close

মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৮২ অভিবাসী আটক

Untitled-1-208

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ প্রায় ৮২ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ। বুধবার মালয়েশিয়া সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় সেলাঙ্গর কাঁচা বাজারে দেশটির পুত্রজায়া, ফেডারেল অঞ্চল, সেলাঙ্গর এবং নেগারি সিম্বিলানের (জেপিএন) কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অভিবাসন

 

বিভাগ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। ইমিগ্রেশন বিভাগের নতুন মহাপরিচালক ইন্দিরা খায়রুল দাজেমি দায়িত্ব গ্রহণের পর অবৈধ অভিবাসীদের আটকের এটিই প্রথম অভিযান। তবে এ অভিযানে কতজন বাংলাদেশি আটক হয়েছেন বুধবার রাত বাংলাদেশ সময় পৌনে ১১টায় এ

 

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা জানা যায়নি। অভিযানে ২৭০ এরও বেশি বিদেশিকে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে ৮২ জন অভিবাসন চুক্তির লঙ্ঘন করেছেন। আটক বিদেশিদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও নেপালের নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া ১২৪ বিদেশি

 

ইউএনএইচসিআর কার্ডধারী মিয়ানমারের নাগরিকও রয়েছেন। অপারেশনস, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড প্রসিকিউশন বিভাগের পরিচালক পুত্রজায়ার টিয়ান সরভানা কুমার বলেন, যারা আটক হয়েছেন, তাদের বেশিরভাগেরই কাজের পারমিট ছিল না। তিনি বলেন, পারমিট ছাড়া বিদেশি কর্মীদের

সুরক্ষা ও নিয়োগের জন্য সন্দেহভাজন নিয়োগকর্তাদের শনাক্ত করা হবে। পরে নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে। ইমিগ্রেশন রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন লঙ্ঘন করে পাওয়া সব অবৈধ অভিবাসীকে ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আনা হবে। এদিকে অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে গত বছরের

 

সেপ্টেম্বরের প্রথম থেকে শুরু হওয়া ‘অপস মেগা ৩.০’ নামের সাঁড়াশি অভিযানের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ায় বৈধ নথিপত্র ছাড়া অবস্থানরত বিদেশিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

read more
মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীরা এবার নতুন মিশনে “!!

Image-117202554

মানুষ জন্মগ্রহণ করে কতগুলো মৌলিক অধিকার নিয়ে। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা পাবার অধিকার রয়েছে প্রত্যেকটি মানুষের। সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে মানুষ নানা কারণে এক দেশ থেকে অন্য দেশে কিংবা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গার অভিবাসী হয়েছে এবং হচ্ছে।

 

পুরো বিশ্বে নগর সভ্যতার সম্প্রসারণের প্রয়োজনে অভিবাসী সংশ্লিষ্টতা ব্যাপকভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে। জাতিসংঘ ঘোষিত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাও বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী নয়। এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যেসব খাত বিশেষ ভূমিকা রাখে তার ভেতর ‘বৈদেশিক

 

কর্মসংস্থান’ খাতটি অন্যতম। বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়ায় একদিকে বেকারের সংখ্যা কমছে এবং অন্যদিকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। অথচ মালয়েশিয়ায় অভিবাসন-প্রত্যাশী বাংলাদেশিদের প্রায় ৫১ শতাংশই প্রতারণা ও

হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অধিকার মর্যাদা ও ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় লড়াই করে চলেছেন অভিবাসীরা। কিন্তু কতটুকু ন্যায় বিচার, অধিকার ও মর্যাদা পেয়েছেন তারা। সরকারইবা তাদের অধিকার কতটুকু ফিরিয়ে দিতে পেরেছে। প্রতি বছর গড়ে ২০ লাখের বেশি মানুষ নতুন করে দেশের

 

শ্রমবাজারে যোগ হচ্ছে। দেশের ভেতরে সরকারি ও বেসরকারী উদ্যোগে উল্লেখিত শ্রমশক্তির ৫ লাখের কম সংখ্যক মানুষের জন্য মানসম্মত কাজের সুযোগ থাকলেও বাকি বিপুল সংখ্যক আগ্রহী জনগোষ্ঠির উপযুক্ত চাকুরির ব্যবস্থা সরকারের পক্ষে করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। সরকার জনশক্তি

রফতানী খাতে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার কথা বললেও বাস্তবতা হলো প্রতিবছরই হাজার হাজার শ্রমিক প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফেরত আসেন। কতজন শ্রমিকের ক্ষেত্রে এমন হয়ে থাকে, তারও কোন পরিসংখ্যান নেই বাংলাদেশ সরকারও দূতাবাসের কাছে। বিদেশে কাজের জন্য প্রচুর

 

মানুষ বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় যান। এ বিপুল কর্মশক্তির একটি অংশ আবার বিদেশ থেকে বিভিন্ন কারনে বাংলাদেশে ফেরত আসে। তাছাড়া এদের মধ্যে অনেকে অপহরণের শিকার হয়ে মুক্তিপনের মাধ্যমে প্রাণে বেঁচে দেশে ফেরত আসেন। আবার অনেকে মারাও যান। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার

মেন্তারি কোর্ট এলাকায় জামাল (২৮) নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় কোম্পানীর মালিক বাদী হয়ে মামলা করলেও এখনও তার সঠিক কোনো উদঘাটন করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। জামালের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। কে থামাবে জামালের

 

পরিবারের কান্না? লিজা বেগম (২৬) তিনি বছর খানেক আগে স্থানীয় দালালের হাত ধরে ট্যুরিষ্ট ভিসায় কাজের জন্য গিয়েছিলেন মালয়েশিয়ায়। পাঁচ মাসের মাথায় নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন জেল খেটে ফিরে আসেন তিনি। মালয়েশিয়া থেকে এক কাপড়েই ফিরতে হয়েছে তাকে। রিপন কুমার

বিশ্বাস নামের আরেকজন, বছর খানেক আগে দুই লাখ টাকার বেশি খরচ করে তিনি গিয়েছিলেন, মালয়েশিয়া। সেখানে ৮ মাস কাজ করেও কোন বেতন পাননি তিনি। উপরন্তু বেতন চাওয়ায় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন রিপন। এরই মাঝে

 

হারিয়েছেন তার মাকে। পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন পরপারে। ছোট্ট দুটি ভাই-বোন দেখবাল করার কেই নেই । বাবা থেকেও নেই । এ অবস্থায় দেশেও ফিরতে পারছেননা তিনি। কারন মালয়েশিয়া সরকার স্পেশাল পাস দিচ্ছেনা। সহসা ইচ্ছে করলেই অবৈধরা দেশে ফিরতে পারছেননা। একদিকে

মায়ের শোক। অন্যদিকে ছোট্ট দুটি ভাই-বোনের চিন্তায় দিন কাটছে রিপনের। ঠিক কি পরিমান অভিবাসী শ্রমিক এধরনের সমস্যার শিকার হয় তার সঠিক কোন সরকারী পরিসংখ্যান না থাকলেও অভিবাসী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে কাজ করে এমন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে প্রতি বছর এমন

 

প্রতারনার শিকার হয়ে দেশে ফেরে অন্তত ৫০ হাজার শ্রমিক। বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বলছে এধরনের প্রতারনার বিরুদ্ধে তারা শক্ত আইন প্রনয়নের কাজ করছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এধরনের প্রতারনার বিরুদ্ধে শুধু আইন প্রনয়নই যথেষ্ট নয়। এখানে দরকার, মানুষের

মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সে কাজটিও তারা করতে চান। একই সঙ্গে এধরনের প্রতারনা রোধে, সরকারীভাবে রেজিষ্ট্রেশনের যে ব্যবস্থা আছে সেটিকেও কাজে লাগাতে চান সংশ্লিষ্টরা। মালয়া ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক খালেদ শুকরান বলেন,‘এ প্রতারণার দায়ভার কেবল দালালদের

 

কাঁধে দেয়ার সুযোগ নেই। রাষ্ট্রকেও এর দায় নিতে হবে। কোথায় কীভাবে মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছে তা খুঁজে সমাধান করতে হবে তাদের। বিদেশে যেতে ব্যর্থ শতকরা ১৯ ভাগকে শূন্যতে নামিয়ে আনতে হবে। কারণ বিলেতফেরত বাংলাদেশিদের সংখ্যাও এখন অনেক বড়।’ বিদেশ থেকে

ফেরার পর তাদের পুনর্বাসনের জন্য ব্যাংক ঋণসহ অন্যান্য সহযোগিতা দেয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন এ গবেষক। এজন্য আন্ত.মন্ত্রণালয় সহযোগিতা বাড়ানো এবং মধ্যস্থতাকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তেনাগা ইন্ট: ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার প্রফেসর

 

নওশাদ আমিন বলেন, বিপুলসংখ্যক অভিবাসন-প্রত্যাশীকে পরিকল্পনামাফিক কাজে না লাগালে তারা দেশের বোঝা হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘অভিবাসন প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটানো প্রয়োজন। এজন্য এ ধরনের গবেষণার তথ্য কাজে লাগবে। তিনি বলেন, ‘যারা স্টুডেন্ট

বা ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়ে থেকে যাওয়ায় অবৈধ হয়ে পড়েন এ টিও একটি প্রতারনা। এ ধরনের প্রতারণা রাতারাতি কমানো যাবে না। রিক্রুটমেন্ট প্রক্রিয়াকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি দালাল ও এজেন্সিগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। যদিও উল্লেখযোগ্যহারে

 

বৈদেশিক কর্মসংস্থানে আগ্রহী কর্মীরা চাকরি নিয়ে বিদেশ যাচ্ছেন, মানসম্মত জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুব্যবস্থা আমরা কতটুকু করতে পেরেছি তা বিবেচনা করা দরকার। সরকারের বিএমইটি এর তথ্য যাচাই করলে জানা যায় ১৯৭৬ থেকে এ পর্যন্ত যেসব মোট বিদেশগামী কর্মীর প্রায় অর্ধেকই

 

ছিলেন অদক্ষ। ফলে কর্মসংস্থানের বিপরীতে কাঙ্খিত রেমিটেন্স আনতে আমরা পুরোপুরি সফল হতে পারিনি। যদি আরও বেশি দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থানের বন্দোবস্ত করা যায় তাহলে রেমিটেন্সের হার অনেক বাড়বে।

read more
মালয়েশিয়া

ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদদের ভিসা দেবে না মালয়েশিয়া: মাহাথির

মাহাথির

আগামী গ্রীষ্মে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব প্যারা সুইমিং চ্যাম্পিয়ানশিপ খেলায় কোনো ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদকে ভিসা দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মাদ। আজ শুক্রবার কুয়ালালামপুরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন। মাহাথির বলেন, ইসরাইলের

 

দমনপীড়নের মোকাবিলায় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন জানানো মালয়েশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এই নীতির আলোকে চলতি বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠে ওয়ার্ল্ড প্যারা সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ইসরায়েলি সাতারুদের ভিসা দেয়া হবে না। মালয়েশিয়ার কুচিং শহরে আগামী

 

২৫ জুলাই বিশ্ব প্যারা সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হবে এবং তা চলবে ৪ আগস্ট পর্যন্ত। গত কয়েকদিন ধরে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এ খবর প্রচারিত হয়েছে যে, প্যারা সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে যাতে ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদরা অংশ নিতে পারে সেজন্য তাদেরকে ভিসা দিতে মালয়েশিয়া সরকারকে রাজি

 

করানোর চেষ্টা করছে তেল আবিব। এই খবর প্রচারিত হওয়ার পর মাহাথির মোহাম্মাদ তার দেশের দৃঢ় অবস্থানের কথা ঘোষণা করলেন। ইসরাইলের সঙ্গে মালয়েশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এবং দেশটির জনগণ ও সরকার সব সময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি সমর্থন জানিয়ে এসেছে।

read more
মালয়েশিয়া

পদত্যাগ করলেন মালয়েশিয়ার রাজা

fdghdfgh

মালয়েশিয়ার ১৫তম রাজা সুলতান মোহাম্মদ ভি পদত্যাগ করেছেন। দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আজ একটি বিবৃতিতে রাজপরিবারের হিসাব নিরীক্ষক দাতুক ওয়ান আহমাদ দাহলান আজিজ একথা জানান বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম দ্য স্টার অনলাইন। বর্তমানে সুলতান মুহাম্মদই

 

প্রথম মালয়েশিয়ার রাজা, যিনি মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার দুই বছর আগেই পদত্যাগ করলেন। এদিকে বিবৃতিতে তিনি বলেন, সংবিধানের ৩২(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে পদত্যাগ করেছেন রাজা। বিষয়টি রাজপরিবারের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারকে জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রধান হিসেবে

 

রাজা তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছেন। দেশের স্থিতিশীলতার ধারক, ন্যায়বিচারের উৎস, ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও ভূমিকা পালনের চেষ্টা করেছেন তিনি। তাছাড়া দেশের ১৫তম ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং হিসেবে ২০১৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর তাকে বেছে নেয়ায় তিনি দেশটির

 

শাসকদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দায়িত্ব পালনকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সরকার তাকে সহযোগিতা করায় তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

read more
মালয়েশিয়া

ইসলামী আইনে মালেয়শিয়ায় যে নারী বিচারক পুরুষদের দ্বিতীয় বিয়ে করার সিদ্ধান্ত দেন

_104330939_20181005_xjp_opening_101

ইসলামী আইন বা শরিয়া আইন অনেকসময় দোষীকে অতি কঠোর শাস্তি প্রদান করে থাকে বলে সমালোচনা করা হয়ে থাকে। কিন্তু মুসলিম অধ্যুষিত মালয়েশিয়ার শরিয়া আইন অনুযায়ী পরিচালিত হওয়া উচ্চ আদালতের একজন নারী বিচারক মনে করেন, তিনি নিজের পদমর্যাদা বলে তিনি মুসলিম

 

নারীদের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। বিচারক নেনি শুশাইদাহ দিনে পাঁচটির বেশি মামলার বিচারিক কাজ পরিচালনা করেন এবং সপ্তাহে প্রায় ৮০টি মামলার শুনানি করে থাকেন। মালয়েশিয়ায় শরিয়া আইনের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। দুই ধারা বিশিষ্ট আইনি ব্যবস্থায়

 

পারিবারিক ও নৈতিক বিষয়ের বিচার চাওয়ার ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার অনেক মুসলিমই শরিয়া আইনের দ্বারস্থ হয়ে থাকেন। মালয়েশিয়ায় শরিয়া আইনের জনপ্রিয়তা মালয়েশিয়া অনেকটা মধ্যমপন্থী ইসলামিক আইন অনুশীলন করলেও সেখানে কট্টরপন্থী মতবাদের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। বিচারক

শুশাইদাহ অর্থনৈতিক দ্বন্দ্বের মামলা থেকে শুরু করে শরিয়া আইনে নারী-পুরুষ সম্পর্কে নৈতিকতার দ্বন্দ্বসহ বিভিন্ন ধরণের মামলার বিচার করে থাকেন। আরো পড়ুন: অনলাইনে হয়রানির শিকার মালয়েশিয়ার মুসলিম নারীরা ‘প্রতিবন্ধী বলে সবাই বলেছিল আমাকে মেরে ফেলতে’ বাংলাদেশের

 

যে নারী বিবিসির ১০০ নারীর তালিকায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পরিণতি কী হতে পারে? হাসিনাকে নিয়ে ছবির নামে বানান ভুল, উকিল নোটিশ ছবির কপিরাইটJOSHUA PAUL FOR THE BBC Image caption মালয়েশিয়া একটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। তবে পারিবারিক

দ্বন্দ্বের ক্ষেত্রে সন্তানের ভরণপোষণ বিষয়ক মামলা এবং বহুগামিতা বিষয়ে বিচার করার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ তিনি। বিচারক শুশাইদাহ বলেন, “প্রতিটি ঘটনাই জটিল এবং অন্যটির চেয়ে ভিন্ন। ইসলামী আইনের অধীনে গৎবাঁধা কোনো সমাধান আপনি দিতে পারবেন না।” মুসলিম ধারণা অনুযায়ী,

 

একজন পুরুষ চারটি বিয়ে করতে পারেন, যা মালয়েশিয়ায় আইনত বৈধ। বিচারক শুশাইদাহর আদালতে বহুবিবাহের অনুরোধ নিয়ে আসা ব্যক্তিসহ তার পরিবারের বাকিদেরও উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। শুশাইদাহ বলেন, “আমি সবার বক্তব্য নিতে চাই, শুধু পুরুষদেরটা নয়।” “নারীদের সাথে

কথা বলে আমি নিশ্চিত হতে চাই যে তারাও বিষয়টি নিয়ে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল। তারা যদি সব বিষয়ে পুরোপুরি না জেনে থাকেন তাহলে আমি তাদের অনুমতি দেই না।” বিচারক শুশাইদাহ জানান, মালয়েশিয়ার অধিকাংশ নারীই এ ধরণের নিয়ম পছন্দ করেন না। “কিন্তু ইসলাম অনুযায়ী এটি বৈধ

 

এবং মালয়েশিয়ার আদালত এই আইন বাস্তবায়ন করতে বেশ কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।” একজন পুরুষের দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে চাওয়ার পেছনে অত্যন্ত শক্ত যুক্তি থাকতে হয় বলে মন্তব্য করেন বিচারক শুশাইদাহ। এই দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রী’র স্বতঃস্ফূর্ত অনুমতি বাধ্যতামূলক বলেও

নিশ্চিত করেন বিচারক শুশাইদাহ। ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES Image caption বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগে সমালোচকরা এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রায়ই শরিয়া আইনের বিরোধিতা করে থাকেন। শরিয়া আসলে কী? ইসলামের ধর্মগ্রন্থ কোরানে বর্ণিত মতাদর্শ অনুযায়ী

 

তৈরি আইনি অবকাঠামোকে শরিয়া বলা হয়। একই সাথে নবী মুহাম্মদের বক্তব্য আর জীবনধারণের আদর্শ বা ‘হাদিস’ এবং ইসলামী পণ্ডিতদের দ্বারা নির্ধারিত আইন বা ‘ফতোয়া’ও অন্তর্ভুক্ত শরিয়া আইনে। মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন পরিসরে ব্যবহৃত হয়ে থাকে শরিয়া আইন। শরিয়া আইন

অধিকাংশ ক্ষেত্রে “ভুল, অতি কঠোর এবং অমানবিক” বলে মানবাধিকার কর্মীরা এর সমালোচনা করে আসছেন। তবে অনেকসময় কঠিন শাস্তি দিলেও বিচারক শুশাইদাহ মনে করেন, সুবিচার নিশ্চিত করতেই শরিয়া আইন কখনো কখনো কঠোর অবস্থান নিয়ে থাকে। শরিয়া আইনেরে

 

বিরোধিতা করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া শাখার উপ-পরিচালক ফিল রবার্টসন বিবিসিকে বলেন, “যেই শরিয়া আইন নারী, সমকামী বা সংখ্যালঘুদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করে না, সেই শরিয়া আইনে আমার কোনো আপত্তি নেই।” “কিন্তু মালয়েশিয়ায় শরিয়া আইনের সমস্যা হলো

তারা প্রায়ই এ ধরণের কাজ করে থাকে।” তবে বিচারক শুদাইদাহ মনে করেন শরিয়া আইন সবসময় পুরুষদের পক্ষে রায় দেয়, এমন ধারণা সত্য নয়। “নারীদের অধিকার রক্ষার জন্য তৈরি হয়েছে আমাদের আইন। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা হয়েছে এই

 

আইনে।” ছবির কপিরাইটJOSHUA PAUL FOR THE BBC Image caption নেনি শুশাইদাহ। মালয়েশিয়ার আইনে নারীর অবস্থান বিচারক শুশাইদাহ সবচেয়ে বড় চিন্তা, শক্ত শরিয়া আইনের ফাঁক গলে বিদেশে গিয়ে বিয়ে করছে মালয়েশিয়ার পুরুষরা। “মালয়েশিয়ার পুরুষ বিদেশে গিয়ে বিয়ে করলে মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী তাকে শাস্তির অধীনে আনা যায় না।” মালয়েশিয়ার নারী অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংঘ ‘সিস্টারস ইন ইসলাম’এর মতে, মালয়েশিয়ার আদালতে ‘নারী প্রতিনিধিত্বের ভয়াবহ ঘাটতি’ এবং পুরো বিচার বিভাগে ‘পুরুষত্ববাদের তীব্র ছায়া’

বিদ্যমান রয়েছে। ঐ সংস্থার একজন মুখপাত্র মাজিদাহ হাশিম বলেন, “মালয়েশিয়ার শরিয়া আইনের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে দেখা যায় তা উদ্দেশ্যমূলক ভাবে নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবাদী আচরণ করে থাকে। এমনকি সামাজিকভাবে নৈতিকতার অবক্ষয়ের কারণ হিসেবে নারীদের

 

দোষারোপও করা হয়ে থাকে।” মিজ. হাশিম মনে করেন, সরকারি ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলো নারীদের প্রাপ্য বিচার নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। যে কারণে বিচারক শুশাইদাহর নিয়োগ ছিল মালয়েশিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। “একসময় শরিয়া আইনের অধিকাংশ

 

বিচারকই ছিলেন পুরুষ, যারা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নারীর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন।” তবে আদালত পরিচালনায় বিচারক শুশাইদাহর বলিষ্ঠ ভূমিকার মাধ্যমে ঐ ধারা পরিবর্তিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করতেই পারেন মালয়েশিয়ার মুসলিমরা।

read more
মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় ‘মেগা-থ্রি’ অভিযান, আতঙ্কে বাংলাদেশী শ্রমিকরা

_102685910_malay4

মালয়েশিয়ায় অবৈধ শ্রমিকদের বিরুদ্ধে চলমান ‘মেগা-থ্রি’ অভিযানে সে দেশে শত শত অভিবাসীকে আটক করেছে সে দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশ। যাদের আটক করা হয়েছে, তাদের প্রায় অর্ধেকই বাংলাদেশী নাগরিক। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রতিনিধিরা বিবিসিকে জানিয়েছেন,

 

বহুদিন মালয়েশিয়াতে থাকার পরও যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই, এই ধরপাকড় অভিযান নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মালয়েশিয়ার পুলিশ ও ইমিগ্রেশন বিভাগ যৌথভাবে এই অভিযান চালাচ্ছে। কোথাও তারা হানা দিয়েছে, এ খবর জানামাত্র কমিউনিটির লোকজন ফেসবুক বা

 

হোয়াটসঅ্যাপে সবাইকে সতর্ক করে নিমেষে বার্তা পাঠাচ্ছেন। কিন্তু তাতেও ধরপাকড় এড়ানো যাচ্ছে না। যেমন মঙ্গলবারই রাজধানী কুয়ালালামপুরের মারা ডিজিটাল মল ও তার আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৪ জন বাংলাদেশী সহ মোট ১৩৯ জনকে আটক করেছে

ইমিগ্রেশন পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের নাগরিকরাও ছিলেন। ছবির কপিরাইটশেখ কবির আহমেদ Image caption মিডিয়াকে ব্রিফ করছেন মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা ওই অভিযানের শেষে ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক

 

দাতুকশ্রি মোস্তাফার আলি স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, “আগামী ৩১ আগষ্টের মধ্যে এখান থেকে সব অবৈধ শ্রমিককে থ্রি-প্লাস ওয়ান পদ্ধতি অনুসরণ করে নিজ নিজ দেশে ফিরত যেতে হবে।” যারা ওই তারিখের মধ্যে দেশে ফিরবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর থেকে কঠোরতম ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে

বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। মালয়েশিয়ার সাংবাদিক শেখ কবির আহমেদ বিবিসিকে জানাচ্ছেন, ভয়ে ভয়ে দিন-কাটানো এই অবৈধ বাংলাদেশীরা অনেকেই অভিযোগ করছেন কথিত এজেন্টদের হাতে প্রতারিত হওয়াতেই তারা আজ অবধি সে দেশে বৈধ শ্রমিকের স্বীকৃতি পাননি। “২০১৬র

 

ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়ার সরকার রিহায়ারিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে এই অবৈধ শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার একটা সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু যে তিনটে ভেন্ডর কোম্পানিকে এর দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাদের নাম ভাঙিয়ে বেশ কিছু নকল এজেন্ট বা দালাল বাংলাদেশীদের সঙ্গে বিরাট প্রতারণা করেছে বলে

অভিযোগ উঠেছে।” আমাদের পেজে আরও পড়তে পারেন : পাকিস্তানে ভোট চলছে: ইমরান খানের সময় এসেছে? নেদারল্যান্ডসে গর্ভবতী মাকে ভায়াগ্রা: প্রাণ গেলো ১১ নবজাতকের থর মরুভূমিতে বিলাসবহুল টেন্ট ছবির কপিরাইটশেখ কবির আহমেদ Image caption রাস্তার পাশে বসিয়ে

 

রাখা হয়েছে আটক করা অবৈধ শ্রমিকদের “আমরা প্রচুর এমন ঘটনা পেয়েছি, যেখানে বাংলাদেশী শ্রমিকরা না-বুঝে ওই ভুয়ো এজেন্টদের হাতে চার থেকে পাঁচ হাজার রিঙ্গিত (প্রায় হাজার থেকে বারোশো মার্কিন ডলার) তুলে দিয়েছেন, তাদের আঙুলের ছাপও নেওয়া হয়েছে – কিন্তু এজেন্টরা ওই

টাকাটা মেরে দেওয়ায় তাদের আর কখনওই বৈধ হয়ে ওঠা হয়নি” , বলছিলেন মি আহমেদ। শেখ কবির আহমেদ আরও বলছিলেন, যেসব ভুয়ো কোম্পানি শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতারণা করে তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়েছিল সেগুলোর বেশির ভাগেরই মালিকানাও ছিল বাংলাদেশীদের। “মালয়েশিয়ান স্ত্রী

 

থাকার সুবাদে তারা তাদের নামে ওই কোম্পানিগুলো খুলেছিলেন। কিন্তু তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার কোনও অধিকারই ছিল না, শুধু অর্থের লোভে তারা ওই অবৈধ শ্রমিকদের ঠকিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন”, জানাচ্ছেন তিনি। মালয়েশিয়াতে শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত এলাকা পেনাংয়ে

কর্মরত সুলেমান নামে এক বাংলাদেশী যেমন জানাচ্ছেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশের এজেন্ট তার কাছ থেকে চার হাজার রিঙ্গিত (বাংলাদেশী ৮০ হাজার টাকা) নিয়ে বিনিময়ে শুধু একটি মাই ইজির কাগজ (ভেন্ডর সংস্থা) ধরিয়ে দেয় । “তারপর দীর্ঘদিন ঘুরেও আমার ভিসা না হওয়ার কারণে আমাকে

 

এখন দেশে ফিরে যেতে হচ্ছে। টাকা ফেরত চাইতে গেলে ওই এজেন্ট বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করছে”, বলছিলেন সুলেমান। ছবির কপিরাইটশেখ কবির আহমেদ Image caption অভিযানের সময় সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে পাহাং জেলার কুয়ান্তান এলাকাতেও

বাংলাদেশী এজেন্টদের হাতে প্রতারিত হয়ে প্রায় দুই থেকে তিনশো বাংলাদেশী এর মধ্যেই দেশে ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছেন। এখন মালয়েশিয়ার তেরোটি প্রদেশ জুড়ে মেগা-থ্রি অভিযান শুরু হওয়াতে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন এই অবৈধ শ্রমিকরাই। মালয়েশিয়ার স্থানীয় ব্যবসায়ী

 

কামরুজ্জামান কামাল বলছিলেন, “যখনই একটা এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে প্রথমেই বৈধ ও অবৈধ – সব বিদেশি শ্রমিককে ধরে এনে খোলা জায়গায় সার বেঁধে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রোদ হোক বৃষ্টি – তাদের ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।” “তারপর কাগজপত্র পরীক্ষা করে

যারা বৈধ তাদের ছেড়ে দেওয়া হলেও বাকিদের লরিতে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ক্যাম্পে। কিন্তু কাগজপত্র ঠিক থাকুক বা না-থাকুক, হেনস্থা হতে হচ্ছে সবাইকেই!” সাংবাদিক শেখ কবির আহমেদও বলছিলেন, ক্যাম্পে নেওয়ার পরও অবৈধ শ্রমিকদের দুর্দশার শেষ হচ্ছে তা মোটেই নয়। ১৪ দিনের

 

 

মধ্যে আদালতে পেশ করা হলে তাদের যে সাজা হয়, প্রথমে সেই মেয়াদটা জেলে কাটাতে হয়। ছবির কপিরাইটশেখ কবির আহমেদ Image caption কুয়ালালামপুরের একটি মলে শুরু হচ্ছে অবৈধ শ্রমিক বিরোধী তল্লাসি তারপর যদি তারা দেশে ফেরার টাকা জোগাড় করতে পারেন, তাহলে নিজেকে

বিমানের টিকিট কেটে ফেরার ব্যবস্থা করতে হয়। ওদিকে সম্প্রতি মালয়েশিয়া সরকারের চালু করা ‘থ্রি প্লাস ওয়ান’ স্কিমের আওতাতেও যে কেউ এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশনে চারশো রিঙ্গিত (একশো ডলার) জমা দিয়ে সসম্মানে নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেন। কিন্তু বাংলাদেশীরা অনেকেই

 

অভিযোগ করছেন, চারশোর জায়গায় তাদের কাছে নশো, হাজার বা তারও বেশি রিঙ্গিত দাবি করা হচ্ছে – যে পরিমাণ অর্থ জোগাড় করার ক্ষমতাই তাদের নেই। ফলে তারা না-পারছেন মালয়েশিয়া ছেড়ে যেতে, আবার অবৈধ শ্রমিক হিসেবে সে দেশে থেকে গেলেও হেনস্থা হতে হচ্ছে পুলিশ ও ইমিগ্রেশন বিভাগের হাতে। সব মিলিয়ে এক দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে পড়েছেন এই হাজার হাজার বাংলাদেশী।

read more
মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় জাহাজ ডুবে বাংলাদেশি নিহত, নিখোঁজ এক

malyeshia-1-20181228083214

মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা জোহরের কোতা তিংগী নামক জায়গায় মালবাহী জাহাজ ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে এক বাংলাদেশি ও এক চিনা নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছে আরও এক বাংলাদেশি। দেশটির জোহর মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির (এমএমইএ) ]]

 

পরিচালক ফার্স্ট অ্যাডমিরাল মেরিটাইম আমিনউদ্দিন আব্দুল রশীদ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হওয়া দুইজনের মরদেহ ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে উদ্ধার করে এমএমইএ। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে আব্দুল রশীদ বলেন, ‘নিখোঁজ হওয়া

 

বাংলাদেশি ক্রু সদস্য জাহাজে আটকা পড়েছেন এমন সন্দেহে তৃতীয় দিনের মতো আমরা সন্ধান চালিয়েছি। টিআইআর এলাকাটি তিমুর তানজুং এবং তানজুং সেপাঙ্গের জলের মধ্যে ১২০ বর্গ নটিক্যাল মাইল এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগের পাশাপাশি তানজুং সেপাং এবং

তানজুং পেনওয়ারের প্যান্টাই তানজুং পাংগাইয়ের উপকূলীয় এলাকায়ও অনুসন্ধানের চেষ্টা করা হবে।, malyeshia যেভাবে ঘটে জাহাজ ডুবি দুর্ঘটনার বিষয়ে ৩০ বছর বয়সী বাংলাদেশি ক্যাপ্টেন মিজাম উল হক বলেন, ঘটনাটি তাদের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের খুব কাছাকাছি ঘটেছে। ক্যাপ্টেন

 

বলেন- ‘গন্তব্যে ১৪ দশমিক ৪ কি.মি. পথ বাকি থাকতেই জাহাজের জেনারেটর শক্তি হারিয়ে ফেলে। যে কারণে, আমি জাহাজের স্টিয়ারিং নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। চার থেকে পাঁচ মিটার উচ্চ শক্তিশালী ঢেউগুলো বিভিন্ন দিক থেকে জাহাজে আঘাত হানছিল। ফলে জাহাজটি আরও দূরে সরে যায়।,

 

নিজাম আরও বলেন, ‘পানি জাহাজে প্রবেশ করেছিল এবং আমরা আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। আমি চিৎকার করে ক্রুদের বললাম জাহাজ থেকে সরে যেতে।, তথ্য মতে, মালবাহী এ জাহাজটিতে মোট নয়জন ক্রু সদস্য ছিলেন। তাদের ছয়জনের প্রাণ বাঁচলেও দুইজনের প্রাণনাশ হয়েছে এবং অপর একজনের সন্ধ্যান তৃতীয় দিনেও পাওয়া যায়নি।

read more
মালয়েশিয়া

সতর্ক হোন; বাংলাদেশিদের মালয় তরুণীদের বিয়ে নিয়ে যা বললেন মাহাথির

Untitled-2-97

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ডা. মাহাথির মোহাম্মদ ভবিষ্যতে বিয়ে করার জন্য মেয়ে পাবেন না বলে তার দেশের নাগরিকদের সতর্ক করেছেন।তিনি বলেন, বর্তমানে প্রচুর বাংলাদেশি এ দেশে আসছে। তাদের সংখ্যা ২০ লাখ। তারা সুন্দরী মালয় তরুণীদের বিয়ে করে বাংলাদেশে নিয়ে যাচ্ছে।

 

আপনারা যদি সতর্ক না হোন তাহলে সামনে বিয়ে করার জন্য আর মেয়ে পাবেন না। তিনি আরও বলেন, আমরা মালয়েশিয়ানরা কাজ করতে চাই না। তাই বাংলাদেশিরাই এখানে এসে সব কাজ করছে। যদি মালয়েশিয়ানরা নিজ দেশে কর্তৃত্ব করতে চায় তাহলে তাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

 

তাদের ভালো পড়াশুনা করতে হবে। দেশের জন্য কাজ করার বিষয়ে দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় বহু জাতিগোষ্ঠীর বসবাসে আমরা অভ্যস্তও হয়ে উঠেছি। কিন্তু বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, মধ্যপ্রাচ্য, ইরান, মধ্য এশিয়ার লোক বেশি হয়ে গেছে এখানে। আমরা এখন মানুষ

 

দেখলে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। কারণ, আমরা বুঝতেই পারি না কে মালয়েশিয়ার নাগরিক আর কে নয়।মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকের আধিক্যের কথা উল্লেখ করে ড. মাহাথির বলেন- ‌তারা এখানে কেন? আমরা কাজ করতে চাই না। তাই বাংলাদেশিরাই সব কাজ করছে।’

read more
মালয়েশিয়া

নাগরিকত্ব পাচ্ছেন মালয়েশিয়া প্রবাসীরা …বিস্তারিত দেখুন

Untitled-1 copy (1)

এবার মালয়েশিয়া প্রবাসী এর জন্য চরম সুখবর!! প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়া সরকার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রবাসী শ্রমিকদের দক্ষতার বিবেচনায় প্রবাসীদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে । দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ এই তথ্য জানায় আমেরিকান মালয়েশিয়ান চেম্বার

 

অব কমার্সের এক অনুষ্ঠানে । মাহাথির আরো বলেন… বিদেশিরা এই দেশে আসেন অনেক সপ্ন নিয়ে এবং আমাদের চাহিদা অনুযায়ী বিশেষ ক্ষেত্রের দক্ষতা নিয়েও তারা আসেন। আমরা তাদের থাকার জন্য অনুরোধ করবো এমনকি তাদের নাগরিকত্বও দেয়া হতে পারে যদি তারা চান।তিনি বলেন,

 

বিদেশিরা যেসব প্রশ্নযোগ্য আচরণ করছেন সেগুলোও বিবেচনা করা হচ্ছে। বিদেশি শ্রমিকদের নিয়ে যথাযথ নীতি তৈরীর জন্য তার সরকার কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ। তিনি বলেন, বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো সঠিক দরপত্র প্রক্রিয়া ছাড়াই

নিয়োগ দিচ্ছে এবং ইচ্ছামতো অর্থ আয় করছে। এই বিষয়গুলোও বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়াও মালয়েশিয়া বড় সংখ্যক পর্যটক আকর্ষণের চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আমরা আরও বেশি জ্ঞানী ও বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে মালয়েশিয়ায় এসে থাকার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি যেন তারা

 

শিল্পায়নের প্রকল্পগুলোতে অবদান রাখতে পারেন।আমাদের মালয়েশিয়াকে আরো উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে উপস্থাপন করতে পারি। সব খবর সকলের আগে পেতে – লাইক ,কমেন্ট, শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকুন ।

read more
মালয়েশিয়া

আজ ২৭-১২-২০১৮ নিচে সকল দেশের টাকার রেট দেওয়া হল।

Untitled-1 copy

আজ ২৭-১২-২০১৮ নিচে সকল দেশের টাকার রেট দেওয়া হল।
SAR  (সৌদি রিয়াল) = ২২.৩২ ৳
SGD  (সিঙ্গাপুর ডলার) = ৬০.৮৭ ৳
AED  (দুবাই দেরহাম) = ২২.৭৯৳
KWD  (কুয়েতি দিনার) = ২৭৪.65 ৳
USD   (ইউএস ডলার) = ৮৩.৭১৳


OMR   (ওমানি রিয়াল) = ২১৭.৭২ ৳  
MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) = ১৯.৯৬৳   
QAR  (কাতারি রিয়াল) = ২২.৯৯৳ 
BHD  (বাহরাইন দিনার) = ২২২.৬৪ ৳ 
INR  (ইন্ডিয়া রূপি) = ১.১৩ ৳ 
EUR  (ইউরো) = ৯৫.৫৮ ৳ 

 


MVR  (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া) = ৫.৩৪ ৳
IQD   (ইরাকি দিনার) = ০.০৭০ ৳
ZAR  (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড) = ৬.৩৬৳
GBP  (ব্রিটিশ পাউনড) = ১১০.৬১৳
যে কোন সময় টাকার রেট উঠা নামা করতে পারে…

read more
1 2 3
Page 1 of 3