close

খবর

রাজনীতি

আজ মুক্তি পেতে পারেন মাওলানা সাঈদী

Untitled-1-39 (1)

আজ মুক্তি পেতে পারেন মাওলানা সাঈদী

ছোট ভাইয়ের জানাজার নামাজ পড়াতে আজ প্যারোলে মুক্তি পেতে পারেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও বিশিষ্ট মুফাসসিরে কুরআন কারাবন্দি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। তার ছোট ভাই আলহাজ্জ্ব হুমায়ুন কবির সাঈদী (৫৬) গতকাল সোমবার সকালে ঢাকার ইব্রাহীম কার্ডিয়াক (বারডেম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

 

 

আজ মঙ্গলবার বেলা ১টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার মুক্তির কাগজপত্র তৈরি হয়নি বলে জানা গেছে। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, বিকাল ৩টা নাগাদ তাকে মুক্তি দেয়া হতে পারে।

এদিকে, গতকাল সোমবার মাওলানা সাঈদীর ছেলে ইন্দুরকানী উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেছিলেন, ‘আমার পিতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী কারাগারে থাকায় ছোট কাকার জানাজার নামাজ পড়াবার জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তির জন্য সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। তিনি প্যারোলে মুক্তি পেলে আগামীকাল (আজ) মঙ্গলবার বাদ জোহর ঢাকায় মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে আমাদের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় লাশ নিয়ে আসা হবে। সেখানে আমার পিতার প্রতিষ্ঠিত এস.ডি মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদরাসা মাঠে বুধবার দ্বিতীয় জানাজা শেষে সাঈদখালীর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।’

 

 

এর আগে ২০১১ সালের ২৭ অক্টোবর সাঈদীর মাতা গুলনাহার ইউসুফের মৃত্যুর পর এবং তার বড় ছেলে মাওলানা রাফিক বিন সাঈদী’র ২০১২ সালের ১৩ জুন মৃত্যুর পর তিনি প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি ২৮ অক্টোবর মায়ের এবং ১৪ জুন ছেলের জানাজার নামাজ পড়ান।

মাসুদ সাঈদী জানান, ‘সরকার অবশ্যই আমার আব্বাকে তার ছোট ভাইয়ের জানাজার নামাজ পড়াতে মানবিক কারণে প্যারোলে মুক্তি দেবে বলে আশা করছি।’

 

 

এদিকে মরহুমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি গাজী নুরুজ্জামান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, জেলা জামায়াতের আমীর সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা তাফাজ্জাল হোসইন ফরিদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর হাবিবুর রহমান।

হুমায়ুন কবির সাঈদী গত ৫ দিন ধরে নিউমেনিয়া জ্বরে এবং হৃদরোগেও আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ মেয়ে ও ১ ছেলে রেখে গেছেন।

 

 

‘ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুভূতিতে আঘাত করেছে’ মর্মে অভিযোগে ২০১০ খ্রিস্টাব্দের ২১ মার্চ তারিখে দায়েরকৃত বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীর মামলার প্রেক্ষিতে ঐ বছর ২৯ জুন তারিখে রাজধানীর শাহীনবাগের বাসা থেকে পুলিশ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে গ্রেফতার করে।

read more
রাজনীতি

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার দাবিতে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ!

Untitled-1-copy-100

খালেদা জিয়ার মুক্তি চিকিৎসার দাবিতে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ!

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি সুচিকিৎসার দাবিতে বৃহস্পতিবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।

 

 

 

রাজধানীর নয়াপল্টনে মঙ্গলবার বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

 

 

দাবি আদায়ে বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ দেশের সব মহানগর ও জেলা সদরে বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেন রিজভী।

 

 

তবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের কারণে গাজীপুর সিটি এলাকা এ কর্মসূচির বাইরে থাকবে বলে তিনি জানান।

 

আরও পড়ুন….

আগের দিন পুলিশ বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে গেছে। পরদিন সন্ধ্যায় এসে তিন হাজার টাকাও নিয়ে গেছে। এর পরদিন তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে গিয়ে বন্দুকযুদ্ধের নামে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

 

শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন বন্দুকযুদ্ধে নিহত সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার আনিছুর রহমানের স্ত্রী নাজমা খাতুন। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে নিহত আনিছুরের মেয়ে রিমা।

 

নাজমা খাতুন বলেন ‘আমার স্বামী আনিছুর রহমান গাজী ভাংড়ি লোহা লক্কড়ের ব্যবসা করতেন। একটি জুতোর দোকানও ছিল তার। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেটি ভেঙেচুরে দেয়া হয়। এরপর থেকে তিনি নদীতে মাছ ধরে ও নিজেদের একটি ঘেরে মাছ চাষ করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। অথচ আমার স্বামীকে মাদক চোরাচালানি বানিয়ে বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা করা হয়েছে।’

 

 

 

 

উল্লেখ্য, ২৮মে রাতে চোরাচালানিদের দুই গ্রুপের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের আনিছুর রহমান গাজীর স্ত্রী নাজমা খাতুন।

 

ঘটনার পরদিন কলারোয়া থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ২৮ মে রাত সোয়া ২টায় তার কাছে খবর আসে যে দেয়াড়া পিছলাপোলের মাঠে মাদক চোরাচালানিদের দুটি বিবদমান গ্রুপ মাদক ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলি করছে। এ খবর পেয়ে খোরদো পুলিশ ক্যাম্পের এসআই সিরাজুল ইসলাম একদল পুলিশ সদস্য নিয়ে সেখানে পৌঁছে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ তিন

read more
রাজনীতি

যে কারণে ঈদের আগেই সারা দেশে বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে!

safe_image (8)

যে কারণে ঈদের আগেই সারা দেশে বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে!

এবারের ঈদুল ফিতরে যাত্রীদের নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে যানজট নিরসনে দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। রোববার (১০ জুন) সেনাবাহিনীর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেন
দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া ঘাটে প্রবেশের জন্য একমাত্র মাধ্যম এই মহাসড়ক। তবে চার লেনের কাজের জন্য রাস্তা সংকুচিত এবং বিভিন্ন স্থানে বিকল্প পথের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হবে আশংকা করছেন সংস্লিষ্টরা।

 

 

 

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে চলাচলরত পরিবহন সূত্রে জানা যায়, মাওয়া চৌরাস্তা এলাকায় চার লেনের কাজের জন্য রাস্তা সংকুচিত করা হয়েছে। ফলে ধীর গতি নিয়ে চলছে গাড়িগুলো। এছাড়া ভারী যানবাহনগুলো চলাচলে জন্য যাত্রীবাহি যানবাহনগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না।মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ডাইভারশন মাধ্যমে বিকল্প পথের কারনে দীর্ঘ সময় নিয়ে গাড়িগুলো চলাচল করছে।

সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কে নির্বিঘ্নে যাত্রীদের ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে মিটিং করা হয়েছে। এখানে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বেশকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মহাসড়কে রাস্তার পাশের বাজার গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং মানুষ যাতে মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি না করতে পারে সেজন্য বাজারের পাশে সেনাসদস্যরা নজর রাখবে সেনাবাহিনী।

 

 

 

ঢাকা-মহাসড়কের ৩৫ কিলোমিটার অংশে চার লেনের কাজের জন্য ভারী যানবাহনগুলো যাতে যাত্রীবাহি গাড়িগুলোর স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্নিত করতে না পারে সেদিকে লক্ষ রাখা হবে। মহাসড়কের ঢাকার জুরাইনে অংশে দুইটি বিকল্প পথ করা হয়েছে যাতে ঈদে ঘরমুখো গাড়ির বাড়তি চাপ কমে যায়।

মহাসড়কে দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক সেবা ও যান চলাচল যাতে বিঘ্নিত না হয় তার জন্য সেনাবাহিনীর রেসকিও টীম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া যানজট নিরসন করতে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে। শিমুলিয়া ঘাটগামী যাত্রীবাহি গাড়িগুলো যাতে নির্দিষ্ট সময়ে গৌন্তব্যে পৌঁছাতে পারে সে লক্ষে কাজ করা হবে।

 

 

 

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কর্মকর্তা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান, মাওয়া চৌরাস্তা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নজড় থাকবে। মহাসড়কের কোথাও যাতে কোন যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। শিমুলিয়া ঘাটে নির্বিঘ্নে গাড়ি প্রবেশের জন্য ঈদ পূর্বে ব্যপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কে ঈদ উপলক্ষে তিনদিন ট্রাক চলাচল করবে না

read more
রাজনীতি

অবশেষে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে যা বললেন আইজি প্রিজন্স

safe_image (7)

অবশেষে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে যা বললেন আইজি প্রিজন্স

কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজি হলে চিকিৎসার জন্য আগামীকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।

 

 

আজ সোমবার দুপুর ২টায় পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

বিস্তারিত আসছে…

 

আরও পড়ুন…

ভারতের নীতিতে বদল দেখছে না বিএনপি

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্নে ভারতের বিদেশনীতির পরিবর্তন দেখছে না বিএনপি। তবে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে বলে মনে করছে দলটি। ভারত সফর নিয়ে দলটির নেতাদের মূল্যায়নে এমনটি উঠে এসেছে। তবে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করার বিকল্প যে নেই; এমন ভাবনাও এসেছে ভারতের নীতিনির্ধারকদের মাঝে। ভারত চায়, বাংলাদেশে ‘কোনো কারণে’ ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও যাতে বিএনপির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ভালো থাকে। এ বিষয়টি নিয়েও তারা সতর্ক আছে।

 

 

 

ভারত সফরে যাওয়া এক নেতা এ বিষয়ে বলেন, শেখ হাসিনা প্রশ্নে ভারত মনে করে, তার সময়ে দ্বিপক্ষীয় অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে। তাদের অনেক সমস্যা শেখ হাসিনা নিষ্পত্তি করেছেন। তবে নির্বাচন যে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো করা সম্ভব নয়, তাও মনে করে ভারত।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং তারেক রহমানের উপদেষ্টা এবং বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির গত সপ্তাহে দিল্লি যান।

 

 

 

বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের আগে বিএনপির প্রতিনিধি দলের এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। মাসখানেক আগে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দলও ভারত সফর করেছে।

আবদুল আউয়াল মিন্টু আমাদের সময়কে বলেন, এটি বিশেষ কোনো সফর নয়। বিএনপি কয়েকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল। আমাদের মতো দল পার্শ¦বর্তী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা রাজনৈতিক সৌহার্দের মধ্যে পড়ে। এরই অংশ হিসেবে সেখানকার সরকার ও বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে।

কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রামলাল, বিজেপি নেতা বিজয়জলী, রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন এবং অর্গানাইজেশন অব রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ওআরএফ), বিবেকানন্দ ফাউন্ডেশন, শ্যামা প্রসাদ ফাউন্ডেশন ও ইনস্টিটিউট অব ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজিক এনালাইসিস (ইডসা) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি নেতারা। এ ছাড়া দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা এজেন্সির উচ্চপদস্থ ও গুরুত্বপূর্ণ দুই কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক হয়।

জানা গেছে, বিএনপি নির্বাচনে আসবে কিনা এ প্রশ্নটি সবাই করেছে। এ ব্যাপারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনসহ কয়েকটি শর্ত তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া বিাচরবহির্ভূত হত্যাকা-, বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা, গণহারে গ্রেপ্তার, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালনে বাধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টার বৈঠক হয়েছে। তিনি খুবই আন্তরিক ছিলেন।

দৃষ্টিভঙ্গি কেমন বদলেছে এমন বিষয়ে এক নেতা বলেন, এর আগে ভারতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিংবা সরকারি ও বিরোধী দলের নেতারা অনেক বিষয়ে বিএনপি নেতাদের পাশ কাটিয়ে যেতে চাইতেন, এবার তেমনটি হয়নি। বরং আন্তরিকতার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং অনেক সময় দিয়েছেন সবাই। কিছু কিছু বিষয় উভয়পক্ষ একমতে এসেছে।

দিল্লিতে প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ টেলিগ্রাফ, হিন্দুসহ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপি নেতারা।

জামায়াতের বিষয়ে আলোচনা হলেও দলটির সঙ্গ ত্যাগ করার কথা সরাসরি কেউ বলেননি। তবে জামায়াতের বিষয়ে দেশটির নেতিবাচক ধারণা যে আছে তা পরিষ্কার।

read more
রাজনীতি

১০ কোটি টাকার নিচে কথাই বলবেন না তারেক রহমান…!

safe_image (6)

১০ কোটি টাকার নিচে কথাই বলবেন না তারেক রহমান…!

১০ কোটি টাকার নিচে- আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন পেতে হলে ১০ কোটি টাকা তারেক জিয়াকে দিতে হবে। এই তিন সিটিতে যারা নূন্যতম এই টাকা দিতে পারবেন, তারাই মেয়রপদে বিএনপির টিকিট পাবেন।

তারেক জিয়া লন্ডন থেকে এই বার্তা দিয়েছেন বলে দলের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তারেক জিয়ার এই বার্তার পরপরই রাজশাহীর মেয়র এবং বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে পড়েছেন।

 

 

 

বুলবুল তাঁর ঘনিষ্ঠদের বলেছেন, টাকার ব্যবস্থা হয়ে গেছে, লন্ডনে টাকা পৌঁছে যাবে। তারেক জিয়ার সঙ্গে বুলবুলের টেলিফোনে আলাপের পরপরই তাঁর লোকজনের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, তারেক জিয়ার প্রস্তাবে বুলবুল রাজি হলেও অন্য দুটি সিটি করপোরেশন বরিশাল এবং সিলেট মেয়ররা এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। ঐ দুই সিটিতেও বিএনপির নেতারাই মেয়র পদে বহাল আছেন।

 

 

 

বরিশালে আসনে হাবিব কামাল এবং সিলেটে আরিফুল হক চৌধুরী দুজনই নির্বাচনের জন্য তারেককে টাকা দেওয়ার ব্যাপারে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন।

তাঁরা দুজনই তাদের ঘনিষ্ঠদের বলেছেন, গত নির্বাচনের পর মেয়র পদে ঠিক মতো বসতেই পারিনি। মামলা আর জেলে মেয়রকাল পার হয়ে গেছে। এত টাকা পাব কোথায়? কিন্তু ঢাকায় তারেক জিয়ার লোকজন জানিয়ে দিয়েছেন, টাকা ছাড়া মনোনয়ন পাওয়া যাবে না।

 

 

 

উল্লেখ্য, এর আগে, গাজীপুর নির্বাচনে বর্তমান মেয়র অধ্যাপক আবদুল মান্নানের কাছে ২০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন তারেক জিয়া।

কিন্তু আব্দুল মান্নান ঐ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, মান্নানের বদলে হাসান উদ্দিন সরকারকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। খুলনাতেও মেয়র পদ ৫ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছিল বলে জানা গেছে। এখন, ৩০ জুলাই অনুষ্ঠেয় তিন সিটি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন কারা পায়, সেটাই দেখার বিষয়।

 

 

 

বিএনপির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘শুধু মনোনয়ন নয়, কমিটি করতেও তারেক মোটা অংকের টাকা নিচ্ছেন। ফলে, মনোনয়ন এবং কমিটি দুটোতেই বাদ পরছেন দলের পরীক্ষিত ত্যাগী কর্মীরা। এ কারণেই বিএনপি সাংগঠনিক ভাবে ক্রমশ: দুর্বল হয়ে পড়েছে।’

সৌজন্যেঃ ভোরের পাতা

read more
রাজনীতি

অবশেষে শর্ত সাপেক্ষে ইউনাইটেড হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা!

Untitled-4-copy-23

অবশেষে শর্ত সাপেক্ষে ইউনাইটেড হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা!

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হবে। এখানে যদি পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে প্রয়োজনে তাকে ইউনাইটেড বা অন্য কোনো হাসপাতালে নেওয়া হবে।

তবে তা নির্ভর করবে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎকদের সিদ্ধান্তের উপর। রোববার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়াকে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসার জন্য কখন নিয়ে যাওয়া হবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে হঠাৎ করেই অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন।

আমাদের কারা ডাক্তার এবং সিভিল সার্জন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আইজি প্রিজন তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং আমাদের সাথে পরামর্শ করেন।

 

খালেদা জিয়ার যে ব্যক্তিগত চিকিৎসক আছেন, তাদের নিয়ে তিনি কারাগারে সবাই মিলে দেখে চেক করেছেন। তবে আরো কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা তারা বলেছেন।

মন্ত্রী বলেন, তাদের কাছেও খালেদা জিয়া জানিয়েছেন তার অসুস্থতার কথা। সেই প্রেক্ষিতেই তারা রোগ নির্ণয়ের জন্য কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা বলেছেন।

সেই অনুযায়ী আমার আইজি প্রিজনকে জানিয়েছি যত দ্রততার সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
যেখানে বেস্ট চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে সেখানে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য। আমার জানামতে শেখ মুজিব মেডিকেলে সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে তারা যেভাবে মনে করেন সেভাবেই চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

কখন হাসপাতালে নেবেন এটা নির্ধারণ করবেন আইজি প্রিজন। তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন কখন হাসপাতালে নেবেন।
আমরা তো দুপুরেই বলে দিয়েছি এখন তিনি কখন নেবেন তিনিই এটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। এটা আজই কি না তা নির্ধারিত করে বলবো না। তবে উনি যতদূর সম্ভব তারাতারি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সেক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার এখন শারীরিক পরিস্থিতি কেমন আছে এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খুব ভালো আছে। আমাকে আইজি প্রিজন যেটা বলেছেন তার ব্লাড প্রেসার ঠিক রয়েছে।
তার চলাফেরায় কোনো অসুবিধা পরিলক্ষিত হয়নি। তিনি যে বলেছেন তার অসুস্থতার কথা, সেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

কামাল বলেন, আসলে স্ট্রোক করেছেন কি না সেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসকরা বলতে পারবেন, এখানে আমার কিছু বলার নেই। আমরা যেটা মনে করি শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের চিকিৎসক ও যন্ত্রপাতি সবচেয়ে আধুনিক।
এরপরও যদি চিকিৎসকরা মনে করেন এখানে কোনো ঘাটতি রয়েছে তাহলে অন্যত্র নেয়ার বিষয় আসবে। আপনারা জানেন তার হাঁটুতে মেটালিক লাগানো আছে ফলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কোথাও নেয়ার দরকার হবে কি না, তা ডাক্তাররাই সিদ্ধান্ত নেবেন।

 

আমাদের আইজি প্রিজন তিনি নিজেও একজন ডাক্তার। তিনি এটা অনুসন্ধান করে সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা তিনি নেবেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরকার আন্তরিক কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এখানে আন্তরিক না হওয়ার তো কিছু নেই। কারণ তিনি যেখানে আছেন সেখানে সব ধরনের সহযোগিতা তো করার দায়িত্ব আমাদের। আর সেটা আমরা করছি।

 

কারা বিধি অনুযায়ী আমাদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় যত প্রকার সুযোগ-সুবিধা তার প্রাপ্য তার সব আমরা করেছি।
এর বাইরেও তিনি যেহেতু দুইবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন ও সংসদ সদস্য ছিলেন— এ বিষয়গুলো লক্ষ্য করে তাকে যত ধরনের সুবিধা দেওয়ার তা দেওয়া হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই সব ধরনের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

আপনারা বারবার ইউনাইটেড হাসপাতালের কথা বলছেন। দেখুন ইউনাইটেড হাসপাতালের ডাক্তারদের আমরা সেখানে নিয়ে যাচ্ছি, তারা যে পরামর্শ দিচ্ছেন সেই অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উৎস- আমাদের সময়

read more
রাজনীতি

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার আন্দোলন ‘দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ’: মাহমুদুর রহমান

safe_image (3)

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার আন্দোলন ‘দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ’: মাহমুদুর রহমান

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে ‘দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ’র সঙ্গে তুলনা করেছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

মঙ্গলবার ( ২০ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে সরকারকে উৎখাত করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ সফল করতে হবে। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আমরাসহ নবীন-প্রবীণ পেশাজীবীরা আজকে রাস্তায় নেমেছে। তাদের সংগ্রামও সফল করার আহ্বান জানান তিনি।

 

 

 

বর্তমান সরকারকে পার্শ্ববর্তী দেশের দালাল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে একটি পরিত্যক্ত জেলখানায় বন্দি করে রাখা হয়েছে। যারা তাকে বন্দি করেছে তারা হলো এদেশের অবৈধ সরকার। এই সরকার আমাদের দেশের স্বাধীনতা পার্শ্ববর্তী দেশের কাছে বিলীন করে দিয়েছে। এই সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে বাংলাদেশের শিশু, কিশোর এ তরুণদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিচ্ছে। কেন ধ্বংস করে দিচ্ছে? যাতে এদেশে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কোনও জনগণ তৈরি হতে না পারে। এই সরকার স্বাধীনতা বিকিয়ে দিয়েছে । তাহলে আমরা তাকে রাষ্ট্রদোহী বলব না কেন?

 

 

 

ব্যাংকে সাধারণ আমানতকারীরা টাকা রাখতে ভয় পায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি আজকে আপনারা ব্যাংকে একটি ৫ লাখ টাকার চেক জমা দেন। আপনাকে ১-২ দিন পর টাকা দেওয়ার কথা বলবে ব্যাংক। কারণ ব্যাংকে তো টাকা নাই। টাকা সব পাচার করে সুইস ব্যাংকে রাখা হয়েছে। দেশের বাইরে দুর্নীতির টাকার পাহাড় গড়ে তোলা হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে যদি জেলে যেতে হয় তাহলে এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী সবাইকে নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারে রাখতে হবে। রাষ্ট্র, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্র পুনুরুদ্ধারে আপনারা কি চুপ করে বসে থাকবেন?’

read more
রাজনীতি

বাংলাদেশে মাদক ব্যবসা চালু করেন জিয়াউর রহমান: মতিয়া চৌধুরী !

safe_image (1)

বাংলাদেশে মাদক ব্যবসা চালু করেন জিয়াউর রহমান: মতিয়া চৌধুরী !

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, দেশের যুব সমাজকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ৩৬০টি মদের লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশে মাদক ব্যবসা চালু করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। সে ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মাদক বাংলাদেশে ভয়াবহ সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে শেরপুরের নকলা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও দুঃস্থদের মধ্যে ঈদুল ফিতরের উপহারসামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

 

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের আমলে যুবসমাজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষার জন্য সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকসেবী বা ব্যবসায়ী যদি আওয়ামী লীগেরও হয়, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও ওই নির্বাচন থেমে থাকবে না। ২০১৪ সালে নির্বাচন বয়কট করে তারা সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন শুরু করেছিল। বাবার চোখের সামনে ছেলেকে পুড়িয়ে মেরেছিল। তাঁরা অগ্নি-সন্ত্রাস করেও ওই নির্বাচন থামাতে পারেনি। তখন বিএনপি অংশ না নিলেও অন্য দলগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। সারা বিশ্বে ওই নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

 

 

 

শেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম, নকলা উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম মাহবুবুল আলম সোহাগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব কুমার সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আলতাব আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

read more
রাজনীতি

ঈদের আগে প্রধান প্রধান সড়কে সেনা মোতায়েন

Untitled-4-11

ঈদের আগে প্রধান প্রধান সড়কে সেনা মোতায়েন

এবারের ঈদুল ফিতরে যাত্রীদের নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে যানজট নিরসনে দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। রোববার (১০ জুন) সেনাবাহিনীর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া ঘাটে প্রবেশের জন্য একমাত্র মাধ্যম এই মহাসড়ক। তবে চার লেনের কাজের জন্য রাস্তা সংকুচিত এবং বিভিন্ন স্থানে বিকল্প পথের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হবে আশংকা করছেন সংস্লিষ্টরা।

 

 

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে চলাচলরত পরিবহন সূত্রে জানা যায়, মাওয়া চৌরাস্তা এলাকায় চার লেনের কাজের জন্য রাস্তা সংকুচিত করা হয়েছে। ফলে ধীর গতি নিয়ে চলছে গাড়িগুলো। এছাড়া ভারী যানবাহনগুলো চলাচলে জন্য যাত্রীবাহি যানবাহনগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না।মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ডাইভারশন মাধ্যমে বিকল্প পথের কারনে দীর্ঘ সময় নিয়ে গাড়িগুলো চলাচল করছে।

 

 

সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কে নির্বিঘ্নে যাত্রীদের ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে মিটিং করা হয়েছে। এখানে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বেশকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মহাসড়কে রাস্তার পাশের বাজার গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং মানুষ যাতে মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি না করতে পারে সেজন্য বাজারের পাশে সেনাসদস্যরা নজর রাখবে সেনাবাহিনী।

 

 

ঢাকা-মহাসড়কের ৩৫ কিলোমিটার অংশে চার লেনের কাজের জন্য ভারী যানবাহনগুলো যাতে যাত্রীবাহি গাড়িগুলোর স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্নিত করতে না পারে সেদিকে লক্ষ রাখা হবে। মহাসড়কের ঢাকার জুরাইনে অংশে দুইটি বিকল্প পথ করা হয়েছে যাতে ঈদে ঘরমুখো গাড়ির বাড়তি চাপ কমে যায়।

 

 

মহাসড়কে দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক সেবা ও যান চলাচল যাতে বিঘ্নিত না হয় তার জন্য সেনাবাহিনীর রেসকিও টীম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া যানজট নিরসন করতে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে। শিমুলিয়া ঘাটগামী যাত্রীবাহি গাড়িগুলো যাতে নির্দিষ্ট সময়ে গৌন্তব্যে পৌঁছাতে পারে সে লক্ষে কাজ করা হবে।

 

 

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কর্মকর্তা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান, মাওয়া চৌরাস্তা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নজড় থাকবে। মহাসড়কের কোথাও যাতে কোন যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। শিমুলিয়া ঘাটে নির্বিঘ্নে গাড়ি প্রবেশের জন্য ঈদ পূর্বে ব্যপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কে ঈদ উপলক্ষে তিনদিন ট্রাক চলাচল করবে না।

read more
রাজনীতি

চোখ কালো কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলার পরের সব ঘটনা বললেন ইমরান সরকার 

Untitled-1-copy-39

চোখ কালো কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলার পরের সব ঘটনা বললেন ইমরান সরকার

গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, যেই সব প্রশ্ন করতে অামাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেসব প্রশ্ন শাহবাগে দাড়িয়ে করা যেত। আমি এসে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমাকে গাড়িতে তোলা হয়।
অামার চোখে কালো কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলা হয় এবং হাতে হাতকড়া পরানো হয়। আমাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয় তা আমি প্রথমে বুঝিনি, পরে সেখান থেকে ফেরার পথে বুঝতে পারলাম কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

 

 

 

বৃহস্পতিবার (৭ জুন) সকালে ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইমরান এইচ সরকার একথা জানান। ইমরান এইচ সরকার বলেন, বুধবার (৬ জুন) যেই ঘটনা ঘটেছে, যেই প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা কোনও ভাবেই কাম্য নয়। কোনও ওয়ারেন্ট ছাড়া সিনেমাটিক স্টাইলে নিয়ে যাওয়াও কাম্য নয়।

 

তারা আমাকে মাদক বিরোধী অভিযানের যৌক্তিকতা বুঝাতে চেয়েছেন। আমিও তাদের বলেছি আমরা মাদকের বিরুদ্ধে, আমি এও বলেছি কেন আমরা বিচার বহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে। অভিযানের প্রতি আমাদের শতভাগ সমর্থন আছে। কিন্তু অভিযানের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কোন ভাবেই কাম্য নয়। বিচার করতে চাইলে সরকার আলাদা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল করেও করতে পারে।

 

 

ইমরান আরও বলেন, শাহবাগে সমাবেশের অনুমতি আমাদের আগে থেকেই নেওয়া ছিল। পুলিশ কমিশনার এবং শাহবাগ থানায়ও অবহিত করা হয়েছিল। সমাবেশের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন করা র‍্যাবের এখতিয়ারে নেই। পুলিশ চাইলে অনুমতির ব্যাপার খতিয়ে দেখতে পারে।

ইমরান অভিযোগ করে আরও বলেন, মাদক বিরোধী অভিযানের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে র‍্যাবের অংশ আছে। কারণ বেশিরভাগি র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। এখন ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তারা তুলে নিয়ে গেছে কিনা এটাও একটা প্রশ্ন। কারণ তারা আমাকে সেখানে নিয়ে যা প্রশ্ন করেছে এগুলো শাহবাগে দাড়িয়ে করা যেত। অযথা হামলা করে আহত করে সমাবেশ করতে না দেওয়ার কোনও যৌক্তিকতা আমি দেখিনা। নিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্র নেতাদের যেভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, যেভাবে পিটানো হয়েছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব, প্রতিবাদ করা নাগরিকের সমাবেশে যদি বাঁধা দেওয়া হয় সেটা খুবই দুঃখজনক। আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই, কোনও মামলা নেই তারপরও আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

 

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জি এম জিলানী শুভ বলেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের ঘোষিত সমাবেশের আগেই মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে কোনও প্রকার ওয়ারেন্ট ছাড়াই আটক করে নিয়ে যায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ছয় ঘণ্টা আইন বহির্ভূতভাবে তাকে আটক রেখে রাত ১১টায় ছেড়ে দিলেও, যথাযথ অনুমতি থাকা সত্ত্বেও গণজাগরণ মঞ্চের বিকেলের সমাবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

 

একদিকে রাষ্ট্রের সংবিধান ও সুনির্দিষ্ট আইনের তোয়াক্কা না করেই মাদক বিরোধী অভিযানে একের পর এক বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চলছে অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক সংগঠিত এই অপরাধের প্রতিবাদ যারা করছেন তাদের ওপর নেমে আসে রাষ্ট্রীয় খড়গ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ ধারা অনুযায়ী সমাবেশ করার অধিকার সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ‘মৌলিক অধিকার’ অংশ দ্বারা রক্ষা করা হয়েছে। গতকাল শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের পূর্ব ঘোষিত সমাবেশের সুনির্দিষ্ট অনুমতি ছিল। তারপরও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অস্ত্রের জোরে যেই তান্ডব চালিয়েছে তা নজিরবিহীন।

 

 

তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী মাদক বিরোধী অভিযান একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। কিন্তু রাষ্ট্র তার সিদ্ধান্ত কখনই আইন বহির্ভূত ভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে না। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে না যাওয়ার কারণে বড় বড় অপরাধিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

সুনির্দিষ্ট আইন থাকার পরেও বিনা বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে এসব প্রশ্ন করা আমাদের অধিকার। বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ড কোন সভ্য দেশে ঘটতে পারেনা। মাদক ব্যবসায়ীদের যেসব সিন্ডিকেটের কথা আমরা গণমাধ্যমে জানতে পারি তাতে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে রাঘব বোয়ালদের নাম যেন প্রকাশিত না হয় সে কারনেই কি বিনা বিচারের হত্যাকাণ্ড ?
মানবাধিকার কর্মী খুশি কবির বলেন, আমরা দেখেছি বিশ্বের সব জায়গায়তেই মাদক বিরোধী অভিযানে রাঘব বোয়ালরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকে। মাদক বিরোধী অভিযান নিয়ে আমাদের কোন সমস্যা নেই। কিন্তু অভিযানের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড করা যাবেনা। অপারেশন সার্চ লাইটের সময় থেকে আমরা বলছি বিচারিক আদালতের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

 

 

সরকারের কি বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা নেই? বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখা সকল নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। গতকাল নাটকীয় ভাবে হ্যান্ড শেক করার বাহানায় ইমরান এইচ সরকারকে ধরে নিয়ে গেছে। পত্রিকায় র‍্যাবের বক্তব্য দেখলাম জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। র‍্যাবের এখতিয়ারে নেই সমাবেশের অনুমতি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার। সেটা পুলিশের কাজ। কালকে ইমরান এইচ সরকারকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর সারা দেশ থেকে যেই পরিমাণ চাপ এসেছে সেই কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা মাদক বিরোধী অভিযানের পক্ষে, কিন্তু বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ড আমাদের সংবিধান পরিপন্থী। ইমরান ধরে নিয়ে গেলেও কিন্তু আমরা ভীত হচ্ছিনা, আমাদের সংগ্রাম চলমান থাকবে। এছাড়া গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

read more
1 2 3 20
Page 1 of 20