close

রাজনীতি

রাজনীতি

দেখুন এস.কে সিনহার পদত্যাগ নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপার! – সাংবাদিকদের তীব্র নিন্দা | বিস্তারিত দেখুন ……

Untitled-1 copy

খুন এস.কে সিনহার পদত্যাগ নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপার! – সাংবাদিকদের তীব্র নিন্দা |দেখুন এস.কে সিনহার পদত্যাগ নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপার! – সাংবাদিকদের তীব্র নিন্দাখুন এস.কে সিনহার পদত্যাগ নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপার! – সাংবাদিকদের তীব্র নিন্দা |দেখুন এস.কে সিনহার পদত্যাগ নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপার! – সাংবাদিকদের তীব্র নিন্দা |খুন এস.কে সিনহার পদত্যাগ নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপার! – সাংবাদিকদের তীব্র নিন্দা |দেখুন এস.কে সিনহার পদত্যাগ নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপার! – সাংবাদিকদের তীব্র নিন্দা |খুন এস.কে সিনহার পদত্যাগ নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপার! – সাংবাদিকদের তীব্র নিন্দা

|ভিডিওটি দেখুন নিচে…

 

 

 

পাকিস্তানের পাঞ্জাবে মুরগির বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর স্থানীয় গণমাধ্যমে।

দেশটির ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়, পাঞ্জাবের হাফিজাবাদের বাসিন্দা মানসাব আলি জালাপুর ভাটিয়ান পুলিশ স্টেশনে তার প্রতিবেশী ১৪ বছরের ওই কিশোরের বিরুদ্ধে ১১ নভেম্বর তার একটি মুরগি ‘অপহরণ’ এবং ‘যৌন সহিংসতার’ অভিযোগ আনেন।

এফআইআর এ মানসাব আলি বলেন, “কিশোরের যৌন সহিংসতার শিকার মুরগিটি মারা গেছে। নাসরুল্লাহ এবং তুফায়েল নামে দুই ব্যক্তি এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী।”

থানার হাউজ অফিসার সরফরাজ আঞ্জুম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে বলেন, মুরগিটির ময়নাতদন্তে যৌন সহিংসতার আলামত পাওয়ায় ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “ওই কিশোরও নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে। যৌন হতাশা থেকে সে এটা করেছে বলে আমাদের জানিয়েছে।”

মৃত মুরগির শরীর থেকে সংগ্রহ করা নমূনা পরীক্ষার ফল এখনও পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

 

 

read more
রাজনীতি

হাসিনা সরকারকে বিলুপ্ত করে নির্বাচন দেয়ার দাবি….

Untitled-1 copy

 

 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ‘বর্তমান হাসিনা সরকারের সংসদ বিলুপ্ত করে’ সেনাবাহিনীর অধীনে নির্বাচন চায় বাংলাদেশ মুসলিম লীগ। নির্বাচনের তিন মাস আগে বর্তমান সংসদ বিলুপ্ত ও নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

 

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানান তারা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা ছাড়াও ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। ১৮ সদস্য বিশিষ্ট দলটির নেতৃত্ব দেন দলের মহসচিব কাজী আবুল খায়ের।

এ পর্যন্ত ১৯টি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটায় বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সঙ্গে সংলাপ করবে ইসি।

 

 

মতবিনিময় সভায় দলটি ২৪ টি লিখিত দাবি জানায়। এগুলোর মধ্যে রয়েছেন, ইসিতে নিবন্ধিত প্রত্যেকটি দলের একজন প্রতিনিধি নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবি জানান তারা। কাস্টিং ভোটের পরিমাণ ৫০ শতাংশের কম হলে আবার নির্বাচনের ব্যবস্থা করাও দাবি আসে দলটি।

 

 

এছাড়াও দলগুলো অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ইভিএম ব্যবহার না করা, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো, না ভোটের ব্যবস্থা না রাখা, জোটবদ্ধ ভাবে নির্বাচন করলেও দলের নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক করা, দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নির্বাচনী দায়িত্ব না দেয়া, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের পরিবর্তে অতিরিক্ত জেলা জজদের দেয়ার দাবি জানানো হয়।

 

 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় এই বৈঠক হয়।

read more
রাজনীতি

সংসদ ভেঙে সেনা মোতায়েন দাবি!!

Untitled-1 copy

 

আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন মাস আগে সংসদ বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছে দুটি রাজনৈতিক দল। এছাড়াও ভোটের একসপ্তাহ আগে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে রাজনৈতিক দল দুটি।

আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির সাথে সংলাপে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এ দাবি জানায়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান. মো. নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে নির্বাচন কমিশনাররা ছাড়াও ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন।

 

 

বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট বদরুদ্দোজা আহমেদ সুজা ও মহাসচিব কাজী আবুল খায়েরের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল ইসি সংলাপে অংশ নিয়ে ২৪ দফা প্রস্তাব তুলে ধরে।

 

 

দলটির দাবির মধ্যে রয়েছে- ইসিতে নিবন্ধিত প্রতিটি দলের একজন প্রতিনিধি নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন, কাস্টিং ভোটের পরিমাণ ৫০ শতাংশের কম হলে পুননির্বাচন, ইভিএম ব্যবহার না করা, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো, না ভোটের ব্যবস্থা না রাখা, জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও দলের নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক করা, দলের সাথে সংশ্লিষ্টদের নির্বাচনী দায়িত্ব না দেয়া, রিটানিং কর্মকর্তাদের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের পরিবর্তে অতিরিক্ত জেলা জজদের নিয়োগ দেয়া।

 

 

প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আবদুল মোতালিব আখন্দ, শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, ওয়াজের আলী মোড়ল, অতিরিক্তি মহাসচিব আকবর হোসেন পাঠান, মোর্তুজা আলী চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এইচ খান আসাদ, মহিলা সম্পাদিকা ডাঃ হাজেরা বেগম, প্রচার সম্পাদক শেখ এ সবুর, কোষাধ্যক্ষ শহিদুল হক ভূঁইয়া, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক কাজী এ.এ কাফী, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, দস্তগীর আলম নসু।

 

 

এদিকে বিকালে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এবং বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব তুলে ধরে।

 

 

দলটির পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বিলুপ্ত করা, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীর নামে গেজেট প্রকাশ না করে পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করা, নাস্তিক, দুর্নীতিবাজ, দেশদ্রোহী, কালো টাকার মালিক, ঋণখেলাপীর সাথে জড়িত পরিবারবর্গ, ইসলাম বিদ্বেষীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা, দলের সব পর্যায়ে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার বিধান বাতিল করা ও ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভির ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া নির্বাচন কমিশনকে নতজানু না হওয়া, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলো ইসির অধীন আনা, ইভিএম ব্যবহার না করা, নির্বাচন সংক্রান্ত সব আইন বাংলায় করা, প্রার্থীদের জামানত ১০ হাজার টাকার মধ্যে রাখা, নির্বাচনী ব্যয় ১০ লাখ টাকার মধ্যে আনা, সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও লাইসেন্সকৃত সকল অস্ত্র জমা নেয়া, প্রবাসীদের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করার দাবি জানায় দলটি।

 

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াযী, নায়েবে আমীর আনিসুর রহমান জিন্নাহ, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রীস, রোকনুজ্জামান রোকন, মাওলানা আবু তাহের, হাজী জালাল উদ্দিন বকুল, মাওলানা সাঈদুর রহমান, মাওলানা সুলতান মহিউদ্দীন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ লিটন চৌধুরী, মাওলানা সানাউল্লাহ, মাওলানা ফিরোজ আশরাফী ও হাফেজ মাওলানা অলীউল্লাহ।

 

 

একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সাথে সংলাপ শুরু করে ইসি। ২৪ অগাস্ট থেকে দলগুলোর সাথে মতবিনিময় শুরু হয়েছে। এর আগে ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ অগাস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধির সাথে মতবিনিময় করেছে ইসি। অক্টোবরের মধ্যে সবার সাথে সংলাপ শেষ করার কথা রয়েছে।

 

 

এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সংলাপে আসা সুপারিশগুলোর মধ্যে সেনা মোতায়েন, না ভোটের প্রবর্তন, প্রবাসে ভোটারধিকার প্রয়োগ, জাতীয় পরিষদ গঠন, নির্বাচনকালীন অস্থায়ী সরকার গঠন, নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙে দেয়া, রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার ও নির্বাচনকালীন সময়ে ইসির অধীনে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, দলের নির্বাহী কমিটিতে বাধ্যতামূলকভাবে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান তুলে নেয়া ইত্যাদি অন্যতম।

read more
রাজনীতি

কি সিদ্ধান্ত নিয়ে আসছেন খালেদা জিয়া,যার অপেক্ষায় ২০ ……………………………………………?

Capture

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে চলছে নানা মুখী গুঞ্জন। কেউ বলছেন ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে আবার কেউ বা বলছেন সহায়ক সরকারের অধীনে এই নির্বাচন হতে হবে। যার ফলে দেশের রাজনীতিতে আবারো একটা সংকট দেখা দিয়েছে।

চলমান এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, বিএনপির সাথে শুধু রোহিঙ্গ নয়, কোনো বিষয়ে ঐক্য হবে না। কেননা তারা খুনি, সন্ত্রাসীদের দল।

এদিকে দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চোখ ও পায়ের চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থান করছেন।জানা গেছে, চিকিৎসা শেষে খুব শীঘ্রই দেশে ফিরবেন বেগম জিয়া। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জাতির সামনে সহায়ক সরকারের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরবেন।

 

 

এ বিষয়ে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বিডি২৪লাইভকে বলেন, চোখ ও পায়ের চিকিৎসা করাতে আমাদের চেয়ারপারসনের লন্ডন গিয়েছেন। আমরা আশা করছি তিনি খুব শীঘ্রই দেশে ফিরে আসবেন। তখন আমাদের প্রধান কাজ হলো জাতির সামনে সহায়ক সরকারের রুপরেখা উপস্থাপন করা।

 

 

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারিতে দেশে গ্রহন যোগ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে সেটা ফয়সালা করার জন্যেই সহায়ক সরকারের ধারণা জাতির সামনে উপস্থাপন করা দরকার। এর প্রেক্ষিতে সরকার যদি আলোচনার মাধ্যমে ফয়সালা করে তাহলে ভালো। আর যদি গ্রহণ না করে তখন আমরা বিবেচনা করবো আন্দোলনের জন্য ২০দল বা অন্যান্য দলের সাথে আলোচনা করব এবং তখনই এই সংকট নিরসনে আমরা একটা পথ পেয়ে যাব।

 

 

দলের একাধিক সিনিয়র নেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, সাংগঠনিক শক্তি আর ক্ষয় করবে না দলটি। কেননা, আন্দোলনের নামে শক্তি ক্ষয় নিষ্প্রয়োজন। তার কারণ হলো বর্তমানে মাঠে ভোটের যে শক্তি রয়েছে দলটির সেটাই এই সরকারের জন্য বড় আতঙ্কের বিষয়। তাই আন্দোলনের নামে কোনো ঝামেলায় না গিয়ে নির্বাচনের তফসিল পর্যন্ত আরও শক্তি সঞ্চয় করার ওপর অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আর যদি আন্দোলনের প্রয়োজনই হয় তাহলে সেটা যাতে সফল হয় সে দিকটাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তারা মনে করেন, মুখে যাই কিছু বলুক না কেন সরকার কখনই চাইবে না বিএনপি নির্বাচনে আসুক। কেননা খালেদা জিয়া নির্বাচনে এলে ক্ষমতাসীনদের পরাজয়ের শঙ্কাই বেশি। তাছাড়া বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে একতরফা বা বড় ধরনের কারচুপিও করতে পারবে না। তাই সরকারকে চাপে রেখে কীভাবে সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানো যায় বিএনপি সেদিকটাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

 

 

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান বিডি২৪লাইভকে বলেন, আমরা ২০ দলীয় জোটে আছি। আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। সেই সংগ্রামের পক্ষে আমরা আছি। আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। গণতন্ত্রের লক্ষ্যে আমার সব কিছুই করে যেতে চাই। আমাগীতে আমাদের নেত্রী যেই নিদের্শনা দিবেন আমরা তাই পালন করার চেষ্টা করব। তার নির্দেশের বাইরে আমরা কোনো কিছু করব না।

 

 

সরকারের পক্ষ থেকে যদি সহায়ক সরকারের প্রস্তাবনা না মানা হয় তাহলে ২০ দলের করণীয় কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহাসিক দল। কিছুদিন আগে তাদের সভানেত্রী বলেছেন বিএনপির সাথে কোনো ঐক্য হবে না। এতো বড় একটা রাজনৈতিক দলের সভানেত্রীর কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আমরা কখনোই আশা করিনি। বিএনপির সাথে যদি ঐক্য না করে তাহলে কাদের সাথে ঐক্য করবে যারা কি না বঙ্গবন্ধুর পিঠের চামড়া তুলে জুতা বানাতে চেয়েছিলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর গলায় গামছা পেচিয়ে টানতে চেয়েছিলেন তাদের সাথেই সরকার ঐক্য করবেন! বিএনপির সাথে কেন ঐক্য করবেন? আজ যদি বঙ্গবন্ধু, জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকতেন তাহলে কি এ ধরনের কথা বলতে পারতেন?

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলছেন, বিএনপির সাথে কোনো বিষয়ে আলোচনা নয় অপরদিকে বেগম জিয়া দেশে ফিরেই সহায়ক সরকারের রুপরেখার প্রস্তাবনা করবেন এমন পরিস্থিতিতে ২০ দলীয় জোট হিসাবে আপনাদের করণীয় কি জানতে চাইলে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) মহাসচিব গোলাম মোস্তফা বিডি২৪লাইভকে বলেন, এ বিষয়ে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক না হলে তো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না।

 

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা তার রাজনৈতিক বক্তব্য। আমার মনে হয়, গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে আগামীতে গণতান্ত্রিক শক্তি গুলোর মধ্যে একটি বৈঠক হতেই হবে। সে ক্ষেত্রে আমাদের দুই জোটেরই (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি) ছাড় দিতে হবে এবং একটা জায়গায় আসতে পারে কিন্তু কেউ যদি মনে করে একেবারেই কোনো আলোচনায় বসবে না।

 

 

 

তাহলে সেটা গণতন্ত্রের জন্য সুখ কর হবে না। আমরা মনে করি প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের স্বার্থে সকল গণতান্ত্রিক শক্তির সাথে বসবেন এবং একটি সমঝোতার মধ্য দিয়ে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেটা না হলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেই অনুযায়ী কাজ করবো। আমরা খালেদা জিয়ার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

 

read more
রাজনীতি

বিএনপিকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য সম্ভব নয়- কাদের সিদ্দিকী……….

Untitled-1 copy

 

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিএনপিকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী।

শনিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলে নিজ বাসভবনে রোগমুক্তি-পরবর্তী মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্টজন, সাংবাদিক ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, বিএনপিকে রোহিঙ্গাদের মধ্যে চাল বিতরণ করতে দেওয়া হয়নি, বস্তায় নাকি বিএনপি লেখা ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি বলব, প্রতিটি চালে বিএনপি লেখা থাকলেও ত্রাণ বিতরণ করতে দেওয়া সরকারের উচিত ছিল। বিএনপি ত্রাণ বিতরণ করবে তাতে বাধা দেওয়ার কী আছে? রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ এসেছে। আর বিএনপিকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য সম্ভব নয়। ’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিএনপিকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য সম্ভব হয় বলে জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী।

শনিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলে নিজ বাসভবনে রোগমুক্তি-পরবর্তী মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্টজন, সাংবাদিক ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, বিএনপিকে রোহিঙ্গাদের মধ্যে চাল বিতরণ করতে দেওয়া হয়নি, বস্তায় নাকি বিএনপি লেখা ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি বলব, প্রতিটি চালে বিএনপি লেখা থাকলেও ত্রাণ বিতরণ করতে দেওয়া সরকারের উচিত ছিল। বিএনপি ত্রাণ বিতরণ করবে তাতে বাধা দেওয়ার কী আছে? রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ এসেছে। আর বিএনপিকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য সম্ভব নয়। ’

কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, ‘কূটনৈতিক দুর্বলতার কারণে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা ভারত, রাশিয়া ও চীনের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হচ্ছি। এমনটি হয়েছে রোহিঙ্গাদের হত্যা, জুলুম, নির্যাতন, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানির চিত্র তাদের কাছে সঠিকভাবে তুলে না ধরায়। ’ তিনি বলেন, ‘৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সারা জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিশ্বে আমরা যে সুনাম অর্জন করেছিলাম, আরেকবার রোহিঙ্গা ইস্যুতে সারা জাতি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সে সুযোগ হারাচ্ছে। ’

তিনি বলেন, ‘কূটনৈতিক দুর্বলতার কারণে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা ভারত, রাশিয়া ও চীনের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হচ্ছি। এমনটি হয়েছে রোহিঙ্গাদের হত্যা, জুলুম, নির্যাতন, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানির চিত্র তাদের কাছে সঠিকভাবে তুলে না ধরায়। ’ তিনি বলেন, ‘৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সারা জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিশ্বে আমরা যে সুনাম অর্জন করেছিলাম, আরেকবার রোহিঙ্গা ইস্যুতে সারা জাতি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সে সুযোগ হারাচ্ছে। ’

এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার ফজলুল হক, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ, জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসমত আলী বক্তব্য দেন।

read more
রাজনীতি

আপনারা বাংলাদেশে আসুন, রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে বর্বরতার কথা শুনুন: প্রধানমন্ত্রী

Untitled-1 copy

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমারে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হতে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) এর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ফোরামের যে কোনও উদ্যোগে যোগ দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন।’

 

 

 

 

 

 

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনের ফাঁকে মঙ্গলবার রোহিঙ্গা বিষয়ে ওআইসি’র কন্ট্রাক্ট গ্রুপের সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যান্যের মধ্যে ওআইসি মহাসচিব ড. ইউসেফ আল ওথাইমেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি একটি মানবিক বিপর্যয়। আমি নিজে তাদের অবস্থা পরিদর্শন করেছি। আমি নারী ও শিশুদের  দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনেছি। আমি আপনাদের সবাইকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। এখানে এসে মিয়ানমারের বর্বরতার ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে শুনুন।’

 

 

 

 

শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের ঢল সামলাতে বাংলাদেশের জন্য ভ্রাতৃপ্রতীম মুসলিম দেশগুলোর কাছ থেকে ‘জরুরি মানবিক সহায়তা’ চেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ওআইসি নেতাদের জানিয়েছেন, ২৫ আগস্টের পর থেকে স্থল ও নদী পথে সীমান্ত অতিক্রম করে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এদের ৬০ শতাংশই শিশু।

তিনি বলেন, মিয়ানমার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ বলে প্রচারণা চালাচ্ছে। অবশ্যই তা বন্ধ করতে হবে এবং দেশটিকে অবশ্যই রোহিঙ্গাদেরকে তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সব ধরনের নির্মমতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে স্বদেশে ফেরত নিতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এর আগে আরও ৪ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে।  স্থান ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্বেও আমরা প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছি। বাংলাদেশ দুর্দশাপীড়িত এই লোকদের খাদ্য, আশ্রয় এবং জরুরি সেবা দিয়ে যাচ্ছে।’

 

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, ‘১৯৮২ সালে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয় এবং পরে তাদের নিজ দেশে ইন্টারনালি ডিসপ্লেস পার্সন’স (আইডিপি) ক্যাম্পে পাঠানো হয়। তার সরকার সব রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তবে মিয়ানমার সরকার এ আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে না। বরং রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো বন্ধ করতে সীমান্তে স্থলমাইন পেতে যাচ্ছে।’ খবর বাসস।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
রাজনীতি

ভারত-পাকিস্তানের সাথে পাল্লা দিতেই ৩০ টির বেশি পারমানবিক বোমা তৈরি করবে বাংলাদেশ: সহযোগিতায় রাশিয়া

Untitled-1 copy

ভারত-পাকিস্তানের সাথে পাল্লা দিতেই ৩০ টির বেশি পারমানবিক বোমা তৈরি করবে বাংলাদেশ: সহযোগিতায় রাশিয়া

 

 

 

ভারত-পাকিস্তানের সাথে পাল্লা দিতেই ৩০ টির বেশি পারমানবিক বোমা তৈরি করবে বাংলাদেশ: সহযোগিতায় রাশিয়া

 

 

 

 

 

ভিডিওটি দেখুন নিচে…….,,

 

 

 

 

 

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নই এবং আমাদের পেইিজও কোন প্রকার দায় নিবেনা।

ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে।

অন্যরা এখন পড়ছে

সৌদিকে স্পষ্ট বার্তা : কাতারের আমিরের বিদেশ সফর

সৌদিসহ চারটি আরব দেশের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টির পর এই প্রথম কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আলে সানি বিদেশ সফর করেছেন।

কাতারের আমির গত বৃহস্পতিবার আঙ্কারায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। এরপর গত শুক্রবার বার্লিনে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।

সর্বশেষ তিনি প্যারিসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাকরনের সঙ্গে দেখা করেন। সৌদি আরব, আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর একযোগে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা আরো তীব্রতর হওয়ার

পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রথম কাতারের আমির তুরস্ক, জার্মানি ও ফ্রান্স সফরে গেলেন। এ অবস্থায় কাতারের আমিরের বিদেশ সফরের উদ্দেশ্য কী সেটাই এখন সবার প্রশ্ন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কাতারের আমিরের বিদেশ সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য হতে পারে সৌদি আরবের সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ বিন আলী আলে সানিকে বর্তমান আমিরের স্থলাভিষিক্ত করার যে চেষ্টা বিরোধী মহল করছে সেটাকে ব্যর্থ করে দেয়া।

 

 

গত সপ্তাহের শেষের দিকে সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট কাতার সরকারের বিরোধীরা লন্ডনে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে তারা বর্তমান আমির শেখ তামিমকে সরিয়ে তার জায়গায় আব্দুল্লাহ বিন আলীকে বসিয়ে নতুন সরকার গঠনের ব্যাপারে একমত হন।

এ অবস্থায় কাতারের আমির শেখ তামিম তুরস্ক, জার্মানি ও ফ্রান্সের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করে একদিকে নিজের বৈধতার প্রমাণ দিয়েছেন অন্যদিকে তিনি এটাও প্রমাণ করেছেন তার প্রতি বাইরের দেশগুলোর সমর্থন রয়েছে।

তবে কাতারের আমির তার এ সফরের মাধ্যমে সরকার বিরোধী মহলকে ও একই সঙ্গে সৌদি আরবকে এটা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, কাতার যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া কিংবা সিরিয়া নয় যে বর্তমান সরকারকে সহজেই উৎখাত করা যাবে।

কাতারের আমিরের বিদেশ সফরের আরেকটি উদ্দেশ্য হতে পারে এটা প্রমাণ করা যে, তার দেশ সৌদি নেতৃত্বে চারটি আরব দেশের নিষেধাজ্ঞার ধকল কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে এবং তাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার জন্য বিরোধীদের প্রচেষ্টা নিয়েও কোনো দুশ্চিন্তা নেই।

অর্থাৎ বলা যায় শেখ তামিম বিদেশ সফরের মাধ্যমে সৌদি আরবকে এটা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, দেশের ভেতরে তার অবস্থান যথেষ্ট মজবুত এবং তার শক্তি ও প্রভাব অটুট রয়েছে।

অন্যদিকে, মুহাম্মদ বিন সালমান যুবরাজ হওয়ার পর অন্য যুবরাজদের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের আশঙ্কায় এখন পর্যন্ত বিদেশ সফরে যেতে পারেননি তিনি। কারণ মুহাম্মদ বিন সালমানের পরবর্তী রাজা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কাতারের আমিরের বিদেশ সফরের তৃতীয় কারণ হচ্ছে বাইরের দেশগুলো বিশেষ করে তুরস্কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ধরন সবার সামনে তুলে ধরা। শেখ তামিম প্রথমে আঙ্কারা সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সঙ্গে দেখা করেন।

এ ছাড়া, দোহায় তুরস্কের এক সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে। আরব দেশগুলোর সঙ্গে সৃষ্ট উত্তেজনায় তুরস্ক কাতারকে সমর্থন জানিয়েছে এবং দেশটিকে সম্ভাব্য আগ্রাসনের হাত থেকে রক্ষার জন্য আঙ্কারা দোহায় সেনা পাঠিয়েছে।

কাতারের আমির তুরস্ক সফরে গিয়ে রিয়াদ ও তার মিত্রদের এ বার্তাই পৌঁছে দিয়েছেন যে, সৌদি আরব যদি হামলা চালানোর চিন্তা করে থাকে তাহলে তুরস্কও ওই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে।

সর্বোপরি শেখ তামিম তার এ সফরের মাধ্যমে প্রতিপক্ষ আরব দেশগুলোকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তার কোনো দুশ্চিন্তা নেই এবং দোহার প্রতি আঞ্চলিক প্রভাবশালী দেশগুলোর সমর্থন রয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

read more
রাজনীতি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ট্রাম্পকে নিয়ে শেখ হাসিনার কঠিন উত্তর

Untitled-1 copy

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে কোনো সাহায্য প্রত্যাশা করেন না। কারণ তিনি এ ব্যাপারে ট্রাম্পের অবস্থান জেনে গেছেন।

 

 

 

 

 

 

রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার জাতিসংঘের সংস্কারে আমেরিকা আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের এক সভা শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্রনেতা কয়েক মিনিট ধরে কথা বলেন। ট্রাম্পের সঙ্গে কথোপকথনের বিষয়ে রয়টার্সকে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) আমাকে জিজ্ঞেস করেন বাংলাদেশের কী অবস্থা? আমি বলেছি খুব ভালো। কিন্তু সমস্যা শুধু একটাই। তা হলো মিয়ানমার থেকে আগত শরণার্থীর ঢল। কিন্তু ট্রাম্প শরণার্থীদের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। ‘

 

 

 

 

মঙ্গলবার রয়টার্সের প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমেরিকা এরইমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে তারা কোনো শরণার্থী প্রবেশ করতে দেবে না। এরপর আমি তাদের কাছ থেকে আর কী প্রত্যাশা করতে পারি, বিশেষ করে প্রেসিডেন্টের (ট্রাম্প) কাছ থেকে। তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন… এরপরও কেন এ বিষয়ে কথা বলবো? বাংলাদেশ ধনী দেশ নয়… কিন্তু আমরা যদি ১৬০ মিলিয়ন লোককে খাওয়াতে পারি তাহলে আরও ৫০০ কিংবা সাত লাখ মানুষকেও খাওয়াতে পারবো। ‘

 

 

 

 

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে শেখ হাসিনা মিয়ানমারের ওপর আরও বেশি রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, ‘এসব মানুষ তার (অং সান সু চি) দেশের এবং এটা তার স্বীকার করা উচিত। রোহিঙ্গাদের দেশ মিয়ানমার এবং সেদেশে তাদের ফিরিয়ে নেয়া উচিত। এসব লোকগুলো কষ্ট পাচ্ছে। ‘

 

 

 

 

তল্লাশি চৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে গত মাসে রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এর ফলে প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে চার লাখ ১০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে চলে আসে। অভিযানে শত শত রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছে। এ ঘটনাকে জাতিসংঘ জাতিগত নির্মুল হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

 

 

 

রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার জাতিসংঘের সংস্কারে আমেরিকা আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের এক সভা শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্রনেতা কয়েক মিনিট ধরে কথা বলেন। ট্রাম্পের সঙ্গে কথোপকথনের বিষয়ে রয়টার্সকে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) আমাকে জিজ্ঞেস করেন বাংলাদেশের কী অবস্থা? আমি বলেছি খুব ভালো। কিন্তু সমস্যা শুধু একটাই। তা হলো মিয়ানমার থেকে আগত শরণার্থীর ঢল। কিন্তু ট্রাম্প শরণার্থীদের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। ‘

মঙ্গলবার রয়টার্সের প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমেরিকা এরইমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে তারা কোনো শরণার্থী প্রবেশ করতে দেবে না। এরপর আমি তাদের কাছ থেকে আর কী প্রত্যাশা করতে পারি, বিশেষ করে প্রেসিডেন্টের (ট্রাম্প) কাছ থেকে। তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন… এরপরও কেন এ বিষয়ে কথা বলবো? বাংলাদেশ ধনী দেশ নয়… কিন্তু আমরা যদি ১৬০ মিলিয়ন লোককে খাওয়াতে পারি তাহলে আরও ৫০০ কিংবা সাত লাখ মানুষকেও খাওয়াতে পারবো। ‘

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে শেখ হাসিনা মিয়ানমারের ওপর আরও বেশি রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, ‘এসব মানুষ তার (অং সান সু চি) দেশের এবং এটা তার স্বীকার করা উচিত। রোহিঙ্গাদের দেশ মিয়ানমার এবং সেদেশে তাদের ফিরিয়ে নেয়া উচিত। এসব লোকগুলো কষ্ট পাচ্ছে। ‘

তল্লাশি চৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে গত মাসে রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এর ফলে প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে চার লাখ ১০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে চলে আসে। অভিযানে শত শত রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছে। এ ঘটনাকে জাতিসংঘ জাতিগত নির্মুল হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

read more
রাজনীতি

বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে যা বলল ট্রাম্প প্রশাসন!!!

Untitled-1 copy

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশে আগামী বছর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এ দেশের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ভারপ্রাপ্ত মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালিস ওয়েলস গত বুধবার ওয়াশিংটনে কংগ্রেসীয় সাব কমিটিতে উপস্থাপিত লিখিত বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

 

 

 

 

গতকাল মার্কিন কংগ্রেসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে অ্যালিস ওয়েলস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে যেন ২০১৮ সালে দেশটিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করা হয়, নাগরিক সমাজের জন্য গণতান্ত্রিক চর্চার অবারিত সুযোগের নিশ্চয়তা থাকে এবং গণমাধ্যম যাতে স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারে।

 

 

 

 

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং তীব্র বৈদেশিক অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও দুই দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ গড়পড়তা ছয় শতাংশের বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সমর্থ হয়েছে বলে উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়, এটা দেশটির দৃঢ়তার পরিচয় বহন করে।

 

 

 

 

ভারতীয় উপমহাদেশে সক্রিয় আইএস এবং আলকায়েদা বাংলাদেশে প্রায় ৪০টি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে বলে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, গত বছর জুলাইয়ে (রাজধানী ঢাকার গুলশানে) হোলে আর্টিজান বেকারিতে আইএসের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করে চলেছে।

 

 

 

 

গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সংক্রান্ত সাব কমিটিতে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন প্রভাব বজায় রাখা : ২০১৮ অর্থবছরের বাজেট’ শিরোনামে আরেকটি শুনানিতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালিস ওয়েলসের।

 

 

 

 

 

read more
রাজনীতি

কে হচ্ছেন বিএনপি্র পরবর্তী মহাসচিব? পরিবর্তন হচ্ছে?

Untitled-24 copy

কে হচ্ছেন বিএনপি্র পরবর্তী মহাসচিব? পরিবর্তন হচ্ছে?

 

 

 

 

 

 

 

 

বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর কি তাঁর পদ থেকে সরে যাচ্ছেন? বিএনপি কি নতুন কাউকে মহাসচিব করতে যাচ্ছে?- লন্ডন থেকে এরকম বার্তা এখন বিএনপির গুঞ্জনের প্রধান বিষয়। বিএনপির বর্তমান মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে তারেক জিয়ার শীতল সম্পর্কের বিষয়টি সবাই জানে। বিশেষ করে ২০১৩-১৪ এর আন্দোলনে তাঁর ভূমিকায় তারেক ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। এ ব্যাপারে তারেকের সঙ্গে শমসের মবিন চৌধুরীর কথোপকথন সোশাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে। লন্ডনে তারেকের কতৃত্বে বিএনপি করায়ত্ব হবার পর বিএনপিতে মহাসচিব বদলের গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

 

 

 

 

 

বর্তমান মহাসচিব আন্দোলনমুখী নন, সংগঠনকে গোছাতে ব্যর্থ হয়েছেন এমন অভিযোগ তারেক জিয়া প্রকাশ্যেই করেন। এমনকি এবার বেগম জিয়ার সঙ্গে দলের মহাসচিবের লন্ডনে যাবার কথা ছিল। কিন্তু তারেক জিয়ার অনাগ্রহেই শেষপর্যন্ত ফখরুলের লন্ডন যাওয়া হয়নি। তারেক জিয়া এরকম অভিযোগ করেছেন যে, ফখরুল ইসলাম আলমগীর গোপনে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। বিশেষ করে গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা পর তাঁর জামিনের বিষয়টিকে তারেক সন্দেহের চোখেই দেখেছেন। এরপরও মায়ের (বেগম জিয়া) ইচ্ছায় মহাসচিব হিসেবে ফখরুলকে মেনে নিয়েছিলেন। এখন তারেক নতুন বিএনপিতে মহাসচিব পরির্তন চান। তারেক জিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ আছে, ছাত্রদল, যুবদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের। তাঁদের তারেক মহাসচিব বদলের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

নতুন মহাসচিবের ব্যাপারে তারেক জিয়ার দুটি ভাবনা রয়েছে। একটি হলো, সিনিয়র নেতাদের মধ্যে কাউকে মহাসচিব করা। এই তালিকায় তারেকের পছন্দ ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন অথবা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গত কিছুদিন ধরে ড. খন্দকার মোশারফের সঙ্গে তারেক জিয়ার নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে বলে জানা গেছে। তারেক জিয়ার নির্দেশেই, ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন ২১ আগস্ট সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছেন। ২০০১-০৬ সালে ড. খন্দকার মোশারফ ছিলেন তারেক বিরোধীদের প্রধান নেতা। গত কয়েক বছরে দুজনের সম্পর্ক অনেক ভালো হয়েছে। ড. মোশারফ তারেক জিয়ার নেতৃত্ব মেনে নিয়েছেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মুষ্টিমেয় দুএকজন নেতার মধ্যে অন্যতম যাঁকে তারেক জিয়া কিছুটা সম্মান দেখান।

 

 

 

 

 

 

 

মহাসচিবের ব্যাপারে তারেকের দ্বিতীয় চিন্তা হলো, রাস্তার আন্দোলনে পারদর্শী কোনো তরুণ নেতা। হাবিব-উন-নবী সোহেলের মতো মাঠের কাউকে তিনি মহাসচিব করতে চান। ১৩-১৪ সালে রাজপথের আন্দোলন সফল হতো যদি ঢাকায় নূন্যতম আন্দোলন করা যেত- এমনটাই মনে করেন তারেক জিয়ার অনুসারীরা। তাঁদের মতে, আবার আন্দোলনে যেতে হলে, ‘রাজপথের নির্ভীক কাউকেই মহাসচিব করা উচিত। এ ব্যাপারেও তারেক ঢাকার অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে, বিষয় গুলো পরিষ্কার হবে আরও কয়েকদিনের মধ্যে। এর মধ্যে আগামী নির্বাচনে তারেক জিয়া তাঁর দলের কৌশল চূড়ান্ত করেবেন।

 

 

 

 

 

 

read more
1 2 3
Page 1 of 3