close

শুক সংবাদ

শুক সংবাদ

দুপুরো খেতে বসে হঠাৎ করে স্ট্রোক করে সৌদি প্রবাসীর মৃত্যু – বিস্তারিত জানুন

Untitled-1 copy

 

দুপুরো খেতে বসেছিলেন তিনি সহকর্মীদের সঙ্গে! সহকর্মীদের অর্ধেক খাবার হয়েছিল। তিনিও দু’ এক লোকমা খেয়েছিলেন! বুকে একটু ব্যথা করছিল বলছিলেন খানিক আগেও! সহকর্মীদের পরামর্শে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে দুপুরের খাবার খেতে বসেছিলেন ! তখনই স্ট্রোক করলেন! কেউ যা কল্পনাতেও ভাবেনি!
গত কয়েকমাস ধরে তিল তিল করে জামা জুতা আরো কত নতুন বাজার! ১০ অক্টোবরে দেশে যাবেন। টিকেটও করা হয়েছিল! প্রিয়জনদের জন্য কেনা উপহার পড়ে আছে! এখন যাবে তার লাশ!

 

 

 

গত ছুটি থেকে আসার পর, জন্ম নেয়া তার নবজাতক শিশু সন্তানের মুখটি হাতে ছুঁয়ে দেখবার খুব যে ইচ্ছে ছিল!
ফরিদপুরের ভাংগা থানার মুনির হাশেম আল জাবের লণ্ড্রি কোম্পানির সুপারভাইজার ছিলেন! বয়স ৪৩।প্রতিদিনের মত সকালে ডিউটিতে বেরিয়ে, দুপুরে খেতে এসেছেন এক সহকর্মীর বাসায়! তার সৌজন্য তাজা মাংস রান্না হয়েছিল!
বিমর্ষ সহকর্মীরা বলেন, আমাদের হাতের উপর দিয়ে মুহূর্তেই চলে গেলেন প্রায় সুস্থ একজন মানুষ! এই দুঃসহ স্মৃতি আমাদের তাড়িয়ে বেড়াবে প্রতিদিন! তিনি আল খারিজ খালিদিয়া হাসপাতালে মারা যান ।

 

 

 

গতকাল দুপুরে স্ট্রোক করার পর তাকে হাসপাতালে নিতে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সময়ই হয়তো লেগেছিল! আল-খারিজ খালিদিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগের প্রায় ২০ জন ডাক্তার নার্স ওনার তদারকিতে হাত লাগিয়েছিলেন! কিন্তু ওপরওয়ালার হাত যে সবচে’ বড়!
ইন্না লিল্লাহে ওইন্না ইলাইহে রাজিউন ।

আমরা ভুলে যাই, যে জীবনের এক মুহূর্ত নিশ্চয়তা নেয়, তার জন্য আমাদের কত লড়াই, রক্তপাত প্রতিযোগিতা!
আল্লাহ তাকে বেহেসতবাসী করুন!
সঙ্গতকারণেই লাশের ছবি প্রকাশ থেকে বিরত থাকা হলো – এডমিন!

উৎস – আমরা সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশী

read more
শুক সংবাদ

দীর্ঘ ১৫ বছর প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরেও বাড়ী ফেরা হলো না প্রবাসী আবুল কালামের ! বিস্তারিত…

Capture

দীর্ঘ ১৫ বছর সৌদিতে কাটিয়েছেন, ১৫ বছর অপেক্ষার পর দেশে ফেরা।আবুল কালামের বাড়ীর সকল মানুষ ও আত্বীয় স্বজন অনেক আনন্দ অনেকদিন পর বাড়ী আসবে,তাই তার স্বজনরা ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে যায় তাকে এগিয়ে আনারজন্য।

কিন্তু হঠাৎ করে একটি দূর্ঘটনা বদলে দিলো পরিবারটির সবকিছু। হাসীর বদলে চলে এলো কান্নার জুয়ার।ব্রাহ্মণবাড়ীয়া নবীনগর উপজেলার শিবপুর পুর্ব-দক্ষিন পাড়ার আঃরেহমান এর ছেলে আবুল কালাম,গতকাল সৌদিআরব থেকে বাড়ী ফেরার পথে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ধরখার নামক স্থানে,ভোর ৫ টা ৩০ মিনিটে চালকের ব্যাপরোয়া গতির কারনে মাইক্রো-বাসটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি বৃহৎআকারের গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।

এতে মুহুর্তেই চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যায় মাইক্রো-বাসটি।দূর্ঘটনাস্থলেই সৌদি ফেরত আবুল কালাম(৩৭) নিহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ও তার স্বজনরা জানান, শনিবার ভোর ৫ টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে শিবপুর আসার পথে
ব্যাপরোয়া গতি ও রাত্রিকালীন চালকের নির্ঘুম থাকায় মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে এই দূর্ঘটনা ঘটে।

দূর্ঘটনা স্থলের স্থানীয়দের সহযোগীতায় আবুল কালামের ভাই মিজানুর রহমান
এবং মাহফুজু রহমান, হারেছ মিয়া ও মনির হোসেন কে মাইক্রোবাসের ভিতর থেকে গুরুত্বর
আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। দূর্ঘটনার স্থলেই আবুল কালামের মৃত্যু হয়।
মাইক্রো-বাসটির চালক ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে।

 

নিকটাত্মীয় স্বজনেরা জানান মিজানুর রহমান(৩৫) , মাহফুজুর রহমান (১৫) হারেছ মিয়া (১৮)
সংকটাপন্ন অবস্থায় বর্তমানে ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 

জনাব মিজানুর রহমান শিবপুর এলাকার সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ স্মৃতি সংসদের সন্মানীত সদস্য।
তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আইসিউতে নেওয়া হয়েছে।

 

উক্ত দূর্ঘটনায় পুরো শিবপুর গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
তার রুহ’এর মাগফিরাত কামনা করছি।

read more
শুক সংবাদ

মারা গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে ভারি মহিলা ইমান আহমেদ

Capture

মারা গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে ভারি মহিলা ইমান আহমেদ

 

 

 

মারা গেলেন একসময়ের বিশ্বের সবচেয়ে ভারি মহিলা ইমান আহমেদ। আজ সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবির বুরজিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। হার্টের সমস্যা, কিডনি নিষ্ক্রিয় হওয়া-সহ নানা অসুস্থতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই হাসপাতালের ডাক্তাররা।

দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর ধূমধাম করে নিজের ৩৭তম জন্মদিন পালনের এক সপ্তাহের মধ্যেই তার মৃত্যু হলো।

ছেলেবেলা থেকেই থাইরয়েডের বিরল অসুখে আক্রান্ত মিসরের মহিলা ইমান ফেব্রুয়ারি মাসে যখন ভারতে এসেছিলেন তখন তার ওজন ছিল ৫০০ কেজি। তিনিই ছিলেন সেই সময় বিশ্বের স্থূলতম মহিলা। তবে দীর্ঘদিনের চিকিত্‍‌সার পর সফল বেরিয়াট্রিক সার্জারি করে ইমানকে পাঠানো হয় আবু ধাবির বুরজিল হাসপাতালে। মে মাসে অপারেশনের পর প্রায় ৩০০ কেজি ওজন কমেছিল ইমানের, সে কথাই জানিয়েছিল ভারতের চিকিৎসকরা।

 

 

 

 

 

মুম্বাইয়ের সাইফি হাসপাতালে ওয়েট-লস সার্জারিতে ৩৩০ কেজি ওজন কমার পর তার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কাজ স্বাভাবিক করার জন্য আবু ধাবিতে তার চিকিত্‍‌সা চলছিল। তাকে যখন আবু ধাবি নিয়ে যাওয়া হয়, তখন মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজী বিমানবন্দরে তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

read more
শুক সংবাদ

এবার স্ত্রী মরদেহ ঠেলাগাড়িতে নিয়ে ৬০ কিলোমিটার কাঁদতে কাঁদতে গেলেন হতভাগা স্বামী !

Untitled-2 copy

 

 

এবার স্ত্রী মরদেহ ঠেলাগাড়িতে নিয়ে ৬০ কিলোমিটার কাঁদতে কাঁদতে গেলেন হতভাগা স্বামী !

টাকার অভাবে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে না পেরে ঠেলাগাড়িতে করে স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে ৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেন এক স্বামী। ঘটনা ভারতের তেলেঙ্গানায়। ২৪ কিলোমিটার হাঁটার পর ক্লান্ত রামুলু রাস্তার পাশে পড়ে ছিলেন। লোকজন পুলিশকে খবর দেয়া পর্যন্ত অচেতন অবস্থায়ই ছিলেন হতভাগা ওই স্বামী।

 

 

প্রায় মাস তিনেক আগে ওড়িশ্যায় টাকার অভাবে হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে স্ত্রী মরদেহ ঘাড়ে করে দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার হেঁটেছিলেন স্বামী দানা মাঝি। সেই ছবি প্রকাশ হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছিল পুরো ভারত।

 

কুষ্ঠরোগী হওয়ায় গ্রামের অন্যদের কাছ থেকে রামুলু ও কবিতা ছিলেন পুরোপুরি আলাদা। নিজের আত্বীয়-স্বজন থেকে কোনো সাহায্য পাননি তারা।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, তেলেঙ্গানার রামুলু এবং তার স্ত্রী কবিতা দুজনেই কুষ্ঠরোগী এবং ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করতেন। গত শুক্রবার হায়দরাবাদের রেল স্টেশনের কাছে মারা যান কবিতা। স্ত্রী মরদেহ গ্রামে নিতে চাইলে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া চায় ৫০০ হাজার রুপি (ভারতীয় মুদ্রা)। কিন্তু ১০০০ রুপির বেশি দেয়ার ক্ষমতা ছিল না রামুর।

উপায়ান্তর না দেখে স্ত্রী মরদেহ নিয়ে হায়দরাবাদ থেকে রওয়ানা দেন রামুলু। কিন্তু রাতে পথ হারিয়ে বসেন তিনি। শনিবার সকালে বিক্রমবাদ নামক জায়গায় পৌঁছান। ক্লান্ত রামুলু একসময় স্ত্রীর মরদেহের পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকেন। এক সময় পথচারীরা দেখেন এক মহিলার লাশের পাশে পড়েন আছেন এক পুরুষ। এরপর ঘটনা শুনে পথচারী টাকা-পয়সা তুলে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে দুই ভিখারিকে ৮০ কিলোমিটার দূরের গ্রামে পাঠায়। -চ্যানেল আই।

read more
শুক সংবাদ

শহীদ মিনারে নেওয়া হবে মরদেহ, বনানীতে দাফন …!!!জানুন বিস্তারিত…

7e3096ba756ecc1432290c8c43c07bfc-_MG_9335_1

নায়করাজ রাজ্জাককে শেষ শ্রদ্ধা ও জানাজার জন্য মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর এফডিসিতে তার মরদেহ নেওয়া হবে। এরপর দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজার পর বনানীতে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

 

 

Image result for রাজ্জাকের ছবি

সোমবার রাতে পরিবারের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। রাজ্জাকের বড় ছেলে বাপ্পারাজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাজ্জাকের মরদেহ বর্তমানে ঢাকার গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের হিমঘরে রয়েছে।

 

 

 

রাজ্জাকের মরদেহ প্রথমে সকাল ১০টায় এফডিসিতে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজার পর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দুপুর ১২টায় কফিন নেওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এরপর তার মরদেহ নেওয়া হবে গুলশান আজাদ মসজিদে।

 

এখানে জানাজার পর বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

 

এর আগে সন্ধ্যায় ইউনাইটেড হাসপাতালে রাজ্জাকের ছোট ছেলে সম্রাট জানিয়েছিলেন, কানাডা থেকে মেজ ভাই বাপ্পীর আসতে পারার ওপর নির্ভর করছে তার বাবার দাফন ও শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয়।

এরপর রাতে সম্রাট সাংবাদিকদের জানান, বাপ্পীর দেশে পৌঁছাতে বৃহস্পতিবার কিংবা শুক্রবার হয়ে যাবে। তাই তারা আর অপেক্ষা না করে মঙ্গলবারই দাফনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

কিংবদন্তী অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরে শোকের ছায়া নেমে আসে

read more
শুক সংবাদ

ববিতাকে যে কথা দিয়ে রাজ্জাক রাখতে পারলেন না, কাঁদতে কাঁদতে ববিতা যা বলেন..

Capture

দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা ছিল বন্ধুত্বের, ভাইবোনের মতো। দুজনই কিংবদন্তি পরিচালক জহির রায়হানের হাত ধরে চলচ্চিত্রে এসেছেন। তাই সম্পর্কটা পারিবারিকও। মাস খানেক দেখা না হলে একে অপরকে ফোন করে খবর নিতেন। বলছি নায়করাজ রাজ্জাক ও ববিতার কথা।

 

 

তেমনি চলতি মাসের শুরুতেই রাজ্জাককে কল দিয়েছিলেন ববিতা। সেই আলাপচারিতার স্মৃতিচারণ করে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি তাকে নিমন্ত্রণ করলাম। বললাম রাজ্জাক ভাই অনেকদিন দেখা হয় না। আমার বাসায়ও আপনি আসেন না অনেকদিন। ভাবীকে নিয়ে একবার আসেন। আপনাকে কিছু রান্না করে খাওয়াতে চাই। তিনি বললেন, থাইল্যান্ড যাবেন ঘুরতে। পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু বেড়াতে চাইছেন। সেখান থেকে এসে আমার বাসায় আসবেন।’

 

 

 

কাঁদতে কাঁদতে ববিতা বলেন, ‘সে ভাগ্য আমি আর পেলাম কই। তাকে অনেকবারই রান্না করে খাইয়েছি। কিন্তু শেষবার যখন আবদার করলাম, কথা দিয়েও আসলেন না তিনি। আজ সন্ধ্যায় হঠাৎ খবর এলো না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি। আমাদের অভিভাবক চলে গেলেন।’

 

 

 

ববিতা আরও বলেন, ‘আমার কাছে তিনি নায়ক ছিলেন না। তার সঙ্গে সম্পর্কটা পারিবারিক। তিনি আমার সেরা বন্ধু ছিলেন, ভাই ছিলেন। আমি তাকে বলি দার্শনিক। জীবনের প্রতি তার অগাধ মমতা ছিল। সময়কে তিনি কাজে লাগিয়েছেন সফলভাবে। তার অবদান এদেশের চলচ্চিত্র কোনোদিন ভুলতে পারবে না।’

 

 

 

ববিতা বলেন, রাজ্জাকের সঙ্গে ৪০টি ছবিতে নায়িকা হয়ে অভিনয় করেছেন তিনি। রাজ্জাকের নিজের প্রযোজনা ও পরিচালনার ছবিতেও তিনি অভিনয় করেছেন।

 

 

 

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। রাজধানীর ইউনাইটেড হসপিটালে আজ সোমবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় ইন্তেকাল করেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্রপাড়ায়।

 

 

 

নায়করাজকে চলচ্চিত্রের সবাই অভিভাবক মনে করতেন। তার মৃত্যুর খবর শুনে তাই শোকে মুহ্যমান হয়ে ছুটে আসছেন হাসপাতালে। ভেঙে পড়ছেন কান্নায়।

read more
শুক সংবাদ

সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন নায়করাজ রাজ্জাক ! সারা দেশে শোকের মাতম |হাসপাতাল থেকে সর্বশেষ খবর |

Capture

নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুর খবর শুনে তাকে দেখতে হাসপাতালে ভিড় জমিয়েছেন তারকারা। অশ্রুসজল তারকাদের অনেককে এই অভিনেতার স্মৃতিচারণ করতে দেখা যায়।

 

সোমবার বিকালে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক।
নায়করাজের মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে আসেন শাকিব খান, আইরিন, সাইমন, পীযূষ বন্দোপাধ্যায়, গাজী মাযহারুল আনোয়ার, আলমগীর, ফেরদৌস, অঞ্জনা প্রমুখ।
নায়ক ফেরদৌস বলেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্র তার বটবৃক্ষকেকে হারালো। আমরা অভিভাবক হারালাম।’
নায়করাজের লাশ বর্তমানে ইউনাইটেড হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। তার দাফনের বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

 

রাজ্জাক আর নেই

নায়ক রাজ্জাক আর নেই: হাসপাতাল থেকে সরাসরি…

Posted by somoynews.tv on Montag, 21. August 2017

 

 

 

 

আরও পড়ুন …

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় মাকে উঠানে বেঁধে রেখে বাড়ি থেকে মেয়েকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাত তিনটার দিকে ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়নের চাতুনামা গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।

রবিবার সকালে ধর্ষিতার বাড়ী থেকে ১ কিলোমিটার দূরে মুমুর্ষ অবস্থায় ফেন্সী বেগমকে (২৭) দেখতে পায় এলাকাবাসী। পরে ধর্ষিতাকে পুলিশ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। বিকেলে তাকে ডাক্তারী পরিক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য নীলফামারী সদর আধুনিক

হাসপাতালে আনা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানায়।

সে ওই গ্রামের কলিম উদ্দিনের কন্যা ও একই এলাকার রশিদুল ইসলামের স্ত্রী।

ধর্ষিতার পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার দিন ভোরে ফেন্সী বেগমকে বাড়ী থেকে নিয়ে যায় স্থানীয় বখাটেরা। এ সময় তার মা ফাতেমা বেগম (৬০) কে বাড়ীর উঠানে মুখে কাপড় ও হাত দুটো রশি দিয়ে খুটিতে বেঁধে রাখে। বাড়ী থেকে ১ কিলোমিটার পূর্ব দিকে ফেন্সীকে নির্জন এলাকায় নিয়ে স্থানীয় বখাটেরা জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

দুপুরে পুলিশ হাত পা বাধা অবস্থায় ফেন্সী ও তার মা ফাতেমা বেগমকে উদ্ধার করে। ডিমলা থানার সাব ইন্সপেক্টর শাহাবুদ্দিন ঘটনাস্থল থেকে ফেন্সী ও তার মাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে বিকেল ৩টায় মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য পুলিশ পাহারায় নীলফামারী আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফেন্সী বেগম জানায়, তার মুখ বেধে ৩-৪ জন তাকে গণধর্ষণ করেছে। কারা তাকে ধর্ষণ করেছে তাদের নাম সে বলতে পারেনি।

ফেন্সীর মা ফাতেমা বেগম জানান, আমার জামাতা রশিদুল ইসলাম বাড়ীতে না থাকায় আমি, মেয়ে ফেন্সিসহ আমার নাতনী রেখা (৭), পারভীন (৩) ও নাতি সবুজ (৫) সহ একই সাথে বসবাস করতাম। রোববার ভোরে রাতে পার্শ্ববর্তী মিস্টার, রহিম, দেলওয়ার, চেতনাসহ ১০-১২জন আমার মেয়ের রুমে প্রবেশ করে তাকে হাত পা বেঁধে কাঁধে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তারা আমার মুখ বেঁধে বাইরে উঠানে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে। আমার নাতনী রেখা আক্তারের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন।

 

ফেন্সীর পিতা কলিম উদ্দিন অভিযোগ করেন, পার্শ¦বর্তী আবুল হোসেন, মোকলেছার রহমান, চাটি মামুদের সাথে জমি নিয়ে দ্বন্দ চলে আসছিল। আমার পরিবারের ক্ষতি করার জন্য পরিকল্পিতভাবে আমার স্ত্রীকে বেঁধে রেখে ফেন্সীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

 

read more