close

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য

বাঁধাকপি দিয়ে রূপচর্চা কীভাবে করবেন বাঁধাকপির রূপচর্চা-দেখন………

Untitled-1 copy

 

 

বাঁধাকপির রূপচর্চা ! কথাটি শুনে নিশ্চই অবাক হচ্ছেন। ভাবছেন বাঁধাকপি দিয়ে আবার কীভাবে রূপচর্চা করা যায়। কিন্তু অবাক হলেও সত্যি যে বাঁধাকপিতে কিছু উপাদান আছে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

তাহলে চলুন জেনে নিই কীভাবে করবেন বাঁধাকপির রূপচর্চা-

 

  • বাঁধাকপির ভেতরের সবচেয়ে কচি অংশ বের করে নিন। এটি কেটে রস বের করুন। এই রস মুখে লাগান। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে এটি আপনার ত্বকের আদ্রতা সহজে হারাবে না।
  • যাদের ত্বক খুব সংবেদনশীল তাদের জন্য আছে একটি বিশেষ ময়শ্চারাইজিং মাস্ক। তা হল- বাঁধাকপির একদম ভেতরের পাতাগুলো বের করে রাতে সামান্য দুধে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সকালে দেখবেন বেশ নরম হয়ে গেছে। তখন সেটি সামান্য লবঙ্গ গুঁড়ো ও চালের (মিহি) গুঁড়ো দিয়ে একসাথে বেটে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।
  • বাঁধাকপির রস ঠাণ্ডা করে দিতে পারেন চোখের তলায় বিশেষ করে যাদের আদ্রতার অভাবে বলিরেখা পড়তে শুরু করেছে।
  • দের ত্বক খুব সংবেদনশীল তাদের জন্য আছে একটি বিশেষ ময়শ্চারাইজিং মাস্ক। তা হল- বাঁধাকপির একদম ভেতরের পাতাগুলো বের করে রাতে সামান্য দুধে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সকালে দেখবেন বেশ নরম হয়ে গেছে। তখন সেটি সামান্য লবঙ্গ গুঁড়ো ও চালের (মিহি) গুঁড়ো দিয়ে একসাথে বেটে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।
  • বাঁধাকপির রস ঠাণ্ডা করে দিতে পারেন চোখের তলায় বিশেষ করে যাদের আদ্রতার অভাবে বলিরেখা পড়তে শুরু করেছে।
Sponsored by Revcontent
10 Famous Celebrities You Didn’t Know Are Gay, Number 5 Will Shock You
read more
স্বাস্থ্য

মানসিক চাপের নেপথ্যে যে কারণ জেনে নিন!!!!!!!!!!!!

Untitled-1 copy

 

সামঞ্জস্যহীন খাবার
অনেক খাবারই আছে যার একটির সঙ্গে আরেকটি খাপ খায় না। আপনি এক বাটি স্বাস্থ্যকর সালাদের সঙ্গে কুড়মুড়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই নিয়ে বসলে মজা লাগবে ঠিকই কিন্তু তা স্বাস্থ্যহানিকর। ব্যস্ত দিনে অনেক সময় সোডার মতো পানীয় বা চিপসের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবার আপনার ভেতরটাকে অস্থির করে তোলে। বাড়ি ফিরে যতক্ষণ না ‘আসল’ খাবার খাচ্ছেন, ততক্ষণ ধকল সইতে হবে।

এমন ঘটার কারণ : স্বাস্থ্যকর খাবার বলতে তাই বোঝায় যেখান থেকে পানি, প্রোটিন, ভক্ষণযোগ্য ফাইবার, দুগ্ধজাত উপাদান আর সামান্য ফ্যাট মেলে। এর জন্য সঠিক খাবার বেছে নিতে হবে। অন্যথায় আপনার দেহ, মনে অবসাদ ভর করবে। ভালো লাগবে না কিছু। কাজেই মনোযোগ এলোমেলো হবে। ভালো খাবার আপনার মনের চাপ কমিয়ে আনে।

বেশি বেশি চিন্তা
চিন্তা মানুষ করবেই। কিন্তু অতিমাত্রায় চিন্তা করাটা ভালো নয়, এমনকি তা ভালো চিন্তা হলেও। এতে একসময় অশান্তি ভর করে মনে। জীবনের যেকোনো ঘটনা, পরিস্থিতি, সম্পর্ক ইত্যাদির চিন্তা বাকি কাজ আটকে দেবে।

এমন ঘটার কারণ : একের পর এক নতুন চিন্তা মস্তিষ্কে এলোমেলো চিন্তার জন্ম দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, চিন্তার এই পুনরাবৃত্তি অনেক নেতিবাচক অবস্থা বয়ে আনে। বিষণ্নতা, দুশ্চিন্তা, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মতো সমস্যা গ্রাস করতে পারে। আসলে সমস্যা সমাধানের চিন্তা এক বিষয়, আর সীমাহীন চিন্তা যেখানে কিছুই করার থাকে না, সেটা আলাদা বিষয়। দ্বিতীয়টার খপ্পরে পড়লে রেহাই নেই।

কালক্ষেপণ করা
রাস্তার যানজট কিংবা ঘুম থেকে দেরিতে ওঠা—যেকোনো কারণেই আপনার কাজে পৌঁছতে বিলম্ব হতেই পারে। কিন্তু যখন আপনি নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হওয়ার তাগাদায় ব্যস্ত, তখন অস্থিরতা ভর করবে মনে। এতেই আপনি পেরেশানিতে পড়ে যাবেন। তাই কালক্ষেপণ না করে ঠিক সময়ে কাজটি করার চেষ্টা করুন।

এমন ঘটার কারণ : অফিসের কাজ বা ব্যক্তিগত জীবন, যেখানেই হোক বিলম্ব করাটাকে সব মানুষই নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে। তাই আপনি যখন নিজেই দেরি করছেন, তখন দ্রুত পৌঁছতে অস্থির থাকবে মন।

অবসর না নেওয়া
হয়তো ভাবছেন, অফিসের ডেস্কে বসে একটানা কাজ করলে সমস্যা কোথায়? দিব্যি করেও উঠতে পারবেন। কিন্তু এতে আপনার উৎপাদনশীলতা ধীরে ধীরে কমে আসবে। ভুলগুলো বাড়তে থাকবে। সহকর্মীদের কাছ থেকে এই ম্যারাথন কর্মযজ্ঞের প্রশংসা মিলবে। কিন্তু আপনি ক্রমেই মানসিক চাপে পড়তে থাকবেন।

এমন ঘটার কারণ : অবসরের অভাবে যখন উৎপাদনশীলতা কমে আসবে তখন বিরক্তির উদ্রেক ঘটবে। নিজের ওপরই বিরক্তি আসবে। সাধারণ কাজ করতেও অতিরিক্ত মস্তিষ্ক খাটাতে হবে।

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
যদি ঘুমের অভাব মেটাতে দিনের বেলা ঘুমিয়ে পড়েন, তো দেহমনে ক্লান্তি আসবে। অনেকেই রাত জেগে কাজ করে সকালে দেরিতে উঠতে চান। এতে কিন্তু ঘুমের অভাব মেটে না। রাতের গভীর ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

এমন ঘটার কারণ : ঘুমের অভাব সরাসরি আপনার কর্মক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। ঘুম না হলে চিন্তাভাবনা পরিষ্কার হবে না। নিজের অজান্তেই অনেক ভুল করে বসবেন। সজাগ থাকলেও ঘুম ঘুম ভাব সব সময় আপনাকে অবসাদে আচ্ছন্ন করে রাখবে।

read more
স্বাস্থ্য

ক্যান্সারের জীবানু ধ্বংসের টিকা আবিস্কার

Untitled-1 copy

শরীরে ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করার টিকা (Cancer Vaccine) আবিস্কার করা হয়েছে। অনেক বছর যাবত বিজ্ঞানীরা ক্যান্সারের কেমোথেরাপির বিকল্প ঔষধ আবিস্কার করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে এই টিকা এখনও পরীক্ষামূলক অবস্থায় রয়েছে।

 

 

ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা ক্যান্সারের এই টিকা আবিস্কার করছেন যা শরীরের যে কোন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে সক্ষম হবে। ইতিমধ্যে ২০১৫ সালে জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত লন্ডনের বেকেনহামের বাসিন্দা কেলি পটার নামে ৩৫ বছরের এক মহিলার শরীরের সর্ব প্রথম এই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে এবং সেটা পর্যায়ক্রমে ৩০ জনের শরীরে প্রবেশ করা হবে।

 

 

কেলি যখন জরায়ু ক্যান্সার নিয়ে গাই’(Guy’s) হাসাপাতালে ভর্তি হন তখন সেটা চতুর্থ পর্যায়ে ( stage 4) ছিল এবং লিভার ও ফুসফুসের মধ্যে ছরিয়ে পরেছিল। কিন্তু নতুন এই টীকা দেওয়ার পর তিনি বলেন যে, এখন তার ক্যান্সার স্থিতিশীল পর্যায় রয়েছে এবং লিভার ও ফুসফুসের মধ্যে ছরিয়ে পড়া বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে আমি আগের চেয়ে অনেক ভালো আছি।

 

 

বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, ‘হিউম্যান টেলোমাড়েজ রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ’ নামের এক ধরণের উৎসেচক বিভাজনের মাধ্যমে কান্সার কোষের ক্রমাগত বংশ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এই উৎসেচকের গঠনমূলক প্রোটিনের সামান্য অংশ এই টিকাতে রাখা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে যে এই এন্টিজেনটি ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে শরীরের রক্তে প্রবেশ করালে তা ভাল কোষ গুলোকে অক্ষুণ্ণ রেখে ক্ষতিকর ক্যান্সার কোষগুলোকে খুঁজে বের করে ধ্বংস করতে সক্ষম হবে।

 

 

তবে ক্যান্সার নির্মূল করতে এই টীকার পাশাপাশি কম মাত্রার কেমোথেরাপি ঔষধ দেওয়ার কথাও বলছেন এই গবেষনার প্রধান গাই’স এন্ড সেন্ট থমাস বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের (Guy’s and St Thomas’ Biomedical Research Center) জেমস স্পাইসার (James Spicer)। তিনি আরো বলেন যে, শরীরে অনেক শক্ত টিউমার রয়েছে যা এই টীকা দিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে নির্মূল করা সম্ভব নয়, তবে তিনি খুব আশাবাদী যে, এটা খুব কার্যকারী হবে এবং সময়ই তা বলে দিবে।

 

 

 

 

 

 

read more
স্বাস্থ্য

বৃষ্টিতে কেন খিচুরি খায় জানেন কি ? না জানলে জেনে নিন …

Capture

আকাশে বৃষ্টির ছায়া দেখলেই আমাদের খিচুরি খাওয়ার রসনা জাগে  নিয়ে শহর বা গ্রামের মানুষের কোনতফাত নেই কিন্তু বৃষ্টি এলে কেন আমরা খিচুরি খাই তা নিয়ে আছে নানান তথ্য তারমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কথাহচ্ছে গ্রাম বাংলায় ভরা বর্ষায় সবকিছু তলিয়ে যেত

 

 

 

 

 

 

 

কাজেই গৃহস্থের পক্ষে বাজার হাটে যাওয়া সম্ভব হতো না। তাছাড়া গ্রামে মাটির চুলোতে বৃষ্টিতে ভিজে নানান পদের রান্না খুবই কষ্টকর কাজ। এ কারণে সহজ পদ্ধতি ছিল যা কিছু আছে বিশেষত চাল-ডাল মিশিয়ে এক হাড়িতে রান্না করে ফেলা।

 

 

 

 

এভাবেই ধীরে ধীরে বর্ষায় খিচুরি হয়ে যায় আমাদের সঙ্গী। আর তার ছাপ পরে শহুরে জীবনেও। তবে এখানে তা আসে নানাভাবে।

 

 

 

 

সকল রেস্তোরাতেই এখন বহু রকমের খিচুরি পরিবেশন করা হয়। চিকেন খিচুরি, মাটন খিচুরি, ভুনা খিচুরি, ডিম খিচুরি, ইলিশ খিচুরি, সবজি খিচুরি। তবে সব ছাপিয়ে ডাল-চাল আর সবজির ল্যাটকা খিচুরি এর সঙ্গে বেগুন ভাজার তুলনা হয়না।

 

 

 

 

 

আকাশে বৃষ্টির ছায়া দেখলেই আমাদের খিচুরি খাওয়ার রসনা জাগে  নিয়ে শহর বা গ্রামের মানুষের কোনতফাত নেই কিন্তু বৃষ্টি এলে কেন আমরা খিচুরি খাই তা নিয়ে আছে নানান তথ্য

 

 

 

 

 

তারমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কথাহচ্ছে গ্রাম বাংলায় ভরা বর্ষায় সবকিছু তলিয়ে যেত

কাজেই গৃহস্থের পক্ষে বাজার হাটে যাওয়া সম্ভব হতো না। তাছাড়া গ্রামে মাটির চুলোতে বৃষ্টিতে ভিজে নানান পদের রান্না খুবই কষ্টকর কাজ। এ কারণে সহজ পদ্ধতি ছিল যা কিছু আছে বিশেষত চাল-ডাল মিশিয়ে এক হাড়িতে রান্না করে ফেলা।

 

 

 

 

এভাবেই ধীরে ধীরে বর্ষায় খিচুরি হয়ে যায় আমাদের সঙ্গী। আর তার ছাপ পরে শহুরে জীবনেও। তবে এখানে তা আসে নানাভাবে।

 

 

 

 

 

সকল রেস্তোরাতেই এখন বহু রকমের খিচুরি পরিবেশন করা হয়। চিকেন খিচুরি, মাটন খিচুরি, ভুনা খিচুরি, ডিম খিচুরি, ইলিশ খিচুরি, সবজি খিচুরি। তবে সব ছাপিয়ে ডাল-চাল আর সবজির ল্যাটকা খিচুরি এর সঙ্গে বেগুন ভাজার তুলনা হয়না।

 

 

 

 

 

 

read more
স্বাস্থ্য

নামী-দামী কোম্পানি, ভাল খাবারের নামে কী খাওয়াচ্ছে??ঈদে তাহলে কি খাবেন ?? দেখুন একবার (ভিডিও)

Capture

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।

 

 

 

ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

 

 

 

 

আরোও পড়ূনঃ-

জেনে নিন যে ৩টি উপায়ে খাঁটি সোনা চিনতে পারবেন ??

 

 

 

বিয়ে, জন্মদিন কিংবা যেকোনো উৎসবে নিজেকে সাজাতে নারীদের প্রথম পছন্দ হলো সোনার গহনা। তবে শুধুমাত্র নারীর অঙ্গশোভা বাড়াতে নয়- আভিজাত্য এবং সম্পদ সংরক্ষণে যুগ যুগ ধরেই প্রাধান্য পায় সোনা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

জেনে নিন খাঁটি সোনা চেনার উপায়-

 

 

 

১। সোনা কিনুন ২৪ ক্যারটের– ২৪ ক্যারট সোনাই আসল খাঁটি সোনা। ২৪ ক্যারট সোনা মানে ৯৯.৯% শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু দোকানে সাধারণত ২৪ ক্যারট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হয় না। তাতে সেই সোনার অলঙ্কার বড্ড নরম হয়ে যাবে। তাই দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি করা হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন যাতে ২২ ক্যারট সোনা দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট সোনা মানে ৯১.৬% শতাংশ সোনা।

২। BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন – সাধারণত, সোনা কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনেন। এটাই নিয়ম খাঁটি সোনা চেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে সোনা কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে, আপনার সোনা সত্যিই খাঁটি।

৩। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্স রে করিয়ে নিন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করে নেওয়াটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সূযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও একবার চেষ্টা করে নেবেন, যাতে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার সোনাকে যাচাই করে নিতে পারেন।

জিনসেং কি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা? জিনসেং কি, জিনসেং খেলে গোপন ক্ষমতা বাড়ে কেন? জানুন

গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং বীর্যস্খলনের সময় কাল কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। জিনসেং মূলটির বয়স ছয় বছর হতে হবে। জিনসেং বর্তমানে সারা বিশ্বে একটি আলোচিত ঔষধি উদ্ভিদ, যার মূলে রয়েছে বিশেষ রোগ প্রতিরোধকক্ষমতা। হাজার বছর ধরে চীন, জাপান ও কোরিয়ায় জিনসেংয়ের মূল বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক, শক্তি উৎপাদনকারী, পথ্য ও টনিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

জিনসেং

জিনসেং কি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা? জিনসেং কি, জিনসেং খেলে গোপন ক্ষমতা বাড়ে কেন? জানুন
জিনসেং ইংরেজিতে পরিবারের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি মাংসল মূলবিশিষ্ট এক ধরনের বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। এটি পূর্ব এশিয়াতে, বিশেষ করে চীন, কোরিয়া ও পূর্ব সাইবেরিয়াতে, ঠান্ডা পরিবেশে জন্মে।শক্তিবর্ধক টনিক হিসেবে বিভিন্ন দেশে জিনসেংয়ের প্রচলন আছে। জিনসেং শব্দটা উচ্চারণের সাথে যে দেশটির নাম উচ্চারিত হয় সেটি হলো কোরিয়া। জিনসেংকে অনেকে কোরিয়ান ভায়াগ্রা বলে থাকে।

জিনসেং কি
আসলে জিনসেং কী? হলো গাছের মূল। এই গাছটির নামই। হাজার হাজার বছর ধরে কোরিয়াতে জিনসেং ওষুধি গুণাগুণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিনসেং গাছের মূল রোগ প্রতিরোধক এবং ইংরেজিতে বললে বলতে হয় । জিনসেংকে কোরিয়ানরা বিভিন্নভাবে খেয়ে থাকে। এর পুরো মূল সুপে দিয়ে দেয়, সিদ্ধ মূল খেতে হয়। চিবিয়ে চিবিয়ে এর নির্যাস নিতে হয়। জিনসেং দিয়ে মদও তৈরি হয়। এছাড়াও জিনসেং-এর রয়েছে নানাবিধ খাদ্য উপকরণ।

জিনসেং কে বলা হয় বা আশ্চর্য লতা। চীনে সহস্র বছর ধরে জিনসেং গাছের মূল আশ্চর্য রকম শক্তি উতপাদনকারী পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এছাড়াও এর রয়েছে নানাবিধ গুন।

চীন থেকে কেউ বেড়াতে আসলে সাধারণত দেখা যায় জিনসেং ও সবুজ চা কে গিফট হিসেবে নিয়ে আসতে। সেইরকম একটা গিফট পাওয়ার পরে ভাবলাম যে এই আশ্চর্য লতার গুন কে আসলে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নাকি এ শুধুই প্রাচীন চাইনিজ মিথ? ঘাটতে গিয়ে পেলাম নানা তথ্য। আমাদের দেশের মানুষেরা এটা সম্পর্কে কম-ই জানেন। তাই জিনসেং সম্পর্কে একটি পরিপূর্ণ ধারণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজকের পোস্ট।

জিনসেং :
মুলত দুই ধরণের জিনসেং ঔষধি গুনসম্পন্ন হিসেবে পরিচিত- আমেরিকান ও এশিয়ান। এর মধ্যে এশিয়ান জিনসেং অপেক্ষাকৃত বেশি কার্যকরী। এই দুই ধরণের জিনসেং কে বলা হয় প্যানাক্স জিনসেং।

প্যানাক্স শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ “panacea” থেকে যার অর্থ হলো বা সর্ব রোগের ঔষধ। জিনসেং সাদা (খোসা ছাড়ানো) ও লাল (খোসা সমেত) এই দুই রকম রূপে পাওয়া যায়। খোসা সমেত অবস্থায় এটি অধিক কার্যকরী। এদের মধ্যে থাকা জিনসেনোনোসাইড নামক একটি উপাদান এর কার্যক্ষমতার জন্য দায়ী। সাইবেরিয়ান জিনসেং নামে আরেক ধরণের গাছ আছে, যা জিনসেং বলে ভূল করা হলেও তা আসলে প্রকৃত জিনসেং না।

জিনসেং ও লিংগোত্থানে অক্ষমতাঃ
জিনসেং এর গুনাবলীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যা প্রমানিত তা হলে, পুরুষের লিংগোত্থানে অক্ষমতা রোধে এর ভূমিকা। ৪৫ জন ইরেকটাইল ডিসফাংশন (লিংগোত্থানে অক্ষম ব্যাক্তি) এর রোগীর উপর একটি পরীক্ষা চালান। তাদের কে ৮ সপ্তাহের জন্য দিনে ৩বার করে ৯০০ মিগ্রা জিনসেং খেতে দেয়া হয়, এরপর দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার ৮ সপ্তাহ খেতে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮০% জানান যে, জিনসেং গ্রহনের সময় তাদের লিংগোত্থান সহজ হয়েছে। ২০০৭ সনে এ ৬০ জন ব্যাক্তির উপর করা এবং এ ৯০ জন ব্যাক্তির উপর করা অনুরুপ আরো দুটি গবেষনা প্রকাশিত হয়। ২০০২ সালের একটি গবেষনায় বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে, জিনসেং কিভাবে লিংগোত্থানে সহায়তা করে। পুরুষের যৌনাংগে নামে বিষেশ ধরণের টিস্যু থাকে। নাইট্রিক অক্সাইডের উপস্থিতিতে এই টিস্যু রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে লিংগোত্থান ঘটায়। জিনসেং সরাসরি দেহে নাইট্রিক অক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে লিংগোত্থানে সহায়তা করে।

 

 

 

 

জিনসেং ও দ্রুত বীর্যস্খলন
যদিও কাচা জিনসেং এর মূল এই রোগে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা জানা যায়না তবে জিনসেং এর তৈরী একটি ক্রীম পুরুষদের দ্রুত বীর্যস্খলন রোধে বিশ্বব্যাপী ব্যবহার হয়ে আসছে যা মিলনের একঘন্টা আগে লিঙ্গে লাগিয়ে রেখে মিলনের আগে ধুয়ে ফেলতে হয়। তে ২০০০ সনে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী এটি বীর্যস্খলনের সময় কাল কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। আসলে, জিনসেং শব্দটাই এসছে চাইনিজ শব্দ “রেনসেং” থেকে। “রেন” অর্থ পুরুষ ও “সেন” অর্থ “পা”, যৌনতা বৃদ্ধিতে এর অনন্য অবদান এর জন্যই এর এইরকম নাম (অবশ্য এটি দেখতেও পা সহ মানুষের মত)।

জিনসেং ও
বলতে বুঝায় বিভিন্ন মানসিক ক্ষমতা যেমন মনযোগ, স্মৃতিশক্তি, কথা শোনার সাথে সাথে বুঝতে পারার ক্ষমতা,কল্পনাশক্তি, শেখার ক্ষমতা, বিচারবুদ্ধি, চিন্তা শক্তি ও সমস্যা সমাধান করে কোন একটা সিদ্ধান্তে পৌছানোর ক্ষমতা। সোজা ভাষায় বলতে গেলে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি। জিনসেং স্নায়ুতন্তের উপর সরাসরি কাজ করে মানসিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ২০০৫ সনে তে প্রকাশিত গবেষনা অনুযায়ী ৩০ জন সুস্বাস্থ্যবান যুবার উপর গবেষনা করে দেখা গিয়েছে যে জিনসেং গ্রহন তাদের পরীক্ষার সময় পড়া মনে রাখার ব্যাপারে পজিটিভ ভূমিকা রেখেছিল। একই জার্নালে ২০০০ সালে করা একটি গবেষনা, যুক্তরাজ্যের কর্তৃক ৬৪ জন ব্যাক্তির উপর করা একটি গবেষনা এবং চীনের কর্তৃক ৩৫৮ ব্যাক্তির উপর করা একটি গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মধ্যবয়স্ক ও বৃদ্ধ ব্যাক্তির স্মরণশক্তি ও সার্বিক বৃদ্ধিতেও সহায়ক বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২০০৫ সনে তে প্রকাশিত ইদুরের উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মস্তিষ্কের কোষ বিনষ্টকারী রোগ যা স্মৃতিশক্তি বিনষ্ট করে (যেমন পারকিন্সন ডিজিজ, হান্টিংটন ডিজিজ ইত্যাদি) সেসব প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

জিনসেং ও ডায়াবেটিস
২০০৮ সনে ১৯ জন টাইপ ২ ডায়বেটিস এর রোগীর উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং টাইপ ২ ডায়বেটিস ম্যানেজমেন্টে কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

জিনসেং ও কোলেস্টেরল
এ ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী, দিনে ৬ মিগ্রা হারে ৮ সপ্তাহ জিনসেং গ্রহণ খারাপ কোলেস্টেরল যেমন- এর মাত্রা কমাতে ও ভালো কোলেস্টেরল বা এর মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে।

 

 

 

 

 

 

read more
স্বাস্থ্য

গ্রীল মুরগীর নামে এইগুলা আমরা কি খাচ্ছি ! আল্লাহ বাঁচাও আমাদের ।

Capture

গ্রীল মুরগীর নামে এইগুলা আমরা কি খাচ্ছি ! আল্লাহ বাঁচাও আমাদের ।

 

 

 

বয়স ও নাম জটিলতায় মালয়েশিয়ায় অবস্থিত অবৈধ বাংলাদেশি প্রবাসীরা !

মালয়েশিয়ায় প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশির বৈধতা প্রাপ্তিতে বয়স ও নাম জটিলতায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দেশটিতে বসবাসরত অবৈধ বাংলাদেশিরা চলমান রি-হিয়ারিং প্রক্রিয়ায় বৈধ হওয়ার প্রকল্পের আওতায় যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন তাদের মধ্যে বয়স জটিলতা দেখা দিয়েছে।

 

 

 

এ জটিলতা নিরসন না হলে প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি বৈধতা প্রাপ্তি থেকে বাদ পড়বেন বলে দেশটির অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।এদিকে বয়স জটিলতা নিরসনে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে শত শত বাংলাদেশিরা প্রতিদিন আসছেন। কিন্তু সঠিক কোনো সমাধান না পেয়ে অনেকে ফিরে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে দূতালয় প্রধান ওয়াহিদা আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আবেদনকারীরাই বয়স জটিলতা সৃষ্টি করেছেন।

পুরাতন পাসপোর্টে এক বয়স আর নতুন পাসপোর্টে আরেক বয়স। কাউন্টারে এসে যে তথ্যাদি উপস্থাপন করা হয় সে অনুপাতে পাসপোর্ট আবেদন জমা নেয়া হয়। মালয়েশিয়া থেকে যখন আবেদনটি দেশে পাঠানো হয় তখন দেখা যায় এক ব্যক্তির বিভিন্ন নাম এবং বয়স বাড়িয়ে কমিয়ে আরও একটি পাসপোর্ট করেছেন।

শুধু তাই নয়, মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনে যখন নতুন পাসপোর্ট নিয়ে যাওয়া হয় ফিঙ্গারিং দেয়ার জন্য তখন দেখা যায় ব্যক্তির নাম ঠিক আছে কিন্তু জন্ম তারিখ ঠিক নেই। নতুন পাসপোর্টে জন্ম তারিখ ৩৮ বছর আর পুরাতন পাসপোর্টে জন্ম তারিখ ৪৮ বছর।

মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো এজেন্ট বা দালালের মাধ্যমে রি-হিয়ারিং না করতে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

তবে যারা ই-কার্ড পেয়েছেন তাদের পাসপোর্ট না থাকলে শ্রমিকদের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে পাসপোর্ট নিতে হবে এবং চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রি-হিয়ারিংয়ের কাজ শেষ করতে হবে।

হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, ‘গত ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ই-কার্ডের (এনফোর্সমেন্ট) মাধ্যমে ৯২ হাজার ৭৯১ জন অবৈধ বাংলাদেশি নিবন্ধিত হয়েছেন এবং ই-কার্ড পেয়েছেন।

ই-কার্ড এর মেয়াদ শেষ হবে আগামী বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি। ই-কার্ড নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ জুন শেষ হলেও রি-হিয়ারিং প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। এ প্রক্রিয়া চলবে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এ প্রক্রিয়ায় এ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এসব কর্মীদের বৈধকরণ প্রক্রিয়ার আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অবশ্যই মেয়াদ সংবলিত পাসপোর্ট দাখিল করতে বলা হয়েছে। এ সময়ে যাদের নিয়োগ হবে না, তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরতে হবে।

 

 

 

read more
স্বাস্থ্য

যে ৮ কারণে নারীদের স্তন ব্যথা হয় দেখুন বিস্তারিত !

11

স্তনের সিস্ট:
স্তনের সিস্ট একধরনের নরম তরলসমৃদ্ধ থলি। সিস্ট সব আকারের হতে পরে। এতে অনেক সময় ব্যথা হয়, আবার অনেক সময় ব্যথা নাও হতে পারে। ঋতুস্রাবের চক্রের সময় সিস্ট বড় হয় এবং মেনোপজের সময় সাধারণত কমে যায়।

কসটোকনড্রাইটিস:
এটি একধরনের আরথ্রাইটিস। এতে পাঁজর ও স্তনের হাড়ের সংযুক্তস্থলে ব্যথা হয়। তবে এই সমস্যা স্তনের সঙ্গে যুক্ত নয়। তবে এত ব্যথা হয় যে মনে হয় স্তনে ব্যথা হচ্ছে। সাধারণত প্রবীণ নারী এবং যাঁরা সঠিক অঙ্গবিন্যাসে থাকেন না, তাঁদের এই ব্যথা হয়।ফাইব্রোসিস্টিক ব্রেস্ট চেইঞ্জ:
যেসব নারী প্রিমেনোপোজাল (মেনোপজের আগে) অবস্থায় থাকেন এবং যাঁরা মেনোপজের পরে হরমোনের চিকিৎসা নেন, তাঁদের স্তনে অনেক সময় ফোলাভাব হতে পারে, লাম্প হতে পারে। এই অবস্থাকে ফাইব্রোসিস্টিক ব্রেস্ট চেইঞ্জ বলে। তবে এটি তেমন ক্ষতিকর নয়।

অন্তর্বাস:
সঠিক অন্তর্বাস ব্যবহার না করার কারণে অনেক সময় স্তনে ব্যথা হতে পারে। খুব আঁটসাঁট অথবা খুব ঢিলেঢালা অন্তর্বাস কোনোটাই স্তনের জন্য ভালো নয়। তাই সঠিক অন্তর্বাস ব্যবহার করুন।

স্তন ক্যানসার:
অধিকাংশ স্তন ক্যানসারে ব্যথা হয় না। তবে প্রদাহকারী স্তন ক্যানসার ও স্তনের টিউমার একধরনের অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। স্তনে লাম্প, ব্যথা, বোঁটা থেকে রক্তপাত, লাল ভাব ইত্যাদি দেখলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন যেসব মা:
অনেক সময় যেসব মা বুকের দুধ খাওয়ান, তাঁদের ক্ষেত্রে স্তনে ব্যথা হতে পারে। অনেকক্ষণ শিশুকে বুকের দুধ না খাওয়ালে বা দুধ জমাট হয়ে থাকলে এ সমস্যা হতে পারে।

ওষুধ:
কিছু ওষুধ সেবনের কারণেও স্তনে ব্যথা হতে পারে। যেমন : বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার জন্য কিছু ওষুধ, ওরাল হরমোনাল কনট্রাসেপটি, মেনোপজের পর এস্ট্রোজেন ও প্রোজেসটেরনের ওষুধ, অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, এনাড্রল ইত্যাদি ওষুধের কারণে অনেক সময় স্তনে ব্যথা হয়।

স্তনে অস্ত্রোপচার:
অস্ত্রোপচার এবং স্কার টিস্যু তৈরির সময় অনেক ক্ষেত্রে স্তনে ব্যথা হয়ে থাকে।

read more
স্বাস্থ্য

যৌনমিলনের পর পানি পান করলে কি হয়? জেনে নিন এখনিই

37

বীর্য যা বীর্যরস নামেও পরিচিত, হচ্ছে এক প্রকার জৈব তরল যা পারে ধারণ করে। বীর্য পেলভিসের ভেতরে সেমিনাল ভেসিকল থেকে তৈরি হয়। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বীর্য বের হয় তাকে বীর্যপাত বলে।

সঙ্গমের পরে পানি (জল) পান করা অবশ্যই ভাল ব্যাপার। তবে তার ফলে যে বীর্য বেরিয়ে গেছে সেটা আবার পূরণ হবে – এটা সম্পূর্ণ বাজে কথা। জল (পানি) শরীরের জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় বস্তু। শরীরের বেশিরভাগ অংশই পানি (জল) দিয়ে তৈরী। বীর্যেরও বেশিরভাগ অংশ (প্রায় ৯৬%) জল (পানি)।

তবে তার মানে এই নয় যে বীর্যপাতের পর জল (পানি) খেলে সেই জল (পানি) সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে অণ্ডকোষে পৌঁছে বীর্য তৈরি করবে। একজন সুস্থ ব্যক্তির প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। এই পরিমাণ পানি পান করলে শরীর সুস্থ থাকবে এবং স্বভাবতই স্বাভাবিক পরিমাণ বীর্যও উৎপন্ন হবে। সঙ্গমের পর বা বীর্যপাতের পর তৃষ্ণা পেলে পানি পান করুন, না পেলে করবেননা।

শুধু খেয়াল রাখবেন সারাদিনে (২৪ ঘন্টায়) যেন তিন থেকে ৪ লিটার জল আপনি পান করেন। মানুষের শরীরে একটি নির্দ্দিষ্ট হারে বীর্য উৎপন্ন হয়।

সঙ্গমের পাঁচ মিনিট আগে বেশি করে খেলে যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে সকলেরই যে কমবে তার কোন ঠিক নেই। অধিক আহার করার পর সেই খাদ্য হজম করার জন্য পাকস্থলী ও অন্ত্রে রক্ত সরবরাহ বেড়ে যায়। তাই যৌন উত্তেজনা ও সঙ্গমের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির অভাব হতে পারে। অধিক আহার করার পর যেমন পরিশ্রম করতে ইচ্ছা করেনা, যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়াটাও তেমনি ব্যাপার। তবে সঙ্গম হয়ে যাবার পর অধিক খেলে তাতে কোন অসুবিধা নেই।

read more
স্বাস্থ্য

হঠাৎ করেই যদি পায়ের রগে বা পেশিতে টান ধরে কি করবেন ? যদি পঙ্গু হতে না চান এখুনিই জেনে নিন কি করবেন

30

ঘুমিয়ে আছেন হঠাৎ পায়ের মাংসপেশির টানের ব্যথায় কঁকিয়ে উঠলেন আপনি। এমতাবস্থায় পা সোজা বা ভাঁজ করা সম্ভব না। একটানা পা ভাঁজ করে রেখে হঠাৎ সোজা করতে গেলে পায়ের পেশিতে টান পড়ে তখনই পায়ের পেশীতে বা রগে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। এমনটা ঘুমের মধ্যে বা জেগে থাকা অবস্থাতেও হতে পারে। তবে ঘুমন্ত অবস্থায় বেশি হয়ে থাকে।

দীর্ঘসময় ধরে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে অনেক সময় পায়ের পেশিতে বেশি টান লাগতে পারে। আবার দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকলেও এমনটা হয়ে থাকে।

আরো নানান কারনে হতে পারে। যেমন, পানিশূন্যতা, মাংসপেশী বা স্নায়ুতে আঘাত, রক্তে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের অভাব, কিছু ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া যেমন, হাইপারটেনশন ও কোলেস্টেরল, কয়েকটি বিশেষ ভিটামিনের অভাবে যেমন, ভিটামিন ‘বি’ B1, B5, B6। কিছু বদভ্যাসের কারনে যেমন, ধূমপান, মদপান। ধূমপায়ীদের পায়ে রক্ত চলাচল কম হয় বলে সামান্য হাঁটাহাঁটিতেই তাদের পায়ে টান লাগে। গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন স্নায়ুতে চাপ পড়ে থাকে, তাই ওই সময় পায়ের পেশীতে টান লাগা স্বাভাবিক ব্যাপার। আবার হাইপোথাইরয়েডিজম, কিডনি ফেইলিওর, মেন্সট্রুয়েসন, গর্ভসঞ্চার ইত্যাদির কারনেও পেশীতে টান লাগতে পারে।

পেশীতে টান পড়লে যে পায়ের পেশীতে টান পড়লো দ্রুত সেই পায়ের পেশীকে শিথিলায়ন বা রিলাক্স করতে হবে। এতে পেশী প্রসারিত হবে এবং আরাম পাবেন। পেশীকে প্রসারিত করার নিয়ম হল,

আপনার যদি হাঁটুর নিচে পায়ের পিছনের মাসলে টান লাগে তাহলে পা সোজা করে হাত দিয়ে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো ধরে আপনার দিকে আস্তে আস্তে টানুন। আর যদি সামনের দিকে হয় তাহলে পা ভাঁজ করে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো পেছনের দিকে টানুন।

অনেক সময় উরুর পেছনেও এমনটা হয়, তখন চিৎ হয়ে শুয়ে পা ভাঁজ করে হাটুঁ বুকের দিকে নিয়ে আসুন যতোটুকু পারা যায়। আর উরুর পেছনের পেশীতে আলতো হাতে আস্তে আস্তে মালিশ করুন আরাম পাবেন।

আর যদি পেশী শক্ত হয়ে আসে তখন ওয়াটার ব্যাগ বা হট ব্যাগের মাধ্যমে কিছুক্ষণ গরম সেঁকা দিন আক্রান্ত পেশীতে। আবার যদি পেশী বেশি নরম ও ফুলে যায় আর ব্যথা থাকে তাহলে তাতে আইসব্যাগ দিয়ে ঠাণ্ডা সেঁক দিন। বেশ আরাম পাবেন। প্রত্যেকের বাসায় মুভ বা ভিক্স জাতীয় ব্যথানাশক বাম বা জেল থাকে, তা দিয়ে আলতো হাতে মালিশ করা যেতে পারে ওই পেশীতে।

আর ‘পেশীর টানমুক্ত’ অবস্থায় ভালো থাকতে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত খাবার খান। শাকসবজি, ফল, খেজুর, দুধ ও মাংসতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে। তাই এই খাবারগুলো বেশি বেশি খান। নেশা জাতীয় বদ অভ্যাস থাকলে তা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকুন।

 

read more
স্বাস্থ্য

পেঁপের বীজ আর মধু একসাথে খেলে শরীরে যা যা ঘটবে

5

এখন যা পরিস্থিতি তাতে কোনও মতে ৬০ বছর পেরতে পারলে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করা যেতে পারে। কারণ, সে তো সবার জানা।চারিদিকে আজ শুধু বিষ আর বিষ। খাবারে ভেজাল, বায়ুতে দূষণ, পানিতে জীবাণু। এর পরেও কী করে বাঁচার আশা রাখা যায় বলুন!আলবাত রাখা যায়! কীভাবে? সেই উত্তর পেতে গেলে যে চোখ রাখতে হবে এই প্রবন্ধে।

প্রাকৃতিক উপদানের মধ্যে এমন শক্তি রয়েছে, যা এত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আমাদের শরীরকে সব দিক থেকে সুস্থ রাখতে সক্ষম।তাই তো এই প্রবন্ধে এমন একটি ঘরোয়া ওষুদের সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যা প্রতিদিন খেলে আমাদের শরীরের নানাবিধ ঘাটতি যেমন দূর হয়, তেমনি ছোট-বড় প্রায় কোনও রোগই ছুঁতে পারে না।

কীভাবে বানাতে হবে এই ঘরোয় ওষুধটি?

এটি বানাতে প্রয়োজন পরবে পেঁপের বীজ আর মধুর। ২ চামচ পেঁপের বীজ নিয়ে তার সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খাওয়া শুরু করুন। তাহলে দেখবেন নিচে আলোচিত এই ৭ টি সমস্যা কোনও দিন আপনাকে ছুঁতেও পারবে না-

১. শরীর থেকে সব বিষ বার করে দেয়: এই ওষুধে এমন রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং এমন কিছু শক্তিশালী উপাদান, যা শরীর থেকে সব রকমের ক্ষতিকর টক্সিন বা বিষ বার করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে কোনও রোগক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে হ্রাস পায়।

২. স্টমাকে উপস্থিত ক্ষতিকর পোকাদের মেরে ফেলে: স্টমাকে এইসব ক্ষতিকার উপাদানের মাত্রা যত বৃদ্ধি পাবে, তত হজমর সমস্যা বাড়বে। আর এই ধরনের রোগের হাত থাকে বাঁচাতে এই ঘরোয়া ওষুধটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এতে উপস্থিত নানা উপকারি উপাদান এইসব পোকাদের মেরে ফেলে। ফলে হজমের সমস্যা হয়ার সম্ভবনা অনেকাংশে হ্রাস পায়।

৩. ওজন হ্রাস পায়: যারা ওজন কমাতে চাইছেন, তাদের তো এই ওষুধটি খাওয়া মাস্ট! কারণ পেঁপে এবং মধুতে রয়েছে বেশ কিছু লিপিডস এবং পটাশিয়াম, যা মেটাবলিজম বাড়িয়ে চর্বি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমনটা আমাদের সকলেই জানা আছে যে হজম ক্ষমতা যত ভাল হবে, তত শরীরে চর্বি জমবে কম। ফলে ওজন কমবে চোখে পরার মতো।

৪. পেশির গঠন সাহায্য করে: এই ওষুধটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন, যা পেশির গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো যদি পেশিবহুল শরীর পেতে চান, তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন এই ঘরোয়া ওষুধটি।

৫. ক্লান্তি দূর করে: কোনও কোনও সময় ক্লান্তি আমাদের এতটাই দুর্বল করে দেয় যে এই জেট যুগে প্রতিযগিতায় টিকে থাকা প্রায় সম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। আপনিও যদি একই সমস্যা শিকার হয়ে থাকেন তাহলে পেঁপে এবং মধু মিশ্রিত এই ওষুধটি খাওয়া শুরু করুন। কারণ এতে রয়েছে গ্লকোসিনোলেট নামে একটি উপাদান, যা সেলেদের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ক্লান্তি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

৬. ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে: এই ওষুধটিতে রয়েছে প্রচিুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে কোনও ভাইরাসই তেমন একটা ক্ষতি করতে পারে না। তাই আপনিও যদি ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে চান, তাহেল শীঘ্র খাওয়া শুরু করুন এই ওষুধটি।

৭. পুরুষদের ফার্টিলিটি আরও উন্নত করে: পেঁপের বীজে উপস্থিত বেশ কিছু এনজাইম স্পার্ম কাউন্টের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

read more
1 2 3
Page 1 of 3