close

বিনোদন মুখী

বিনোদন মুখী

ঢাকা মেডিকেলে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. এজাজ..

Untitled-1 copy

 

 

ঢাকা মেডিকেলে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. এজাজ

 

একজন স্বনামধন্য অভিনেতার ডা. এজাজুল ইসলাম পাশাপাশি একজন সুচিকিৎসক। সম্প্রতি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
ডা. এজাজুল ইসলাম রংপুর মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন। ১৯৮৪ সালে সেখান থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি) থেকে নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর করেন।

 

 

 

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মাধ্যমে ডা. এজাজুল ইসলামের অভিনয় জীবন শুরু। হুমায়ূন আহমেদের একাধিক চলচ্চিত্রেও তিনি কাজ করেছেন।

 

‘তারকাঁটা’ চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।

read more
বিনোদন মুখী

এবার লাইভে এসে কাঁদতে কাঁদতে কটূক্তিকারিদের যা বললেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল(ভিডিও)

Untitled-1 copy

 

ডিভোর্সের কথা স্বীকার করলেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় এসব কথা বলে কেঁদে ফেলেন এই তরুণী।

 

জান্নাতুল নাঈম বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে কোনো বাধাবিপত্তিতে মাথা নত করিনি একটা ১৬ বছরের মেয়েকে তার বাবা জোর করে বিয়ে দিচ্ছে, সেই মেয়ে বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে এসেছে। সেই মেয়ে এখন সাকসেসফুল। সে তার সমাজের কোনো কথা শোনেনি। আশপাশের কারো কথা কানে নেয়নি তার একটাই উদ্দেশ্য ছিল, যেখানে ২০ কোটি মানুষের বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ একটি দৈনন্দিন ঘটনা, সেখানে বাল্যবিবাহ আমি মানতে পারিনি।

 

১৬ বছরে বিয়ে দিলেই কোনো মেয়ের বিয়েটা হয় না। সেটা বাল্যাবিবাহ হিসেবে গণ্য। আমি চেয়েছিলাম সে সবের এগেইনেস্টে কাজ করতে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও লেখিকা বেগম রোকেয়ার উদারহরণ টেনে এভ্রিল বলেন, মেয়েরা চাইলে অনেক কিছু করতে পারে।

 

 

গণমাধ্যম এড়িয়ে চলা এই সুন্দরী বলেন, আমি ডিভোর্সি, ফাইন, আমি একটা মেয়ে।

 

 

অ্যাজ এ হিউম্যান আমার রাইট আছে, একটা ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যাটফর্মে গিয়ে নিজেকে প্রেজেন্ট করার। কই আমি তো নিজের জন্য কিছু চাইনি! আমি চেয়েছিলাম আপনাদের দেশের মেয়েগুলাকে জাস্ট দেখিয়ে দিতে যে, একটা মেয়ে চাইলে কী কী পারে।

 

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়নের মুকুট ওঠে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের মাথায়। এরপর থেকে শুরু হয় বিতর্ক। কেননা তার আগে আরেকজনের নাম ঘোষণা করা হয়। যেটাকে আয়োজকরা ‘ভুল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

 

এরপর সম্প্রতি এভ্রিলের বিয়ের খবর সামনে আসে। এরপর আজ ফেসবুক লাইভে ডিভোর্সের কথা স্বীকার করেন। অবশ্য সে ভিডিও রাখেননি তিনি, বক্তব্য শেষ করেই তিনি ভিডিওটি ডিলিট করে ফেলেন।

 

 

 

 

read more
বিনোদন মুখী

মেয়েরা পায়ের উপর পা তুলে বসে কেনো ? – জেনে নিন মজার ব্যাপারটি

Untitled-1 copy

 

সাধারণ, স্বাভাবিকভাবে মেয়েরা সোফায় বসলেই কি বলে থাকেন মা ও বড়রা। মেয়েদের ওইভাবে বসতে হয় না।
মেয়েদের নাকি, পা ভাঁজ করে বসাটাই সভ্যতা।দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধান কী?
ছোট থেকে এটা শুনতে শুনতে বড় হয় মেয়েরা। এর পরে পা ভাঁজ করে বসাটাই অভ্যাস হয়ে যায়। আবার অনেকে স্টাইলিশ লুকের জন্য পায়ের উপরে পা তুলে বসতেই পছন্দ করেন

 

অফিসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এভাবেই বসে থাকেন। শুধু মেয়েরা নয়, অনেক ছেলেরাও দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন পায়ের উপরে পা তুলে।
কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, স্টাইলিশ আর স্মার্ট লুক আনতে গিয়ে নিজের শরীরের কত বড় ক্ষতি হচ্ছে। একবার জেনে নেওয়া যাক কী কী ক্ষতি হয়—

 

 

 

এইভাবে বসে থাকার জন্য পায়ে রক্ত চলাচাল বিঘ্নিত হয়। দিনের পর দিন সেটা চলতে থাকায় পায়ের জোর দিন দিন কমতে থাকে। এটা মারাত্মক চেহারা নিয়ে একসময়ে প্যারালাইসিস পর্যন্ত হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ এইভাবে বসে থাকার ফলে শরীরে রক্তচাপ সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পা ভাঁজ করে রাখার জন্য রক্ত শরীরের নীচের দিকে স্বাভাবিক গতিতে নামতে না পেরে উপরের দিকে চাপ তৈরি করে। এর থেকে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পায়ের নীচের অংশে দীর্ঘক্ষণ রক্ত আটকে থাকায় শিরার উপরে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি করে।
প্রথম দিকে খুব বেশি সমস্যা বোঝা যায় না কিন্তু, দিনের পর দিন বসার ভঙ্গি থেকে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থতা বাড়তে থাকে। সুতরাং, সাবধান।

 

আপনার স্টাইল যেন আপনার ভবিষ্যৎকে কষ্টকর করে না তোলে।

read more
বিনোদন মুখী

ঢাকা অ্যাটাক’র প্রচারণায় শাহরুখ-সালমান

Untitled-1 copy

মুক্তির আগেই প্রচারণায় আলোচিত হয়েছে দীপংকর দীপন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘ঢাকা অ্যাটাক’। শুরু থেকেই অনলাইন প্রচারণায় সরব দেখা গেছে ছবিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের। দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতাদের দেখা গেছে সিনেমাটির জন্য শুভকামনা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করেছেন।অমিতাভ রেজা, গোলাম সোহরাব দোদুল, আনিসুর রহমান মিলনসহ অনেকেই যুক্ত হয়েছেন এর প্রচারণায়। ফেসবুক সেলিব্রেটিদেরও দেখা গেছে ছবিটি নিয়ে কথা বলতে।

 

 

 

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা গেছে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সিনেমার পোস্টারের সামনে বসে কথা বলছেন বলিউড তারকা শাহরুখ খান ও সালমান খান। ছবির ক্যাপশনে লিখা- ‘তোর ডাবাংগিরি এবার শেষ’।আরেকটি ছবিতে দেখা যায় সিনেমাটির বিলবোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলেছেন বারাক ওবামা ও বিয়ার গ্রিল।
এই ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় মজা করেই পোস্ট করা হয়েছে। এরকম মজার প্রচারণা নজর কেড়েছে।আবার

 

 

 

সিরিয়াস প্রচারণায়ও রয়েছে ঢাকা অ্যাটাক টিম। দেশের বড় শহর ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা রকম প্রচারণায় ব্যস্ত ছবিটির কলা-কুশলীরা।
এর মধ্যে রয়েছে রোড শো, কুইজ প্রতিযোগিতা।কুইজ প্রতিযোগিতায় জিতলে দেওয়া হচ্ছে সিনেমাটির প্রিমিয়ারের টিকিট। এছাড়া ট্র্যাফিক আইন মানলে সিনেমার টিকিট দেওয়া হচ্ছে। ছবিটির প্রচারণায় এমন নতুনত্ব আকর্ষণ করেছে অনেককেই।চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন বলেন, সিনেমার প্রচারণায় যে ভিন্নতা থাকতে পারে সেটা শুরু করেছিলেন আমার বস অনন্ত জলিল।

 

 

তার প্রথম সিনেমা ‘খোঁজ দ্য সার্চ’ দিয়ে। এবার নতুন কিছু দেখলাম সিনেমাটির প্রচারণায়। ধন্যবাদ ঢাকা অ্যাটাক টিমকে।

দীপংকর দীপন পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তি পাবে আগামী ৬ অক্টোবর (শুক্রবার)। সিনেমাটির মূল ভাবনা ও কাহিনি লিখেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেররিজম ইউনিট) সানী সানোয়ার।যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে- স্প্ল্যাশ মাল্টিমিডিয়া, ঢাকা পুলিশ পরিবার কল্যাণ সমিতি লিমিটেড এবং থ্রি-হুইলারস লিমিটেড।

 

 

 

বাংলাদেশ ছাড়াও কানাডা, আমেরিকা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশে সিনেমাটি মুক্তি পাবে।এতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, মাহিয়া মাহি, সৈয়দ হাসান ইমাম, আফজাল হোসেন, এবিএম সুমন, নওশাবা ও শতাব্দী ওয়াদুদ। বিশেষ অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে নায়ক আলমগীর ও শিপন মিত্রকে।-আরটিভি অনলাইন

 

 

 

read more
বিনোদন মুখী

দুই বোনকে গন হারে ধর্ষণ করলো ডিবি পুলিশ, দুই বোনের মুখে শুনুন, সারাদেশে তোলপাড়, আত্মা কেপে উঠবে, শুনুন ধর্ষনের বর্ননা !

22127130_1951582935122361_1080544674_n

ভিডিওটি দেখতে নিচে জান

 

 

 

ভিডিওটি দেখতে নিচের ছবির উপর ক্লিক করুন

প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য।

দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।

বি: দ্র : ইউটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ইউটিউব চ্যানেলের ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিস্ট নয় এবং আমাদের পেজে কোন প্রকার দায় নিবেনা।

 

 

 

ভিডিওটি দেখতে নিচে জান

 

প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য।

দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।

বি: দ্র : ইউটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ইউটিউব চ্যানেলের ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিস্ট নয় এবং আমাদের পেজে কোন প্রকার দায় নিবেনা।

 

 

 

ভিডিওটি দেখতে নিচে জান

 

 

read more
বিনোদন মুখী

আসিফ আর মনির খান এক সঙে যে গাইলেন দেখুন সেই গানটির ভিডিও…><><>

Untitled-1 copy

 

আসিফ আর মনির খান এক সঙে যে গাইলেন দেখুন সেই গানটির ভিডিও…><><>

 

আসিফ আর মনির খান এক সঙে যে গাইলেন দেখুন সেই গানটির ভিডিও…><><>

আসিফ আর মনির খান এক সঙে যে গাইলেন দেখুন সেই গানটির ভিডিও…><><>

আসিফ আর মনির খান এক সঙে যে গাইলেন দেখুন সেই গানটির ভিডিও…><><>

আসিফ আর মনির খান এক সঙে যে গাইলেন দেখুন সেই গানটির ভিডিও…><><>

আসিফ আর মনির খান এক সঙে যে গাইলেন দেখুন সেই গানটির ভিডিও…><><>

আসিফ আর মনির খান এক সঙে যে গাইলেন দেখুন সেই গানটির ভিডিও…><><>

আসিফ আর মনির খান এক সঙে যে গাইলেন দেখুন সেই গানটির ভিডিও…><><>

 

 

read more
বিনোদন মুখী

সুপার মাকের্টে বন্দী হয়ে এক রাতেই আট হাজার ডলারের খাবার সাবাড় করলেন যিনি !

Untitled-1 copy

ওকল্যান্ডের এক লোক গত রোববার সন্ধায় ক্রোজার সুপার মাকের্টে বন্দী হয়ে এক রাতেই ঠান্ডা মাংস, ক্যান্ডি, স্নাকস, এবং কেকসহ আট হাজার ডলারের খাবার খেয়ে সাবাড় করে দিয়েছেন।

 

 

 

 

 

৪৭ বছর বয়সী লিয়াম নরিস দাবী করেন, ওই সময় মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য আমি সুপার মার্কেটের বাথরুমে ঢুকেছিলাম। এটা ছিল সুপার মার্কেট বন্ধের সময়। আর হয়ত আমি মার্কেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘন্টাধ্বনিও শুনতে পাইনি। বাথরুম থেকে বেরিয়ে আমি দেখি সমস্ত লাইট নেভানো আর সবাই চলে গেছে।

লিয়াম নরিজ জানান, তিনি প্রথমে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তারপর পকেট হাতরিয়ে দেখেন যে, তার মোবাইল ফোনটিও গাড়িতে ফেলে এসেছেন। এ অবস্থায় কাউকে কল করতেও পারছে না।

 

 

নরিজ আরও বলেন, সাধারণত কোনো কারণে বেশী নার্ভাস হলে আমার খুব ক্ষুধা পায়। কিছুক্ষনের মধ্যে আমি খুব ক্ষুধা অনুভর করতে লাগলাম। আর র‌্যাক থেকে খাবার বের করে খেতে লাগলাম।

 

যখন আমি বুঝতে পারলাম আমার বের হওয়ার আর কোনো উপায় নেই। তখন টেনশনে আমার ক্ষুধা আরও বেড়ে যেতে লাগল। আর এটা সেটা বের করে খেতে লাগলাম। ভয় পেলে আমি খাওয়া ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারি না।

 

পর দিন সকালে মার্কেট খুলে প্রথম যে সেলসম্যান মার্কেটে ঢুকল, সে খুব চেষ্টা করে কয়েক হাজার ডলার মূল্যের খাবরের খালি প্যাকেটের গাদা সরিয়ে নরিসকে দেখতে পেয়েছিল।

 

স্টোর ম্যানেজারে ভাষ্যমতে, নরিসের ভক্ষন তালিকায় ১৭ ক্যান কোলা, ২ গ্যালন অরেঞ্জ জুস, ৫ ক্যান এনার্জি ড্রিঙ্ক, আধা গ্যালন ম্যাপল সিরাপসহ আরও প্রচুর পরিমানে পানীয় ছিল।

 

এছাড়া ১৫ পাউন্ডের বেশী ঠান্ডা মাংস, সাত পাউন্ড চিজ, ৭৪ বিফ জার্কিস, ১০০টির বেশী পপ টার্ট, ৬০-৭০টি চকোলেট বার, ৫ ডজন ডোনাট, সাত বক্স চকলেট কুকিজসহ আরও প্রচুর পরিমান খাবার সে খেয়ে ফেলেছিল।

 

ফিয়েট্টি কাউন্টি শেরিফ অফিসের অ্যাসিট্যান্ট জানান, নরিশ আসলে ঘটনার শিকার নাকি পরিকল্পিতভাবে আটকা পড়েছিল, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।

 

প্রতিবছর প্রচুর পরিমানে আমেরিকান লোক এরকম সুপার মার্কেটে আটকে পড়ার ঘটনা ঘটে। কিন্তু তাদের বেশীরভাগই নানাভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে উদ্ধার পায়।

২০১৬ সালে তিন দিনের ছুটির আগের দিন বন্দী হয়ে ৭১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ টানা তিনদিন মাকের্টে আটকে ছিল।

 

সূত্রঃ ওয়াল্ড নিউজ ডেইলি রিপোর্ট.কম

 

 

ওকল্যান্ডের এক লোক গত রোববার সন্ধায় ক্রোজার সুপার মাকের্টে বন্দী হয়ে এক রাতেই ঠান্ডা মাংস, ক্যান্ডি, স্নাকস, এবং কেকসহ আট হাজার ডলারের খাবার খেয়ে সাবাড় করে দিয়েছেন।

৪৭ বছর বয়সী লিয়াম নরিস দাবী করেন, ওই সময় মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য আমি সুপার মার্কেটের বাথরুমে ঢুকেছিলাম। এটা ছিল সুপার মার্কেট বন্ধের সময়। আর হয়ত আমি মার্কেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘন্টাধ্বনিও শুনতে পাইনি। বাথরুম থেকে বেরিয়ে আমি দেখি সমস্ত লাইট নেভানো আর সবাই চলে গেছে।

লিয়াম নরিজ জানান, তিনি প্রথমে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তারপর পকেট হাতরিয়ে দেখেন যে, তার মোবাইল ফোনটিও গাড়িতে ফেলে এসেছেন। এ অবস্থায় কাউকে কল করতেও পারছে না।

 

 

নরিজ আরও বলেন, সাধারণত কোনো কারণে বেশী নার্ভাস হলে আমার খুব ক্ষুধা পায়। কিছুক্ষনের মধ্যে আমি খুব ক্ষুধা অনুভর করতে লাগলাম। আর র‌্যাক থেকে খাবার বের করে খেতে লাগলাম।

 

যখন আমি বুঝতে পারলাম আমার বের হওয়ার আর কোনো উপায় নেই। তখন টেনশনে আমার ক্ষুধা আরও বেড়ে যেতে লাগল। আর এটা সেটা বের করে খেতে লাগলাম। ভয় পেলে আমি খাওয়া ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারি না।

 

পর দিন সকালে মার্কেট খুলে প্রথম যে সেলসম্যান মার্কেটে ঢুকল, সে খুব চেষ্টা করে কয়েক হাজার ডলার মূল্যের খাবরের খালি প্যাকেটের গাদা সরিয়ে নরিসকে দেখতে পেয়েছিল।

 

স্টোর ম্যানেজারে ভাষ্যমতে, নরিসের ভক্ষন তালিকায় ১৭ ক্যান কোলা, ২ গ্যালন অরেঞ্জ জুস, ৫ ক্যান এনার্জি ড্রিঙ্ক, আধা গ্যালন ম্যাপল সিরাপসহ আরও প্রচুর পরিমানে পানীয় ছিল।

 

এছাড়া ১৫ পাউন্ডের বেশী ঠান্ডা মাংস, সাত পাউন্ড চিজ, ৭৪ বিফ জার্কিস, ১০০টির বেশী পপ টার্ট, ৬০-৭০টি চকোলেট বার, ৫ ডজন ডোনাট, সাত বক্স চকলেট কুকিজসহ আরও প্রচুর পরিমান খাবার সে খেয়ে ফেলেছিল।

 

ফিয়েট্টি কাউন্টি শেরিফ অফিসের অ্যাসিট্যান্ট জানান, নরিশ আসলে ঘটনার শিকার নাকি পরিকল্পিতভাবে আটকা পড়েছিল, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।

 

প্রতিবছর প্রচুর পরিমানে আমেরিকান লোক এরকম সুপার মার্কেটে আটকে পড়ার ঘটনা ঘটে। কিন্তু তাদের বেশীরভাগই নানাভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে উদ্ধার পায়।

২০১৬ সালে তিন দিনের ছুটির আগের দিন বন্দী হয়ে ৭১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ টানা তিনদিন মাকের্টে আটকে ছিল।

 

সূত্রঃ ওয়াল্ড নিউজ ডেইলি রিপোর্ট.কম

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
বিনোদন মুখী

মাদরাসার শিক্ষককে বিয়ে করে সুখী হলেন ময়ূরী!!! দেখুন ভিডিওতে

Untitled-1 copy

চিত্রনায়িকা ময়ূরী গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করেছেন। পেশায় একজন মাদরাসার শিক্ষক নতুন স্বামী মোহাম্মদ জুয়েল আহমেদকে নিয়ে সুখেই আছেন তিনি।

 

 

 

 

 

জানা গেছে, ময়ূরীর দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় মাস তিনেক আগে। এরপর জুয়েলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের দেড় মাসের মধ্যে জুয়েলকে বিয়ে করেন ময়ূরী। নতুন স্বামীর সঙ্গে সুখের দাম্পত্য পেতেছেন টঙ্গীতে। সঙ্গে রয়েছে ময়ূরীর আগের ঘরের একমাত্র কন্যা অ্যাঞ্জেল।

 

 

 

 

ময়ূরীর প্রথম স্বামী রেজাউল করিম খান মিলন ছিলেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি মারা যান ২০১৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর। এরপর ময়ূরী দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ে করেন শ্রাবণ শাহ নামের এক চলচ্চিত্র অভিনেতাকে। কিন্তু সেই সংসারও টেকেনি। এবার শুরু করেছেন নতুন সংসার।

 

 

 

জানা গেছে, ময়ূরীর দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় মাস তিনেক আগে। এরপর জুয়েলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের দেড় মাসের মধ্যে জুয়েলকে বিয়ে করেন ময়ূরী। নতুন স্বামীর সঙ্গে সুখের দাম্পত্য পেতেছেন টঙ্গীতে। সঙ্গে রয়েছে ময়ূরীর আগের ঘরের একমাত্র কন্যা অ্যাঞ্জেল।

 

 

 

 

ময়ূরীর প্রথম স্বামী রেজাউল করিম খান মিলন ছিলেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি মারা যান ২০১৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর। এরপর ময়ূরী দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ে করেন শ্রাবণ শাহ নামের এক চলচ্চিত্র অভিনেতাকে। কিন্তু সেই সংসারও টেকেনি। এবার শুরু করেছেন নতুন সংসার।

read more
বিনোদন মুখী

সোনা হীরের তৈরি ১ ৫ কোটি টাকার ‘ব্রা’র জন্য নিরাপত্তারক্ষী – ভিডিও দেখুন !

Untitled-10 copy

ভিডিও দেখার জন্য আপনাকে অনেক মোবারকবাদ। ভিডিও টি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন যাতে অনন্যরা ও দেখার সুযোগ পায় ।
২০ লাখ ডলার দামের অন্তর্বাস কেনারও যে লোক রয়েছে। তেমনি রয়েছে চোরের ভয়। অমন দামি জিনিস চুরি করার লোকেরও তো অভাব নেই। তাই অন্তর্বাসগুলির নিরাপত্তার জন্য আবার অনেক টাকা দিয়ে নিরাপত্তারক্ষীর ব্যবস্থা করল লঁজ়ারি সংস্থা ভিক্টোরিয়া’স সিক্রেট।সোনা হীরের তৈরি ১ ৫ কোটি টাকার ‘ব্রা’র জন্য নিরাপত্তারক্ষী-

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আরোও পড়ূনঃ-

জেনে নিন যে ৩টি উপায়ে খাঁটি সোনা চিনতে পারবেন ??

বিয়ে, জন্মদিন কিংবা যেকোনো উৎসবে নিজেকে সাজাতে নারীদের প্রথম পছন্দ হলো সোনার গহনা। তবে শুধুমাত্র নারীর অঙ্গশোভা বাড়াতে নয়- আভিজাত্য এবং সম্পদ সংরক্ষণে যুগ যুগ ধরেই প্রাধান্য পায় সোনা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

জেনে নিন খাঁটি সোনা চেনার উপায়-

১। সোনা কিনুন ২৪ ক্যারটের– ২৪ ক্যারট সোনাই আসল খাঁটি সোনা। ২৪ ক্যারট সোনা মানে ৯৯.৯% শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু দোকানে সাধারণত ২৪ ক্যারট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হয় না। তাতে সেই সোনার অলঙ্কার বড্ড নরম হয়ে যাবে। তাই দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি করা হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন যাতে ২২ ক্যারট সোনা দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট সোনা মানে ৯১.৬% শতাংশ সোনা।

২। BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন – সাধারণত, সোনা কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনেন। এটাই নিয়ম খাঁটি সোনা চেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে, আপনার সোনা সত্যিই খাঁটি।

৩। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্স রে করিয়ে নিন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করে নেওয়াটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সূযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও একবার চেষ্টা করে নেবেন, যাতে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার সোনাকে যাচাই করে নিতে পারেন।

জিনসেং কি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা? জিনসেং কি, জিনসেং খেলে গোপন ক্ষমতা বাড়ে কেন? জানুন

গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং বীর্যস্খলনের সময় কাল কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। জিনসেং মূলটির বয়স ছয় বছর হতে হবে। জিনসেং বর্তমানে সারা বিশ্বে একটি আলোচিত ঔষধি উদ্ভিদ, যার মূলে রয়েছে বিশেষ রোগ প্রতিরোধকক্ষমতা। হাজার বছর ধরে চীন, জাপান ও কোরিয়ায় জিনসেংয়ের মূল বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক, শক্তি উৎপাদনকারী, পথ্য ও টনিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

জিনসেং

জিনসেং কি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা? জিনসেং কি, জিনসেং খেলে গোপন ক্ষমতা বাড়ে কেন? জানুন
জিনসেং ইংরেজিতে পরিবারের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি মাংসল মূলবিশিষ্ট এক ধরনের বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। এটি পূর্ব এশিয়াতে, বিশেষ করে চীন, কোরিয়া ও পূর্ব সাইবেরিয়াতে, ঠান্ডা পরিবেশে জন্মে।শক্তিবর্ধক টনিক হিসেবে বিভিন্ন দেশে জিনসেংয়ের প্রচলন আছে। জিনসেং শব্দটা উচ্চারণের সাথে যে দেশটির নাম উচ্চারিত হয় সেটি হলো কোরিয়া। জিনসেংকে অনেকে কোরিয়ান ভায়াগ্রা বলে থাকে।

জিনসেং কি
আসলে জিনসেং কী? হলো গাছের মূল। এই গাছটির নামই। হাজার হাজার বছর ধরে কোরিয়াতে জিনসেং ওষুধি গুণাগুণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিনসেং গাছের মূল রোগ প্রতিরোধক এবং ইংরেজিতে বললে বলতে হয় । জিনসেংকে কোরিয়ানরা বিভিন্নভাবে খেয়ে থাকে। এর পুরো মূল সুপে দিয়ে দেয়, সিদ্ধ মূল খেতে হয়। চিবিয়ে চিবিয়ে এর নির্যাস নিতে হয়। জিনসেং দিয়ে মদও তৈরি হয়। এছাড়াও জিনসেং-এর রয়েছে নানাবিধ খাদ্য উপকরণ।

জিনসেং কে বলা হয় বা আশ্চর্য লতা। চীনে সহস্র বছর ধরে জিনসেং গাছের মূল আশ্চর্য রকম শক্তি উতপাদনকারী পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এছাড়াও এর রয়েছে নানাবিধ গুন।

চীন থেকে কেউ বেড়াতে আসলে সাধারণত দেখা যায় জিনসেং ও সবুজ চা কে গিফট হিসেবে নিয়ে আসতে। সেইরকম একটা গিফট পাওয়ার পরে ভাবলাম যে এই আশ্চর্য লতার গুন কে আসলে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নাকি এ শুধুই প্রাচীন চাইনিজ মিথ? ঘাটতে গিয়ে পেলাম নানা তথ্য। আমাদের দেশের মানুষেরা এটা সম্পর্কে কম-ই জানেন। তাই জিনসেং সম্পর্কে একটি পরিপূর্ণ ধারণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজকের পোস্ট।

জিনসেং :
মুলত দুই ধরণের জিনসেং ঔষধি গুনসম্পন্ন হিসেবে পরিচিত- আমেরিকান ও এশিয়ান। এর মধ্যে এশিয়ান জিনসেং অপেক্ষাকৃত বেশি কার্যকরী। এই দুই ধরণের জিনসেং কে বলা হয় প্যানাক্স জিনসেং।

প্যানাক্স শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ “panacea” থেকে যার অর্থ হলো বা সর্ব রোগের ঔষধ। জিনসেং সাদা (খোসা ছাড়ানো) ও লাল (খোসা সমেত) এই দুই রকম রূপে পাওয়া যায়। খোসা সমেত অবস্থায় এটি অধিক কার্যকরী। এদের মধ্যে থাকা জিনসেনোনোসাইড নামক একটি উপাদান এর কার্যক্ষমতার জন্য দায়ী। সাইবেরিয়ান জিনসেং নামে আরেক ধরণের গাছ আছে, যা জিনসেং বলে ভূল করা হলেও তা আসলে প্রকৃত জিনসেং না।

জিনসেং ও লিংগোত্থানে অক্ষমতাঃ
জিনসেং এর গুনাবলীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যা প্রমানিত তা হলে, পুরুষের লিংগোত্থানে অক্ষমতা রোধে এর ভূমিকা। ৪৫ জন ইরেকটাইল ডিসফাংশন (লিংগোত্থানে অক্ষম ব্যাক্তি) এর রোগীর উপর একটি পরীক্ষা চালান। তাদের কে ৮ সপ্তাহের জন্য দিনে ৩বার করে ৯০০ মিগ্রা জিনসেং খেতে দেয়া হয়, এরপর দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার ৮ সপ্তাহ খেতে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮০% জানান যে, জিনসেং গ্রহনের সময় তাদের লিংগোত্থান সহজ হয়েছে। ২০০৭ সনে এ ৬০ জন ব্যাক্তির উপর করা এবং এ ৯০ জন ব্যাক্তির উপর করা অনুরুপ আরো দুটি গবেষনা প্রকাশিত হয়। ২০০২ সালের একটি গবেষনায় বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে, জিনসেং কিভাবে লিংগোত্থানে সহায়তা করে। পুরুষের যৌনাংগে নামে বিষেশ ধরণের টিস্যু থাকে। নাইট্রিক অক্সাইডের উপস্থিতিতে এই টিস্যু রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে লিংগোত্থান ঘটায়। জিনসেং সরাসরি দেহে নাইট্রিক অক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে লিংগোত্থানে সহায়তা করে।

জিনসেং ও দ্রুত বীর্যস্খলন
যদিও কাচা জিনসেং এর মূল এই রোগে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা জানা যায়না তবে জিনসেং এর তৈরী একটি ক্রীম পুরুষদের দ্রুত বীর্যস্খলন রোধে বিশ্বব্যাপী ব্যবহার হয়ে আসছে যা মিলনের একঘন্টা আগে লিঙ্গে লাগিয়ে রেখে মিলনের আগে ধুয়ে ফেলতে হয়। তে ২০০০ সনে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী এটি বীর্যস্খলনের সময় কাল কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। আসলে, জিনসেং শব্দটাই এসছে চাইনিজ শব্দ “রেনসেং” থেকে। “রেন” অর্থ পুরুষ ও “সেন” অর্থ “পা”, যৌনতা বৃদ্ধিতে এর অনন্য অবদান এর জন্যই এর এইরকম নাম (অবশ্য এটি দেখতেও পা সহ মানুষের মত)।

জিনসেং ও
বলতে বুঝায় বিভিন্ন মানসিক ক্ষমতা যেমন মনযোগ, স্মৃতিশক্তি, কথা শোনার সাথে সাথে বুঝতে পারার ক্ষমতা,কল্পনাশক্তি, শেখার ক্ষমতা, বিচারবুদ্ধি, চিন্তা শক্তি ও সমস্যা সমাধান করে কোন একটা সিদ্ধান্তে পৌছানোর ক্ষমতা। সোজা ভাষায় বলতে গেলে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি। জিনসেং স্নায়ুতন্তের উপর সরাসরি কাজ করে মানসিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ২০০৫ সনে তে প্রকাশিত গবেষনা অনুযায়ী ৩০ জন সুস্বাস্থ্যবান যুবার উপর গবেষনা করে দেখা গিয়েছে যে জিনসেং গ্রহন তাদের পরীক্ষার সময় পড়া মনে রাখার ব্যাপারে পজিটিভ ভূমিকা রেখেছিল। একই জার্নালে ২০০০ সালে করা একটি গবেষনা, যুক্তরাজ্যের কর্তৃক ৬৪ জন ব্যাক্তির উপর করা একটি গবেষনা এবং চীনের কর্তৃক ৩৫৮ ব্যাক্তির উপর করা একটি গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মধ্যবয়স্ক ও বৃদ্ধ ব্যাক্তির স্মরণশক্তি ও সার্বিক বৃদ্ধিতেও সহায়ক বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২০০৫ সনে তে প্রকাশিত ইদুরের উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মস্তিষ্কের কোষ বিনষ্টকারী রোগ যা স্মৃতিশক্তি বিনষ্ট করে (যেমন পারকিন্সন ডিজিজ, হান্টিংটন ডিজিজ ইত্যাদি) সেসব প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

জিনসেং ও ডায়াবেটিস
২০০৮ সনে ১৯ জন টাইপ ২ ডায়বেটিস এর রোগীর উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং টাইপ ২ ডায়বেটিস ম্যানেজমেন্টে কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

জিনসেং ও কোলেস্টেরল
এ ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী, দিনে ৬ মিগ্রা হারে ৮ সপ্তাহ জিনসেং গ্রহণ খারাপ কোলেস্টেরল যেমন- এর মাত্রা কমাতে ও ভালো কোলেস্টেরল বা এর মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে।

জিনসেং ও ফুসফুসের রোগঃ
হচ্ছে ফুসফুসের অন্যতম কমন রোগ। এই রোগীদের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বুকে কফ থাকে ও কারো কারো ফুসফুসের ক্ষয় ঘটে। এ ২০০২ সনে প্রকাশিত ৯২ জন রোগীর উপর করা গবেষনা অনুযায়ী ১০০মিগ্রা ডোজে ৩ মাস জিনসেং গ্রহণে সার্বিক ভাবে এর অবস্থার উন্নতি হয় বলে প্রমাণিত হয়েছে।

জিনসেং ও ত্বকঃ
জিনসেং বিভিন্ন এন্টি-এজিং ক্রীম ও স্ট্রেচ মার্ক ক্রীম এ ব্যবহৃত হয়। এইসব ক্রীম ত্বকের কোলাজেন এর উপর কাজ করে ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধ করে ও গর্ভবতী নারীদের পেটের ত্বক স্ফীতির কারণে তৈরী ফাটা দাগ নিরসন করে। তবে এটির জন্য জিনসেং এর ভূমিকা কতটুকু ও ক্রীমে থাকা অন্যান্য উপাদানের ভূমিকা কতটুকু তা জানা যায়নি।

জিনসেং ও ক্যান্সার
জিনসেং ক্যান্সার নিরাময় করতে না পারলেও আমেরিকার ম্যায়ো ক্লিনিক ক্যান্সার সেন্টারের গবেষকরা বলছেন, ক্যান্সারে ভুগছেন এমন রোগীদের দুর্বলতা কাটাতে জিনসেং সহায়ক। ৩৪০ রোগী নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, ৮ সপ্তাহ ধরে উচ্চমাত্রার জিনসেং ক্যাপসুল সেবন করেছেন এমন রোগীদের দুর্বলতা অন্যান্য পদ্ধতির চিকিৎসা গ্রহণকারীদের তুলনায় অনেক কমেছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
বিনোদন মুখী

শিশির বলেছিলেন ‘তুমিই পারো ম্যাচটা জেতাতে’

Capture

তৃতীয় দিন দুপুর পর্যন্ত ম্যাচটা বাংলাদেশের হাতেই ছিল; কিন্তু তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে নাথান লিওন আর অ্যাস্টন অ্যাগারের ঘূর্ণি বলে বাংলাদেশ যখন ২২১ রানে অলআউট হয়ে গেল এবং অস্ট্রেলিয়ার সামনে মাত্র ২৬৫ রানের লক্ষ্য বেঁধে দিল, তখন বিশ্বাসের পাল্লাটা পেন্ডুলামের মত দুলছিল; কিন্তু দিন শেষে ম্যাচটা পুরোপুরি হেলে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার দিকে।

কারণ, দিন শেষে ডেভিড ওয়ার্নার আর স্টিভেন স্মিথ ৮১ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের পথে নিয়ে এসেছিলেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

আজ সকালে যখন ওয়ার্নার সেঞ্চুরি করেন তখন তো মনে হচ্ছিল ম্যাচটা বুঝি আর বাঁচানোই গেল না; কিন্তু ঢাকার উইকেট যে আনপ্রেডিক্টেবল! ক্রিকেটও তো গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা। শেষ বল পর্যন্ত যার সম্পর্কে আগাম ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় না। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হলেন সেই সাকিব আল হাসানই।

 

 

 

 

তিনি ফেরালেন স্মিথ এবং ওয়ার্নারকে। শেষ পর্যন্ত নিলেন ৫ উইকেট। তাইজুল তিনটি এবং মিরাজ দুটি। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে হ্যাজলউডকে তাইজুল এলবিডব্লিউ করার সঙ্গেই (২০ রানের ব্যবধানে) বিজয়ের আনন্দে মেতে ওঠে পুরো বাংলাদেশ। তবে বিজয়ের মধ্যমণি হয়ে থাকেন কেবল সাকিব আল হাসানই। একক অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়ে তিনি উপহার দিলেন ঐতিহাসিক এক জয়।

 

 

 

 

 

বাংলাদেশ যখন একেবারে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে, তখনও বিশ্বাস হারাননি সাকিব। সতীর্থদের মধ্যে সাহসের সঞ্চার করার চেষ্টা করেছেন। মধ্যাহ্ন বিরতির পর ড্রেসিং রুমে সতীর্থদের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, তাদের জয়ের সামর্থ্য আছে। মনোবল যেন না হারায়। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে এসে সাকিব সেটাই জানান।

 

 

 

সাকিব বলেন, ‘জানতাম না আমাদের ওপর আজ কেউ আস্থা রাখতে পেরেছিল কি না। তবে মধ্যাহ্ন বিরতির সময় আমি সতীর্থদের বলেছিলাম, আমাদের বিশ্বাস আছে। এখনও সুযোগ আছে আমরাই জিতব।’

 

 

 

 

এরপরই সাকিব মাইক্রোফোন নিয়ে দর্শকদের উদ্দেশ্যে বাংলায় বললেন, ‘খেলার শুরুর দিকে আমাদের আত্মবিশ্বাস ছিল যে, আমরাই জিতব। তবে তৃতীয় দিন শেষে এসে আমাদের অনেকের মধ্যে মনে হয়েছিল ম্যাচটা জিততে পারব না। কিন্তু আপনারা দর্শকরাই আমাদের জিতিয়েছেন। আপনাদের আত্মবিশ্বাস ছিল এজন্য স্টেডিয়ামে এসেছেন, আমাদের উৎসাহ দিয়েছেন। এ কারণে আমরা ম্যাচটা জিতেছি। আপনাদের অশেষ ধন্যবাদ।’

 

 

 

এ সময়ই নিজের মোটিভেশন নিয়ে কথা বলেন সাকিব। জানিয়ে দেন কোথা থেকে এত আত্মবিশ্বাস পেয়েছেন তিনি। সাকিব জানান, ‘তার স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরই তাকে উৎসাহ দিয়ে বলেছিলেন, তারই একমাত্র ক্ষমতা আছে ম্যাচটি জেতানোর। তিনিই পারেন ম্যাচটি জেতাতে।’

 

 

 

 

 

সাকিব বলেন, ‘আরও একটি ঘটনার কথা বলি, গতকাল রাতে আমি যখন আমার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছিলাম, তখন তাকে বলছিলাম যে আমরা মনে হয় হেরে যেতে পারি। তখন আমার স্ত্রী আমাকে সাহস জুগিয়ে বলেছিল, পারলে একমাত্র তুমিই পারো বাংলাদেশকে জেতাতে। সেখান থেকেই আমি আত্মবিশ্বাসটা পেয়েছিলাম।’

 

 

 

 

read more
1 2
Page 1 of 2