close

রাজনীতি

রাজনীতি

আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১২, বিএনপি অফিস ভাঙচুর

Untitled-1 copy

ভৈরবে বিএনপির সভায় হামলার ঘটনা নিয়ে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে পুলিশসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি দোকানসহ বিএনপি অফিস ভাঙচুর করা হয়।রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় শহরের চণ্ডিবের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ভৈরব উপজেলা বিএনপি একটি

 

নির্বাচনী কর্মিসভা চলছিল। আহতরা হলেন পুলিশের এসআই অভিজিৎ, কনেস্টেবল আবদুল হাকিম, কনেস্টেবল আবদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি আক্তার হোসেন, যুবদল নেতা জসীম উদ্দিন, পৌর যুবলীগ সভাপতি ইমন রহমান ইমন,

 

ছাত্রলীগ নেতা রাকিব, সোহরাব, প্রান্ত, আমজাদ, সুব্রত। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। সংঘর্ষের সময় আক্তার নামের এক ব্যক্তির ঔষধের ফার্মেসিসহ তিনটি দোকান ভাঙচুর করা হয়। এদিকে রাত সাড়ে ৮ টায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ লীগের কর্মীরা উপজেলা বিএনপির

 

শহরের ডালপট্রির অফিস ও একটি ভেনিস বাংলা রেস্টুরেন্ট ভাংচুর করে। রোববার সন্ধ্যার পর উপজেলা বিএনপির নির্বাচনী একটি জনসভা শহরের চন্ডিবের এলাকায় শুরু হয়। এ সভাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্য সংঘর্ষ শুরু হলে পুলিশসহ ১২ জন আহত হয়। এ বিষয়ে ভৈরব পৌর বিএনপির

সভাপতি হাজি শাহীন জানান, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চন্ডিবের এলাকায় বিএনপির একটি কর্মিসভায় আওয়ামী লীগের কর্মীরা হামলা চালালে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা আমাদের সভার ওপর আতর্কিতভাবে

হামলা চালায়। তারা ভৈরব বাজারে গিয়ে বিএনপির অফিসসহ একটি রেস্টুরেন্ট ভাংচুর করে বলে তিনি জানান। ভৈরব পৌর যুবলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন ইমন জানান, আমাদের কর্মীরা ছাত্রলীগের একটি অনুষ্ঠানের দাওয়াত দিতে চন্ডিবের গেলে বিএনপির কর্মীরা আমাদের কর্মীর ওপর

আক্রমণ করে। ভৈরব থানার উপ-পরিদর্শক অভিজিৎ জানান, দু’দলের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ সময় সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে তিন পুলিশও আহত হয় বলে তিনি জানান।

সূএঃ- Green BD News

read more
রাজনীতি

গণফোরামে যোগ দেওয়ার কারন সাফ জানিয়ে দিলেন রেজা কিবরিয়া

Untitled-1-32

গণফোরামে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া।রোববার দুপুরে মতিঝিলে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

 

আওয়ামী লীগ ছেড়ে গণফোরামে যোগ দেয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, বাবা শাহ এএমএস কিবরিয়ার আদর্শ থেকে আওয়ামী লীগ অনেকটাই দূরে সরে এসেছে। তাই ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টে যুক্ত হয়েছি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচন করতে চান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে কাজ করতে চাই। এ জন্য ঐক্যফ্রন্টের হয়ে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

 

রেজা কিবরিয়া বলেন, আমি আমার আদর্শ থেকে এক চুলও পিছু হটিনি। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষায়, গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় ড. কামাল হোসেন যে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন, আমি তাতে সাড়া দিয়েছি।তিনি মনে করেন, ড. কামালের নেতৃত্ব ছাড়া

বাংলাদেশকে ঠিক পথে ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, একমাত্র ড. কামাল হোসেনই পারেন আমি যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি সেই স্বপ্নপূরণ করতে। বঙ্গবন্ধু সে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নপূরণ করার মতো ড. কামাল ছাড়া কেউ নেই। বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময়ে তার বাবা কিবরিয়া খুন

হন, বিএনপি সেই হত্যার বিচার করেনি; তবু কেন বিএনপি জোটে যোগ দিচ্ছেন-এমন প্রশ্নে রেজা কিবরিয়া বলেন, আমি আমার বাবার হত্যার বিচার দাবি থেকে পিছিয়ে যাইনি। বাবার হত্যায় জড়িতদের কিংবা নেপথ্যে যারা ছিলেন তাদের সঙ্গেও আমার কোনো আপস নেই।রেজা কিবরিয়া বলেন,

বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে আমার বাবা খুন হয়েছেন। বিএনপি বিচার করেনি। তারপর দুই বছর ক্ষমতায় ছিল বিশেষ সরকার, তারাও বিচার করতে পারল না। এরপর তো আওয়ামী লীগ টানা সাড়ে ৯ বছর ধরে ক্ষমতায়, তারা কেন কিবরিয়া হত্যার বিচার করল না- প্রশ্ন রাখেন রেজা কিবরিয়া।

read more
রাজনীতি

মামলায় ফেঁসে গেলেন নাজমুল হুদা

Untitled-17-4

দল থেকে বহিস্কার, তারপর গোটা তিনেক দল তৈরীর করেও নিজেকে রক্ষা করতে পারলেন না নাজমুল হুদা। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ফেঁসে গেলেন তিনি। দুর্নীতির মামলায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার আপিল খারিজ করে

 

হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে এমন পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, সরকারের উচ্চপর্যায়ে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি করা হলে তা জাতীয় স্বার্থ, অর্থনীতি ও দেশের ভাবমূর্তির জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।’ ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায়

 

দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ওই আপিল করেছিলেন নাজমুল। আপিল খারিজ করে তাকে ৪৫ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে হাইকোর্ট এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রোববার ৬৭ পৃষ্ঠার রায়টি প্রকাশ পায়। গেল বছরের ৮ নভেম্বর

বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ হুদা দম্পতির আপিল খারিজ করে রায় ঘোষণা করেন। এরপর আজ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। রায়ে বলা হয়, দুর্নীতি একটি অভিশাপ। সমাজের সবক্ষেত্রে দুর্নীতি দেখা যায়। দুর্নীতির সমাজের

নৈতিক অবস্থা নষ্ট করে এবং সরকারি কর্মচারীর দুর্নীতি কেবল নৈতিক অবস্থাই নষ্ট করে না বরং এটি জাতীয় অর্থনীতি ও জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। সরকারের উচ্চপর্যায়ে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি করা হলে তা জাতীয় স্বার্থ, অর্থনীতি ও দেশের ভাবমূর্তির জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। ঘটনা ও তথ্যাদি পর্যালোচনা করে রায়ে বলা হয়, আপিলের কোনো সারবত্তা পাওয়া যায়নি। আপিল খারিজ করা হলো।

 

বাকি সাজা ভোগ করতে বিচারিক আদালতের রায়ের কপি গ্রহণের ৪৫ দিনের মধ্যে আপিলকারী (নাজমুল হুদা) বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। এতে ব্যর্থ হলে বিচারিক আদালত তাঁর গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। ওই মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে নাজমুল

হুদার সাত বছর এবং তার স্ত্রী সিগমা হুদার তিন বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা হয়। এর বিরুদ্ধে আপিল করেন তাঁরা। বিচারিক আদালতের রায়ে নাজমুল হুদাকে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্ট নাজমুল হুদার

সাজা সাত বছর থেকে কমিয়ে চার বছরের কারাদণ্ড এবং তিন বছরের কারাদণ্ডাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে যে সময়টুকু সিগমা হুদা কারাগারে ছিলেন, তা সাজাভোগ হিসেবে গণ্য হবে বলা হয়েছে। নাজমুল হুদার আইনজীবী আশানুর রহমান বলেন, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি এখনো বিচারিক আদালতে পৌঁছায়নি। এই রায় বিচারিক আদালতের গ্রহণ করার ৪৫ দিনের মধ্যে নাজমুল হুদাকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে। এ হিসেবে ৪৫ দিন সময় আছে। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা হবে। আইনজীবী সূত্র বলেছে, ২ কোটি ৪০

লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২১ মার্চ ধানমন্ডি থানায় মামলাটি করে দুদক। এই মামলায় ২০০৭ সালের ২৭ আগস্ট বিচারিক আদালতের রায়ে নাজমুল হুদার সাত বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড এবং তার স্ত্রী সিগমা হুদাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ

রায়ের বিরুদ্ধে তারা হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ২০১১ সালের ২০ মার্চ হাইকোর্ট আপিল মঞ্জুর করে সাজার রায় বাতিল ঘোষণা করেন। এতে করে ওই মামলায় খালাস পান নাজমুল হুদা দম্পতি। এর বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন)

করে। এর শুনানি শেষে ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ হাইকোর্টের খালাসের রায় বাতিল ঘোষণা করে পুনরায় হাইকোর্ট আপিল শুনানি করতে নির্দেশ দেন। এরপর ওই আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই রায় দেন।

সূএঃ- AN Entertainment News

read more
রাজনীতি

মাশরাফিকে মনোনয়ন দেয়ার ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত নিল আ’লীগ

9-12

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদিকে আজ রবিবার ১৮ নভেম্বর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আওয়ামী

 

লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজাকে মনোনয়ন দিলে যিনি নড়াইলে-২ আসনে এখন ইলেকটেড প্রার্থী আছেন তাকে নমিনেশন দেওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী যেটা বলেছেন তা হলো ৬৫ থেকে ৭০টি আসন শরিকরা পাবে। তবে আলোচনা

 

করে যদি মনে হয়, উইনেবল প্রার্থী তাদের বেশি থাকে তাহলে সেটা বাড়ানো যেতে পারে। তিনি বলেন, যেমন ধরুন, মাশরাফি বিন মর্তুজাকে মনোনয়ন দিলে যিনি সেখানে এখন ইলেকটেড প্রার্থী আছেন তাকে নমিনেশন দেওয়া যাবে না। তাছাড়া ১৪ দলের ইলেকটেড যারা আছে তাদের বাদ

দেওয়ার চিন্তা নেই। যদি একান্ত কারো পজিশন খারাপ হয় সেটা ভিন্ন কথা। তিনি আরও বলেন, আমাদের মনোনয়নের বিষয়টা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তালিকা প্রায় চূড়ান্ত। তবে ফাইনালি ফিনিংশটা বাকি আছে। আমাদের এলায়েন্সের সাথে আলোচনা করে ফাইনাল করা হবে। আমাদেরটা অলমোস্ট ক্লোজ।

read more
রাজনীতি

মাশরাফিকে মনোনয়ন দেয়ার ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত নিল আ’লীগ

9-12

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদিকে আজ রবিবার ১৮ নভেম্বর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আওয়ামী

 

লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজাকে মনোনয়ন দিলে যিনি নড়াইলে-২ আসনে এখন ইলেকটেড প্রার্থী আছেন তাকে নমিনেশন দেওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী যেটা বলেছেন তা হলো ৬৫ থেকে ৭০টি আসন শরিকরা পাবে। তবে আলোচনা

 

করে যদি মনে হয়, উইনেবল প্রার্থী তাদের বেশি থাকে তাহলে সেটা বাড়ানো যেতে পারে। তিনি বলেন, যেমন ধরুন, মাশরাফি বিন মর্তুজাকে মনোনয়ন দিলে যিনি সেখানে এখন ইলেকটেড প্রার্থী আছেন তাকে নমিনেশন দেওয়া যাবে না। তাছাড়া ১৪ দলের ইলেকটেড যারা আছে তাদের বাদ

দেওয়ার চিন্তা নেই। যদি একান্ত কারো পজিশন খারাপ হয় সেটা ভিন্ন কথা। তিনি আরও বলেন, আমাদের মনোনয়নের বিষয়টা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তালিকা প্রায় চূড়ান্ত। তবে ফাইনালি ফিনিংশটা বাকি আছে। আমাদের এলায়েন্সের সাথে আলোচনা করে ফাইনাল করা হবে। আমাদেরটা অলমোস্ট ক্লোজ।

read more
রাজনীতি

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসিতে আওয়ামী লীগ

Untitled-15-9

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভিডিও কনফারেন্সে সাক্ষাৎকার নেয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেছে আওয়ামী লীগ। রোববার আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক

 

খানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ অভিযোগ সংবলিত লিখিত আবেদনটি হস্তান্তর করে। অভিযোগে তারা বলেন, তারেক রহমানের টেলিকনফারেন্সে দেয়া বক্তব্য এবং সাক্ষাৎকার গ্রহণ নির্বাচনী আইন এবং সর্বোচ্চ আদালতের সুষ্পষ্ট

 

নির্দেশনার লঙ্ঘন। একই সঙ্গে তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করতে অনুরোধ জানান তারা। ক্ষমতাসীন দলের এই প্রতিনিধি সন্ধ্যায় ইসিতে এসে তাদের অভিযোগ দাখিল করার আগে বিকালে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল তালুকদার এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তারেকের বক্তব্য প্রদানের বিষয়টি কেউ প্রমাণসহ অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নেব। যদি কেউ তথ্য প্রমাণসহ আমাদের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করেন,

তাহলে আমরা আইনের মধ্যে থেকে যদি কিছু থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বলব। আর যদি আইনের ভেতর কিছু না থাকে, তাহলে আমরা নিজেরা (কমিশন) বসে কী করতে পারি সেটা পর্যালোচনা করে দেখে তার পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। উল্লেখ্য, বিএনপির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা তারেক রহমান লন্ডন থেকে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে রোববার দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন। ইসি সচিব

হেলালুদ্দীনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর কর্নেল (অব.) ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি স্কাইপিতে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন বলে জানতে পেরেছি। কিন্তু আদালত বলেছেন, একজন পলাতন আসামি হিসেবে তারেকের বক্তব্য কোথাও প্রচার হবে না। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদেও থাকতে পারবেন না।তার স্কাইপিতে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং বক্তব্য প্রদান নির্বাচন

আইনের লঙ্ঘন। এটা হতে পারে না। আশা করি, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। তিনি আরও বলেন, ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের আমরা দেখেছি, সুপ্রিমকোর্টে সারাদিন নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছে। এটা আচরণবিধির লঙ্ঘন। এই লঙ্ঘন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রয়াস। এটা চলতে থাকলে নির্বাচন আরও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এ বিষয়ে দ্রুত শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। আমাদের দাবি পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনও যথাযথ

 

পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে। এ সময় কর্নেল ফারুক আরও বলেন, আদালতের নির্দেশনা সবাইকে মানতে বলা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল ইসলাম চৌধুরী নওফেল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন। এই খবর গণমাধ্যমে এসেছে। একজন পলাতক আসামি বক্তব্য গণমাধ্যমে আসতে পারে না। গণমাধ্যমও সেই বক্তব্য প্রচার

করতে পারবে না বলে আদালতের নির্দেশনা আছে। তারেক রহমান এই টেলিকনফারেন্স করে আদালতের আদেশ অমান্য করেছেন। তিনি আইন মানছেন না। নির্বাচন আচরণবিধিতে উল্লেখ আছে, দেশের প্রচলিত আইন মানতে হবে। তাই আচরণবিধিও লঙ্ঘন হয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশনকে আমরা আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা রাজনৈতিক দলের অপরাধ ও নীতি

বহির্ভূত। তাদের এই টেলিকনফারেন্স করতে দেয়া উচিত হয়নি। একই সঙ্গে সেই বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার করাও উচিত হয়নি। গণমাধ্যম যেন তার বক্তব্য প্রচার না করে সে অনুরোধ করব। আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলে অ্যাডভোকেট ফজিলাতুন্নেছা বাপ্পি, রিয়াজুল কবীর কায়সার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দণ্ডিত হওয়া

সত্ত্বেও বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলার বিষয়ে আমি জাতির কাছে বলতে এখন পারি, একজন দণ্ডিত পলাতক আসামি এ ধরনের বক্তব্য দিতে পারে কিনা? মন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করে আরও বলেন, দুটি মামলায় দণ্ডিত পলাতক এ রকম কেউ এভাবে ভিডিও কনফারেন্স করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে কিনা- আমি সেটি নির্বাচন

কমিশনের কাছে জানতে চাইছি। ওবায়দুল কাদেরের এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারেক রহমানের ভিডিও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয়।এ সময় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন নিজেই আচরণবিধি ভঙ্গ করছে।

read more
রাজনীতি

স্বামীকে কোর্টে আনতে সিইসি’র দ্বারস্থ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মিলনের স্ত্রী

Untitled-14-11 (1)

সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে কোর্টে হাজিরা দেয়ার সুযোগ করে দিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার দ্বারস্থ হয়েছেন তার স্ত্রী নাজমুন্নাহার বেবি। রোববার বিকেলে মিলনের পক্ষে বেবি এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি নিয়ে ইসিতে আসেন।

 

এ সময় বেবি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার স্বামী কোর্টে হাজিরা দিতে পারছেন না। চাঁদপুর কোর্ট এলাকা পুলিশ ও ডিবি ঘিরে রেখেছে। বোরকা পরা কোনো নারী কোর্টে গেলে তার মুখোশ খুলে দেখা হচ্ছে। আমরা কোর্টে যেতে চাই। কিন্তু, যেতে পারছি না।’ তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি প্রধান

 

নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। প্রায় দু’ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও তার দেখা পেলাম না। পরে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম ও কবিতা খানমের সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে কথা বলেছি। তারা বিষয়টি দেখবেন বলেছেন।’ চিঠিতে এহছানুল হক মিলন লেখেন, দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করার কারণে আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলাগুলোয় হাজিরা দিতে ব্যর্থ হই। তবে সম্প্রতি দেশে ফিরে আদালতে হাজিরা

দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। কারণ হিসেবে তিনি তার নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরের বাড়ি ও কোর্ট প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতি তৎপরতাকে দায়ী করেন। মিলন বলেন, ‘আমি একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে নিশ্চিত হতে পেরেছি যে, পুলিশ আমাকে আদালতে হাজির হওয়ার সুযোগ না দিয়ে বাইরে থেকে গ্রেফতার, অতঃপর নতুন নতুন মিথ্যা মামলা দিয়ে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের লক্ষ্যে এমন ত্রাসের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।’ তিনি বলেন, ‘যেহেতু

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী বর্তমান পুলিশসহ সমগ্র প্রশাসন ইসির নিয়ন্ত্রণাধীন, সেজন্য আমাকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের এই বেআইনি তৎপরতা বন্ধে আমি ইসির হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

উৎসঃ পরিবর্তন

read more
রাজনীতি

মির্জা আব্বাসের বাসা থেকে ৮ নেতাকর্মীকে তুলে নিয়ে গেছে সাদা পোশাকের লোকজন

sssss-860×400

রাজধানীর শাজাহানপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির মির্জা আব্বাসের বাসা থেকে সাত-আটজন কর্মীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছেন মির্জা আব্বাসের স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস।

 

তিনি বলেন, ‘দুপুরে তার বাসায় বেশ কয়েকজন কর্মী এসেছিলেন। খাওয়া দাওয়া ও নির্বাচনি কার্যক্রমের জন্য তারা বিভিন্ন স্থান থেকে এসেছিলেন। ওই কর্মীরা বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সাদা পোশাকের লোকজন তাদের ধরে নিয়ে যায়। যাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের একজন রাকিব,

 

যিনি সাধারণ কর্মী। মির্জা আববাসের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন।’ বাকি কর্মীদের নাম জানাতে পারেননি আফরোজা আব্বাস। এরা বিভিন্ন স্থান থেকে এসেছিল বলেও জানান এই নেত্রী। এই সময় মির্জা আব্বাস বাসার ভেতরেই ছিলেন। তবে সাদা পোশাকের লোকেরা বাসার ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেননি। আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘আজ কোর্টে আমার মামলা ছিল। ওই মামলায় আগাম জামিন পেয়েছি। যাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের

কেউ কেউ কোর্টে ছিল। কোর্ট থেকে ফিরে তারা আমাদের বাসায় আসেন।’ আফরোজা আব্বাসের ধারণা ডিবি পুলিশ ওই কর্মীদের ধরে নিয়ে গেছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পোশাকধারী পুলিশ আসবে, বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাবে এরকম হলে সেটা অন্য কথা। কিন্তু এভাবে ধরে নিয়ে ভয়ের বিষয়। অনেক সময় গুম হয়ে যায়, মারধর করে, খুন হয়ে যায়।’ বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ‘একটা নির্বাচন হচ্ছে সবদিকে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ

করছে। এর মধ্যে যদি এ রকম হয় তাহলে তো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকল না। আমরা কি নির্বাচন করতে পারব না?’ আফরোজা আব্বাস অভিযোগ করেন কয়েকদিন আগেও তার বাসার দুইজন দারোয়ানকে ধরে নিয়ে সারারাত আটকে রেখে মারধর করা হয়েছিল। এরপর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আরেকজন দারোয়ানকে আটক করা হয়েছে। তিনি এখন পাঁচদিনের রিমান্ডে আছেন। মির্জা আব্বাসের স্ত্রী বলেন, ‘সাদা পোশাকের লোকজন বাসায়

ঢোকার চেষ্টা করেনি। বাসা থেকে যে-ই বের হয়েছেন তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসার সামনে যতগুলো এন্ট্রি গেট ছিল সবখানে সাদা পোশাকের লোকজন ছিলেন।’ এ বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার মো. সুমন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।’ শাহজানপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ ভুয়া খবর। আমরা এ বিষয়ে কিছুই জানি না।’

সূএ- সারাবাংলা

read more
রাজনীতি

যে আসন থেকে নির্বাচন করতে চান ধনকুবের সালমান এফ রহমান

safe_image (2)

ক্ষমতাসীন সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকোর সহসভাপতি সালমান এফ রহমান বলেছেন, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। তা না হলে আজকের এ

 

উন্নয়নের বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। গতকাল নবাবগঞ্জে দিনব্যাপী কেন্দ্রভিত্তিক ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি

 

আমাকে মনোনয়ন দেন, তা হলে দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা-১) আসন থেকে আমি নির্বাচন করব। আশা করি আপনারা আমাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এ আসনটি উপহার দেবেন। সালমান এফ রহমান গতকাল আগলা ইউনিয়নের চরচরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেনুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুবেদ আলী টিপুর আঙ্গিনা, রেজাউরের বাড়ির

আঙ্গিনা, নোয়াদ্দা মন্দির আঙ্গিনা, আফাজ উদ্দিন দরগা শরিফ, চান্দার টেক, চুড়াইন ৮নং ওয়ার্ড আফজালের বাড়ি, আব্দুল হালিম ফাউন্ডেশনের আঙ্গিনা এবং দুর্গাপুর শহিদুল্লাহ দুলালের আঙ্গিনায় উঠান বৈঠক করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক গণপরিষদ সদস্য আবু মো. সুবেদ আলী টিপু, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাবেক সহসভাপতি আজিজুর রহমান ফকু, নবাবগঞ্জ

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ প্রমুখ। যাদের হাতে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভাগ্য আজ রোববার থেকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে শুরু হয়েছে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকারের প্রথম দিনে আজ সকাল ৯টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত রংপুর বিভাগ এবং দুপুর আড়াইটা

থেকে রাজশাহী বিভাগের সাক্ষাৎকার নেবে দলের মনোনয়ন বোর্ড। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভাগ্য এখন দলের মনোনয়ন বোর্ডের হাতে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাই এ বোর্ডের সদস্য। সাধারণত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মনোনয়ন বোর্ডে সভাপতিত্ব করে থাকেন। এবার তিনি কারাবন্দি। এবার মনোনয়ন বোর্ডে আছেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার

মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জে. (অব) মাহবুবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। উল্লেখ্য, সাক্ষাৎকারের সময়সূচি অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বরিশাল বিভাগ, দুপুর আড়াইটায় খুলনা বিভাগ, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগ, দুপুর আড়াইটা থেকে বৃহত্তর কুমিল্লা ও সিলেট

বিভাগ, বুধবার সকাল ৯টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগ, দুপুর আড়াইটা থেকে ঢাকা বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।

সূএঃ- radioshongi.com

read more
রাজনীতি

‘মায়ের জন্য অন্তত দেশে আসেন’

safe_image (1)

মায়ের জন্য অন্তত -একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়েছে আজ রোববার। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকারে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লন্ডন থেকে যুক্ত হন দলটির ভারপ্রাপ্ত

 

চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। একাধিক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক জিয়া ভিডিও কলেই মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। পদপ্রার্থীদের তিনি দেশের পরিস্থিতি, ওয়ান-ইলেভেনের পরবর্তী পরিস্থিতি, গত ১০ বছরে মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাদের ভূমিকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন

 

করেন। এরই মধ্যে রংপুর অঞ্চলের এক পদ প্রত্যাশী নেতা তারেক জিয়াকে বলেন, ‘আমরা তো দেশে অনেক কষ্ট করছি, জেল খাটছি। এই ১০ বছরে আমি ৪ বছর জেলে কাটিয়েছি। মোট ৫৬টি মামলা হয়েছে আমার বিরুদ্ধে। কিন্তু আপনি তো বিদেশে বসে আছেন। বিদেশে বসে বসে আমাদের জ্ঞান

দিচ্ছেন।’ খালেদা জিয়ার জন্য হলেও তারেকের দেশে আসা উচিৎ উল্লেখ করে রংপুরের ওই নেতা বলেন, ‘আপনার মায়ের বয়স ৭০ এর চেয়ে বেশি। তিনি জেলে আছেন। পৃথিবীতে তো এমন দেখি নাই মা জেলে আর ছেলে বিদেশে আমোদে আছে। মায়ের জন্য হলেও তো আপনি দেশে আসেন। দেশে

আসলে আপনাকে কী করবে? আমাদের আইনজীবী আছে, কর্মী আছে। আমরা তো দরকার হলে জেলের তালা ভেঙে আপনাকে নিয়ে আসতে পারতাম। কিন্তু আপনি দেশে আসেন না কেন?’ ওই নেতা তারেক জিয়াকে আরও বলেন, ‘আপনার অর্ধেক নেতৃত্ব তো ড. কামাল হোসেন নিয়েই নিয়েছেন। দেশে

না এসে বড় বড় বক্তৃতা দিলে বাকি অর্ধেকটাও হাতছাড়া হয়ে যাবে।’ ‘মান্নার ড্রাইভারের নাম কী?’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মাহমুদুর রহমান মান্নার দল নাগরিক ঐক্য গতকাল শনিবার ৩০ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। নাগরিক ঐক্যই প্রথম রাজনৈতিক দল যারা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল। অন্য কোনো দল এখনো নিজেদের প্রার্থীদের ব্যাপারে কিছু জানায়নি। যদিও বিভিন্ন মহল ধারণা করছে, শরিকদের ওপর চাপ

সৃষ্টি করার লক্ষ্যে মান্না এই তালিকা গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, কিন্তু নাগরিক ঐক্যের এই তালিকা রাজনৈতিক অঙ্গনে হাস্যকৌতুক সৃষ্টি করেছে। নাগরিক ঐক্যের প্রার্থীদের এই লম্বা তালিকা দেখে সবচেয়ে বেশি অবাক হয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক দল বিএনপি। বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় নাগরিক ঐক্যের তালিকা দেখে দলের কর্মীদের প্রশ্ন করেছেন, ‘মান্নার ড্রাইভারের নাম কী?’ হঠাৎ করে গয়েশ্বরের এই প্রশ্নে কর্মীরা

বিস্মিত হন। কর্মীদের বিস্ময় দূর করতে গয়েশ্বর বুঝিয়ে বলেন, ‘একটু জিজ্ঞেস করে নাও মান্নার ড্রাইভারের নাম কী? দেখো, প্রার্থীদের তালিকায় ড্রাইভারের নামও ঢুকিয়ে দিয়েছে কিনা। কারণ ড্রাইভার, গৃহকর্মী ছাড়া তাঁর কাছে ৩০ আসনে দেওয়ার মতো নেতা নেই। মান্নার পার্টিতে ৩০ আসনে

প্রার্থী দেওয়ার মতো মানুষ যদি থাকতো তাহলে সে তো ক্ষমতায়ই চলে যেত।’ যাঁর তিনজনও প্রার্থী নেই সে ৩০টি আসন চাইছে দেখে বিরক্তি প্রকাশ করেন গয়েশ্বর। জানা গেছে, শুধু গয়েশ্বর চন্দ্রই নয়, বিএনপির প্রায় সব নেতাই মান্নার এমন চাহিদায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এ ধরনের হঠকারী আবদার করা শরিকদের বিএনপির নেতারা কীভাবে সামলায় সেটাই এখন দেখার বিষয় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

read more
1 2 3 4 5
Page 3 of 5