close

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আপনারা আসেন , স্যারদের মুখটা জাতি দেখুক

Untitled-1 copy

মামলা দিতে দু’জন পুলিশের সার্জেন্ট হাতের যন্ত্র নিয়ে ব্যস্ত ভঙ্গিতে। আরও কয়েকজন গাড়ি আটকে চালকের কাছে জানতে চাইছেন, ‘এটা কোনো স্যারের গাড়ি’। উৎসুক দর্শকও জুটেছেন। ক্যামেরা-নোটবুক হাতে ছোটাছুটি করছেন কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী।

 

 

 

প্রায় প্রতিদিন অফিস শেষে সরকারি গাড়িগুলো উল্টো পথে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বাড়ির পথ ধরে। আজ রোববার তাদের ধরতে রমনা পার্কের উল্টোদিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধার সামনে ফাঁদ পেতে বসেছিল পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একটি দল।

পুলিশ জানিয়েছে, দুই ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ের অভিযানে মোট ৫৭টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ও সাতটি গাড়ির কাছ থেকে রেকার বিল আদায় করা হয়। যার মধ্যে ৪০টির বেশি ছিল সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। উল্টো পথে চলা শাস্তি পাওয়াদের মধ্যে ছিলেন প্রতিমন্ত্রী, সাংসদ, সচিব, প্রকৌশলী, রাজনীতিবিদ, পুলিশ, সাংবাদিক, বিচারক ও ব্যবসায়ীদের গাড়ি।

পুলিশ জানিয়েছে, রোববার বিকেল চারটার দিকে সুগন্ধার সামনে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ উপস্থিত হন। তাঁর উপস্থিতিতেই পুলিশ এ অভিযান শুরু করে।

 

 

 

তবে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে বলেন, রোববার বিকেলে বেআইনিভাবে উল্টো পথে চলা গাড়িগুলোর বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ করেন দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি সেখানে আধঘণ্টার বেশি সময় ছিলেন।

রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সুগন্ধার সামনে গিয়ে দেখা যায় ১০-১২টি ঢাউস আকারের গাড়ি জমে গেছে। পাজেরো, প্রাডো, ল্যান্ডক্রুজার, নিসান প্যাট্রলের মতো সব দামি গাড়ি। সবগুলোই সরকারি। এক কোনায় ছিল বেসরকারি টেলিভিশন জিটিভির লোগো লাগানো একটি লাল রঙের সুজুকি সুইফট কার। সরকারি বেসরকারি সব চালকই গাড়ি থেকে নেমে গাড়িতে বসে থাকা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম নিচ্ছিলেন। কিন্তু পুলিশ কিছুই শুনছে না। একের পর এক মামলা দেওয়া চলছে। কোনো চালক অনুরোধ করছেন, এমনভাবে মামলা দিতে যাতে তাঁর চাকরি না যায়।

পুলিশ কর্মকর্তারা চালকদের দাবড়ে বলছিলেন, ‘আইজকা কোনো মাফ নাই। দ্যাখেন না সব বড় বড় স্যারেরা আইসা পড়ছে। দুদকের চেয়ারম্যান স্যার আসছিলেন। প্রতিমন্ত্রীর গাড়িরেও আইজকা মামলা দিছি। প্রতিদিন তো উল্টো যান, আইজকা একটা মামলা নিয়া যান।’

 

 

 

 

পুলিশের কর্মকাণ্ড দেখে সেখানে ভিড় জমায় পথচলতি মানুষ। রমনা পার্কে সান্ধ্যকালীন হাঁটতে বের হওয়া একজন বললেন, ‘দ্যাখছেননি পুলিশের। চোরের দশ দিন আর গৃহস্থের একদিন এইডারেই কয়। প্রতিদিন উল্টোদিকে যায়। দ্যাশে যে আইন আছে ভুইলা গেছিলাম।’

এদিকে সরকারি গাড়িগুলো ধরার পড়ে পুলিশ কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকর্মীদের আগে ডাকছিলেন। ক্যামেরার সামনে তাঁরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হতে চাচ্ছিলেন।

পরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা অভিযানে সঙ্গ দিতে অনুরোধ করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা (সাংবাদিকেরা) আসেন। আমাদের একটা মামলা বা দেড়-দুই হাজার ফাইনে তো স্যারদের কিছু আসবে যাবে না। আপনারা যদি স্যারদের জাতিদের সামনে দেখাতে পারেন তাতেই কাজে দেবে।’

এ সময় ক্যামেরা দেখে অনেক কর্মকর্তাই মুখ লুকান। কেউই কিছু বলতে চাননি। চালকদের কেউ কেউ ‘ক্যামেরার সামনে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।’

 

উৎস – প্রথম আলো

read more
সর্বশেষ সংবাদ

আল্লাহর বিচার শুরু ! মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে, দেশজুড়ে আহাকার, দেখুন ভিডিওতে

Untitled-1 copy

আল্লাহর বিচার শুরু ! মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে, দেশজুড়ে আহাকার, দেখুন ভিডিওতেআল্লাহর বিচার শুরু ! মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে, দেশজুড়ে আহাকার, দেখুন ভিডিওতেআল্লাহর বিচার শুরু ! মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে, দেশজুড়ে আহাকার, দেখুন ভিডিওতেআল্লাহর বিচার শুরু ! মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে, দেশজুড়ে আহাকার, দেখুন ভিডিওতেআল্লাহর বিচার শুরু ! মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে, দেশজুড়ে আহাকার, দেখুন ভিডিওতেআল্লাহর বিচার শুরু !

 

 

মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে, দেশজুড়ে আহাকার, দেখুন ভিডিওতেআল্লাহর বিচার শুরু ! মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে, দেশজুড়ে আহাকার, দেখুন ভিডিওতেআল্লাহর বিচার শুরু ! মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে, দেশজুড়ে আহাকার, দেখুন ভিডিওতেআল্লাহর বিচার শুরু ! মিয়ানমারের সব কিছু ধংস হয়ে যাচ্ছে,

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আরও পড়ুন… 

 

 

 

 

কাঁচা রসুনের যে ১০টি বিস্ময়কর ব্যবহার আপনি জানেন না!

রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতা আজকাল কমবেশি আমরা সকলেই জানি। আর বাঙলি রান্নায় তো রসুনের ব্যবহার আছেই আছে। ফলে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই থাকে রসুন। এছাড়া হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে অনেকেই খালি পেটে কাঁচা রসুন খেয়ে থাকেন। কিন্তু কাঁচা রসুনের আর কোন ব্যবহার জানেন কি আপনি? যেমন, কাঁচা রসুন ব্রণ বা গলা ব্যথা সারায় দ্রুত, চুল পড়া কমিয়ে নতুন চুল গজায়, আবার বেশী মাছ ধরতে বা আঠা হিসাবেও আছে এর ব্যবহার! চলুন, জেনে নিই কাঁচা রসুনের এমনই বিস্ময়কর ১০টি ব্যবহার।
১) জ্বর ঠোসা
জ্বর হলে, বিশেষ করে রাতে জ্বর হতে থাকলে ঠোঁটের কোণে জ্বর ঠোসা অনেকেরই হয়। আর এতে মারাত্মক ব্যথাও হয়। জ্বর ঠোসা সারাতে কাঁচা রসুনের রস আক্রান্ত স্থানে লাগান। ব্যথা কমবে আর সেরেও যাবে দ্রুত।

২) ব্রণ
দ্রুত ব্রণ সারাতে বা ব্রণের ব্যথা কমাতে আক্রান্ত স্থানে কাঁচা রসুন বা কাঁচা রসুনের রস লাগান। দ্রুত নিরাময় হবে।

৩) পায়ের চুলকানি
সারাদিন জুতো পরে থাকার পর অনেকেরই পায়ে র‍্যাশ ও চুলকানি হয়। এটা সারাতে উষ্ণ পানিতে রসুন ও সামান্য লবণ দিয়ে পা ভিজিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা। তারপর সাবান ও সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

৪) গলা ব্যথা
দ্রুত গলা ব্যথা নিরাময় করতে এক কোয়া কাঁচা রসুন চুষে চুষে খেয়ে নিন। গন্ধ ভালো না লাগলে এরপর দুধ খেয়ে নিন এক গ্লাস। কাঁচা রসুনের রস এভাবে আস্তে আস্তে খেলে তা গলা ব্যথায় খুবই উপকারী।

৫) ত্বকের সমস্যা
ত্বকের যে কোন সমস্যা যেমন ফোঁড়া বা ফাংগাল ইনফেকশন ইত্যাদি সারাতে রসুন খুবই সহায়ক। কেবল আক্রান্ত সাথে কাঁচা রসুনের রস লাগালেই হবে। ১০/১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলবেন।

৬) হাইপারটেনশন
এই সমস্যা নিরাময়ে রোজ সকালে খালি পেটে কয়েক কোয়া থেঁতো রসুন খেয়ে নিন।

৭) বেশী মাছ ধরতে
মাছ ধরতে খুব ভালোবাসেন? বেশী মাছ ধরার জন্য টোপের মাঝে দিয়ে দিন কাঁচা রসুন। লোভে লোভে প্রচুর মাছ উপস্থিত হবে।

৮) গাছ রক্ষায়
পোকামাকড়ের হাত থেকে গাছ রক্ষায় রসুন দারুণ উপকারী। মিহি থেঁতো করা কাঁচা রসুন, পানি ও সামান্য তরল সাবান একসাথে মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। এটা কিছুদিন পর পর গাছে স্প্রে করুন পোকামাকড় দূরে রাখতে।

৯) আঠা হিসাবে!
রসুন ধরার পর লক্ষ্য করেছেন যে হাত কেমন আঠা আঠা হয়ে যায়? কাগজ সহ ছোট খাট অনেক কাজেই আপনি আঠা হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন রসুন!

১০) নতুন চুল গজাতে
চুল পড়ে যাচ্ছে খুব? মাথায় নতুন চুল গজাতে আক্রান্ত স্থানে নিয়মিত রসুন ঘষুন। সাড়া রাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিনের মাঝেই নতুন চুল গজাবে।

২৪ ঘণ্টায় ক্যানসার বিনাশ করবে আঙুরের বীজ
ব্রিটিশ মেডিকেল সাময়িকী সম্প্রতি ক্যানসারের চিকিৎসার একটি জনপ্রিয় পদ্ধতির ক্ষতিকর দিকগুলো প্রকাশ করেছে, যা মানুষকে সুস্থ করার চেয়ে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেয়। এ পদ্ধতি গ্রহণ করে কয়েক দশক ধরে অনেকে মানুষ মারা গেছেন। আপনিও হয়তো ভাবেননি এটার দোষ এত! ওই চিকিৎসা পদ্ধতির নাম কেমোথেরাপি।

মেডিসিন, চিকিৎসা ও ওষুধ প্রতিষ্ঠানের কাজ মানুষকে বাঁচানো, মেরে ফেলা নয়। তাই এর জন্য নতুন করে ভাবতে হবে।ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার মেডিসিন ও ফিজিওলজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক চিকিৎসক হার্ডিন বি জোনস তার এক গবেষণায় খুঁজে পেয়েছেন, ‘কোমো আদৌ কাজ করে না’। ক্যানসার চিকিৎসা করানো রোগীদের আয়ু নিয়ে ২৫ বছর ধরে গবেষণা করে তিনি এ তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।চিকিৎসক জোনস দাবি করেছেন, যেসব রোগী কেমোথেরাপি নেন, তারা ব্যথায় মারা যান। অন্য কোনো চিকিৎসা পদ্ধতির চেয়ে কেমো নেওয়া রোগীরা দ্রুত মারা যান।

কিন্তু ক্যানসার চিকিৎসার জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকারের চিত্র পুরো ভিন্ন। এগুলো সুপার কার্যকরী ও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এ প্রাকৃতিক প্রতিকারের পদ্ধতি থেকে চোখ দূরে রেখেছে বিশ্ববাসী, এমনকি গণমাধ্যমও। এগুলো মানুষের সামনে আনা খুবই জরুরি।

এ প্রাকৃতিক প্রতিকারের উপাদান মাত্র দুই দিনেই (২৪ ঘণ্টায়) ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে। ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীর আরোগ্য লাভের জন্যও এটার ব্যবহার বেশ কাজে দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক আঙুরের বীজের উপাদান নিয়ে গবেষণা করেছেন। তারা খুঁজে পেয়েছেন, ৭৬ শতাংশ লিউকেমিয়া ও ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে আঙুরের বীজ। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাগারও এটা সমর্থন করেছে।

পরে গবষেণাটি আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যানসার রিসার্চ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। এতে দেখা গেছে, আঙুরের বীজে থাকা উপাদান নিউকোমিয়া কোষকে ধ্বংস করে। আঙুরের বীজে জেএনকে নামের এক ধরনের প্রোটিন থাকে যা ক্যানসারের জন্য দায়ী কোষগুলোকে দ্রুত ধ্বংস করে দেয়।

গবেষকরা জানান, ক্যানসার চিকিৎসা দেওয়া হয় এমন প্রতিষ্ঠানগুলো এ রোগকে কীভাবে দুরারোগ্য ব্যধি হিসেবে প্রমাণ করা যায় তা নিয়ে চেঁচামেচি করছে। তারা মানুষের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে যে, ক্যানসার মৃত্যুর সমান রোগ।

তবে এ গবেষণা সমর্থন করেছে, যতটা ভাবি, ততটা বিপজ্জনক রোগ নয় ক্যানসার। আমরা যদি সঠিক পস্থায় ও গুরুত্ব দিয়ে ঠিক চিকিৎসা নিই, তাহলে মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে জীবন শেষ হবে না।

এর আগে ব্রিটিশ ও ইসরায়েলের গবেষকরা জানান, মানুষ ক্যানসারে নয়, মরে কেমোথেরাপিতে। নতুন এ গবেষণা তাদেরই সমর্থন করল

 

 

 

 

 

read more
সর্বশেষ সংবাদ

ভিডিওটি দেখার পর হাসতে হাসতে যদি পেট ব্যথা না হয় তাহলে এমবি ফেরত। (ভিডিও)

Untitled-1 copy

ভিডিওটি দেখার পর হাসতে হাসতে যদি পেট ব্যথা না হয় তাহলে এমবি ফেরত। (ভিডিও)

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ূনঃ-

নিজের ইচ্ছাতেই প্রতিরাতেই তার রুমে ৩/৪ ঘন্টা সময় কাটাতাম অতঃপর

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন তরুণ জানিয়েছে. ২০০৯ সালে আমার কাজিন লন্ডন থেকে দেশে এসেছিলো। তখন ওর সাথে আমার সম্পর্ক হয়। তখন ওর বয়স ছিলো ১৮ আর আমার ২১। প্রতিরাতেই তার রুমে আমি ৩/৪ ঘন্টা সময় কাটাতাম, তার নিজের ইচ্ছায়। তবে আমরা কিস ছাড়া অন্য কিছু করতাম না। আর সে আমার… (বাকিটুকু ছাপার অযোগ্য বিধায় প্রকাশ করা হলো না)
আমি দিন দিন ওর প্রতি দুর্বল হয়ে যাচ্ছিলাম। এভাবে প্রায় এক মাস কেটে গেল। তারপর সে লন্ডন চলে গেল। যাওয়ার পরও আমার সাথে ফোনে এবং ফেসবুকে যোগাযোগ হত। একদিন আমি তাকে বললাম তার পরিবারের কাছে আমাদের কথা বলতে। সে আমাকে বলল এখন বললে সমস্যা হবে। আমি যদি লন্ডন যেতে পারি তাহলে সে আমাকে বিয়ে করবে।

 

 

 

 

আমার খালা লন্ডন থাকেন, আমি তাকে সবকিছু বলি। খালা আমাকে বললেন তুমি ইন্ডিয়া চলে যাও। সেখান থেকে ইন্ডিয়ার ভিসা নিয়ে আসো। তারপর তোমাকে লন্ডনে আনতে পারবো। খালা আমার কাছ থেকে ওর নম্বর নিয়ে ওকে ফোন করলেন। জানতে চাইলেন আমি লন্ডন গেলে ও সত্যি বিয়ে করবে কিনা। সে বলল, আপনি উনাকে লন্ডন আনেন, আমি বিয়ে করবো।

 

এভাবে এক বছর কেটে গেল। হঠাৎ সে আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি ফোন করলে সে কল রিসিভ করেনা। ফেসবুকে ম্যাসেজ দিলে রিপ্লাই আসেনা। একটু পর দেখি আমাকে ফেসবুক থেকে রিমুভ করে দিয়েছে। আমি কিছুই বুঝতে পারিনি কেন সে আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। যাইহোক আমি ইন্ডিয়া চলে গেলাম। ওখানে গিয়ে তাকে ফোন করলাম।

অবাক ব্যাপার! সে বলে আমাকে চিনে না। খুব রাগ আর কষ্ট নিয়ে ৫ বছর ইন্ডিয়া থেকে দেশে আসলাম। তার কয়েকদিনের মাঝে লন্ডনের ভিজিট ভিসা হয়ে গেল। আমি লন্ডন চলে আসলাম। এসে আমার বড় ভাইয়ের ঘরে উঠলাম। ২দিন পর তাকে ফোন করলাম। আমি হাই হ্যালো বললাম, সে বলে আমাকে সে চিনেনা। তার কাছে ফোন করতে মানা করে। তারপর, এক সপ্তাহ পর ফেসবুকে ম্যাসেজ দিলে সে বলে, তুমি আমার মামাতো ভাই, আর কিছুই নও। আমাকে শয়তানে ধরেছে, আমাকে মুক্তি দাও।

 

 

 

 

 

আমি উত্তর দেইনি। ৩ মাস পর ফুপুর বাসায় মানে ওর বাসায় যাই। সবার সাথে দেখা হল কিন্তু তার সাথে দেখা হচ্ছিলো না। কিছুক্ষন পর সে আসলো। আমি অবাক হলাম। ভালো আছি কিনা তাও জানতে চাইলো না। খুব কষ্ট পেলাম। এক সপ্তাহে তাদের বাসায় থেকেছি, একই টেবিলে খেয়েছি, একসাথে শপিং এ গিয়েছি অথচ সে কেমন আছি এটাও জানতে চায়নি।তারপর লন্ডনে ৬ মাস থেকে চলে আসলাম। আজ প্রায় ৫ বছর হয়ে গেল তার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নাই। সে এখনও বিয়ে করে নাই। আমি আজও জানলাম না আমার কি অপরাধ ছিলো কিংবা কি ভুল আমি তার সাথে করেছি। প্লিজ আমাকে বলুন কেন এমন হল? আমি এখন কী করতে পারি? খুব কষ্টের মাঝে আছি। বলে বুঝাতে পারবো না।পরামর্শ

 

 

 

 

 

দেখুন ভাই। যা হয়েছে সেটা ভুলে যাওয়ার চেষ্টা কড়াই আপনার জন্য ভালো হবে। এখন আপনার কিছুই করার নেই মেয়েটিকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা ছাড়া। বাংলাদেশে এসে মেয়েটি সাময়িক আবেগে পড়ে গিয়েছিল। সেই আবেগ নিজের বাড়িতে গিয়ে কেটে গেছে। ব্যাপারটা এতটাই সহজ, আর কিছুই নয়। মেয়েটি কখনোই আপনাকে মন থেকে ভালোবাসেনি।
সবচাইতে বড় কথা ভাই, আত্মীয়স্বজনের মাঝে বিয়ে না করাই ভালো। এতে অনেক রকমের জটিলতা দেখা দেয়। তাছাড়া মেয়েটি আপনার ফুপাত বোন, এইসব নিয়ে বেশী পীড়াপীড়ি করলে অহেতুক আপনার ফুপুর সংসারে অশান্তি শুরু হবে। আপনার ফুপা ফুপির মাঝেও ঝামেলা হবে। ভাতিজা হিসাবে আপনি নিশ্চয়ই সেটা চান না? তাই ব্যাপারটা ভুলে গিয়ে নিজে ভালো থাকার চেষ্টা করুন।

 

 

 

 

আরেকটা কথা ভাই, আপনাকে লন্ডনে গিয়ে বিয়ে করতে হবে কেন। যে আপনাকে ভালবাসবে, সে সব ছেড়ে আপনার কাছে এসেই আপনাকে বিয়ে করবে। তাই ভবিষ্যতে এমন ফাঁদে পা দেয়ার আগে একটু ভেবে দেখবেন। অনেক বছর পেরিয়ে গেছে, মেয়েটিকে মনে রেখে অহেতুক তাঁকে গুরুত্ব দিচ্ছেন ভাই। এই গুরুত্ব সে ডিজারভ করে না।

 

 

 

 

 

read more