close

মানবতা

মানবতা

বোরকা দিয়ে আগুন নিভিয়ে ভারতীয় চালকের প্রাণ বাঁচালেন মুসলিম নারী

Untitled-1 copy

 

 

উপস্থিত বুদ্ধির জোরে জলন্ত ট্রাকের মধ্যে থেকে বের করে এক ভারতীয় চালকের প্রাণ বাঁচালেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এক মুসলিম মহিলা। ঘটনায় প্রকাশ, হাসপাতালে বন্ধুকে দেখে বাড়ি ফিরছিলেন জওয়াহের সেফ আল কুমায়িতি নামে এক বছর বাইশের মহিলা।

পথে, রাস আল-খাইমা শহরের কাছে তিনি দেখেন দুটি ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সঙ্গে সঙ্গে দুটি ট্রাকেই আগুন লেগে যায়।
কুমায়িতির কানে আসে, একটি ট্রাক থেকে কেউ একজন চিৎকার করে বাঁচানোর আর্তি করছেন।

 

সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গী বন্ধুর পরনের জোব্বা নিয়ে তিনি ছুটে গিয়ে আগুন নিভিয়ে চালককে বের করে আনেন। পুলিশ জানিয়েছে, ওই চালকের নাম হরকিরিত সিং।

 

 

কুমায়িতি বলেন, আমি গিয়ে দেখি, ওই চালক পড়ে রয়েছে। ওর গায়ে আগুন লেগে রয়েছে। ওর শরীরে কোনো কাপড় ছিল না। আমি জোব্বা দিয়ে তাঁকে ঢেকে দিই।

 

 

কুমায়িতি যোগ করেন, ওই চালক তাঁকে জানান, তিনি মরতে চান না। মহিলা তাঁর সঙ্গে কথা বলে শান্ত হতে বলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও প্যারামেডিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুই চালককেই হাসপাতালে নিয়ে যান। কুমায়িতি জানান, ওই ব্যক্তির প্রাণ বাঁচাতে পেরে তাঁর ভালো লাগছে।

উপস্থিত বুদ্ধির জোরে জলন্ত ট্রাকের মধ্যে থেকে বের করে এক ভারতীয় চালকের প্রাণ বাঁচালেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এক মুসলিম মহিলা। ঘটনায় প্রকাশ, হাসপাতালে বন্ধুকে দেখে বাড়ি ফিরছিলেন জওয়াহের সেফ আল কুমায়িতি নামে এক বছর বাইশের মহিলা।

 

পথে, রাস আল-খাইমা শহরের কাছে তিনি দেখেন দুটি ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সঙ্গে সঙ্গে দুটি ট্রাকেই আগুন লেগে যায়।
কুমায়িতির কানে আসে, একটি ট্রাক থেকে কেউ একজন চিৎকার করে বাঁচানোর আর্তি করছেন।

সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গী বন্ধুর পরনের জোব্বা নিয়ে তিনি ছুটে গিয়ে আগুন নিভিয়ে চালককে বের করে আনেন। পুলিশ জানিয়েছে, ওই চালকের নাম হরকিরিত সিং।

 

 

কুমায়িতি বলেন, আমি গিয়ে দেখি, ওই চালক পড়ে রয়েছে। ওর গায়ে আগুন লেগে রয়েছে। ওর শরীরে কোনো কাপড় ছিল না। আমি জোব্বা দিয়ে তাঁকে ঢেকে দিই।

 

 

কুমায়িতি যোগ করেন, ওই চালক তাঁকে জানান, তিনি মরতে চান না। মহিলা তাঁর সঙ্গে কথা বলে শান্ত হতে বলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও প্যারামেডিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুই চালককেই হাসপাতালে নিয়ে যান। কুমায়িতি জানান, ওই ব্যক্তির প্রাণ বাঁচাতে পেরে তাঁর ভালো লাগছে।

 

 

read more
মানবতা

এবার রোহিঙ্গাদের জন্য যে সাহায্য ঘোষণা দিয়ে সবাইকে চমকে দিলো তামিম, যা জানলে আপনিও গর্ববোধ করবেন। ..

Untitled-1 copy

দক্ষিণ আফ্রিকায় জাতীয় দলের দায়িত্ব থাকা তারকা ওপেনার তামিম ইকবাল সম্পূর্ণ সফরের রোহিঙ্গাদের সাহায্যে দান করবেন বলে মনঃস্থির করেছেন।

 

 

 

তবে বিষয়টি জানাজানি হোক, সেটা চাইছেন না তামিম ইকবাল। টাইগার ওপেনারের সহধর্মিণী আয়শা সিদ্দিকাও চেয়েছেন মানবতার সেবায় এগিয়ে আসতে।

তামিম বলেছেন, ‘ইন্টারনেটে বাচ্চাদের কি সব ছবি দেখছি! আয়েশা (মিসেস তামিম) খুব অস্থির হয়ে গেছে পানিতে ভেসে ওঠা একটা বাচ্চার ছবি দেখে।

 

 

আরো কত রোহিঙ্গা বাচ্চার কাহিনী শুনছি। আমাদেরও সন্তান আছে। আয়েশা বলল, আমিও ভাবলাম কিছু একটা করি।’

 

 

 

জানিয়ে রাখা ভালো, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর সব গুলো ম্যাচে খেলতে পারলে বাংলাদেশি টাকায় পনেরো লাখ টাকার মত ম্যাচ ফি পাবেন তামিম ইকবাল খান। পুরো অর্থটাই রোহিঙ্গাদের সাহায্যে কাজে লাগাতে চাইছেন তিনি।

 

 

আরও পড়ুন…..

 

 

বর্তমান বাজেটে নতুন মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) আইন কার্যকর না হওয়ায় চলতি অর্থবছরে ২০ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘাটতির আশঙ্কা করেছেন অর্থনীতিবিদরা। সে কারণে এ ঘাটতি মোকাবিলা করতে বাড়ির স্টাইল অনুযায়ী ট্যাক্স আদায়ের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘নতুন কৌশল করে বাজেট ঘাটতি পূরণের কথা চিন্তা করছে সরকার। তাই এবার আগেভাগেই বাজেট সংশোধন করা হবে। যারা বড় প্রাসাদ-বাড়ির মালিক তাদের সেই বাড়ির ওপর কিছু কর বাড়ানো হতে পারে।

উল্লেখ্য, নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতিরিক্ত ২০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর না হওয়ায় ঘটতি কীভাবে মেটাবেন-জানতে চাইলে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, নতুন কৌশলে এ ঘাটতি পূরণ করা হবে।

নতুন কৌশল কী হবে?-জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আগে পরিকল্পনা করেও বাড়িওয়ালাদের ট্যাক্সের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এবার তাদের ট্যাক্সের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছি। আর সেটি হচ্ছে, শুরুতে রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলোয় নির্মিত বাড়ির স্টাইল দেখে বাড়িওয়ালাদের ট্যাক্স ধার্য করা হবে। ধার্যকরা ট্যাক্স নিয়ে বাড়িওয়ালাদের আপত্তি থাকলে তা জানাতে তারা অবশ্যই কর অফিসে আসবেন। আর তখনই কর কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তার ওপর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের ট্যাক্স ধার্য করা হবে। আর এভাবেই আয় হবে অনেকটা পরিমাণ রাজস্ব। জানা গেছে, এ ছাড়াও রাজধানী ও রাজধানীর বাইরের বিভাগীয় শহরগুলোয় বসবাসকারী নাগরিক (৪০ বছরের নিচে) এবং যাদের আয় ভালো তাদেরও ট্যাক্সের আওতায় আনা হবে। আর তরুণদের ট্যাক্স দিতে উৎসাহী করতেও নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর না হওয়া এবং রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ ও সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ করা হতে পারে বলে জানা গেছে। সরকার মনে করছে, সর্বত্র ১৫ শতাংশ না ধরে এভাবে ভ্যাট হার পুনর্বিন্যাস করা গেলে রাজস্ব আয় বাড়বে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ২৯ লাখ নাগরিক আয়কর রিটার্ন দাখিল করলেও সবাই ট্যাক্স দেন না। রিটার্ন দাখিলকারীদের মধ্য থেকে ট্যাক্স দেওয়ার নাগরিকের সংখ্যা বাড়াতে নানামুখী উদ্যোগের অংশ হিসেবে এসব পরিকল্পনা করা হচ্ছে। দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতেও সরকার সহায়তা করছে। সরকার বিশ্বাস করে এসব উদ্যোক্তারাই এক সময় সেরা করদাতা হবেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘২০০৯ সালে ভূমিকর বাড়ানো হলেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এবার ভূমিকর বাড়ানোর একটা কৌশল বের করতে হবে। কারণ দেশের সর্বত্র সরকারি হারের অনেক বেশি দামে জমি কেনাবেচা হয় এবং তা আমাদের নাগরিকরাই কেনেন। রাজস্ব ঘাটতি পূরণে সরকার আয়কর ও করপোরেট করের ওপর জোর দেবে, পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদির ওপর থেকে ট্যাক্স কমানো হবে, চিকিৎসকদের ওপর আয়কর আদায়ে জোর দেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, সরকার ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকরের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ব্যবসায়ীদের বিরোধিতায় শেষ পর্যন্ত আইনটি দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। এতে রাজস্ব আদায়ে বিশাল ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় চিন্তিত অর্থমন্ত্রী। এ জন্য বাজেটের অর্থায়ন ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে একটি কর্মপরিকল্পনা চেয়েছিলেন তিনি। জানা গেছে, ইতোমধ্যেই রাজস্ব আদায়ের একটি কর্মপরিকল্পনা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে এনবিআর। এতে বলা হয়েছে, বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বছর শেষে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে। ফলে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই রাজস্ব আদায় করবে সরকার।

 

 

 

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো ওই কর্মপরিকল্পনা বলা হয়, ভ্যাটের আওতা বাড়াতে হবে এবং বকেয়া আদায় বাড়ানোর মাধ্যমে রাজস্ব ঘাটতি পূরণের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এ জন্য সিগারেট ও বিড়ি খাত থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকা, বিমানের টিকিট থেকে আবগারি শুল্ক হিসাবে ৫০০ কোটি টাকা, ফাস্টফুডের ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক থেকে ১০০ কোটি টাকাসহ মোট পাঁচ হাজার ৬০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আহরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। একই সঙ্গে পেট্রোবাংলা ও পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কাছে পাওনা ২২ হাজার কোটি টাকা আদায় করার পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে ওই কর্মপরিকল্পনায়।

 

 

 

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘যেকোনো ঘাটতি মেটাতেই কৌশলী হতে হয়। সে ক্ষেত্রে বাজেটের ঘাটতি মেটাতে সরকার যদি কৌশলী হয় তাহলে তো আর কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। তবে সেটি যাতে জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে সেদিকে নজর রাখতে হবে।’ উল্লেখ্য, গত ২৯ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট পাস হয়। বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকা। এর বিপরীতে মোট আয় ধরা হয়েছে দুই লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা এবং অনুদানসহ ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ছয় হাজার ৭৭১ কোটি টাকা।

 

 

 

 

read more
মানবতা

১ লাখ রোহিঙ্গার জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা দেবে তুরস্ক

Untitled-2 copy

১ লাখ রোহিঙ্গার জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা দেবে তুরস্ক

 

 

নির্যাতনের কারণে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা এক লাখ রোহিঙ্গা নাগরিকের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা দেবে তুরস্ক। এছাড়া তুরস্ক রোহিঙ্গাদের জন্য শিগগিরই ১৩টি আইটেমের সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত ১০ হাজার প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করবে।

সফররত তুরস্কের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বিষয়ক সংস্থার সমন্বয়ক আহমেদ রফিক আজ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সাথে তার সচিবালয়ের অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে একথা জানিয়েছেন।

সাক্ষাৎকালে তারা রোহিঙ্গা পরিস্থিতিসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেন। রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের বিষয়টিকে অমানবিক হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত এর সমাধান আশা করেন তারা।

ত্রাণ মন্ত্রী জানান, একান্ত মানবিক কারণে বাংলাদেশ মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছে। রোহিঙ্গা নিয়ে সরকারের মনোভাব ও অবস্থান অবহিত করেন মন্ত্রী।

তুরস্কের প্রতিনিধি জানান, রোহিঙ্গা সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানে তুরস্ক বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

এ সময় আহমেদ রফিক জানান, তুরস্ক বাংলাদেশে পালিয়ে আসা এক লাখ রোহিঙ্গা নাগরিকের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করে দেবে। আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের স্থান নিয়ে আলোচনা করেন তারা। আহমেদ রফিক আরো জানান, তুরস্ক শিগগিরই ১৩টি আইটেমের সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত ১০ হাজার প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করবে। এগুলোর হস্তান্তর নিয়েও কথা বলেন তারা।

প্রতিনিধি আরো জানান, শিগগিই তুরস্কের উপপ্রধান মন্ত্রী রিসেপ আব্বাস বাংলাদেশ সফর করবেন। বাংলাদেশ তুরস্কের উপপ্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে বলে মন্ত্রী প্রতিনিধিকে জানান। সফরের কর্মসূচি নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আলাপ হয়। -বাসস

রোহিঙ্গাদের পক্ষে এরদোগান সোচ্চার যে কারণে
গত আটমাসে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বরাবরই সোচ্চার ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান।

তিনি সরাসরি বলেছেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর গণহত্যা চালানো হচ্ছে।

এরদোগানের মতো এতোটা জোরালো অভিযোগ অন্য কোনো রাষ্ট্রপ্রধান করেননি।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে এরদোগান সরাসরি ফোন করেছিলেন মিয়ানমারের সবচেয়ে ক্ষমতাবান রাজনৈতিক নেত্রী অং সান সু চি-কে। রোহিঙ্গা মুসলমানদের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সু চি’র কাছে উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক।

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দুর্দশা সচক্ষে দেখতে তুরস্কের ফার্স্ট লেডি আমিনা এরদোগান বাংলাদেশে আসেন। টেকনাফে রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে যান।

প্রশ্ন হচ্ছে, রোহিঙ্গা ইস্যুকে তুরস্ক কেন এতটা গুরুত্ব দিচ্ছে?

যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিন পি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষক ড. তাজ হাশমি মনে করেন এর পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে।

তুরস্ক একসময় মুসলিম বিশ্বে নামকরা একটি দেশ ছিল। ইরান ছাড়া পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা তুরস্কের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

হাশমি বলেন, “অনেকে এরদোগানকে বলছেন নিউ সুলতান। উনি তুরস্কের সে পুরনো রোলে (ভূমিকায়) ফিরে যেতে চাচ্ছেন। তুরস্কের পুরনো শৌর্য পুনরুত্থান করতে হবে।”

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সোচ্চার হওয়ার পেছনে এরদোগানের ব্যক্তিগত বিষয় জড়িত আছে বলে মনে করেন হাশমি।

তিনি মনে করেন, ইসলামপন্থী হিসেবে পরিচিত এরদোগান মুসলিম বিশ্বের প্রধান প্রতিনিধি হতে চাচ্ছেন।

এরদোগান চাচ্ছেন, মুসলিম বিশ্বে সৌদি আরব এবং পাকিস্তানের পরিবর্তে তুরস্ককে নেতৃত্বের আসনে নিয়ে আসতে।

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে এরদোগান সোচ্চার হলেও মিয়ানমারের উপর তিনি কতটা চাপ তৈরি করতে পারবেন?

তাজ হাশমি মনে করেন, সে সম্ভাবনা খুবই কম। ভারত এবং চীন প্রত্যক্ষভাবে এবং আমেরিকা পরোক্ষভাবে মিয়ানমারের শাসক গোষ্ঠীকে সহায়তা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

“নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, তিনি রোহিঙ্গা রিফিউজিদের ফিরিয়ে দেবেন। চীন সিকিউরিটি কাউন্সিলে ভেটো দিয়েছে। তার মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অ্যাকশন নেয়ার ঘোর বিরোধী। এছাড়া মুসলমানদের ব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে পলিসি তাতে মনে হচ্ছে না যে আমেরিকা এগিয়ে আসবে। আমেরিকার মিডিয়াতে রোহিঙ্গাদের ব্যাপার নিয়ে খুব একটা উচ্চবাচ্য হচ্ছে না,” বলছিলেন তাজ হাশমি।

তার ধারণা বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি নতুন ফ্রন্ট দাঁড় করানো যায় কিনা সে চেষ্টা তুরস্ক করছে।

যদি মিয়ানমারের উপর কোনো চাপ তৈরি করা সম্ভব না হয়, তাহলে এরদোগানের তাতে কী লাভ হবে?

তাজ হাশমি মনে করেন, রোহিঙ্গাদের জন্য সোচ্চার হয়ে এরদোগান দেশের মধ্যে এবং মুসলিম বিশ্বে এক ধরনের ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

তিনি বলেন, “মুসলিম বিশ্বে তার একটা ইমেজ সৃষ্টি হবে যে উনি ইসলামের একজন চ্যাম্পিয়ন, উনি মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সাধনে প্রচেষ্টা করছেন।”

তাজ হাশমির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তুরস্ক চাচ্ছেন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ইরান ও বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে একটি ফ্রন্ট করার চিন্তা-ভাবনা এরদোগানের রয়েছে।

read more
মানবতা

অবশেষে মুখ খুললেন সেই অসহায় ভিখারি মায়ের স্কুলশিক্ষিকা কন্যা!

Untitled-1 copy

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা চার সরকারি চাকরিজীবীর বৃদ্ধ মা মনোয়ারা বেগম (৭০) একমুঠো আহারের জন্য ভিক্ষা করার বিষয়টি রীতিমত সারা দেশে সমালোচনার ঝড় তুলেছে। বিশেষ করে এই ঘটনায় বেশিমাত্রায় প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন তারই গর্ভে ধারণ করা তিন পুলিশ ছেলে ও স্কুল শিক্ষিকা মেয়ে।

 

 

 

 

 

পত্রপত্রিকার কল্যাণে বিষয়টিতে আলোড়ন সৃষ্টি হওয়ায় ওই মায়ের সন্তান এখন কর্মস্থলে নানা প্রশ্নে সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কারণ, ইতোমধ্যে পুলিশ তিন ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি ঘোষণা দিয়েছে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম।

এই পুলিশ কর্মকর্তা মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই বৃদ্ধকে দেখতে যান এবং বৃদ্ধ মায়ের দায়িত্ব নেয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করেছেন।

 

 

 

 

এছাড়া বৃদ্ধ মাকে অবহেলার কারণে আরেক সন্তান মেয়ে বাবুগঞ্জের পূর্ব ভুতেরদীয় নবারুন সরকাররি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম সুলতানাকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিসার কেএম তোফাজ্জল হোসেন সোমবার তাকে এই বিষয়ে শোকজ করেছেন।

এ অবস্থায় স্কুল শিক্ষিকার সঙ্গে গোনিউজ মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, স্কুলের বেতন ব্যতীত তার আর কোন ইনকাম নেই। ফলে স্বামীর সংসারে বসে তিনি বৃদ্ধ মায়ের তেমন একটা খরচ বহন করতে পারছেন না।

 

 

 

 

যদিও এই শিক্ষিকা এর আগে গত শনিবার তার মাকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন- নিজের সংসার পরিচালনা করে আর সময় হয় না। যে কারণে বৃদ্ধ মায়ের খোঁজখবর নিতে পারেননি।

 

 

 

একজন মানুষ গড়ার কারিগরের মুখে এমন কথা শুনে খোদ পুলিশ প্রশাসনকেও হতবাক করেছিলো। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে খবর নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে ওই শিক্ষিকার বেতন ২০ হাজারের ওপরে।

 

 

 

 

ফলে এই বিষয়টি স্থানীয় সংসদ অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতানকে খুব বেশি মর্মাহত করেছে। যে কারণে তিনি পুলিশের সহযোগিতায় ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। এমনকি তিনি নিজেই সার্বিক দায়ভার নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এছাড়াও অনেকে রাজনীতিবীদ, সমাজসেবক ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ওই বৃদ্ধ নারীর দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

বাবুগঞ্জে কর্মরত ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ওই বৃদ্ধ উপজেলার ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী সরদারের স্ত্রী।

 

 

 

 

 

 

আইয়ুব আলী কৃষক পরিবারের সন্তান হলেও নানা অভাব অনাটনের সংসারে ছয় সন্তান নিয়ে ভালোভাবেই দিন কেটেছে তাদের।

আইয়ুব আলী-মনোয়ারা দম্পতির ছয় সন্তানের মধ্যে তিন ছেলে- ফারুক হোসেন, নেছার এবং জসীম উদ্দিন পুলিশে কর্মরত রয়েছেন। মেয়ে মরিয়ম সুলতানা শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। অন্য দুই সন্তান শাহাবউদ্দিন ব্যবসা এবং গিয়াস উদ্দিন নিজের ব্যবহৃত ইজিবাইক ভাড়ায় চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।

 

 

 

 

বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগম বয়সের ভারে স্বাভাবিক ভাবে হাঁটতে পারছিলেন না।

গত ৪ থেকে ৫ মাস আগে ভিক্ষা করতে যেয়ে পড়ে গিয়ে কোমরের হাড় ভেঙ্গে যায়। সেই থেকে বাবুগঞ্জের স্টিল ব্রিজের পাশে একটি ঝুঁপড়ি ঘরে বিনা চিকিৎসায় অর্ধাহারে ছিলেন।”

 

 

 

 

 

 

read more
মানবতা

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে ক্ষুব্ধ হয়ে যা বললেন ইলিয়াস কাঞ্চন !

Untitled-1 copy

ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ে জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে দেশকে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি নিরাপদ সড়ক চাই নামে আন্দোলন করে যাচ্ছেন।

 

 

 

 

সড়ক দুর্ঘটনা থেকে মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টায় শুধু নয়, বিভিন্ন রকম সচেতনমূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি জড়িত।

সম্প্রতি তিনি রোহিঙ্গাদের প্রতি নির্যাতন বন্ধে একটি মানববন্ধনের ডাক দেন। তার ডাকে সাড়া দিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচিতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন কর্মী, নানা শ্রেণির পেশাজীবী, স্কুল-কলেজের ছাত্র/ছাত্রী, মোটর শ্রমিক, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন ও বিভিন্ন সংগঠন- এর কর্মীরা এবং ইলিয়াস কাঞ্চনের ভক্ত ও নিসচার বিভিন্ন শাখার কর্মীরাসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

 

 

 

 

 

এই মানববন্ধনে দেয়া ইলিয়াস কাঞ্চনের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করে তার নামে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সম্বলিত বক্তব্য অনলাইন পোর্টালে নিউজ করায় তীব্র নিন্দাসহ প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছেন তিনি। ইলিয়াস কাঞ্চনের দেয়া বিবৃতি নিচে তুলে ধরা হলো:

 

 

 

 

গত ১৪ তারিখে নিরাপদ সড়ক চাই- এর আয়োজনে ‘মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন ও গণহত্যা বন্ধ এবং জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ কামনায়’এক মানববন্ধন করি। সেখানে আমি স্পষ্টভাবে রোহিঙ্গাদের প্রতি সমবেদনা জানাই এবং বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানাই এই বর্বর নির্যাতন বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা যেন গ্রহণ করা হয়।

 

 

 

 

 

সেদিন আয়োজিত সেই মানববন্ধনের নিউজ দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকাসহ উল্লেখযোগ্য অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতে আমার দেয়া বক্তব্য সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে প্রকাশ করেন, আর এজন্য আমি সেই সব গণমাধ্যমগুলোকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু আমি লক্ষ্য করছি কিছু নামধারী অনলাইন নিউজ পোর্টাল আমার সেদিনের দেয়া বক্তব্যকে বিকৃত করে তারা তাদের পোর্টালে প্রচার করছে যা আমার জন্য বিব্রতকর। যে বক্তব্য আমি প্রদান করিনি সে বক্তব্য তারা কোথায় পেল সে প্রশ্ন আমার।

 

 

 

 

এভাবে অপপ্রচার চালিয়ে তারা কি ফায়দা লুটছে তা আমার বোধগম্য নয়। আমি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এই মুক্তিযুদ্ধকে আমি হৃদয়ে ধারণ করি। ৭১-এ যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আমার দেশেরবাড়ি কিশোরগঞ্জে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আক্রমণ করে, সে সময় আমার দু’বোন তাদের ছোঁড়া শেলের আঘাতে পঙ্গুত্ববরণ করেন। আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আমি এমন বক্তব্য কখনোই দিতে পারিনা যা মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অসম্মান করে।

 

 

 

সড়কে অকালে যেন কেউ প্রাণ না হারায় এজন্য আমি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি। আমাকে লক্ষ্যচ্যুত এবং আপনাদের বিভ্রান্ত করার জন্য সম্প্রতি নির্বাচন নিয়ে যারা আমার নামে অপপ্রচার চালিয়েছিল আমি মনে করি এটাও তাদের একটি ষড়যন্ত্র। আমি পরিস্কার ভাষায় আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি এমন কোন বক্তব্য আমি প্রদান করিনি যা তারা প্রচার করে সমাজে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে।

 

 

 

 

আমি আহবান জানাবো কোনো অপপ্রচারে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। আজ আমার দেয়া এই বিবৃতির মাধ্যমে সকল অপপ্রচারের অবসান ঘটবে বলে আশা রাখি এবং প্রকৃত বিষয় সম্পর্কে আপনারা অবগত হলেন বলে আমি মনে করছি। আপনারা আমার অফিসের ঠিকানা জানেন, আমি এর আগেও বলেছি আমার বক্তব্য নিয়ে কোনো নিউজ প্রকাশ করলে প্রয়োজনে আমার অফিসে আমার সাথে যোগাযোগ করে আমার কথা শুনে নিউজ করবেন আশা করি।

 

 

 

 

 

read more
মানবতা

ধর্ম নয় মানবতার খাতিরে বিচার করো রোহিঙ্গাদের!

Untitled-1 copy

মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর দিনের পর দিন মিয়ানমার সরকারি বাহিনী ও বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের নির্যাতন আজ যখন বিশ্ব মানবতাকে প্রশ্ন তুলছে সেখানে এক শিখ বাংলাদেশ-মিয়ানমার সিমান্তের কাছে এক পিপাসা কাতর রোহিঙ্গা শিশুর মুখে পানি তুলে দিয়ে যেন বুঝিয়ে দিলেন ধর্ম নয় বিচার করো মানবতার দিক থেকে।

 

 

 

 

 

 

সংকট উত্তরণে মিয়ানমারের সরকারকে ৭টি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একটি কমিটি গঠন করে ওইসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ন্যাশনাল’-এ লেখা এক নিবন্ধে ওই পরামর্শগুলো তুলে ধরেন ড. ইউনূস।

 

 

 

 

 

 

আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ন্যাশনাল’-এ লেখা এক নিবন্ধে নিজের জন্মস্থান চট্টগ্রাম সংলগ্ন এলাকায় রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বিপন্নতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন ড. ইউনূস। তিনি এ পরিস্থিতিকে মানবিক বিপর্যয় হিসেবে আখ্যা দেন।  নিবন্ধে তিনি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মিয়ানমার সরকারকে খুব শিগগির একটি ‘বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠনের পরামর্শ দেন।

 

 

 

 

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের গঠিত কমিশনের সদস্যদের নিয়ে ওই কমিটি গঠনের

গঠিত বাস্তবায়ন কমিটির কাছে ড. ইউনূসের দেওয়া ৭টি পদক্ষেপের প্রস্তাব হচ্ছে:

 

 

 

  • অ্যাডভাইজার কমিশন অব রাখাইন স্টেট- এসিআরএসের (কফি আনান কমিশনের) সুপারিশকৃত পরামর্শগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা।
  • মিয়ানমারে সহিংসতা নিরসনে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ ও রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগ থেকে বিরত রাখা।
  • মিয়ানমারের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঞ্চলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নিয়মিত প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা।
  • মিয়ানমার ত্যাগকারী রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করা।
  • মিয়ানমারের ভেতরে শরণার্থী শিবির তৈরি করা এবং জাতিসংঘের অর্থায়নে ও তত্ত্বাবধানে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
  • এসিআরএসের প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেওয়া।
  • মিয়ানমারের সব নাগরিককে রাজনৈতিক ও চলাফেরার মুক্তির নিশ্চয়তা দেওয়া।

 

 

 

 

 

নিবন্ধে আনান কমিশনের রিপোর্টের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, ওই রিপোর্টে রোহিঙ্গাদের পূর্ণাঙ্গ নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা, মত প্রকাশ ও চলাচলের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান, আইনের শাসন নিশ্চিত করা এবং শরণার্থী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করতে দ্রুত সংঘবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

দ্রুততার সঙ্গে এসব পদক্ষেপ না নিলে আনান কমিশনের আশঙ্কা অনুযায়ী এই অঞ্চলে জঙ্গিবাদ বিস্তৃত হতে পারে।

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
মানবতা

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ : আপনি শুধু অস্ত্র ও প্রশিক্ষন দিন, আমি একলক্ষ তরুণ যোদ্ধা দেবো: প্রধানমন্ত্রীকে মুহিব খান !

Untitled-2 copy

বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়ক, লেখক ও রাষ্ট্রীয় চিন্তাবিদ জাগ্রত কবি মুহিব খান এবার মুখ খুলেছেন রোহিঙ্গা প্রশ্নে। গতকাল (০৮সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৮:৪০ মিনিটে কবি মুহিব খান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে রোহিঙ্গাদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন-

 

 

 

 

 

শ্রদ্ধাভাজন প্রধানমন্ত্রী,
আসসালামু আলাইকুম।
নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি যথেষ্ট সহানুভুতিশীল হওয়ায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন। দেশের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখে তাদের সার্বিক সেবা ও সুরক্ষাও এখন আপনারই মানবিক কর্তব্য। কঠিন কাজ, তবু আপনাকেই করতে হবে, আপনিই পারবেন।
শুধু তাই নয়, জরুরি অবস্থায় সাময়িক আতিথেয়তার পর তাদেরকে নিজভূমিতে পূণর্বাসিত ও পূর্ণ প্রতিষ্ঠিত করতে মগের মুল্লুক মিয়ানমারের অত্যাচারী শোষকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের মুক্তিসংগ্রামেও আপনাকে পাশে দাঁড়াতে হবে। মুসলিম বিশ্বের সাথে হাত মিলিয়ে হতে হবে তাদের স্বাধীনতার সঙ্গী।

 

 

 

 

আপনি বঙ্গবন্ধুকন্যা। আপনার কিংবদন্তী পিতার মতো সাহসী হয়ে উঠুন। নিষ্পেষিত মানবতার পক্ষে রোহিঙ্গাদের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতায় অবদান রাখুন। সুচি’র শান্তি (!) নোবেল ছিনিয়ে আপনার হাতে তুলে দেবে সভ্য পৃথিবী। তাই যেন হয়।
অযাচিত যুদ্ধে জড়িয়ে শক্তি ও সৈন্যক্ষয়ের ভয়! ঠিক, আমাদের জানবাজ সামরিক সন্তানদের ব্যাক আপে রিজার্ভ রাখুন।
আমি একজন অতি সাধারণ মানুষ। একজন কবিমাত্র। তবে শব্দ-বারুদ আগুন জ্বালাতে পারি বরফখন্ডেও। সুর-ঝংকারে চেতনা জাগাতে পারি লাশের মিছিলেও।

 

 

 

 

‘আপনি শুধু অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিন, আমি সারাদেশ থেকে একলক্ষ দেশপ্রেমিক বেসামরিক জানবাজ তরুণ যোদ্ধা আপনাকে উপহার দেবো।’
আল্লাহ্ আপনার সহায় হোন।

 

সারাদেশে তরুণদের মাঝে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা বিখ্যাত এই কবি ও গবেষক প্রতিনিয়তই রোহিঙ্গা মুসলমানদের খোঁজ-খবর সহ রোহিঙ্গা সংকটের পর থেকেই তার বিশেষ বিশেষ জ্বালাময়ী ছড়া ও কবিতার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের পাশে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে বেশ উৎসাহ জোগাচ্ছে।

 

 

 

 

বর্তমানে আরাকানকে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে ও মুসলমানদের সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী’র প্রতি জাগ্রত কবি মুহিব খানের আবেনদটি সারাদেশের প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে।

 

 

 

 

 

বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়ক, লেখক ও রাষ্ট্রীয় চিন্তাবিদ জাগ্রত কবি মুহিব খান এবার মুখ খুলেছেন রোহিঙ্গা প্রশ্নে। গতকাল (০৮সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৮:৪০ মিনিটে কবি মুহিব খান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে রোহিঙ্গাদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন-

 

 

 

 

শ্রদ্ধাভাজন প্রধানমন্ত্রী,
আসসালামু আলাইকুম।
নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি যথেষ্ট সহানুভুতিশীল হওয়ায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন। দেশের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখে তাদের সার্বিক সেবা ও সুরক্ষাও এখন আপনারই মানবিক কর্তব্য। কঠিন কাজ, তবু আপনাকেই করতে হবে, আপনিই পারবেন।
শুধু তাই নয়, জরুরি অবস্থায় সাময়িক আতিথেয়তার পর তাদেরকে নিজভূমিতে পূণর্বাসিত ও পূর্ণ প্রতিষ্ঠিত করতে মগের মুল্লুক মিয়ানমারের অত্যাচারী শোষকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের মুক্তিসংগ্রামেও আপনাকে পাশে দাঁড়াতে হবে। মুসলিম বিশ্বের সাথে হাত মিলিয়ে হতে হবে তাদের স্বাধীনতার সঙ্গী।

আপনি বঙ্গবন্ধুকন্যা। আপনার কিংবদন্তী পিতার মতো সাহসী হয়ে উঠুন। নিষ্পেষিত মানবতার পক্ষে রোহিঙ্গাদের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতায় অবদান রাখুন। সুচি’র শান্তি (!) নোবেল ছিনিয়ে আপনার হাতে তুলে দেবে সভ্য পৃথিবী। তাই যেন হয়।
অযাচিত যুদ্ধে জড়িয়ে শক্তি ও সৈন্যক্ষয়ের ভয়! ঠিক, আমাদের জানবাজ সামরিক সন্তানদের ব্যাক আপে রিজার্ভ রাখুন।
আমি একজন অতি সাধারণ মানুষ। একজন কবিমাত্র। তবে শব্দ-বারুদ আগুন জ্বালাতে পারি বরফখন্ডেও। সুর-ঝংকারে চেতনা জাগাতে পারি লাশের মিছিলেও।
‘আপনি শুধু অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিন, আমি সারাদেশ থেকে একলক্ষ দেশপ্রেমিক বেসামরিক জানবাজ তরুণ যোদ্ধা আপনাকে উপহার দেবো।’
আল্লাহ্ আপনার সহায় হোন।

 

সারাদেশে তরুণদের মাঝে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা বিখ্যাত এই কবি ও গবেষক প্রতিনিয়তই রোহিঙ্গা মুসলমানদের খোঁজ-খবর সহ রোহিঙ্গা সংকটের পর থেকেই তার বিশেষ বিশেষ জ্বালাময়ী ছড়া ও কবিতার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের পাশে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে বেশ উৎসাহ জোগাচ্ছে।

বর্তমানে আরাকানকে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে ও মুসলমানদের সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী’র প্রতি জাগ্রত কবি মুহিব খানের আবেনদটি সারাদেশের প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে।

সূত্রঃ ইনসাফ

 

 

 

 

 

read more
মানবতা

রোহিঙ্গাদের নিয়ে কুয়েতের অভিনব কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের প্রস্তাব

Untitled-20 copy

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলমান নৃশংসতা গণহত্যার সমান বলে মন্তব্য করেছেনকুয়েতের সংসদ সদস্যের একটি দল

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের বর্বোরোচিতভাবে হত্যার ব্যাপারে আন্তর্জাতিকমহলের ‘লজ্জাজনক নিরবতা মধ্যে তারা  ধরনের মন্তব্য করেন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কুয়েতের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির সংসদ সদস্যরা মিয়ানমারের সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উপসাগরীয় দেশগুলো এবং মুসলিম বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সহিংসতা বন্ধের জন্য মিয়ানমারের সরকারের প্রতি চাপ প্রয়োগের জন্য দ্রুত এবং সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বানও জানান তারা।

 

সাংসদ আবদুল্লাহ আল ইনেজি বলেন, কুয়েতের উচিত মিয়ানমারের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং সেখানকার নির্যাতিতদের সহায়ত করা।

এছাড়া রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অারও বেশ কয়েকজন সাংসদ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খালিদ আল-জারুল্লাহ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মিয়ানমারে১৮ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছেন।

 

রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোয়ান। তিনি বলেছেন, আমরা রোহিঙ্গাদের ওপর ঘটে যাওয়া পাশবিকতার কথা শুনেছি। তাদের (রোহিঙ্গাদের) ওপর ঘটে যাওয়া নিপীড়ন বড়ই অমানবিক, বর্বর।

তিনি আরও বলেন, নিজ দেশে এভাবে পাশবিকতার শিকার হওয়া কখনো কাম্য নয়। এটি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে জাতিসংঘের আগামী অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে।

 

 

 

 

রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের মাঝে ১০ হাজার টন ত্রাণ বিতরণ করবে তুরস্ক। প্রথম দফায় পাঠানো এক হাজার টন ত্রাণ বিতরণ শেষে দ্বিতীয় দফায় এই ত্রাণ পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

 

লিখিত এক বিবৃতিতে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর যে অত্যাচার, নিপীড়ন ও গণহত্যা চালানো হচ্ছে তা বন্ধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধান করে তাদের উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে আরব পার্লামেন্ট।

 

 

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলমান নৃশংসতা গণহত্যার সমান বলে মন্তব্য করেছেনকুয়েতের সংসদ সদস্যের একটি দল সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের বর্বোরোচিতভাবে হত্যার ব্যাপারে আন্তর্জাতিকমহলের ‘লজ্জাজনক নিরবতা মধ্যে তারা  ধরনের মন্তব্য করেন

 

কুয়েতের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির সংসদ সদস্যরা মিয়ানমারের সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উপসাগরীয় দেশগুলো এবং মুসলিম বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সহিংসতা বন্ধের জন্য মিয়ানমারের সরকারের প্রতি চাপ প্রয়োগের জন্য দ্রুত এবং সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বানও জানান তারা।

 

সাংসদ আবদুল্লাহ আল ইনেজি বলেন, কুয়েতের উচিত মিয়ানমারের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং সেখানকার নির্যাতিতদের সহায়ত করা।

এছাড়া রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অারও বেশ কয়েকজন সাংসদ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী খালিদ আল-জারুল্লাহ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মিয়ানমারে১৮ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছেন।

 

রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোয়ান। তিনি বলেছেন, আমরা রোহিঙ্গাদের ওপর ঘটে যাওয়া পাশবিকতার কথা শুনেছি। তাদের (রোহিঙ্গাদের) ওপর ঘটে যাওয়া নিপীড়ন বড়ই অমানবিক, বর্বর।

তিনি আরও বলেন, নিজ দেশে এভাবে পাশবিকতার শিকার হওয়া কখনো কাম্য নয়। এটি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে জাতিসংঘের আগামী অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে।

 

রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের মাঝে ১০ হাজার টন ত্রাণ বিতরণ করবে তুরস্ক। প্রথম দফায় পাঠানো এক হাজার টন ত্রাণ বিতরণ শেষে দ্বিতীয় দফায় এই ত্রাণ পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

লিখিত এক বিবৃতিতে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর যে অত্যাচার, নিপীড়ন ও গণহত্যা চালানো হচ্ছে তা বন্ধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধান করে তাদের উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে আরব পার্লামেন্ট।

 

সূত্র : কুয়েত টাইমস

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
মানবতা

গনহত্যার হৃদয়বিদারক বিবরন : শিশু ও নবজাতকদের ছুড়ে ফেলা হয় পানিতে যাদের মধ্যে তার ছয় মাস বয়সী কন্যা….

Untitled-19 copy

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বর্ণনায়  তুলাতলির গণহত্যা

অলিভার হলমেস কক্সবাজার থেকে

গ্রামের পাশের খরস্রোতা নদীতেই তুলাতলি গ্রামের বাসিন্দাদের সমাধি রচিত হয়েছে। সাপের মতো গ্রামটিকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে নদীটি। বর্মি সৈন্যরা গ্রামবাসীকে তাড়িয়ে নিয়ে গেছে নদীর তীরে। অনেককে সেখানেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, বাকিরা পালাতে গিয়ে ভেসে গেছে স্রোতের টানে।

 

 

 

 

 

নদীর অন্য পাড়ে ছোট্ট একটি ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে সেই ভয়াবহতা দেখেছেন জহির আহমেদ। দেখেছেন আরো অনেক গ্রামবাসীর সাথে নিজের পরিবারের সদস্যদের জীবনের শেষ মুহূর্তগুলো। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের একটি উদ্বাস্তু শিবিরে আশ্রয় নেয়া জহির সেই ভয়াবহতার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘পানির খুব কাছেই ছিলাম আমি’। তার চোখ ছিল রক্তলাল, গায়ে ঘাম ও কাদায় মাখা জামা। সাক্ষাৎকারে জহির জানান, তরুণ ও প্রাপ্তবয়স্কদের রাইফেলের গুলিতে মেরে ফেলা হয়, শিশু ও নবজাতকদের ছুড়ে ফেলা হয় পানিতে যাদের মধ্যে তার ছয় মাস বয়সী কন্যা হাসিনাও ছিল। কান্নাজড়িত কণ্ঠে আঙ্গুল গুনে গুনে স্ত্রী সন্তানসহ পরিবারের নিহত সদস্যদের নাম বলতে থাকেন জহির। দুই হাতের আঙ্গুল শেষ হয়ে যায়, কিন্তু শেষ হয় না নাম।

 

 

 

 

 

সেনাবাহিনীর ভয়াবহতার আরেক সাক্ষী খালেদ হোসেন। ২৯ বছর বয়সী এই দিনমজুর জানান, হত্যাকাণ্ডের তিন দিন আগে অন্তত ৯০ জন সেনা গ্রামে এসে বাসিন্দাদের পূর্ব দিকের একটি এলাকায় জড়ো হতে নির্দেশ দেয়। খালেদ বলেন, ‘তাদের প্রধান ছিল দুই তারকাবিশিষ্ট কর্মকর্তা। সে আমাদের বলে, সেনাবাহিনী লোকজনকে হত্যা করছে এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে গ্রামে। কিন্তু তোমাদের কৃষিকাজ ও মাছ ধরা অব্যাহত রাখা উচিত। সৈন্যদের দেখলে তোমরা দৌড়াবে না, দৌড়ালেই আমরা গুলি করব। এ কথার পর তারা স্থানীয় বৌদ্ধদের সাথে নিয়ে গ্রামের ঘরে ঘরে যায়। ঘরগুলো থেকে স্বর্ণ, টাকা, কাপড়, চাল, আলুসহ যা কিছু পেয়েছে সব নিয়ে যায়। গুজব ছড়ানোর অভিযোগে কয়েকটি ঘর গুড়িয়ে দেয় তারা। যোদ্ধাদের খুঁজতে থাকে সেনারা, কিন্তু কাউকেই পায়নি’।

 

 

 

 

 

পিতম আলী নামে গ্রামের এক চাল ব্যবসায়ী জানান, অভিযানের একদিন আগে জীবন বাঁচাতে দুয়ালতলি নামের একটি গ্রামের একদল লোক নদী পাড়ি দেয়। এ সময় ১০ জনেরও বেশি নদীতে ডুবে মারা গেছে। ওই গ্রাম থেকে আসা কয়েকজনকে আশ্রয় দিয়েছেন পিতম আলী, যারা তাকে জানিয়েছে নদীর ওপাড়ে বাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার কথা। পরদিন রাত সাড়ে ৩টার দিকে আলী প্রচণ্ড গুলির শব্দ শুনতে পান, তবে কোন দিক থেকে শব্দ আসছে তা নিশ্চিত হতে পারেননি। সে দিনও তাদের গ্রামে আসে সেনারা। আলী বলেন, ‘আমি গ্রামের উত্তর দিকে বসবাস করতাম, আরো উত্তর দিক দিয়ে সেনারা নদী পার হয়ে সামনে অগ্রসর হয়। আমি আমার পরিবার নিয়ে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়ে সেনাদের দেখতে পাই। সকাল ৮টা পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করি, তারপর তারা সেখান থেকে চলে যায়।’ আলী জানান, জঙ্গল থেকেই দেখতে পান যে তাদের বড় কাঠের ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

 

 

 

 

 

মিয়ানমারের ১১ লাখ জাতিগত রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুর মধ্যে এক লাখ ৬০ হাজারের বেশি পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। সাথে নিয়ে এসেছে পরিকল্পিতভাবে জাতিগত নির্মূলের দুঃসহ স্মৃতি। তুলাতলি গ্রাম থেকে পালিয়ে আসা এক ডজনের বেশি রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান, যাতে পাওয়া গেছে ৩০ আগস্ট গ্রামটিতে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর বর্বরতা ও বহু লোককে হত্যার অভিযোগ। যারা পশ্চিম দিকের পাহাড়ে পালিয়ে গেছে তারা তিন দিনের পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছেছে বাংলাদেশের সীমান্তে। বাকিদের গণকবর দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রামটির বাসিন্দারা।

 

 

 

 

 

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ পুরো অঞ্চলটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যার ফলে গার্ডিয়ানের পক্ষে স্বাধীনভাবে হতাহতের সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে বেশির ভাগ লোকেরই সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে পৃথকভাবে। দুই দিন ধরে নেয়া এসব সাক্ষাৎকারে তাদের দেয়া তথ্যে মিল পাওয়া গেছে। গত ২৫ আগস্ট (সেনা ক্যাম্পে) একটি রোহিঙ্গা মিলিশিয়া গ্রুপের গেরিলা-স্টাইলে হামলার প্রতিশোধ নিতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যের পুরো উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক অভিযান শুরু করে। অবশ্য তুলাতলির মতো এমন নারকীয় হত্যাকাণ্ড রাখাইন রাজ্যে নতুন নয়, এর আগেও অনেক রোহিঙ্গা দেশ ছেড়েছে।

 

 

 

 

 

২০১২ সালে বৌদ্ধদের সাথে দাঙ্গায় এক লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। যাদের অনেকেই হয় সাগরে ডুবে নয়তো জঙ্গলে মানব পাচারকারীদের ক্যাম্পে অনাহারে মৃত্যুবরণ করেছে। তারপরও অঞ্চলটিতে থেকে যাওয়া রোহিঙ্গাদের সাথে কী ঘটেছে তার বর্ণনা দেয়া হয়েছে চলতি বছর প্রকাশিত জাতিসঙ্ঘের এক রিপোর্টে।

 

 

 

রিপোর্টটিতে সশস্ত্রবাহিনী কর্তৃক রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা ও গণধর্ষণকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে এবারের নারকীয়তা ছাড়িয়ে গেছে আগের সবগুলোকে। এবারের অভিযানটি মিয়ানমারকে রোহিঙ্গামুক্ত করার চূড়ান্ত অভিযান বলে সতর্ক করে দিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। স্যাটেলাইটের ছবিতে দেখা গেছে পুরো গ্রাম পুড়িয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে।
সঙ্ঘাতময় এলাকাটিতে জাতিসঙ্ঘের সব ধরনের ত্রাণকার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

অং সান সু চির প্রশাসন এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তারা এই সেনা অভিযানকে ‘উগ্রবাদী সন্ত্রাসী’দের বিরুদ্ধে লড়াই হিসেবে দাবি করছে এবং বলছে উগ্রবাদীরা নিজেরাই গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে। রোহিঙ্গা মিলিশিয়া কর্তৃক রাখাইনের হিন্দু ও বৌদ্ধদের ওপর সাম্প্রদায়িক হামলার কথাও বলা হচ্ছে। প্রায় ২৬ হাজার অমুসলিম এসব সহিংসতায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা তুলাতলির নিরীহ মানুষ বলছে, তারা ধান, মরিচ ইত্যাদি চাষ করে জীবন পাড় করেছে। সেনা অভিযানের সময় কিংবা (আগেপরে কখনোই) তাদের গ্রামে কোনো মিলিশিয়া ছিল না।

 

 

 

 

 

read more
মানবতা

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় মিয়ানমারে পৌঁছেছে ত্রাণবাহী তুর্কি জাহাজ !

Untitled-15 copy

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য মালয়েশিয়ার সরকার ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। আজ সোমবার মালয়েশিয়ার একটি ত্রাণবাহী জাহাজ কক্সবাজারের মহেশখালী চ্যানেলে নোনিয়াছড়া পয়েন্টে পৌঁছেছে।

 

 

 

 

 

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নেবে জেলা প্রশাসন।

 

এর আগে এই ত্রাণ বহনকারী জাহাজটি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরি খাদ্য ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গিয়েছিল। এতে জাহাজটি মিয়ানমারে প্রতিবাদের মুখে পড়েছিলো।

 

 

 

মিয়ানমারে ৫০০ টন ত্রাণ নামিয়ে বাকি ২ হাজার ২০০ টন ত্রাণ বাংলাদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের জন্য জন্য আনার কথা ছিল।

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সেনাবাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ার পর প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে। তার আগেই অনেক বছর ধরে চার লাখের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

এ প্রেক্ষিতে  সম্প্রতি মিয়ানমারে রাখাইন প্রদেশে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিমদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব আব্দুল রাজাক।

 

 

 

 

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য মালয়েশিয়ার সরকার ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। আজ সোমবার মালয়েশিয়ার একটি ত্রাণবাহী জাহাজ কক্সবাজারের মহেশখালী চ্যানেলে নোনিয়াছড়া পয়েন্টে পৌঁছেছে।

 

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নেবে জেলা প্রশাসন।

 

 

 

 

এর আগে এই ত্রাণ বহনকারী জাহাজটি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরি খাদ্য ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গিয়েছিল। এতে জাহাজটি মিয়ানমারে প্রতিবাদের মুখে পড়েছিলো।

 

মিয়ানমারে ৫০০ টন ত্রাণ নামিয়ে বাকি ২ হাজার ২০০ টন ত্রাণ বাংলাদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের জন্য জন্য আনার কথা ছিল।

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সেনাবাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ার পর প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে। তার আগেই অনেক বছর ধরে চার লাখের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

এ প্রেক্ষিতে  সম্প্রতি মিয়ানমারে রাখাইন প্রদেশে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিমদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব আব্দুল রাজাক।

 

 

 

 

 

 

 

read more
1 2 3 4
Page 1 of 4