close

ধর্ম

ধর্মধর্ম ও জীবন

মুমিনের ৭টি মৌলিক গুণ

Untitled-2 copy

সফল মুমিনের নিজস্ব পরিচয় আছে। স্বকীয়তা আছে। আছে গুণাবলি। আল্লাহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্নভাবে সফল মুমিনের বিবরণ তুলে ধরেছেন। কোথাও সফল মুমিনের পরিচয় দিয়েছেন এক কথায়। ‘যে তার আত্মাকে পবিত্র করেছে সে সফলকাম হয়েছে’ (সূরা আ’লা : ১৪)। কোথাও আবার দীর্ঘ বর্ণনায় নানা গুণাবলি উল্লেখ করেছেন।

 

 

 

 

 

এরূপ একটি স্থান হলো সূরা মুমিনুনের প্রথম দিকের কতগুলো আয়াত। এসব আয়াতে একজন সফল মুমিনের সম্পূর্ণ গুণাগুণ উল্লেখ করেছেন। আরো স্পষ্ট করে বলা যায়, এসব আয়াতে আল্লাহ সফল ও সার্থক মুমিনের পরিচয় তুলে ধরেছেন। এ আয়াতগুলো দ্বারা বিচার করা যাবে কে সফল, কে সফল নয়। আয়াতের শুরুতেই আল্লাহ বলে দিয়েছেন, ‘তারা, মুমিনরা সফলকাম হয়ে গেছে।’ এখানে ‘হয়ে গেছে’ অতীত ক্রিয়া ব্যবহার করেছেন। অতীতকালীন ক্রিয়া ব্যবহার কতটুকু সঙ্গত হয়েছে। অথচ এখনো তারা ওইসব গুণাবলির অধিকারি নয়। ব্যাখ্যাকারকেরা বলেন, সামনের গুণাবলির অধিকারী হলে অবশ্যই সব মানুষ সফলকাম হবে।

 

 

 

 

সেই নিশ্চয়তার দিকে লক্ষ্য করে আল্লাহ অতীতকালীন শব্দ প্রয়োগ করেছেন। সার কথাÑ যদি কোনো মানুষ নি¤েœাক্ত গুণাবলির অধিকারী হতে পারেন, তাহলে তিনি অবশ্য সফল মুমিনে পরিণত হবেন। সেই নিশ্চয়তার দিকে লক্ষ্য করেই আল্লাহ অতীতকালীন শব্দ প্রয়োগ করেছেন। ভবিষ্যতে নিশ্চিত বাস্তবায়িত ক্রিয়ার ক্ষেত্রে অতীতকালীন শব্দ প্রয়োগ আরবি অলঙ্কারশাস্ত্রের প্রসিদ্ধ রীতি। আয়াতগুলোতে সাতটি গুণ পাওয়া যায়।

 

 

 

 

প্রথম গুণ : ‘তারা তাদের নামাজে বিনয় নম্রতা অবলম্বন করেছে।’ প্রথম গুণ নামাজ সম্পর্কিত। নামাজে খুশু-খজু অবলম্বন করা। এর এক অর্থ হলো নামাজে স্থিরমানতা, নড়াচড়া না করা। নামাজে নড়াচড়া করা মাকরুহাতের অন্তর্ভুক্ত। কেউ কেউ আবার এ অর্থও নিয়েছেন যে, নামাজে কাপড় বা শরীর নিয়ে খেলা না করা, ইচ্ছাপূর্বক না নাড়া। বিনয় ও নম্র হওয়ার আরো ব্যাখ্যা পাওয়া যায় হাদিস শরিফে। মুজাহিদ বলেন, দৃষ্টি নত রাখা ও আওয়াজকে ক্ষীণ করার নাম খুশু। নামাজে বিনয় নম্র হওয়ার গুরুত্ব সীমাহীন।

 

 

 

 

কেননা রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেন, ‘নামাজী ব্যক্তি যতক্ষণ অন্য কিছুতে ভ্রƒক্ষেপ না করে ততক্ষণ আল্লাহ তার দিকে দৃষ্টি রাখেন।’
দ্বিতীয় গুণ : ‘তারা নিজেদেরকে অনর্থ কাজ থেকে বিরত রাখেন।’ অনর্থ অর্থবিহীন কাজ বাস্তবেও ভদ্রতার পরিপন্থী। আরবি শব্দ ‘লাগব’-এর অর্থ হলো উপকারবিহীন কাজ করা। যে কাজে কোনো সওয়াব বা উপকার নেই। একবার জনৈক সাহাবি দেখলেন একজন বালক দূরে কোথাও কঙ্কর নিক্ষেপ করছে অনর্থ, অযথা। সাহাবি তাকে নিষেধ করলেন। সে বালক শোনেনি। অতঃপর সাহাবি রাগান্বিত হয়ে বললেন, ‘আল্লাহর কসম যদি তুমি এ অনর্থ কাজ হতে বিরত না হও, আমি তোমার জানাজায় উপস্থিত হবো না।’

 

 

 

ওলামায়ে কেরাম বলেন, ‘অনর্থ কাজ থেকে বিরত থাকা ওয়াজিব। কখনো কখনো তা আমলকে নষ্ট করে দেয়। রাসূলুল্লাহ সা: বলেন, ‘মানুষ যখন তার অনর্থ কাজ ছেড়ে দেয় তখন তার ইসলাম পূর্ণ হয়ে যায়।’ এ কারণে আয়াতে তা কামেল মুমিনের গুণ বলে উল্লেখ রয়েছে।

 

 

 

 

তৃতীয় গুণ : ‘তারা নিয়মিত জাকাত আদায় করে।’ জাকাত ইসলামের বুনিয়াদি বিষয়।

সামর্থ্যবান ব্যক্তি যদি জাকাত আদায় না করে, তাহলে তার ইসলাম পূর্ণ হবে না। জাকাতের শাব্দিক অর্থ শুদ্ধিকরণ, পবিত্রকরণ। পরিভাষায় কিছু শর্তের মাধ্যমে সম্পদের নির্দিষ্ট অংশ দান করা। আলোচ্য আয়াতে শরিয়তের জাকাত উদ্দেশ্য হতে পারে। কুরানুল কারিমেও জাকাতের তাগিদ এসেছে। এসেছে জাকাতের বিশাল বিবরণ। জাকাত আদায় করার দ্বারা মালের পবিত্রতা রক্ষা পায়, পবিত্রতা হাসিল হয়। এর সাথে সাথে মালের মালিকের আত্মশুদ্ধি হাসিল হয়। জাকাত আদায় না করার ক্ষেত্রে রয়েছে ভয়াবহ সতর্কবাণী। হাদিসে উল্লেখ আছে, যে ব্যক্তি কার্পণ্য করে অথবা দুনিয়ার মোহে পড়ে জাকাত আদায় না করে, কাল কিয়ামতের দিন ওই মাল সাপ বানিয়ে তার গলায় পেঁচিয়ে দেয়া হবে। সেই সাপ তাকে দংশন করবে আর বলবে, ‘আমি তোমার গচ্ছিত মাল।’ (বোখারি)

 

 

 

 

 

চতুর্থ গুণ :

‘তারা নিজেদের লজ্জস্থান হেফাজত করে।’ মানুষের পাপের বিশাল অংশ লজ্জাস্থানের কারণে হয়। লজ্জাস্থান ব্যবহার ব্যতীত পাপের মূল পর্যায়ে পৌঁছা যায় না। কামভাব চরিতার্থ করার জন্য প্রয়োজন পড়ে লজ্জাস্থানের। তাই মহান আল্লাহ সফল মুমিনের একটি গুণ নির্ধারণ করেছেন লজ্জাস্থান হেফাজত করা। এ ছাড়া রাসূল সা: থেকে সাহল ইবনে সাদ বর্ণনা করেন; রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কাছে তার দু’চোয়ালের মধ্য অংশ (জিহ্বা) এবং দু’রানের মধ্যাংশ (লজ্জাস্থান) হেফাজতের ওয়াদা দেবে, আমি তার জান্নাতের জিম্মাদার হবো।’

 

 

 

পঞ্চম গুণ :

‘তারা আমানত ও অঙ্গীকার সম্পর্কে হুঁশিয়ার থাকে।’ আমানত রক্ষা করা মুমিনের জন্য ফরজ। আমানতের শাব্দিক অর্থ নিরাপদ ও হেফাজত করা। এর দ্বারা বুঝা যায় বান্দার কাছে গচ্ছিত সব বিষয়ে সে আমানত রক্ষা করা ফরজ। চাই তা হক্কুল্লাহ বা ইবাদুল্লাহ হোক। আল্লাহর হক বান্দার কাছে সব আদেশ-নিষেধ ফরজ ও ওয়াজিব। বান্দা যদি ফরজ ও ওয়াজিব পালন না করে তাহলে সে আল্লাহর দেয়া আমানত রক্ষা করল না। এমনভাবে যদি কারো গচ্ছিত মালের ব্যাপারে খিয়ানত করে। তা হলে সে আমানত রক্ষা করল না। হাদিস শরিফে আছে, যার আমানতদারি নেই তার ঈমান নেই। আরো আছে, কাল কিয়ামতের দিন প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার আমানত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। এ ছাড়া রাসূলুল্লাহ সা: মুনাফিকের তিনটি আলামতের কথা বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো আমানত রক্ষা না করা।

 

 

 

 

ষষ্ঠ গুণ :

‘তারা অঙ্গীকার রক্ষা করে।’ অঙ্গীকার বলতে প্রথমত, দ্বিপক্ষীয় চুক্তিকে বুঝায়, যা কোনো ব্যাপারে উভয়পক্ষ ওয়াজিব করে নেয়। এরূপ অঙ্গীকার আদায় করা ফরজ। না করলে কবিরাহ গুনাহ হবে। দ্বিতীয়ত, অঙ্গীকার ওয়াদাকে বলা হয়। অর্থাৎ কাউকে কিছু দেয়ার ওয়াদা করা বা কিছু করে দেয়ার ওয়াদা করা। এটা পালন করাও শরিয়ত জরুরি করেছে। যা ওয়াজিব। হাদিস শরিফে এসেছে ওয়াদা এক প্রকার ঋণ। আর তা আদায় করা জরুরি। সুতরাং ওয়াদা পালন করাও ওয়াজিব।

 

 

 

 

সপ্তম গুণ :

‘তারা তাদের নমাজে যতœবান হয়।’ নামাজে যতœবান হওয়া মুমিনের গুণ। নামাজে যতœবান হওয়ার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো নামাজকে তারা মোস্তাহাব সময়ে আদায় করে। ফরজিয়্যাত ও ওয়াজিবাত আদায়ের সাথে সাথে সুন্নত মোস্তাহাবসহ আদায় করা।
চিন্তা করলে দেখা যাবে, উল্লিখিত গুণের মধ্যে যাবতীয় প্রকার আল্লাহর হক ও বান্দার হক হওয়ার সাথে অপরাপর বিধানাবলি প্রবিষ্ট হয়ে গেছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

read more
ধর্ম

৫ সেকেন্ডে যে দোয়া এক বার পড়লে ১ হাজার দিন পর্যন্ত নেকী লিখা হয়…? শেয়ার করে দিন সবার সাথে !

muharrem-deger

৫ সেকেন্ডে যে দোয়া এক বার পড়লে ১ হাজার দিন পর্যন্ত নেকী লিখা হয়…?

Related image

শেয়ার করে দিন সবার সাথে !

 

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে অনেক যত্ন করে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাআলার মত করে আমাদেরকে আর কেউ ভালোবাসেন না। আর ভালোবাসতে পারেনও না। আর আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন জান্নাত। যাহার তলদেশে দিয়ে নহর প্রবাহিত করে দিয়েছেন। আর আল্লাহ তাআলার পরেই আমাদেরকে অত্যধিক ভালোবাসেন আমাদের প্রাণপ্রিয় রাসূল (সাঃ)।

 

 

রাসূল (সাঃ)সব সময় চিন্তা করতেন কিভাবে আমরা নাযাত পেতে পারি, কিভাবে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি পেতে পারি। তিনি আজীবন আমাদেরকে শিখিয়ে গেছেন কিভাবে আমরা অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভবান হতে পারি। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আমাদেরকে শিখিয়ে গিয়েছেন ছোট্ট একটি আমল । যে আমলটি করার ফজিলত অপরিসীম। আসুন আজ থেকে আমরা চেষ্টা করি ছোট্ট এই আমলটি সব সময় করার। আর অর্জন করি দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা।

Related image

 

ছোট্ট একটি দোয়াঃ-

“জাযাআল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা-হুয়া আহলুও।”

নবী করীম (সাঃ) ফরমান, যে ব্যক্তি ১ বার এই দোয়া পাঠ করবে, ৭০ জন ফেরেশতা ১০০ দিন পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে উহার সাওয়াব লিখতে থাকবে।

(সূত্রঃ তাবারানী, তারগীব তারহীম।)

read more
ধর্ম

পবিত্র শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজার ফজিলত

Masjid-aram-op20161226133910

পবিত্র শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজার ফজিলত

 

সিয়াম বা রোজা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম। কারণ রোজার মাধ্যমে আল্লাহকে বেশি খুশি করা যায়। রমজানের রোজা ছিল বান্দার জন্য ফরজ। আর শাওয়াল বা চান্দ্রমাসের ১৩-১৫ তারিখের রোজা হলো সুন্নত বা নফল রোজা। তবে রোজাগুলোতে সওয়াব অনেক বেশি।Image result for মসজিদ

শাওয়ালের রোজার বেশি সওয়াবের কারণ হলো, যদি কোনো চাকরিজীবীর নির্ধারিত বেতনের পরও কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত হাদিয়া/বকশিস দেয়, তাহলে ওই ব্যক্তি আরো বেশি খুশি হন। ঠিক তেমনিভাবে বান্দা যখন অতিরিক্ত রোজা বা আমল করেন, তখন আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রতি বেশি খুশি হন। আসুন ছয় রোজা সম্পর্কে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি বলেছেন জেনে নেই।

নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যিনি রমজান মাসে ফরজ রোজা পালন করলেন, অতপর শাওয়াল মাসে আরো ছয় দিন রোজা পালন করলেন, তিনি যেন সারা বছর ধরে রোজা রাখলেন।(মুসলিম শরিফ, হাদিস : ১১৬৪)

হযরত সাওবান (রা.) বলেন, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে রমজানের রোজা দশ মাসের আর (শাওয়ালের) ছয় রোজা দু’ মাসের রোজার সমান। সব মিলিয়ে এক বছরের রোজা।(নাসায়ী শরিফ)

 

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, যেকোন কারণে রমজানের রোজা ভেঙে ফেললে শাওয়াল মাসে কাজা রোজা আগে রাখবে, নাকি ছয় রোজা আগে রাখবে। আবার এই রোজা রাখলেই কি কাজা রোজা আদায় হয়ে যায়, নাকি আলাদা আলাদাভাবে রাখতে হবে?

উত্তর হলো, ফরজের কাজার সঙ্গে যেহেতু নফলের নিয়ত করা যায় না, তাই কাজা রোজা ও ছয় রোজা আলাদা আলাদাই রাখতে হবে।

শাওয়ালের রোজাগুলো লাগাতার রাখা যায়, আবার বিরতি দিয়েও রাখা যায়। যার যেভাবে সুবিধা তিনি সেভাবেই রাখতে পারবেন। তবে শাওয়াল মাসের মধ্যেই যেন শেষ হয়।Related image

আসুন আমরা সবাই শাওয়াল মাসের ছয় রোজার আমল করি এবং সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব হাসিল করি। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে যেন আমল করার তওফিক দান করেন।(আমিন)সিয়াম বা রোজা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম। কারণ রোজার মাধ্যমে আল্লাহকে বেশি খুশি করা যায়। রমজানের রোজা ছিল বান্দার জন্য ফরজ। আর শাওয়াল বা চান্দ্রমাসের ১৩-১৫ তারিখের রোজা হলো সুন্নত বা নফল রোজা। তবে রোজাগুলোতে সওয়াব অনেক বেশি। শাওয়ালের রোজার বেশি সওয়াবের কারণ হলো, যদি কোনো চাকরিজীবীর নির্ধারিত বেতনের পরও কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত হাদিয়া/বকশিস দেয়, তাহলে ওই ব্যক্তি আরো বেশি খুশি হন। ঠিক তেমনিভাবে বান্দা যখন অতিরিক্ত রোজা বা আমল করেন, তখন আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রতি বেশি খুশি হন। আসুন ছয় রোজা সম্পর্কে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি বলেছেন জেনে নেই।

 

নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যিনি রমজান মাসে ফরজ রোজা পালন করলেন, অতপর শাওয়াল মাসে আরো ছয় দিন রোজা পালন করলেন, তিনি যেন সারা বছর ধরে রোজা রাখলেন।(মুসলিম শরিফ, হাদিস : ১১৬৪) হযরত সাওবান (রা.) বলেন, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে রমজানের রোজা দশ মাসের আর (শাওয়ালের) ছয় রোজা দু’ মাসের রোজার সমান। সব মিলিয়ে এক বছরের রোজা।(নাসায়ী শরিফ) অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, যেকোন কারণে রমজানের রোজা ভেঙে ফেললে শাওয়াল মাসে কাজা রোজা আগে রাখবে, নাকি ছয় রোজা আগে রাখবে। আবার এই রোজা রাখলেই কি কাজা রোজা আদায় হয়ে যায়, নাকি আলাদা আলাদাভাবে রাখতে হবে? উত্তর হলো, ফরজের কাজার সঙ্গে যেহেতু নফলের নিয়ত করা যায় না, তাই কাজা রোজা ও ছয় রোজা আলাদা আলাদাই রাখতে হবে। শাওয়ালের রোজাগুলো লাগাতার রাখা যায়, আবার বিরতি দিয়েও রাখা যায়। যার যেভাবে সুবিধা তিনি সেভাবেই রাখতে পারবেন। তবে শাওয়াল মাসের মধ্যেই যেন শেষ হয়। আসুন আমরা সবাই শাওয়াল মাসের ছয় রোজার আমল করি এবং সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব হাসিল করি। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে যেন আমল করার তওফিক দান করেন।(আমিন)

 

read more
ধর্ম

আপনি কি কথায় কথায় কসম করছেন, জানেন এই মারাত্মক অপরাধের শাস্তি কী ?

Saudi-Girl-Shutterstock

কসম দ্বারা সাধারণত আমরা প্রতিজ্ঞা বা হলফ করাই বুঝি। আর ইসলামি শরিয়তে কসমবলতে আল্লাহ তাআলার নামে কসম করাকেই বুঝানো হয়েছে।

Image result for saudi girls photos

আল্লাহ তাআলা ব্যতীত অন্য কারো নামে (আল্লাহর সৃষ্টির নামে) কসম করা শিরক বা কুফরি।কোনো ব্যক্তি যদি কোনোকাজের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলার নামে কসম করে এবং তা বাস্তবায়ন না করে তবে সে গোনাহগার হিসেবে পরিগণিতহবে।

কসমকারী ব্যক্তি কসম বাস্তবায়ন না করলে ওই ব্যক্তিকে কসমের কাফফারা দিতে হবে। তাছাড়া ইসলামি শরিয়তেকসম করার নিয়ম রয়েছে। কসমের শব্দগুলো হবে এমন–

‘উকসিমু বিল্লাহ; ওয়াল্লাহ; বিল্লাহ; তাল্লাহ ইত্যাদি শব্দ দ্বারা কসম করা। অর্থাৎ ‘আল্লাহ তাআলার নামে কসমকরা।’সাধারণ অর্থে যদিও কসম করা ঠিক নয়। তারপরও মানুষ কথায় কথায় অজ্ঞতাবশতঃ কসম করে বসে।

শুধু তাই নয়, বরং মানুষ আল্লাহ তাআলা ব্যতীত অন্য ব্যক্তি ও বস্তুর নামে ‍শিরকি ও কুফরি কসম করে থাকে।যেমনবলে থাকে যে, ‘পশ্চিম (কাবার) দিকে মুখ করে কসম; মসজিদে গিয়ে বা স্পর্শ করে কসম;

ছেলে–মেয়ের নামে বা স্পর্শ করে কসম; মা–বাবাসহ অন্যান্য গাইরুল্লাহর নামে কসম। যা শিরক ও কুফরি কাজ।প্রকৃতপক্ষে সৃষ্টি জগতের কসম শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্য নির্ধারিত। যা কুরআনের বহু জায়গায় অনেকবার উল্লিখিতহয়েছে। অথচ মানুষ সৃষ্টির কসম করে থাকে।

Related image

একান্ত প্রয়োজনে যদি কসম করতেই হয় তবে কমস করতে হবে ইসলামি রীতি অনুযায়ী শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলারনামে।জ্বিন–ইনসান তথা গাইরুল্লাহর নামে কসম করা কুফরি তথা শিরকে আসগার বা ছোট শিরক। এ ব্যাপারে হাদিসেএসেছে–

হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,‘যে ব্যক্তি গাইরুল্লাহর(আল্লাহ ব্যতীত অন্যের) নামে হলফ বা কসম করলো সে কুফরি বা শিরক করলো। (তিরমিজি, মুসতাদরেকে হাকিম)

পরিশেষে…
যদি কোনো কারণে কসম করতেই হয় তবে শুধুমাত্র আল্লাহর নামেই কসম করা। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামেকসম করা কুফরি বা শিরক।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কসম করা থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন।

একান্তই যদি কসম করতে হয় তবে গাইরুল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে কসম করা থেকেও বিরতথাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

কসম দ্বারা সাধারণত আমরা প্রতিজ্ঞা বা হলফ করাই বুঝি। আর ইসলামি শরিয়তে কসমবলতে আল্লাহ তাআলার নামে কসম করাকেই বুঝানো হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা ব্যতীত অন্য কারো নামে (আল্লাহর সৃষ্টির নামে) কসম করা শিরক বা কুফরি।কোনো ব্যক্তি যদি কোনোকাজের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলার নামে কসম করে এবং তা বাস্তবায়ন না করে তবে সে গোনাহগার হিসেবে পরিগণিতহবে।

কসমকারী ব্যক্তি কসম বাস্তবায়ন না করলে ওই ব্যক্তিকে কসমের কাফফারা দিতে হবে। তাছাড়া ইসলামি শরিয়তেকসম করার নিয়ম রয়েছে। কসমের শব্দগুলো হবে এমন–

‘উকসিমু বিল্লাহ; ওয়াল্লাহ; বিল্লাহ; তাল্লাহ ইত্যাদি শব্দ দ্বারা কসম করা। অর্থাৎ ‘আল্লাহ তাআলার নামে কসমকরা।’সাধারণ অর্থে যদিও কসম করা ঠিক নয়। তারপরও মানুষ কথায় কথায় অজ্ঞতাবশতঃ কসম করে বসে।

শুধু তাই নয়, বরং মানুষ আল্লাহ তাআলা ব্যতীত অন্য ব্যক্তি ও বস্তুর নামে ‍শিরকি ও কুফরি কসম করে থাকে।যেমনবলে থাকে যে, ‘পশ্চিম (কাবার) দিকে মুখ করে কসম; মসজিদে গিয়ে বা স্পর্শ করে কসম;

ছেলে–মেয়ের নামে বা স্পর্শ করে কসম; মা–বাবাসহ অন্যান্য গাইরুল্লাহর নামে কসম। যা শিরক ও কুফরি কাজ।প্রকৃতপক্ষে সৃষ্টি জগতের কসম শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্য নির্ধারিত। যা কুরআনের বহু জায়গায় অনেকবার উল্লিখিতহয়েছে। অথচ মানুষ সৃষ্টির কসম করে থাকে।

একান্ত প্রয়োজনে যদি কসম করতেই হয় তবে কমস করতে হবে ইসলামি রীতি অনুযায়ী শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলারনামে।জ্বিন–ইনসান তথা গাইরুল্লাহর নামে কসম করা কুফরি তথা শিরকে আসগার বা ছোট শিরক। এ ব্যাপারে হাদিসেএসেছে–

হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,‘যে ব্যক্তি গাইরুল্লাহর(আল্লাহ ব্যতীত অন্যের) নামে হলফ বা কসম করলো সে কুফরি বা শিরক করলো। (তিরমিজি, মুসতাদরেকে হাকিম)

পরিশেষে…
যদি কোনো কারণে কসম করতেই হয় তবে শুধুমাত্র আল্লাহর নামেই কসম করা। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামেকসম করা কুফরি বা শিরক।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কসম করা থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন।

একান্তই যদি কসম করতে হয় তবে গাইরুল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে কসম করা থেকেও বিরতথাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

read more
ধর্ম

জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে যাবে এই দোয়াটি পড়লে। জীবনে ১ বার হলেও পড়ুন..!!

Capture

জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে যাবে এই দোয়াটি পড়লে। জীবনে ১ বার হলেও পড়ুন..!!

 

নামাযের সময়, কুরআন তেলাওয়াতের পূর্বে প্রতিদিন আমরা ওজু করি। সুন্দর ও সঠিকভাবে ওজু করে ছোট্ট একটি দুআ পাঠ করুন।

 

জান্নাতের আটটি দরজা আপনার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছা, আপনি প্রবেশ করতে পারবেন।

 

 

এই সুন্দর ও সহজ সুন্নাতটি আদায় করতে দশ সেকেন্ডের বেশি সময় লাগবে না। অথচ উপকার কত বড়! হযরত উকবা ইবনে

 

আমের রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন,‘তোমাদের কেউ যখন ওজু করে, আর সে পূর্ণরূপে সুন্দর করে ওজু করে, এরপর সে নিম্নের দুআটি পাঠ করে, তাহলে তার জন্য

 

 

জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়। যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা, সে প্রবেশ করতে পারে।’ (মুসলিম শরীফ, হাদীস-৩৪৫)

দুআটি এই : أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ

 

read more
ধর্ম

কোরান-হাদিসের আলোকে জেনে নিন, রাতের কিছু জরুরি আমল যা প্রত্যেক মুসলমানের করা উচিত !!

Capture

কোরান-হাদিসের আলোকে জেনে নিন, রাতের কিছু জরুরি আমল যা প্রত্যেক মুসলমানের করা উচিত !!

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলিম যদি দুইটি কাজ নিয়মিত করতে পারে তাহলে জান্নাতে প্রবেশ করবে। কাজ দুইটি খুবই সহজ কিন্তু করার মানুষ খুব কম। প্রথমত, প্রত্যেক সালাতের পরে ১০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’, ১০ বার ‘আল-হামদুলিল্লাহ ‘ ও ১০ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে। এতে ১৫০ বার জিহ্বার জিকর হবে এবং আল্লাহর কাছে আমলনামায় বা মিজানে ১৫০০ সাওয়াব হবে।

 

 

দ্বিতীয়ত, বিছানায় শয়ন করার পরে ৩৪ বার ‘আল্লাহু আকবার’, ৩৩ বার ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ ও ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে। এতে মুখে ১০০ বার ও মিজানে ১ হাজার বার হবে। রাসুল (সা.) আঙুলে গুনে গুনে তা দেখান। সাহাবিরা প্রশ্ন করেন, ‘এই দুইটি কর্ম সহজ হওয়া সত্ত্বেও পালনকারী কম কেন?’ তিনি উত্তরে বলেন, ‘কেউ শুয়ে পড়লে শয়তান এসে এগুলো বলার আগেই ঘুম পাড়িয়ে দেয়। সালাতের পরে এগুলো বলার আগেই তাকে তার বিভিন্ন কথা মনে করিয়ে দেয়।’ (আবু দাউদ, ইবনে হিব্বান, তারগিব)।

 

 

আয়াতুল কুরসি

বোখারি বর্ণিত হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি যে, কেউ রাতে বিছানায় শয়ন করার পরে আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে সারা রাত আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁকে হেফাজত করা হবে এবং কোনো শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না।

সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত

আবু মাসউদ (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যদি কেউ রাতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করে তবে তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।’ (বোখারি ও মুসলিম)।

সূরা কাফিরুন

নাওফাল আল-আশজায়ী (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে বলেছেন, তুমি সূরা ‘কাফিরুন’ পড়ে ঘুমাবে, এ শিরক থেকে তোমার বিমুক্তি।’ (তিরমিজি, আবু দাউদ)।

 

সূরা এখলাস

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) তাঁর সাহাবিদের বললেন, ‘তোমরা কি পারবে না রাতে কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ তেলাওয়াত করতে? বিষয়টি তাদের কাছে কষ্টকর মনে হলো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের মধ্যে কে-ই বা তা পারবে? তখন তিনি বলেন, কুল হুআল্লাহু আহাদ সূরাটি কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ।’ আবু দারদা (রা.) থেকে একই অর্থে আরেকটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। (বোখারি ও মুসলিম)।

 

সূরা এখলাস, ফালাক ও নাস একত্রে (তিনবার) : দুই হাত একত্র করে এ সূরাগুলো পাঠ করে হাতে ফুঁ দিয়ে হাত দুইটি যথাসম্ভব শরীরের সর্বত্র বুলানো- এভাবে তিনবার করতে হবে। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রাতে বিছানায় গমনের পরে তাঁর মোবারক দুইটি হাত একত্রিত করে তাতে ফুঁ দিতেন এবং তাতে উপরের তিনটি সূরা পাঠ করতেন। এরপর শরীরের যতটুকু স্থান সম্ভব দুই হাত দিয়ে মাসেহ করতেন। মাথা, মুখ ও শরীরের সামনের দিক থেকে শুরু করতেন। এভাবে তিনবার করতেন।’ (বোখারি)।

অজু অবস্থায় ঘুমাতে যাওয়া

 

ঘুমের জন্য অজু অবস্থায় শয়ন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসনুন ইবাদত। রাসুলুল্লাহ (সা.) এজন্য বিশেষভাবে উৎসাহ প্রদান করেছেন এবং এ জন্য বিশেষ দুইটি পুরস্কারের সুসংবাদ প্রদান করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের দেহগুলোকে পবিত্র রাখবে, আল্লাহ তোমাদের পবিত্র করুন। যদি কোনো বান্দা অজু অবস্থয় ঘুমান, তবে তার পোশাকের মধ্যে একজন ফেরেশতা শুয়ে থাকেন। রাতে যখনই এ ব্যক্তি নড়াচড়া করে তখনই এ ফেরেশতা বলেন, ‘হে আল্লাহ আপনি এ ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিন, কারণ সে অজু অবস্থায় ঘুমিয়েছে।’ (ইবনে হিব্বান, তাবারানি, সহিহুত তারগিব)।

 

অন্য হাদিসে মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে কোনো মুসলিম যদি অজু অবস্থায় (আল্লাহর জিকরের ওপর) ঘুমায়, এরপর রাতে কোনো সময় হঠাৎ তার ঘুম ভেঙে যায় এবং সে (ওই অবস্থায় শুয়ে শুয়ে) আল্লাহর কাছে তার জাগতিক বা পারলৌকিক কোনো কল্যাণ কামনা করে তবে আল্লাহ তাকে তার পার্থিত বস্তু দেবেনই।’ (আবু দাউদ, সহিহ তারগিব, নাসাঈ)।

 

ঘুমের আগে অজু করে সম্ভব হলে ২/৪ রাকাত সালাত আদায় করে ঘুমাবেন। বিশেষত যারা শেষ রাতে তাহাজ্জুদের জন্য উঠতে পারবেন না বলে ভয় পাবেন, তারা ঘুমানোর আগে ২/৪ রাকাত ‘কিয়ামুল্লাইল’ আদায় করে ঘুমাবেন।

read more
ধর্ম

৫ সেকেন্ডে যে দোয়া এক বার পড়লে ১ হাজার দিন পর্যন্ত নেকী লিখা হয়?

Capture

৫ সেকেন্ডে যে দোয়া এক বার পড়লে ১ হাজার দিন পর্যন্ত নেকী লিখা হয়?

 

 

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে অনেক যত্ন করে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাআলার মত করে আমাদেরকে আর কেউ ভালোবাসেন না। আর ভালোবাসতে পারেনও না। আর আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন জান্নাত। যাহার তলদেশে দিয়ে নহর প্রবাহিত করে দিয়েছেন। আর আল্লাহ তাআলার পরেই আমাদেরকে অত্যধিক ভালোবাসেন আমাদের প্রাণপ্রিয় রাসূল (সাঃ)।

 

 

 

 

রাসূল (সাঃ)সব সময় চিন্তা করতেন কিভাবে আমরা নাযাত পেতে পারি, কিভাবে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি পেতে পারি।

 

তিনি আজীবন আমাদেরকে শিখিয়ে গেছেন কিভাবে আমরা অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভবান হতে পারি। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আমাদেরকে শিখিয়ে গিয়েছেন ছোট্ট একটি আমল ।

 

যে আমলটি করার ফজিলত অপরিসীম। আসুন আজ থেকে আমরা চেষ্টা করি ছোট্ট এই আমলটি সব সময় করার। আর অর্জন করি দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা।

 

ছোট্ট একটি দোয়াঃ-

“জাযাআল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা-হুয়া আহলুও।”

নবী করীম (সাঃ) ফরমান, যে ব্যক্তি ১ বার এই দোয়া পাঠ করবে, ৭০ জন ফেরেশতা ১০০ দিন পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে উহার সাওয়াব লিখতে থাকবে।

 

 

(সূত্রঃ তাবারানী, তারগীব তারহীম।)

read more
ধর্ম

মধ্যরাতে ছোট্ট এই দোয়াটি পড়লে অঢেল সম্পত্তির মালিক হতে পারেন আপনিও !

Capture

মধ্যরাতে ছোট্ট এই দোয়াটি পড়লে অঢেল সম্পত্তির মালিক হতে পারেন আপনিও !

 

 

আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তার সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন।

 

আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামগুলোর মধ্যে (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’ একটি। যার অর্থ হলো- ‘কাফির মুশরিকদের হীন ও নীচুকারী।’

 

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’-এর জিকিরের আমল
ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-
উচ্চারণ : ‘আল-খাফিদু’
অর্থ : ‘কাফির মুশরিকদের হীন ও নীচুকারী।’
আল্লাহর গুণবাচক নাম (اَلْبَاسِطُ)-এর আমল

 

শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন !

 

 
ফজিলত :
>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’ নামটি মধ্য রাতে বা দ্বিপ্রহরের সময় ১০০ বার পাঠ করবে মহান আল্লাহ তাকে তাঁর সৃষ্টির মধ্যে মনোনীত ও অর্থশালী করেন এবং মুখাপেক্ষীহীন করে দেন।

>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’ নামের জিকির প্রতিদিন ৫০০ বার মনোযোগের সঙ্গে পড়ে, আল্লাহ তাআলা তার মনোবাসনা পূরণ করেন।

 

পরিশেষে…
মুসলিম উম্মাহর উচিত আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামের জিকির করে দুনিয়ার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত থেকে মনের একান্ত চাওয়াগুলো পূরণ করে নিতে পারেন। আল্লাহ তাআলা সবাইকে নিয়মিত এ গুণবাচক নামের জিকির ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন !

read more
ধর্ম

নাপাক অবস্থায় খাবার গ্রহণ করা জায়েজ আছে কী?দেখুন কি বলে ইসলামে

8

প্রশ্ন:
নাপাক অবস্থায় খাবার গ্রহণ ও পড়াশোনা করা জায়েজ আছে কী? এই ব্যাপারে ইসলামী বিধি-বিধান কী?

উত্তর:

নাপাক অবস্থায় শুধু কোরআন পড়া, স্পর্শ করা, মসজিদে প্রবেশ ও নামাজ পড়া যাবে না। এ ছাড়া, খাওয়া দাওয়া, লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজ করা যাবে।

তবে নাপাক অবস্থায় বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়। মেয়েরা পিরিয়ডকালীন রোজাও রাখতে পারবেন না।
তবে স্বামী-স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক হয়েছে এই অবস্থায় সেহেরি খেয়ে রোজা রাখতে পারবে।

এতে রোজার কোনো সমস্যা হবে না। এক্ষেত্রে ফজর নামাজের আগে তাদেরকে গোসলের মাধ্যমে পাক হতে হবে।

আবার রোজা অবস্থায় ঘুমের মধ্যে কারো স্বপ্নদোষের মাধ্যমে নাপাকি ঘটলে রোজা নষ্ট হবে না। ফরজ গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে।

read more
ধর্ম

ইসলামের বিধান অনুযায়ী মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখলে জরুরীভাবে যা করা উচিৎ

7

পরকালে কোন মানুষ কি অবস্থায় আছে তা একমাত্র আল্লাহ পাক ছাড়া কেউ বলতে পারে না। তবে অনেকেই ঘুমের মধ্যে মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্ন দেখেন। ধরে নেয়া হয় স্বপ্নের মাঝে মৃত ব্যক্তিকে যে অবস্থাতে দেখা যায়, ওটাই তার প্রকৃত অবস্থা।

অর্থ্যাৎ যদি কেউ মৃত ব্যক্তিকে ভাল পোশাক পরা অবস্থায় বা সুস্বাস্থের অধিকারী দেখে, তাহলে বুঝতে হবে সে ভাল অবস্থায় আছে। আর যদি জীর্ণ, শীর্ণ স্বাস্থ্য বা খারাপ পোশাকে দেখে তাহলে বুঝতে হবে, ভাল নেই। তার জন্য তখন বেশি করে মাগফিরাত কামনা ও দোআ-প্রার্থনা করতে হবে।

ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, বিদ্রোহীরা যখন উসমান (রা)- এর বাসভবন ঘেরাও করেছিল, তখন উসমান (রা) বলেন, আমি গত রাতে স্বপ্ন দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, উসমান আমাদের সাথে তুমি ইফতার করবে। আর ঐ দিনই উসমান (রা) শহীদ হলেন। (আল কাওয়ায়েদুল হুসনা ফী তাবীলির রুইয়া : শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস সাদহান)

আনাস ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত, আবু মূসা আশ আশআরী (রা) বললেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম, আমি একটি পাহাড়ের কাছে গেলাম। দেখলাম, পাহাড়ের উপরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রয়েছেন ও পাশে আবু বকর (রা)। আবু বকর (রা) তার হাত দিয়ে ওমর (রা) এর দিকে ইশারা করছেন। আমি আবু মূসা (রা) এ স্বপ্নের কথা শুনে বললাম, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। আল্লাহর শপথ! ওমর (রা) তো মারা যাবেন! আচ্ছা আপনি কি বিষয়টি ওমর (রা) লিখে জানাবেন?

আবু মূসা (রা) বললেন, আমি ওমর (রা) তার জীবদ্দশায তার নিজের মৃত্যু সংবাদ জানাব, এটা কি করে হয়? এর কয়েকদিন পরই স্বপ্নটা সত্যে পরিণত হল। ওমর (রা) শহীদ হয়ে গেলেন। কারণ, মৃত্যু পরবর্তী সত্য জগত থেকে যা আসে, তা মিথ্যা হতে পারে না। সেখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ নেই। (আল কাওয়ায়েদুল হুসনা ফী তাবীলির রুইয়া : শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস সাদহান)

তাই মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখলে সর্বাবস্থায় জরুরিভাবে তাদের জন্য দো‘আ ও ছাদাক্বা করা উচিত। মানুষের স্বপ্ন তিন ধরনের হয়ে থাকে (ক) ভাল স্বপ্ন- যা আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ বহন করে (খ) শয়তানের পক্ষ থেকে- যা মানুষকে দুশ্চিন্তায় ফেলে (গ) নিজের খেয়াল ও কল্পনা- যা স্বপ্নে দেখা যায় (মুসলিম হা/২২৬৩)।

স্বপ্নে ভাল কিছু দেখলে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে। চাইলে অন্যকেও সে বিষয়ে অবহিত করবে। আর খারাপ কিছু দেখলে শয়তান থেকে আশ্রয় চাইবে, বাম দিকে তিনবার আঊযুবিল্লাহ বলে থুক মারবে এবং পার্শ্ব পরিবর্তন করবে। কাউকে সে বিষয়ে বলবে না (বুখারী হা/৭০৪৫)।

read more
1 2 3
Page 1 of 3