি নিতে চায় মিয়ানমারের পক্ষ, তবে বাংলাদেশের পক্ষে এসে দাঁড়াবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স।

এরা ইতোমধ্যেই রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচারের করেছে প্রতিবাদ। সমগ্র মুসলিম বিশ্ব আছে বাংলাদেশের পক্ষে। বিশেষ করে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া। যুদ্ধ তাই মিয়ানমারের পক্ষে যাবে, এমন কথা সমরবিশারদরা মনে করছেন না। মিয়ানমারের টেনাসেরিন ও মালয়েশিয়ার আছে যুক্ত সীমান্ত। এই সীমান্তে যুদ্ধ শুরু হলে মিয়ানমারের পক্ষে তা সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়বে। এ অঞ্চলের ভৌগোলিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের যুদ্ধের জন্য বলতে হবে সম্পূর্ণ অনুকূল। ভৌগোলিক পরিস্থিতি সর্বক্ষেত্রেই যুদ্ধের জয়-পরাজয়কে বহুলভাবে নিয়ন্ত্রিত করে। এ ক্ষেত্রেও করবে।

 

বিখ্যাত সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮) তার বিখ্যাত উপন্যাস শ্রীকান্ত-এর দ্বিতীয় পর্বে বার্মা সম্পর্কে অনেক কিছুই লিখেছেন। বার্মায় হিন্দু তরুণেরা গিয়ে বর্মি মেয়েদের বিয়ে করছে। কিন্তু তারা স্ত্রী ও তাদের গর্ভজাত সন্তানদের রেখে একপর্যায়ে দেশে পালিয়ে আসত। পালিয়ে আসার সময় অনেকেই তাদের বর্মি স্ত্রীর সর্বস্ব অপহরণ করত। কিন্তু রোহিঙ্গা মুসলমানরা আরাকানে এ রকম কিছু করেনি।

 

ইংরেজ আসার অনেক আগে থেকেই তারা গিয়েছে আরাকানে। তাদের আরাকানে যাওয়ার ইতিহাস হলো ভিন্ন। তারা আরাকানের অর্থনীতিতে রেখেছে অবদান। ম্রনমারা বাঙালিদের পছন্দ করেনি। কেননা, বাঙালিরা (বাঙালি বলতে তারা মূলত বোঝে হিন্দু বাঙালিদের) তাদের অনেক ক্ষতি করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গারা সমুদ্রপথে মিয়ানমারে গিয়ে কোনো ক্ষতি করেনি। তারা থেকেছে আরাকানেই সীমিত। বাঙালি হিন্দুর অপকর্মের জন্য রোহিঙ্গারা আদৌ দায়ী নয়। যদিও তারা দেখতে বাঙালি হিন্দুর যথেষ্ট কাছাকাছি। মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ড থেকে সৈন্যরা এসে খুন করছে রোহিঙ্গাদের। এই খুনকে কোনোভাবেই সমর্থন করা যেতে পারে না। অতীতে আরাকান ছিল একটা পৃথক রাজ্য। এই রাজ্য ছিল বাংলাদেশের খুবই ঘনিষ্ঠ। ভবিষ্যতে এ রকম কিছু হওয়া অসম্ভব নয়।হ

read more
দেশের সংবাদ

দৃশ্যমান হল ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু, আনন্দের বন্যা (জানুন বিস্তারিত)

Untitled-1 copy

 

বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু অবশেষে উঁকি দিল। কোটি মানুষের স্বপ্নের মায়াজালে সোনার বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। দারিদ্রতাকে জয় করে শিক্ষা আর জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তির বিকাশে আজ মধ্যম আয়ের পথে বাংলাদেশ।বহু স্বপ্ন, বহু আশায় শুন্যে ভাসল সেই ছবি। স্বপ্নের ছবি, অমর ছবি পদ্মাসেতু। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাড়াঁবার সিঁড়ি তৈরি করে চলেছে। পদ্মাসেতু তারই প্রকৃত উদাহরণ।

বিশ্ব মিডিয়ায় আলোচিত দুর্নীর তকমা পেছনে ফেলে নিজ দেশের অর্থায়নেই শুরু হয় পদ্মাসেতু। অবশেষে দৃশমান হল স্বপ্নের পদ্মা সেতু। ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয়েছে প্রথম স্প্যান। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ভাসমান ক্রেন দিয়ে এই স্প্যান স্থাপন করা হয়। আর এর মাধ্যমে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর কাঠামো।

স্প্যান বসানোর সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

জানা গেছে, এরপর এক এক করে উঠতে থাকবে পিলার, আর পিলারের ওপর স্প্যান স্থাপনের মধ্য দিয়ে বাড়তে থাকবে পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য। মোট ৪২টি স্প্যান বসানো হলে শেষ হবে পুরো সেতুর কাজ। প্রথম স্প্যান বসানোর খবরে এখন সেতু এলাকার জনগণের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে।

read more
দেশের সংবাদ

যে কারণে দেশের সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী………

Untitled-1 copy

 

দেশের অভ্যন্তরীণ ও বহিঃশক্তি হুমকি মোকাবিলা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে, এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেছেন, এই বাহিনীর উন্নয়নের জন্য যা করা প্রয়োজন সরকার তা করবে।

বাংলাদেশ আজ অনেক এগিয়ে গেছে, আগামিদিনেও আরও এগিয়ে যাবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে বলে দাবি তাঁর।

আজ বুধবার সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে ১৭ পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্থ নবগঠিত সদর দফতরে ১১ পদাতিক ব্রিগেডসহ ৮টি ইউনিটের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

 

 

এর আগে বেলা ১১টায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইট বিজি নং-১৬০১ করে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন প্রধানমন্ত্রী।

 

 

সেখান থেকে পৌনে ১টায় জালালাবাদ সেনানিবাসে ১৭ পদাতিক ডিভিশন সদর দপ্তরে ১১ পদাতিক ব্রিগেডসহ ৮টি ইউনিটের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে যোগ দেন শেখ হাসিনা।

read more
দেশের সংবাদ

আ’লীগ নয়, জাতির সঙ্গে ঐক্য চায় বিএনপি

Capture

 

 

মায়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিএনপি আওয়ামী লীগের সাথে নয়, জাতির সাথে ঐক্য চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায় তার জন্য দেশের সকল মানুষের মধ্যে জাতীয় ঐক্য গঠন করে কৌশল গ্রহন করা প্রয়োজনকিন্তু সরকার এটিকে বিদ্রুপ করেছে। আমরা সরকারকে বলতে চাই বিএনপি তাদের সাথে আলোচনা করতে চায় না। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতির সাথে ঐক্য করতে চায়। সেই ঐক্যে আওয়ামী লীগ আসুক বা না আসুক। সেটা তাদের ব্যাপার।

 

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১০ম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরাম নামের একটি সংগঠন।

নির্যাতিত রোহিঙ্গাদেরকে সরকার প্রথম দিকে ঢুকতে দেয়নি এমন অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘মিয়ানমার সরকার একদিকে অসহায় মুসলমান রোহিঙ্গাদেরকে গুলি করে তাদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে অপর দিকে বাংলাদেশ সরকার প্রথম দিকে তাদেরকে পুশব্যাক করেছে।যার ফলে অনেক রোহিঙ্গারা ট্রলার ডুবে মূত্যুবরণ করেছে। এর দায়ভার কোন একদিন এই সরকারকেই নিতে হবে।

দেশে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে দাবি করে সাবেক এই খাদ্যমন্ত্রী বলেন, চালের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি এখন আর জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নেই। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল চালের দাম প্রতি কেজি মাত্র ১৬ টাকা হওয়ার পরও তারা আন্দোলন করেছে কিন্তু এখন জনগণ কোন কথা বলতে পারে না। কারণ দেশে একটি অব্যাহত অরাজকতা পরিস্থিতি চলছে। একটি গণতান্ত্রিক সরকারই কেবল মাত্র এই পরিস্থিতি থেকে দেশকে রক্ষা করতে পারে।

 

একই আলোচনা সভায় বিএনপির আরেক ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ১০ টাকা সের চাউল খাওয়ানোর কথা বলেছিলেন তখন বিএনপির আমলে ১৬ টাকা চালের মূল্য ছিল। তিনি সেখান থেকে ৬ টাকা কমিয়ে ১০ টাকা করার কথা বলেছিলেন কিন্তু এখনতো ৭০-৮০ টাকা কেজি। তিনি খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তা তিনি করেন না। তিনি যা করেন তা কখনও বলেন না। বাংলাদেশের অপশাসনের একমাত্র ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমস্ত সংকটের মূলে তিনি। তিনি যদি সরে যান, পদত্যাগ করেন তিনি যদি ছুটি নেন তাহলে দেশে একটি ভালো নির্বাচন সম্ভব। তিনি যদি সত্য বলতেন তাহলে দেশে গুম, খুন হত না।

তিনি বলেন, ‘সকল কিছুর মুক্তি আসবে যদি বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে সরকার প্রতিষ্ঠা করা যায়। বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করবে না বেগম জিয়া বলেছেন। তারেক রহমানকে আসতে দেন। সে যদি খারাপ করে জনগণই তার বিচার করবে। আওয়ামী লীগ যদি খারাপ করে জনগণই তার বিচার করবে কিন্তু আপনি আইনের মারপ্যাচে যেটা করছেন সেটা ঠিক না।

 

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা মো: মাইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মাদ সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো: রহমত উল্লাহ, জাসাসের সহ-সভাপতি শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা, বংশাল থানা কৃষক দলের সভাপতি আব্দুর রাজী প্রমুখ।

read more
দেশের সংবাদ

রোহিঙ্গাদের জন্য সেনাবাহিনীদের যা করতে নির্দেশ দিলেন শেখ হাসিনা

Untitled-1 copy

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও শরণার্থীশিবির নির্মাণে কাজ করতে সেনাবাহিনীর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

 

 

 

আজ (বুধবার) বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ কথা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

 

 

 

 

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কক্সবাজারে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় শিগগির সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। গত ২৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে প্রায় চার লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। সেনাসদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনে সহযোগিতা করবেন।

 

 

 

সেতুমন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গাদের থাকার জন্য আশ্রয়ণ নির্মাণ খুবই কষ্টকর কাজ। তাদের জন্য আশ্রয় এবং শৌচাগার নির্মাণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে।

 

 

 

 

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও শরণার্থীশিবির নির্মাণে কাজ করতে সেনাবাহিনীর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ (বুধবার) বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ কথা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

 

 

 

 

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কক্সবাজারে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় শিগগির সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। গত ২৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে প্রায় চার লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। সেনাসদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনে সহযোগিতা করবেন।

 

 

 

 

সেতুমন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গাদের থাকার জন্য আশ্রয়ণ নির্মাণ খুবই কষ্টকর কাজ। তাদের জন্য আশ্রয় এবং শৌচাগার নির্মাণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে।

 

 

 

 

 

 

read more
দেশের সংবাদ

রোহিঙ্গা সংকটের প্রতিবাদে বিএনপির মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ, আহত ১০

Untitled-18 copy

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকটের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে বিএনপির মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ ও ধাওয়ায় ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে ও পালিয়ে আসাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার দাবিতে শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১০টায় ভাঙা ব্রিজ এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন।

 

 

 

 

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে রাস্তায় দাঁড়াতে চাইলে পুলিশ ব্যানার ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তারা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে পুলিশ নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করে।

 

 

 

 

ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর বিএনপি নেতাকর্মীরা একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ আবার ধাওয়া দিয়ে তাদের কলাবাগান এলাকায় ঢুকিয়ে দেয়।

 

 

 

 

 

জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক আবু তালেব বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ধাওয়া দিয়ে আমাকে ও জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি প্রবীণ চন্দ্র চাকমা, খাগড়াছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুর রব রাজাসহ ১০-১২ জন নেতাকর্মীকে আহত করে।

 

 

 

 

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পুলিশকে আওয়ামী লীগের নির্দেশিত পথ থেকে বের হয়ে এসে জনগণের কাতারে আসার অনুরোধ জানান খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া।

 

 

 

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান জানান, প্রশাসন থেকে অনুমতি না নেওয়ায় পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের মানববন্ধন করতে বাধা দিয়েছে।

 

 

 

 

আরও পড়ুন

 

 

 

 

 

জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক আবু তালেব বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ধাওয়া দিয়ে আমাকে ও জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি প্রবীণ চন্দ্র চাকমা, খাগড়াছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুর রব রাজাসহ ১০-১২ জন নেতাকর্মীকে আহত করে।

 

 

 

 

 

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পুলিশকে আওয়ামী লীগের নির্দেশিত পথ থেকে বের হয়ে এসে জনগণের কাতারে আসার অনুরোধ জানান খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া।

 

 

 

 

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান জানান, প্রশাসন থেকে অনুমতি না নেওয়ায় পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের মানববন্ধন করতে বাধা দিয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
দেশের সংবাদ

বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিলেন বলেই আমি প্রধান বিচারপতি !!! বললেন এস কে সিনহা !!!

Untitled-7 copy

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ স্বাধীন করে দিয়েছিলেন বলে আমি প্রধান বিচারপতি হতে পেরেছি।

 

 

 

 

 

 

আজ বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার পৌর জনমিলন কেন্দ্রে মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে আইনজীবী সমিতির ১নং বার ভবন এর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

 

 

 

সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, আমাদের আরোও লেখাপড়া করতে হবে। প্রতি বছর উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশ থেকে কয়েক হাজার মেধাবী ছেলে মেয়ে বিদেশে গিয়ে উচ্চ শিক্ষা নিচ্ছে। পরবর্তিতে সেখানে তারা মেধার স্বাক্ষর বহন করে চাকুরি ও নাগরিকত্ব গ্রহণ করে আর দেশে ফিরছে না। এ মেধা পাচার নিয়ে এখনি আমাদের ভাবতে হবে ও এটা বন্ধ করতে হবে।

 

 

 

 

 

 

 

মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবীর সভার সভাপতি অ্যাডভোকেট রনজিৎ কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মৌলভীবাজার জেলা দায়রা জজ মোঃ আবু তাহের, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ তোফায়েল ইসলাম, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট এজি এম আল মাসুদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

 

 

 

প্রধান বিচারপতি বলেন, সাইবার ক্রাইম করে বাংলাদেশ ব্যাংক এর রিজার্ভ থেকে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। আমাদের আইনজীবীদের সাইবার ক্রাইম ল বিষয়ে লেখাপড়া নেই। তাই সাইবার ক্রাইম ল বিষয়ে আমাদের পড়তে হবে।

 

 

 

 

তিনি বলেন, ধনী ব্যক্তিরা এলাকায় মাদ্রাসা এবং মক্তব প্রতিষ্ঠা করতেন।

 

 

পৃথিবীর উন্নত দেশে ধনী ব্যক্তিরা অক্সপোর্ড, ক্রেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের ধনী ব্যক্তিদেরও বেশি করে পাবলিক বিশ্ব বিদ্যালয় করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
দেশের সংবাদ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করলো বাংলাদেশ !!! জানুন বিস্তারিত …

Untitled-6 copy

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করলো বাংলাদেশ !!! জানুন বিস্তারিত …

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করলো বাংলাদেশ !!! জানুন বিস্তারিত …

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করলো বাংলাদেশ !!! জানুন বিস্তারিত …

 

 

 

 

 

 

 

 

মিরপুরের জঙ্গি আস্তানায় বিস্ফোরণ, ব্যাপক গোলাগুলি

 

 

রাজধানীর মিরপুরের মাজার রোডে ঘিরে রাখা সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ হয়েছে। এরপর ভবনটিতে আগুন ধরে গেছে এবং গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে অন্তত চার থেকে পাঁচটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের পরপরই ভবনের ছাদে আগুন দেখা যায়। ক্রমেই সেখান থেকে আগুনের কুণ্ডলী বাড়ছে। আর রাত নয়টা ৫৬ মিনিট থেকে টানা গুলির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে।

 

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে সন্ধ্যায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে ব্রিফিং করে জানানো হয়, বাড়িতে থাকা সন্দেহভাজন জঙ্গি আব্দুল্লাহ আত্মসমর্পণে রাজি হয়েছেন।

 

 

 

 

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান একথা জানান।

 

 

তিনি বলেন, ‘সন্দেহভাজন জঙ্গি আব্দুল্লাহ আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়েছেন। রাত সাড়ে সাতটা থেকে আটটার মধ্যে তিনি আত্মসমর্পণ করবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন।’

 

 

মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘এ সময়ের মধ্যে ধ্বংসাত্মক কিছু করতে চাইলে সেটি মোকাবেলায় আমরা সেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’
এই সময়সীমা পার হওয়ার পর সেখানে এ বিস্ফোরণে ঘটনা ঘটল।

 

 

 

এদিকে, ওই এলাকার সাধারণ মানুষকে নির্দিষ্ট দূরত্বে চলে যাওয়ার জন্য র্যা বের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে রাজধানীর মিরপুরের মাজার রোডের বা‌ড়িটি সোমবার গভীর রাত থেকে ঘিরে রাখে‌ র্যা ব।
মঙ্গলবার সকালে র্যােবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার প‌রিচালক মুফ‌তি মাহমুদ খান পরিবর্তন ডটকমকে জানান, মাজার রো‌ডের বা‌ড়িটি‌ থে‌কে জ‌ঙ্গিরা র্যা ব‌কে লক্ষ্য ক‌রে হা‌তে তৈ‌রি গ্রে‌নেড (আইইডি্) ও পেট্রল বোমা ছুড়ে মারে। এরপর বা‌ড়িটি ঘি‌রে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
দেশের সংবাদ

খুতবায় মাদকবিরোধী বক্তব্যদেওয়ায় ইমামকে পিটিয়ে জখম !

Capture

প্রতি জুমায় খুতবায় মাদকবিরোধী কথা বলতেন ইমাম মাওলানা শরীফুল ইসলাম (৪৮)। মাদক থেকে দূরেথাকার জন্য তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতেন। শরীয়তপুরের বালুচড়া জামে মসজিদের ওই ইমামকে রড দিয়েপিটিয়েছে এক দুর্বৃত্ত।

 

 

 

আজ বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় মাওলানা শরীফুলকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করাহয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাদকবিরোধী বক্তব্য দেওয়ার কারণে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক গ্রহণের সঙ্গেজড়িত যুবকরা ওই ইমামের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। এই যুবকদেরই একজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাজানান, অভিযুক্ত যুবকের নাম সলেমান সরদার।

 

 

ঘটনার খবর পেয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবংহাসপাতালে গিয়ে আহত শরীফুল ইসলামের খোঁজখবর নেন। তিনি জানান, অপরাধীকে ধরার চেষ্টা চলছে এবংমামলার প্রস্তুতি চলছে।

 

 

 

এদিকে এই হামলার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দুপুরে শরীয়তপুর শহরে ইমামপরিষদের উদ্যোগে তাৎক্ষণিক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

 

মানববন্ধনে ইমাম পরিষদের নেতারা দ্রুতবখাটে সলেমান সরদারকে আটক  করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

 

 

মাওলনা শরীফুল ইসলাম প্রায় তিন বছর ধরে শরীয়তপুর পৌরসভার বালুচড়া গ্রামের আলী ভেন্ডার বাড়ির জামেমসজিদে ইমামতি করছেন। তিনি নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার চান্দের গ্রামের বাসিন্দা।

 

 

প্রায় চার বছর ধরেশরীয়তপুর পৌরসভার খেলসী এলাকায় স্থায়ীভাবে বাড়ি করে পরিবার নিয়ে বাস করেন তিনি।

 

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকার কিছু উঠতি বয়সী যুবক ও তরুণ সমাজ মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ায়মাওলানা শরীফুল ইসলাম বিভিন্ন সময় জুমার নামাজের খুতবায় মাদকবিরোধী বক্তব্য দিতেন।

 

 

এতে কিছু মাদকব্যবসায়ী ও মাদকসেবী তাঁর প্রতি নাখোশ ছিল।

 

 

মাওলানা শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘গত শুক্রবার জুমার নামাজের খুতবায় মাদকবিরোধী বক্তব্য দেওয়ায় এলাকারবখাটে মাদকসেবী সলেমান সরদার আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এর পর থেকে সে আমাকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ারজন্য বিভিন্নভাবে হুমকিধমকি দিয়ে আসছিল।

 

 

আজ (বৃহস্পতিবার) ফজরের নামাজের পর আমি মসজিদের মধ্যেঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সকাল ৭টার দিকে সলেমান সরদার এসে আমাকে ঘুম থেকে ডেকে বলে তুই খুতবারআলোচনায় বেশি বাড়াবাড়ি করছ। তুই আজকে এই এলাকা থেকে চলে যাবি, নইলে তোর খবর আছে।

 

 

তখনআমি তাকে বলি, আমি তো আপনার চাকরি করি না, আপনার কথায় কেন এলাকা ছেড়ে চলে যাব। এ কথা বলারসাথে সাথে সলেমান সরদার ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ঘুষি–লাথি মারতে থাকে।

 

 

লাথি ঘুষি খেয়ে আমি তখন চোখে কিছুদেখতেছিলাম না। পরে লোহার রড দিয়ে আমাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমাকেহাসপাতালে ভর্তি করে। আমি এর বিচার চাই।’

 

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ফোর্সপাঠানো হয়েছে। আমি হাসপাতালে গিয়ে ইমাম সাহেবের খোঁজখবর নিয়েছি।

 

 

এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।অপরাধীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

 

 

 

 

read more
দেশের সংবাদ

মন্ত্রী ওয়ায়দুল কাদেরের বাড়ির কাজের মেয়েকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার

Capture

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার রাজাপুর গ্রামের বাড়ির কাজের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদাউস লিমা (১৫) হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 

 

স্থানীয় এলাকাবাসী ও কাজের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদাউস লিমা জানান, সন্ধ্যার সময় বাড়ির পেছনে খোয়াড়ে হাঁস-মোরগ ঢুকিয়ে ঘরে আসার সময় মুখোশপরা ৪/৫ জন দুবৃত্ত তাকে মুখ চেপে ধরে স্কচ টেপ লাগিয়ে তার হাত-পা বেঁধে ফেলে। এ সময় দুবৃত্তরা ডান

 

 

হাতের বাহুতে অচেতন ইনজেকশন পুশিং করে। এতে সে অজ্ঞান হয়ে গেলে দৃবৃত্তরা তাকে বাড়ির পিছনে বাথরুমের সেফটি ট্যাংকের ওপর ফেলে রাখে। সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার পরিবারের লোকজন লিমার আসার বিলম্ব দেখে পুলিশকে অবহিত করে। পুলিশ তাদের বাড়ির চারপাশে খোঁজাখুঁজির পর তাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে।

 

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম মানবকণ্ঠকে জানান, আমরা তাকে অবজারবেশনে রেখেছি। কিছু সময় থাকার পর বুঝা যাবে তার শারীরিক অবস্থা।

 

 

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মো. আবদুল মজিদ মানবকণ্ঠকে জানান, লিমাকে উদ্ধারের স্থান থেকে একটি ইনজেকশানের সিরিজ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে যে ধরনের ইনজেকশন দেয়া হয়েছে তার স্যাম্পল পাওয়া যায়নি।

 

 

প্রসঙ্গত, ৮ আগষ্ট সোমবার রাতে একজন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বাড়িতে গিয়ে তার বাসভবনে ঢিল নিক্ষেপ করে। এসময় তার বাসার কাজের মেয়ে লিমা ঘরে বাহিরে আসলে ওই মুখোশধারী লিজাকে বলে মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে সে হত্যা করবে রাতে যেন ঘরের দরজা খোলা রাখা হয়।

 

 

 

আর যদি লিমা রাতে দরজা খোলা না রাখে তাহলে তাকেও হত্যা করা হবে। ১২দিনের মাথায় তাদের বাসার কাজের মেয়েকে দুর্বৃত্তরা হাত-পা বেঁধে রেখে যায়।

 

 

 

 

 

বিঃ দ্রঃ খবর সংগৃহীত মানবকণ্ঠ থেকে

read more
1 2
Page 1 of 2