close

রাজনীতি

রাজনীতি

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রথম অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী

pLPhoU_1547361395

চতুর্থবারের মতো সরকারপ্রধান হিসেবে শপথগ্রহণের পর সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নিজ কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে তিনি সেখানে গেলে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। জানা গেছে, সেনানিবাসে পৌঁছেই

 

সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের শ্রদ্ধা জানিয়ে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী। আরো জানা গেছে, শিখা অনির্বাণে তিনি পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধানরা এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব

 

অনার প্রদান করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি শিখা অনির্বাণে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। পরে সশস্ত্র বাহিনীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিন বাহিনীর প্রধানরা এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার।

 

পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ মাল্টি পারপাস হলে তার দপ্তরের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পদবির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চা চক্রে মিলিত হন।

read more
রাজনীতি

৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

eHjWBq_1512280133

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যে ৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়েছিল শিগগিরই তাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও গণভবনে সংলাপে বসবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী

 

লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান। কাদের বলেন, আগামী যে উপজেলা নির্বাচন, তার জন্য সব দলকে এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। এ নির্বাচনে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টসহ অন্যান্য দল আসবে বলে আমরা আশা করি। তিনি বলেন, আমরা বিরোধী প্রতিপক্ষকে দুর্বল

 

মনে করি না। তারা এলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ভালো লাগে। এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ যদি একত্রিত থাকে তাহলে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল নে যে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে নামাবে। শিগগিরই সকল রাজনৈতিক দলকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানানো

 

হবে জানিয়ে তিনি সংসদে এসে বিএনপিকে শপথ নেওয়ার জন্যে অনুরোধ করেন। এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, যে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত রয়েছে, সে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করে ড. কামাল হোসেন ভুল করেছেন। এ স্বীকারোক্তি তিনি যদি দেন, তাহলে জাতি খুশি হবে। বিএনপির সঙ্গে জামায়াত আছে, এটা সবাই জানে। এটা তার জানা ছিলো না।

read more
রাজনীতি

আহমেদ শফীর বক্তব্য এ সরকারের প্রতিক্রিয়া কি?

_105158733_gettyimages-168145912

মেয়েদের শিক্ষা প্রসঙ্গে বাংলাদেশে কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের আমির আহমেদ শফীর এক মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক চলছে। চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে শুক্রবার এক মাহফিলে মেয়েদেরকে স্কুল-কলেজে না দিতে এবং দিলেও সর্বোচ্চ ক্লাস ফোর বা ফাইভ পর্যন্ত পড়ানোর জন্য

 

উপস্থিত মানুষের কাছে ‘ওয়াদা’ চান মি. শফী। তার নেতৃত্বে এই দলটি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনাও দিয়েছে। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে যখন নারী শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে, তখন সরকারের মিত্র হিসেবে পরিচিত এরকম একজন ধর্মীয় নেতৃত্বের এধরনের বক্তব্যে

 

সরকারের প্রতিক্রিয়া কি? শুক্রবার চট্টগ্রামের আল জামিআতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলে সভাপতি ছিলেন হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী। কয়েক হাজার মানুষের সেই মাহফিলে আহমদ শফী মেয়েদের চতুর্থ বা পঞ্চম শ্রেণির বেশি

পড়াশোনা না করানোর জন্য উপস্থিত মানুষদের কাছে ‘ওয়াদা’ বা প্রতিশ্রুতি চান। এখানে তিনি বলেন, ক্লাশ ফোর বা ফাইভ পর্যন্ত পড়া দরকার, কারণ বিয়ে দিলে স্বামীর টাকা পয়সা হিসেব করতে হবে, তাকে চিঠি লিখতে হবে। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের উল্লেখ করে আহমদ শফী আরো

 

বলেন “আর বেশি যদি পড়ান, মেয়েকে ক্লাস এইট, নাইন, টেন, এমএ, বিএ পর্যন্ত পড়ালে ওই মেয়ে আপনার মেয়ে থাকবে না। অন্য কেহ নিয়ে যাবে। পত্রপত্রিকায় এ রকম ঘটনা আছে কিনা?” ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES Image caption বাংলাদেশে নারী শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে গত

কয়েক দশকে এরপর তিনি মাহফিলে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে ওয়াদা চান যেন তারা মেয়েদের বেশি দূর না পড়ায়। বিষয়টি নিয়ে গতকাল থেকেই বাংলাদেশের গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যপক আলোচনা শুরু হয়। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে নারী শিক্ষার ব্যপক প্রসার ঘটেছে।

 

সরকারও দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের পড়াশোনা অবৈতনিক করাসহ বিভিন্ন ধরণের কর্মসূচির নিয়েছে। অন্যদিকে, মাদ্রাসাতে মেয়েদের পড়ার হারও বাড়ছে। কওমী মাদ্রাসার সবচেয়ে বড় শিক্ষা বোর্ড বেফাকের হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশে এমনকি কওমী মাদ্রাসাতেও মেয়েরা পড়াশোনা করে এবং এ

সংখ্যা বছর বছর বাড়ছে। আরও পড়ুন: হেফাজত ও আওয়ামী লীগ সখ্যতা: শুধু ভোটের জন্য? আওয়ামী লীগ-হেফাজত মৈত্রী: সেকুলাররা কি ভাবছেন? নির্বাচনে হেফাজত কেন কোন দলকেই সমর্থন করবে না? তাহলে মেয়েদের পড়াশোনার বিপক্ষে কেন কথা বলছে হেফাজতে ইসলাম?

 

হেফাজতের ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মো: ফয়জুল্লাহ অবশ্য এর একটা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমি পরিষ্কারভাবে বলছি, বাংলাদেশে মেয়েরা যে পড়াশোনা করে আমরা তা নিষেধ করতে বলি নাই। আমরা বলেছি নারীদের যেন সম্মানহানি না ঘটে, তাদের নিরাপত্তা যেন

বিঘ্নিত না হয়।” “আমরা মনে করি তাদের জন্য স্বতন্ত্র বিদ্যালয় থাকা উচিত। এই যে আমাদের দেশে একটা সহ-শিক্ষা ব্যবস্থা আছে…আমরা চাই মেয়েদের জন্য স্বতন্ত্র ব্যবস্থা থাকবে এবং তারা সেখানেই পড়াশোনা করবে।” ছবির কপিরাইটAFP CONTRIBUTOR Image caption

 

মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার বিরোধিতা করছেন আহমদ শফী কয়েক বছর আগে মেয়েদের তেঁতুলের সঙ্গে তুলনা করে এক মন্তব্যের কারণে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন মিঃ শফী। এক সময়ে সরকারের বিরোধিতা করলেও গত কয়েক বছরে কওমী মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠনটি সরকারের ঘনিষ্ট

হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। নভেম্বরে আহমদ শফির নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দিয়েছে। এখন সরকারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একজন ধর্মীয় নেতার এধরনের বক্তব্যে সরকারের প্রতিক্রিয়া কি? শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, আহমদ

 

শফীর বক্তব্য বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। “আইনের দিক থেকে এবং আমাদের প্রচলিত ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন একটা কথা বলেছেন উনি। আমাদের সংবিধান এবং আমাদের রাষ্ট্র নারী পুরুষ প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে এবং শিক্ষার

 

অধিকার সবার আছে। কেউ যদি মনে করে নারীদের শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে, তাহলে সেটা অবশ্যই একটা অসাংবিধানিক মন্তব্য।” মিঃ চৌধুরী মনে করেন, আহমদ শফীর বক্তব্য কোনভাবেই নারী শিক্ষা বিষয়ে সরকারের নীতিকে প্রভাবিত করবে না। তিনি বিষয়টিকে স্রেফ একজন ব্যক্তির নিজস্ব মতামত হিসেবেই মূল্যায়ন করে তার দল।

read more
রাজনীতি

মহাসচিবসহ শীর্ষ পদে পরিবর্তনের সুর বিএনপিতে

aaaaa

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ভরাডুবির’ পর দল পুনর্গঠনের দাবি উঠেছে বিএনপিতে। মহাসচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন চাইছেন দলের নেতারা।জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে প্রায় একযুগ আগে বহিষ্কৃত হন শাজাহান মিয়া সম্রাট।

 

তারপরও বিএনপির সভা-সমাবেশ- প্রেস কনফারেন্সে সক্রিয় তিনি।গত ৯ জানুয়ারি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সংবাদ সম্মেলন শেষে সম্রাটের সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। নির্বাচনের পর বিএনপি নেতাকর্মীদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে

 

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে সরকার নির্বাচনের নামে তাদের ক্ষমতা নবায়ন করেছে। আমাদের নীতি নির্ধারকরা কৌশলগতভাবে ফেল করেছে। আমাদের নেতাকর্মীদের অবস্থা ভালো নেই। এখন আমাদের দলের মহাসচিব পরিবর্তন হওয়া দরকার। একজন শক্ত সাংগঠনিক লোককে

মহাসচিব করা দরকার। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের নীতি নির্ধারক পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পুনর্গঠন হওয়া দরকার।’ তিনি বলেন, ‘আমি ৪০ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। গত একযুগ ধরে বহিষ্কৃত। আশা করি দল পুনর্গঠন হলে আমি কৃষক

 

দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হব।’দল পুনর্গঠন প্রশ্নে বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘প্রশাসন এবং আওয়ামী লীগের খপ্পরে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিএনপি। দল পুনর্গঠনের জন্য যে পরিবেশ দরকার সে পরিবেশ এখন দেশে বিদ্যমান

নেই। পুনর্গঠন আমরা কাদের দিয়ে করব? নেতাকর্মীরা তো এলাকা ছাড়া। মিথ্যা মামলায় তারা ফেরারি হয়ে ঘুরছে। ঢাকায় ঘুরছে কিন্তু জামিন হচ্ছে না। তাদের যদি আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে না পারি তাহলে কীভাবে আমরা দল পুনর্গঠন করব। আমাদের দল পুনর্গঠন তো

 

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দিয়েই করতে হবে। তারাই যদি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে না পারে তাহলে কাদের দিয়ে করব? তারপরও সেটা আমরা মাথায় রাখছি। এসবের পাশাপাশি আমাদের চিন্তায় আছে দল পুনর্গঠনে সবার আগে আমাদের প্রয়োজন নেতাকর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা।

জামিনের ব্যবস্থা করা, এলকায় অবাধ বিচরনের সুযোগ সৃষ্টি করা।’ তিনি বলেন, ‘সবার আগে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এরপরই আমরা দল পুনর্গঠনের কথা চিন্তা করতে পারি।’নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির একজন যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচনের পর আমাদের নেতাকর্মীদের

 

হতাশা তৈরি হয়েছে, দল বিপর্যস্ত। এসবের দায় দলের মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির নেতারা এড়াতে পারেন না। তাছাড়া শোনা যাচ্ছে, মহাসচিব সংসদে যোগ দেয়ার জন্য বিদেশি কূটনীতিকদের মাধ্যমে তারেক রহমানের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছেন। কেউ বা তাদের ব্যবসা ধরে রাখার ফায়দা

আঁটছেন। সার্বিক বিষয় বিবেচনা রেখে দল পুনর্গঠন হওয়া দরকার। তবে অসম্মানজনকভাবে কাউকে বিদায় দেয়া উচিত হবে না। আগামী মার্চে কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হতে চলেছে। আগামী জুন-জুলাইতে কাউন্সিলের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উপায়ে এসব পরিবর্তন আনলে দলকে গতিশীল

 

করা সম্ভব হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ব রাজনীতিতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বয়স্করা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন-সেটা বিবেচনায় রেখে নীতি নির্ধারণী ফোরাম, দলের মুখপাত্র, দফতর, চেয়ারপারসনের কার্যালয় সর্বত্র পুনর্গঠন হওয়া উচিত।’জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল

আবদীন ফারুক বলেন, ‘আমি মনে করি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দল পুনর্গঠন হবে। দল শক্তিশালী করতে হলে শক্তিশালী মানুষ দরকার।’ দলের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান বলেন, ‘দলের সব পর্যায়ে পুনর্গঠন সব সময়ই হয়, এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। গত

 

দশ বছরে অত্যাচার, নির্যাতন, গুম, খুন, হামলা-মামলায় নেতাকর্মীরা বিপর্যস্ত। বলা যায়, এ সময়ে ১০ হাজার নেতাকর্মী খুন হয়ে গেছে। ১০ লাখ পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। একটা গণতান্ত্রিক দেশে এ রকম দেখা যায় না। এটা ইতিহাসে বিরল। এরমধ্যে দলের পুনর্গঠন জরুরি। কারণ সম্পূর্ণভাবে

ভোটের অধিকারকে জনগণের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে রাতের অন্ধকারে সিল মেরে এ সরকার প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন হয়েছে। এরপর আমাদের দলকে শক্তিশালী করাটাই আমাদের প্রথম দায়িত্ব এবং কর্তব্য মনে করছি। আমরা সব সময় মনে করি বিএনপি জনগণের দল, জনগণের

 

সুখে-দুখে বিএনপি পাশে থাকবে, পাশে ছিল, পাশে আছে। অতএব ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থাকতে হলে, জনগণের কাছে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে হলে, জনগণের কাছে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হলে এবং জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হলে, জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে সে

অবস্থাটা ফিরিয়ে আনতে হলে বিএনপিকে শক্তিশালী দল হিসেবে সক্রিয় থাকতে হবে। তার জন্য আমরা মনে করি এ মুহূর্তে আমাদের প্রথম কাজ হলো দল পুনর্গঠন। তিনি আরও বলেন, ‘সব জায়গাতেই নতুন পুরাতনের সমন্বয় থাকা উচিত। অভিজ্ঞ এবং নবীনদের সমন্বয় থাকা উচিত। শুধু যদি

 

অভিজ্ঞরা থাকে বা পুরাতনরা থাকে তাহলে যেমন চলে না। আবার শুধু নতুনদের দিয়েও চলে না। অভিজ্ঞ এবং নতুনদের সমন্বয় রেখেই চলতে হয়। যখনই পুনর্গঠন হয় তখনই কিন্তু পুরাতনদের সঙ্গে নতুনদের জায়গা হয়। স্বাভাবিকভাবেই ধরুন, আমাদের দলের স্থায়ী কমিটির এখন প্রায় অর্ধেক

পদ খালি আছে। কারণ অনেকেই মারা গেছেন। পদ প্রথম থেকেই পূরণ করা হয়নি। কাজেই যারা অভিজ্ঞ আছেন তাদের অভিজ্ঞতা যেমন আমাদের কাজে লাগাতে হবে, তেমনি নতুনদেরও জায়গা দিতে হবে। শুধু স্থায়ী কমিটি না; সব কমিটিই নতুন পুরনোদের সমন্বয়ে গঠিত হওয়া উচিত। এর মধ্য

 

দিয়েই দলটাকে শক্তিশালী করতে হবে আগামী দিনে জনগণের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য।’ দল পুনর্গঠন প্রশ্নে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘হ্যা,

 

দল পুনর্গঠন হওয়া উচিত। আমিও তাই মনে করি। আমি মনে করি, একেবারে গণতান্ত্রিক ভিত্তিতে গ্রাসরুট থেকে টপ পর্যন্ত যাদের জনসম্পৃক্ততা আছে তাদের নিয়ে পুনর্গঠন হওয়া উচিত। কারণ জনসম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ।

read more
রাজনীতি

ভারত যাচ্ছেন ইসি মাহবুব তালুকদার

g3nJOF_1539775845

চিকিৎসার জন্য ভারত যাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আলোচনায় আসা আলোচিত-সমালোচিত নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। ইসির সহকারী সচিব মো. লুৎফুল কবীর সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। চিঠিতে বলা

 

হয়, ‘মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার চিকিৎসার জন্য ভারত যাচ্ছেন। সেখানে তিনি ১৪ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান করবেন। মাহবুব তালুকদারের সঙ্গে থাকবেন তার মেয়ে আইরিন মাহবুব। নির্বাচন কমিশন তার ব্যয়ভার বহন করবে।’ একাদশ জাতীয়

 

সংসদ নির্বাচনের আগে ইসির বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ (নোট অব ডিসেন্ট) করে আলোচনায় ছিলেন মাহবুব তালুকদার। সম্প্রতি (৩ জানুয়ারি) মাহবুব তালুকদার আবার আলোচনায় আসেন। সফলভাবে ভোট অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত ইসির এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘এই

প্রথম একটা অংশীদারি ও অংশগ্রহণমূলক সংসদ নির্বাচন আমরা জাতিকে উপহার দিতে পেরেছি। আমি মনে করি, এই নির্বাচন বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে একটা ঐতিহ্য সৃষ্টি করবে।’ লিখিত বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, আমি বলেছি, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন

 

উপহার দিয়েছি। ইতিপূর্বে ১৭ ডিসেম্বর আমি বলেছিলাম, ‘সব দল অংশগ্রহণ করলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলা হয়। সুষ্ঠু নির্বাচনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হওয়া একটি প্রাথমিক প্রাপ্তি। আসল কথা হচ্ছে, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হচ্ছে কি না এবং বিশ্বাসযোগ্য কি না? নির্বাচন

গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য না হলে অংশগ্রহণমূলক হলেও কোনো লাভ নেই।’ মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে আমি কোনো কথা বলিনি। কেমন নির্বাচন হয়েছে, সাংবাদিকদের এহেন প্রশ্নের জবাবে আমি পূর্বেও বলেছি, নিজেদের

 

বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, তাহলে এ প্রশ্নের জবাব পেয়ে যাবেন। এখনো আমি সেই কথা বলি। আমার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমার ধন্যবাদ জ্ঞাপন বক্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা ঠিক হবে না।’ এর আগে গত ৩ জানুয়ারি মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘এই প্রথম

একটা অংশীদারি ও অংশগ্রহণমূলক সংসদ নির্বাচন আমরা জাতিকে উপহার দিতে পেরেছি। আমি মনে করি, এই নির্বাচন বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে একটা ঐতিহ্য সৃষ্টি করবে।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যে এত বিশাল কর্মযজ্ঞ, এ বিষয়ে সত্যি আমার ধারণা ছিল না। কারণ নির্বাচন

 

কমিশনের সঙ্গে কাজ করার কোনো সুযোগ কিংবা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কাজ করার কোনো সুযোগ আমার আমলা জীবনে কখনো হয়নি। আমি বিশেষ করে লক্ষ করেছি, এই বিশাল কর্মযজ্ঞের যিনি কেন্দ্রবিন্দু, আমাদের নির্বাচন কমিশনের সচিব মহোদয় এবং তাঁর সঙ্গে এখানে যাঁরা

 

ছিলেন, তাঁরা কী নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই নির্বাচনকে সফল করেছেন। সে জন্য আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। যোদ্ধার মতোই তিনি এই বিশাল কর্মযজ্ঞে সবাইকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

read more
রাজনীতি

আল্লামা শফীর বক্তব্য নিয়ে এবার মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী

Untitled-1-copy-56-863×400

ওয়াজে নারীদের নিয়ে আহমদ শফীর বক্তব্যকে জঘন্য বলে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হেফাজতে ইসলামের আমিরের এক ওয়াজ নিয়ে সম্প্রতি দেশব্যাপী নিন্দার ঝড়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীও শনিবার গণভবনে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।শেখ হাসিনা বলেন,

 

“আল্লামা শফীর একটা কথা/দুই একদিন ধরে টেলিভিশনে দেখছি। আল্লামা শফী যা বলেছেন, তা অত্যন্ত জঘন্য বলে আমি মনে করি। উনি মেয়েদের সম্পর্কে অত্যন্ত নোংরা ও জঘন্য কথা বলেছেন।” হাটহাজারীতে ওই ওয়াজের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার

 

পর বিভিন্ন মহল থেকে এর তীব্র সমালোচনা ওঠেছে। ওয়াজে আহমদ শফী নারীদের চতুর্থ শ্রেণির বেশি পড়াতে নিষেধ করেন, সমালোচনা করেন সহশিক্ষার। নারীদের চাকরি না করে বাড়িতে রাখার পরামর্শ দেন তিনি। নারীদের নিয়ে আরো যেসব কথা তিনি বলেছেন, তাও কুরূচিপূর্ণ বলে

সমালোচনা উঠেছে। শেখ হাসিনা বলেন, “উনার কি মা নেই? উনি কি মায়ের পেট থেকে জন্মাননি? উনার কি বোন-স্ত্রী নেই? আমাদের মা-বোন-স্ত্রীদের সম্মান তো আমাদের রক্ষা করতে হবে।”ওই ওয়াজে নারীদের পোশাক-আশাক নিয়ন্ত্রণ এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধেও কথা বলেন হাটহাজারী

 

মাদ্রাসার মহাপরিচালক শফী।তিনি বলেন, মেয়েদের কাজ ঘরের ভেতর। তাদের কাজ স্বামীর ঘরের আসবাবপত্র দেখাশোনা করা ও ছেলে সন্তান লালন-পালন করা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্ম প্রথম যিনি গ্রহণ করেছিলেন- তিনি একজন মহিলাই ছিলেন। ইসলাম ধর্ম

প্রথম গ্রহণ করেন বিবি খাদিজা। আর কেউ সাহস করে তা করেনি। এটা ওনার (শফী) মনে রাখা উচিত ছিল।“ইসলাম ধর্মে যে জেহাদ হয়। সেই জেহাদে প্রথম যে শহীদ হন- তিনি বিবি সুমাইয়া।”“তাদের সম্পর্কে এই নোংরা আর জঘন্য কথা বলা, আবার এই নারী নেতৃত্বকে মেনে নিয়েই,”

 

গণজাগরণবিরোধী হেফাজতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের দিকে ইঙ্গিত করেন শেখ হাসিনা। “চৌঠা মে বিরোধীদলীয় নেতা একটা সমাবেশ করলেন। আমাকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিলেন; বললেন যে, আমি পালানোরও পথ পাব না।” “আর, ৫ মে হেফাজতে ইসলাম ঢাকা অবরোধ করল। তারা

এক জায়গায় বসতে চাইল; আমরা কিন্তু, আপত্তি করিনি। তারা শাপলা চত্বরে বসল। এরপর, বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভেতরে আগুন দেয়া হল। জায়নামাজ পোড়ানো হল।”“এরপর, প্রতিবাদ কিন্তু উনি (খালেদা জিয়া) করেননি। কেউই করেননি।”বায়তুল মোকাররমে হামলার সঙ্গে

 

ইসলামী ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।“পাঁচ তারিখ বায়তুল মোকাররমের সামনে শত শত কোরআন শরিফ পোড়ানো হয়েছে। আমি জানি না, ইসলামের ইতিহাসে এত কোরআন শরিফ এভাবে পোড়ানো হয়েছে কি না।” “কারা পুড়িয়েছে? হেফাজতের

আর জামাত-শিবিরের ক্যাডাররা। সব টেলিভিশনে লাইভ দেখানো হচ্ছিল। তাদের হাত-পা ধরে হকাররা কাঁদছিল। বলছিল, আমাদের রুটি-রুজির পেটে লাথি দিয়েন না।”“যারা হেফাজতের আর ইসলামের নাম নিয়ে কোরআন শরিফ পোড়ালো- তারা ইসলামের কী হেফাজত করবে?” “তারা ধর্মের

 

এত বড় অবমাননা করে- কীভাবে ধর্মকে রক্ষা করবে?” মতিঝিলে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে অরাজকতার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।“এই সব ঘটনা ঘটিয়ে মহিলাদের সম্পর্কে এখন নোংরা কথা বলছে। উনি কী মায়ের পেট থেকে জন্মাননি? মায়ের সম্মানটুকু রাখবেন না?

ওনার কি স্ত্রী নেই? তাদের সম্মান রাখবেন না?”“ওনার জিবে পানি আসে। উনি যে নেত্রীর পাশে বসতেন- তাকে যদি তেঁতুল মনে করে ওনার জিবে পানি আসে- তাহলে আমার কিছু বলার নাই।”হেফাজত আমিরের এই ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে দেশের নারীরা সোচ্চার হবে বলে আশা করছেন

 

প্রধানমন্ত্রী। “আর নেতৃত্বে কে থাকবে, না থাকবে তা জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে। যদি জনগণ সিদ্ধান্ত নেয়- সেখানে তাদের কী বলার আছে? আওয়ামী লীগের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা শালীনভাবে চলাফেরা করার পক্ষে। পোশাক পরিধেয় কিন্তু দেশ কাল পাত্র হিসাবে।

জলবায়ুর ওপর নির্ভর করে পোশাক-পরিচ্ছদ।“সব দেশের পোশাক তো এক না। আমি যদি শীতের দেশের পোশাক এখন পরি, আর গরমের পোশাক শীতের দেশে পরি- তাহলে তো হবে না। যেখানে বালুর ঝড়, সেখানে মুখ ঢাকার ব্যবস্থা রাখতেই হয়।”“আমি বহুবার হজ করেছি। মাথার ওপর

 

একটা ওড়না দিয়ে রাখতেই হয়। শালীনতার সঙ্গে সকলে চলবে- এটা আমরা চাই।”জামায়াতে ইসলাম অপপ্রচার চালাতে তাদের নারীকর্মীদের ব্যবহার করে বলেও শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন। যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা গণজাগরণের মঞ্চের বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ

তুলে পাঁচ মাস আগে রাজপথে নামে চট্টগ্রামভিত্তিক হেফাজতে ইসলাম।এর আগে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে তারা মাঠে নামলেও সম্পত্তিতে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার না দেয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করার পর তাদের আর মাঠে দেখা যায়নি।গত ৬ মার্চ মতিঝিলে

 

সমাবেশ করে ১৩ দফা দাবি উপস্থাপন করে হেফাজতে ইসলাম। ১৩ দফার চার নম্বর দাবিতে বলা হয় ‘ব্যক্তি ও বাকস্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ,

 

মোমবাতি প্রজ্বালনসহ সব বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।’এছাড়া প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করারও দাবিও তোলে সংগঠনটি।

read more
রাজনীতি

রাজনীতি ছাড়ছেন ব্যারিস্টার মওদুদ!

Untitled-9-copy-11-855×400

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কাছে বিশাল ব্যবধানে হেরেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জয় পেয়েছে মাত্র ৮ আসনে। হেরে যাওয়ায় সীমাহীন অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার পাশাপাশি নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে

 

নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে দলের সিনিয়ন নেতারা। পাশাপাশি আন্দোলন ও পুনঃনির্বাচনের জন্য আইনি লড়াইয়ে যাওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এসবের মাঝেই শোনা যাচ্ছে একাদশ নির্বাচনের পর রাজনীতিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

 

নির্বাচনের পর থেকে দলীয় কোন কর্মকাণ্ডে তার দেখা মিলছে না। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ জানিয়েছেন যে তিনি খুব শিগগিরই লন্ডনে যাবেন। সেখানে একটা গবেষণার কাজ করবেন এই অক্সফোর্ড ফেলো। এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময় যখনই তিনি রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেছেন তখনই

তিনি বই লিখেছেন। রাজনীতিকে বিতর্কিত হলেও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বইগুলো গভীর বিশ্লেষণধর্মী এবং রাজনৈতিক গবেষণার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের সঙ্গে মূলত দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে। নির্বাচন নিয়ে

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মওদুদ আহমদের মধ্যে অবস্থান ছিল দুই মেরুতে। যদিও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলছেন যে, কোন ব্যক্তির সঙ্গে তার বিরোধ নেই। তার বিরোধ হলো নীতির প্রশ্নে। তবে অন্য একটি সূত্র বলছে যে, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এখন এতই বিতর্কিত হয়ে গেছেন

যে অন্য কোন দলও এখন তাকে নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এজন্যই তিনি রাজনীতি থেকে সাময়িক বিরতিতে যাচ্ছেন। তাছাড়া সম্প্রতি মওদুদ-বুলুর ফোনালাপ ফাঁসের পর বেশ সমালোচনায় পড়তে হয়েছে বিএনপির এই নেতাকে। ওই আলাপনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে

 

নিয়ে সমালোচনা করেন তিনি। তারপর থেকে পুরোপুরি ফখরুলের চোখেও ভিলেন বনে গেলেন মওদুদ।শুধু ফখরুল নান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার তোপের মুখেও পড়তে হয় মওদুদকে। গত ৩ জানুয়ারি নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানিতে আদালতে খালেদা জিয়ার তোপের মুখে

পড়েন মওদুদ আহমেদ। হঠাৎ মওদুদ আহমদের ওপর চটে যান খালেদা জিয়া। কারাবন্দি খালেদা জিয়া মওদুদকে বলেন, ‘আপনার সঙ্গে হবে না। যেকোনো বিষয় আপনারা বসে সিদ্ধান্ত নেবেন। তারেক রহমান তো বিদেশে আছে। মওদুদ বারবার একই বিষয় প্রশ্ন করতে থাকেন খালেদাকে। তখন

 

খালেদা জিয়া তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে যান। সবকিছু মিলিয়ে ভালো সময় যাচ্ছে না মওদুদ আহমদের। বিএনপির গলার কাটা হয়ে গেছেন হেভিওয়েট এই নেতা। তাই হয়তো নিজে থেকেই আড়ালে চলে যেতে চাইছেন তিনি।

read more
রাজনীতি

ডিএমপি কমিশনারের কঠোর হুঁশিয়ারি

safe_image

চলমান পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের নামে ব্যক্তিস্বার্থ বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ উদ্ধারের কোন প্রকার নাশকতার চেষ্টা করা হলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

 

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি তাদের স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টা করছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তৎপর রয়েছে গোয়েন্দ সংস্থা।

 

শ্রমিকদের দাবির বিষয় নিয়ে মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ কাজ করছে। খুব শিগগিরি তাদের দাবি মিটিয়ে দেওয়া হবে।’ এছাড়াও শ্রমিকদের রাস্তা ছেড়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বানও জানান ডিএমপি কমিশনা।

read more
রাজনীতি

সংলাপ নিয়ে ড. কামাল হোসেনকে যা বললেন তথ্যমন্ত্রী

3M3p0S_1547286946

সদ্যসমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সহিংসতা হয়েছে; যা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত, ইতিহাসে বিরল বলে দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ড. কামাল ও রিজভীরা নিজেদের এবং জোটের ব্যর্থতা ঢাকতে সংলাপ নামের ভাওতাবাজির কথা

 

বলছেন। শনিবার (১২ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতির জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। হসান মাহমুদ বলেন, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য হায়ারে খেলতে যাওয়া কামাল

 

হোসেন সংলাপের কথা বলেছেন। যারা অকশনে নমিনেশন বিক্রি করে তারা কীভাবে নির্বাচনে জয়লাভ করবে? নির্বাচনের ১০ দিন আগে হাত গুটিয়ে ঘরে বসে থেকে জয়লাভ করা যায়? তিনি বলেন, আপনারা নির্বাচন বাণিজ্য করবেন, ৩০০ আসনে ৮০০ জনকে মনোনয়ন দেবেন। আবার

জয়লাভের কথা বলবেন, জনগণ কি বোকা? তারা নমিনেশন বাণিজ্য যারা করেছেন তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এ সময় তিনি আরও বলেন, বিএনপি ও তাদের সহযোগী কিছু নেতার চিকিৎসা প্রয়োজন। তারা বহুল প্রশংসিত নির্বাচনে হেরে সংলাপের কথা বলছেন। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এ ধরনের

 

কথা বলছেন তারা। তাদের মানসিক ও শারীরিক চিকিৎসা দরকার। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলেও স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়নি, শূন্যতা অনুভব করেছিলো দেশ। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরলেই এর পূর্ণতা আসে। তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠন করে

উন্নয়নের দিকে নিয়ে আসেন। কিন্তু ঘাতকরা সেই উন্নয়ন সহ্য করতে পারিনি। তারা জাতির পিতাকে হত্যা করে। তার কন্যা ক্ষমতায় এসে দরিদ্র রাষ্ট্রকে আজ মধ্যম আয়ের দেশে নিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরীর সভাপতিত্বে

 

আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান, আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, নগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, প্রচার সম্পাদক আক্তার হোসেন, অভিনেত্রী তারিন, নূতন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, সহ-সভাপতি রোকেয়া প্রাচী প্রমুখ।

read more
রাজনীতি

এবার ঐক্যফ্রন্টের কর্মকাণ্ডে আতঙ্কিত সরকার!

safe_image

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির ১১টি অভিযোগ তুলে ধরেছে। রবিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত বৈঠকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের নেতারা অভিযোগগুলো তুলে ধরেন। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স ও ইউরোপীয়

 

ইউনিয়নসহ ৩৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বলেন, সরকার সংলাপে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দিলেও তা রক্ষা করেনি। ভোট কারচুপি করায় মানুষ ভোটাধিকার বঞ্চিত হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড.

 

কামাল হোসেন জানান, কূটনীতিকদের সাথে ভাল আলোচনা হয়েছে। তারা কথা শুনেছেন। তিনি বলেন, আমরা বলেছি, আরেকটা ভাল নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সবাই ভোট দিতে পারলে শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে। আমরা সবাই মিলে দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ব। ড. কামাল নির্বাচনের আগে

ও পরের ঘটনাবলি তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য দেওয়ার পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কথা বলেন। বৈঠকে ভোটের নানা অনিয়মের অন্তত ১০টি ভিডিও প্রদর্শন করে তথ্য-প্রমাণসহ কাগজপত্র কূটনীতিকদের সরবরাহ করা হয়। ড. কামাল আরও বলেন, নির্বাচনের আগের

 

রাতে ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোটবাক্স পূর্ণ করা হয়। নির্বাচনের দিন আওয়ামী লীগ বাকি ভোটও জালিয়াতি করে। তিনি বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে কার্যকর কোন ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। যে কারণে তারা কোন অনিয়মের প্রতিকার করতে সক্ষম হয়নি।

read more
1 2 3 4 5 29
Page 3 of 29