close

খবর

রাজনীতি

‘আত্মগোপনে’ এরশাদ!

16-15

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে গণভবনে গিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রতিনিধি দল। দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ওই প্রতিনিধি দলে নেই দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মো. এরশাদ। এছাড়া গত দুদিন ধরে গণমাধ্যমের

 

সামনেও আসেননি তিনি। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে এরশাদ কোথায়? এ বিষয়ে জাপা নেতারা মুখ খুলছেন না। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা জানান, অজ্ঞাত স্থানে ‘বিশ্রাম নিচ্ছেন’ জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। গত শনিবার রাতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল

 

(সিএমএইচ) থেকে ছাড়া পেয়ে বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের বাসভবনে ফেরেননি তিনি। এরশাদ কোথায় তা জানতে জাপা মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারকে বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। ক্ষণে ক্ষণে মত বদলের কারণে রাজনীতির বিতর্কিত চরিত্র সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ।

৩০ ডিসেম্বরের একাদশ সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিলেও এরশাদ শেষ পর্যন্ত কী করবেন, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে অনেকের। বিএনপির সঙ্গে জোট করেও ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে চার দল ছাড়েন এরশাদ। আবার বিএনপির সঙ্গে আলাপ

চালিয়েও ২০০৬ সালে ভোটের আগে যোগ দেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটে। তিন দিন ‘আত্মগোপনে’ থাকার পর ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর পল্টনে আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দেন তিনি। উল্লেখ ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগেও এইচ এম

এরশাদকে সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। সেবার নির্বাচনে যাবেন না বলে ঘোষণা দেয়ার পরই জোর করে সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। এবারও নির্বাচনের তিনি হাসাপাতালে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। তবে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আড়ালে চলে যাওয়ায় তাকে ফের রহস্য তৈরি হয়েছে।

—বাংলাদেশ জার্নাল

read more
রাজনীতি

তারেক রহমানকে টর্চারের সঙ্গে আমি জড়িত ছিলাম না : লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

8-3

ওয়ান-ইলেভেন সরকারের অন্যতম কুশীলব বলে অভিযোগ তুললেও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী নিজেকে কুশিলব মানতে নারাজ। তিনি মনে করেন ওই সময়ে প্রজাতন্ত্রের একজন সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মাত্র। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কোনো

 

কিছুই করেননি। ওইসময়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শারীরিক টর্চার করা হয়েছিল, অভিযোগ রয়েছে এতে আপনার সম্পৃক্ততা ছিল। এ প্রসঙ্গে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এটি বানানো গল্প, ভিত্তিহীন। এর সঙ্গে কোনোভাবেই আমি জড়িত ছিলাম না। তার সঙ্গে ও ওই

 

পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে। এটি মানুষের ভুল ধারণা। তিনি বলেন, কে, কাকে নির্যাতন করলো বা করেছে আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না বা জানার কথাও নয়। সামরিক কর্মকর্তা থাকাকালে খুব কম সময়ই তার সঙ্গে সাক্ষাৎ বা মেলামেশার সুযোগ হয়েছে। শনিবার বনানীতে মাসুদ চৌধুরী

তার অফিসে এক সাক্ষাতকারে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে এসব কথা বলেন। তারেক রহমানের রাজনীতি প্রসঙ্গে মাসুদ চৌধুরী বলেন, তিনি এখন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি। একটি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। গঠনতন্ত্র সংশোধন করে তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়েছে। তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি

আদালতের বিষয়। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের অন্যতম কুশীলব আখ্যায়িত করা ও রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীদের ওই সময়ে নির্যাতন প্রসঙ্গে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এগুলোর সঙ্গে কোনোভাবেই আমি জড়িত ছিলাম না। ভুল ধারণা থেকে কুশীলব বলে। বরং এসব নির্যাতনের

 

অভিযোগের বিষয় নিয়ে তৎকালীন জেনারেল মইন ইউ আহমদের সঙ্গে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল বলেও জানান তিনি। আওয়ামী লীগ, বিএনপি’র অনেক রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। এখনো সম্পর্কেও কোনো অবনতি হয়নি। তিনি বলেন, দেশ চলেছে

সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত জরুরি আইনে, রাষ্ট্রপতির শাসন ছিলো তখন। রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের সেনা, নৌ ও বিমান, এই তিনটি সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক, তাই সেনাবাহিনীর তিনিই ছিলেন সর্বোচ্চ কমান্ডেন্ট। তার নির্দেশে এবং সেনাবাহিনী প্রধানের নির্দেশে কাজ করেছি।

ব্যক্তিগতভাবে কোনো কাজ করিনি। একেকজন একেকভাবে দেখেছে। একটি ডিভিশনের জিওসি’র দায়িত্বে ছিলাম। সেখানে অনেক কাজ ছিল। সম্পাদনা: মাহবুব আলম, ইকবাল খান

read more
রাজনীতি

নির্বাচনী পোস্টারে খালেদা ও তারেকের ছবি ব্যবহার নিয়ে যে সিদ্ধান্ত দিলো ইসি

13-11

নির্বাচনী ব্যানার-পোস্টারে বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করা যাবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ‘এটা বাধ্যতামূলক না। এটা যদি কোনো রাজনৈতিক দল চায় যে তাদের দলীয় নেতাদের ছবি ব্যানার বা পোস্টারে রাখবেন, তাহলে

 

সেটা সমস্যা নয়। তবে কোন দলীয় নেতা, কার ছবি পোষ্টারে রাখবেন সেটা তাদের ব্যপার। সোমবার (১৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি। এসময় ইসি বলেন, ভিডিও কনফারেন্সে তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নেয়া আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়। এতে ইসির করার কিছু

 

নেই। দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়ায় গতকাল রোববার(১৮ নভেম্বর) কমিশনে লিখিত অভিযোগ করে আওয়ামী লীগ। এদিন সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে

যায় দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খানের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলটি ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগ জমা দেয়া শেষে ফারুক খান সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশে একজন পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান

নির্বাচনের ক্যান্ডিডেট তাদের সাথে স্কাইপের মাধ্যমে কথা বলতেছেন। যেটা বাংলাদেশে নির্বাচনী আইনের সুষ্ঠু লঙ্ঘন। সেই সাথে সুপ্রিম কোর্টের যে নির্দেশনা আছে, তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য কোনো জায়গা প্রচার করা যাবে না। এবং প্রচারণা হবে না। এই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে আমরা

লিখিত লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, তারেক রহমান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

read more
রাজনীতি

আ’লীগের প্রার্থী থেকে বাদ পড়ল যে ১৩ এমপি

w-1

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ১৪ দলের শরিকদের জন্য নির্ধারিত আসন খালি রেখে ২৩২টিতে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। বাকি ৬৮টি আসনে দলীয় প্রার্থী তালিকা তৈরি করেনি সরকারি দল। দ্রুতই তিনশ’ আসনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ও

 

মহাজোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার প্রস্তুতি রয়েছে। এদিকে ভাগ্য বিপর্যয় ঘটেছে দুই কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক এবং আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের। বর্তমান সংসদের সদস্য এ দুই নেতা দলের মনোনয়ন পাননি। তাছাড়া বর্তমান সংসদের কমপক্ষে আরও ১১ এমপি এবার

 

আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় স্থান পাননি। তাদের বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে নানা কারণে বিতর্কের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। কারও কারও জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-বিবাদে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগও আছে কারও কারও বিরুদ্ধে। দুর্নীতি, মাদক ও

বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত এমপিদেরও দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। বাদ পড়া এমপিদের মধ্যে রয়েছেন- মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আবদুল ওয়াহহাব (মাগুরা-১), খন্দকার আসাদুজ্জামান (টাঙ্গাইল-২), আমানুর রহমান রানা (টাঙ্গাইল-৩), সোহরাব উদ্দিন (কিশোরগঞ্জ-২), সুকুমার

রঞ্জন ঘোষ (মুন্সীগঞ্জ-১), ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু (নেত্রকোনা-৩), আবদুর রহমান বদি (কক্সবাজার-৪), আবদুল ওয়াদুদ দারা (রাজশাহী-৫), কর্নেল (অব.) শওকত আলী (শরীয়তপুর-২), অধ্যাপক ডা. আমান উল্লাহ (ময়মনসিংহ-১১) ও অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির (যশোর-২)।

read more
রাজনীতি

হঠাৎ ড. কামাল হোসেনের বাসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার

z-6-728×400

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বাসায় গেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক। সোমবার বিকাল ৫টার দিকে ড. কামালের বেইলি রোডের বাসায় যান ব্রিটিশ হাইকমিশনারসহ একটি প্রতিনিধিদল। তবে কী কারণে ড. কামালের

 

বাসায় তারা গেছেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। এর আগে দুপুরে যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারার সভাপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বাসায় যান ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর রাজধানীর একটি হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স,

 

নেদারল্যান্ডস, ইইউভুক্ত দেশগুলোসহ ২০ থেকে ২৫টি দেশের কূটনীতিক ও তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সেদিন জোটের সাত দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য নিয়ে নিজেদের ভাবনার বিষয়টি কূটনীতিকদের সামনে তুলে ধরেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল।

read more
রাজনীতি

আ’লীগের ২৩২ আসনের প্রার্থী বাছাই সম্পন্ন, দেখে নিন তালিকা

safe_image

২৩২ আসনের প্রার্থী- আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ১৪ দলের শরিকদের জন্য নির্ধারিত আসন খালি রেখে ২৩২টিতে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। বাকি ৬৮টি আসনে দলীয় প্রার্থী তালিকা তৈরি করেনি সরকারি দল। দ্রুতই তিনশ’ আসনে আওয়ামী লীগের

 

নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ও মহাজোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার প্রস্তুতি রয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশ চন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

 

(দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম বাবু (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), টিপু মুনশি

(রংপুর-৪), এইচ এন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (রংপুর-৬), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া (গাইবান্ধা-৫), শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন

(জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), সাধন চন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক (নওগাঁ-৪), আবদুল মালেক (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), আয়েন উদ্দিন

 

(রাজশাহী-৩), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মজিদ মণ্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), মকবুল

হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), মাহবুবউল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ

আফিল উদ্দিন (যশোর-১), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিত কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), মন্নুজান

 

সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), আ স ম ফিরোজ (পটুয়াখালী-২), আ খ ম

জাহাঙ্গীর হোসাইন (পটুয়াখালী-৩), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেছা

আফরোজ (বরিশাল-৫), বজলুল হক হারুন (ঝালকাঠি-১), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), খন্দকার আবদুল বাতেন (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

 

(কিশোরগঞ্জ-১), রেজুওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস

(মুন্সীগঞ্জ-৩), অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), হাজি মোহাম্মদ সেলিম (ঢাকা-৭), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), এ কে এম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খান

কামাল (ঢাকা-১২), আসলামুল হক আসলাম (ঢাকা-১৪), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ (ঢাকা-১৬), ডা. এনামুর রহমান (ঢাকা-১৯), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের

 

আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ (নরসিংদী-২), সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজু

(নরসিংদী-৫), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), এ কে এম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফর উল্লাহ (ফরিদপুর-৪), লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম

সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), রেজাউল করিম হিরা (জামালপুর-৫), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী

 

(শেরপুর-২), এ কে এম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), আরিফ খান জয় (নেত্রকোনা-২), রেবেকা মমিন (নেত্রকোনা-৪), ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন

(সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এম এ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), আবুল মাল আবদুল মুহিত (সিলেট-১), মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস (সিলেট-৩), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), শাহাব উদ্দিন

(মৌলভীবাজার-১), সৈয়দা সায়রা মহসিন (মৌলভীবাজার-৩), উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪), মাহবুব আলী (হবিগঞ্জ-৪), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া

 

(কুমিল্লা-১), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম (চাঁদপুর-২), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩),

এইচ এম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), একরামুল করিম চৌধুরী (নোয়াখালী-৪), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), এ কে এম শাহজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), মাহফুজুর রহমান মিতা (চট্টগ্রাম-৩), এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬), ড.

 

হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), ডা. আফছারুল আমীন (চট্টগ্রাম-১০), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), সাইমুম সরওয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি) ও বীর বাহাদুর উশৈ সিং (বান্দরবান)।

read more
রাজনীতি

এইমাএ পাওয়া খবরঃ ড. কামালের সাথে হাত মিলালেন ১০ জন সেনা কর্মকর্তা… দেখুন –

safe_image

গণফোরামে যোগ দিলেন সাবেক ১০ সেনা কর্মকর্তা। সোমবার বিকেলে মতিঝিলে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগদান করেন। যোগদানকারী সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফট্যানেন্ট কর্নেল(অব.)

 

খন্দকার ফরিদুল আকবর, পিএসসি, এমবিএস, লেফট্যানেন্ট কর্নেল(অব.) অধ্যাপক শেখ আকরাম আলী, পিএইচপি, লেফট্যানেন্ট কর্নেল(অব.) মো. শহীদুল্লাহ, পিএসসি, এমডিএস প্রমুখ। যোগদান অনুষ্ঠানে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলটির কেন্দ্রিয় নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, আ অ ম শফিকউল্লাহ, জগলুল হায়দার আফ্রিক প্রমুখ।

 

আরও পড়ুন বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের বিরতিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতারা কে কী বললেন, তার ওপর খুব বেশি কিছু নির্ভর করে না। তিনি এখন পর্যন্ত নির্বাচন করার যোগ্য আছেন। বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।’ বিএনপির এই নেতা বলেন,

নির্বাচন কমিশন এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারেনি। তফসিল ঘোষণার পরেও বিএনপির নেতা–কর্মীদের গ্রেপ্তার অব্যাহত রয়েছে। সরকার একটি নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয় না।

সূত্র : বিএনপি ফেসবুক

read more
রাজনীতি

গণফোরামে যোগ দিলেন সাবেক ১০ সেনা কর্মকর্তা

Untitled-6-28

গণফোরামে যোগ দিলেন সাবেক ১০ সেনা কর্মকর্তা। সোমবার বিকেলে মতিঝিলে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগদান করেন। যোগদানকারী সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা

 

লেফট্যানেন্ট কর্নেল(অব.) খন্দকার ফরিদুল আকবর, পিএসসি, এমবিএস, লেফট্যানেন্ট কর্নেল(অব.) অধ্যাপক শেখ আকরাম আলী, পিএইচপি, লেফট্যানেন্ট কর্নেল(অব.) মো. শহীদুল্লাহ, পিএসসি, এমডিএস প্রমুখ। যোগদান অনুষ্ঠানে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ছাড়াও উপস্থিত

 

ছিলেন দলটির কেন্দ্রিয় নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, আ অ ম শফিকউল্লাহ, জগলুল হায়দার আফ্রিক প্রমুখ।

আরও পড়ুন…

এমন নিষেধাজ্ঞা বিশ্বের ভারসাম্য ধ্বংস করবে।তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র জোর করে আন্তর্জাতিক আইন ও নীতি ভঙ্গ করে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সাম্রাজ্যবাদী পৃথিবী দেখতে চাই না।এদিকে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত মঙ্গলবার জাপান সফরে বলেছেন, ‘আমি খোলাখুলি বলতে চাই, ইরানকে কোণঠাসা করে ফেলার প্রচেষ্টা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।

সূএঃ-AN Entertainment News

read more
রাজনীতি

বি চৌধুরীর বাসায় ভারতীয় হাইকমিশনার

Untitled-5-26

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রীংলার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় গেছেন। সোমবার দুপুর ১টার পর বি চৌধুরীর বারিধারার বাসায় প্রবেশ করেন

 

হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা। সাক্ষাতে বি চৌধুরীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী, যুক্তফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাহী বি. চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে হর্ষ বর্ধন শ্রীংলার সঙ্গে ছিলেন ভারতীয়

 

হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল। বিকল্পধারার দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সাক্ষাৎ শেষে বিকল্পধারার পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিং করা হবে বলে জানিয়েছে।

read more
রাজনীতি

বিরাট সুখবর পেলেন খালেদা জিয়া! নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই তার

Untitled-1-35

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। আবেদনে তিনি জামিনও চেয়েছেন। এতে করে নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী।খালেদা জিয়ার এ

 

মামলার প্যানেল আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আপিল করায় নিম্ন আদালতের রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয়ে গেছে। এখন এ মামলার কারণে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা নেই।’এর আগ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি জমা দেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

আবেদনটি সাতশ পৃষ্ঠারও বেশি বলে জানান এই আইনজীবী।গত ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। এ ছাড়া ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পুরান

ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতের বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর তিন আসামিকেও একই দণ্ডাদেশ দেন আদালত।এ মামলার অন্য তিন আসামি হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী

একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। তাঁদের মধ্যে হারিছ চৌধুরী পলাতক। বাকি দুই আসামি আদালতে উপস্থিত

 

ছিলেন। আদালত ওই তিনজনকেও অভিন্ন সাজা দিয়েছেন। এ ছাড়া মামলার পলাতক আসামি হারিছ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতে উপস্থিত দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে রায়ে যে ৪২ কাঠা জমির ক্রয় নিয়ে

মামলার সূচনা, সেই জমিটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর আগে গত ১৪ নভেম্বর এ মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি

কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ

লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।এর আগে

গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছিলেন আদালত। পরে গত ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট এ মামলায় সাজা বৃদ্ধি করে ১০ বছর করেন।

সুত্রঃ rtnn

read more
1 2 3 5
Page 1 of 5