close

ট্রিকস এবং টিপস

ট্রিকস এবং টিপস

মেয়েদের যে গোপন বিষয়গুলো ছেলেদের কখনোই জানায় না !! জানলে অবাক হবেন !!

Untitled-1 copy

 

মেয়েদের-যে-গোপন-বিষয়গুলো-ছেলেদের-কখনো-জানায়-নাপ্রেমিকরা কি তাদের প্রেমিকার সম্পর্কে সব কিছু জানতে পারে? সম্পর্ক যত দীর্ঘ সময়েরই হোক না কেন প্রেমিকার মনের সব গোপন কথা প্রেমিক কখনোই জানতে পারবে না এ কথা হলফ করে বলা যায়। মেয়েদের কিছু কিছু সিক্রেট থাকে যেগুলো তারা কাউকেই বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না।
বিশেষ করে তারা কিছু বিষয় ভুলেও প্রেমিককে জানায় না। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রেমিকাদের সেই ৬টি সিক্রেট বিষয়গুলো তারা প্রাণপণে লুকিয়ে রাখে প্রেমিকদের কাছ থেকে।

 

আসল বয়স
মেয়েদের আসল বয়স জানা আসলেই কঠিন। আসল বয়সটা ঠিক কত এটা বেশিরভাগ মেয়েরাই তার প্রেমিককে বলতে চায় না। এমনকি অনেক মেয়ে তার সবচাইতে কাছের মেয়ে বান্ধবীকেও নিজের আসল বয়স বলতে দ্বিধা বোধ করে। তাই নিজের প্রকৃত বয়সের চাইতে কয়েক বছর কমিয়ে বলার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায় অনেকের মধ্যেই। বয়স বললেই বুড়িয়ে যাবেন এমনটাই মনে করেন বেশিরভাগ নারী।

প্রেমের সংখ্যা
প্রেমিকার পূর্বে কত গুলো প্রেম ছিলো এটা জানাটা প্রেমিকদের জন্য মোটামুটি অসম্ভব একটি ব্যাপার। কারণ কোনো নারীই নিজের জীবনের সঠিক প্রেমের সংখ্যা বলে না কাউকে। প্রেমিককে তো একেবারেই নয়। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ নারীই তাদের প্রেমিকের কাছে বলে থাকে যে এটাই তার জীবনের প্রথম প্রেম।

কুমারীত্ব
বর্তমান সমাজে নৈতিক অবক্ষয়ের কারনে অনেক মেয়েই বিয়ের আগেই কুমারীত্ব হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু পরবর্তিতে দেখা যাচ্ছে সেই সম্পর্কটি টিকছে না এবং অন্য কোথাও বিয়ে করছে তারা। প্রেমিক কিংবা স্বামী যদি কুমারীত্ব নিয়ে প্রশ্ন করে তাহলে প্রায় সব মেয়েই কুমারীত্ব হারানোর বিষয়টি অস্বীকার করে কিংবা এড়িয়ে যায়, কিংবা বানোয়াট একটা কাহিনী বলে। কখনোই স্বীকার করে না যে ব্যাপারটি তার মর্জিতেই হয়েছে।

প্রেমের প্রস্তাব
বেশিরভাগ মেয়েরাই মনে করেন যে প্রেমের প্রস্তাবের সংখ্যা যার যত বেশি সে তত বেশি সুন্দরী ও যোগ্য। আর তাই নিজের প্রেমিকের কাছে অনেক মেয়েই প্রেমের প্রস্তাবের সংখ্যাটা বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলে থাকে। জীবনে একটি প্রেমের প্রস্তাব না পেলেও অনেকেই সেটাকে বাড়িয়ে অনেক গুলো প্রেমের প্রস্তাব পাওয়ার কথা বলে থাকে।

বাবার সম্পত্তি
মেয়েরা বাবার সম্পত্তি নিয়ে বেশ কিছু বিষয় প্রেমিকের কাছে সিক্রেট রাখে। অধিকাংশ মেয়ের ধারণা যে যার বাবার যত বেশি সম্পদ, প্রেমিকের কাছে তার দাম তত বেশি। আর এই ধারণার কারনেই বেশিরভাগ প্রেমিকা তার প্রেমিকের কাছে বাবার ধন সম্পদের বিবরণটা কিছুটা রঙ-চং মাখিয়ে বাড়িয়ে বলে থাকে। অর্থাৎ প্রেমিকার বাবার প্রকৃত আর্থিক অবস্থার বিষয়টি অনেক প্রেমিকই জানতে পারে না।

read more
ট্রিকস এবং টিপস

মহিলাদের যে ৪টি ছলনার ফাঁদে ভুলেও পা দিবেন না !বিস্তারিত জানতে ছবিতে টাচ করুন

154433shakib-shuvosri_kalerkantho_pic

মহিলাদের যে ৪টি ছলনার ফাঁদে ভুলেও পা দিবেন না !বিস্তারিত জানতে ছবিতে টাচ করুন

 

 

 

সাধে কী আর মহিলাদের প্রায়শই “ছলনাময়ী” বলেন পুরুষরা? যদিও এই বিশেষণ নিয়ে মহিলাদেরও আপত্তির শেষ নেই। মহিলারা নাকি ৬৪ কলার অধিকারিনী। প্রায়ই বির্তকের জন্ম দেয় এই প্রবাদটি। কিন্তু কথাটা কি সত্যি? নাকি মিথ্যা? সত্যিই কি মহিলারা কিছু বিশেষ ছলনায় প্ররোচিত করে ফেলেন পুরুষদেরকে? আটকে ফেলেন ছলনার ফাঁদে? জেনে নিন তাদের ৫টি ছলনা সম্পর্কে যেগুলো সহজেই পুরুষদেরকে ফাঁদে ফেলতে পারে।

 

চোখের জল: মহিলারা খুব সহজেই একজন পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে পারে। কীভাবে? চোখের দুই ফোঁটা জলই একজন পুরুষকে ফাঁদে ফেলার জন্য যথেষ্ট। এক্ষেত্রে তেমন কোনও কষ্ট ছাড়াই যে কোনও কাজে পটিয়ে ফেলা যায় একজন পুরুষকে।

কেন, দিল তো বাচ্চা হ্যায় কি সিনেমার কথাটা মনে নেই? অফিসের কাজের চাপে অতিষ্ট হওয়ার অভিনয় করে চোখের জল ফেলেই কি সুন্দর আরেক সহকর্মীকে গাধার মতোন খাটিয়ে নিতেন নায়িকা। কারণ, আজও অধিকাংশ পুরুষই নারীর চোখের জলকে অবহেলা করতে পারেন না।

 

 

ইমোশনাল অত্যাচার: সাধে কি আর গানটি লেখা হয়েছিল? ‘ইমোশনাল অত্যাচার’ করে একজন নারী খুব সহজেই একজন পুরুষকে পটিয়ে ফেলতে পারে। একবার ইমোশোনাল অত্যাচারের শিকার হলে ভালোমন্দ বিচার করার ক্ষমতা অনেক পুরুষই হারিয়ে ফেলে। বরং সবকিছুর জন্য নিজেকেই দোষী মনে হরে আর সেই দোষ থেকে মুক্তি পেতে অনেক কিছুই করতে প্ররোচিত হন।

 

সৌন্দর্য দিয়ে: নারীর রূপ একজন পুরুষের মন ভোলানোর সবচেয়ে ধারালো অস্ত্র। সুন্দরী নারীর রূপে মোহিত হন না, এমন বুকের পাটা ক’কন পুরুষের রয়েছে? একজন সুন্দরী নারীর আবেদন অগ্রাহ্য করার মত মানসিক শক্তি খুব কম পুরুষেরই আছে। তাই সুন্দরী নারীরা খুব সহজেই পুরুষদেরকে ফাঁদে ফেলতে পারে। বলতে গেলে পুরুষ নিজে গিয়ে ধরা দেয় সৌন্দর্যের ফাঁদে।

 

রেঁধেছি যতনে: ঠাট্টা করে অনেকে বলেন, পুরুষের মনের রাস্তা নাকি তাঁর পেট হয়ে যায়। আর পুরুষের মন জেতার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সুস্বাদু রান্না করে খাওয়ানো। একজন মহিলা যদি নিজের হাতে রান্না করা জিভে জল আনা খাবার খাইয়ে একজন পুরুষকে পটাতে চায়, তাহলে সেটা ফেরানোর সাধ্য খুব কম পুরুষেরই আছে।-কলকাতা২৪

read more
ট্রিকস এবং টিপসপ্রযুক্তি

মেমোরিকার্ড থেকে মুছে যাওয়া তথ্য ফিরিয়ে আনার উপায় জেনে নিন

13

অনেক সময় নিজের অসাবধানতার কারণে আপনার পিসি অথবা মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত মেমোরিকার্ডের সকল তথ্য হঠাৎ ডিলেক্ট হয়ে যায়। এ সময় আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হয়তো মুছে যায়। তবে আর চিন্তা নেই। এখন থেকে আপনি আপনার মেমোরিকার্ড থেকে মুছে যাওয়া সকল তথ্য পুনরায় ফিরিয়ে আনতে পারবেন। তবে তা করার জন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হলো-

১.http://www.piriform.com/recuva এই লিঙ্কটি থেকে রিকুভা নামের সফটওয়্যার ডাউনলোড করে আপনার পিসিতে ইনস্টল করুন।

২. সফটওয়্যারটি চালু করে প্রদর্শিত তালিকা থেকে Pictures অপশন নির্বাচন করে Next বাটনে ক্লিক করুন।

৩. এবার মুছে যাওয়া ছবি যে ফোল্ডার বা স্থানে ছিল তা নির্বাচন করে আবারও Next বাটনে ক্লিক করুন। এতে করে সফটওয়্যারটি মেমোরি কার্ড স্ক্যান করে মুছে যাওয়া JPEG ফরমেটের ছবি প্রদর্শন করবে। Switch to advanced mode বাটনে ক্লিক করে অন্যান্য ফরমেটের ছবিও খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

৪. এরপর আপনার হারানো ছবিগুলা নির্বাচন করার পরে Recover বাটনে ক্লিক করুন এবং আপনি এই ছবিগুলা কোথায় সেভ করে রাখতে চান সেটি ব্রাউজ অপশনে গিয়ে ঠিক করে দিন। এর পরপরই আপনার হারানো ছবিগুলো ওই ফাইলে ফেরত চলে আসবে।

read more
ট্রিকস এবং টিপসপ্রযুক্তি

আর নয় সেক্সুয়াল ট্যাবলেট একটি রসুনই পারবে একটানা ৩ঘন্টা সুখ দিতে !! বিস্তারিত ভিডিওটিতে

41

আর নয় সেক্সুয়াল ট্যাবলেট একটি রসুনই পারবে একটানা ৩ঘন্টা সুখ দিতে !! বিস্তারিত ভিডিওটিতে

আর নয় সেক্সুয়াল ট্যাবলেট একটি রসুনই পারবে একটানা ৩ঘন্টা সুখ দিতে !! বিস্তারিত ভিডিওটিতে

আর নয় সেক্সুয়াল ট্যাবলেট একটি রসুনই পারবে একটানা ৩ঘন্টা সুখ দিতে !! বিস্তারিত ভিডিওটিতে

 

 

 

 

ভিডিওটি দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন 

read more
ট্রিকস এবং টিপস

নারীর মন বুঝতে পুরুষের জন্য ৮ টি দারুণ টিপস । (দেখুন ভিডিওতে ক্লিক করে )

Capture

ভিডিওটি দেখতে নিচে যান

অন্যরা যা পড়ছেন

নীরা যে আমাকে মন থেকে কখনোই ভালোবাসেনি তা আমি রিলেশনের কিছুদিন পরেই টের পেয়েছিলাম। কিন্তু আমি জোর করিনি। একদম ছন্যছাড়া হয়ে চলছিলো আমাদের সম্পর্কটা। এটাকে সম্পর্ক বললে মনে হয় ভূল হবে। নীরার ই বা দোষ কোথায়! আর দশটা মেয়ের মতই নীরা ও আমার মেধাকে ব্যবহার করতে চেয়েছে।

ক্লাসের ফাস্ট বয়দের সবাই একটু সমীহ করে চলে যদি সে সমাজের উচ্চবিত্তের হয় তাহলে তো কথাই নেই। প্রথমে আমি তেমন ভাল ব্যবহার পেতাম নাহ ক্লাসমেট দের কাছথেকে কারন একটাই আমি মধ্যবিত্ত। তবে যখন থেকে পরিক্ষার ফলাফল আসা শুরু করলো তখন থেকেই সবাই কেমন যেন অবাক চোখে তাকাতো। আমি স্পস্ট দেখতে পেতাম তাদের চোখের চাহনিতে অনেক কিছুই অব্যক্ত।

লেখাপড়ায় আমার সাফল্য ছিলো চোখে পড়ার মতো, তাই খুব অল্প সময়ে সবার নজরে চলে আসলাম। নীরা ছিলো বড়লোক বাবার একমাএ মেয়ে। গাড়ীতে করে ভার্সিটিতে আসতো। খুব জিদি একটা মেয়ে। প্রথম যখন আমাকে প্রোপোজ করলো আমি খুব স্বাভাবিক ভাবেই না করে দিয়েছি। কারন তার আর আমার মিল কখনোই সম্বব না। তারপর তোহ সেই সিনেমার কাহিনি, আমি রাজী না হলে নাকি ছাদ থেকো লাফ দিয়ে সুইসাইড করবে। সবার জোরাজুরিতে তখনকার মতো রাজী হয়ে গিয়েছিলাম। তারপর শুরু আমার জন্য বিভিষিকা ময় দিন গুলো।

বেশ কিছুদিন হলো একটা ব্যাপার লক্ষ করছি যে, জান্নাত ইদানীং আমার দিকে কেমন জানি একটু জিঙ্গাসা দৃস্টিতে তাকিয়ে থাকে। যদিও আমি চোখের ভাষা বুঝতে পারিনা। তারপর ও কেমন যেন একটা অভীমান থাকে ওর দুই চোখে। হয়তো চোখ দিয়েই আমার কাছে যানতে চায় “কি ভূলে গেলে! কই এখন তোহ আর আগের মতো আমার খবর নাও না”

ভাবতেই আবাক লাগে আমার শরিরে আজ ফাস্ট বয় এর স্টেটাস তাই আমি বাকী সবার মতো আমার পুরোনো দিনের বন্ধুকে ভূলে গেছি সার্থপর হয়ে গেছি।

হম জান্নাত ছিলো আমার ভার্সিটির লাইফের প্রথম বন্ধু। মধ্যবিত্ত বলে যখন সবাই আমাকে ইগনোর করতো। ঠিক তখনই এই মেয়েটি আমার দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলো। মেয়েটি আমার মতই মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান। খুব সুন্দরি বলবোনা তবে চেহারায় যথেস্ট মায়া মায় ভাব আছে।
অবসর পেলেই সারাদিন বইয়ে মুখ ডুবিয়ে রাখতো। কয়েকদিন খুব ভালো সময় কাটছিলো আমাদের ফ্রেন্ডশিপ এর। তারপর পড়াশোনার চাপে আমি একটু ব্যস্ত হয়ে পরেছিলাম তাই যোগাযোগ টা কমে গিয়েছে। এখন ক্যাম্পাসে দেখা হলে মাঝে মাঝে একটুকরো শুকনো হাসি ফেরত দেয়।

read more
ট্রিকস এবং টিপসপ্রযুক্তি

সোয়াইন ফ্লু থেকে বাঁচতে কিছু ঘরোয়া উপায় এখনিই জেনে নিন

12

H1N1 ভাইরাস নামেও পরিচিত সোয়াইন ফ্লু। এবছর জুন মাস থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই রোগের ভাইরাস। ইয়ং অ্যাডাল্টরাও এদের শিকার। ৯ জুলাই ২০১৭-এর রিপোর্ট অনুযায়ী ১২ হাজার ৪৬০ জন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে বহু মানুষ সোয়াইন ফ্লু-তে প্রাণ হারিয়েছেন।

অন্যান্য জ্বরের মতোই সোয়াইন ফ্লু-য়ের লক্ষণগুলি। জ্বর, কাশি, সর্দি, মাথার যন্ত্রণা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, ডায়রিয়া, শরীরে ব্যথা, বমি প্রভৃতি। চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায় জেনে রাখুন। দ্রুত মুক্তি পাবেন।

১) ডায়রিয়া প্রতিরোধ করতে জলের পাশাপাশি তরল জাতীয় খাবার, যেমন, জুস, গরম স্যুপ প্রভৃতি খেতে হবে।

২) ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে আদা-রসুনের জুড়ি মেলা ভার। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে।

৩) সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধ করার সবথেকে বড় উপাদান হল তুলসী পাতা। যা একদিকে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে, একইসঙ্গে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৪) ইনফেকশন প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজন অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। যা রয়েছে হলুদে। যদি আপনার দুধে কোনও অ্যালার্জি না থাকে, তাহলে এক গ্লাস গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খেয়ে নিন।

৫) আমলকীতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি থাকে। যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস উপাদান হিসেবে খুবই শক্তিশালী। এবং ইনফেকশন প্রতিরোধ করার জন্য দারুণ উপযোগী।

read more
ট্রিকস এবং টিপসপ্রযুক্তি

সহজে জেনে নিন ফেসবুকের ভুয়া নিউজ

15

খবরের কাগজ, টেলিভিশনের পাশাপাশি প্রতিদিনের খবরাখবর সংগ্রহের নতুন মাধ্যম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো। এতে যখন-তখন বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসে পাওয়া যাচ্ছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খবর। তবে সমস্যাও আছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে ভুয়া খবর ও গুজব ছড়ানোর প্রবণতা। এতে বিভ্রান্ত হচ্ছেন পাঠক।

এই বিপত্তি কিছুটা হলেও কমিয়ে আনতে পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুক। যোগাযোগের মাধ্যমটিতে ভুয়া খবর চেনার ১০ উপায় জানিয়েছে তারা। তারা ওই উপায়গুলো জানিয়ে দ্য টাইমস ও দ্য গার্ডিয়ানের মতো জনপ্রিয় খবরের কাগজগুলোতেও বিজ্ঞাপন দিয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ফেসবুকে ভুয়া খবর চেনার সেই ১০ উপায় কী? চলুন, দেখে নেওয়া যাক একনজরে।

১. খবর পড়ার আগে দেখে নিন শিরোনাম। কারণ, ভুয়া খবরের শিরোনামগুলো অনেক সময় সন্দেহের সৃষ্টি করে।

২. খবর পড়ার আগে দেখে নিতে হবে সেটির ওয়েবসাইট ঠিকানা। অপরিচিত বা সন্দেহজনক কোনো ঠিকানা দেখলে খবরটি ভুয়া হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।

৩. খবরটির সূত্র বা সোর্স যদি অপরিচিত হয় অথবা কোনো সূত্র না থাকে, তাহলে ওই খবরে বিশ্বাস না করাই ভালো।

৪. ভুল বানান ও খবরটি সম্পাদনার ধরন দেখে সহজেই চেনা যেতে পারে ভুয়া খবর।

৫. খবরে প্রকাশিত ছবিগুলো কতটুকু সংগতিপূর্ণ, তা বিবেচনায় আনতে হবে। কারণ, ভুয়া খবরে অনেক সময় অপ্রাসঙ্গিক ছবি দেওয়া হয়।

৬. খবরে বর্ণিত ঘটনাটি কখন ঘটেছে, সেটা জানা জরুরি। ভুয়া খবরের প্রয়োজন হয় না সঠিক স্থান-কাল।

৭. সঠিক প্রমাণ ছাড়া খবরের কোনো ভিত্তিই থাকে না। তাই পড়ার আগে দেখে নিন, সঠিক প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে কি না।

৮. কোনো খবর দেখে হুট করে বিশ্বাস করার দরকার নেই। দেখে নিন অন্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের সঙ্গে সেটির মিল আছে কি না।

৯. যে খবর পড়ছেন, সেটি কৌতুক নয় তো? বিশ্বাস করার আগে যাচাই করে নিন।

১০. প্রকাশিত খবরটি মজা করে করা হতে পারে। তাই ওই খবরগুলোকে মজা হিসেবেই নিতে হবে। বিশ্বাস করার দরকার নেই।

read more