close

খবর

রাজনীতি

নির্বাচনী অভিযোগ নিয়ে বিরোধীদলগুলোর সাথে কোন আলোচনাই করবে না আওয়ামী লীগ

_105220751__104985879_gettyimages-460685777

বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে নানান প্রশ্ন বা অভিযোগের ব্যাপারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রতিপক্ষ বিএনপি বা অন্য কোন দলের সাথে সংলাপ বা আলোচনা করবে না। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জামায়াত ছাড়া অন্য সব দলকে চায়ের দাওয়াতে ডেকে ‘সরকার পরিচালনায় তাকে সহযোগিতার

 

প্রশ্নে’ কথাবার্তা বলতে পারেন বলে দলটির নেতারা জানিয়েছেন। কিন্তু নির্বাচনে কারচুপি, অনিয়মের অভিযোগ বা এ নিয়ে কোনো প্রশ্নই আমলে নিচ্ছে না সরকার বা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রথমে সংলাপের উদ্যোগ নেয়ার কথা

 

বলেছিলেন, কিন্তু পরে তিনিই আবার তা অস্বীকার করেছেন। “এখন সরকার বা আওয়ামী লীগ কোনো সংলাপ করবে না” – বলছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে যে দলগুলো প্রধানমন্ত্রীর সংলাপে অংশ নিয়েছিল – তাদের সাথে সরকারের

কাজে সহযোগিতার বিষয়ে কথাবার্তা হতে পারে। দলটির অন্য নেতারাও মনে করছেন, এখন দেশে বিরোধী বিএনপি বা অন্য দলগুলোর সাথে সংলাপ করার জন্য কোনো ইস্যু নেই বা সেরকম কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। ছবির কপিরাইটবিবিসি Image caption ভোটের দিনে চট্টগ্রামে একটি কেন্দ্রে

 

আগে থেকে ভরে রাখা ব্যালট বাক্স দেখতে পায় বিবিসি এইচ টি ইমাম বলেন, “আমাদের যে ইশতেহার, সেখানে আমাদের যে কর্মসূচি, আমরা কি করব, সবকিছু দেয়া আছে। সেগুলো জনগণ অনুমোদন করেছে। এখন তা বাস্তবায়ন করতে হবে। আর তা বাস্তবায়ন করতে হলে, সবার সহযোগিতা

প্রয়োজন। আমরাও সকলকে নিয়েই কাজ করতে চাই। সেজন্য সবাইকে আহবান করছি যে আসুন, চা চক্রে আসুন। আমরা কথাবার্তা বলি।” আওয়ামী লীগের নেতাদের অনেকে মনে করেন, সংলাপে এলেও বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন নিয়েই তাদের বক্তব্য তুলে ধরার চেষ্টা করবে।

 

তার জবাবের জন্যও আওয়ামী লীগ প্রস্তুত থাকবে। অবশ্য আলোচনার সুযোগ না থাকলে চায়ের দাওয়াতকে রাজনৈতিক দলগুলো কতটা গুরুত্ব দেবে, সরকার বা আওয়ামী লীগে সেই প্রশ্নও এসেছে। দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং মন্ত্রী ড: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, চায়ের

দাওয়াতে কথাবার্তা হতেই পারে এবং তাতে সহযোগিতার ইস্যুতেই তাদের অগ্রাধিকার থাকবে। বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন: ‘ভয়ে সবাই চুপ’, ঐক্যফ্রন্টের ‘সংলাপ’ অনিশ্চিত Image caption এইচ টি ইমাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা “নির্বাচন তো হয়ে গেছে। নির্বাচন নিয়ে তো আলোচনা করার

 

কিছু নেই। তাহলে উনি কি নিয়ে আলোচনা করবেন। চা খাবেন, শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। বিএনপি বা অন্য কোন দলের নেতারা চা খাওয়ার জন্যই কি প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে যাবেন। নিশ্চয়ই সেখানে দেশের উন্নয়নের কৌশল কি হবে, কি ধরণের কর্মসূচি আমরা নিচ্ছি, আমাদের বাস্তবায়নের

কৌশল কি হবে, এগুলো নিয়েই তো মতবিনিময় করবেন” – বলেন মি. রাজ্জাক। তবে বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত আটজন নেতা সংসদ সদস্য হিসেবেই শপথ না নেয়ার অবস্থানে এখনও রয়েছেন। তাদের এই অবস্থানের কারণে রাজনীতিতে অস্থিতিশীলতার একটা আশংকা থেকে যায়

 

বলে বিশ্লেষকদের অনেকে বলছেন। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ এ মুহুর্তে তার শরিকদের বিরোধীদলের দলের ভূমিকায় রেখে সরকারে একলা চলার রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে এগুতে চাইছে। তাদের এমন অবস্থান নিয়ে ১৪দলীয় জোটের শরিকদের মাঝে ক্ষোভও রয়েছে। জেনারেল এরশাদের জাতীয়

পার্টি আগেই এবার নির্ভেজাল বিরোধীদল হওয়ার কথা বলেছে। ছবির কপিরাইটপিএমও Image caption নির্বাচনের আগে সংলাপ হলেও এখন আর বিরোধীদলের সাথে কোন সংলাপ চায় না আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের থেকে এবার কোন মন্ত্রী না

 

হওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের পর এই জোটের কোনো কোনো বৈঠকও হয়নি। ফলে তারা কি ভূমিকা নেবে, এনিয়ে তাদের মাঝে বিভ্রান্তি রয়েছে। এরই মাঝে আওয়ামী রীগে নেতা ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ১৪দলের শরিকরাও সংসদে বিরোধীদলের ভূমিকা নিলে, সেটা

দু’পক্ষের জন্যই ইতিবাচক হবে বলে তারা মনে করেন। এই জোটের শরিক জাসদের একাংশের নেতা শরিফ নুরুল আম্বিয়া বলছেন, আওয়ামী লীগের অবস্থানে তারা আশ্চর্য হননি। “নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে তাদের একটা ভিন্নমত ছিল, তারা ১৪ দল গঠন করেছিল। তারা আলাপ আলোচনা করতো কিন্তু

 

কখনও সেটা মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারিত হয়নি। কাজেই আজকের এই অবস্থাটা আমার কাছে খুব অপ্রত্যাশিত না।” বিশ্লেষকরা বলছেন, গত সংসদ নিয়ে সমালোচনার কারণে সরকার এবার বিরোধীদলের ভূমিকা দৃশ্যমান করতে চাইছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদা রওনক খান বলেছেন,

সরকার পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কৌশল নিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। Image caption বিএনপি সহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছে। “ঐতিহাসিকভাবেই আওয়ামী লীগ সব সময় তাদের কৌশল পরিবর্তন করে সময়ের সাথে সাথে। এটা বিভিন্ন সময় আমরা

 

দেখেছি” – বলেন তিনি। তিনি বলছিলেন, “এখন যেহেতু তাদের ওপর খুব বড় একটা চাপ আছে সুশাসন এবং গণতান্ত্রিক চর্চা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে, তাই তারা যাদের প্রতি তার শতকরা ১০০ ভাগ আস্থা আছে, তাদেরকে দিয়ে সরকার পরিচালনা করে সামনের দিকে এগুতে চাইছে। ” “আর

যেহেতু সংসদে বিরোধীদলের ভূমিকাটা খুব শক্তিশালী অবস্থানে নেই, বা জাতীয় পার্টি বিরোধীদলের ভূমিকায় শেষপর্যন্ত আদৌ কতটা থাকে, সে বিষয়টা বেশ জটিল বা তা নিয়ে সংশয় আছে। সেজন্য হয়তো আগ বাড়িয়েই ১৪ দলের শরিক দলগুলোকে চাচ্ছে বিরোধীদলের ভূমিকায় নিয়ে যেতে।”

 

আওয়ামী লীগ নেতারা এটাও বলছেন, নির্বাচনে তাদের দলের নেতা কর্মিরা যে সক্রিয় হয়েছেন, সেটাকে ধরে রাখার জন্য সাংগঠনিক কর্মসূচির দিকেও তারা এখন নজর দেবেন। সেজন্য ১৯শে জানুয়ারি ঢাকায় বিজয় সমাবেশ করা হচ্ছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণে কিছু দিকনির্দেশনা থাকতে পারে বলে বলা হচ্ছে।

read more
রাজনীতি

ভেঙেই গেল ঐক্যফ্রন্ট?

image-57650-1547732262

আগামী ৬ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে অংশগ্রহন করা সকল দলের সাথে জাতীয় সংলাপে বসবে ঐক্যফ্রন্ট। কিন্তু সেই সংলাপ থেকে জামায়াতকে বাদ দিয়েছে তারা। যার মানে ঐক্যফ্রন্টের জাতীয় সংলাপ হবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করা জামায়াতের ২৪জন প্রার্থী বাদেই।

 

অন্যদিকে অন্যতম প্রধান শরিক হলেও বিএনপির প্রতিনিধির অনুপস্থিতিতেই অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জরুরি বৈঠক। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে বৈঠক শুরু হয়। ৫টা ৫০ মিনিটে বৈঠক শেষ হয়।

 

বৈঠকে উপস্থিত হননি বিএনপির কোন প্রতিনিধি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে ঐক্যফ্রন্ট কী তবে ভেঙেই গেল। সবার প্রশ্ন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে বিএনপির কোনো নেতা কেন আসেননি। বৈঠকে শেষে সংবাদ সম্মেলনেও প্রশ্ন উঠলো ঐক্যফ্রন্টের দলগুলোর মধ্যে কোনো

মনোমালিন্য আছে কি না? জোটের নেতা আ স ম রব অবশ্য বললেন, ‘ঐক্যফ্রন্টে কোনো মনোমালিন্য নেই।’ অন্যদিকে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বললেন বৈঠকের খবরই জানেন না তিনি। তাকে নাকি কেউ জানায়নি বৈঠকের

 

কথা। ফলে বিএনপির সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের বিচ্ছেদই ঘটছে কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জেএসডি’র সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের

আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ঐক্যফ্রন্টের নেতা সুলতান মোহাম্মাদ মুনসুর, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ। বৈঠকে শেষে ঐক্যফ্রন্টের দফতর সম্পাদক জাহাঙ্গীর

 

আলম মিন্টু বলেন, বিএনপির কেউ বৈঠকে যোগ দেননি। কেন যোগ দেননি তা বলতে পারবো না। একই প্রশ্নের জবাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অসুস্থ। তাই আসতে পারেননি।’ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের

স্টিয়ারিং কমিটিতে ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ রয়েছেন। ফখরুল অসুস্থ থাকলেও বৈঠকে খন্দকার মোশাররফ ও মওদুদ আহমদ কেন আসেননি এমন প্রশ্ন করলে মন্টু বলেন, ‘তাদের আসার কথা ছিল। কিন্তু মামলা ও

 

অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকায় তারা আসতে পারেননি।’ তবে খন্দকার মোশাররফ বললেন উল্টো কথা। তিনি বলেন, ‘আমি মিটিংয়ের খবর জানি না। আমাকে জানানো হয়নি, এটা আমি বলতে পারি। তাই বলতে পারবো না কিসের মিটিং।’ বৈঠক শেষে আ স ম রব বলেন, ‘৩০ ডিসেম্বর যে নির্বাচন

হয়েছে তাতে জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না। এ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে ঐক্যফ্রন্ট আন্দোলন চালিয়ে যাবে। আন্দোলনে সব মানুষের অংশগ্রহণের অংশ হিসেবে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, অবস্থান কর্মসূচি পালনের কথাও ভাবছে ঐক্যফ্রন্ট। আগামী পরশুদিন ড. কামাল হোসেন চিকিৎসার জন্য দেশের

 

বাইরে যাবেন। তিনি ফিরলে পরবর্তীতে আরও কর্মসূচি দেয়া হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচন পরবর্তী সংলাপের আগ্রহের বিষয়ে ঐক্যফ্রন্ট কী ভাবছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক মন্টু বলেন, ‘কোন প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের কথা বলছেন? ৩০ ডিসেম্বরতো কোনো

নির্বাচনই হয়নি। আমরাতো নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছি।’ জানা গেছে, তবে নির্বাচনে ভরাডুবির পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়তে বিএনপির ভেতরে-বাইরে চাপ বাড়ছে। ২০ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক অলি আহমেদ বলেছেন, জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে জোট করে রাজনৈতকিভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর

 

সুযোগ নেই। এদিকে, ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের বক্তব্যে আওয়ামী লীগের কথাই প্রতিধ্বনিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। ভোটের প্রায় দু’সপ্তাহ পর জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়া ভুল ছিল বলে স্বীকার

করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেন। পাশাপাশি অপরাধী সংগঠনটির সঙ্গ ছাড়তে বিএনপিকে চাপ দেয়ার কথাও জানান তিনি। এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি ও বিশ দলীয় জোটের নেতারা বলেন, জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা-না রাখা নিয়ে বাইরের কারও পরামর্শের

 

প্রয়োজন নেই। বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিএনপিকে কি করতে হবে সে জন্য বাইরের কারও উপদেশ গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করি না। ২০ দলীয় জোট থাাকার পর অন্য কোন জোটে যাবার প্রয়োজন ছিল না। এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.)

অলি আহমেদের বলেন, আমি তো মনে করি না, তাদের প্রেশার ক্রিয়েট করার মতো কোনো শক্তি আছে। কারণ তাদের দলীয় কোনো অবস্থান নেই। এটা যদি করতে হয় বিএনপিকে করতে হবে। বিএনপি যদি চায় জামায়াতের সঙ্গে থাকবে না, তবেই সেটা সম্ভব। দুই জোটে থাকা- না থাকার বিষয়ে

 

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বিএনপিকে সময় দেয়া হয়েছে বলে জানান ২০ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। তিনি বলেন, বিএনপিকেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দুই দিকে সংসার করা ঠিক হবে? নাকি একদিকে এসে অবস্থান পাকা করবে। আমরাও বিএনপিকে সময় দিচ্ছি,

বিএনপিও চিন্তা করুক। যে সমস্ত ব্যক্তিরা কোনো দিন রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, তাদের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে, কতদূর কি করা যাবে সে সিদ্ধান্ত বিএনপিকেই নিতে হবে বলেই মনে করেন অলি আহমেদ। জামায়াত-বিতর্ক, নির্বাচনে ভরাডুবি আর ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ২০ দলে বিশ্লেষণ

 

চলছে বলে জানান কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান। কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, এখন কাজ হলো চিন্তা করা, আত্ম-সমালোচনা করা। একটা বিপর্যয় যার জন্য ২০ দলীয় জোট বা বিএনপি মানসিকভাবে হয়ত প্রস্তুত ছিল না। এবার কৌশলে ভুল

করলে বিএনপির সামনে আরও বিপদ অপেক্ষা করছে বলেও সতর্ক করেন বিশ দলীয় জোটের শরিকরা। সে কারণেই কি ঐক্যফ্রন্টকে উপেক্ষা করছে বিএনপি? এমন প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।

সুত্র: বাংলাদেশ জার্নাল

read more
রাজনীতি

সব দলের সাথে সংলাপে বসছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

1tkBPH_1547731926

আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ‘জাতীয় সংলাপ’ করবে বলে জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির অন্যতম নেতা জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তবে এই সংলাপে জামায়াত ছাড়া অন্য সব রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। বৈঠক শেষে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ৩০ ডিসেম্বর যে নির্বাচন হয়েছে তাতে জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না।

 

এ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে ঐক্যফ্রন্ট আন্দোলন চালিয়ে যাবে। আন্দোলনে সব মানুষের অংশগ্রহণের অংশ হিসেবে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, অবস্থান কর্মসূচি পালনের কথাও ভাবছে ঐক্যফ্রন্ট। আগামী পরশুদিন ড. কামাল হোসেন চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাবেন। তিনি ফিরলে পরবর্তীতে

আরও কর্মসূচি দেয়া হবে। আবদুর রব বলেন, এসব কর্মসূচি ছাড়াও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রক্রিয়াও চলছে। সারা দেশে ভোটের সময় যেসব অনিয়ম, কারচুপি, ভোট জালিয়াতি হয়েছে সেগুলোর আলোকে নির্বাচনী ট্রাইবুনালে মামলা করা হবে। জামায়াতে ইসলামীকে ঐক্যফ্রন্ট থেকে বাদ

 

দেওয়া হচ্ছে কি না জানতে চাইলে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, জামায়াতে ইসলামী ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে ছিল না। এখনো নেই। আর জাতীয় সংলাপেও জামায়াত থাকছে না। এদিকে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা

মোহসীন মন্টু বলেন, জামায়াত ঐক্যফ্রন্টের অংশ নয়। তারা ছাড়া এই নির্বাচনে যে সব দল অংশ নিয়েছে তাদের সবাইকে জাতীয় সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হবে। রাজধানীর মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির

 

বৈঠক হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ বৈঠক চলে। বৈঠকে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। এ বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিএনপির আলাদা দুটি বৈঠক থাকায় তারা ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে উপস্থিত

 

হতে পারেনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান পথে যানজটে আটকে যাওয়ায় তিনি আসার আগেই বৈঠক শেষ হয়ে যায়। আর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শারীরিক অসুস্থতার কারণে আসতে পারেননি।

read more
রাজনীতি

ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে নেই বিএনপির কেউ

oivg8Q_1547726535

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘শোচনীয়’ পরাজয়ের পর আগামী দিনের কর্মকৌশল নির্ধারণে বৈঠকে বসেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির নেতারা। তবে এই বৈঠকে উপস্থিত নেই জোটের প্রধান দল বিএনপির কোনো প্রতিনিধি।

 

ফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে শুরু হয়। বিএনপির কোন নেতাদের বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের দফতর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু বলেন,

 

বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিএনপির কেউ বৈঠকে যোগ দেননি। কেন যোগ দেননি তা বলতে পারবো না। দলীয় সূত্র বলছে, অসুস্থতার কারণে বৈঠকে যোগ দেননি ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে দলটির কোনো প্রতিনিধিকেও বৈঠকে উপস্থিত হতে দেখা

যায়নি। বৈঠকে ড. কামাল হোসেন ছাড়াও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, সুলতান মোহাম্মাদ মুনসুর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী,

 

গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

read more
রাজনীতি

যে হারে বেতন বাড়িয়েছি,পৃথিবীর কোনও দেশে তা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

Untitled-1-copy-74-902×400

দুর্নীতি রোধে সরকারি কর্মীদের বেতন-ভাতা প্রয়োজন অনুসারে বাড়ানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘যে হারে বেতন আমরা বাড়িয়েছি। এ উদাহরণ মনে হয় পৃথিবীর কোনও দেশে নাই।’ বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের

 

কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘যে লক্ষ্য আমরা নিয়েছি তা পূরণ করার জন্য সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলা দরকার। আমরা বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এতো বেশি বৃদ্ধি করে দিয়েছি, সেক্ষেত্রে আমি তো মনে করি আমাদের দুর্নীতির

 

কোনও প্রয়োজনই নেই।’ সরকারি কর্মীদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যা প্রয়োজন তার সব আমরা মেটাচ্ছি, তাহলে দুর্নীতি কেন হবে? কাজেই এখানে মানুষের মন-মানসিকতাকে পরিবর্তন করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সবাইকে অনুরোধ করবো, একটা

কথা মনে রাখতে হবে যে, দেশটা আমাদের। আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি। আজকে সারাবিশ্বে একটা সম্মানজনক জায়গায় আসতে পেরেছি। এখন সেই পাকিস্তানও বলে আমাদেরকে বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। আজকে কিন্তু আর তলাবিহীন ঝুড়ি বলার সাহসও তাদের নেই। বলতেও তারা পারবে না।

 

এই এগিয়ে যাওয়া, এই যাত্রা আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে।’ অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে প্রয়োজন অনুসারে নির্দিষ্ট পদে পদায়নের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘পদ ফাঁকা পেলেই পদায়ন নয়, যার যে বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ রয়েছে তাকে সেই জায়গায় পদায়ন করতে হবে।’স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বক্ষেত্রেই ডিজিটাল সুবিধা ব্যবহার করতে হবে। এর মাধ্যমে আমি মনে করি স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত হতে পারে।’আগামী ৫ বছরে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,

 

‘২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আমরা লক্ষ্য ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ধরা হলেও এটা ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে, প্রবৃদ্ধি এই পাঁচ বছরের মধ্যে যেন ১০ ভাগে তুলতে পারি।’ প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির সঙ্গে নিম্ন মূল্যস্ফীতি রাখতে পারার সফলতার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উচ্চ

প্রবৃদ্ধি আর নিম্ন মূল্যস্ফীতির সুফলটা কিন্তু একেবারে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়। মানুষ এর সুফলটা ভোগ করে। আমাদের উন্নয়নের সব থেকে বড় সুফলটা হচ্ছে এটাই। কারণ অনেক দেশ অনেক দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করে, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তাদের মূল্যস্ফীতিও অনেক বেড়ে যায়। সেখানে আমরা

 

এটা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।’ এ সময় অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফয়েজ আহম্মদ। উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান,

 

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

read more
রাজনীতি

আ’লীগের মনোনয়ন নিয়ে যা বললেন মৌসুমী

2ULcUT_1547694819

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী সংরক্ষিত আসনে সদস্য হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমী। বুধবার (১৬ জানুয়ারি) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে সংরক্ষিত নারী

 

আসনের মনোনয়নপত্র কেনেন তিনি। চিত্রনায়িকা মৌসুমী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার ব্যাপারে গণমাধ্যমকে বলেন, দীর্ঘদিন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দেশের জনগণের জন্য কাজ করেছি। এখন রাজনীতির মাধ্যমে জনগণের সেবা করতে চাই। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মৌসুমী বলেন,

 

মন্ত্রিসভায় যোগ্য নেতাদের জায়গা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চমক সৃষ্টি করেছেন। আমি আশা করি, এখন সংরক্ষিত আসনে যোগ্যদের মনোনয়ন দিয়ে আরেকটি চমক দেখাবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০ টা থেকে নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু

হয় আওয়ামী লীগের ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়। চিত্রনায়িকা মৌসুমী ছাড়াও একই দিনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন চিত্রনায়িকা অরুণা বিশ্বাস ও অভিনেত্রী তারিন জাহান। এর আগে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম কেনেন বিনোদন জগতের আরও একঝাঁক

 

তারকা। তাদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক সংসদ সদস্য কবরী সারোয়ার, ফাল্গুনী হামিদ, সুবর্ণা মোস্তফা, রোকেয়া প্রাচী, শমী কায়সার, চিত্রনায়িকা শাহানুর ও জ্যোতিকা জ্যোতি।

read more
রাজনীতি

হুইল চেয়ারে গিয়ে ভোট দিলেন টিউলিপ

uu

হুইল চেয়ারে করে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে গিয়ে ব্রেক্সিট চুক্তির ওপর ভোট দিলেন লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। নিজের অনাগত সন্তানের কথা চিন্তা না করে, ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা ভেবেই ভোট দিতে হাজির হন তিনি। মঙ্গলবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ব্রেক্সিট সংক্রান্ত খসড়া

 

প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয় দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের ৪৩২ আইনপ্রণেতা। আর পক্ষে ভোট পড়ে ২০২টি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন। ইভনিং স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড

 

অ্যান্ড কিলবার্ন আসনের এমপি টিউলিপ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়ার তারিখ দুই দিন পিছিয়েছেন। ৩৬ বছর বয়সী টিউলিপ বলেন, ‘একদিন পর আমার ছেলে পৃথিবীতে এলেও যদি এ বিশ্বে ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ার ভালো সুযোগ আসে, তবে তাই হোক।’

টিউলিপের দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে। কন্যার জন্ম দেয়ার সময় তার গর্ভকালীন জটিলতা দেখা দিয়েছিল। দ্বিতীয় সন্তান জন্মদানের জন্য আগামী ৪ ফেব্রুয়ারিতে তার অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু ডায়াবেটিসসহ এবারও কিছু জটিলতা দেখা দেওয়ায় হ্যাম্পস্টেডের রয়্যাল ফ্রি

 

হাসপাতালের চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের তারিখ এগিয়ে সোমবার বা মঙ্গলবার করার পরামর্শ দিয়েছেন। পরে টিউলিপ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তারিখ দুই দিন পিছিয়ে বৃহস্পতিবার করার অনুরোধ জানান। চিকিৎসকরা সন্তান জন্মদানে তাকে এটি করতে নিষেধ করেছিলেন জানিয়ে টিউলিপ

বলেন, ‘রয়্যাল ফ্রি হাসপাতাল তাদের নিয়মকানুন এবং স্বাস্থ্যসেবার মানের বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। আমার গর্ভাবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং আমি চিকিৎসকদের পরামর্শের বিপরীতে গিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তিনি বলেন, আমি আমার বাচ্চার ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

 

তবে যদি কোনো জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তবে অবশ্যই আমি সবার আগে আমার সন্তানের সুস্থতার কথা ভাববো’ যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে সাধারণত কোনো এমপির সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় আসন্ন হলে বা সদ্যজাত সন্তানের কারণে বা অসুস্থতার কারণে কোনো ভোটে অংশ নিতে না

পারলে বিরোধী পক্ষেরও একজন সদস্য ভোটদান থেকে বিরত থাকেন, যাকে ‘পেয়ার’বলা হয়। কারও অনুপস্থিতি যেন ভোটের ফলে প্রভাব ফেলতে না পারে, তাই এই প্রথা।

ঢাকা টাইমস

read more
রাজনীতি

এবার আরও একটি বড় সুসংবাদ পেলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা

dtyhjudtyj

বাংলাদেশ ক্রিকেট জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক ও নরাইল-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা সফল উদ্যোক্তার স্বীকৃতি পেয়েছেন। তাছাড়া তার হাতে গড়া নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন শ্রেষ্ঠ সামাজিক ফাউন্ডেশনের স্বীকৃতি পেয়েছে। এদিকে বাংলাদেশ ডিজিটাল সোশ্যাল

 

ইনোভেশন ফোরাম নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ স্বীকৃতি দিয়েছে। সামাজিক উদ্ভাবন ও ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনে ভূমিকা রাখায় নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন এবং এর চেয়ারম্যান শ্রেষ্ঠ ডিজিটাল সোশ্যাল ফাউন্ডেশন ইনোভেটর অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ডিজিটাল

সোশ্যাল ইনোভেশন ফোরাম এর চেয়ারম্যান আলী আকবর জানান, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সামাজিক উদ্ভাবন ও ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনে ভূমিকা রেখে চলেছে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন। দেশের ২৬টি ফাউন্ডেশনের মধ্য থেকে বাছাই করে রোববার তাদের আনুষ্ঠানিক

 

স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ থেকে ২৭ জানুয়ারির মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে। এদিকে নড়াইল এক্সপ্রেসখ্যাত বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বে ২০১৭ সালে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী ও

জনকল্যাণমূলক সংগঠন গড়ে ওঠে। নড়াইলকে দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বাসযোগ্য জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলাধুলা, দুস্থদের আর্থিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছে এই ফাউন্ডেশন।

read more
রাজনীতি

টিআইবির ভোটের কারচুপির প্রতিবেদন নিয়ে যা বলল ইসি

CHygbq_1503848130 (1)

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ আখ্যা দিয়ে যে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা প্রত্যাখ্যান করে নির্বাচন কমিশন বলেছে—এটি পূর্বনির্ধারিত, মনগড়া। বিষয়গুলো নিয়ে বক্তব্য চাওয়া হলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে

 

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, টিআইবি যে প্রতিবেদনটিকে গবেষণা বলে দাবি করছে, তা কোনো গবেষণা নয়। প্রতিবেদন মাত্র। কেননা, গবেষণা করতে যে সকল পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হয়, তা এখানে প্রয়োগ করা হয়নি। এটি সম্পূর্ণরূপে মনগড়া প্রতিবেদন। এছাড়া বলা হয়েছে,

 

এটা তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন। তার অর্থই হচ্ছে এই প্রতিবেদন পূর্বনির্ধারিত প্রতিবেদন। নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম আরো বলেন, টিআইবি বলেছে গবেষণাটি গুণবাচক, মুখ্য তথ্যদাতার সাক্ষাৎকার ও পর্যবেক্ষণ, ক্ষেত্রবিশেষে সংখ্যাবাচক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তথ্য

নেওয়া হয়েছে পরোক্ষ উৎস থেকে। এভাবে কোনো গবেষণা হয়? ভোটের কারচুপির তথ্য নিলে অবশ্যই সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাছ থেকে তথ্য নিতে হবে বা অথবা লিখিত কোনো ডকুমেন্ট থেকে তথ্য নিতে হবে, এসব করা হয়নি। কোন সোর্স থেকে কী প্রক্রিয়ায় তথ্য নিয়ে তারা বলছে,

 

ভোটের আগের রাতে সিল মারা হয়েছে-এসব কিছু উল্লেখ নেই। কাজেই এটা কোনো গবেষণা হয়নি। বাছাইকৃত প্রার্থীদের কাছ থেকে তারা তথ্য নিয়েছে বলা হচ্ছে। এক্ষেত্রে জামায়াতের প্রার্থীদের কাছ থেকে তথ্য নিলেও গবেষণা প্রতিবেদন এক রকম হবে। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের কাছ

নিলে তো আরেকরকম হবে। টিআইবির গবেষণায় এগুলো স্পষ্ট নয়। রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এই প্রতিবেদন আমলে নিচ্ছি না। যদি গবেষণা হতো তবে আমলে নিতে পারতাম। এর আগে, মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন করে দুর্নীতির

 

বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী সংস্থাটি এক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করে জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৭টি আসনের প্রতিটিতে এক বা একাধিক ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৪১ আসনে পড়েছে জাল ভোট। আর ৩৩ আসনে আগের রাতে ব্যালটে সিল মারা হয়েছে।

২৯৯ আসনের মধ্যে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে ৫০টি আসনে গবেষণা করে এমন তথ্য দেয় টিআইবি। সে মোতাবেক ৯৪ শতাংশ আসনে নির্বাচনী অনিয়ম হয়েছে। জাল ভোট পড়েছে ৮২ শতাংশ আসনে। নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্সে সিল মারা হয়েছে ৬৬ শতাংশ আসনে। টিআইবি তার

 

গবেষণাপত্রের ব্যাখ্যায় বলেছে, এ গবেষণায় গুণবাচক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। এসব পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে- আধেয় বিশ্লেষণ, মুখ্য তথ্যদাতার সাক্ষাৎকার ও পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষেত্রবিশেষে সংখ্যাবাচক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়ারে বিভিন্ন ধাপ

পর্যালোচনা করার ক্ষেত্রে পরোক্ষ উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ের প্রক্রিয়া পর্যালোচনার ক্ষেত্রে কয়েকটি বাছাইকৃত আসনের বাছাইকৃত প্রার্থীদের কার্যক্রমের ওপর পর্যবেক্ষণ ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির নির্বাহী

 

পরিচালক বলেন, এই প্রতিবেদন গবেষণার প্রাথমিক প্রতিবেদন। তারা নির্বাচনে পরের একমাস পর্যন্ত গবেষণা কার্যক্রমটি পরিচালনা করবেন। গবেষণা প্রতিবেদনেও টিআইবি বলেছে, সরকারী দলীয় প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আচরণবিধি লঙ্ঘণ করেছেন। তাদের প্রার্থীরা নির্বাচনী ব্যয়সীমাও

লঙ্ঘন করেছেন বেশি। ২৯৯ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৫৭টি আসন, জাতীয় পার্টি ২২টি আসন, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২টি আসন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি আসন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ২টি আসন, জাতীয় পার্টি-জেপি ১টি আসন ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ১টি আসন পেয়েছে। মহাজোট মোট আসন পেয়েছে ২৮৮টি।

 

অন্যদিকে বিএনপি ৬টি ও গণফোরাম ২টি আসন পেয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মোট ৮টি আসন পেয়েছে। আর স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ৩ প্রার্থী।

read more
রাজনীতি

রেলের ‘কোটার টিকিট’ কোথায় যাচ্ছে? : রেলওয়ে কর্মকর্তাদের রেলপথমন্ত্রী

zzzz

নতুন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চেয়েছেন ট্রেনের কোটার টিকিট কোথায় যায়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সোমবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীতে রেলভবনে বিকেল সাড়ে ৩টায় এক অনুষ্ঠান শেষে এ কথা জানান।

 

মেসার্স প্রোগ্রেসিভ রেল ইউএসএ’র কাছ থেকে ৪০টি ব্রডগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক্যাল লোকোমোটিভ ইঞ্জিন কিনতে বাংলাদেশ রেলওয়ে চুক্তি সই করে ওই অনুষ্ঠানে। নতুন রেলপথমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর মো. নূরুল ইসলাম সুজন এই প্রথম কোনো চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেন।

 

তবে চুক্তি সইয়ের আনুষ্ঠানিকতায় যাওয়ার আগেই রেলওয়ে কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। চুক্তি সইয়ের পর রেলপথমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ৪০টি ব্রডগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ ইঞ্জিন কেনার চুক্তি সই হয়েছে। এর ফলে রেলওয়েতে মোট ইঞ্জিনের সংখ্যা হবে ১৩৪টি।

নতুন লোকোমোটিভ ইঞ্জিনগুলো হবে ১৩৫ কি‌লো‌মিটার গতির। ইঞ্জিনের পাশাপাশি সমান্তরালভাবে কোচও আমদানি করছে রেলওয়ে। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, রেলের কোটার টিকিট কোথায় যাচ্ছে, তা তিনি বৈঠকে জানতে চান। কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে নির্দেশ দেন

 

তিনি। বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রোগ্রেসিভ রেলের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক ড্যানেল। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ মাসের মধ্যে লোকোমোটিভগুলো

সরবরাহ করবে মেসার্স প্রোগ্রেসিভ রেল ইউএসএ। ইঞ্জিনগুলোর দাম ১ হাজার ১২৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। এছাড়া বৈঠকে পরিবেশ রক্ষায় রেলওয়েতে পয়‌ঃনিষ্কা‌শনের নির্ধারিত ব্যবস্থা এবং তা অপসারণের পদ্ধতি সংযোজনের জন্যও রেলও‌য়ে‌কে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

 

নতুন কোচগু‌লো‌তে নতুন এই পদ্ধতি যুক্ত করা হবে বলে জানান নুরুল ইসলাম সুজন।

read more
1 2 3 29
Page 1 of 29