close

শিক্ষা

শিক্ষা

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ

15

১৫ জুলাই ২০১৭ তারিখ বেলা ১১টায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনফারেন্স কক্ষে কমিটির ২৫২তম সভায় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ

সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় – এখনো ঘোষণা হয়নি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার দিন বিকেলে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়- ৮ থেকে ১৮ অক্টোবর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়- ২২ থেকে ২৬ অক্টোবর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়- ২২ থেকে ৩০ অক্টোবর

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়- ২৫ থেকে ২৯ নভেম্বর,

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়- ১৯ থেকে ২৩ নভেম্বর,

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়- ২৪ ও ২৫ নভেম্বর

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়- ২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর,

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়- ১১ নভম্বের।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস – ২৪ ও ২৫ নভম্বের,

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়- ১৭ ও ১৮ নভম্বের,

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম- ৮ ডিসেম্বর

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)- ১৪ অক্টোবর,

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)- ২১ অক্টোবর,

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)- ১৭ নভেম্বর,

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)– ২০ অক্টোবর,

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়- ২৬ নভেম্বর

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ

গাজীপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়- ০৮ নভেম্বর

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ০৪ নভেম্বর,

ঢাকা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ০১ ডিসেম্বর,

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়- ১৭ নভেম্বর,

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়- ২ ডিসেম্বের।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ২৭ অক্টোবর,

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ৫ থেকে ৮ নভেম্বর,

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ১৮ নভেম্বর,

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ৯ ও ১০ নভেম্বর

টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- এখনো ঘোষণা হয়নি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ২০ ও ২১ ডিসেম্বর,

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ৩ ও ৪ নভেম্বর

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ২০১৮ সালের মার্চের শেষ সপ্তাহে।

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ৫ নভেম্বর।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়- এখনো ঘোষণা হয়নি এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২৪ আগস্ট থেকে আবদেন শুরু হবে।সভায় যারা উপস্থিত ছিলেনঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশিদ সভাপতিত্বে সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশীদ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড.কামাল উদ্দিন আহাম্মদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান, জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম, জবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মীজানুর রহমানসহ ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা উপস্থিত ছিলেন।

read more
শিক্ষা

কব্জি দিয়ে লিখে এইচএসসিপাস

Capture

কবজি দিয়ে লিখে এইচএসসি পাস করেছেন লালমনিরহাটের শাহ আলম।

 

হাতীবান্ধা আলিমুদ্দিন কলেজের বাণিজ্য বিভাগের এই পরীক্ষার্থী সম্পর্কে অধ্যক্ষ সরওয়ার হায়াত খান বলেন, শাহ আলম শারীরিক প্রতিবন্ধিতা ও সংসারের অভাব মোকাবিলা করেও জিপিএ ৩.৪২ পেয়ে সবার জন্য উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব বিছনদই গ্রামের একরামুল-মরিয়ম দম্পতির ছেলে শাহ আলম। বাবা বর্গা চাষী আর মা গৃহিণী। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে শাহ আলম চতুর্থ।

মরিয়ম বেগম বলেন, এক বছর বয়সে হঠাৎ একদিন হামাগুড়ি দেওয়ার সময় উঠানে থাকা ভুসির আগুনে পড়ে যায় শাহ আলম।

“টাকার অভাবে ভালো চিকিৎসা করাতে না পারায় সব আঙ্গুল হারাতে হয়। কিন্তু পাঁচ বছর বয়সে অন্যদের মতো সেও স্কুলে যেতে চায়। বাধ্য হয়েই তাকে স্কুলে ভর্তি করাই। আজ আমার সেই ছেলে এইচএসসি পাস করেছে। এতে হামাক কি যে ভালো লাগছে তা বুঝাতে পারতাম না।”

শাহ আলম আঙুল হারালেও কখনও মনোবল হারাননি বলে গর্ববোধ করেন বাবা একরামুল।

“শাহ আলম এখন লেখাপড়া করে ব্যাংকের চাকরি করবে বলে স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু সাত সদস্যের সংসার চালাতে গিয়েই হিমশিম খাচ্ছি। ছেলের স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত পূরণ হবে কিনা জানি না।”

শারীরিক প্রতিবন্ধকতার চেয়ে অভাবই বড় বাধা বলে জানিয়েছেন শাহ আলম।

তিনি বলেন, “সব বাধা পেরিয়ে ভবিষ্যতে ব্যাংকার হতে চাই।”

বিত্তবানরা পাশে দাঁড়ালে ভবিষ্যতে শাহ আলম আরও ভালো করবেন বলে মনে করেন অধ্যক্ষ সরওয়ার হায়াত খান।

সবার প্রতি তিনি সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।-

read more
শিক্ষা

ছেলের চেয়ে ভালো রেজাল্ট নিয়ে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হল মা-ছেলে !

Capture

প্রায় প্রত্যেক পাবলিক পরীক্ষায় বাংলাদেশে এমন কিছু ঘটনা ঘটে।  এবারও তার ব্যাতিক্রম কিছুই ঘটেনি।  একসাথে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করলেন মা-পুত্র।  ঘটনাটি ঘটেছে নাটোর জেলায়।

পড়া লেখার যে কোনো বয়স নেই তা প্রমান করেছেন নাটোরে মা শাহনাজ পারভিন (৪০) এং ছেলে রাকিব আমিন সবুজ (২০)।  এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এক সঙ্গে পাস করেছেন শাহনাজ পারভিন এবং ছেলে রাকিব আমিন সবুজ।

শাহনাজ পারভিন নাটোর মহিলা কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে ৪ দশমিক ৮৩ এবং ছেলে রাকিব নাটোর

টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে ৩ দশমিক ৬৭ পেয়েছেন।

ছেলের চেয়ে মায়ের ফলাফল ভাল হওয়ায় আনন্দের বন্যা বইছে শাহনাজ পারভিনের পরিবারে।  মা ছেলে পাস করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শাহনাজ পারভিনের বাড়িতে ভিড় করছেন এলাকাবাসীরা।  তবে উচ্চ শিক্ষার জন্য তারা সরকারের সকল সহযোগিতার দাবী জানিয়েছেন।

শাহনাজ পারভিনের পরিবার জানায়, ১৯৯২ সালে তেলকুপি এলাকার রুহুল আমীনের সাথে বিয়ে হয় শাহনাজ পারভিনের।  এরপর পরিবার নিয়ে শহরের নাটোর শহরের মল্লিকহাটি মধ্যপাড়ায় বসবাস করে আসছেন তিনি।  বিয়ের পর ১৯৯৫ সালে স্থানীয় একটি স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে সেকেন্ড ডিভিশনে পাস করেন তিনি।

এরপর অভাবের সংসারের কারনে আর লেখা-পড়া চালিয়ে যেতে পারেননি শাহনাজ পারভিন।  এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জননী শাহনাজ পারভিন স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নার্সের চাকরি করে সংসার পরিচালনা করে আসছিলেন।

কিন্তু লেখাপড়ার গুরুত্ব বুজে চল্লিশ বছর বয়সেই শাহনাজ পারভিন ২০১৫ সালে নাটোর মহিলা কলেজে কম্পিউটার বিষয়ে ভর্তি হন।  সেখান থেকেই ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৪দশমিক ৮৩ পয়েন্ট নিয়ে উত্তীর্ন হয় শাহনাজ পারভিন।

মা শাহনাজ পারভিন বলেন, ১৯৯৫ সালে এসএসসিতে সেকেন্ড ডিভিশন নিয়ে পাস করি।  এরপর আর লেখা পড়া করার সুযোগ হয়নি।  কিন্তু যখন বুঝলাম লেখা-পাড়ার কোনো বয়স নাই তখন কলেজে ভর্তি হয়ে পড়াশুনায় মনোযোগ দেই।

তিনি আরো বলেন, ভবিষৎতে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভাল কোনো কলেজে ভর্তি হতে চাই।  কিন্তু অভাবের সংসারে সাংসারিক কাজ করে লেখাপড়া চালিয়ে নেওয়া খুব কঠিনই।  তাই সরকারি কোনো সহযোগিতা পেলে লেখা-পাড়া আরো দুরে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

এদিকে, শাহনাজ পারভিনের ছেলে রাকিব আমিন সবুজ শহরের নাটোর টেকনিক্যাল এন্ড কলেজ থেকে ইলেকট্রিক্যাল বিষয় নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে।  এবারের পরীক্ষার ফলাফলে মায়ের চেয়ে কম পয়েন্টে ৩ দশমিক ৬৭ নিয়ে উত্তীর্ন হন তিনি।

ছেলে রাকিব আমিন সবুজ বলেন, আমার রেজাল্টের চেয়ে মায়ের রেজাল্ট ভালো হওয়ায় খুব খুশি হয়েছি।  তাছাড়া মায়ের ফলাফল ভালো হওয়ার কারণে পরিবারের সবাই আনন্দিত।

শাহনাজ পারভিনের ভাই সাংবাদিক কাউছার আহম্মেদ বলেন, পিতার অভাবের সংসারে অনেক আগেই বোনকে বিয়ে দিয়ে দিই।  একদিন হঠাৎ করেই বোন বলেন, পুনরায় লেখাপড়া শুরু করবেন তিনি।  এতে আমরাও সাই দিই।  পরে নাটোর মহিলা কলেজে কম্পিউটার বিষয়ে ভর্তি করে দিই।

তিনি আরো বলেন, বোন শাহনাজ স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চাকরি করে সংসার পরিচালনা করেন।  দায়িত্ব পালনের পাশাপাশিই লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন।  কলেজের অধ্যক্ষকে বলে ফরম পুরনের টাকা সহ অন্যান্যে টাকা কম দিয়েই পড়াশুনা চালিয়ে গেছেন তিনি।  তার অদম্য এই ইচ্ছা শক্তিকে আরো দুরে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের সহযোগিতা চাই।

শাহনাজ পারভিনের স্বামী রুহুল আমীন এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তার স্ত্রী এবং ছেলে এক সাথে পাস করায় পরিবারে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।  অভাবের সংসারেও যে তারা পাস করেছে এই জন্য ভালো লাগছে।

তিনি আরো বলেন, তার স্ত্রী একটি ক্লিনিকে চাকরি করার পর অবসর সময়ে পড়ালেখা করতেন।  তাদের উচ্চ শিক্ষার জন্য আমার প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।  তবে অভাবের সংসারে যদি সরকারি কোনো সাহায্য সহযোগিতা পাওয়া গেলে তারা আরো ভালো ফলাফল করবে।

এ বিষয়ে নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন বলেন, পড়াশুনার কোনো বয়স নাই।  তার উদাহরণ শাহনাজ বেগম এবং সবুজ।  তাদের যে অদম্য মনোবল তারা আরো এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা করি।  সরকারি কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন মনে করলে তাদের সকল সহযোগিতা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত এসএসসি পরীক্ষায় বাগাতিপাড়ার গালিমপুর এলাকার মা মলি রানী কুন্ডু এবং ছেলে মৃন্ময় কুমার কুন্ডু এক সাথে এসএসসি পরীক্ষায় পাসকরায় আলোড়ন সৃষ্টি করে।  সে সময় নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সহ অন্যান্যেরা অভিনন্দন জানিয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য তাদের পাশে এসে দাঁড়ান।

read more
শিক্ষা

৭২ প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি, পড়ুন বিস্তারিত- ছবিতে ক্লিক করে

student

চলতি বছরে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৫৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছে। অপরদিকে ৭২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি। এবার শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩১৬টি কমেছে। গত বছরের তুলনায় শূন্য পাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪৭টি বেড়েছে। গতবার এ সংখ্যাটি ছিল ২৫টি।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, গতবার ২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীই ফেল (অকৃতকার্য) করেছিল। এবার শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৭২টি। অর্থাৎ এবার শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের বেড়েছে ৪৭টি।

গত বছর ২৫টি প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি ও ৮৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছিলো। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৫৩টি শূন্য পাস প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরমধ্যে মাদ্রাসা বোর্ডের ১৯, ঢাকা বোর্ডে ১৭, রাজশাহী বোর্ডে ১১, কুমিল্লায় ৩, যশোরে ৪, বরিশালে ২ ও দিনাজপুর বোর্ডে ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বোর্ডের কোনো শূন্য পাস পাস প্রতিষ্ঠান নেই।

শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানেও রয়েছে যশোর বোর্ড। এ বোর্ডে ৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছে। এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে ২৫০, কারিগরি বোর্ডে ১৪৬, ঢাকা বোর্ডে ৪০, রাজশাহী বোর্ডে ২২, কুমিল্লা বোর্ডে ৭, চট্টগ্রাম বোর্ডে একটি, বরিশাল বোর্ডে ৬, সিলেট বোর্ডে ৮ ও দিনাজপুর বোর্ডে ১১টি শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠান রয়েছে

read more
শিক্ষা

সহজে এইচএসসির রেজাল্ট পেতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন

20

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে মোবাইলে ফলাফল জানা যাবে। ২৪ থেকে ৩০ জুলাই ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে। আগের মতোই নির্ধারিত পদ্ধতিতে টেলিটক থেকে আবেদন করতে হবে।গত ২ এপ্রিল শুরু হয়ে ১৫ মে এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছিল। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ১২ লাখ।

 

রেজাল্ট জানতে নিচের লেখার উপর ক্লিক করুন 

(http://www.educationboard.gov.bd)

 

যেকোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৭ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

read more