close

জানা-অজানা

জানা-অজানা

সফেদার স্বাস্থ্য উপকারিতা

Untitled-3 copy

আমাদের দেশে খুবই পরিচিত এখটি ফল সফেদা। পুষ্টি উপাদানে ভরপুর থাকার কারণে সফেদা স্বাস্থ্যসম্মত ফলও বটে। খেতে মিষ্টি এই ফলটির ভেতরটি খুবই নরম আর তুলতুলে হয়। সফেদা অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল। সারা বিশ্বেই এটি পাওয়া যায়। খেতে সুস্বাদু এই ফলটির রয়েছে দারুণ সব পুষ্টিগুণ। আর হজম শক্তি বাড়াতে খুবই ভালো কাজ করে। আসুন তাহলে আজ জেনে নেই সফেদা আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি ছাড়াও আর কী কী সাহায্য করে।

 

সফেদা চোখের জন্য খুবই উপকারী। এতে বিদ্যমান ভিটামিন ‘এ’ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন সি চোখ ভালো রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

এটি ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এ কারণে সর্দি-কাশি সারাতেও এটি দারুন কার্যকরী। এটি শরীরের যেকোনো ধরনের সংক্রমণও সারায়।

 

 

 

সফেদায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে। যা হজমশক্তি বাড়াতে এবং কোষ্টকাঠিন্য কমাতে দারুনভাবে কাজ করে। এ কারণে হজমশক্তি বাড়াতে সফেদা খাওয়া জরুরি।

যেহেতু সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ভিটামিন ‘সি’ থাকে, এ কারণে এটি ক্যান্সার প্রতিরোধেও দারুন ভূমিকা রাখে।

সফেদা হাড় সুরক্ষার জন্যও খুব উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে বাঁধা দেয়।

সফেদায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ফসফরাস, ফলিক অ্যাসিড থাকে। এ কারণে এটি নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে ভূমিকা রাখে। রক্তণূন্যতা রোধ করতে সহায়তা করে।

 

 

 

read more
জানা-অজানা

শিশুকে অ্যালার্জির প্রকোপ থেকে বাঁচানোর উপায়

Untitled-3 copy

উন্নত দেশগুলোতেই সাধারণত অ্যালার্জি-আক্রান্ত শিশুদের হার বেশি দেখা যায়। প্রগতিশীল বা ‘ডেভেলপ্‌ড’ দেশগুলিতে। এর কারণ হিসেবে বেশ কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছেন বৈজ্ঞানিকরা। তাদের মতে, বর্তমানে শিশুকে রোগমুক্ত রাখতে মা-বাবারা খুব বেশি সতর্কতা অবলম্বন করেন। এর ফলে শিশুদের শরীরে ‘ইমিউনিটি সিস্টেম’ ঠিকমতো কাজই করে না। ফলে, খুব সহজেই শিশুরা নানা ধরনের ‘অ্যালার্জি অ্যাটাক’-এর শিকার হয়।

শিশুকে অ্যালার্জি থেকে বাঁচানোর কয়েকটি পদ্ধতি তুলে ধরা হলো-

বাড়িতে কোনো পোষা প্রাণী থাকলে, অবশ্যই তার সঙ্গে খেলতে দিন শিশুদের। কানাডায় প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, পোষ্যের গায়ের লোম, মুখের লালা, হাতে-পায়ের ধুলো থেকে যে ধরনের অ্যালার্জি হতে পারে, তার অ্যন্টিবডি তৈরি হয় শিশুদের পাকস্থলিতে।

ছোট থেকেই সব ধরনের খাবার, ফল ও সবজি খাওয়ানো অভ্যাস করান শিশুকে। পারলে গরুর দুধও খাওয়ান একেবারে ছোট থেকে। এর ফলে, খাদ্যজাত অ্যালার্জির হাত থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকবে শিশু।

শিশুদের মধ্যে হাঁপানি বর্তমানে খুবই দেখা যায়। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ভিটামিন ডি সেবন করলে, শিশুদের মধ্যে হাঁপানি ও অন্যান্য শ্বাসজনিত রোগের হার অনেকটাই কম থাকে বলে প্রকাশিত হয়েছে যুক্তরাজ্যের এক মেডিকাল জার্নালে।

শিশুদের জন্মের পর চার মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ অত্যন্ত জরুরি। এর ফলে শুধুমাত্র হাঁপানি নয়, অন্যান্য অনেক ধরনের অ্যালার্জির হারই কমে যায় শিশু-দেহে।

শিশুদের কাছাকাছি ধুমপান করা উচিত নয়।

 

 

আরও পড়ুন…

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শুধু সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তা নয়, বেসরকারিভাবেও মানুষ যেন কিস্তিতে ফ্ল্যাট নিতে পারে আমাদের সরকার সে ব্যবস্থাও করছে। আমাদের সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন। রাজধানীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৯ হাজার ৭০২টি ফ্লাট নির্মাণ করার জন্য প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব ফ্লাট নির্মাণ করে আবাসন সমস্যার সমাধান করা হবে।

রাজধানীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নির্মিত ২০ তলা বিশিষ্ট চারটি বহুতল আবাসিক ভবন উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার সকালে মতিঝিল কলোনিতে গিয়ে ভবনের ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিকল্পনা ছিল সকল মানুষের জন্য গৃহনির্মাণ নিশ্চিত করা। তিনি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। আমরা তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি। নিঃস্ব, ভূমিহীন এবং যাদের ভূমি আছে তাদের বাড়ি করে দেয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি মানুষ বসবাসের জন্য বাড়ি পাবে। একটি মানুষও বাড়ি ছাড়া থাকবে না।’

তিনি বলেন, আমরা সকলের বেতন ১২৩ ভাগ বৃদ্ধি করেছি। তাদের পদ-পদবিও পরিবর্তন করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধন করা এসব ভবনে ৫৩২টি ফ্লাট রয়েছে। ভবনগুলোতে ৫৩২ জন কর্মচারী তাদের পরিবার নিয়ে থাকার সুযোগ পাবেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ভবনের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন।

এ সময় গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ দবিরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

read more