close

রাজনীতি

রাজনীতি

প্রাথমিকভাবে জাপার মনোনয়নে নির্বাচিত হিরো আলম

gjxLdg_1542707181 (2)

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। মনোনয়ন শেষে বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দল গুলো। আসন্ন এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ৩০০ আসনের জন্য মোট ২৮৬৫টি আবেদন জমা পড়েছে।

 

আর এদের মধ্যে যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার ওপর ভিত্তি করে ৭৮০ জনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আলোচিত হিরো আলম। ৭৮০ জনের মধ্যে থেকে ৩০০ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে দলটির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার জানিয়েছেন,

 

শিগগিরই মহাজোটের সাথে আসন বন্টন নিয়ে সমঝোতা হবে জাতীয় পার্টির। উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পাটির ‘লাঙ্গল’ মার্কায় নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন পত্র কিনেছেন হিরো আলম। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে কেন্দ্রীয় কমিটিতে আবেদনপত্র জমা দেন তিনি।

read more
রাজনীতি

দু’টি আসন থেকে নির্বাচন করবেন শেখ হাসিনা

g1SIe2_1542705563

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) এবং গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) সচিবালয়ে নিজ

 

দফতরে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। আপনি কয় আসন থেকে নির্বাচন করছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটা সিটের নেতা-কর্মীরা এসে আমাকে প্রেসার দিচ্ছে। তাদের এলাকায় নির্বাচন

 

করার জন্য। তবে আমাদের নেত্রী দুটো আসনে আর আমরা সবাই এক আসনে নির্বাচন করব। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্ত মানে অফিসিয়ালি সিদ্ধান্ত নয়, এটা আমরা মেনে চলি। বিদেশে থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্কাইপে সাক্ষাৎকার নেয়ার বিষয়ে ওবায়দুল

কাদের বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ করেছিলাম। তাদের যেহেতু আরপিও অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই, তাই প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আছে, তারা ব্যবস্থা নেবে। আর বিষয়টির যদি উপযুক্ত সমাধান না হয় তাহলে আমরা প্রয়োজনে আদালতে যাব।

সূএঃ- bd24live.com

read more
রাজনীতি

বিএনপির ২৩০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত

Untitled-1-58-777×400

দুই জোট ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরীকদের জন্য ৭০টি আসন রেখে বাকি ২৩০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে রোববার থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের চারদিন ব্যাপী সাক্ষাৎকার নেয়া শুরু করেছে বিএনপি।‘নতুন ও তরুণ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়ার’ অভাস দিয়ে বিএনপির কয়েকজন

 

জ্যেষ্ঠ নেতা ইউএনবিকে বলেন, তাদের মধ্যে কিছু সাবেক ছাত্রদল নেতাও রয়েছে। তারা নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় পুরোনো নেতাদের চেয়েও জনপ্রিয়।তারা আরও জানান, বিএনপি ও তাদের জোট বেশ কিছু আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং নারীদের থেকেও প্রার্থী দিবেন। যা

 

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের আকৃষ্ট করবে। দলের একটি সূত্র জানায়, তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে সারাদেশে পরিচালিত একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। তার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়ন দেয়া হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক

রহমান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন এবং যাকেই প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হোক বা না হোক বিজয় নিশ্চিত করার জন্য তাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দিচ্ছেন।বিএনপি নেতারা বলেন, তাদের প্রধান প্রার্থী ছাড়াও প্রতিটি আসনে তিনজন ডামি প্রার্থী দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দল ও জোটের পক্ষে মাঠে থাকবে। এছাড়া ভোটের দিন ৪২ হাজার ভোট কেন্দ্রের প্রতিটি বুথে যাতে একাধিক এজেন্ট নিশ্চিত হয়।তারা আরও বলেন, এ কৌশল এ জন্য নেয়া হয়েছে যে, কোনো কারণে তাদের প্রধান প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল হলে যাতে ডামি প্রার্থীকে দলের প্রার্থী

 

হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সংশ্লিষ্ট আসনে প্রার্থীতা নিশ্চিত করা যায়। এ কৌশল নেয়া হয়েছে নিরাপদ থাকার জন্যই। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বলেন, কৌশলগত কারণে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের এক বা দুদিন আগ পর্যন্তও তারা তাদের দল বা জোটের প্রার্থী তালিকার চূড়ান্ত ঘোষণা দিবেন না।নির্বাচনের

তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বর। বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, তারা এবং তাদের জোট প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ ও তার জোটের। প্রার্থী তালিকার বিষয়ে নজর রাখছেন। তারা মনে করে, আওয়ামী লীগ তাদের শরীকদের সাথে যে

আসনগুলো ভাগাভাগি করবে সেখানে ক্ষমতাসীনদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের মুখোমুখি হতে হবে। আর এতে বিএনপি বা তার জোটের জয়ী হতে তুলনামুলক সহজতর হবে। ‘আমরা জানি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচনে জয়ী হতে হলে একটি ভালো ও কার্যকরি কৌশল নিয়ে এগুতে হবে।

 

সুতরাং প্রার্থী চূড়ান্ত এবং পোলিং এজেন্ট নির্বাচনের মতো প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের কৌশলী হতে হবে,’ বলেন বিএনপি নেতা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বিএনপির টিকিট পেতে ৪ হজার ৫৮০জন মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরম সংগ্রহ করেছেন।বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা

ইউএনবিকে বলেন, তারা এখনও ২০ দল এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে আসন ভাগাভাগির বিষয়টি চূড়ান্ত করেনি। তবে শরীকরা তাদের প্রার্থীদের একটি বড় তালিকা দিয়ে তা সুরাহ করতে চাপ দিচ্ছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি (জেএসডি) আ স ম আবদুর রব ১৩২ এবং নাগরিক

ঐক্য ৩২ জনের পৃথক তালিকা দিয়েছে। তবে, গণফোরাম এখনও কোনো তালিকা প্রদান করেনি। তাদের দলের নেতারা বলছেন, তারা আসন ভাগাভাগি প্রশ্নে যুক্তিসংগত অবস্থানে থাকবেন এবং তারা আশা করছেন বিএনপি তাদের ২০ থেকে ২৫ আসনে ছাড় দিবে।এছাড়া গণফোরামের

 

একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে নির্বাচন করতে চান এমন কয়েকজনের তালিকা প্রকাশ করেছেন ড. কামাল হোসেন। ওই তালিকার বেশ কয়েকজন বেশ পরিচিত। পাশাপশি কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়াও আরও ১০টি আসন চায়।এদিকে ২০ দলীয়

জোটের অংশীদারদের মধ্যে জামায়াতে ইসলাম ৪০টি আসন, এলডিপি ও খেলাফতে মজলিশ ২০, বিজেপি ৩, জাতীয় পার্টি (জাফর) ১৫, কল্যাণ পার্টি ৫, জামায়াত-ই-উলামা-ইসলাম ৬ ন্যাপ এবং এনডিপি ৬, জাগপা ও এনপিপি ৪, ডেমোক্রেটিক লীগ এবং সাম্যবাদী দল ৪, মুসলিম লীগ ২, লেবার

পার্টি ২ আসন চায়। এছাড়া আরও চারটি দল তাদের শীর্ষ নেতাদের মনোনয়ন চেয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা আসন ভাগাভাগি নিয়ে দল ও জোটের অংশীদারদের আলোচনা চলছে এবং নির্দিষ্ট

 

সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাবেন। তিনি বলেন, তাদের প্রত্যেকটি আসনের মধ্যেই অনেক যোগ্য প্রার্থী রয়েছে। তবে তারা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থীকেই বেছে নেবে।মোশাররফ বলেন, তাদের বিশ্বাস দল ও জোটের অংশীদারদের মধ্যে ৩০০টি আসনে

প্রার্থী চূড়ান্ত করতে কোনও সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে না, কারণ ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে তারা নির্বাচনে জয়লাভ করতে চায়। আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে আসন ভাগাভাগি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ইঙ্গিত দেন তিনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ বলেন, তারা

সফল হতে পারে এমন যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নেবে। ‘আমরা সবাই একমত যে এমন প্রার্থী মনোনীত করা হবে যারা জয় হবার সেরা সুযোগ আছে।’দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, প্রতিটি আসনে এমন অনেক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন, যাদের মধ্যে থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত

 

করা খুবই কঠিন।তিনি বলেন, আমরা দক্ষতা এবং খুবই মসৃণতার সাথে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে চাই্। অমরা জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা, ক্ষমতা ও যোগ্যতাকে বিবেচনা রেখেই তা করবো।

read more
রাজনীতি

ইসি সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের শাস্তি চেয়ে চিঠি দিল বিএনপি

Untitled-4-39-807×400

বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশন থেকে আচরণবিধি পালন সংক্রান্ত চিঠির পরই এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি

 

করেছে দলটি। শুধু সচিব নয়; ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, সংশ্লিষ্ট জোনের উপ-কমিশনার আরও সচিবালয়ের যুগ্ম সচিবেরও শাস্তি চাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এ-সংক্রান্ত চিঠি

 

দেয়। বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে এই বিচার চাওয়া হয়। চিঠিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ছাড়াও নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে দেয় প্রতিনিধি দল। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে,

নির্বাচন কমিশন তড়িঘড়ি করে ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পর পরেরদিন থেকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাস্তা বন্ধ করে যানজট সৃষ্টি করে মনোনয়নপত্র বিতরণ করে । মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ঢাকা ঢোল পিটিয়ে মোটরসাইকেল, গাড়ি, পিকআপে করে বিভিন্ন স্থান থেকে ধানমন্ডি যায় এবং

রাস্তাঘাট বন্ধ করে মনোনয়ন সংগ্রহ করে। এ ছাড়া নিজেদের প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে দুইজন নিহত হয়। এ সময় পুলিশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। অথচ বিএনপির মনোনয়নপত্র বিতরণের সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বতস্ফূর্ত জনগণের ঢল দেখে নির্বাচন কমিশন সচিব ও

 

ডিএমপি কমিশনারের গায়ে জ্বালা ধরে। কমিশন নড়েচড়ে বসে। ‘কথিত আচরণবিধি’-এর নামে খড়গ নেমে আসে বিএনপির ওপর। ইসি সচিব গণমাধ্যমে আচরণবিধি পালনের কঠোর হুমকি নিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করে। এটি একটি পক্ষপাতমূলক আচরণ। ১৩ নভেম্বর নির্বাচন

কমিশনের আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশনা নেতাকর্মী, সমর্থকসহ জনগণের অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্থ করেছে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের দেয়া বক্তব্য বিভ্রান্তিমূলক এবং ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামানের বক্তব্যে ঘটনা সংগঠনের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলেও

মন্তব্য করা হয়েছে চিঠিতে। চিঠিতে প্রশ্ন রাখা হয়- আওয়ামী লীগের জনসমাগমে এই ঘটেনি কিন্তু বিএনপির সময় ১৪ নভেম্বর এ ঘটনা কীভাবে ঘটল? চিঠিতে দাবি করা হয়, এই ‘সন্ত্রাসী’ হামলায় বিএনপির অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে ও তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ

 

নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় ৪৭২ জন নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করেছে। ৭০ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং ৩৮ জন নেতাকর্মীকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এমতাবস্থায় ‘নির্বাচন কমিশনের সচিব, ঢাকা মেট্রাপলিটন পুলিশের কমিশনার, সংশ্লিষ্ট জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার এবং জারিকৃত

পত্রের স্বাক্ষরকারী নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২) এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে চিঠিতে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আইনের আশ্রয় নেয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, পুনর্নির্ধারিত তফসিল

অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর এবং ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর।

সুত্র: জাগোনিউজ২৪

read more
রাজনীতি

নির্বাচন ঘিরে রাজধানীতে পুলিশের প্রস্তুতি

eTBEuS_Police

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সঙ্ঘাত-সহিংসতা ঠেকাতে রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই মধ্যে রাজধানীতে বাড়ানো হয়েছে র্যাব-পুলিশের টহল। নগরীর প্রবেশদ্বারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। পোশাকধারী বাড়তি পুলিশ

 

সদস্যদের পাশাপাশি দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন বিপুলসংখ্যক সাদা পোশাকের পুলিশ। প্রস্তুত রয়েছে পুলিশের সাঁজোয়া যান ও জলকামান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাচন ঘিরে এখন সারা দেশ সরগরম। যেমন মাঠে-ময়দানে চলছে উৎসবের আমেজ, তেমনি নির্বাচন ঘিরে উত্তাপও বাড়ছে। বিশেষ

 

করে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু রাজধানী ঢাকার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। দলীয় মনোনয়ন পাকাপোক্ত করতে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন। ফলে উত্তাপ বইছে রাজধানীতে। মনোনয়ন নিয়ে নিজ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সঙ্ঘাত ঘটতে পারে যেকোনো সময়। ইতোমধ্যে

রাজধানীর আদাবরে মনোনয়ন নিতে যাওয়ার সময় আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: সাদেক খানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের মধ্যেই হুড়োহুড়িতে পিকআপের চাপায়

আরিফ ও সুজন নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। অপর দিকে নয়াপল্টনে মিছিলে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে বিএনপির কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ফলে নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজধানীর নিরাপত্তার বিষয়টি অধিকতর গুরুত্ব দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র

 

জানায়, নির্বাচনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে ইতোমধ্যে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি নিয়ে সম্প্রতি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দফতরে মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আলোচনার বিষয় ছিল নির্বাচনী সহিংসতা। নির্বাচনে সহিংসতা হতে পারে এমন

শঙ্কা ব্যক্ত করে সভায় ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্র জানায়, সভায় ঝুঁকিপূর্ণ আসন চিহ্নিত করতে রাজধানীকে তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। রাজধানীর আসনগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা

হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোকে এক ক্যাটাগরিতে রেখে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও কম গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোকে বাকি দু’টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। তিন ক্যাটাগরির আসনগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী পৃথকভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সাথে আসনগুলোতে ক্ষমতাসীন

 

আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কোন্দলও বিবেচনায় আনতে বলা হয়েছে। এসব এলাকায় যখন যা ঘটবে তাৎক্ষণিকভাবে তা সিনিয়র কর্মকর্তাদের জানানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কোনো তথ্য আড়াল করা যাবে না। কোনো ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার। পুলিশ সদর দফতরের এক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো বাছাই করা হয়েছে। এসব আসনে যাতে কোনো সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা না হয় সেজন্য আগাম প্রস্তুতি নিতেই ঝুঁকিপূর্ণ আসনগুলো বাছাই করে আলাদা করা হয়েছে। সূত্র জানায়,

দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার। দায়িত্ব পালনের সময় বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেট, লেগ গার্ড ও রায়ট গিয়ার বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করতে বলেছেন তিনি। পাশাপাশি ডিউটির সময় মোবাইল ফোন

 

ব্যবহার না করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন কমিশনার। নির্বাচনে কোনো গোষ্ঠী সহিংসতার চেষ্টা করতে পারে, চড়াও হতে পারে পুলিশের ওপর। তাই পুলিশকে আত্মরক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে রায়ট গিয়ারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে সূত্র জানায়। এ দিকে নির্বাচনী আচরণবিধি

লঙ্ঘনকারীদের ছাড় না দেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার। সভায় কমিশনার বলেন, সব কিছু মাথায় রেখেই নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি যে-ই লঙ্ঘন করুক না কেন, তিনি যে দলেরই হোক না কেন, তাকে ছাড় দেয়া যাবে না। এ দিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র

করে যেকোনো ধরনের সহিংসতা রোধে পুলিশ সদর দফতর ও র্যাব থেকে মাঠপর্যায়ে বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। সূত্র জানায়, স্থাপনায় বিশেষ নজরদারি রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া, যেকোনো ধরনের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়াতে সড়কপথ, রেলপথ ও

 

নৌপথে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া, রাজধানীতে বাড়ানো হয়েছে র্যাব-পুলিশের টহল। নগরীর প্রবেশদ্বারসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।

সুত্রঃ নয় দিগন্ত।

read more
রাজনীতি

ইশতেহারে থাকছে নানান চমক…

vR5gfF_1531893200

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে থাকছে নানান চমক। বড় শহরগুলো ছাড়াও পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে এগিয়ে নিতে বড় চমকের ঘোষণা থাকবে ইশতেহারে। থাকবে মাদ্রাসায় কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা। কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে

 

তোলাও থাকবে নির্বাচনী অঙ্গীকার নামায়। নতুন কর্মসংস্থান, সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার মান উন্নয়ন, নারীদের স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামাঞ্চলের অর্থনীতির উন্নয়ন, চরাঞ্চলের মানুষ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি, প্রান্তিক জনগণের আধুনিক টেকনোলজির সব সুযোগ সুবিধা ও

 

ব্লু-ইকোনমি বা সমুদ্র সম্পদ নির্ভর অর্থনীতির বিষয়টি নির্বাচনী ইশতেহারে প্রাধান্য পেতে পারে বলে জানিয়েছেন দলের নীতিনির্ধারকরা। চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইশতেহারের খসড়া তৈরি করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সর্বাধিক গুরুত্ব পাওয়া

বিষয়গুলো হলো– ডেল্টা প্ল্যান, ব্লু ইকোনোমি, তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির সূত্র বলছে, এই ইশতেহার হবে মূলত উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের রোডম্যাপ। আওয়ামী লীগের ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির সদস্যরা বলছেন, আগামী

বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) এই ইশতেহার চূড়ান্ত হবে। ওই দিন ইশতেহার প্রণয়ন উপকমিটির বৈঠকে দলীয় সভাপতির পরামর্শে ইশতেহারে শেষ মুহূর্তের কিছু সংযোজন ও বিয়োজন করা হবে। নির্বাচনের ১০ থেকে ১৫ দিন আগে চূড়ান্ত ইশতেহার জনগণের সামনে তুলে ধরবেন দলের সভাপতি ও

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য জানান, ইশতেহারের কয়েকটি খসড়া কাভার এবং শ্লোগান প্রস্তুত রয়েছে। তবে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ইশতেহারের শ্লোগান,কাভার এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট তথ্য দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ

হাসিনা দেখার আগে কেউ বাইরে প্রকাশ করতে পারবে না। ইশতেহারের খসড়াটি চূড়ান্ত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এখন তিনি সেটি চূড়ান্ত করবেন। এরপর তা প্রিন্ট করা হবে। সূত্র জানায়, ব্লু ইকোনমিতেও আছে একটি লক্ষ্য। সমুদ্রসীমা

জয়ের পর সেখানকার সম্পদ কিভাবে ব্যবহার করা হবে,কিভাবে সমুদ্র সুরক্ষা করা হবে, এসবের দিক নির্দেশনাও থাকছে এবারের ইশতেহারে। প্রকৃতি ও পরিবেশ ঠিক রেখে সমুদ্র সম্পদকে কিভাবে কাজে লাগানো যাবে, তার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তরুণদের কর্মসংস্থান প্রশ্নে তাদেরকে দুই

 

ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পরিকল্পনা পেশ করা হবে। দুই ক্যাটাগরির একটি হচ্ছে শিক্ষিত ও বেকার তরুণ। অন্যটি হলো, অল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত তরুণরা। যার জন্য যেমন প্রশিক্ষণ ও কর্মসূচি প্রযোজ্য, তার জন্য তেমনই প্রশিক্ষণ ও কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে থাকবে কঠোর

ঘোষণা। দুর্নীতি প্রতিরোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেগুলোর উল্লেখ থাকবে ইশতেহারে। সূত্র জানায়, এবারের ইশতেহারে ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত বিষয়গুলোর অগ্রগতি তুলে ধরে আগামীর পরিকল্পনা সন্নিবেশিত করা হয়েছে। সূত্রমতে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন জনসভায় আগামী প্রজন্মের জন্য উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিতে যেসব প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার করেছেন, সেগুলোও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, প্রতিটি গ্রামকে নগর উন্নয়নের ছোঁয়ায় শহরে উন্নীত করার পরিকল্পনা।

 

এছাড়া, এবারের ইশতেহারে নতুন একটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার পাশাপাশি সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ-মাদকমুক্ত দেশ গড়া এবং উন্নয়ন-গণতন্ত্র-সুশাসনের ওপর আলোকপাত করা হবে। এবারও গত দুই ইশতেহারের মতো থাকবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ওপর বিশেষ গুরুত্ব। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

দেড় কোটি নতুন ভোটার হয়েছে। আমরা এই বিষয়টির ওপর জোর দিচ্ছি। তারুণ্য ও নারী ভোটারদের জন্য ইশতেহারে থাকবে উদ্যোক্তা তৈরির পরিকল্পনা। এছাড়া সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা, মাদ্রাসাগুলোতে কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা

করার দিকেও। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্যও দিকনির্দেশনা থাকবে। এছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা, ভারি শিল্প কারখানা নির্মাণ ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা, দারিদ্র্য বিমোচনের

 

মাধ্যমে দারিদ্র্যের হার ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা, নারী উদ্যোক্তা তৈরি, কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন, পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর উন্নয়ন, মাদ্রাসায় কর্মমুখী শিক্ষা সংযোজন করা, সমুদ্র অর্থনীতির বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও দুর্নীতি-সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখাবে আওয়ামী লীগ। জানা

গেছে, প্রায় ৬০ পৃষ্ঠার খসড়ায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, কৃষি ও শিক্ষায় উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে অগ্রগতি, কর্মসংস্থান, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, একশটি অর্থনৈতিক জোন স্থাপন, নারী উন্নয়ন ও নারী নীতি বাস্তবায়নের বিষয়গুলোসহ গত ১০ বছরে সরকার ও

রাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো তুলে ধরা হবে। এর বিপরীতে, ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লেখ করা যে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা হয়নি বা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি, সেগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করে তুলে ধরা হবে ইশতেহারে। আওয়ামী লীগের

 

সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন, একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের যে চাহিদা সে চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে দলের আগামী নির্বাচনী ইশতেহারের খসড়া চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। আমাদের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ভোটার রয়েছে। আধুনিক

বাংলাদেশ গঠনে তাদের যে চাহিদা, তাদের সে বিষয় গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে আগামী নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেন, আমার মনে হয় আগামী নির্বচনী ইশতেহারে নতুন প্রজন্মের কর্মসংস্থানের বিষয়টি প্রাধান্য

দেওয়া হতে পারে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের স্লোগান ছিল দিন বদলের সনদ, ২০১৪ তে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তাছাড়া নতুন ভোটার বা তরুণদের জন্য থাকবে চমক। তাদের নানান বিষয় এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে থাকবে। নির্বাচনী ইশতেহার তৈরীর প্রক্রিয়া

 

চলছে। এখনই সব কথা বলা সময় নয়। তবে অনেক চমক থাকবে। আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর বলেন, গ্রাম-গঞ্জের মানুষের সাথে কথা বলে তাদের কাঙ্খিত চাহিদা অনুযায়ী ইশতিহার করা হচ্ছে। আশা করা যায়, আগামী ইশতেহারেও বাংলাদেশের মানুষের

জন্য ভালো কিছু চমকই থাকবে। যা সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকার মান উন্নয়ন হবে। উন্নয়নের বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। প্রধানমন্ত্রী একটি কথা বলেছেন গ্রামকে শহরে মত অধুনিকায়ন করতে হবে। বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগণ আধুনিক টেকনোলজির সব সুযোগ সুবিধা পাবে।

ইশতেহার নিয়ে দলের মধ্যে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০০ বছরের একটি পরিকল্পনা করেছেন, যেটা ‘ডেল্টা ২১০০’ নামে পরিচিত।

সূএ ঃ-bd24live.com

read more
রাজনীতি

‘ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় আসলে দেশ চালাবে’ তারেক রহমান

Untitled-1 copy

ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় আসলে – যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী গতকাল সোমবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে সে বিষয়ে দুই পক্ষের কেউই মুখ খুলছে না।

 

কিন্তু বাংলা ইনসাইডারের অনুসন্ধানে জানা গেছে, বদরুদ্দোজা চৌধুরী শ্রিংলাকে বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় আসলে তারেক জিয়াই দেশ চালাবে। তারেক জিয়ার ছত্রছায়ায় বাংলাদেশ আবার সন্ত্রাসবাদীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে। হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে আলাপকালে বদরুদ্দোজা চৌধুরী

 

তফসিল ঘোষণার পর থেকেই ঐক্যফ্রন্টের নিয়ন্ত্রণ তারেক জিয়ার হাতে চলে গেছে বলেও মন্তব্য করেন। এ সময় শ্রিংলা তাঁর সঙ্গে একমত পোষণ করেন। এক পর্যায়ে হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তফ্রন্টের মনোনয়ন প্রদাণ বা আসন ভাগাভাগি

নিয়ে কোনো সমস্যা আছে কিনা। বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, তাদের এ ধরনের কোনো সমস্যা নেই। সূত্র- বাংলা ইনসাইডার তারেক ইস্যুতে বিটিআরসি’র বাচ্চামী! বিএনপি’র দলীয় গঠনতন্ত্রের ৭ ধারার সংশোধন নিয়ে আদালতের যে আদেশ আছে তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব নির্বাচন

কমিশনের। সেটা বাস্তবায়ন না করে তারেক জিয়ার অবৈধ প্রচার বন্ধ করতে কেন বিএনপি’র চেয়ারপারসনের অফিসের স্কাইপ বন্ধ আর ইন্টারনেট লাইন কাটা হয়েছে তা পরিষ্কার না। এটা করে কি পলাতক ফেরারি সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক জিয়াকে আটকানো যাবে! কার পরামর্শে বিটিআরসি

 

এটা করেছে তা বোঝা যাচ্ছে না। এটা কি সঠিক সিদ্ধান্ত হয়েছে? দেশে এটা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হচ্ছে। এটা ঠিক যে, তারেক জিয়ার প্রচার বন্ধ করা দরকার কারণ আদালত মনে করেন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক যে কেউ দেশের শান্তি বিনষ্ট করতে পারে। কিন্তু তা কীভাবে তা নিয়ে কি সরকারের সংশ্লিষ্ট

দপ্তর ৭ই জানুয়ারি ২০১৫ সালে দেওয়া আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে জন্য কি কোনো হোমওয়ার্ক করেনি? এতদিন পরে এসে বিটিআরসি যা করেছে সেটাকে অনেকেই ছেলেমানুষী না বলে, বলছেন ‘বাচ্চামী’। দুনিয়া বদলে গেছে। এখন সারা দুনিয়া জুড়ে চলছে অর্থনৈতিক রাজনীতি। টাকা বা অর্থ

যার মূল। টাকা দিয়ে অনেক কিছুই হয় এখন। তাই অবৈধ টাকার কুমির তারেক জিয়া কেন নিজেকে বাঁচাতে তার কাছে থাকা অবৈধ টাকার ব্যবহার করবে না! কোনো দেশের উন্নতি হতে থাকলে ব্যবসার ধরণ বদলায়। প্রাইমারি, সেকেন্ডারি, টারশিয়ারি বিজনেসের পরে এখন উন্নত দেশে

 

কুয়াটেনারি ব্যবসার রমরমা অবস্থা। কুয়াটেনারি আসলে কম্পিউটিং ও আইসিটি, কনসালটেন্সি, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্যবসা। ব্যবসার এই খাতের অধীন ‘কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা লিমিটেড (সিএ)’ নামের বড় মাপের একটা ব্রিটিশ পলিটিক্যাল কনসাল্টিং ফার্ম আছে। ‘কেমব্রিজ

অ্যানালিটিকা লিমিটেড (সিএ)’ সারা দুনিয়ায় রাজনীতি আর ভোটের প্রোপ্যাগান্ডা নিয়ে কাজ করে। বিটিআরসি কি মনে করে যে, তারেক জিয়া ব্রিটিশ এই কোম্পানির নাম জানে না! বিবিসির গবেষণায় ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে যে, ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিজেপির অভূতপূর্ব জয়ের পেছনে দলের

তথ্যপ্রযুক্তি বা সোশ্যাল মিডিয়া সেল ও ধর্মকে ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের সহায়তা করেছে ‘কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা লিমিটেড (সিএ)’ নামের ঐ প্রতিষ্ঠান। যেটি আমেরিকার নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ব্যবহার করেছেন বলে বাজারে কথা চালু আছে। এছাড়া রোমিং করা

 

একটা ভারতীয় মোবাইল কোম্পানির সিম বা চাইনিজ কোনো টেলিফোন কোম্পানির সিম কার্ড দিয়ে অনেক বড় ব্যান্ড উইথের নেট নিয়ে তারেক জিয়া কি কথা বলতে পারে না? এটা কি উল্টো হলো না! গত ৩১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে হাইকোর্ট এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন

কমিশনকে বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন সেটা বাস্তবায়ন করলে তারেক জিয়া বা খালেদা জিয়া কেউ আর বিএনপি’র হয়ে নির্বাচনে আসতে পারে না বৈধ ভাবে। বিএনপি’র গঠনতন্ত্রের ধারা আঘাতেই বিএনপি’র সব কূল হারাবে, তা বিএনপি’র ঐ

গঠনতন্ত্রেই উল্লেখ আছে, বুঝে নিতে হবে আইনের লোকের কাছে। তাহলে বিটিআরসি’র এই ‘বাচ্চামী’ কেন? তারেক জিয়াকে কি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না!

সূত্র- বাংলা ইনসাইডার

read more
রাজনীতি

শরীকদের যে কয়টি আসন দিতে পারে বিএনপি

39YvCV_BNP

২০ দলের শরিক দলগুলো নিজ নিজ দলের প্রার্থী তালিকা তৈরি করে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতার হাতে পৌঁছে দিয়েছে। বিএনপি ২০ দলীয় জোটের (সম্প্রসারিত ২৩ দল) শরিকদের সর্বোচ্চ ৩৫-৪০ আসন দেয়ার কথা ভাবছে। তবে সমঝোতা না হলে চূড়ান্ত দরকষাকষির সময় আরও দুই-তিনটি

 

আসনে ছাড় দিতে পারে। এখন দলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। বিএনপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। বুধবার (২১ নভেম্বর) বিএনপির দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শেষ হচ্ছে। এর পরই আসন ভাগাভাগি নিয়ে জোটসঙ্গীদের সঙ্গে

 

বসবে দলটি। সামনের সপ্তাহের মাঝামাঝি আসন বণ্টন চূড়ান্ত হতে পারে। বিএনপির সঙ্গী এখন দুটি বৃহৎ রাজনৈতিক মোর্চা। দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা ২০ দল ছাড়াও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক দল রাজপথের এই বিরোধী দল। এখন রাজনৈতিক দল রয়েছে ২৭টি (জোটের ২৩ দল+ ঐক্যফ্রন্টের

৪ দল)। এর বাইরেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন আইনজীবী, সাবেক সচিব, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজ মিলিয়ে বেশ কয়েকজনকে মনোনয়ন দিতে চান। সব মিলিয়ে আসন ভাগাভাগিতে দুটি বৃহৎ জোটের শরিকদের সন্তুষ্ট রাখা বিএনপির বড় ধরনের একটি

চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যদিও দলটির নেতারা বলছেন, উইনেবল প্রার্থী হলে শরিকদের আসন ছাড় দিতে আপত্তি নেই তাদের। জানা গেছে, আসন ছাড়ের ক্ষেত্রে সংখ্যা নয়, জনপ্রিয়তাকে প্রাধান্য দেবে বিএনপি। ইতিমধ্যে শরিকদের কাছ থেকে তাদের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই

 

তালিকা ধরে বিএনপির পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে জরিপ চালানো হচ্ছে। জরিপে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আসন ছাড় দেয়া হবে। এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০-দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের দুটি জোট আছে। কারও

সঙ্গেই এখনও আলোচনা শুরু হয়নি। সময় আছে অনেক। তবে এবার আমাদের বিজয়ী হতে হবে একটি ভীরু পরিবেশে। তাই জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা যার বেশি, তাকেই আমরা মনোনয়ন দেয়ার চেষ্টা করব।

read more
রাজনীতি

ঐক্যফ্রন্ট : কী পেল বিএনপি?

365939_148

১৯৫৪ সালে শক্তিশালী মুসলিম লীগকে টেক্কা দিতে পূর্ব পাকিস্তানের নেতারা ঐক্য হওয়ার কথা ভাবতে থাকেন। বিশেষ করে প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী মুসলিম লীগ (বর্তমান আওয়ামী লীগ) জোট তৈরির জোর চেষ্টা চালায়। শেষমেশ চারটি দল মিলে তৈরি হয় যুক্তফ্রন্ট। ফলে একই মঞ্চে চলে

 

আসেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিবের মতো জাঁদরেল নেতারা। সে সময় মওলানা বেশ জ্বালাময়ী ভাষণ দিতেন। এই সেই ভাসানী, যিনি ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে জেলে নেয়ার পর সেনা শাসক আইয়ুব খানকে বলেছিলেন, ‘আইয়ুব যদি

 

মুজিবকে মুক্তি না দাও, তোমাকে দুই ঊরুতে ধরে টেনে ছিঁড়ে ফেলব আমি।’ ১৯৫৪-তেও ভাসানীর জনপ্রিয়তা ছিল তার অন্যান্য পর্যায়ে। কৃষকের নেতা এ কে ফজলুল হক জনগণের কাছে ছিলেন ‘বাঘ’ হিসেবে পরিচিত। এমন সব বাঘা নেতার গড়া যুক্তফ্রন্ট শেষমেশ জয়ও পেয়েছিল। কিন্তু সেই

নেতাদের গড়া সরকার অর্ধবছরও শাসন করতে পারেনি। জোটে থাকা দলের নেতাদের পদপ্রাপ্তি নিয়ে শুরু হয় দ্বন্দ্ব, তা পৌঁছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। ফলে নিজেরাই সংসদ ভেঙে দেয় যুক্তফ্রন্ট সরকার। শেষমেশ ক্ষমতা চলে যায় পাকিস্তানের সামরিক সরকারের হাতে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের

তফসিল ঘোষণা হয়েছে। ভোট ৩০ ডিসেম্বর। ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন বাছাই সম্পন্নের পথে। জোটগুলো আসন নিয়ে দরকষাকষির শেষ প্রান্তে। নির্বাচন কমিশন ব্যস্ত ব্যালট পেপার তৈরিতে। জনগণ চা দোকানে রঙ-বেরঙের রাজনৈতিক আলাপে বেশ উৎফুল্ল। কেবল

 

যে উৎফুল্ল তা নয়, সাথে তারা শঙ্কিতও। এই নির্বাচনের একটি ভালো দিক হলো এটি ২০১৪ সালের মতো একতরফা হচ্ছে না। প্রধান বিরোধী জোট এবার নির্বাচনে আসছে। এই নির্বাচন সর্বশেষ গঠিত ঐক্যফ্রন্ট আরো গুরুত্ববহ করে তুলেছে। ঐক্যফ্রন্টে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর যোগদান

জোটটিকে করেছে আরো প্রাণবন্ত। বঙ্গবীর একটা সময় বঙ্গবন্ধু পরিবারের খুব কাছের লোক ছিলেন। রাজনীতিতে এ লোকটির এখনো আদর্শ বঙ্গবন্ধু। কাদের সিদ্দিকী মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলে দুর্গ গড়ে তুলেছিলেন। তার গড়া ‘কাদেরিয়া বাহিনী’ টাঙ্গাইলকে করেছে পাকমুক্ত। কাদের সিদ্দিকীর

আরো একটি দিক হলো বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কেবল তিনি প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলেছিলেন। এই প্রতিরোধ যুদ্ধে তার অনেক সহযোদ্ধা মারা গেছেন। অনেকে হয়েছেন আহত, অনেকে পঙ্গুত্ব নিয়ে এখনো বেঁচে আছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করার অপরাধে তাকে অনেক

 

বছর ভারতে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। ভারত থেকে ফিরে তিনি কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নামে একটি রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন। অনেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে লাফালাফি করে ফায়দা নিচ্ছে। হচ্ছে ফায়দার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী। এ ক্ষেত্রে বঙ্গবীর একেবারে ভিন্ন। দেশে

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবীর প্রধান একজন, যিনি এযাবৎকাল অনেক কঠিন সত্য বীরকণ্ঠে উচ্চারণ করেছেন, এখনো করেন। পাকিস্তানি নেতারা আমেরিকার সাথে সামরিক চুক্তি করলে ভাসানী নিজ দলকে প্রতিবাদ জানাতে আহ্বান জানান। কিন্তু তৎকালীন আওয়ামী লীগ বিরত থাকে

প্রতিবাদ করা থেকে। দেশবিরোধী সামরিক চুক্তির প্রতিবাদ করতে গিয়ে একসময় আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেন ভাসানী। এ দিক থেকে মওলানা ভাসানীর সাথে বঙ্গবীরের বেশ মিল রয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যায় আনন্দ প্রকাশকারী নেতাদের নিয়ে জোট করায় আওয়ামী লীগে যোগ দেননি বঙ্গবীর।

 

ঐক্যফ্রন্টের আরো একটি ভালো দিক হলো, এখানে যুক্ত হয়েছেন ড. কামাল হোসেনের মতো পাকা আইনজীবী। ড. কামাল হোসেনের অতীতও বেশ দারুণ। শেখ মুজিবুর রহমানকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ফাঁসায় আইয়ুব খান। মামলা এমন পর্যায়ে চলছিল, শেখ মুজিবকে দেশদ্রোহী প্রমাণিত

করে ফাঁসিতে ঝুলানোর পথে নেয়া হয়। সেই মামলায় শেখ মুজিবের হয়ে তরুণ আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন কামাল হোসেন। শেখ মুজিবসহ তার সহপাঠী কারাবন্দীদের নির্দোষ প্রমাণে জোরালো ভূমিকা রাখেন ড. কামাল এবং শেষমেশ মুক্তিও পান তারা। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু দু’টি

আসন থেকে জয় পান। ঢাকার আসনটি বঙ্গবন্ধু ড. কামাল হোসেনকে দিয়ে দেন। আজ যে সংবিধান সংশোধন নিয়ে দুই পক্ষ তর্কবিতর্কে লিপ্ত, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বেই সেই সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল। ঐক্যফ্রন্ট গড়ার পরপরই ড. কামালের বক্তব্য ছিলÑ

 

সংবিধান সংশোধন দুই মিনিটের কাজ, যা ব্যাপক আলোচিত করেছিল ঐক্যফ্রন্টকে। মজার বিষয় হলো, যুক্তফ্রন্ট গড়া হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উত্তরাধিকারী হলেন ঐক্যফ্রন্ট গড়া ড. কামাল হোসেন। পারিবারিক সূত্রে এ দুই পুরুষ আত্মীয়। এ ছাড়া ঐক্যফ্রন্টের অপর দুই নেতা মাহমুদুর রহমান

মান্না ও আ স ম আবদুর রব প্রথম দেশের পতাকা উত্তোলন করে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন ইতিহাসে। ঠিক এই দিক থেকে ঐক্যফ্রন্ট বেশ শক্তিশালী। মুক্তিযুদ্ধের পরে শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সাথে জোট করে অসময়ে কিছুটা সুবিধায় আছে বিএনপি। দলের প্রধান নেতার অনুপস্থিতির ফাঁকা অবস্থান

ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমে পুষিয়ে নিচ্ছে বিএনপি। তবে আশঙ্কাও আছে। কথায় আছে, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হয়। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ক্ষমতায় গেলেও ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের অবস্থা হবে ঐক্যফ্রন্টের। ক্ষমতা আর পদের দ্বন্দ্বে সরকার গড়ার আগে ভেঙে পড়বেন তারা। সেটি

 

নির্বাচন-পরবর্তী হিসাব। জয়-বিজয় এখন অনেক সূত্রে গাঁথা। বর্তমান অবস্থা হলো, দেশ আবারো একটি শক্তিশালী বিরোধী জোট পেল, যেটি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বড় একটি দিক। এতে সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব অনেকাংশে কমে আসবে। বিএনপির তৃণমূল সমর্থন বেশ ভালো, যেটা ঐক্যফ্রন্ট

জোটের অন্য নেতাদের নেই। এ সঙ্কটে বিএনপির তৃণমূল জাগাতে দরকার ছিল এমন সব নেতার; যারা সরকারকে কথায় কাবু করবে, রাখবে চাপে। আপাতত সেটি বিএনপি পেয়েছে।

লেখক : শিক্ষার্থী, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা

read more
রাজনীতি

তারেককে ছাড়াই শুরু বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

feXjbY_1542690611

ফাইল ফটো ফেনী জেলার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার তৃতীয় দিনের মতো শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার শুরু হয়। সকালে চট্টগ্রাম বিভাগ, এরপর সিলেট ও

 

কুমিল্লা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু। এর আগে গত ১৮ নভেম্বর রোববার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু হয়। প্রথম দিন রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের

 

সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। দ্বিতীয় দিন বরিশাল ও খুলনা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলছে। এরপর বুধবার ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের

সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে চারদিনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষ হবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দু’দিন স্কাইপির মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্ত হলেও সোমবার দুপুরের পর স্কাইপি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মঙ্গলবার তারেক রহমান এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত

হতে পারছেন না। এর আগে গত ১২ থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছে ৪ হাজার ৫৮০টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়।

read more
1 2 3 4 8
Page 2 of 8