close

জানা-অজানা

জানা-অজানা

সৌদি আরব থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে মালয়েশিয়া!

safe_image (4)

সৌদি আরব থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে মালয়েশিয়া!

সৌদি আরবে মোতায়েন মালয়েশীয় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহারেরকথা বিবেচনা করছে কুয়ালা লামপুর বুধবার মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীমোহাম্মদ সাবু  ঘোষণা দিয়েছেন এক বিবৃতিতে তিনি বলেনসৌদিতেমোতায়েন তার দেশের সেনারা ইয়েমেন যুদ্ধে বা দায়েশ (আইএস)-এর বিরুদ্ধেঅভিযানে অংশ নেয়নি

প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ সাবু বলেন, মালয়েশিয়া সবসময় নিরপেক্ষ নীতি গ্রহণ করেছে। এখানে বিশ্বের প্রধান কোনও শক্তির রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি আনুকূল্য নেই। কুয়ালা লামপুর জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (ন্যাম)-এর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে। এ জোটের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছে মালয়েশিয়া।

 

 

 

মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে সৌদি আরবের দীর্ঘ প্রভাব রয়েছে। দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে ২০১৩ সালের নির্বাচনে জিতিয়ে আনতে ৬৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার দিয়েছিল সৌদি আরব। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ৭৫৫ কোটি ৫২ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫০ টাকা। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে মালয়েশিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল মোহামেদ আপানদি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এই অর্থ ছিল মূলত সৌদি অনুদান।

মূলত মালয়েশিয়ায় মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রভাব ঠেকাতেই নাজিব রাজাককে এই অর্থ দিয়েছিল সৌদি আরব। তৎকালীন সৌদি বাদশাহ আব্দুল্লাহ অর্থ প্রদানের বিষয়টি অনুমোদন করেছিলেন।

 

 

 

মালয়েশিয়ার বৃহত্তম ইসলামপন্থী দল প্যান-মালয়েশিয়ান ইসলামিক পার্টি (পিএএস)। এ দলটির উদ্যোক্তারা মুসলিম ব্রাদারহুডের দর্শন দ্বারা অনুপ্রাণিত। ফলে যে কোনওভাবে পিএএস-এর প্রভাব কমাতে নাজিব রাজাকের দ্বারস্থ হয় সৌদি সরকার। তবে মালয়েশিয়ার গত নির্বাচনে নাজিব রাজাকের দল পরাজিত হয়। আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোটের প্রধানমন্ত্রী হন আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার মাহাথির মোহাম্মদ। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের চার মাসেরও কম সময়ের মাথায় সৌদি আরব থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা এলো।

read more
জানা-অজানা

বিরক্তিকর রক্তচোষা ছারপোকা ধ্বংস করুন এক মিনিটেই, শিখে নিন কৌশল !!

10

বিরক্তিকর রক্তচোষা ছারপোকা ধ্বংস করুন এক মিনিটেই, শিখে নিন কৌশল !!

ছারপোকা, রক্তচোষা এই পতঙ্গটি সত্যিই খুব বিরক্তিকর। ঘরে এটির আক্রমণ ঘটলে অশান্তির শেষ থাকে না। কারণ ছারপোকা রক্ত খেয়ে আপনার রাতের ঘুমকে হারাম করে।

ছারপোকা উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট অন্যান্য পোষকের রক্ত খেয়ে বেঁচে থাকে। পোকাটি বিছানা, মশারি, বালিশের এক প্রান্তে বাসা বাঁধলেও ট্রেন কিংবা বাসের আসনেও এদের দেখা মেলে। বিছানার পোকা হলেও এর অন্যতম পছন্দের আবাসস্থল হচ্ছে – ম্যাট্রেস, সোফা এবং অন্যান্য আসবাবপত্র। পুরোপুরি নিশাচর না হলেও ছারপোকা সাধারণত রাতেই অধিক সক্রিয় থাকে এবং মানুষের অগোচরে রক্ত চুষে নেয়। মশার মতো ছোট্ট কামড় বসিয়ে এরা স্থান ত্যাগ করে। তাই বলে যে দিনের বেলায় কামড়াবে না এমন না।

তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক জ্বালাতনকারী-অস্বস্তিকর এই পোকাটিকে কীভাবে সহজেই ঘর থেকে তাড়ানো যায়।

ন্যাপথালিন

ঘরের ছারপোকা তাড়াতে ন্যাপথলিন খুবই কার্যকারী। পোকাটি তাড়াতে অন্তত মাসে দু’বার ন্যাপথলিন গুঁড়ো করে বিছানাসহ উপদ্রবপ্রবণ স্থানে ছিটিয়ে দিয়ে রাখুন। দেখবেন ঘরে ছারপোকা হবে না।

কেরোসিনের প্রলেপ

ছারপোকা তাড়াতে মাঝে মাঝে আসবাবপত্রে কেরোসিনের প্রলেপ দিন। এতে ছারপোকা সহজেই পালাবে।

ঘর পরিষ্কার করুন

সপ্তাহে একবার হলেও সারা ঘর ভালো করে পরিষ্কার করুন। ছারপোকা মোটামুটি ১১৩ ডিগ্রি তাপমাত্রাতে মারা যায়। ঘরে ছারপোকার আধিক্য বেশি হলে বিছানার চাদর, বালিশের কভার, কাঁথা ও ঘরের ছারপোকা আক্রান্ত জায়গাগুলোর কাপড় বেশি তাপে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। ছারপোকা এতে মারা যাবে।

স্প্রে করুন

ঘরের যে স্থানে ছারপোকার বাস সেখানে ল্যাভেন্ডার অয়েল স্প্রে করুন। দুই থেকে তিন দিন এভাবে স্প্রে করার ফলে ছারপোকা আপনার ঘর ছেড়ে পালাবে।

আসবাবপত্র ও লেপ-তোশক

আসবাবপত্র ও লেপ-তোশক পরিষ্কার রাখার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত রোদে দিন। এতে করে ছারপোকার আক্রমণ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ই ছারপোকা থাকলে সেগুলো মারা যাবে।

অ্যালকোহল

আপনার ঘরের ছারপোকা তাড়াতে অ্যালকোহল ব্যবহার করতে পারেন। ছারপোকাপ্রবণ জায়গায় সামান্য অ্যালকোহল স্প্রে করে দিন দেখেবেন ছারপোকা মরে যাবে।

বিছানা দেয়াল থেকে দূরে

ছারপোকার হাত থেকে রেহাই পেতে আপনার বিছানা দেয়াল থেকে দূরে স্থাপন করুন। শোয়ার আগে ও পরে বিছানা ভালো করে ঝেড়ে ফেলুন সঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন।

read more
জানা-অজানা

কার জন্য আজ বাংলাদেশ দলের এই অবস্থা? সবার সামনে নাম প্রকাশ করলেন পাপন!

Untitled-1-copy-38

কার জন্য আজ বাংলাদেশ দলের এই অবস্থা? সবার সামনে নাম প্রকাশ করলেন পাপন!

আফগানিস্তানের কাছে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হবে এটা কোনদিন সপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভক্তরা। আর সেটাই হতে যাচ্ছে।

আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচে হেরে ইতিমধ্যেই সিরিজ হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ। আর আজ হারলে আফগানিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হবে টাইগাররা।

নিদাহাস টি-টুয়েন্টি সিরিজে কি দুর্দান্ত পারফম্যান্স ছিল টাইগারদের। মার্চে শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেই সিরিজের পর আড়াই মাস জাতীয় দলের কোনো খেলা ছিল না। আফগানদের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ দিয়ে শুরু হলো টাইগারদের ব্যস্ততা।

 

 

কিন্তু দেরাদুনে একেবারে ছন্নাছাড়া বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের মতো দলের বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। শুধু সেই লজ্জা নয়, হারের ধরনগুলোও সমর্থকদের মধ্যে কাঁটা হয়ে বিঁধছে। টাইগারদের এমন পারফম্যান্স দেখে দলের মধ্যে সমস্যার গন্ধ পাচ্ছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

টানা দুই ম্যাচে হার। টাইগারদের এমন চিত্র যে বিসিবি বসের মনটাই খারপ করে দিয়েছে তা তিনি গোপন রাখলেন না সংবাদ মাধ্যমের কাছে। বুধবার পাপন তাই প্রথমেই বললেন, ‘মন খারাপ কার না হবে।

কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যদি ১২০-১৩০ রান করে টি-টোয়েন্টিতে জেতার আশা করে কেউ, আমার মনে হয় সেটা ঠিক হবে না। এটা খুবই কম স্কোর। আফগানিস্তানের বোলিং হতে পারে খুব ভালো। রশিদ খান বিশ্বমানের, কেউ অস্বীকার করে না। তারপরও ১৫০-১৬০ হবে না এটা কখনো মনে হয়নি।’

 

 

উইকেটে ব্যাটসম্যানদের সেট হয়েও ফিরে আসা, সিনিয়র খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স সব কিছু ভাবাচ্ছে পাপানকে, ‘যখনই মনে হচ্ছে আমরা সেট হচ্ছি, বড় স্কোরের দিকে যাচ্ছে তখনই উইকেট থ্রো করে দিয়ে আসছি।’ যে রশিদ খানকে নিয়ে এতো আলোচনা, এতো ভয় তাকেই ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হচ্ছেন কেউ কেউ।

টাইগারদের পারফরম্যান্সের এসব নানা দিক নিয়ে ভাবনা থেকেই দলের মধ্যে সমস্যার আঁচ পাচ্ছেন বিসিবি প্রধান পাপন। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে তাদের কোনো সমস্যা নিশ্চয়ই হচ্ছে। আমরা যে দল চিনি এটা সেই দলের মতো না। নিশ্চয়ই সমস্যা আছে।’

কিন্তু এই সমস্যাটা কেন হচ্ছে? এটি ভাবকে গিয়ে হাতুরুসিংহের কড়া শাসন থেকে টাইগারদের মুক্তি পাওয়াকেই একটা কারণ মনে হচ্ছে নাজমুল হাসান পাপনের, ‘আসলে এটা খুব হতাশজনক। নিদহাস ট্রফির আগে বাংলাদেশে যে সিরিজটা হলো, একেবারে সেটির পুনরাবৃত্তি দেখেছি।

 

 

একটা জিনিস হতে পারে। যেহেতু হাতুরু সিদ্ধান্ত একা নিজে নিত আগে। ওদের একদম কঠোর নিয়ম কানুন মেনে চলা, রাগি (হাতুরুসিংহে)….। এইরকম একটা পরিবেশ থেকে হুট করে মুক্ত একটা পরিবেশ পেলে যা হয় তাতে করে হয়তো সমস্যা হতেও পারে।’

read more
জানা-অজানা

প্রবাসীর পরিবারের সাথে এ কেমন অমানবিকতা! কেন এই কাঁটাতার? মানবতা আজ কোথায়…?

Untitled-8-6-655×400

প্রবাসীর পরিবারের সাথে এ কেমন অমানবিকতা! কেন এই কাঁটাতার? মানবতা আজ কোথায়…?

বাগেরহাটের শরণখোলার রাজৈর এলাকায় দুবাই প্রবাসী একটি পরিবারকে মারধর করে কাঁটা তার দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগউঠেছে ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ  ইউপি সদস্য রহিম হাওলাদারের বিরুদ্ধে

 

গত পাঁচদিন ধরে তারা ঘর থেকে বের হতে পারছেনা। তারা যেন কারো সাথে যোগাযোগ করতে না পারে সে জন্য মোবাইল ফোনটিও ভেঙে ফেলা হয়েছে। পরবর্তী হামলার আশঙ্কায় দুটি শিশু সন্তান নিয়ে পরিবারটি বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগে জানা যায়, গত ৩জুন শরণখোলা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান আসাদ ও ইউপি সদস্য মো. আব্দুর রহিম উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রাজৈর এলাকার দুবাই প্রবাসী মো. খলিলুর রহমান তালুকদারের বাড়িতে লোকজন নিয়ে হামলা চালায়।

 

খলিলের বাড়ির মধ্যে তাদের জমি রয়েছে দাবি করে পুরো বাড়িঘর কাঁটা তার দিয়ে ঘিরে ফেলে তারা। ঘটনাটি গৃহকর্তার স্ত্রী ফহিমা বেগম মোবাইল ফোনে তার ভাইকে জানাতে গেলে ছাত্রলীগ নেতা আসাদ মোবাইলটি কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলে।

 

এসময় গৃহকর্তা খলিলুর রহমানকে মারধর করে ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য শাসিয়ে যায়। এর পর থেকে ওই পরিবারটি দুটি শিশু সন্তান নিয়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় মানবেতর জীবযাপন করছে।

 

ঘটনা শুনে বৃহস্পতিবার (৭ জুন) দুপুরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে আশাপাশের লোকজন এব্যপারে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। এসময় ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বর্ণনা করে ওই পরিবারটি।

 

এব্যাপারে ইউপি সদস্য মো. আব্দুর রহিম হাওলাদার জানান, ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত থাকলেও জমি দখল বা কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় জড়িত নয় বলে তিনি দাবি করেন।

 

ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, খলিলের বাড়ির মধ্যে পাওনা জমি কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে দখলে নেওয়া হয়েছে। আমাদের জমির ওপর দিয়ে তাদের বের হতে দেয়া হবেনা।

 

খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন, একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা অমানবিক ও বেআইনী। ঘটনায় জড়িতরা যে দলেরই হোকনা কেনো তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।

 

উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মো. হাসান মীর জানান, আসাদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে নেই। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তার কোনো বিষয়ে ছাত্রলীগ দায়িত্ব নেবেনা।

 

শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবিরুল ইসলাম জানান, ঘটনা তাকে কেউ জানায়নি। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিংকন বিশ্বাস জানান, এব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানা পুলিশকে বলা হয়েছে।

read more
জানা-অজানা

দেখুন চমকে যাবেন , বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা এই নারীর জিহবা!! (ভিডিও)

Untitled-1 copy

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা এই নারীর জিহবা; দেখুন চমকে যাবেন ! (ভিডিও)

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন …………

 

 

 

 

 

 

 

আরও পড়ুন

জেনে রাখুন পালিয়ে বিয়ের আইনি জটিলতা প্রতিকার !

আমাদের দেশের আইন-আদালত সম্পর্কে যাদের ধারণা কম তাদের এই লেখা কাজে আসতে পারে। আর এই লেখার উদ্দেশ্য পালিয়ে বিয়ে করতে উৎসাহিত করা নয়, বরং পালিয়ে বিয়ে করার পর আইনি ঝুঁকির বিষয়ে সাবধান করা। পালিয়ে বিয়ে করতে গেলে আপনাদের, মুসলিম ছেলেমেয়েদের অনেকের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। যেমন- বিয়ের পরে কোনো সমস্যা হবে না তো বা বিয়েটার বৈধতা কেমন হবে। বিয়েটাই বা কোথায় করতে হবে? কোর্টে নাকি কাজি অফিসে?

বিশেষ করে ছেলেরা ভাবে- মেয়ের বাবা যদি মামলা করে দেয় নারী নির্যাতনের? তাহলে কি জেল খাটতে হবে? ইত্যাদি। অনেকে ভাবেন- এসব ক্ষেত্রে হয়ত কোর্ট ম্যারেজ করতে হবে।

 

 

 

 

 

কোর্ট ম্যারেজ টার্মটা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। কিন্তু এটা নিয়ে অনেকের একটু ভুল ধারণা আছে। অনেকে যারা অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বা পালিয়ে বিয়ে করতে চায় তারা কোর্ট মারেজ করতে যায় বা করতে চায়। অনেকে মনে করেন কোর্ট ম্যারেজ হয়তো কোর্টে গিয়ে বিয়ে করা। অথবা মাজিস্ট্রেটের সামনে বিয়ে করা। আসলে তা নয়।

কোর্ট ম্যারেজ করতে হলে আপনাকে যেতে হবে কোনো নোটারী পাবলিকের (সরকারি রেজিস্টার্ড উকিল) কাছে। তিনি আপনাদেরকে (বর-কনে) ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি হলফনামায় সই করাবেন যাতে লিখা থাকবে আপনারা প্রাপ্তবয়স্ক এবং সজ্ঞানে, স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছেন। তার মানে কী দাঁড়ালো?

 

 

 

 

বিয়ে আপনাদেরকে আগেই করতে হবে। কোথায়? যথারীতি কাজী অফিসে। রেজিস্ট্রি কাবিনমুলে। কাজী অফিসে কাবিননামায় সই করতে হবে। কাজী সাহেবকে আপনাদের এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখাতে হবে বয়স প্রমাণের জন্য। বয়স অবশ্যই আঠারো (মেয়ে) ও একুশ (ছেলে) হতে হবে। আর লাগবে দুজন সাক্ষী। আর ওই কাবিননামাই আপনাদের বিয়ের প্রধান আইনি দলিল।

আর নোটারী পাবলিকের কাছে গিয়ে আপনি শুধু ওই দলিলের আরও একটা সম্পূরক আইনি দলিল করে রাখলেন ভবিষ্যতে মামলায় একটু সুবিধা পেতে। তবে জেনে রাখবেন, নোটারী পাবলিকের কাছে করা হলফনামার কোনো দাম নেই যদি আপনার কাবিননামা না থাকে। কাবিননামা থাকলে আপনার বিয়ের পক্ষে আর কোনো ডকুমেন্টই লাগবে না। কাবিননামাই সব।

এক পক্ষ হিন্দু বা মুসলিম কিংবা অন্য ধর্মের হলেও, ধর্ম পরিবর্তন না করেই বিয়ে করা সম্ভব। Special Marriage Act-III of 1872 এর আওতায়। এর জন্য কাজীর মত আলাদা ম্যারেজ রেজিস্ট্রার আছেন।

বিয়ে হয়ে গেলে অনেক সময় পরে দুই পক্ষের বাবা-মা মেনে নেন,অনেক সময় মেনে নেন না। অনেক সময় মেয়ের বাবা ক্ষেপে গিয়ে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করে বসেন। মামলাগুলো হয় সাধারণত অপহরণপূর্বক ধর্ষণের। এই মামলাগুলোর জামিন বা রিমান্ড শুনানি এবং বিচার হয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। মামলার ধারাগুলো জামিন-অযোগ্য এবং আমলযোগ্য, পুলিশ এসব ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের অনুমতি ছাড়াই আসামিকে গ্রেফতার করতে পারে।

পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে কিন্তু প্রথমেই জামিন হবে না। আর মানসিকভাবে শক্ত থাকুন, দুজনেই। মামলা (উক্তরূপ) হওয়ার পর তদন্ত শুরু হবে। ভিকটিমের (মেয়ের বাবার চোখে মেয়েটি এখানে ভিকটিম)জবানবন্দি দিতে হবে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে। এটি ২২ ধারার জবানবন্দি, ম্যাজিস্ট্রেট চেম্বারে হয়। কেউ কোনো প্রভাব খাটাতে পারে না।

জবানবন্দিতে মেয়েকে বলতে হবে, ‘আমি স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছি। আমাকে কেউ অপহরণ করেনি।’ ব্যাস, তাহলে মামলায় পুলিশ আর চার্জশিট দেবে না। আসামি (ছেলে) অব্যাহতি পাবে।

 

 

 

read more
জানা-অজানা

দুলাভাইকর্তৃক ধর্ষণের স্বীকার সেই শ্যালিকার নবজাতক অবশেষে পেল নতুন ঘর‍>> বিস্তারিত জেনে নিন ><>

Untitled-1 copy

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ফেলে যাওয়া সেই শিশুটিকে আদালতের মাধ্যমে গ্রহণ করেছেন এক পুলিশ দম্পতি। বুধবার (৮ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টায় চুয়াডাঙ্গার শিশু আদালতের বিচারক শাহনাজ সুলতানা দীর্ঘ শুনানির পর আব্দুল আলিম ও জান্নাতুল ফেরদৌস দম্পতিকে এই শিশুকে লালন পালনের দায়িত্ব দেন।

গত বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ওই শিশুটিকে ফেলে পালিয়ে যায় শিশুটির স্বজনরা। পরে ওই শিশুকে সমাজ সেবার তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।

সদ্য ভূমিষ্ঠ কন্যা সন্তান ফেলে সটকে পড়া প্রসূতির খোঁজ খবর নিতে গিয়ে জানা যায়, টুম্পার (ছদ্মনাম) বয়স ১৪ বছর। সে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। এবার জেএসসি পরীক্ষায় অংশও নিয়েছে। গত বৃহস্পতিবারও সে পরীক্ষায় অংশ নেয়।

দীর্ঘদিন ধরে সে তার বান্ধবীসহ প্রতিবেশীদের বলে আসছিলো তার পেটে টিউমার রয়েছে। শরীরে জমছে পানি। এ কারণে ওই কিশোরীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়ে তেমন কেউ সন্দেহ করেননি। ওইদিনই গ্রামের সাধারণ মানুষ টুম্পার পরিচয় ফাঁস করে।

বিস্তারিত জানতে গেলে টুম্পা জানায়, তারই বড় বোনের স্বামী একই উপজেলার কলাবাড়ি রামনগর সেন্টারপাড়ার ইব্রাহিম ফুসলে তাকে সর্বনাশ করেছে।

এরই মধ্যে খুশির নানা ও নানি লিখিতভাবে চুয়াডাঙ্গা জেলা সমাজ সেবার প্রবেশন অফিসারের নিকট বলেছেন, ওই নবজাতকের ওপর আমাদের কারো কোনো দাবি নেই।

নবজাতককে কেউ কোনোদিন দাবি করা হবে না। অবশ্য নবজাতকের মা কিশোরী টুম্পা এ রকম কোনো বক্তব্য দেয়নি।

অপরদিকে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী টুম্পাকে ফুসলে যে ভগ্নিপতি সার্টারমিস্ত্রি ইব্রাহিম সর্বনাশ করেছে তার অবশ্য প্রকাশ্যে দেখা মিলছে না।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ শামীম কবির জানান, বৃহস্পতিবার সকালে এক জেএসসি পরীক্ষার্থী নিজেকে টুম্পা নাম পরিচয় দিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ডায়রিয়া রোগী সেজে ভর্তি হয়। পরের রাত ৭টা ৩৬ মিনিটে ওই শিক্ষার্থী হাসপাতালে এক কন্যাশিশুর জন্ম দেয়।

পরদিন ভোরে টুম্পা ও তার নানী শিশু কন্যাকে হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে তিন নিঃসন্তান দম্পতি শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য হাসপাতালে আবেদন করেন।

পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ওই শিশুটিকে সমাজ সেবার তত্ত্বাবধানে তুলে দেন।

চুয়াডাঙ্গা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা বশির আহম্মেদ জানান, শিশুটিকে নিজ সন্তান হিসাবে দায়িত্ব নেবার জন্য আমাদের কাছে তিন দম্পতি আবেদন করেন। পরে বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত।

গত রোববার চুয়াডাঙ্গা শিশু আদালতে ওই শিশু কন্যাকে দত্তক নেওয়ার জন্য ওই তিন দম্পতি আবেদন করেন। আদালত তিনটি আবেদনই গ্রহণ করে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

বুধবার নির্ধারিত ধার্য দিনে শিশু আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শাহানাজ সুলতানা প্রায় ১ঘন্টা ধরে উভয়পক্ষের আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদনকারীদের কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন।

পরে আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেন, আবেদন করা তিনটি দম্পতির মধ্যে দুই দম্পতি নিঃসন্তান। এমন একটি বাস্তবতার মুখে রায়টি দিতে আমার বুকের মধ্যে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছে।

আদালতের এমন পর্যবেক্ষণের পর আব্দুল জব্বার-সুলতানা ও নাঈম-সীমা দম্পতি তাদের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। পরে আদালত আব্দুল আলিম-জান্নাতুল ফেরদৌসী দম্পতিকে ওই শিশুকে লালন পালনের দায়িত্ব দেন।

আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেন, শিশুটিকে নিজ সন্তানের মতো লালন পালনের পাশাপাশি তার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা বীমা, ব্যাংক ডিপোজিট ও কিছু জমিজামা তার নামে দিতে হবে। প্রতি ৬ মাস পর পর সমাজ সেবা অধিদপ্তরে ওই শিশুর সার্বিক অবস্থা জানিয়ে রিপোর্ট করতে হবে।

আদালতের রায়ে বাচ্চাটি গ্রহণের পর আব্দুল আলিম-জান্নাতুল ফেরদৌসী দম্পতি তাদের প্রতিক্রিয়ায় জানান, বিয়ের ৫ বছরে অতিবাহিত হলেও তারা ছিলেন নিঃসন্তান। দেশে বিদেশে অনেক চিকিৎসা করিয়েও কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

এই অবস্থায় শিশু কন্যাকে পেয়ে খুশি তারা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুটিকে তার নতুন বাবা-মা আব্দুল আলিম-জান্নাতুল ফেরদৌসী দম্পতি হাতে তুলে দেওয়া হবে।

 

 

 

read more
জানা-অজানা

দেখুন আপনার শুক্রবার দিনটি কেমন যাবে?বিস্তারিত জেনে নিন …………

Untitled-1 copy

আজ আপনার জন্ম দিন হলে পাশ্চাত্য মতে আপনার রাশি বৃশ্চিক, আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহঃমঙ্গল। ২৭ তারিখে জম্ম হবার কারণে আপনার ওপর মঙ্গলের প্রভাব স্পষ্ট।

আপনার শুভ সংখ্যা : ৯,১৮,২৭।
আপনার শুভ বর্ণ : লাল।
শুভ গ্রহ ও বার : মঙ্গল ।
শুভ রত্ন : রক্তপ্রবাল ।
চন্দ্রাবস্থান : আজ চন্দ্র মকর রাশিতে অবস্থান করবে। ৭মী তিথি সকাল: ১১টা ৪০ পর্যন্ত পরে ৮মী তিথি চলবে।

 

 

মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল) : আজ মেষ রাশির জাতক জাতিকার জাতিকার দিনটি কিছুটা ব্যস্ততার। কোনো দাতব্য কাজে অংশ নিতে পারেন। সাংঠনিক কাজের জন্য দূরে কোথাও যাওয়ার যোগ রয়েছে। আপনার প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে আপনার কিছু গোপন শত্রু সৃষ্টি হতে পারে।

বৃষ রাশি ( ২১ এপ্রিল – ২০ মে) : আজ বৃষ রাশির জাতিকার ভাগ্য কিছুটা সু প্রসন্ন হবার যোগ রয়েছে। বিদেশ যাত্রা বা বৈদেশিক বাণিজ্যে ভালো আয়ের সম্ভাবনা দেখা যায়। উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে কোন ধরণের রহস্যজনক বাধা বিপত্তি দেখা দেবে। শরীর ভালো যাবে না। আজ ধর্মিয় ও আধ্যাত্মীক কাজ কর্মে লাভবান হবেন। ট্রাভেল এজেন্সী ব্যবসায় ভালো আয় হতে পারে।

 

 

মিথুন রাশি (২১ মে – ২০ জুন) : মিথুন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময় । তবে ঋণ সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দেবে। পাওনা টাকা আদায় করতে বাধাগ্রস্ত হবেন। বিদেশ থেকে কোনো খারাপ সংবাদ পেতে পারেন। আপনার আর্থিক সঙ্কট প্রকট হতে পারে। বুঝে শুনে খরচ করুন। আজ চলাফেরায় সতর্ক হতে হবে। রাস্তাঘাটে পুলিশ প্রশাসনের কারো দ্বারা হেনস্তার শিকার হতে পারেন।

কর্কট রাশি (২১ জুন – ২০ জুলাই) : আজ কর্কট রাশির জাতক জাতিকাদের দিনটি ভালো যাবে। দম্পতিদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হলেও তা কেটে যাবে। অংশীদারি ব্যবসা বাণিজ্যে কোনো মতানৈক্য দেখা দিতে পারে। কোনো আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে যেতে পারেন। জাতিকাদের বিবাহের কথাবার্তায় অনাকাঙ্খীত বাধা বিপত্তির আশঙ্কা প্রবল।

 

 

সিংহ রাশি (২১জুলাই – ২১ আগষ্ট) : আজ সিংহ রাশির জাতক জাতিকাদের শরীর স্বাস্থ্ ভালো যাবে না। সাইনোসাইটিসের রুগীরা কষ্ট পেতে পারেন। কোন গোপন শত্রু আজ আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করবে। কাজের লোকের দ্বারা দ্রব্য হানির আশঙ্কা প্রবল। গুপ্তধন বা পরধন প্রাপ্তিতে বাধা বিপত্তি দেখা দেবে। আজ রাগ ও জেদ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

 

 

কন্যা রাশি (২২ আগষ্ট – ২২ সেপ্টেম্বর) : আজ কন্যা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি দিয়ে শুরু হতে পারে। সন্তানের সাথে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা রয়েছে। আজ প্রেমিক প্রেমিকাদের দিনটি ভালো যাবে না। দেখা করার কথা থাকলেও কোনো রহস্যজনক কারণে শেষ পর্যন্ত দেখা নাও হতে পারে। সন্তানের কোনো ব্যর্থতায় আপনি কষ্ট পাবেন।

তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর – ২১ অক্টোবর) : আজ তুলা রাশির জাতক জাতিকার সকাল সকালই পারিবারিক কাজে ব্যস্ত হতে পারেন। যানবাহন নিয়ে কোনো ঝামেলায় পড়তে হবে। আত্মীয়র সাথে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আলোচনা হতে পারে। আজ বাড়ীতে কোনো খালা-খালুর আগমনে খুঁশি হতে পারেন। গৃহস্থালী কোনো উপকরণ কিনতে হতে পারে।

 


বৃশ্চিক রাশি (২২ অক্টোবর – ২০ নভেম্বর) :
 আজ বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। বস্ত্র বিক্রেতাদের দিনটি ভালো যাবে। প্রতিবেশীর কোন অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি তাকে আনন্দ দেবে। ছোট ভাই বোনের কোন কাজে দূরদেশে যেতে পারেন। সাংবাদিক ভাইদের দিনটি ভালো যাবে। প্রকাশক ও মুদ্রণ ব্যবসায়ীদের দিনটি ব্যস্ততায় ভরপুর থাকবে।

ধনু রাশি (২১ নভেম্বর – ২০ ডিসেম্বর) : আজ ধনু রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। বাড়ীতে আজ আপনার সবচেয়ে অপছন্দের কোন আত্মীয় আসতে পারে। আর্থিক প্রাপ্তিতে বিলম্ব হবে। আজ আপনার খাবারের রুচি নষ্ট হতে পারে। এলার্জির সমস্যা থাকলে খাদ্য গ্রহণে সতর্ক হতে হবে। দিনের শেষ ভাগে কোনো অনভিপ্রেত সংবাদ পেতে পারেন।

 

 

মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি) : আজ মকর রাশির জাতক জাতিকাদের সতর্ক থাকতে হবে। কোন কারণে পারিবারিক পরিবেশ কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। চক্ষুপীড়ায় কষ্ট পেতে পারেন। বিদেশ থেকে কোনো মিশ্র সংবাদ পাবেন। আজ জীবন সাথীর শরীর স্বাস্থ্ও ভালো যাবে না। মানসিক অস্থিরতা ভয় ও অবসাদে ভুগতে পারেন।

 

 

কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি) : আজ পারিবারিক কারণে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রবল। বিদেশ থেকে কোন আত্মীয়র আগমন হতে পারে। ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীদের আজ আশানুরুপ লাভ হবে না। কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাদ দিতে হতে পারে। কাজের লোকের কারণে কিছুটা বিব্রত হতে পারেন।

মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ) : আজ বাড়ীতে বড় ভাই এর সাথে মনমালিণ্য হতে চলেছে। আর্থিক বিষয়ে অসতর্কতার কারণে অর্থ হানির আশঙ্কা প্রবল। কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রিয় বন্ধুর সাথে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হতে পারেন। আজ ব্যবসায়ীদের আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশী হবার আশঙ্কা রয়েছে।

 

 

read more
জানা-অজানা

দেখুন আশ্চর্য এক কুমির এর কান্ড, যা আপনাকে চমকে দিবে (ভিডিও সহ )

Untitled-1 copy

 

দেখুন আশ্চর্য এক কুমির এর কান্ড, যা আপনাকে চমকে দিবে

দেখুন আশ্চর্য এক কুমির এর কান্ড, যা আপনাকে চমকে দিবে

 

আরো পড়ুন…

হংকং সিক্সার্সে খেলতে যাচ্ছেন সাইফরা

আগামী ৩০ অক্টোবর বাংলাদেশ সফরে আসছে নেপাল অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সফরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে সফরকারীরা। বিকেএপিতে ২, ৪ ও ৫ নভেম্বর ম্যাচ তিনটি অনুষ্ঠিত হবে। তারপর ৮ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় এশিয়া কাপ খেলতে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ যুব দল। বিসিবির গেম ডেভলপমেন্ট বিভাগ থেকে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

 

 

 

ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের কাছে সিরিজ হারের লজ্জায় ডুবেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। বাংলাদেশ যুব দলের অধিনায়ক সাইফ হাসান বলেছেন, আফগানদের বিরুদ্ধে করা ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করছেন ক্রিকেটাররা।

গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘শেষ সিরিজে আমরা কিছু ভুল করেছি, ওখান থেকে শিখতে পারছি। আমরা অনুশীলনে ভুল শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করছি। যা যা ভুল করেছি। সামনে অনেক ম্যাচ আছে। হংকং খেলতে যাচ্ছি। নেপালের সাথে খেলা আছে। যত ম্যাচ খেলে অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়।’

 

 

 

 

আফগানদের কাছে হারের কারণ হিসেবে টপঅর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই উল্লেখ করেছেন সাইফ হাসান। তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তান অনেক উন্নতি করেছে। অবশ্যই আমরা বাজে ক্রিকেট খেলেছি। তবে মানতে হবে ওরা ভালো ক্রিকেটে খেলেছে। টপঅর্ডার আমরা যদি একটু ভালো করতাম সহজ হতো। প্রত্যেক ম্যাচেই আমাদের টপঅর্ডার ধুঁকতে হয়েছে। ওখানে আমাদের কাজ করার জায়গা রয়েছে। বোলিং সাইড খুব করেছে। যদি ব্যাটসম্যানদের একটু হেল্প করতে পারতাম, সহজ হয়ে যেত।

 

 

 

এদিকে নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আজ দুপুরে বাংলাদেশের যুব দলের ছয় ক্রিকেটার হংকংয়ে সিক্স-এ-সাইড টুর্নামেন্ট হংকং সিক্সার্সে খেলতে যাচ্ছেন। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন সাইফ-আফিফরা। বাংলাদেশ ছাড়াও দুই দিনের (২৮ ও ২৯ নভেম্বর) এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে স্বাগতিক হংকং, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেরিলিবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব।

 

 

 

ম্যাচ খেলার ঘাটতি কমাতেই সাইফদের এ টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ করে দিচ্ছে বিসিবি। যুব দলের অধিনায়কও টার্গেট করছেন হংকং সিক্সার্সে খেলে আত্মবিশ্বাস সঞ্চয়ের। তিনি বলেন, ‘আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য এই সফরটা খুব কাজে দেবে। ওখানে বেশ পাওয়ার হিটিং ও অ্যাটাকিং খেলা হয়। খেলা সরাসরি সমপ্রচার করা হয়। এটা আমাদের এক ধরনের ভালো প্রস্তুতি হতে পারে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
জানা-অজানা

দেখুন ৯০ টাকা মুলধন দিয়ে শুরু করেন তিনি্এখন লাখপতি!

Untitled-1 copy

রাজশাহী: আগে কাঠের মিলে খড়ি ফেড়ে জীবন চালাতেন। আট বছর আগে হঠাৎ মাথায় বুদ্ধি এলো সস্তায় মিষ্টি তৈরি করার। এরপরে ৯০ টাকা মুলধন দিয়ে শুরু করেন তিনি। সেই মুলধন এখন দাঁড়িয়েছে লাখ টাকায়। নিজের পাশাপাশি কাশেম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন অনেক বেকার যুবকের।

 

 

 

 

কথা হচ্ছিলো রাজশাহীর পবা উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের আবুল কাশেমের। বয়স ষাটের ঘর পেরিয়েছে অনেক আগেই। এ বয়সেই আবুল কাশেম এখন অনেকের অনুকরণীয়।

আবুল কাশেম জানান, বিভিন্ন পেশায় নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে না পেরে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। আট বছর আগেও হাড় ভাঙা খাটুনি করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন।

 

 

 

 

নিজের চেষ্টা ও অদম্য ইচ্ছা থাকলে একজন মানুষ যে কোন বয়সেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। আবুল কাশেম তা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন।

আবুল কাশেম জানান, বাবার স্মৃতি তার মনে পড়ে না। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে মা কষ্ট করে বড় করেন। জীবনের শুরুতে অন্যের দোকানে কাজ, চা বিক্রি করে, ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। শেষে নিজ গ্রামের বাজারে খড়ি ফাড়তেন।

 

 

 

 

আবুল কাশেম বলেন, মা গ্রামের বিভিন্ন মানুষের কাছে সাহায্য লই আমগো মুখে খাওন তুলে দিছে। এখন মায়ে নাই। থাকলে মা’এরে সেবা করতে পারতাম।

 

 

আবুল কাশেমের জীবনের গল্পের পরিবর্তনের শুরু গত সাত বছর আগে। কাশেম নওগাঁর একটি গ্রামে বেড়াতে যান। সেখানে গিয়ে কাশেম দেখেন, গ্রামের একটি পরিবার চিনি, আটা, বুন্দিয়া ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের মুখরোচক মিষ্টি খাবার তৈরি করে বাজারে বিক্রি করছেন।

উদ্যোগটা কাশেমের আগ্রহকে প্রসারিত করে। সে পুরো বিষয়টা খুব ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে ও প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে।

 

 

 

 

এবার রাজশাহীতে ফেরার পালা। কাজ শিখে আসার পরে ব্যবসা শুরু করতে ৯০ টাকা দিয়ে বাজার থেকে কাঁচামাল হিসেবে আটা, চিনি ও বুন্দিয়া কিনে নিয়ে আসেন। প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিয়ে স্ত্রীর হাতে ধরিয়ে দেন কাঁচামাল। যা চেয়ে ছিলেন তার কিছুই হলো না। তবে কাশেম হতাশ হননি। প্রায় এক সপ্তাহ পর টাকা সংগ্রহ করে আবার কাঁচামাল কিনে আনেন। এবার স্ত্রী তাকে আর হতাশ করেননি। একই সাথে তাকেও আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। সে সময়ের ৯০ টাকা দিয়ে শুরু করা ব্যবসা এখন এক লাখে গিয়ে ঠেকেছে।

 

 

 

এখন তিনি শুধু নন। কর্মসংস্থান হচ্ছে স্থানীয় ২৫ জন দুস্থ পরিবারের। কাশেমের কর্মচারী বাবদ প্রতিদিনকার খরচ ১০ হাজার টাকা। প্রায় ২০ পদের মুখরোচক মিষ্টি খাবার তিনি তৈরি করেন। যার মধ্যে রয়েছে মিষ্টি সিঙ্গারা, মিষ্টি, কুশলী ইত্যাদি। তার এই মুখরোচক খাবার বিভিন্ন উপজেলার বেকারি এসে নিয়ে যায়। পরে তা স্থানীয় বাজেরে বিক্রি করা হয়।

এক সময়ে অবহেলিত আবুল কাশেম বর্তমানে স্থানীয়দের মাঝে একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, আবুল কাশেম একজন অনুপ্রেরণার নাম

 

 

 

read more
জানা-অজানা

দুধ ওয়ালা দুধ দিতে এসে কি দেখে দুধ কোথায় ঢেলে দিলো অতঃপর……ভিডিও সহ

Untitled-1 copy

দুধ ওয়ালা দুধ দিতে এসে কি দেখে দুধ কোথায় ঢেলে দিলো অতঃপর……

দুধ ওয়ালা দুধ দিতে এসে কি দেখে দুধ কোথায় ঢেলে দিলো অতঃপর……

ভিডিওটি এখানে……

 

 

 

অন্যরা যা পড়ছেন…..

দারুণ একটি খবর, এলো টাইগারদের জন্য

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ-সাউথ আফ্রিকা টেস্ট সিরিজ শেষ হল কিছুদিন আগেই।

আর সেই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হতে হল বাংলাদেশকে।

 

তাও আবার শেষ ম্যাচে ইনিগস পরাজয়ে হার।

 

আর এই হারের পরেই যেখানে বাংলাদেশের পারফর্মেন্স নিয়ে দেশ বিদেশে ঝড় উঠলো সেখানেদারুণ একটি খবর, এলো টাইগারদের জন্য।

 

কেননা হেরে গিয়েও রেটিং পয়েন্ট ২ বাড়লো বাংলাদেশের।

আর যার কারনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে ব্যাবধানও কমলো বাংলাদেশের। যার কারনে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট বেড়ে দাড়ালো ৭২ এ আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের

উল্লেখ্য যে, শ্রীলকা সিরিজে একটি টেস্ট ম্যাচ জিততে পারলেই ৮ম স্থানে চলে আসবে বাংলাদেশ।

তবে না জিতলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ যদি তাদের পরবর্তী টেস্ট সিরিজের একটি ম্যাচ হেরে যায় তাহলেও ৮ম স্থানে চলে আসবে বাংলাদেশ।

 

 

 

সেই ক্ষত্রে শ্রীলঙ্কার সাথে প্রথম টেস্ট ড্র করতে হবে বাংলাদেশকে।

 

সময়টা ২০০১ এর শীতের কিছুদিন আগে। মা বাবা যাবে সিলেটে ঘুরতে। আমার যাওয়া হবেনা, সামনে ভার্সিটির সেমিস্টার ফাইনাল। ঘুরতে যেতে আমার খুব ভালো লাগে, তাই একটু মন খারাপ লাগছিলো।
মনে হচ্ছিলো এই পড়াশুনার জন্য আর কত স্যাক্রীফাইস করতে হবে কে জানে? কিন্তু ছাড়তেওতো পারিনা ভবিষ্যতের কথা ভেবে।
আমরা থাকি খুলনাতে। ফ্ল্যাটটা বাবা কিনেছিলেন। যিনি বাড়িটা তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজে থাকবেন বলে একটা মাঝে উঠোনের চারদিক দিয়ে তিন তলা বিল্ডিং তৈরি করে পরে টাকার অভাবে বিক্রি করে দেন কিছু পোরশন। নিজে থাকেন নিচতলা। আর আমরা ছাড়া আর একটা খুলনার একটা ফ্যামিলি থাকি দুই আর তিন তলাতে।
বাবা মার যাবার সময় এসে গেলো। আমি ওদের ট্রেনে উঠিয়ে দিয়ে এলাম। বাড়ি ওয়ালার ফ্যামিলীর সাথে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক। ওনার ওয়াইফ আমাকে তার নিজের ছেলের মতো ভালবাসেন। ওদের কোন ছেলে মেয়ে নেই। ওনার ওয়াইফ আর ছোট বোন। আমার এই কদিনের খাওয়া দাওয়ার ব্যাবস্থা বাড়ি ওয়ালার বাসাতেই।
আমি ফিরে এসে খেতে বসবো এমন সময় কলিং বেল বেজে উঠলো। গিয়ে খুলে দেখি বাড়ি ওয়ালার বোন দাড়িয়ে। হাতে একটা প্লেট ঢাকা। বলল ভাবি তোর জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে, খেয়ে নিস। ঢাকনা সরিয়ে দেখি ভাত, সবজি, ডাল আর মুরগির ঝাল ফ্র্যাই। বাড়ি ওয়ালার বোনের নাম শিমু। শিমুর এজ ৩০+। সি.এ পাস করে এখন একটা মালটিন্যাশনাল কোম্পানিতে রিজিওনাল একাউন্ট ম্যানেজার হিসাবে কাজ করছে। দেখতে বেশ দারুন। হাইট প্রায় সাড়ে ৫ ফিট। ফর্সা বাট হাল্কা মোটা হয়েছে তাই একটু তুলতুলেও লাগে। ফিগার ৩৫-৩২-৩৭। রেগুলার পার্লারে যায় তাই চেহারায় একটা অন্যরকম টোন আছে। এলাকায় ছেলেরা শুধু না অনেক বিবাহিত লোকও ওর জন্য পাগল। আমি প্রথমে শিমুকে আনটি বলে ডাকতাম। কিন্তু উনি আমাকে আপু বলে ডাকতে বলেন। আমি শিমু আপুকে থ্যাংকস জানিয়ে দরজা বন্ধ করবো ভাবছি, তখন দেখি শিমু আপু হাসি হাসি মুখে আমার দিকে তাকিয়ে একটু ঘরের দিকে উকি মারার চেষ্টা করছে। আমি ব্যাপারটা বোঝার জন্য ওর মুখের দিকে কৌতুহল ভরে তাকালাম।
শিমু আপু বললঃ বেশ ভালোইতো আছিস, খুব এনজয় করবি এই কদিন, তাইনা?
আমি একটু বোকা বোকা ভাব নিয়ে অবাক হয়ে বললামঃ কেন, এতে এনজয় করার কি আছে?
আপুঃ কেন আবার, ১৪ দিন একা থাকবি, ড্রিংক করবি, বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা মারবি, মজা করবি সেটা এনজয়মেনট না? তাছাড়া কাল শুক্রবার তাই আজতো পার্টি নাইট তাইনা?
আমি বললামঃ না না তেমন কিছু না, এই এখন খেয়ে দেয়ে একটু টিভি দেখে তারপর ঘুম দেব। তারপর কাল উঠে বাজার করে একটু আড্ডা মারব। বিকেলের কোন প্ল্যান নেই।
আপু বললঃ বাহ, তবে তুই তো ভালো ছেলে। আমরা যখন এই রকম সুযোগ পেতাম তখন সব মেয়েরা একসাথে হয়ে যা যা করতাম তা তোরা আন্দাজও করতে পারবি না। তুই ভালো ছেলে, যা খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়। কাল দেখা হবে। এই বলে শিমু আপু নিচে চলে গেলো। আমি খেতে খেতে আমাদের কথাবার্তা গুলো ভাবতে লাগলাম……যা যা করতাম তা তোরা আন্দাজও করতে পারবি না।
যাই হোক, খাওয়া শেষ করে লাইট অফ করে শুয়ে টিভি দেখতে একবার শিমু আপুর মোবাইল-এ কল দিই, তারপর আবার ভাব্লাম কি জানি কি ভাববে, তাই ছেড়ে দিলাম। একটু পর একটা এসএমএস করলাম গুড নাইট বলে শিমু আপুকে। তারপর শুয়ে পড়লাম। কিন্তু ঘুম আসছিল না। এইভাবে প্রায় ৩০ মিনিট কেটে গেছে, হঠাৎ মোবাইলটা বেজে উঠলো। দেখি শিমু আপু ফোন করেছে। রিসিভ করতেই শিমু আপু বলল, “কিরে, কি করিস? ঘুম আসছে না নাকি?” শিমু আপুর গলাটা কেমন যেন অন্য রকম লাগলো। আমিও বললাম, “না আপু, ঘুম আসছেনা।“ তারপর একটু ফাজলামো করে বললাম, “তাইতো তোমার কথা চিন্তা করছি।”
ওপার থেকে কোন জবাব এলো না। তাতে আমি একটু ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “রেগে গেলে নাকি, মজা করলাম বলে?
শিমু আপু বললঃ না রে রাগ করিনি। বাট……
আমি বললামঃ বাট কি?
আপু বললঃ আসলে আমারও ঘুম আসছিলো না, তাই ভাবলাম তোর সাথে ফোন-এ একটু গল্প করি।
আমি বললামঃ এটা তো বেশ ভালো, এক তলা আর তিন তলা ফোন-এ গল্প করছে। একটা কাজ করি চলো, তুমি নিচের বারান্দাতে দারাও, আর আমি উপরের বারান্দাটাই দাড়াই তারপর গল্প করি, শুধু শুধু জিপি-কে টাকা দিয়ে কি হবে?
শিমু আপু হাসল, কিন্তু কোন রেসপণ্ড করলো না।
তারপর আপু হঠাৎ করে বললঃ এই ফাহিম, ছাদে যাবি?
আমি বললামঃ এখন?
আপু বললঃ হ্যাঁ, এখন।
আমি বললামঃ তোমার ভাইয়া, ভাবী যদি কিছু বলেন?
শিমু আপু বললঃ ওরা টের পাবে না। ঘুমিয়ে পড়েছে। তুই ছাদে চলে যা আমি একটু পরে আসছি। এই বলে ফোনটা কেটে দিলো।
আমি খালি গায়ে ছিলাম বলে শর্টসের উপর একটা হাল্কা টি-শার্ট পরে ছাদে গিয়ে দরজা খুললাম। এর প্রায় ৭-৮ মিনিট পরে শিমু আপু এলো।
আমাদের ছাদটা বেশ বড়। বেশিরভাগটাই খোলা। একটা দিকে প্লাস্টিক শেড দিয়ে ঢাকা, বৃষ্টির সময় কাপড় শুকানোর জন্য। ওর নিচে কয়েকটা প্লাস্টিকের চেয়ার আর একটা মাদুর আছে বসার জন্য। আমি দুটো চেয়ার পেতে বসতেই শিমু আপু মাদুরে বসার জন্য বলল।
মাদুর পেতে পাশাপাশি বসলাম আমি আর শিমু আপু। প্রথমে কি কথা বলবো বুঝতে পারছিলাম না দেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে শিমু আপুকে জিজ্ঞেস করে ফেললাম, “তোমরা কি করতে এমন, যা আমরা কল্পনাও করতে পারবোনা কোনোদিন?
শিমু আপু কোন কথা না বলে শুধু হেসে মুখটা অন্য দিকে ঘুরিয়ে নিলো। তারপর বলল, “কেন রে, তোর এতো জানার ইচ্ছা আমাদের দুষ্টুমির কথা? তা ছাড়া ওই গুলি একটু বেশি রঅ বা মেয়েদের পারসনাল যা আমি তোকে বলতে পারবো না।
আমি কিছুটা আন্দাজ করে চুপ করে গেলাম।
শিমু আপু বললঃ কি রে রাগ করলি? চুপ হয়ে গেলি কেন?
আমি বললামঃ না রাগ করিনি, এমনি চুপ।
আপু বললঃ শোন, তুই প্রেম করিস না কারো সাথে?
আমি বললামঃ না প্রেম করিনা, একবারে বিয়ে করবো, বাট তুমি বিয়ে করছ না কেন? তোমার তো এজ ক্রস করে যাচ্ছে।
শিমু আপু বললঃ আমি বিয়ে করবো না, আমার বিয়ে ভালো লাগে না। এইতো বেশ ভালো আছি, চাকরি করছি, ঘুরছি, ফিরছি, আনন্দ করছি, ভালোই তো আছি। যা যা চাই সবই তো আছে। তবে কেন শুধু শুধু বিয়ে করে রিলেশনে ঢুকতে যাবো?
আমি বললামঃ এই গুলা তো সব না, আরও কিছু নিডস আছে যেগুলো বিয়ে ছাড়া ফুলফিল করা যায় না।
শিমু আপু বললঃ শিহাব একটা সিগারেট দিবি? অনেকদিন খাইনি। খুব ইচ্ছা করছে একটা খেতে।
আমি একটু অবাক হলাম, কিন্তু পকেট থেকে প্যাকেট টা বের করে দুটো সিগারেট নিয়ে একসাথে ধরিয়ে একটা শিমু আপুকে দিলাম।
শিমু আপু সিগারেটে লম্বা একটা টান দিয়ে আমার দিকে ফিরে বললঃ তুই কি মিন করতে ছাইছিস আমি বুঝতে পারছি। তুই সেক্সের ব্যাপারটা চাইছিস, তাইনা?
আমি বললামঃ হ্যাঁ।
শিমু আপু বললঃ দেখ, আজ তুই অনেক বড় হয়েছিস, তাই তোকে বলছি। এখনকার সময়ে বিয়ে ছাড়াও এসব হয়, এইগুলো এখন ডাল ভাত। অনেকেই করে, কেউ বলে আবার কেউ বলেনা ডিফারেন্ট রিজনে।
কথাগুলো শুনে আমার সারা শরীরে কারেন্ট পাস করে গেলো মনে হল। আমি অবাক হয়ে শিমু আপুর দিকে তাকালাম। দেখলাম শিমু আপুর তাকানোর মধ্যে কেমন যেন একটা শুন্যতা আছে, যেন কিছু একটা অনেক খুজেও পায়না।
আমার আর শিমু আপুর মধ্যে বেশ কিছু গ্যাপ ছিল। আপু আরও কিছু সরে এসে গ্যাপ কমিয়ে দিয়ে আমার কাধে মাথা রাখল। আমার তখনও ব্যপারটা মাথার মধ্যে ঢুকছিলনা। নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে আমার পাশে এলাকার সবচেয়ে হট আর সুন্দরী মহিলা বসে আমার কাধে মাথা রেখে আছে।
শিমু আপু একটা হাল্কা কটনের প্রিন্ট করা নাইটি পরে আছে। একটু আগে মনে হয় গোছল করেছে স্যান্ডাল সোপ দিয়ে। তারই একটা মিষ্টি গন্ধ আসছে। শিমু আপুর শরীরের অনেকটা আমার শরীরের সাথে লেগে আছে। বুঝতে পারছি কোন ব্রা পরেনি। ব্রেস্টের কিছুটা আমার বাঁ হাতের সাথে টাচ করছিলো। ব্যাপারটা শিমু আপুও বুঝতে পারছিলো কিন্তু কিছু বলছিল না। আমি আরও একটু ভালো করে বুকটাকে ফিল করার জন্যে হাতটা ছড়িয়ে দিলাম। আমার হাতটা শিমু আপুর দুধের উপর দিয়ে ফোলা ভরাট বুকটা অনুভব করতে লাগলাম। আমার সাহস একটু একটু করে বাড়তে লাগলো। এবার হাতটা তুলে দিলাম ওর কাধের উপর। একটু টেনে আমার আরও কাছে নিয়ে এলাম শিমু আপুকে। দেখি তখনও কিছু বলল না।
কাধ থেকে হাত টা নিচে নামিয়ে নিয়ে হাত বুলাতে লাগলাম ওর সারা পিঠে। শিমু আপু ওর ডান হাত দিয়ে আমাকে জড়িয়ে আমার বুকের কাছে মুখটা লুকিয়ে ফেলল। পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে বুঝতে পারলাম ওর শরীরটা কত নরম। আমরা ছাদের একটা দেয়ালে হেলান দিয়ে ছিলাম। শিমু আপু হঠাৎ করে আমার কোলের ওপর শুয়ে চোখটা বন্ধ করে ফেললো। তার বেশ কিছু আগে থেকেই আমার প্যান্টের মধ্যে ছোট বাবুটা মোবাইল টাওয়ারের মতো মাথা উঁচু করে ফুল সিগন্যাল দিচ্ছিল। তাই একটু ভয় হচ্ছিলো আপু টের পেয়ে যাবে বলে। ইনফ্যাকট শিমু আপু বুঝতে পারলো আমার অবস্থা, কিন্তু একবার শুধু আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আবার চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইলো। আপুর নাইটিটা হাঁটুঅব্দি উঠে আছে, যা থেকে তার পা’র অনেক পোরশোন দেখা যাচ্ছিলো। কি সুন্দর ফর্সা পা দুটো, কোন লোম নেই। একটা পা অন্যটার উপর তুলে দেয়াতে যোনির জায়গাটায় নাইটিটা নিচের দিকে ঢুকে অনেক আকর্ষণীয় করে তুলেছিল।
আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না, সব ব্যাপারটা এতো তাড়াতাড়ি ঘটে যাচ্ছিলো যে আমি একটু ঘোরের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি কোন কিছু না ভেবে নিচু হয়ে শিমু আপুকে একটা কিস করলাম গালে। এগিয়ে গেলাম রসালো ঠোঁটগুলোর দিকে, শুষে নিলাম সবটুকু রস। সেই অদ্ভুত অনুভুতির কথা বলে বোঝাতে পারবোনা। শিমু আপু চোখ বন্ধ করে উপভোগ করলো ফিলিংসটা আর তারপর আমার একটা হাত নিয়ে তার বড় আর নরম কোমল দুধের উপর রাখল। মেয়েদের ব্রেস্ত কি অদ্ভুত একটা জিনিষ, বুকের উপর দুটো চর্বি যেটা ওদের রূপ ফুটিয়ে তুলে সেক্সি করে তোলে। মানুষের শরীরের অনেক জায়গাই চর্বি থাকে কিন্তু বুকের উপর ওই চর্বি দুটোতে হাত দিয়ে যত ভালো লাগে আর অন্য কোথাও তার তুলনা নেই। তার উপর ঠিক মাঝখানে বাদামি একটু ফুলে থাকা নিপল দুটো ব্যাপারটাকে আরও আকর্ষণীয় আর লোভনীয় করে তোলে।
শিমু আপুর নাইটির উপরের দিকে দুটো হুক খুলে দিয়ে আমি ওর নগ্ন দুধে হাত দিলাম। উফফ… কি সুন্দর স্বর্গীয় অনুভুতি… হঠাৎ কিছু পেয়ে যাওয়ার আনন্দে মন ভরে গেলো। কি সুন্দর রাউন্ড শেপড দুটো দুধ তাতে বোঁটাগুলো বাদামী। আমি তাকিয়ে থাকতে পারলাম না বেশিক্ষন। মুখ নামিয়ে দিলাম বোটার উপর। মুখ ডুবিয়ে দিয়ে চুষতে লাগলাম একটা আর অন্যটা হাতে নিয়ে খেলা করতে লাগলাম। শিমু আপু চোখ বন্ধ করে উপভোগ করছিলো আমার খেলা।
আমি অন্য হাত দিয়ে শিমু আপুর নাইটিটা কোমর পর্যন্ত তুলে দিয়ে দেখলাম ভিতরে একটা পাতলা ডিজাইনের প্যান্টি পরে আছে যার অনেকটাই কাটা। হাতটা নিয়ে গেলাম ওর দুই পায়ের ফাঁকে। দেখি একদম ভিজে লেপটে আছে। প্যান্টির পাশ দিয়ে একটু ফাক করে একটা আঙ্গুল ঢুকিয়ে শিমু আপুর গুদে বিলি কাটতে লাগলাম। শিমু আপুর শরীরটা কেপে উঠলো একবার। শিমু আপু আমাকে টেনে নিজের পাশে শুইয়ে দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার ঠোঁটে খুব জোরে একটা চুমু খেলো।
আমি শিমু আপুর শরীর থেকে নাইটির বাধন খুলে মুক্ত করে নিলাম। এই খোলা আকাশের নিচে সবার কামনার আরাধ্য শিমু আপু এখন শুধু প্যান্টি পরে আমার পাশে শুয়ে আছে। শিমু আমার টি-শার্ট খোলার চেষ্টা করতেই আমি নিজেই খুলে দিলাম। ও আমার লোমশ বুকে চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিলো ওর ভালোবাসার ছাপ।
আমি আস্তে আস্তে ওর প্যান্টিটা খুলে দিলাম। এবার আমার স্বপ্নের অপ্সরা আমার সামনে পুরো উলঙ্গ আমাকে আহব্বান করছে। আমিও আমার শর্টস খুলে ফেললাম। খুব ইচ্ছা করছিলো শিমু আপুকে বলি আমার সোনাটা চুষে দিতে। কিন্তু আমাকে অবাক করে নিজেই এগিয়ে এসে কোমল হাতে সোনাটা ধরে মুখে ভরে দিয়ে চুষতে লাগলো একদম এক্সপার্ট মহিলার মতো। এটা আমার প্রথম বার, তাই শিমু আপুর নরম কোমল ঠোটের ব্লোজবে আমি শিহরিত হয়ে উঠছিলাম। আমার মাল ধরে রাখতেও অনেক কষ্ট হচ্ছিলো। বেশ কিছুক্ষন চলার পর আর পারছিলাম না। শিমু আপু আমার অবস্থা বুঝতে পেরে মুখ থেকে বাড়াটা বের করে দিলো। আর সাথে সাথে আমার সব বীর্য গিয়ে পড়লো ওর গলা বুক আর পেটের উপর।
মাল বের হয়ে যাবার পর হঠাৎ বাড়াটা কেমন যেন নেতিয়ে যেতে লাগতেই শিমু আপু এক্সপেরিয়েনসড মহিলার মতো সোনাটা ঝাকাতে ঝাকাতে ওর গুদটা চুষে দিতে বলল। আমার ব্যাপারটা একটু কেমন লাগলো কিন্তু বাধ্য ছেলের মতো রাজি হয়ে গেলাম।
গুদে যৌন রস আর প্রস্রাব মেশানো নোন্তা স্বাদটা খুব একটা খারাপ লাগলো না। শিমু আপুর গুদ চুষতে চুষতে আমার বারাটাও শক্ত হয়ে উঠলো। শিমু আপু এবার আর সময় নষ্ট না করে গাইড করে আমার বাড়াটা ঢুকিয়ে নিলো ওর গুদের মধ্যে। ওফ সেকি ফিলিংস……! আমি যেন স্বর্গে প্রবেশ করছি। টাইট গুদের মধ্যে দিয়ে আমার শক্ত বাড়াটা যখন ঢুকছিল তখন আমার পেটের নিচের দিকে শিরশির করা একটা ফিলিংস হতে শুরু করলো। রসে ভিজে শিমু আপুর গুদটা একদম পিচ্ছিল হয়ে ছিল তাই একচাঞ্ছেই বাড়াটা অর্ধেক ঢুকে গেলো। আমি জোরে একটা ঠাপ দিতেই পুরোটা ঢুকে গেলো। শিমু আপু ব্যাথায় ছটফট করে উঠলো। আমি কোমরটা উঠানামা করে শিমু আপুর সাথে আদিম খেলায় মেতে উঠলাম। আপু দুই হাত দিয়ে আমার পাছাটা চেপে ধরে আমার ঠাপগুলো আরও ভালভাবে উপভোগ করতে লাগলো। আমি শিমু আপুকে চোদার গতি বাড়িয়ে দিলাম। আপু দুহাত দিয়ে আমার গলাটা জড়িয়ে ধরে আমার ঠোঁট ওর ঠোটের মধ্যে নিয়ে চুষতে লাগলো। আপু কোমর তুলে তুলে আমার ঠাপের সাথে ছন্দ মিলিয়ে নিচের দিক থেকে ঠাপ দিতে লাগলো।
শিমু আপু দু’পা দিয়ে আমার কোমর শক্ত করে জড়িয়ে ধরে গড়িয়ে আমাকে নিচে ফেলে ওর গুদের মধ্যে বাড়া ঢুকানো অবস্থায় আমার বুকের উপর উঠে গেলো। এরপর ওর দুই হাত আমার বুকের দুই পাশে রেখে কোমর দোলাতে দোলাতে আমাকে চুদতে লাগলো। আমি দুই হাতে শিমু আপুর দুই দুধ ধরে জোরে জোরে টিপতে লাগলাম আর আঙ্গুল দিয়ে দুই বোঁটা মোচড়াতে লাগলাম।
আমি হঠাৎ চোখে অন্ধকার দেখলাম। একটা তীব্র ভালো লাগার স্বর্গীয় অনুভুতি আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেললো। আপুর দুধে আমার হাতের জোর চাপে ব্যাথায় কোকীয়ে উঠলো। আমি আমার সব বীর্য শিমু আপুর গোপন গহব্বরে ঢেলে দিয়ে সুখের তীব্রতায় পাগল হয়ে গেলাম। আপুও তার দু’হাতের ভার ছেড়ে দিয়ে আমার বুকের উপর শুয়ে পড়ে আমার ঠোঁট প্রচণ্ড ভাবে কামড়ে ধরলো। আমার সোনাটা যেন রসের ফোয়ারায় গোসল করলো।
ভীষণ ক্লান্ত হয়ে দুজন এভাবে দুজনকে জড়িয়ে ধরে কতক্ষণ শুয়ে ছিলাম জানিনা। হঠাৎ করে টাইমের ব্যাপারটা মাথায় এলো। মোবাইল-এ দেখলাম রাত প্রায় আড়াইটা বাজে। এতো রাতে আমরা ছাদে খোলা আকাশের নিচে আদম-হাওয়ার মতো উলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছি। বেশ ভালো লাগছিলো ভেবে।
প্রথম নীরবতা ভাঙলো শিমু আপুর কথায়। বললো, “যা নিচে যা, অনেক রাত হয়েছে, আমিও যাই, নয়তো ভাইয়া ভাবী টের পেয়ে যাবে।” কথাটা বলে শিমু আপু নাইটিটা পরে নিলো। আমিও আমার শর্টস আর টি-শার্ট পরে নিলাম। ছাদের দরজাটা লাগিয়ে যাবার আগে শিমু আপুকে জড়িয়ে ধরে আমার একবার আদর করলাম।
রুমে এসে বেশ কিছুক্ষন চুপচাপ শুয়ে শুয়ে ভাবতে থাকলাম কিছুক্ষন আগের অনুভূতিগুলো। ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে পড়লাম জানিনা, ঘুম ভাঙলো কলিং বেলের শব্দে। দরজা খুলে দেখি শিমু আপু দাড়িয়ে আছে চায়ের কাপ হাতে। একটা চুমুর সাথে গুডমর্নিং উইশ করে আমাকে দুপুরে ওদের ওখানে খেতে যেতে বললো। এইভাবে বাবা মা’র অনুপস্থিতিতে আমাদের সম্পর্কটা ভালোই চলছিলো। এরপর বাবা মা এসে যাওয়াতে ফ্রিকয়েঞ্চীটা কমে যায়

 

 

 

 

 

read more
1 2 3 15
Page 1 of 15