close

স্বাস্থ্য টিপস

স্বাস্থ্য টিপস

দিনের শুরুতে ভুলেও করবেন না যে ১২টি কাজ , করলেই বিপদ !!

Untitled-1 copy

 

কথায় বলে, মর্নিং শোজ দ্যা ডে, মানে সকাল দেখেই বোঝা যায় সারাটা দিন কেমন যাবে। এই সকালটা যদি হয় যাচ্ছেতাই, তাহলে সারাটা দিনই মেজাজ একেবারে চড়ে থাকে। সকালের প্রথম মিনিট দশেকের মাথায়ই বোঝা যায় আগামি আট ঘন্টা কেমন যাবে। আসলে কী জানেন, এ সময়ে আপনি নিজেই করছেন এমন কিছু ভুল যাতে দিনটাই মাটি হয়ে যাচ্ছে। এসব ভুলের ব্যাপারে জানা যায় Oprah, The Times of India এবং Business Insider থেকে। জেনে রাখুন, আর কখনো যেন এই ভুল না করতে হয়।

 

১) হুড়মুড় করে ঘুম থেকে উঠেই জিমে দৌড়ানো

সারারাত শুয়ে থেকে আপনার পিঠের পেশীগুলো আড়ষ্ট হয়ে থাকে। সকালে হুড়মুড় করে ঘুম থেকে উঠলে পিঠে ব্যাথা থেকে শুরু করে আরও ভয়াবহ কিছু হতে পারে। এছাড়াও ঘুম থেকে উঠলে দ্রুত পায়ে রক্ত চলাচল শুরু হয় ফলে মাথা ঘুরতে পারে, যেটা নারীদের মাঝে বেশি দেখা যায়। একটা কাজ করতে পারেন, শাওয়ারে ঢুকে পড়ার আগে পা-গুলো বুকে জড়িয়ে ধরতে পারেন। প্রথমে এক পা এক পা করে, এরপর দুই পা একসাথে। এতে সারা শরীরেই রক্ত প্রবাহিত হবে। হ্যামস্ট্রিং এবং এর আশেপাশের পেশি যদি আড়ষ্ট হয়ে থাকে তাহলে তিন-চারবার স্ট্রেচ করে নিন।
২) পর্দা দিয়ে জানালা ঢেকে রাখা

অন্ধকার ঘর ঘুমানোর জন্য খব ভালো। কিন্তু সকালে ঘর এভাবে অন্ধকার করে রাখলে আপনার ঘুম ঘুম ভাবটা কাটবে না। আপনার শরীরের ভেতরে যে ঘড়িটা আছে সেও ঠিকমত কাজ করবে না। তাই সকালে উঠেই জানালার পর্দা সরিয়ে দিন, সূর্যের আলো পড়তে দিন আপনার চোখেমুখে। এটা আপনার ওজন কমাতেও সাহায্য করতে পারে।
৩) অফিসে লেট করে ঢোকা

Huffington Post এ আসা এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায়, কর্মকর্তারা লেট করা কর্মচারীদের সুনজরে দেখেন না। তাদের পার্ফর্মেন্স খারাপ বলেই ধরে নেন। আপনি অফিস থেকে অনেক দেরি করে বের হলেও তারা আপনাকে পছন্দ করবেন না। এ কারণে যতো দ্রুত সম্ভব অফিসে চলে যান।
৪) সহকর্মীদেরকে অভিবাদন না জানানো

অফিসে পৌঁছে সহকর্মীদের সাথে টুকটাক কুশল বিনিময় করলে আপনার লাভ বৈ ক্ষতি হবে না। এতে আপনার মানসিকতা ইতিবাচক হতে পারবে সকাল সকালই। এতে আপনার ব্যাপারে সহকর্মীদের মনেও একটা ভালো ধারণা তৈরি হবে।
৫) নাশতা না করেই কফি পান

সকালে ঘুম থেকেই উঠেই কফি হাতড়ে বেড়ান অনেকে। সকালে না হলেও, অনেকেই অফিসে ঢোকার সাথে সাথে কফির কাপ খোঁজেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, গবেষণা বলে কফি পান করার সবচাইতে ভালো সময় হলো সকাল সাড়ে নয়টার পর। সকাল আটটা থেকে নয়টার মধ্যে আমাদের শরীরে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা সবচাইতে বেশি থাকে। এ সময়ে কফি পান করলে আমাদের শরীর কর্টিসলের পরিমাণ কমিয়ে দেয় এবং আমাদের শরীর ক্যাফেইনের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা যায়। এছাড়াও খালি পেটে কফি পান করতে গেলে আপনার পেটের যে ক্ষতি হবে তা তো বলাই বাহুল্য। নাশতা করতে মোটেই ভোলা যাবে না। সকালে নাশতা না করলে ওজন অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়া থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস পর্যন্ত হতে পারে।
৬) সব ইমেইলের উত্তর দেওয়া

রাত্রে ইনবক্সে যতো মেসেজ জমা হয়েছে সবগুলো পড়ে উত্তর দেবার ইচ্ছে হতে পারে সকালে, অনেকে মনে করেন এতে একটা কাজ শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস স্পিকার মিশেল কারের মতে, অফিসে ঢোকার প্রথম ১০ মিনিটে আসলে ইমেইল পড়ে এদের গুরুত্ব বোঝা উচিৎ। সবচাইতে দরকারিগুলোর উত্তর এখন দিন এবং কম দরকারিগুলো রেখে দিন। এতে আপনি অন্য জরুরী কাজগুলো করার সময় পাবেন।
৭) পরিকল্পনা ছাড়াই কাজে ঝাঁপ দেওয়া

সকালে অফিসে ঢুকে ঠিক কী কী কাজ করা উচিৎ, সবচাইতে দরকারি কাজগুলোর লিস্ট করা এবং ক্যালেন্ডারের রিভিউ করা দরকার। কোনো প্ল্যান ছাড়া কাজ শুরু করলে দেখবেন হয়তো প্রস্তুতি ছাড়াই আপনাকে কোনো মিটিং এ চলে যেতে হচ্ছে। সেটা তো আপনি চান না, তাই না?
৮) সবচাইতে সহজ কাজ আগে করা

গবেষণায় দেখা যায়, দিন যতো আগায়, আপনার শক্তি তত কমতে থাকে। এ কারণে জরুরী কাজগুলো সকাল সকাল শেষ করে ফেলা জরুরী। সহজ কাজ আগে করে ফেললে দেখবেন জরুরী কাজ করার সময়ে মাথা কাজ করছে না।
৯) মাল্টিটাস্কিং

সকালে নিজেকে অনেক কর্মোদ্যম মনে হয়, এ কারণে অনেকেই একগাদা কাজ একসাথে করার চেষ্টা করেন। এটা সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছুই নয়। এক এক করে কাজ করুন।
১০) নেতিবাচক চিন্তা করা

সকালে হয়তো জ্যামে আটকে অনেকটা সময় বের হয়ে গেছে। অথবা সবচাইতে কাছের মানুষটির সাথে ঝগড়া হয়েছে গত রাতে। কারণ যেটাই হোক না কেন, সকাল সকাল সেটা নিয়ে চিন্তা করে মেজাজ বিষিয়ে ফেলা মোটেই কাজের কথা নয়। সকালেই এসব চিন্তা আলাদা একটা বাক্সে ভরে ফেলুন, দরকার হলে এগুলো নিয়ে পরে চিন্তা করবেন।
১১) সকাল সকাল মিটিং

What the Most Successful People Do Before Breakfast এর লেখক লরা ভ্যান্ডারকাম জানান, সকালে করা উচিৎ এমন সব কাজ যাতে মনোযোগ দরকার হয়, যেমন লেখালেখি। এ সময়ে মিটিং করতে গেলে আপনার মস্তিষ্কের ক্ষমতা অযথা খরচ হবে।
১২) রুটিন ছাড়াই চলা

গবেষকেরা বলেন, আপনার মানসিক ক্ষমতার একটা সীমা আছে। সুতরাং এটাকে বুঝেশুনে ব্যবহার করা উচিৎ। একটা রুটিন ঠিক করে নিলে দিনের শুরুতেই আপনাকে মাথা খাটিয়ে বের করতে হবে না কখন লাঞ্চ করবেন, কখন কফি পান করবেন, কখন রিপোর্টটা সাবমিট করবেন এসব ছোট ছোট খুঁটিনাটি। এতে আসলে জরুরী কাজ করার সুযোগ পায় আমাদের মস্তিষ্ক।

read more
স্বাস্থ্য টিপস

আপনি যখন খালি পেটে পানি পান করেন তখন কী হয় জানেন ? না জানলে জেনে নিন !

Untitled-1 copy

 

আপনি যখন খালি পেটে পানি পান করেন তখন কী হয় জানেন ? না জানলে জেনে নিন !

 

ব্রেন টিউমারের এই ৮টি লক্ষণ এড়িয়ে যাচ্ছেন না তো ! 

 

ব্রেন টিউমার ক্যান্সারের মত আরেকটি ভয়াবহ রোগ। মস্তিষ্কে মাংসের অথবা কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়াকে ব্রেন টিউমার বলা হয়। সাধারণত দুই ধরণের ব্রেন টিউমার দেখা দেয় ক্যান্সার(ম্যালিগন্যান্ট) আরেকটি নন-ক্যান্সার( বিনাইন বা কম ক্ষতিকর)। দুটি ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যুক্তরাজ্যে ১০,৬০০ মানুষ প্রতিবছর ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। ব্রেন টিউমারের মূল কারণ এখনও চিকিৎসকের কাছে অজানা। যেকোন বয়সী মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। সাধারণ কিছু শারীরিক সমস্যার মাধ্যমে ব্রেন টিউমার লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে থাকে। এই সমস্যাগুলো অদেখা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করলে মরণব্যাধি এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

১. মাথাব্যথা যেকোন ব্রেন টিউমারের প্রধান লক্ষণ হল প্রচন্ড মাথা ব্যথা। মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ পড়ার কারণে এই ব্যথা হয়ে থাকে। ঘন ঘন তীব্র মাথা ব্যথা হয়ে থাকে। সাধারণত পেইন কিলার এই ব্যথা দূর করতে ব্যর্থ হয়।

২. বমি বমি ভাব সকালে মাথাব্যথা নিয়ে ঘুম ভাঙ্গা এবং এর সাথে সাথে বমি বমি ভাব হওয়া ব্রেন টিউমারের আরেকটি লক্ষণ। তীব্র মাথাব্যথার সাথে বমি হওয়াকে কখনই অবহেলা করা উচিত নয়।

৩. চোখের সমস্যা চোখে ঝাপসা দেখা, বিভিন্ন বস্তু এবং রং চিহ্নিত সমস্যা হয়ে থাকে ব্রেন টিউমার আক্রান্ত রোগীর। মূলত অপটিক্যাল লোব টিউমার আক্রান্ত হলে এই ধরণের সমস্যা হতে দেখা দেয়।

৪. অনুভূতি কমে যাওয়া মস্তিষ্কের প্যারাইটাল লোব টিউমার দ্বারা আক্রান্ত হলে হাত-পায়ের পেশীর অনুভূতি কমে যায়। এটি স্নায়ুকে আক্রমণ করে যা ফলে হাত-পা নাড়ানো কঠিন হয়। অনেক সময় হাত পা ভারী ভারী অনুভূত হয়।

৫. মাথা ঘুরানো মস্তিষ্কে টিউমার বড় হতে থাকলে শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। হাঁটতে গেলে মাথা ঘুরানো খুব সাধারণ একটি লক্ষণ।

৬. খিঁচুনি ব্রেনের টিউমার বা ক্যান্সারের আরেকটি প্রধান লক্ষণ হল খিঁচুনি হওয়া। এ খিঁচুনি শরীরজুড়ে বা জেনারালাইজড অথবা কোনো নির্দষ্ট অঙ্গে প্রকাশ পায়। খিঁচুনি অন্যান্য রোগ যেমন মৃগী বা অন্য যে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে তবে মাথা ব্যাথার সাথে এটি দেখা দিলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৭. শ্রবণে সমস্যা মস্তিষ্কের টিমপোরাল লোব টিউমার দ্বারা আক্রান্ত হলে শুনতে সমস্যা হয়ে থাকে। অনেক সময় এটি শ্রবণ শক্তি কেড়ে নেয়। অনেক সময় কথা বলার জড়তা সৃষ্টি হয় টিমপোরাল লোবের টিউমার কারণে।

৮. স্বাভাবিক মস্তিষ্ক কার্যকলাপে বাঁধা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকলাপ যেমন মনোযোগ দেওয়া, যোগাযোগ, আবেগ, কথা বলা ইত্যাদি কার্যকলাপে বাঁধা সৃষ্টি হয়।

read more
স্বাস্থ্য টিপস

হার্টের রোগীদের জন্য কাঁচা পেয়ারা……><><

Untitled-1 copy

 

হার্টের রোগীদের জন্য কাঁচা পেয়ারা……><><

 

পেয়ারা বর্ষা মৌসুমের ফল হলেও এখন সারাবছর বাজারে পাওয়া যায়। বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও  স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পেয়ারা ‘সুপার ফ্রুট’ নামেও পরিচিত। আবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন পেয়ারা।

পেয়ারার পুষ্টিগুণ খুব বেশি। বিশেষ করে ভিটামিন ‘সি’ এর পরিমাণ এত বেশি যে আমলকী বাদে অন্য কোনো ফলে এত ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায় না।

তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক পেয়ারার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে।

  • পেয়ারাতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ আছে৷ ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ১৮০ মি.গ্রাম ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।
  • ফলটি ঠাণ্ডা কাশির পথ্য। তাছাড়া শ্বাসতন্ত্র, গলা ও ফুসফুসকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে সুরক্ষা করে।
  • রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে তাই হার্টের রোগীরা পেয়ারা খেতে পারেন৷
  • পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। যা দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
  • যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তারা পাকা পেয়ারা খেতে পারেন।
  • পেয়ারায় যে পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ থাকে তা শরীরে গেলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।
  • যেকোনো ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের গোলযোগে কার্যকরী। এই ফলটিতে অ্যাস্ট্রিজেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান থাকে যা পাকস্থলির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ত্বক ভালো রাখার সঙ্গে সঙ্গে ত্বককে টানটান রাখে।
  • পেয়ারা ডায়বেটিস, ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার মতো রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে৷
  • পেয়ারা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে পারে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে অনেকটা। পেয়ারার আছে ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা
read more
স্বাস্থ্য টিপস

হার্টের রোগীদের জন্য কাঁচা পেয়ারা……><><

Untitled-1 copy

 

হার্টের রোগীদের জন্য কাঁচা পেয়ারা……

 

পেয়ারা বর্ষা মৌসুমের ফল হলেও এখন সারাবছর বাজারে পাওয়া যায়। বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও  স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পেয়ারা ‘সুপার ফ্রুট’ নামেও পরিচিত। আবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন পেয়ারা।

পেয়ারার পুষ্টিগুণ খুব বেশি। বিশেষ করে ভিটামিন ‘সি’ এর পরিমাণ এত বেশি যে আমলকী বাদে অন্য কোনো ফলে এত ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায় না।

তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক পেয়ারার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে।

  • পেয়ারাতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ আছে৷ ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ১৮০ মি.গ্রাম ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।
  • ফলটি ঠাণ্ডা কাশির পথ্য। তাছাড়া শ্বাসতন্ত্র, গলা ও ফুসফুসকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে সুরক্ষা করে।
  • রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে তাই হার্টের রোগীরা পেয়ারা খেতে পারেন৷
  • পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। যা দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
  • যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তারা পাকা পেয়ারা খেতে পারেন।
  • পেয়ারায় যে পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ থাকে তা শরীরে গেলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।
  • যেকোনো ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের গোলযোগে কার্যকরী। এই ফলটিতে অ্যাস্ট্রিজেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান থাকে যা পাকস্থলির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ত্বক ভালো রাখার সঙ্গে সঙ্গে ত্বককে টানটান রাখে।
  • পেয়ারা ডায়বেটিস, ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার মতো রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে৷
  • পেয়ারা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে পারে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে অনেকটা। পেয়ারার আছে ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা
read more
স্বাস্থ্য টিপস

নারীদেহে পিরিয়ডের সময়ে ঘটে যে ‘অদ্ভুত’ ব্যাপারগুলো – স্বাস্থ্য তথ্য !

.jpg

 

পিরিয়ড কী, কেন হয়, তা বোধহয় কাউকেই আরা ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিতে হবে না। পিরিয়ডের সময়ে যে নারীদের বিভিন্ন সমস্যা হয় (পেট ব্যথা, পেটের মাসল ক্র্যাম্প, পেট ফেঁপে যাওয়া, মেজাজ খারাপ থাকা) সেটাও জানেন অনেকে। কিন্তু সাধারণ এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াও অদ্ভুত কিছু ঘটনা ঘটতে পারে। এসব লক্ষণ আপনারও যদি দেখা যায় তাহলে বেশি চিন্তিত হবার কিছু নেই, পিরিয়ডের কারণেই তা হচ্ছে বলে ধরে নেওয়া যায়।


১) আপনার কণ্ঠস্বরে পরিবর্তন আসতে পারে
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা যায়, হরমোনাল কনট্রাসেপশন (জন্মবিরতিকরণের উপাদান) ব্যবহার করছেন না এমন নারীদের কণ্ঠে সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে এ সময়ে। সম্ভবত নারীদের শরীরের সেক্স হরমোনে পিরিয়ডের কারণে যেসব পরিবর্তন আসে তার কারণে এটা হয়। কিন্তু এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। যারা কণ্ঠশিল্পী, তারা এটা বেশি টের পাবেন।

২) আপনার মুখ বা চোয়াল ব্যথা করতে পারে
এ সময়ে শরীরে হরমোনাল চেঞ্জ আসার কারণে মাড়ি ব্যথা বা শিরশির করা এবং দাঁত ব্যথা দেখা দিতে পারে। এতে চোয়ালও ব্যথা করতে পারে।

৩) আপনার ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা কমে যায়
অনেকের কাছেই পিরিয়ডের ব্যথা অসহনীয় মনে হতে পারে। আর এ সময়ে হওয়া মাথাব্যথা বা মাইগ্রেনটাও অসহ্য লাগে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাসের এই সময়টায় আপনার ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা কমে যায়। মাইগ্রেনে যারা ভুগছেন তাদের জন্য এ ব্যাপারটা বেশি পীড়াদায়ক।

৪) পেটের কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে
আপনি হয়তো লক্ষ্য করেছেন যে এই সময়টাতে আপনার মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন আসে। যেসব হরমোন জরায়ু থেকে ঋতুস্রাব বের করে দেবার জন্য দায়ী, সেই একই হরমোন আপনার অন্ত্রের ওপরেও কাজ করতে পারে এবং মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে।

৫) আপনি একটু বেখেয়াল হয়ে পড়তে পারেন
এই সময়টায় আপনার মাঝে একটু এলোমেলো ভাব আসতে পারে এবং আপনি ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটিয়ে বসতে পারেন- বলেন ডাক্তাররা। এর একটি কারণ হতে পারে পিরিয়ড চলাকালীন ক্লান্তি। আরেকটা কারণ হতে পারে এ সময়ে সারা শরীরে পানি আসা বা শরীর ফেঁপে যাওয়া। এতে আপনার মস্তিষ্কও প্রভাবিত হয় এবং আপনার ভারসাম্য বাকি সময়ের চাইতে কম থাকে।

৬) ঘুম কম হয়
বিভিন্ন কারণেই পিরিয়ডের সময়ে ঘুম এলোমেলো হতে পারে। এর কারণ হতে পারে ক্র্যাম্প, মাথাব্যথা, মেজাজ খারাপ থাকা এবং বমি ভাব- সে সমস্যাগুলো সাধারণত বেশিরভাগ নারীর দেখা যায় পিরিয়ডের সময়ে। কারো কারো ঘুম হয় পাতলা, কারো কারো ঘুম কমে যায় এ সময়ে।

read more
স্বাস্থ্য টিপস

পুরুষরা বউদের জানিয়ে দিবেন গর্ভাবস্থায় বেগুন খেলে কি হয়……><>< !

Untitled-1 copy

 

পুরুষরা বউদের জানিয়ে দিবেন গর্ভাবস্থায় বেগুন খেলে কি হয়……><>< !

 

 

বেগুন খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। তবে গর্ভাবস্থায় এই সব্জিটি কি শরীরের জন্য নিরাপদ? বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাঝে মাঝে খাওয়া যেতে পারে। তবে খুব বেশি খাওয়া  গর্ভবতী মা ও ভ্রুণের ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ায়।

জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রেগনেন্সি ও প্যারেন্টিং বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।

বেগুন ভ্রুণের জন্মগত ত্রুটি কমায়; ভ্রূণের বৃদ্ধিতে কাজ করে। জেসটেশনাল ডায়াবেটিস রোধে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

তবে গর্ভাবস্থায় বেগুন খাওয়ার কিছু ক্ষতিকর দিকও কিন্তু রয়েছে। এটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে। গর্ভাবস্থায় বেশি বেগুন খাবেন কি না এই বিষয়ে চিকিৎসকের মতামত নিয়ে নিন।

অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন, বেগুনের মধ্যে ফাইটো-হরমোন থাকার কারণে এটি বেশি খেলে গর্ভপাত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। এ ছাড়া অপরিপক্ব শিশুও হতে পারে এর কারণে।

 

বেগুন এসিডিটি বাড়ায়। গর্ভাবস্থায় এসিডিটির সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। তাই ভেবে দেখুন কতটা খাবেন।

বেগুন ভালোভাবে রান্না না হলে হজমে ঝামেলা হয়। এ ছাড়া অনেকের বেগুন খেলে অ্যালার্জি হয়। এই অ্যালার্জিও গর্ভবতী মাকে অসুস্থ করে তুলতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞের মতামত, গর্ভাবস্থায় কম বেগুন খান। আর খুব বেশি খেতে ইচ্ছে হলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।

 

read more
স্বাস্থ্য টিপস

সন্তান নিতে চাইছেন? স্বামী স্ত্রী দুজনেই রোজ খান এই ৭টি খাবার – গর্ভবতী হওয়ার উপায়- ভিডিও !

Capture

রোহিঙ্গা কিশোরীদের মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করলেন এই অভিনেত্রী !

রোহিঙ্গা কিশোরীদের মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করলেন এই অভিনেত্রী !

রোহিঙ্গা কিশোরীদের মধ্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করেছেন অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে বিদ্যানন্দ প্রতিষ্ঠানের প্রশান্ত দেবনাথ নামের একজনের ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে। প্রশান্তের স্ট্যাটাসের স্ট্যাটাস থেকে জানা যায়, বিদ্যানন্দ এতদিন নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কোনো নারী স্বেচ্ছাসেবককে পাঠায়নি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। ঠিক সেই সময়েই এগিয়ে এসেছেন অভিনেত্রী ঊর্মিলা। কথা বলেছেন রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে এবং তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন স্যানিটারি ন্যাপকিন।

Urmila kor 740344565

 

প্রশান্ত লিখেছেন- ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কিশোরীদের স্যানিটারি ন্যাপকিনের চাহিদার কথা বারবার উঠে আসছিল। কিন্তু ছেলে স্বেচ্ছাসেবকদের পক্ষে কীভাবে এই ট্যাবু ভাঙা সম্ভব? নিরাপত্তার অভাবে এখনো কোনো মেয়ে স্বেচ্ছাসেবককে সেখানে পাঠানোর সাহস করিনি। এই অবস্থায় এগিয়ে আসেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী উর্মিলা শ্রাবন্তী কর। তিনি দায়িত্ব নেন স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্পন্সর এবং বিতরণের। ঝুঁকির কথা মাথায় থাকলেও তিনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গতকাল কক্সবাজার পৌঁছান। পরিশেষে আমাদের গাড়িতেই রওনা দেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে। সেখানে জীর্ণ ঘরের কিশোরী কন্যাদের সাথে কথা বলে তুলে দেন স্যানিটারি ন্যাপকিন’।

read more
স্বাস্থ্য টিপস

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন

Untitled-1 copy

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন – হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।

কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। ভিডিওতে দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন। ⇓

তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।

বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে।

১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।

৩. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কাটা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো।

৪. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক।

৫. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য।

৬. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।

হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন?

ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ মানবদেহে রক্ত সঞ্চালনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। মানবদেহে রক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার ও নিম্ন রক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন।চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না তখন এ রোগ দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে।

লক্ষণঃ

সাধারণত প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়। অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া, দেহের ভেতরে কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে যেমন: রক্তবমি, পায়খানার সঙ্গে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে, শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত বা দুর্ঘটনার ফলে রক্তপাত ঘটলে এবং অপুষ্টিজনিত কারণেও লো ব্লাড প্রেসার দেখা দিতে পারে।আবার গর্ভবতী মায়েদের গর্ভের প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে লো প্রেসার হতে পারে। এ সময় মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূত হওয়া, মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা, চোখে অন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অনুভূত হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদকম্পন, নাড়ি বা পালসের গড়ি বেড়ে যায়।

প্রাথমিক চিকিৎসাঃ

লো ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। তবে বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ এটা উচ্চ রক্তচাপের চেয়ে কম ক্ষতিকর ও স্বল্পমেয়াদী সমস্যা। আর প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যায়। এক্ষেত্রে হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে যা করবেন-

লবণ-পানি

লবণ রক্তচাপ বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করাই ভালো।

কফি-হট চকলেট

হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়সহ যে কোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। আর যারা অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারী নাশতার পর এক কাপ কফি খেতে পারেন।

বিটের রস

বিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুটোর জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।

বাদাম

লো-প্রেসার হলে পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা পেসার বাড়াতে সহায়তা করে।

পুদিনা

ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

যষ্টিমধু

আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।

স্যালাইন

শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন রক্তচাপ হলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক।

তবে যেসব ওষুধে রক্তচাপ কমে বা লো প্রেসার হতে পারে, সেসব ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন। যাদের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন রক্তচাপে ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকরা নিম্ন রক্তচাপের কারণ শনাক্ত করে তারপর ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট এবং গ্লুকোজ খেলেও কিন্তু ভালো উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময় মতো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

read more
স্বাস্থ্য টিপস

৮ স্বাস্থ্য-সংকেত উপেক্ষা করলে পুরুষের সর্বনাশ! সময় থাকতেই জেনে নিন সংকেতগুলো!!!

Untitled-1 copy

৮ স্বাস্থ্য-সংকেত উপেক্ষা করলে পুরুষের সর্বনাশ! সময় থাকতেই জেনে নিন সংকেতগুলো- পুরুষরা অনেক সময়েই বাইরের জগতের কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। নিজের শরীরের দিকে সেই কারণে আর তেমন নজর দেওয়ার সময় পান না। সেই অবকাশে শরীরে বেড়ে উঠতে থাকে কোনো এক গুরুতর ব্যাধি।

এমন অমনোযোগী পুরুষদের সচেতন করতেই সম্প্রতি ‘মেল হেলথ’ নামের স্বাস্থ্য-পত্রিকা জানিয়েছে এমন কিছু শারীরিক লক্ষণের কথা, যেগুলি কোনো কঠিন অসুখের পূর্বাভাস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কোন কোন লক্ষণ সেগুলি? আসুন, জেনে নেওয়া যাক-

অণ্ডকোষে দলা অনুভব করা : পুরুষদের নিয়মিত নিজের অণ্ডকোষ হাত দিয়ে ধরে পরীক্ষা করা প্রয়োজন, এবং দেখা দরকার সেখানে কোনো পিণ্ড বা দলা অর্থাৎ লাম্পের অনুভূতি পাওয়া যাচ্ছে কি না। যদি তা যায়, তা হলে অবিলম্বে ডাক্তারের দ্বারস্থ হওয়া দরকার। কেননা এই লক্ষণ টেস্টিক্যুলার ক্যানসার অর্থাৎ অণ্ডকোষের ক্যানসারের পূর্বাভাস হতে পারে।

অতিরিক্ত ক্লান্তিভাব : পরিশ্রম কিংবা যথেষ্ট পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া ক্লান্তিবোধ হওয়ার একটি কারণ হতে পারে। কিন্তু যদি আপাতদৃষ্টিতে সব কিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও ক্লান্তি বোধ হয়, তা হলে তা হতে পারে ডায়বেটিজ, লাং ক্যানসার কিংবা হার্টের রোগের লক্ষণ।

প্রস্রাবের সময়ে বেদনা অনুভব করা কিংবা রক্তপাত হওয়া : মূত্র ত্যাগের সময়ে যদি মূত্রনালীতে

জোরে জোরে নাক ডাকা : ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেন না প্রায় কোনো পুরুষই। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে জোরে জোরে নাক ডাকা কিন্তু শ্বাসযন্ত্রের কোনো অ্যালার্জি কিংবা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো রোগের ইঙ্গিত হতে পারে।

কিছু দূর হাঁটলেই হাঁপিয়ে পড়া : সামান্য হাঁটলেই কি আপনার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়? তা হলে সতর্ক হোন, কেননা, এটি হতে পারে অ্যানিমিয়া, অ্যাজমা কিংবা হার্টের কোনো রোগের উপসর্গ।

বুকে কোনো পিণ্ড অনুভব করা : বুকে হাত দিয়ে চামড়ার ভিতরে যদি কোনো পিণ্ড বা দলা জাতীয় জিনিস টের পান, তা হলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান। কারণ এটি ব্রেস্ট ক্যানসারের লক্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যারা জানেন না, তারা জেনে রাখুন যে, ব্রেস্ট ক্যানসার শুধু নারীদের নয়, পুরুষদেরও হয়।

বার বার টয়লেটে যাওয়া : প্রস্রাব করার জন্য যদি কিছু ক্ষণ বাদে বাদেই টয়লেট ছুটতে হয় আপনাকে, এবং প্রস্রাব শুরু হতে যদি অনেকটা সময় লাগে, তা হলে তা প্রস্টেটের রোগের লক্ষণ। এমনটা হলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

অকালে চুল ঝরে যাওয়া : টাক পড়ে যাওয়ার বিষয়টিকে কোনো পুরুষই তেমন একটা গুরুত্ব দেন না। এটি ঠিকই যে, একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরে মাথার চুল ঝরে যেতেই পারে। কিন্তু সেই বয়সের আগেই যদি মাথার চুল ঝরে যেতে শুরু করে, তা হলে তা থাইরয়েডের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। দীর্ঘ দিন ধরে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগলে ডাক্তারের দ্বারস্থ হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

ব্যথার অনুভূতি হয়, কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে যদি রক্ত বেরোয়, তা হলে তা প্রস্টেট ক্যানসারের লক্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

 

 

 

 

read more
স্বাস্থ্য টিপস

মাত্র ৭ দিনে চুল পরা বন্ধ করে নতুন চুল গজাবে এই পিয়াজের তেলে ! ভিডিওসহ দেখুন …

Untitled-1 copy

মাত্র ৭ দিনে চুল পরা বন্ধ করে নতুন চুল গজাবে এই পিয়াজের তেলে !

মাত্র ৭ দিনে চুল পরা বন্ধ করে নতুন চুল গজাবে এই পিয়াজের তেলে!

 

ভিডিওটি দেখুন নিচে … 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আরও পড়ুন …

 

 

সরেন না হলে আপনাদের টিকিট পেতে দেরি হবে।  এদিক দিয়ে নেট আসছে, এখানে দাঁড়াবেন না।  গাইবান্ধা স্টেশনের কাউন্টারে ছোট্ট জানালা মতো জায়গাটা ঘিরে দাঁড়িয়েছিলেন কয়েকজন  টিকিট নেওয়ার জন্য।  বুকিং সহকারী ফজলুল হক তাদের উদ্দেশ্যে এমন অনুরোধ করলেন।

তিনি বললেন, এদিক থেকে সরে দাঁড়ান জানালার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে নেট (ইন্টারনেট) আসে।  তার এই কথায় লাইনে থাকা কয়েকজন বয়স্ক যাত্রী সরে গেলেন।  কিন্তু মুখ টিপে টিপে হাসলেন অপেক্ষাকৃত তরুণরা।

কিছুক্ষণপর আবার কাউন্টারের জানালা বন্ধ করে দাঁড়ালেন কয়েকজন যাত্রী।   এবারও একইভাবে যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ করলেন ফজলুল হক।  বললেন, নেট অনেক সমস্যা করে।  যে কারণে অনলাইনে টিকিট সেল করতে খুবই যন্ত্রণা হয়।  কখনও কখনও একটি টিকিট দিতেও কয়েক মিনিট চলে যায়।

ফজলুল হক জানালেন ‘অনেক সময় এমনও হয়, নেট পাওয়া যায় না, পেপার টিকিট দিতে হয়।  কর্তৃপক্ষকে বারবার বলেও কোনো কাজ হয়নি।

স্টেশনটি হয়ে দৈনিক তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে।  এগুলো হচ্ছে- রংপুর এক্সপ্রেস (ঢাকা -রংপুর), লালমনি এক্সপ্রেস (লালমনিরহাট-ঢাক),  দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস (দিনাজপুর-সান্তাহার), করতোয়া এক্সপ্রেস ।

রয়েছে লোকাল  ও মেইল ট্রেন।  এগুলো হচ্ছে- পদ্মরাগ এক্সপ্রেস, উত্তরবঙ্গ মেইল, করতোয়া এক্সপ্রেস ও বগুড়া এক্সপ্রেস।  কয়েকবছর আগে আরও রামসাগর ও লোকাল ৪৮১ ও লোকাল ৪৮২ নম্বর ট্রেন দু’টি গাইবান্ধা স্টেশনে যাত্রী পরিবহন করতো।  সেই ট্রেন দু’টি বর্তমানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন স্টেশন মাস্টার শহিদুল হক।

কেনো বন্ধ করা হলো, যাত্রী কি কম হতো?  জবাবে বললেন, এই রুটে সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করেছে রামসাগর ট্রেন।  কোনোদিন ফাঁকা যেতো না।   লোকবল ও ইঞ্জিন সংকটের কারণে ট্রেনটি বন্ধ করা হয় বলেও জানান তিনি।  লাইনে দাঁড়াতেই বুকিং সহকারী বলেন, সরেন সরেন এখানে নেট আসে।

গাইবান্ধা স্টেশনটি মোটামুটি পরিচ্ছন্ন বলা চলে।   তবে আরও ভালো করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।  সকাল থেকেই উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।  সাড়ে ৯টায় বগুড়া মেইল প্রবেশের আগে গিজগিজ করছিলো লোকজন।

এই অঞ্চলে এখন প্রধান বাহন রেলওয়ে।  বাস চলাচল রয়েছে তবে ততোটা উন্নত নয়।  যে কারণে ট্রেনের সঙ্গে সময় মিলিয়ে দিনের কর্মসূচি তৈরি করেন অনেক যাত্রী।

 

 

 

 

 

read more
1 2 3 6
Page 1 of 6