close

বিশেষ প্রতিবেদন

বিশেষ প্রতিবেদন

হিরো আলমের যে কথা শুনে টাস্কি খেলেন প্রধানমন্ত্রি!

Untitled-1 copy

 

হিরো আলমের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রির মাথানষ্ট!! দায়িত্ব পেলে সাত দিনেই দেশ ঠিক করে ফেলব : হিরো আলম!

 

হিরো আলমের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রির মাথানষ্ট!! দায়িত্ব পেলে সাত দিনেই দেশ ঠিক করে ফেলব : হিরো আলম!

ভিডিওটি দেখুন নিচে…..

 

অন্নরা যা পড়ছে…..

নিহত তিন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর জানাজা সম্পন্ন

 

আফ্রিকার মালিতে বিদ্রোহীদের পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে নিহত তিন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসস্থ ১৩ এমপি ইউনিটের ‘চপার্স ডেনে’ এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে জানাযায় অংশ নেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক।
জানাজায় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল মশিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতসহ ঢাকা সেনানিবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সব পদবীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জানাযার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান এবং মিনুসমা ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল জ্যা-পল ডিকোনিনক শহীদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই তিন সদস্যের মরদেহ নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। সেখানে সম্পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তাদের দাফনকার্য সম্পন্ন হবে।

গেলো ২৪ সেপ্টেম্বর মালিতে বিদ্রোহীদের পুঁতে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইজ (আইইডি) বিস্ফোরণে নিহত হন সার্জেন্ট আলতাফ, ইএমই (দিনাজপুর); ল্যান্স করপোরাল জাকিরুল, আর্টিলারি (নেত্রকোনা) এবং সৈনিক মনোয়ার, ইস্ট বেঙ্গল (বরিশাল)।
এ ঘটনায় আহত হন আরো চার বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী। তারা হলেন হলেন মেজর জাদিদ, পদাতিক (ঢাকা); করপোরাল মহিম, পদাতিক (নোয়াখালী); সৈনিক সবুজ, পদাতিক (নওগাঁ) ও সৈনিক সরোয়ার, পদাতিক (যশোর)।

 

 

 

read more
বিশেষ প্রতিবেদন

যমুনা নদীর তলদেশে বাংলাদেশের যে আবিষ্কার সারা পৃথিবীকে অবাক করে দিয়েছে………..

Untitled-1 copy

 

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ৩ হাজার ৫ মিটার দৈর্ঘ্যের টানেল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে গত এপ্রিল মাসে। দ্বিতীয় ধাপে এবার যমুনা নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে দীর্ঘ ১৩ কিলোমিটার টানেল। এ টানেলের মাধ্যমেই ফের চালু হবে রেল ফেরি সার্ভিসও।

‘মাল্টি মডেল টানেল আন্ডার দ্য রিভার যমুনা’ প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত টানেলটিতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ট্রেন ও যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা থাকছে। ফলে রংপুর বিভাগের সঙ্গে ঢাকা বিভাগের উত্তরাঞ্চল ও বৃহত্তর ময়মনসিংহসহ দেশের অন্য অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে বলে জানিয়েছে বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ।

সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, গাইবান্ধা জেলার বালাশীঘাট ও জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জঘাট নৌ-রুট বরাবর টানেলটি নির্মিত হবে। এ লক্ষ্যে বালাশী-দেওয়ানগঞ্জঘাটকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৩ কিলোমিটার প্রশস্ত যমুনা নদী দিয়ে গড়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় সাড়ে উনিশ হাজার ঘনমিটার পানি প্রবাহিত হয়। একই সময়ে প্রায় ছয়শ’ টন পলিও বহন করে থাকে যমুনা, যা বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। পলি জমার বিষয়টি বিবেচনায় সেতুর পরিবর্তে টানেল নির্মাণ সুবিধাজনক।

 

 

সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে যমুনা নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণে প্রস্তাবিত ব্যয় ১০০ কোটি ডলার নির্ধারিত হয়েছে। বাংলাদেশ-জাপান সরকারের যৌথ ইশতেহারে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ঋণ পাওয়ারও আশা করছে সেতু বিভাগ।

সেতু বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ওবায়দুল হক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপরে অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে টানেলের মাধ্যমে রেল ও সড়কপথের যাত্রীরা দ্রুততম সময়ে পারাপার হতে পারবেন। দেশবাসীর স্বপ্নের এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রাথমিক কাজ হিসেবে ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হবে। এরপরেই মূল প্রকল্প গ্রহণ করবো। সেতু বিভাগের সকল প্রকল্পই বড় বড়, এটিও তাই’।

‘এটি অনেক টাকার ব্যাপার। আশা করছি, বড় বড় দেশ অর্থায়ন করবে। এমনভাবে টানেল নির্মিত হবে, যেন সড়ক ও রেলপথ তৈরি হয়। কারণ, যমুনার উভয় পাশেই এক সময় সড়ক ও রেলঘাট ছিলো’।

সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার একনেকসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। চলতি সময় থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে ১৩২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে তা করা হবে। এর মধ্যে ৭৪ কোটি টাকা অনুদান দেবে জাপান। প্রাথমিকভাবে যমুনা নদীর তলদেশে বেশ কিছু সমীক্ষা চালানোসহ প্রস্তাবিত টানেলের অবস্থান, অ্যালাইনমেন্ট ও চূড়ান্ত দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হবে।

টানেল নির্মাণ পদ্ধতি, জিওটেকনিক্যাল ইনভেস্টিগেশন, ট্রাফিক সার্ভে পরিচালনা, পরিবেশ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত সমীক্ষাও করা হবে। তলদেশ খনন পদ্ধতি, রক্ষণাবেক্ষণ, ঝুঁকি মূল্যায়ন ও হ্রাস করাও হবে দ্রুততম সময়ে। এরপরেই শুরু হবে আরও একটি মেগা প্রকল্পের মহা কর্মযজ্ঞ।

টানেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ব্রিটিশ রেলওয়ে উত্তরবঙ্গের রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া, নীলফামারী ও ঠাকুরগাঁওসহ ১৩ জেলা এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের জামালপুর, শেরপুর ও ময়মনসিংহ সদরসহ পাঁচ জেলার সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক-রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। টানেলের মাধ্যমে যাত্রীবাহী যানবাহন ও রেল সার্ভিস চালু করা যাবে। দুই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষ (রেলযাত্রী) এবং লাখ লাখ মেট্রিক টন মালামাল পারাপার করা যাবে।

read more
বিশেষ প্রতিবেদন

এটাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যে পার্থক্য

Untitled-1 copy

নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের মুখে খাকি পোশাক, বুট জুতা আর অস্ত্রধারী মিয়ানমার মিলিটারির (রোহিঙ্গারা সেনাবাহিনীকে মিলিটারি বলে জানে) নৃশংসতার বর্ণনা শুনে সবাই কেঁদেছে। অপরদিকে সরকারি আদেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা শনিবার সকালে পৌঁছে কুতুপালং ক্যাম্পে অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন।

 

 

রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তারা। কাঠফাঁটা রোদে পলিথিনের ঝুপড়িতে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনযাপন সবাইকে ব্যথিত করেছে।

পোশাকি মিল থাকলেও প্রত্যেক দেশের সেনাবাহিনী যে একই চরিত্রের নয়, তা ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছে টেকনাফ-উখিয়ায় আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অমানবিক বর্বরতা ও নৃশংসতার শিকার মানুষগুলো এখন দেখছে অন্য এক রকম সেনাবাহিনী।

 

 

শনিবার হঠাৎ সেনা সদস্যরা শরণার্থী শিবিরে ঝুপড়িগুলো পরিদর্শন করার সময় অনেক রোহিঙ্গা নারী ও শিশু ভয় পেয়ে যায়। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার ও নির্মমতার স্মৃতি তারা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলে ভয় পেয়েছে তারা। অবশ্য বাংলাদেশ সেনা সদস্যদের ভালোবাসা ও সুন্দর করে কথা বলা দেখে ভুল ভাঙে রোহিঙ্গাদের। খাকি পোশাক, পায়ে বুট জুতা, আর কাঁধে ঝুলানো অস্ত্র থাকলেই যে নির্যাতন করবে এমন চিন্তাধারার পরিবর্তন এসেছে রোহিঙ্গাদের মাঝে । শনিবার থেকে সেনাবাহিনীর সমাদর, সহযোগিতা ও ভালোবাসা দেখে আপ্লুত তারা। কেউ কেউ বলছেন এই মিলিটারি সেই মিলিটারি না।

 

]

নিজ দেশে বাস্তুুুচ্যুত হওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ সরকার উখিয়ায় যে ২ হাজার একর জমি নির্ধারণ করে দিয়েছে সেখানে সেনাবাহিনী ১৪ হাজার শেড তৈরি করবে। এসব শেডের প্রতিটিতে ছয়জন করে ৮৪ হাজার পরিবারকে বসবাসের সুযোগ করে দেয়া হবে। শেড নির্মাণের পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমও পরিচালনা করবে সেনাবাহিনী। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তারা এটি করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় এসে চলমান প্রতিটি কাজ পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিক ধারণা নেন। এরপর কোথায় কি করতে হবে তা নির্ধারণ করে তারা ফিরে যান। শনিবার দুপুরে ৩৬ বীর, ২৪ বেঙ্গল ও ৬৩ বেঙ্গল নামে তিনটি টিম রোহিঙ্গাদের আশ্রয় স্থল উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালী আসে।

সেনাদের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মুহাম্মদ রাশেদ আকতার এসপি জানান, পূর্ব সিদ্ধান্ত মতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় এসে সেনা সদস্যরা প্রথমে সড়কে শৃঙ্খলা আনতে কাজ শুরু করে। অনিয়ন্ত্রিত যানবাহন ও বিচ্ছিন্ন ত্রাণ বিতরণ এবং রাস্তায় রোহিঙ্গাদের অহেতুক জটলা সরিয়ে দিয়ে সড়ক যোগাযোগ নির্বিঘ্ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, কন্ট্রোল রুমে জমা হওয়া দ্রুত পচনযোগ্য তাজা খাবারগুলো আলাদা করে বিতরণের জন্য নেয়া হচ্ছে। বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের আওতায় আসা রোহিঙ্গারাই এসব ত্রাণের আওতায় আসছে। এর মাধ্যমে বায়োমেট্রিকের সুবিধার মেসেজটা রোহিঙ্গাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছি। যাতে কচ্ছপ গতি থেকে চলমান এ নিবন্ধন প্রক্রিয়াটা খরগোশ গতিতে আসে।

 

 

কাজের সুবিধার্থে উখিয়া ডিগ্রি কলেজের পরিত্যক্ত একটি কক্ষকে কোম্পানির কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে উল্লেখ করে মেজর মুহাম্মদ রাশেদ আকতার জানান, প্রথম দিন হিসেবে শুধু শৃঙ্খলা আনয়নে কাজ করেছি। রোববার থেকে একটি টিম শেড নির্মাণের কাজ শুরু করেছে।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, নিপীড়নের শিকার হওয়ার পর আশ্রয়ের আশায় বাংলাদেশে ঢোকে রোহিঙ্গারা। মানবিকতার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের আশ্রয় দিয়ে সহায়তা দিতে নির্দেশ দেন। এরপর থেকে তাদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। শুধু ত্রাণ দিলে হবে না তাদের জন্য সুষ্ঠু স্যানিটেশন ব্যাবস্থা, সুপেয় পানিসহ পরিচ্ছন্ন আবাসন দরকার। তা নিশ্চিত করা সম্ভব না হলে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে হবে। এটি স্থানীয়দের জন্যও হুমকিস্বরূপ। তাই দ্রুততার সঙ্গে শৃঙ্খলভাবে কাজ সম্পন্ন করতে আমরা সেনাবাহিনীর সহায়তা নিচ্ছি।

 

 

জেলা প্রশাসক জানান, সেনাবাহিনী ক্যাম্পে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিককরণে রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার কাজ করবে। পাশাপাশি শৃঙ্খলার সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে ত্রাণ বিতরণেও কাজ করবে সেনাবাহিনী। এ কারণে সব ধরনের ত্রাণ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রদানের জন্য আবারও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ছবি ও সূত্র- নয়া দিগন্ত

 

 

read more
বিশেষ প্রতিবেদন

চকরিয়া বাস টার্মিনালে অবাধে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক পানীয়: বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

Capture

চকরিয়া বাস টার্মিনালে অবাধে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক পানীয়: বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

 

 

 

 

সরেজমিনে ওই এলাকার ওসমান সওদাগরের কুলিং কর্নারের ফ্রিজের উপর, সামনের টেবিল ও সেলফে শতাধিক যৌন উত্তেজক সিরাপ লক্ষ্য করা গেছে। একইভাবে

সরেজমিনে ওই এলাকার ওসমান সওদাগরের কুলিং কর্নারের ফ্রিজের উপর, সামনের টেবিল ও সেলফে শতাধিক যৌন উত্তেজক সিরাপ লক্ষ্য করা গেছে। একইভাবে বিপুল সংখ্যক এসব পানিয় বোতল দিয়ে দোকান সাজানো হয়েছে তার পার্শ্ববর্তী মালেক, তানজিদ হোসেন ও রুহুল আমিন সওদাগর নামক কোর্লিং কর্নারে। এতে কিছুসংখ্যক তরুণ-যুবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন ঝুঁকছে এসব সিরাপের দিকে। আর সিরাপগুলো পানের কু-প্রভাবে চকরিয়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলাতে যৌনাচার, ব্যভিচার, ধর্ষণ, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি স্বামী-স্ত্রী ও অভিভাবক-সন্তানের মধ্যে আস্থার সংকট ও অবিশ্বাস সৃষ্টিসহ সামাজিক বন্ধন শিথিল হয়ে যাচ্ছে বলে সমাজকর্মীরা আশংকা প্রকাশ করেছে।
সাম্প্রতিককালে দেশিয় ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে আশা বিভিন্ন অসাধু কোম্পানির সরবারহকৃত এসব যৌন উত্তেজক সিরাপে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এসব যৌন উত্তেজক সিরাপের গায়ে ৬০-৭০ টাকা বিক্রয়মূল্য লিখা থাকলেও কেনা পড়ে মাত্র ১৫-২০ টাকা। অতিরিক্ত মুনফা হাঁকাতে অবাধে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ওই অসাধু ব্যবসায়ীরা। এর বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে কোন প্রকার নজরদারী করা হচ্ছে না। প্রশাসনের নীরবতার সুযোগে যৌন উত্তেজক এসব পানিয় পানের ফলে যৌন অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে স্থানীয় চিকিৎসকরা আশংকা প্রকাশ করছেন

read more